বিদেশ

বিদেশ নিয়ে কি ভাবছো?
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

বিদেশে পড়াশোনা করতে গিয়ে এক মেয়ে সেখানে এর ছেলেকে বিয়ে করে বসে। ছেলেটির আবার একটি পা ছিল না। মেয়েটি মাকে চিঠিতে জানালো- মা তুমি শুনে হয়তো দুঃখ পাবে তবুও বলছি- মাই হাসব্যান্ড হ্যাজ অনলি ওয়ান ফুট! উত্তরে মা লিখেছে- দুঃখ করিস না মা, তোর আব্বারটা মোটে পাঁচ ইঞ্ছি!!!
*জোকস* *মা* *বিদেশ* *হাজব্যান্ড* *ইঞ্চি*

সাদাত সাদ: [বাঘমামা-এইটাকিসুহইলো] প্রবাস মানে স্বাধীনতা পরের হাতে বন্দী, প্রবাস মানে কাজের সাথে এই জীবনের সন্ধি ৷ প্রবাস মানে শুন্যতা প্রতিদিনই আসে, প্রবাস মানে অতীত স্মৃতি শুধুই চোখে ভাসে ৷ প্রবাস মানে জীবন থেকে অনেক হারিয়ে যাওয়া, প্রবাস মানে আপন স্বজন হয়তো হবেনা পাওয়া ৷ প্রবাস মানে দেশান্তরিত মমতা ঝেড়ে ফেলা, প্রবাস মানে ব্যার্থ জীবন শুধুই টাকার খেলা ৷

*পরদেশ* *প্রবাস* *বিদেশ*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা, আমাদের মতো দরিদ্র দেশের মধ্যবিত্তদের, তথাকথিত প্রগতিশীল মধ্যবিত্তদের কথা বলছি- এহেনও মধ্যবিত্তদের কিছু অদ্ভুদ দোদ্যুলমান  গুনের মধ্যে একটা হলো এরা ঢালাওভাবে মাদ্রাসাকে মৌলবাদী বা জঙ্গি তৈরির কারখানা বলতে দ্বিধা করেনি! তবে খুব বেশি নড়ে চড়েও যে বসেছে তাও নয়! ঐটুক বলেই এক পংক্তিতেই ডুব!! কিন্তু তার চেয়েও অদ্ভুদ একটা মনোভাব হলো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তাদের একটা কেমন দনো -মনো ভাব! যদিও এখন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মধ্যবিত্তরাও পড়াশোনা করছে,,,তবে কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এখনো বেশিরভাগ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে! যার মধ্যে অন্যতম হলো নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি! কিন্তু মজা হোক বা নিষ্ঠুরতা ই হোক না কেন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরাই কিন্তু বেশি এগিয়ে যাচ্ছে এই কর্পোরেট যুগে,,শুধু তা নয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র থেকে শুরু করে দেশ বিদেশের মাটিতে উজ্জ্বল ছাপ রেখে চলেছে যা অনেক ক্ষেত্রেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেশি অগ্রগামী,,,যেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হয়ে গ্যাছে তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলোর অপ-ব্যবহারের জঘন্যতম আখঁড়া,,,,মনের দরজা খুলে আকাশ স্পর্শে দেয়ার মতো বিশ্ববিদ্যালয় (পাবলিক কিংবা প্রাইভেট), দুঃখজনক হলেও সত্যি যে এখন আমাদের এই অভাগা দেশে রূপকথা ই হয়ে গ্যাছে!

নাহ আমি পাবলিক আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে বসিনি,,,আমি শুধু আমাদের মধ্যবিত্তদের একটা দোদ্যুলমান নগ্নতা বলতে চাইছি,,,যখন জানা গেলো শুধু মাদ্রাসা নয় নর্থ সাউথ এর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া কেউ জঙ্গিতে নাম লিখিয়েছে, তখন যেন আমাদের এই তথাকথিত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ খুব আয়েশ করে পায়েস খাওয়ার অবস্থায় বিরাজ করছেন! কিন্তু ভুলে যাচ্ছেন ঐ বিশ্ববিদ্যালয়টা পাড়ার নয়, আমাদের ঘরের! কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপর আঙ্গুল না উঁচিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন,,,জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন,,,,সোচ্চার হোন অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে!,,,ইতিহাস থেকে সহজেই অনুমেয় শিক্ষিত তরুণরাই এইসব পথে আগে অগ্রসর হয়! কারণ সেখানে যেমন ই হোক একটা আদর্শ তুলে ধরা হয় সে যে নষ্ট পথেই আদর্শ তোলা হোক না কেন! আমরা কি পেরেছি পাল্টা কোনো আদর্শ তাদের সামনে বা আপনারা কি পেরেছেন আমাদের সামনে তুলে ধরতে? আমরা কাজ চাই,,,,আমাদের রক্ত টগবগ করে কিছু করার নেশায়,,,নেশাই বলবো , আকাঙ্খা তো আরো পরিণত বয়সের ব্যাপার!,,,নেশার মধ্যে তুলে দিলেন মাদক-দ্রব্য আর ভারতীয় সেইসব সংস্কৃতি যা নষ্ট (ভালো টা নয়) ! নতুবা আজকে এই যে সুন্দরবন বাঁচাও সুন্দরবন বাঁচাও বলে চিৎকার করছি তবু তো কই কিছু হচ্ছে না তো?,,,আমাদের শক্তি কোথায়! আমরা নিজেদের শক্তিহীন দেখছি আবার তা মেনে নিতেও পারছি না! আমরা আপনাদের নষ্ট রাজনীতি করতে পারছি না,,,সঠিক দাবি করলে গলা চেপে ধরা হচ্ছে,,,,,আমাদের তাহলে কাজটা কি??,,,পাঠ্যবই এ মুখ ডুবিয়ে রাখা! প্রতিবাদের জায়গাগুলো আমরা ভুলে যাচ্ছি,,,,আমরা নষ্ট মিডিয়া দ্বারা এতোটাই মোহ গ্রস্থ হয়ে পড়ছি যে বুঝে উঠতে পারছি না কোথায় প্রতিবাদ করতে হবে! হয়ে পড়ছি দিক-হারা! আর এটাও সত্য যে- যে দেশে বিরোধী দলকে অকার্যকর করে দেয়া হয় সে দেশে জঙ্গি তৈরি হবেই,,,,এটা একটা ক্রোধ! গণতন্ত্রের ন্যূনতম অনুপস্থিতির ক্রোধ!,,যেটা দেখা যায় না,,,ধীরে ধীরে মানুষে মানুষে ছড়িয়ে পরে গভীরে,,,,

আমি একটা দিক আকর্ষণ করতে চাই এহেনও মধ্যবিত্ত মানুষদের মানসিকতা নিয়ে,,,এই যে জঙ্গি ইস্যু নিয়ে কথা হলেই বারবার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করছেন, এর ফলাফলটা ভেবে দেখেছেন?,,,যদিও জীবন ধারণ করতেই আমাদের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে ভাবনার জায়গা কোথায়! তবু আমাদের ই ভাবতে হবে! ইতিহাসে উজ্জ্বল - যে কোনো সমস্যায় এই দোদ্যুলমান মধ্যবিত্তরাই আগে প্রতিবাদ করেন, এদের মাঝ থেকেই বুদ্ধিজীবীরা উঠে আসেন!,,,একটা প্রতিষ্ঠানকে যখন ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা হয় তখন সেই প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্র-শিক্ষকদের কথা ভেবে দেখেছেন কখনো?,,,তারা দেশ বিদেশে এখন কিভাবে দিন কাটাচ্ছে?,,,,যেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া হলেই জঙ্গি!! আশ্চর্য!! এইসব মেধাবী  ছাত্ররা যখন দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষার জন্য বা ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে বা গবেষণার জন্য যেতে চাইছে তাদের কি ধরণের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে?,,,,জানার প্রয়োজন বোধ করেন নি!,,,,কেননা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে এখনো আমরা প্রাশ্চাত্য সংস্কৃতি বলে যেভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাই তা আসলে কিছু ঠিক মতো জানতে না চেয়ে নিজের দুর্বলতা ঢাকার ই অভিপ্রায় মাত্র,,,,অনেকেই মুখ ফুটে বলেন আর অনেকে বলেন না,,,কিন্তু প্রতিটা মধ্যবিত্ত মানুষের ভিতর ই একটা কি যেন ক্ষোভ কাজ করে এইসব ইউনিভার্সিটি নিয়ে,,,,এইসব দৌন্যতা দূর করতে হবে!,,এই মেধাবী প্রতিষ্ঠানের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে নিজেদের স্বার্থে!,,,অন্যথায় এইভাবে দোষারোপ করতে থাকলে বিদেশের মাটিতে আমরা হেয় প্রতিপন্ন হবো,,,মাথা নিঁচু হয়ে আসবে!,,, হয়তো এইসব মানুষদের ধারণাতেই নেই বিদেশের মাটিতে দেশের এহেনও অবস্থায় কিভাবে দিন কাটাতে হয়!,,,অথচ তারাই দেশের মুখ বিদেশে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে,,,অন্ধকারে কিছুটা হলেও আলো ফোটাচ্ছে!

আসুন একটু ভেবে নিয়ে কথা বলি,,,আপনি হয়তো নিজেকে খুব ক্ষুদ্র ভাবছেন! ভাবছেন আমার একটা কথায় কি এসে যায়! এসে যায় অনেক কিছুই,,,,মানুষের মুখের কথাতেই এক সময় সব ধ্বংস করার মতো মারণাস্ত্র তৈরি হয়ে যায়,,,,আর আপনি আমি হলাম সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ - শিক্ষিত মধ্যবিত্ত অংশ,,,,

নিজেকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন,,,,নিজেকে শ্রদ্ধা করুন!,,,,,(বৃষ্টি),,

অশ্রদ্ধা দৃঢ় কণ্ঠে জানান অন্যায়ের!,,,(বৃষ্টি),,,,,,

কোনো কথা বলার আগে ভেবে নিন - সব কিছুর আগে দেশপ্রেমকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন!,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,

কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপর আঙ্গুল না উঁচিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন!,,,,(বৃষ্টি),,

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন!,,,,(বৃষ্টি),,,

সোচ্চার হোন অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে!,,,(বৃষ্টি),,,,,

 

(বৃষ্টি),,কে আছেন?
দয়া করে একটু আকাশকে বলুন-
সে যেন আর একটু উপরে উঠে
আমি আর দাঁড়াতে পারছি না",,,(বৃষ্টি),,,

------------------------হেলাল হাফিজ

 

*মুখের-কথা* *তরুণ* *মধ্যবিত্ত* *জঙ্গি* *প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়* *সুন্দরবন-বাঁচাও* *গণতন্ত্র* *অপ-রাজনীতি* *রাজনীতি* *মিডিয়া* *প্রতিবাদ* *ছাত্র* *বিদেশ* *বোধোদয়* *শ্রদ্ধা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশে জন্ম, বাংলাদেশের মাঠে ঘাটে, অলিতে গলিতে খেলে আজ বিশাল খেলোয়াড়। বাংলাদেশে আজ তারা বিশাল জনপ্রিয়। বিশ্বেও। প্রিয় খেলোয়াড় মানেই সাকিব, তামিম। বড় হয়ে কি হতে চাও “ সাকিবের মত, তামিমের মত”।
ব্যাপারটা দুঃখজনক না গর্বের তা জানিনা, তবে ব্যাপারটা হল- এইতো কদিন আগেই সাকিব আল হাসান বাবা হলেন। তার সন্তানের জন্ম হল ইউ.এস.এ. তে। রিসেন্টলি তামিম ইকবালের স্ত্রী সন্তানসম্ভবা। তারা এবং তাদের ফ্যামিলি মেম্বাররাও এখন থাইল্যান্ডে অবস্থান করছেন। অপেক্ষা সন্তান জন্মদান।
-থাইল্যান্ড, ইউ.এস.এ. কিন্তু বাংলাদেশে নয় কেন?
-কারন বাংলাদেশের হাসপাতাল গুলো অনিরাপদ, রিস্ক নিতে চাই না।
-আপনার বাবা রিস্ক নিয়েছিলেন কেন?

টাকা হয়ে গেলেই কি মানুষ বাংলাদেশকে অনিরাপদ ভাবা শুরু করে।
ওই সাকিব তামিমরা এই কারণেই কি তাদের সন্তানের জন্মভুমি থাইল্যান্ড, ইউ.এস.এ. বানাতে চাচ্ছেন। নাকি অহঙ্কার? ফুটানি?
এটা তারাই ভাল জানেন।
আমরা জানি তাদের সন্তানরা বাংলাদেশী হবে না। হবেন অ্যামেরিকান বা থাই। জন্মসূত্রে।
বড় হয়ে যা হবেন সেটাও ওই বিদেশেই। যে দেশে তাদের জন্মই হয়নি সেদেশের জন্য তাদের মায়া থাকবেনা এটাই স্বাভাবিক। গর্ব করে কোনদিন বলতে পারবেনা “বাংলাদেশে জন্মে আমি গর্বিত”
ভাগ্যিস সাকিব তামিমদের ফ্যামিলিরা ফুটানি বা অহঙ্কার দেখিয়ে ওদের জন্মও বিদেশে করান নি। তাহলে এতো ভাল ক্রিকেটারদের আমরা পেতাম না।
সাকিব তামিমদের এহেন সিদ্ধান্তে এটা নিশ্চিত যে, বাইরে দিয়ে উনারা যতই দেশ প্রেম দেখাক, ভেতরে কিন্তু সেই গর্বটা নেই।
- হতে পারে একটা সময় আমি বাংলাদেশের অলিতে গলিতে খেলেছি, মাঠে ঘাটে কাদায় দৌড়া দৌড়ী করেছি। কিন্তু এখন আমি বিরাট খেলোয়াড়, অনেক টাকা আমার। আমার সন্তান বাংলাদেশের মত এমন দেশে জন্মাবে? ছেহ!
-মশাই, ভুলে যাবেন না, আপনার জন্ম এই দেশে। আপনি আজ যা, সবইএই দেশের মানুষের অগাধ ভালবাসায়, অফুরন্ত সাপোর্টে।

সাকিব তামিম, এরাতো কেবল উদাহরণ। এমন অনেক অনেক মানুষ আছে যারা নিজের জন্মের সময় বাংলাদেশে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন, আর নিজের সন্তানের জন্মের ব্যবস্থা করেন বিদেশে।
ওই কারণগুলো, ১. (হয়ত) আমার অনেক টাকা/ অনেক সম্মান, এই দেশে আমার বেবি জন্ম হবে, কি ভাববে মানুষ! ২. বাংলাদেশের ডাক্তাররা বা বাংলাদেশের হাসপাতাল গুলো আমার বেবি জন্মের জন্য শতভাগ নিরাপদ নয়।
৩. আরেকটা তৃতীয় কারন আছে- আমার সন্তানের দেশ হবে বাংলাদেশ, পৃথিবীর যেখানেই পড়াশুনা করুক, যত বড়ই হোক, যেখানেই থাকুক, যেন গর্ব করে বলতে পারে "আমার জন্ম বাংলাদেশে" "আমি বাংলাদেশী"।

*ক্রিকেট* *বাংলাদেশ* *সাকিব* *তামিম* *বিদেশ*
*বাংলাদেশ* *সাকিব* *তামিম* *বিদেশ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে




দুর্গম রাস্তা পাড়ি দিয়ে পাহাড়ে আরোহণ কিংবা খরস্রোতা নদী সাঁতরে লক্ষ্যে পৌঁছানো- ট্রায়াথলনের এসব অভিযান এখন আর বাঙালির কাছে শুধুই বইয়ে পড়া কাহিনীতে আটকে নেই। জার্মানির প্রবাসী এক বাংলাদেশি অভিযাত্রী এমনই এক ট্রায়াথলনে অংশ নিয়ে নজর কেড়েছেন।

সুমিত পাল নামের এক তড়িৎ প্রকৌশলী সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসের লিমবুর্গে অনুষ্ঠিত আইরনম্যান ডিসেন্ট ট্রায়াথলন সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। কোনো বিরতি ছাড়াই টানা ৪২.২ কিলোমিটার ম্যারাথন, ১৮০.২৫ কিলোমিটার সাইকেল চালানো এবং ৩.৮৬ কিলোমিটার সাঁতার সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন সুমিত। ম্যারাথনে তার সময় লেগেছে পাঁচ ঘণ্টা ৩৪ মিনিট।

সাইকেলিং শেষ করেছেন সাত ঘণ্টা ২৯ মিনিটে এবং সাঁতার শেষ করেছেন এক ঘণ্টা ২৯ মিনিটে। মোট ৯০০ জনের মধ্যে তিনি হয়েছেন ৬৬০তম। এমন কঠোর অভিযান সম্পন্ন করাটাই যে অনেকের জন্য চ্যালেঞ্জ। সেখানে তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এ কৃতিত্ব দেখালেন সুমিত।

জার্মানিতে তিনি বিএমডব্লিউতে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। বুয়েট থেকে তড়িৎ প্রকৌশলীতে ব্যাচেলর ডিগ্রি সম্পন্ন করে তিনি জার্মানিতে মাস্টার্স এবং পিএইডি করেন। কাজের ফাঁকেও প্রতি সপ্তাহে তিনি ১৫ থেকে ২০ ঘণ্টা অনুশীলন করেন। ২০১০ সাল থেকে তিনি বার্লিন, রোম, জেনেভা ও ফ্রাঙ্কফুর্ট ম্যারাথনে অংশ নিয়ে আসছেন। এখন তিনি নিজেকে প্রকৌশলীর চেয়ে 'আইরনম্যান' পরিচয় দিতেই ভালোবাসেন ।

*বাঙালী* *প্রোকৌশলী* *বিদেশ*
*প্রোকৌশলী* *বিদেশ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: [বোতলবাজি-একটুটকএকটুঝাল]এদেশে বিদেশী সংস্কৃতির আগ্রাসন বরাবরই চোখে পরার মত।

*দেশ* *বিদেশ* *সংস্কৃতি*

নিরাপদ নিউজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 আমাদের অনেকের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব বিদেশে থাকেন। দেশ-বিদেশ যাতায়াত করার সময় আমরা বিদেশ থেকে অনেক জিনিস এনে থাকি, সেটা হয়ত প্রয়োজনে বা শখের বশে, অথবা আত্মীয়কে খুশি করতে। তো, যারা জানি না কি কি পন্য বিদেশ থেকে বিনা শুল্কে আনা যায় আর কোন কোন পন্যে শুল্ক দেয়া লাগে তাদের জন্য এই পোষ্ট। অনেক সময় সামান্য একটু অসর্তকতার কারনে আপনার ক্রয়কৃত পন্য এয়ারপোর্টে ফেলে আসতে হয় অথবা শুল্ক বাবদ দিতে হয় অনেকগুলি টাকা।

আগেই বলি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পন্য আনার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। শুধুমাত্র নিজ ব্যবহার, গৃহস্থালী ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য।

প্রথমেই দিচ্ছি শুল্ক কর আরোপযোগ্য পন্যের তালিকা :

(ক) ব্যাক্তিগত এবং গৃহস্থালী কাজে ব্যাবহৃত হয় না এমন পন্য।

(খ) দুইটি স্যুটকেসের অতিরিক্ত স্যুটকেসে আনীত ব্যাগেজ। তবে ৩য় স্যুটকেসে আনীত বইপত্র, সাময়িকি বা শিক্ষার উপকরণ শুল্ক ও কর মুক্তভাবে খালাসযোগ্য।

(গ) বাণিজ্যিক পরিমানে যে কোন পন্য ব্যাগেজে আমদানী হলে শুল্ক ও কর আরোপযোগ্য।

(ঘ) নিম্নে বর্ণিত পণ্য ব্যাক্তিগত ও গৃহস্থালী ব্যাগেজ হিসেবে আমদানী হলেও প্রতিটির পাশে উল্লেখিত হারে কর পরিশোধ করতে হবে।

(১) টেলিভিশন (CRT) ২৫” এর উর্ধ্বে হলে ২৯” পর্যন্ত ৩০০০/- টাকা।

(২) Plasma, LCD, TFT ও অনুরুপ প্রযুক্তির টেলিভিশন:

(ক) ১৭” হতে ২১” পর্যন্ত = ১০,০০০.০০/= টাকা,

(খ) ২২” হতে ২৯” পর্যন্ত = ১৫,০০০.০০/= টাকা,

(গ) ৩০” হতে ৪২” পর্যন্ত = ২০,০০০.০০/= টাকা,

(ঘ) ৪৩” হতে ৫২” পর্যন্ত = ৫০,০০০.০০/= টাকা,

(ঙ) ৫৩” হতে তদুর্ধ সাইজ = ৭৫,০০০.০০/= টাকা।

(৩) (ক) ৪টি স্পিকারসহ কম্পোনেন্ট (মিউজিক সেন্টার) সিডি/ডিভিডি/ভিসিডি/এমডি/ এএলডি/ ব্লু-রে-ডিস্ক সেট = ৪,০০০.০০/= টাকা।

(খ) ৪ এর অধিক তবে সবোর্চ্চ ৮টি স্পিকারসহ (মিউজিক সেন্টার) হোম থিয়েটার/সিডি/ডিভিডি/ভিসিডি/এমডি/ এএলডি/ ব্লু-রে-ডিস্ক সেট = ৮,০০০.০০/=

(৪) রেফ্রিজারেটর/ ডিপ ফ্রিজার = ৫,০০০.০০/=

(৫) ডিশ ওয়াশার/ ওয়াশিং মেশিন/ ক্লথ ডায়ার = ৩,০০০.০০/=

(৬) এয়ারকুলার/ এয়াকন্ডিশনার

(ক) উইন্ডো টাইপ = ৭,০০০.০০/= টাকা

(খ) স্প্লিট টাইপ = ১৫,০০০.০০/= টাকা

(৭) ওভেন বার্নারসহ = ৩,০০০.০০/=

(৮) ডিস এন্টেনা = ৭,০০০.০০/=

(৯) স্বর্ণবার বা স্বর্ণপিন্ড (সবোর্চ্চ ২০০ গ্রাম) প্রতি ১১.৬৬৪ গ্রাম বা ভরি= ১৫০.০০/=

(১০) রৌপ্যবার বা রৌপ্য পিন্ড (সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম) প্রতি ১১.৬৬৪ গ্রাম = ৬.০০/=

(১১) HD Cam, DV Cam, BETA Cam & Professional used Camera = 15,000.00 Taka.

(১২) এয়ারগান/ এয়ার রাইফেল = ২,০০০.০০ টাকা (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমুতি সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য, আমদানি নীতি-আদেশ ২০০৩-২০০৬ দ্রষ্টব্য )

(১৩) ঝাড়বাতি = ৩০০.০০ টাকা প্রতি পয়েন্ট।

(১৪) কার্পেট ১৫বর্গ মিটার পর্যন্ত = ৫০০.০০ টাকা প্রতি বর্গমিটার।

এবার দেখুন কি কি পন্য বিনা শুল্কে আমদানীযোগ্য (প্রত্যেকটি ১টি করে):(কুল)
http://www.nirapadnews.com/2015/03/30/news-id:31891/

*ট্যাক্স* *আমদানিযোগ্য* *বিদেশ* *শুল্ক* *কর*

আশিকুর রহমান সামী: একটি বেশব্লগ লিখেছে



ভুমিকাঃ
এ বিষয়ে আমার লেখালেখি করার মত সাহস কখনো হয়নি কারন আমি শুধুমাত্র উচ্চশিক্ষার উদ্যেশ্যে বিদেশ আসিনি। একটা সপ্তাহব্যাপী শর্ট কোর্স করতে Exeter University গিয়েছিলাম, আর একবার একটা সেমিনারে kings College গিয়েছিলাম। তাছাড়া আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিসীমানায় গত আড়াই বছরে পা দিয়েছি বলে মনে পড়ছে না। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন থাকার পরেও ট্রেডিশনাল বাংলা হিসাবে আমি এখনো ব্যাচেলর ডিগ্রী পাস না। সেই নিয়ে অন্য কারো হায়-মাতম থাকতে পারে, কিন্তু আমি মোটেও চিন্তাগ্রস্থ না। আমি পুরো স্ট্রাকচারটাকে একজন এক্সটারনাল ভিউইয়ার হিসেবে দেখছি এবং লিখছি।
আমার সাজেশন কেউ নিবে নাকি নিবেনা, এটা সম্পূর্ন পাঠকের ব্যাক্তিগত ব্যাপার।

বাঙ্গালির উচ্চশিক্ষাঃ
আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে যারা বিদেশে পড়তে আসতে চান তাদের বেশিরভাগই ভালো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেতে ভাগ্য বিড়ম্ববনার শিকার অথবা বিদেশের সিনেমাটিক কল্প-বিভোর। ১৮-১৯ বছর বয়েসি একটা বাংলাদেশি যুবকের ন্যারো ভিশনে কুলায়না যে সে নিজেকে ১০-১৫ বছর পর একটা অবস্থানে চিন্তা করতে পারে। কি বিষয় পড়তে ভালো লাগে? এই প্রশ্নে ভাল ছাত্র-ছাত্রীরা বলবে ইঞ্জিনিয়ারিং-ল-মেডিক্যাল। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ গুলোতে পাঠ্য সাবজেক্ট গুলো থেকে একটা আইডিয়া করে সে বিদেশে সেই সাবজেক্টগুলোই পড়তে চাবে। কোন বিষয়ে পড়শোনা করলে আমি ২০ বছর পরেও সবার থেকে এগিয়ে থাকবো, নতুন বিষয়ে পড়ে আমি দেশে অন্যকরম কিছু করতে পারবো; এইসব চিন্তা করার সবার জন্য সোজা হয়না। সাধারন ছাত্রদের কথা হলো আগে গিয়ে দেখি(তাদের আসলে যাওয়া দিয়ে কথা, কি পড়তে চাই সেটাই ঠিক হয়নাই এখনো)। আরেক জাতের আল্ট্রা স্কলারশীপ ফ্রিক ছেলেপিলের ধান্দাই বিনামুল্যে অর্জন করা। স্কলারশীপ পাইলে এন্ত্রোপলজি, ইউরোপীয়ান পলিটিক্স পড়তেও রাজি আছে (পছন্দের সাবজেক্টে স্কলারশীপ পাইলে তো সোনায় সোহাগা!)।

বিদেশে তিন-চার বছর খুব কমন সাবজেক্টগুলোতে পড়তে আসা পোলাপান ২-৩ ভাগে ভাগ হয়ে যায়। একদল পড়াশোনা শেষে যেকোনভাবে সেই দেশে থিতু হয়ে যাওয়ার পথ খুঁজতে থাকে। আরেক দল সুন্দরমতো দেশে গিয়ে বাপের ব্যাবসা এক্সপ্যান্ড করে, নিজে ব্যাবসা শুরু করে কিংবা চাকরি খোঁজা শুরু করে। আর এক দল ''অনেক তো হল, এইবার আরেকটা দেশ দেখি'' বলে তল্পিতল্পা গোছায়।

এদের মধ্যে সবচেয়ে দুর্ভাগা আসলে তারা যাদের দেশে গিয়ে চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করা লাগে। বিদেশি ডিগ্রি থাকায় তারা অনেক ছোট ছোট চাকরিতে আবেদন করতে দ্বিধাবোধ করে। আবার দেশি এক্সপেরিয়েন্স না থাকায় কতগুলো ক্ষেত্রে তারা দেশি ক্যান্ডিডেড থেকেও পিছিয়ে থাকে। আবার এমনও হয়, সেই সাব্জেক্টে সে পড়াশোনা করেছে, সেই ফিল্ডের চাকরিই দেশে নাই। আর চাকরি হোক আর না হোক, বেতনের বাজারে তারা কখনো সুখী হতে পারেনা। এদের একটা ছোট অংশ আবার তিন নম্বর দলের মত আরেকটা দেশে যাবার জন্য আকু-পাকু শুরু করে।

শিক্ষার অজানা রুপঃ
এই গেল ডিমভাজির এপিঠ, এবার ওপিঠে আসি... যেই রুপটা দেখার মত ভাগ্য আমার হয়েছে। এর জন্য একটা জিনিস খুব দরকার সেটা হলো রেসিডেন্সি। রেসিডেন্সি পারমিট থাকলে সেই দেশের শিক্ষাব্যাবস্থা আপনাকে সেই দেশের একজন জনশক্তি হিসেবে গন্য করবে। আপনার স্কিল ডেভেলপ করার জন্য যা যা প্রযোজন আপনাকে ঠিক সেগুলোর খোঁজই দেয়া হবে যা একজন নাগরিক পায়। কারন একজন রেসিডেন্টকে যদি দক্ষ করে গড়ে তোলা না যায় তাহলে তাকে অনেক ভাতা-সুবিধা দিতে হবে যেটার থেকে ওয়েলফেয়ার দেশ গুলো স্কিল ডেভেলপমেন্টে ইনভেস্ট করতে বেশি পছন্দ করে। এই কারনে স্কিল ফান্ডিং কমিশন আছে, কাউন্সিল ফান্ডিং আছে, স্টুডেন্ট লোন আছে। এছাড়া কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়, স্পেশালাইজড একাডেমি, সেমিনার মিট-আপ সবখানে ওপেন লার্নিং এর সুযোগ আছে। আপনি নিজেকে এমন একটা জগতে আবিষ্কার করবেন যেখানো জ্ঞান অর্জন অনেক মজার, বাস্তব সম্মত এবং ফলপ্রসু। আপনাকে যা করতে হবে সেটা হলো ভবিষ্যতে কি করতে চান সেটা বুঝে উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ করা। বিশ্ববিদ্যালয় আপনার জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। অনলাইন লার্নিং- এপ্রেন্টিসশীপ-ট্রেইনিশীপ- ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম যেকোন পাথওয়ে আপনি বেছে নিতে পারবেন এবং সেটা বিবেচনা করার পুরো অধিকার ও দায়িত্ব আপনার থাকবে।

পরিসমাপ্তিঃ
আমার বন্ধুমহলে মোটামুটি সবাই গ্রাজুয়েট। কেউ কেউ এখনো মাস্টার্স করতে বিদেশ যাচ্চে অথবা যেতে চাইছে। বিদেশে পড়তে আসার জন্য ২৫-৩০ খুবই উপযুক্ত বয়স। কারন এই বয়সে মানুষ উপলব্দি করতে পারে কোন বিষয়টা জানা থাকলে সে সফলকাম হতে পারবে। আমার কেবল একটাই আবেদন 'Do your Homework first, Know what you need to know'। গৎ বাঁধা বিষয় পড়তে না এসে নতুন কিছু পড়তে আসুন। হতে পারে প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট কিংবা ক্লাউড কম্পিউটিং, হতে পারে ডেটা সাইন্স বা এনালিটিক্স কিংবা ইউজার এক্সপেরিয়েন্স। জানার জন্য আসুন, ইন্টারেস্ট থেকে আসুন; অমুকের দেখাদেখি কিংবা সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভের আশা উচ্চশিক্ষার উদ্যেশ্য হতে পারেনা। মনে রাখবেন, ডিগ্রি থাকা সম্মানের বিষয় না। ডিগ্রি টাকে কিভাবে এপ্লাই করলেন সেইটাই আপনার সম্মান নির্ধারন করবে।

*ক্যারিয়ার* *বিদেশ* *উচ্চশিক্ষা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যারা বিনা ভিসায় দেশের বাইরে ছুটি কাটাতে চান তাদের জন্য একটি তালিকা দেওয়া হলো। এ তালিকায় রয়েছে সেসব দেশের নাম ও দরকারী তথ্য যেখানে বিনা ভিসা বা অন অ্যারাইভেলে যাওয়া যায়।

ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে:

- এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা)

- শ্রীলংকা (৩০ দিন) আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস)

- মালাউই (৯০ দিন)

- সেশেল (১ মাস)

- আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন)

- হাইতি (৩ মাস)

- গ্রানাডা (৩ মাস)

- সেন্ট কিট্স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস)

- সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস)

- টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন)

- মন্টসের্রাট (৩ মাস)

- ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন)

- ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস)

- কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন)

- নাউরু (৩০ দিন)

- পালাউ (৩০ দিন)

- সামোয়া (৬০ দিন)

- টুভালু (১ মাস)

- নুউ (৩০ দিন)

- ভানুয়াটু (৩০ দিন)

- মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।

এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে:

- এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার)

- জর্জিয়া (৩ মাস)

- লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)

- মালদ্বীপ(৩০ দিন)

- মাকাউ (৩০ দিন)

- নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার)

- সিরিয়া (১৫ দিন)

- পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)

- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক)

- মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)

- মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার)

- টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ)

- উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।

তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন। আর আপনার কাছে ফিরতি টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজ অবশ্যই থাকতে হবে।

এ বিষয়ে কারও কোন সন্দেহ থাকলে Google-এ search দিয়েও যাচাই করে নিতে পারেন। সব দেশের অ্যাম্বেসির ই-ওয়েবসাইট আছে, সেখান থেকেও তথ্য যাচাই করে নিতে পারেন। 
*তথ্য* *ঘুরাফেরা* *বিদেশ* *ভিসা*
*ঘুরাফেরা* *বিদেশ* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ক্যালিফোর্নিয়ার সুসানভিলে সুড়ুৎ সুড়ুৎ শব্দ করে সুপ খাওয়া স্থানীয়দের জন্য অমার্জনীয় অপরাধ।
মায়ামিতে কোনো পুরুষ স্ট্র্যাপলেস গাউন পরে জনসমক্ষে বেরোতে পারবে না।যদি বের হয় আইন তার বিপক্ষে গিয়ে দাঁড়াবে।
ইলিনয়িস রাজ্যে আইন রয়েছে শীতকালে কোনো বাচ্চা জমে থাকা তুষার দিয়ে স্নো বল বানিয়ে গাছের দিকে ছুঁড়তে পারবে না।আবার মেইন রাস্তায় হাঁটা অবস্থায় কোনো পথচারীর জুতার ফিতে যদি খোলা পাওয়া যায়, জরিমানা তার জন্য অবধারিত।
সান দিয়েগোতে একটা আইন রয়েছে, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে গান গেয়ে পেট চালায়, তাদের অবশ্যই কাপড় পরতে হবে।কোন সমস্যা থেকে এই আইনের উদ্ভব হয়েছে, তা বোধ হয় ব্যাখ্যা না করলেও আপনারা বুঝতে পেরেছেন।
মিশিগানে কঠোর আইন রয়েছে, যদি দোতলার চেয়ে উঁচু কোনো দালান তোলা হয়, তাহলে সেই দালানের প্রতিটা জানালায় একটা করে দড়ি ঝুলিয়ে রাখতে হবে।আইনটি তৈরির সময় ফায়ার এস্কেপের প্রবর্তন ছিল না বলে অগ্নিকান্ডের দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার জন্য এটাই ছিল সর্বোত্তম ব্যবস্থা।আইনটা অবশ্য এখন আর মেনে চলা হয় না, তবে আইনের বইয়ে যথারীতি রয়ে গেছে।
আমেরিকার অরিজোনায় একটা আইন রয়েছে, কোনো ছেলেমেয়ে কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে স্কুলে যেতে পারবে না।১৮৮০ সালে স্কুলগামী বাচ্চাদের জন্য কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া নিষিদ্ধকরণ আইন পাস হয়।এক সময় স্কুলে যাওয়ার পথে প্রচুর ছেলেমেয়ে রাস্তার পাশের খেত থেকে স্ক্যালিয়ন নামে এক ধরনের কাঁচা পেঁয়াজ কুড়িয়ে খেত।ফলে পেঁয়াজের ভুরভুর গন্ধে ভয়ানক অস্বস্তিতে পড়ে যেতেন শিক্ষকরা।এজন্য শেষমেশ এই কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া নিষিদ্ধকরণ আইন প্রবর্তন করা হয় স্কুলগামী ছেলেমেয়েদের জন্য।
আমেরিকায় আরেকটা প্রাচীন আইন রয়েছে, রসুন খাওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যে কেউ গির্জা, স্ট্রিট কিংবা থিয়েটার হলে যেতে পারবে না।
ম্যাসাচুসেটসে অনেক পুরনো আরেকটা আইন রয়েছে, গির্জায় গিয়ে কেউ চীনা বাদাম খেতে পারবে না।চীনা বাদাম খেতে গেলে খোসা ভাঙতে শব্দ হয় বলেই হয়ত সেকালে এই আইনের প্রবর্তন করা হয়।
কেন্টাকির লেক্সিংটনে একটা আইন তৈরি হয় ছোটদের অপরিষ্কার থাকার ব্যাপারটি লক্ষ্য করে।আইনটি হচ্ছে কোনো বাচ্চা তার পকেটে আইসক্রীম বয়ে নিতে পারবে না।কারণ আগস্টের প্রচণ্ড গরমের সময় সেখানকার বাচ্চারা এ অপকর্মটি বেশি করে থাকে এবং কাপড় ধুতে গিয়ে বড়দের প্রচণ্ড কষ্ট করতে হয়।
-সংগৃহীত 
*আইন* *আজব* *বিদেশ*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
বিদেশ থেকে সবাই খালি চকলেট আনে কেন জানেন?
আরে ভাই ওরা খালি হাতেই আসে। বিমানে উঠার পর বিনামূল্যে চকলেট দেয়। ওই গুলা না খাইয়া লয়ে আসে! আইনা কয় ল তোদের লাইগা বিদেশি চকলেট আনছি!
*চকলেট* *বিদেশ*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 আমেরিকাকে 'গুডবাই' জানালেন বাংলাদেশি শিল্পী দম্পতি। প্রবাস দীর্ঘদিনের ক্লান্তির অবসান ঘটাতে সপরিবারে দেশে ফিরে যাচ্ছেন প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী সহিদুল সরকার ও সাকিনা ডেনী। চলতি মাসের শেষেই তাঁরা বাংলাদেশের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন।   
দেশে একদিন তো ফিরে যেতেই হবে। তাই মাটি ও দেশের টানে অগ্রিম অবসর নিতে একেবারেই স্বদেশে ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তাঁরা জানান। নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা পৃথক পৃথকভাবে সংবর্ধনা দিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রঙ্কসের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজন করা হয় এক বিদায়ী সংবর্ধনার। আইনিজীবি মোহাম্মদ এন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সংবর্ধনা সভায় স্বদেশে ফিরে যাবার অনুভুতির কথা জানাতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয় এ দম্পতি। প্রবাসের অসংখ্য ভক্ত ও শুভান্যধ্যায়ীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে উঠেন শিল্পী সহিদুল সরকার ও সাকিনা ডেনী। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কবি সোনিয়া কাদের, রোটারিয়ান রেক্সোনা মজুমদার, মাকসুদা আহমেদ, আম্বিয়া বেগম অন্তরা, পলি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিদায়ী অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। কথা, কবিতা, ও গানের মাধ্যমে প্রিয় শিল্পীদ্বয়কে বিদায় জানান তারা। তুলে ধরা হয় শিল্পী দম্পতির দীর্ঘ প্রায় ২৮ বছরের বর্ণাঢ্য প্রবাস জীবনের নানা দিক। এ সময় স্মৃতিচারণ করতে অনেকের চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়ে। বক্তারা তাঁদের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। তাদের দেশের বাড়ি নীলফামারি জেলায়। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/nrb/2014/11/25/155156#sthash.4vx4CT3e.b71Qkj55.dpuf
*বিদেশ* *স্বদেশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★