বিজয়ের মাস

বিজয়েরমাস নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: [বিজয়-জিতছি] শুরু হলো বিজয়ের মাস। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ৩০ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীনতা। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া সুসজ্জিত বাহিনী মুক্তিকামী মানুষের কাছে আÍসমর্পণ করে এ মাসেই। রচিত হয় বাঙালির নতুন ইতিহাস। বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ। সর্বক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে বিজয়। বিজয়ের মাসে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

*বিজয়েরমাস*

সুমন: আজ ৩রা ডিসেম্বর. ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারত, বাংলাদেশ এর সাথে স্বাধীনতা যুদ্ধে সম্মিলিত ভাবে অংশ নেয়.

*বিজয়েরমাস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

শুরু হল বাঙ্গালি জাতির অহংকারের মাস... (আতশবাজি)(আতশবাজি)সবাইকে বিজয়ী শুভেচ্ছা(আতশবাজি)(আতশবাজি)
*বিজয়েরমাস* *ডিসেম্বর*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

বছর শেষ, শেষ বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

*বিজয়েরমাস* *২০৭১*

আমানুল্লাহ সরকার: [বিজয়-জিতছি] সবুজের বুকে লাল সে তো উড়বেই চিরকাল(খুশীতেআউলা) সবাইকে বিজয়ী শুভেচ্ছা।

*বিজয়েরমাস*

আমানুল্লাহ সরকার: [বিজয়-শহিদবুদ্ধিজীবীদিবস] ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর হাতে নিহত জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

*বুদ্ধিজীবীদিবস* *বিজয়েরমাস*

Risingbd.com: মিত্রবাহিনীর হামলা ও আক্রমণে কাঁপছে ঢাকা এইদিনে ঢাকা বিজয়ে প্রচন্ড হামলা চলতে থাকে রাজধানীর চারদিকে। নিয়াজিদের হৃৎকম্প তখন তুঙ্গে। ১৩ ডিসেম্বর রাত থেকে ১৪ ডিসেম্বর ভোর পর্যন্ত পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে মিত্রবাহিনীর কামান অবিরাম গোলা ছুড়ে চলেছে। গভর্নর মালিকের মন্ত্রিসভা ....বিস্তারিত পড়ুন- http://bit.ly/1Rjnv3p

*স্বাধীনতাযুদ্ধ* *যুদ্ধ* *১৯৭১সাল* *১৯৭১* *বিজয়েরমাস* *১৬ই-ডিসেম্বর* *ডিসেম্বর* *ভাগ্য* *দেশজুড়ে* *ইতিহাস* *বাংলারইতিহাস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ১২ ডিসেম্বর ২০১৬। বাঙ্গালি জাতির গৌরগাঁথা বিজয় উৎসবের আর মাত্র ৩ দিন বাঁকি। আজকের এই দিন অর্থাৎ ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল বহু ঘটনার স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে বাংলাদেশের চারদিক থেকে মুক্তিবাহিনীর বিজয়ের খবর আসতে থাকে। পাকিস্তানি বাহিনী একের পর এক জায়গায় নাস্তানাবুদ হতে থাকে। ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের এই দিনে নীলফামারী , গাইবান্ধা, নরসিংদী, সরিষাবাড়ী, ভেড়ামারা, শ্রীপুরসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলা শত্রু মুক্ত হয়।
 
১২ ডিসেম্বর, ১৯৭১। একাত্তরের রক্তঝরা এ দিনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল গুল হাসান টেলিফোন করে জেনারেল নিয়াজীকে আশ্বস্ত করেন, ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় দিক থেকে বন্ধুরা এসে পড়বেন। গুল হাসানের কাছ থেকে এ আশ্বাস শুনে ঢাকায় পাকিস্তানী সামরিক কর্তৃপক্ষ নিজেদের প্রতিরক্ষার আয়োজন নিরঙ্কুশ করতে ২৪ ঘণ্টার জন্য কারফিউ জারি করে ঘরে ঘরে তল্লাশি চালায়। এ সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এ দেশীয় দোসর আলবদর বাহিনী মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সহানুভূতিশীল পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের আটক ও হত্যা শুরু করে।
 
চীন এ সময় পাকিস্তানী ঘাতকদের সমর্থনে পুরোপুরি অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আজকের দিনে পিকিং রেডিও ঘোষণা করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারতের মাধ্যমে মূলত চীনকেই দমন করতে চায়। বিশ্বে আধিপত্য বিস্তারকেই ভারতের মাধ্যমে ‘তথাকথিত’ বাংলাদেশ সমর্থনের অন্যতম কারণ। এছাড়াও আজকের এ দিনে চীনা প্রতিনিধি হুয়াং হুদা নিউইয়র্কে আলেকজান্ডার হেগকে জানান, চীন কেবল আরেকবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আগ্রহী। উপমহাদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। কিন্তু চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতসহ মিত্র দেশগুলো।
 
চারদিকে শুধুই মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়, আর পাক হানাদারদের পরাজয়ের খবর। ঢাকাবাসী এ সময় অভীষ্ট আনন্দ আর অজানা আশঙ্কার এক অদ্ভুত দোলাচলে ছিলেন। অতি কট্টোর পাকিস্তান সমর্থকরাও এখন আর দেশটির অখ-তা সম্পর্কে বড় কথা বলার সাহস দেখাচ্ছে না। স্বাধীনতার ওই মাহেন্দ্রক্ষণটি কখন আসবে সেই মুহূর্তটি দেখতে অধীর অপেক্ষায় ঢাকাবাসী।
 
এদিকে ঢাকা বিজয় করতে চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী ঘেরাও করে ফেলে। ডিসেম্বরের এ দিন বিকেলেই ভারতের চার গার্ডস ইউনিট ঢাকার ডেমরা ঘাটের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে পৌঁছে যায়। সূর্যাস্তের আগেই জামালপুর ও ময়মনসিংহের দিক থেকে জেনারেল নাগরার বাহিনী টাঙ্গাইলে প্যারাস্যুট ব্যাটেলিয়নের সঙ্গে যুক্ত হয়। এর ফলে ঢাকা অভিযানের সর্বাপেক্ষা সম্ভাবনাপূর্ণ পথের ব্যবহার শুরু করা সম্ভব হয়ে ওঠে।
 
এদিকে দেশের বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা হামলা ও যৌথবাহিনীর ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে টিকতে না পেরে ভীতসন্ত্রস্ত পাকিস্তানী বাহিনী বিভিন্ন এলাকার ক্যাম্প ছেড়ে পালাতে থাকে। নিজ ভূমির সার্বভৌমত্ব ও পৃথক একটি পতাকার জন্য তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনসাধারণ মরিয়া হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তহীন বৈষম্য আর নিপীড়নের বন্দীদশা থেকে মুক্ত হওয়ার দুর্বার আন্দোলনের শেষ অধ্যায়ে পৌঁছে গেছে বীর বাঙালী।
 
এদিন বঙ্গোপসাগর থেকে ২৪ ঘণ্টার দূরত্বে মার্কিন সপ্তম নৌবাহিনী নিশ্চল দাঁড়িয়েছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ততদিনে পাকিস্তানী বাহিনী পালিয়েছে। অধিকাংশ অঞ্চলই তখন কার্যত স্বাধীন হয়ে পড়ে। আর ঢাকার বিজয় নিশ্চিত করা তখন শুধু সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
(মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংগৃহীত)
*বিজয়েরমাস* *১৯৭১* *মুক্তিযুদ্ধ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যে কোন উৎসব আর নুতন আয়োজন মানেই মিষ্টির ছড়াছড়ি। হোক সেটা বর্ষ বরণ, বিয়ে কিংবা বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান সব খানেই মিষ্টির আধিপত্য। চলছে ডিসেম্বর মাস। এ মাসেও বাঙ্গালির ঘরে ঘরে শোভা পাবে বিজয় আনন্দের বিজয় মিষ্টি। বাঙ্গালির বিজয়ের এই মাসে  মিষ্টি মুখ হোক বিভিন্ন জেলার মিষ্টি দিয়ে। আজকের আয়োজন বিজয় দিবসে বিভিন্ন জেলার মিষ্টি নিয়ে।  

টাঙ্গাইলের চমচমঃ
আমাদের এই উপমহাদেশে জনপ্রিয় মিষ্টি গুলোর মধ্যে টাঙ্গাইলের চমচম  অন্যতম। এই মিষ্টি এখনো তার পুরনো ঐতিহ্য নিয়ে  কীর্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। এর গ্রহনযোগ্যতা কিশোর যুবা বৃদ্ধ সবার কাছেই সমান। দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানান বর্নের, স্বাদের চমচম তৈরী হলেও ইট রঙের টাঙ্গাইলের এই চমচম অনন্য। বিজয়ের এই মাসেও ঘরে রাখতে পারেন টাঙ্গাইলের চমচম। বাজারে প্রতি কেজি চমচমের দাম ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।

যশোরের জামতলার স্পঞ্জঃ
জামতলার রসগোল্লার স্পঞ্জের আসল নাম সাদেক গোল্লা। এই সাদেক গোল্লা এখন জামতলার মিষ্টি হিসেবে দেশ-বিদেশে সমাদৃত। যশোরের শার্শা উপজেলার জামতলার এই রসগোল্লা দীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য ধরে রেখে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে। এই মিষ্টি অনেকটা বাদামি টাইপের তবে মাঝে মাঝে এটি সাদাটে টাইপের হয়। বিজয় দিবসের উৎসবে আপনিও কিনে নিতে পারেন ঐতিহ্যবাহী এই মিষ্টি। প্রতি কেজি স্পঞ্জের দাম দাম ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।

পাবনার ঐতিহ্যবাহী কালোজামঃ
কালোজাম কিনুন
পাবনার ঐতিহ্যবাহী একটি মিষ্টির নাম কালোজাম। আমরা রাজধানী সহ সারা দেশে যে কালোজাম পাই তার চেয়ে পাবনার কালোজাম ভিন্নধর্মী ও সুস্বাদু। এই কালোজাম স্পেশাল সুস্বাদু ছানা দিয়ে তৈরী করা হয়। পাবনার ঐতিহ্যবাহী প্যারাডাইস এর মুখরোচক কালোজাম মিষ্টি প্রতি কেজির দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা। পাবনা থেকে কিনে নিতে পারেন অথবা অনলাইনে আজকের ডিলে পাওয়া যাচ্ছে। তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে নক করুন। 

মেহেরপুরের বিখ্যাত সাবিত্রীঃ
মেহেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি সাবিত্রী  ১৮৬১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তাদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এই মিষ্টি তৈরির বর্তমান মালিক ও কারিগর জানালেন, এটি তৈরি করার যে কৌশল তা কেবল তাদের বংশপরম্পরায় সীমাবদ্ধ। আজ থেকে তাদের পাঁচ পুরুষ আগে পঞ্চানন শাহা কৌশলটি আবিষ্কার করেছিলেন। এই মিষ্টি সাধারণত অর্ডার ছাড়া মিষ্টি খুব কম তৈরি করা হয়। বিজয়ের মাসে ঐতিহ্যবাহী এই মিষ্টি খেতে চাইলে ঘুরে আসুন আজকের ডিল থেকে। 


গাইবান্ধার বিখ্যাত রসমঞ্জুরীঃ 
গাইবান্ধার ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু এক মিষ্টির নাম রসমঞ্জরী। দেশভাগেরও আগে থেকে এ এলাকায় পাওয়া যেত এই মিষ্টি। সে সময় শহরের মিষ্টি ভান্ডারের মালিক রামমোহন দে তৈরি শুরু করেছিলেন এই মিষ্টি। এখন তো পুরো এলাকায় নানা মিষ্টির দোকানে পাওয়া যায় এটি। কেজিপ্রতি দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা। দোকানে গিয়েও খেতে পারেন। অনলাইনেও কিনতে পারেন।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন  বিজয় দিবসের মিষ্টি

*মিষ্টি* *মিষ্টিমুখ* *বিজয়েরমিষ্টি* *বিজয়েরমাস* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং*

রানা মাসুদ: [বিজয়-বিজয়২] আমাদের পূর্ব পুরুষ যারা তারা জানেন পরাধীনতা কি যিনিশ। কেমন যন্ত্রণার পরাধীনতার শৃঙ্খল। কে চায় স্বাধীনতা ছাড়া চলতে? আমরা সত্যি গর্বিত আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছি।জ্ঞান হওয়ার পর আমরা জেনেছি আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। বিজয়ের মাসে শহীদ মুুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতার বীর সৈনিকদের প্রতি আমাদের বিনীত শ্রদ্ধা।

*বিজয়েরমাস*

আমানুল্লাহ সরকার: [বিজয়-পাইছিতোরে]এই দিনে মুক্ত হয় কুমিল্লা মুক্তিযুদ্ধের আগুনঝড়া দিনগুলোর আজকের এই দিনে হানাদারমুক্ত হয় কুমিল্লা ও ময়মনসিংহের গৌরীপুরসহ দেশের বেশ কিছু এলাকা। পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামসরা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পরাজয় বরণ করে।

*বিজয়েরমাস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চলছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। আর ক’দিন পরেই মহান বিজয় দিবস। বিজয় মানেই আনন্দ। বিজয়ের এই আনন্দ  আমরা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। কিন্তু! বিজয়ের মাসে পোশাকে যদি বীর বাঙ্গালির বিজয়ী বেশ না থাকে তাহলে কেমন জানি অপূর্ণতা থেকে যায়। নিশ্চয় আপনিও এই দিনটিতে বিজয়ীর বেশে সাজতে চান?  আপনিও কি এই দিনটাতে লাল সবুজের পতাকার রং গায়ে মাখাতে চান? আমার মত আপনার চাওয়াটা যদি একই রকম হয় তাহলে এই ৫টি টি-শার্ট আপনার জন্য।


হৃদয়ে বাংলাদেশ টি-শার্ট
টি-শার্টটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত এ টি-শার্টটি বিজয়ের স্মৃতি বহন করে। বিজয়ের দিনে এই টি-শার্টটি আপনাকে মনে প্রাণে বিজয়ী করে তুলতে সাহায্য করবে। সাথে অসাধারণ আউটলুক তো দেবেই।
বিস্তারিত-
-স্টাইলিশ ও আরামদায়ক বয়েজ সামার টি-শার্ট
-ফেব্রিক্স- কটন
-ফেব্রিকেশন - ১৬৫ থেকে ১৭৫ জিএসএম
-সাইজ : M, XL
-মেজারমেন্ট : ‍ ‍M : চেস্ট- ১৯, লেন্থ- ২৭
-‍L : চেস্ট- ২০, লেন্থ- ২৮
-‍XL : চেস্ট- ২২, লেন্থ- ২৯
-দাম ২৮০ টাকা

জেন্টস টি-শার্ট বাংলাদেশের পতাকা
টি-শার্টটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
বুকে আমার বাংলার পতাকা। আমি বিজয়ী, আমি বাঙ্গালি। সত্যিই এই টি-শার্টটি পরলে নিজেকে গর্বিত বাঙ্গালি বলে মনে হয়। বিজয়ের মাসে আপনার গায়েও বাংলার পতাকা জড়িয়ে নিন।
বিস্তারিত-
-ফেব্রিক: কটন 
-সাইজ: 
-S (চেষ্ট - ৩৮, লেংথ - ২৫)
-M (চেষ্ট -৪০, লেংথ - ২৬)
-L (চেষ্ট - ৪২, লেংথ - ২৭)
-XL (চেষ্ট - ৪৪, লেংথ - ২৯)
-দাম-২৪০ টাকা

ফুল-স্লিভ টি-শার্ট
টি-শার্টটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
প্রকৃতিতে একটু শীত শীত ভাব। বিজয়ের এই সময়টাতে শীতের আনাগোনা থাকবে। শীতের তীব্রতাকে জয় করে বিজয়ীর বেশে নিজেকে সাজিয়ে তুলুন এই টি-শার্টটি দিয়ে।
বিস্তারিত-
-ফেব্রিকঃ কটন 
-ফেব্রিকেশনঃ ১৭০ জিএসএম 
-সাইজঃ M, L, XL. 
-M-লেন্থঃ ২৭"/ চেস্টঃ ৩৮"; L-লেন্থঃ ২৮"/ চেস্টঃ ৪০"; XL-লেন্থঃ ২৯"/ চেস্টঃ ৪২" 
-হাই কোয়ালিটি ফেব্রিক
-দাম-৪৯৯ টাকা

ঐতিহ্য টি-শার্ট
টি-শার্টটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
মানচিত্র আমাদের ঐতিহ্য। স্বাধীনতা দিবসে মানচিত্র খচিত বাংলাদেশ লেখা টি-শার্টটিতে যারা নিজেকে সাজাতে এই প্রোডাক্টটি তাদের জন্য।
বিস্তারিত-
-আবহমান বাঙালি ঐতিহ্যের পরিচায়ক স্টাইলিশ ও আরামদায়ক টি-শার্ট
-ফেব্রিক: কটন
-ফেব্রিকেশন: ১৬০ জিএসএম
-সাইজ:
-S (লেংথ - ২৬, চেষ্ট - ৩৬)
-M (লেংথ - ২৭, চেষ্ট - ৩৮)
-L (লেংথ - ২৮, চেষ্ট - ৪০)
-XL (লেংথ - ২৯, চেষ্ট - ৪৩)
-টি-শার্টটি ক্রয়ের জন্য আংশিক মূল্য (১০০ টাকা) অগ্রীম পরিশোধ বাধ্যতামূলক; আপনি অনলাইনে বা bKash এর মাধ্যমে অগ্রীম মূল্য পরিশোধ করতে পারেন।
-দাম ৩২০ টাকা

বিজয় টি-শার্ট
টি-শার্টটি কিনতে   এখানে ক্লিক করুন
বিজয়ের এই টি-শার্টটিতে রয়েছে মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আর ঐক্যবদ্ধ বাঙ্গালির চিত্র। বিজয়ের মাসে এই টি-শার্টটি পরে নিজেকে সাজিয়ে নিন বিজয়ীর বেশে।  
বিস্তারিত-
-ফেব্রিক: কটন
-ফেব্রিকেশন: ১৬০ GSM
-নরমাল ওয়াশ
-সাইজ: M, L, XL
-M (লেংথ - ২৭, চেষ্ট - ১৯)
-L (লেংথ - ২৮, চেষ্ট - ২০)
-XL (লেংথ - ২৯, চেষ্ট - ২১)
-দাম-২৬০ টাকা
*টি-শার্ট* *বিজয়েরমাস* *বিজয়দিবসেরসাজ* *ফ্যাশন* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

আমানুল্লাহ সরকার: [বিজয়-বিজয়২] এই দিনে ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় একাত্তরের এই দিনে যশোরের কেশবপুরসহ বেশ কিছু এলাকা হানারমুক্ত হয়। পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামসরা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পরাজয় বরণ করে। এই দিনে ভুটান স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

*বিজয়েরমাস*

আল ইমরান: শুরু হলেই বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা বা চর্চা শুরু হয়। অনেকে বলে লোক দেখানো। অনেকে নাক সিটকায়। আমার কথা হচ্ছে লোক দেখানো বা নাক সিটকানোর অজুহাতেও অন্তত বিজয়ের মাস কে সেলিব্রেট করা হয়, মনে করা হয়। তা না হলে হয়ত মানুষ এই মহান মাসের কথা ভুলেই যেত। যেমনটি দেখেছিলাম ২১ ফেব্রুয়ারীতে বই মেলা প্রাঙ্গনে ধারণকৃত একটি ভিডিওতে।

*বিজয়েরমাস*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: *বিজয়েরমাস* শুরু হল আমাদের লোক দেখানো ভালোবাসাময় দেশের প্রতি টান এর মাস ।। আমরা বাঙ্গালী আমাদের দেশের প্রতি বিশেষ বিশেষ দিনে ভালোবাসা ফুটে ওঠে ।। বিজয়ের মাস নিয়ে এখন আর মনে আহামরি কিছু জাগে না ।।

ভিনদেশী তারা: [বাঘমামা-উড়ায়দিবোকিন্তু] এবারের *বিজয়েরমাস* এ ..... " নিপাত যাক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা, যুদ্ধ অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশা-পাশি, বিচারের কাতারে আনা হোক এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ...... রক্ত-গঙ্গা পার করে যে স্বাধীনতা এসেছে , তাকে নিয়ে কোনো ভন্ডামি নয় ...... "

*বিজয়েরমাস* *বিজয়েরমাস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★