বাড়তি ওজন

বাড়তিওজন নিয়ে কি ভাবছো?

Shariful Islam Shourav: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে ওজন কমানো যায়?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ওজন* *বাড়তিওজন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 'জিম' ছাড়া ওজন কমানোর কি কি উপায় রয়েছে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*জিম* *ওজনকমানো* *বাড়তিওজন* *ওজনসমস্যা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুধু স্বাদেই নয় ঔষধী গুণেও মসলার তুলনা হয় না। মসলার আছে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা। মসলা মেটাবলিজম বাড়ায়। ফলে এগুলো ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। যারা ওজন কমাতে চান তারা জেনে নিতে পারেন কোন কোন মসলা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে-

দারুচিনি
ওজন কমাতে দারুচিনি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত দারুচিনি খেলে ক্ষুধা কমে যায়। শরীরের জমে থাকা মেদ গলাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এছাড়াও পেটের রোগ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, টায়ফয়েড, টিবি ও ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুচিনি অনন্য ভূমিকা রাখে।

এলাচ
এলাচে রয়েছে নানা রকম রাসায়নিক উপাদান। যেমন: টর্পিন, টপিনিনোল, সিনিওল, এসিটেট, টপিনিল ইত্যাদি। এইসব উপাদান শরীরের ফ্যাটবার্ন করার ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে শরীরে ফ্যাট জমে না।

আদা
আদা শুধু সর্দি-কাশিতেই উপকারি না, এর রয়েছে অনেক গুণ। পেট পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে আদা রাখতে পারে বিশেষ ভূমিকা। এটি পাচনতন্ত্রে জমে থাকা খাবার পরিষ্কার করে দেয় ফলে ফ্যাট জমতে পারে না। ফ্যাট না জমলে তো ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবেই। আর গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস সমস্যাতেও আদা খুবি কার্যকরী। এছাড়া আদার রস শরীরের জমে থাকা চর্বি দূর করতে সহায়তা করে।

হলুদ
হলুদের বিশেষ গুণ এই যে, এটি ফ্যাট টিস্যু তৈরি হতে দেয় না। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

মরিচ
মরিচে রয়েছে অ্যাকজেলিক এসিড, কিউনিক এসিড, অ্যামিনো এসিড, এস্কার্বিক এসিড, সাক্সিনিক এসিড, শিকিমিক এসিড, ফোলিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, ম্যালিক এসিড, মেলানিক এসিড, আল্ফা-এমিরন, ক্যান্সিডিনা, ক্যারোটিন্স, ক্রিপ্টোক্যানসিন, ফ্ল্যাভনয়েডস প্রভৃতি। এগুলো ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। আর মরিচের ক্যাপসিসিন ক্ষুধাও নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে মরিচ মেটাবলিজম বাড়িয়ে বেশি ক্যালরি বার্ন করতে সহায়তা করে।

মৌরি
মৌরি পাচনতন্ত্রের উপকার করে, খিদে কমায়। আর এটি লিভারেরও উপকার করে। মৌরি মাউথ ফ্রেশনার হিসেবেও কাজ করে।

ইসবগুল
ইসবগুল পেট পরিষ্কার রাখে, হজম শক্তি বাড়ায়। আর ক্ষুধা অনুভব কমায়। প্রতি রাতে শোয়ার আগে ইসবগুল খেলে ওজন কমবে। কোন কোন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ প্রতিবেলা খাবারের ১০ মিনিট পূর্বে তিন চামচ ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

জিরা
বদহজম, পেট ফোলা এবং খাবারে অরুচি সমস্যায় জিরা খুবই উপকারি। পাইলস সমস্যায় মিছরির সাথে জিরা মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত জিরা খেলে ওজন কমে। বেশি খাবার খাওয়ার অস্বস্তি থেকেও জিরাপানি মুক্তি দেয়।

সহযোগিতায়ঃ জাগোনিউজ
*মসলা* *ওজনসমস্যা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *বাড়তিওজন*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সারাদিন বসে কাজ করেন। ফ্যাট ফ্রি, লো ক্যালরি ফুড খাওয়ার চেষ্টা করেন, যেমন সকালটা স্রেফ তিন-চার কাপ চা খেয়েই কেটে যায়। গ্রিলড চিকেন, স্যালাড, ফল সবই খেতে চেষ্টা করেন। এক্সারসাইজের জন্যে সময় দেন। কিন্তু কিছুতেই ওজন কমছে না। সারাদিন বসে কাজ করছেন বলেই হয়তো আপনার ওজন কমছে না। ওজন কমিয়ে সুস্থ থাকার জন্যে চারটি প্রাথমিক নিয়ম মেনে চলা খুবই দরকার। 


প্রথম, সকালে ঘুম থেকে উঠেই কিছু একটা খান। চা বা কফি দিয়ে শুরু করবেন না। দ্বিতীয়, প্রতি দু’তিন ঘণ্টা অন্তর অল্প অল্প কিছু খান। অনেক ওয়র্কিং ওম্যানই সারা সকাল এবং দুপুরের প্রথম ভাগ প্রায় কিছু না খেয়েই কাটিয়ে দেন। ফলে বিকেলের দিকে খিদে বেশ অনেকটাই বেড়ে যায়। ক্যালরির তোয়াক্কা না করে তখন তাঁরা যা প্রাণ চায় তাই খেয়ে নেন। ফলে ওজনের বিশেষ কোনও তারতম্য শরীরে দেখা যায় না। তৃতীয়, কতটা খাবার খাবেন তা নির্ভর করবে আপনার অ্যাক্টিভিটির উপর। অর্থাত্‌ আপনি যখন বেশি কাজে ব্যস্ত তখন খাওয়ার পরিমাণ বেশি হবে। যখন তেমন কোনও কাজ নেই তখন কম পরিমাণে খান। চতুর্থ, রাতের খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুতে যাবেন না। ডিনার টাইম এবং বেড টাইমের মধ্যে অন্তত দুঘণ্টার পার্থক্য যেন অবশ্যই থাকে।


মিল প্ল্যান
  • সকালে উঠেই একবাটি পছন্দের ফল খান। পেঁপে খেতে পারলে ভাল হয়।
  • অবশ্যই ভাল ব্রেকফাস্ট করবেন। অফিসের তাড়া থাকলে দুধ বা দই দিয়ে মিউজ়লি এবং কয়েকটা বাদাম খেয়ে নিন। এনার্জি পাবেন।
  • অফিসে পৌঁছে কিছুক্ষণ কাজ করার পর খিদে পেলে সাড়ে বারোটা নাগাদ লাঞ্চ সেরে ফেলুন। লাঞ্চে খেতে পারেন গ্রিলড চিকেন এবং হোলহুইট টোস্ট। দুপুর আড়াইটে-তিনটে নাগাদ এক পিস চিজ় খেতে পারেন।
  • বাড়ি ফিরে খিদে পেলে স্যুপ, পাস্তা অথবা পছন্দের হালকা কিছু খান। এই সময়ে খাওয়ার আগে ওয়র্কআউট করে নিতে পারেন।
  • রাতের খাবার খেয়ে নিন সাড়ে ন’টার মধ্যেই। সবজি এবং মাছ যেন অবশ্যই থাকে। খাওয়ার দুঘণ্টা পরে শুতে যান।

*ওজনসমস্যা* *বাড়তিওজন* *মিলপ্ল্যান* *ডায়েট* *হেলথটিপস* *লাইফস্টাইলটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাড়তি মেদ ঝরাতে সবার আগে দরকার খাওয়াদাওয়ায় একটু নজর দেওয়া। চার বেলা আহারে গাদা গাদা খাবারে পেট ভরানোর বদলে পুরোটাকে ভাগ করে নিন ছ’ সাত বারে। ভাগে ভাগে খেলে খিদের চোটে অনেকখানি খেয়ে ফেলার আশঙ্কা কম। গুগ্‌ল ঘেঁটে খেয়াল খুশি মতো ডায়েটের পথে হেঁটে বিপদ না বাড়িয়ে ডায়েটিশিয়ানের কাছে গিয়ে একটা ফুড চার্ট তৈরি করে নিন। সেটা মেনে ধাপে ধাপে খেলে ঝরানোটা সহজ হবে।
 'সকালের ব্রেকফাস্ট হোক সবচেয়ে ভারী, তার পরে প্রতি বারে কমিয়ে নিন খাবারের পরিমাণ। রাতের খাওয়ার পরিমাণ হতে হবে সবচেয়ে কম। কারণ তার পরেই ঘুমিয়ে পড়েন মানুষ। কোনও রকম কায়িক পরিশ্রমে ক্যালোরি বার্নের সুযোগ থাকে না। 

এড়িয়ে চলুন চিজ, মাখন, রেড মিটের মতো স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং পেস্ট্রি বা ফাস্ট ফুডের মতো প্রসেস্‌ড ফুড। অলিভ অয়েলে রান্না, সিরিয়ালস, অল্প পরিমাণে ভাত, রুটি, ওট্‌স, ডাবল টোনড দুধের মতো প্রোটিন-কাবোর্হাইড্রেটের খাবার থাক রোজকার খাদ্যতালিকায়'।
তাহলে! খুব কি কঠিন মেদ তাড়ানো? মেদ তো বলেছে যাব যাব, এবার একটু নিজের ব্যাপারে যত্নশীল হোন :) 
*মেদভুড়ি* *পেটেরমেদ* *বাড়তিওজন* *ওজনসমস্যা* *স্লিমিংটিপস*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমানে লাইফস্টাইলে বেশির ভাগ বাচ্চারাই ওভার ওয়েটের সমস্যার ভোগে। আসলে এর জন্য ওদের দোষ দিয়েও লাভ নেই। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে স্কুলে যাওয়া, তারপর বাড়ি ফিরে টিভি দেখা বা ভিডিও গেম খেলা। ফলে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি খুব কম। আর বাবা-মাও এত ব্যস্ত থাকেন সবসময় বাচ্চাদের জন্য টিফিন বানিয়ে দেওয়াও সম্ভব হয় না ফলে বাইরের খাবারের দারস্থ হতে হয়। অনেকেই আছেন যারা অশান্তি এড়াতে বাচ্চারা যা খেতে চায়, তাই দিয়ে দেন। গবেষণায় দেখা গেছে ১০-১৫ বছর বয়সী যে সমস্ত বাচ্চারা ওভারওয়েট তাদের বেশিরভাগই ২৫ বছর বয়সে গিয়ে ওবেস হয়ে যায়। 
আপনাকে বলব মেয়ের ওজন কমানোটাই যেন শুধু আপনার একমাত্র লক্ষ্য না হয় ওজন কমিয়ে কী করে সেই ওজন মেনটেন করবেন সেটাও কিন্তু মাথায় রাখতে হবে। আপনার মেয়েকে বোঝাতে হবে ফিট থাকা কত জরুরি। ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে শরীরের কী কী ক্ষতি পারেন সেটা ভাল করে বোঝান। আর ফুড হ্যাবিটের ক্ষেত্রে বলব সব বাচ্চারই এখন এই সমস্যা। আসলে সময়ের সঙ্গে বাচ্চাদের ফুড হ্যাবিট অনেকটাই বদলে গেছে। বাইরের খাবারের আকর্ষণ অনেক বেশি, ফলে বাড়ির খাবার তাদের মুখে রোচে না। তবে এতে ওদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। খাবারের স্বাদ যদি ভাল না হয়, তা হলে খেতে কারই বা ভাল লাগবে। 

আপনাকে একটু বুদ্ধি করে আপনাকে মেয়ের ডায়েট প্ল্যান করতে হবে। খাবার এমন হবে যাতে যথাযথ পুষ্টি থাকবে আর খেতেও সুস্বাদু হয়। রোজ একই খাবার না দিয়ে একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেতে দিন। বাইরের জাঙ্ক খাবারের রিপ্লেসমেন্ট খুঁজে বার করুন। যেমন ধরুন আপনার মেয়ে বার্গার খেতে চাইছে, দোকান থেকে কিনে না দিয়ে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন। হুইট ব্রেড বা মাল্টিগ্রেন ব্রেড ব্যাবহার করুন আর তার সঙ্গে সয়াবিন, গাজর, বিন সব মেখে প্যাটি তৈরি করুন। ডিপ ফ্রাই না করে, নন স্টিক তাওয়ায় হালকা রোস্ট করে নিন। খাবারের স্বাদ যদি বজায় থাকে, তা হলেই দেখবেন মেয়ে কিন্তু বাইরের খাবার ভুলে বাড়ির খাবার নিজে থেকেই খেতে চাইবে। ওকে টিফিনে চিকেন স্যান্ডুইচ দিতে পারেন। কোনদিন আবার ময়দা, দুধ, ডিম, বাদামগুঁড়ো দিয়ে প্যানকেক তৈরি করে দিলেন। না হলে সবজি ও চিকেন দিয়ে রোল (অবশ্যই কম তেল দিয়ে) তৈরি করে দিলেন। টিফিনের সঙ্গে প্রতিদিন কয়েকটা করে খেজুর দিয়ে দেবেন।
বাড়িতেই কিন্তু সব খাবারই তৈরি করা যায়, খালি আপনাকে একটু ইনোভেটিভ হতে হবে। খাবার পরিবেশন করার সময় সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। এতে ওর খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে। আর দেখুন বাচ্চারা তো বড়দের দেখেই শিখবে। তাই ওর সঙ্গে সঙ্গে আপনাকেও কিন্তু যতটা সম্ভব বাইরের খাওয়ার কম খেতে হবে। তবে খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে এক্সারসাইজ় করা মাস্ট। আপনার মেয়েকে জগিং, স্কিপিং, যোগব্যয়ম করতে বলুন। এতে ওজন নিশ্চিতভাবে কমবে। 

তথ্যসুত্র: ইন্টারনেট 
*ওজনসমস্যা* *বাড়তিওজন* *অতিভোজ* *লাইফস্টাইল* *মা-মেয়ে*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আমার ভাবীর সিজারিয়ান বেবি হওয়ার ৩ মাস পর গলব্লাডার অপারেশন হয় l তারপর থেকে তলপেটে মেদ জমছে, ওজনটাও অনেকটা বেড়েছে l কিছু সাজেশন পেলে ভালো হয় l

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*পেটেরমেদ* *ওজনসমস্যা* *স্বাস্থ্যঝুঁকি* *বাড়তিওজন* *মেদভুড়িসমস্যা* *লাইফস্টাইলটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*

মোস্তফা মাসুদ আব্দুল্লাহ: চিকন বা রোগা হতে চান? কমলালেবু খান ================= মিষ্টি এবং রসে ভরপুর কমলা লেবু সারা বাংলাদেশ জুড়ে বেশ জনপ্রিয়৷ এই ফলটি আমাদের শরীরে ভিটামিন সি এবং ফোলেট বলে একটি উপাদান এর পুষ্টি যোগায়৷ শুধু তাই নয় এই ফলটি আপনার শরীরের বাড়তি মেদকেও ঝড়িয়ে দেয়৷ এটি ভীষণ ভারী, ফলে আপনার শরীরে বাজে ক্যালোরি যোগ হওয়ার থেকে পুরেপুরি বিরত রাখে৷ এর সঙ্গেও কমলালেবুর মধ্যে থাকা স্বাভাবিক মিষ্টি আমাদের শরীরের গ্লুকোজের চাহিদাটাও মিটিয়ে দেয়৷ কিন্তু এতে মিষ্টি থাকা সত্ত্বেও কমলালেবুতে খুবই কম ক্যালোরি থাকে৷এতে অনেক ফাইবারও পাওয়া যায়৷ তাই এই ফলটি খাওয়ার পর তা পাকস্হলীকে বেশ অনেকটা সময় পর্যন্ত ভর্তি রাখে এবং আপনার খিদের চাহিদাটাও মিটিয়ে দেয়৷এর পাশাপাশি যখন আপনি ব্যায়াম করবেন তখন এই ভিটামিন সি আপনার শরীরের জমে থাকা বাড়তি মেদকেও দ্রুত ঝড়াতে সাহায্য করবে৷ তবে যদি আপনি আপনার মেদ ঝড়াতে চান তাহলে কমলালেবুর জুস না খেয়ে একটা গোটা বা অর্ধেকটা কমলা খাওয়ার চেষ্টা করুন৷কারণ কমলার জুসে মিষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকে যা শরীরের পক্ষে খারাপ৷কমলালেবুর জুস এড়িয়ে চলার আরেকটা কারণ হল এতে ফাইবার একদম থাকে না বললেই চলে তাই আপনার শরীরে খিদের চাহিদাও মেটে না তাই আপনি কোনও ভাল ফলও পাবেন না৷====মোস্তফা মাসুদ

*বাড়তিওজন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পর্যাপ্ত পানি পান কি ওজন কমাতে সহায়ক? কিভাবে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ওজনসমস্যা* *বাড়তিওজন* *স্বাস্থ্যতথ্য* *স্লিমিংটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★