বিদেশ ভ্রমন

বিদেশভ্রমন নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

পাথরের পাহাড়

নতুন জায়গায় আগমন ... আল উয়াঝ (ব্যাপকটেনশনেআসি৩)

*নতুনজায়গা* *বিদেশভ্রমন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাহাড়ে ঘেরা সুন্দর ছোট্ট একটি দেশ সুইজারল্যান্ড, যার যে কোন প্রান্তে দাড়ালে আপনাকে দেখিয়ে দিবে এর ঐশ্বরিক সৌন্দর্য্য। সুইজারল্যান্ডের সবকিছু যেন সবুজে ঘেরা আল্পস পর্বতশ্রেনীর দিকে একই সমতলে হেলে পড়েছে। অবশ্য এই ভূখণ্ডের অনেকগুলো হ্রদ এর সৌন্দর্য্যকে আরও বিস্তীর্ণতা দিয়েছে। অনেক পর্যটকের আকর্ষণের মূল কেন্দ্র বিন্দু সুইজারল্যান্ড। 


ইন্তের্লাকেনঃ
ইন্তের্লাকেন বিশুদ্ধ বাতাস এবং এর স্পা ট্রিটমেন্ট জন্য পরিচিত একটি পর্যটন রিসোর্ট। এখানে তিনটি রাজকীয় সুইস পর্বত  ইজার, জাংফ্রাঊ এবং মঙ্কের বিস্তৃত দৃশ্য দেখতে পাবেন। এছাড়াও আপনি পনির থেকে তৈরী অতুলনীয় সুইস খাবার raclette চেষ্টা করে দেখতে পারেন। 
 

লুসানঃ
আরেকটি চমৎকার শহর লুসান, যা লেক জেনেভার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হিসাবে চিহ্নিত এবং এর প্রবেশপথ বিশ্বের সেরা স্কি ঢালের একটি। লুসান যেন একটি বাণিজ্যিক শহরে এবং রিসোর্টের নিখুঁত সংমিশ্রন। দেশি বিদেশি পর্যটকদের কাছে এ্ই শহরটি বেশ জনপ্রিয়।
 

জেনেভাঃ 
সাইকেলে চড়ে ভ্রমন বা নৌকায় ভ্রমনের জন্য আরেকটি বিশাল শহর জেনেভা।অনেক সৌন্দর্যে বিমোহিত এই নগরী বিশ্বকে এক করেছে এবং আপনি একটি মহানগরীর কাছ থেকে যা আশা করতে পারেন তার সম্বনয় করেছে।
 

জুরিখঃ
জুরিখ সুইজারল্যান্ডের বৃহত্তম শহর। এখানে ৫০টিরও বেশি মিউজিয়াম এবং ১০০টিরও বেশি আর্ট গ্যালারী আছে। আপনি যদি শিল্প ও সংস্কৃতি ভালবাসেন, তাহলে আপনার জন্য জুরিখ অবশ্যই ঘুরে দেখার মতও একটি জায়গা।

 
যারম্যাটঃ
সুইজারল্যান্ড এর সর্বোচ্চ পর্বত ম্যাটারহর্ন এক কাছাকাছি অবস্থিত   ছোট একটি শহর যারম্যাট যা স্কিইং এবং পর্বতারোহণ জন্য একটি আদর্শ স্থান।
 

জাংফ্রাউঃ
স্কি বা পর্বতারোহন করতে চাই যেসব দু: সাহসী  তাদের জন্য  আল্পসের মধ্যে অবস্থিত জাংফ্রাউ।
 

লেক জেনেভাঃ
লেক জেনেভা ইউরোপের বৃহত্তম হ্রদ হিসাবে পরিচিত। জুরা পর্বতমালার এবং আল্পস পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। 

*সুইজারল্যান্ড* *ভ্রমন* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ট্রাভেল*

কামরুল হাসান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 থাইল্যান্ড ঘুরতে যাচ্ছি? শপিং এর জন্য থাইল্যান্ড কেমন? সস্তায় কী কী কেনা যায়?

উত্তর দাও (৯ টি উত্তর আছে )

.
*থাইল্যান্ড* *ভ্রমন* *বিদেশভ্রমন* *কেনাকাটা* *শপিং*

গাজী আজিজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ডিহাইড্রেশন এবং সানবার্ণ 

বিষুবরেখার একেবারে কাছাকাছি ২ থেকে ৭ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দেশটির অবস্থান। সারাবছর ধরে প্রখর সূর্যকিরণ দেশটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ঘামের কারণে পানিশূন্যতা, লবণের ঘাটতি এবং সানবার্ণের ঝুঁকিতে থাকেন অনভ্যস্ত ভ্রমণকারীরা। প্রচুর পানি পান করতে হবে, লবণের ঘাটতি পূরণের জন্য স্যালাইন জাতীয় পানীয় পান করতে হবে। এ অবস্থায় অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় আরও ক্ষতিকর। আর সর্বোপরি উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় উপযোগী পোশাক সাথে নিতে হবে।

 

মাদক

মালয়েশিয়ায় মাদকসংক্রান্ত আইন অত্যন্ত কঠোর। মাদক পরিবহন, উৎপাদন, আমদানী, রপ্তানী এসব ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত। ১৫ গ্রামের বেশি হেরোইন, ৩০ গ্রামের বেশি মরফিন বা কোকেন, ৫০০ গ্রামের বেশি গাঁজা, ২০০ গ্রামের বেশি গাঁজা নির্যাস, ১ কেজি ২০০ গ্রামের বেশি আফিম কারো অধিকারে থাকলে তা দোষী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট।

 

এছা্ড়া মাদকের অবৈধ ব্যবহারে সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাভোগ করতে হতে পারে, উচ্চ অংকের জরিমানা হতে পারে কিংবা উভয় শাস্তি হতে পারে। কারো কাছে মাদক না পাওয়া গেলেও যদি মাদক ব্যবহারের আলামত পাওয়া যায় তবে শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ অবস্থায় মাদক মালয়েশিয়ার বাইরে ব্যবহৃত হয়েছে এটা প্রমাণ করেও লাভ হবে না।

 

কেনাকাটা

মালয়েশিয়ায় কেনা প্রতিটি পণ্যে ৩০% শুল্ক দিতে হয়।

 

ট্যাক্সি

সম্প্রতি ট্যাক্সি ক্যাবের ভাড়া পুননির্ধারণ করা হয়েছে মালয়েশিয়ায় এবং মিটার ছাড়া চুক্তিতে ট্যাক্সি চালানো নিষিদ্ধ। কিন্তু সেখান অসাধু ট্যাক্সি ড্রাইভারের সংখ্যা একেবারে কম নয়। মালয়েশিয়ায় নতুন, এটা বুঝতে পারলে অনেক ট্যাক্সি ড্রাইভার ঘুরপথে গন্তব্যে যায় বেশি বিল তোলার জন্য। আবার সেখানে অবৈধ রেজিস্ট্রেশনবিহীন ট্যাক্সি রয়েছে যা ছদ্মবেশী ছিনতাইকারীরা চালায়।

ধর্মীয় স্থাপনা পরিদর্শন

মালয়েশিয়ার ধর্মীয় স্থাপনা যেমন মসজিদ বা মন্দিরে প্রবেশের সময় জুতা খোলারা রেওয়াজ আছে। কিছু মসজিদে প্রবেশের সময় নারীদের আলখেল্লা জাতীয় পোশাক এবং স্কার্ফ দেয়া হয়। এসব জায়গায় ছবি তোলায় বিধিনিষেধ নেই, তবে ছবি তোলার আগে অনুমতি নেয়া ভালো।

 

হাত মেলানো

মালয়েশিয়ায় নারী-পুরুষ উভয়ের মাঝেই হাত মেলানোর রীতি আছে। তবে মুসলিম নারীদের মাঝে এক্ষেত্রে অনীহা থাকতে পারে। কাজেই হাত মেলানোর ক্ষেত্রে নারীদের দিকে থেকে হাত বাড়ানোর জন্য অপেক্ষা করা উচিত। সামাজিকভাবে সালাম আদানপ্রদান হাত মেলানোর মতই বিবেচিত হয়।

 

মালয়েশীয় বাড়িতে বেড়ানো

কারো বাড়ি যাওয়ার আগে ফোন করা ভদ্রতা বলে বিবেচিত হয়। অবশ্যই জুতা খুলে প্রবেশ করতে হবে। সাধারণত পানীয় পরিবেশন করা হয়, যা গ্রহণ করাটা ভদ্রতা বলে বিবেচিত হয়।

 

মশা

সারাবছর ধরে আর্দ্র আবহাওয়া থাকার কারণে মশার উৎপাতও আছে দেশটিতে। মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ যেমন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু জ্বর, জাপানী বি এনকেফালাইটিস ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি এড়াতে শরীরে এবং পোশাকে মশা নিবারক ব্যবহার করা উচিত। মালয়েশীয় উপদ্বীপে ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি খুব কম। কুয়ালালামপুর এবং অন্যান্য বড় শহরগুলিতেও ঝুঁকি খুব কম। কিন্তু পূর্ব মালয়েশিয়া ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হয় ভ্রমণকারীদের।

 

খাবার

খাদ্যের মান বিবেচনায় বলতে হয় পুরো মালয়েশিয়াতেই খাবারের মান বেশ ভালো। তবু খাবার ও পানীয় কেনার সময় মানের দিকটিতে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। বোতলজাত পানি ও কার্বনেটেড পানীয় পান করার চেষ্টা করতে হবে। ট্যাপ, ঝরনার পানি বা কিউব বরফ এড়িয়ে চলতে হবে। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং ফিল্টার সাথে রাখা যেতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও এন্টিবায়োটিক সাথে রাখা ভালো।

 

অন্যান্য

বিক্ষোভ সমাবেশ মালয়েশিয়ায় খুব একটা হয় না, কিন্তু সাম্প্রতিককালে কিছু বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে এবং পুলিশ শক্ত হাতে তা দমন করেছে। কাজেই যারা বাইরে থেকে মালয়েশিয়া ভ্রমণে যাবেন, তাদের উচিত হবে যে কোন মূল্যে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দূরে থাকা।

 
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ছুটিতেভ্রমন* *মালয়েশিয়া* *বিদেশভ্রমন*

সাইফ: একটি বেশব্লগ লিখেছে



প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিস্ময়কর নিদর্শন হ্রদ বা লেক। লেক ডোবা, পরিখা, জলাশয় ইত্যাদি। কিন্তু ‘লেক’-এর বাস্তব পরিচয় এর চেয়েও বেশি কিছু। লেক, পুকুর, ডোবা ইত্যাদির মতো ছোট জলাশয় নয়; অনেক ক্ষেত্রে তা নদীর চেয়েও বিশাল। তবে হ্রদ বা লেকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তা নদীর মতো প্রবাহিত হয়ে অন্য নদী বা সাগরের সাথে মেশে না। লেক হলো আবদ্ধ জলাশয়। কোনো কোনো লেকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং গভীরতা এতো বেশি যে তা দেখে রীতিমতো ভিমরি খাওয়ার অবস্থা হয়। অনেক হ্রদ আবার আয়তন ও গভীরতায় ছোট। কিছু হ্রদ মানুষের তৈরি। মানুষ নানা প্রয়োজনে মাটি কেটে নেয়ার ফলে সৃষ্ট জলাশয় এগুলো। আবার কিছু জলাশয় প্রাকৃতিক ভূগর্ভে প্রচণ্ড কম্পন বা আলোড়নের ফলে যে বিশাল বিশাল ফাটল সৃষ্টি হয় তা থেকে এগুলোর উত্পত্তি। আমাদের বাংলাদেশেও ছোট-বড় বেশ কিছু হ্রদ বা লেক রয়েছে। এগুলোর অধিকাংশই মানুষের সৃষ্টি। বাংলাদেশের লেকগুলোর মধ্যে আছে বান্দরবানের বগা লেক, চট্টগ্রামের ফয়স’ লেক, রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেক, মৌলভীবাজারের মাধবপুর লেক, নেত্রকোনার চুনাপাথর লেক এবং ঢাকার রমনা লেক, সংসদ ভবন লেক, ধানমন্ডি লেক ইত্যাদি। লেকগুলোর অপরূপ সৌন্দর্য মানুষের মন কাড়ে। তাইতো মানুষ দলে দলে ছুটে যায় সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে। বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে এগুলো দর্শনার্থী ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড়ে সরগরম থাকে সারাবছর।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনেক হ্রদ বা লেক রয়েছে। আজ আমরা রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ সম্পর্কে কিছু জানবো। বৈকাল হ্রদ রাশিয়ার সর্ব-উত্তরের অঞ্চল সাইবেরিয়ার দক্ষিণে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন হ্রদ। এটির চারদিক পাহাড় ঘেরা। ধারণা করা হয়, ২৫ থেকে ৩০ মিলিয়ন বছর আগে ‘বৈকাল ফাটল এলাকা’র ভূগর্ভে তীব্র আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে একপ্রকার ফাটলের সৃষ্টি হয়; আর তারই ফলে এই বিশাল জলাশয়— বৈকাল হ্রদের সৃষ্টি। আয়তনের মতো গভীরতার বিচারেও এটি পৃথিবীর সর্ববৃহত্ হ্রদ। ৫ লাখ ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার বা ২ লাখ ১৬ হাজার বর্গমাইল এলাকা জুড়ে এর অবস্থান। এই হ্রদ লম্বায় ৬৩৬ কিলোমিটার বা ৩৯৫ মাইল; চওড়ায় সর্বোচ্চ ৭৯ কিলোমিটার বা ৪৯ মাইল। এর গড় গভীরতা ৭৪৪.৪ মিটার বা ২ হাজার ৪৪২ ফুট; আর সর্বোচ্চ গভীরতা ১ হাজার ৪৪২ মিটার বা ৫ হাজার ৩৮৭ ফুট। সৈকত বা বেলাভূমির দৈর্ঘ্য ২ হাজার ১০০ কিলোমিটার (১ হাজার ৩০০ মাইল)। বৈকাল হ্রদ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ হাজার ১৮৬.৫ মিটার বা ৩ হাজার ৮৯৩ ফুট নিচে। এই হ্রদে রয়েছে ছোট-বড় ২৭টি দ্বীপ। সবচেয়ে বড় দ্বীপটির নাম ওলখন, যা লম্বায় ৭২ কিলোমিটার। বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহত্ স্বচ্ছ পানির হ্রদ। বিশালতার কারণে প্রাচীন চীনা পাণ্ডুলিপিতে এই হ্রদকে ‘উত্তর সাগর’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বহুকাল ধরে ইউরোপের মানুষ সাগরসদৃশ এই হ্রদের খবর জানতো না। রাশিয়া এই অঞ্চলে তাদের রাজ্য সম্প্রসারিত করলে সর্বপ্রথম কুরবাত ইভনিভ নামক এক রুশ অনুসন্ধানী গবেষক ১৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে এই এলাকায় পৌঁছেন। তার মাধ্যমে প্রকৃতির অপরূপ বিস্ময় ও সৌন্দর্যের লীলাভূমি বৈকাল হ্রদ এবং তার পাড় জীব-বৈচিত্র্যের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। হ্রদের পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ১ হাজার ৭০০’রও বেশি জাতের গাছপালা ও জীবজন্তু রয়েছে, যার এক-তৃতীয়াংশ পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখা যায় না। এখানে রয়েছে ওমূল, গোলেমিংকা, স্যামন প্রভৃতি মাছ এবং নানাজাতের শামুক, শ্যাওলা ইত্যাদি। এর পূর্ব পাড়ে বাস করে বুরিয়াত নামক আদিবাসী সম্প্রদায়। বৈকাল শীতপ্রধান এলাকা। শীতকালে এখানকার তাপমাত্রা শূন্যের নিচে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস; আর গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতকালে হ্রদের পানি বরফ হয়ে পুরো আস্তরণ তৈরি হয়; তখন তার ওপর দিয়ে দিব্যি হেঁটে যাওয়া যায়। প্রকৃতির বিস্ময় বৈকাল হ্রদে সারা পৃথিবীর অনুসন্ধানী গবেষক আর সৌন্দর্যপিপাসু পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে সারাবছর। (সুত্র: http://bit.ly/1yUkwS3)

*ঘোরাঘুরি* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *বিদেশভ্রমন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিউবা বিশ্ববাসীর কাছে বিপ্লবের ভূমি হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনচেতা এই দেশটি খুবই শান্ত ও সুন্দর। ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারার নেতৃত্বে একদল বিপ্লবী হটিয়ে দিয়েছিল স্বৈরাচারী বাতিস্তা সরকারকে। তখন থেকেই তারুণ্যের প্রতীক, জীবনের প্রতীক কিউবা। ঐতিহ্যবাহী এই শহরটি শুধু বিপ্লবেরই স্বাক্ষী দেয় না বরং এখানে ঘুরে দেখার মত অনেক কিছু রয়েছে।  মূলত ৫টি  কারণে কিউবার রাজধানী হাভানায় ঘুরতে যায় মানুষ।

১. পুরনো আমলের গাড়ি  
হাভানায় গেলে আপনি বিনামূল্যে টাইম মেশিনে চড়ার সুযোগ পাবেন। রাস্তায় নামলে দেখবেন এখনো ১৯৫০-এর দশকের ট্যাক্সিক্যাবগুলো রীতিমতো রাস্তা কাঁপিয়ে চলছে। উঠে পড়ুন ট্যাক্সিক্যাবে, সেটাই টাইম মেশিন। ভুলেই যাবেন অর্ধশতাব্দী এগিয়ে আছেন আপনি।

২. কিউবান  
মানুষ দেখতে হলেও কিউবায় যাবেন। বন্ধুবৎসল হিসেবে খ্যাতি রয়েছে কিউবানদের। ছোট ছোট গলির ভেতরে দেখবেন দাদার বয়সীরা হাফপ্যান্ট পরে আরাম কেদারা বিছিয়ে দিব্যি বসে আছেন। রাস্তায় দেখবেন বাচ্চাদের সাথে পাল্লা দিয়ে বুড়োরা ফুটবল নিয়ে কাড়াকাড়ি করছেন। এই দৃশ্যগুলোই কিউবানদের প্রাণবন্ত জীবন-যাপনের উদাহরণ।

৩. বুড়ো শহর  
হাভানায় রয়েছে কয়েক শ বছরের পুরোনো বাড়িঘর। স্থাপত্যের দিক থেকে হাভানা ঐতিহ্যমণ্ডিত। পায়ে হেঁটে শহর ঘুরে দেখতে পারেন, সময় পেরিয়ে যাবে। এসব স্মৃতির কোনো তুলনা হয় না।

৪. নাচ এবং গান  
কিউবানদের শরীরজুড়ে রয়েছে গান এবং ছন্দ। ফুরসত পেলেই নাচে গানে আসর মাতিয়ে রাখতে ওস্তাদ কিউবানরা। হাভানায় রয়েছে অসংখ্য ড্যান্স ক্লাব। সেখানে যদি নাও যান, রাস্তায় দেখা পাবেন কোন বাঁশিওয়ালার যে একমনে বাজিয়ে চলছে ডাকাতিয়া বাঁশি। আর সালসা নাচ তো কিউবান সংস্কৃতিরই অংশ।

৫. চুরুট এবং রাম  
হাভানার নাম অনেকেই মনে রাখে হাভানা চুরুটের নামে। রাম এবং সিগারেটের বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত হাভানা। অনেকেই কার্টুন ভর্তি করে সিগারেট নিয়ে আসেন হাভানা থেকে। এত সস্তায় এত ধরনের সিগারেট সহজে আর কোথাও মিলবে না। 

বন্ধুরা, বিশ্ব ভ্রমন যাদের ইচ্ছা তারা সহজেই  ঘুরে আসতে পারেন কিউবার রাজধানী হাভানা থেকে।


*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *কিউবা* *হাভানা* *বিদেশভ্রমন*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সুন্দরবনের পশ্চিম কোল ঘেঁষে দাড়িয়ে আছে চমকপ্রদ একটি দ্বীপ যার নাম হেনরী দ্বীপ। তবে এই হেনরী দ্বীপটি বাংলাদেশের সীমানাতে নয় এটি ভারতের সীমানায় পড়েছে। ভারতের বকখালি ও ফ্লেজারগঞ্জের কাছে সমুদ্রের ধারে, সুন্দরবনের পশ্চিম সীমানা ঘেঁষে এটির অবস্থান। ভ্রমনপ্রিয়সীদের কাছে এটি একটি সুন্দর বেড়াবার জায়গা। 



হেনরী দ্বীপ কোলকাতা থেকে মাত্র ১৩০ কিঃমিঃ দুরে ও গাড়ীতে করে প্রায় ৪ ঘণ্টায় পৌছান যায়। প্রায় ১০০ বছর আগে হেনরী নামে এক ব্রিটিশ সার্ভেয়ার এই (উপ)দ্বীপটি সার্ভে করেন ৷ তারই নামে এই দ্বীপের নাম হেনরী দ্বীপ ৷ ১৯৮০ সালে মৎস দপ্তর দ্বীপটিকে পর্যটনের উপযুক্ত করে তোলেন।



হেনরী দ্বীপে রাত্রি বাসের জন্য বেশ কয়েকটি আবাস আছে যার মধ্যে “সুন্দরী” নামে বাড়িটি খুব ভাল। এর সাথে ওয়াচ টাওয়ারও আছে, যার ওপর থেকে বন এবং, ভাগ্য ভাল থাকলে, হরিণ ও বন্য শুয়োর দেখা যায়। এই ওয়াচ টাওয়ার পেরিয়ে বিচের দিকে বেশি দুর গাড়ী যায়না। পায়ে হেঁটে বনের ভিতর দিয়ে মেঠো রাস্তা আর বাঁশের সাকো পেরিয়ে বিচ-এ য়েতে হয়। ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগে। বিচটির নাম কিরণ বিচ।



এই বালি ও মাটি মেশানো বিচটি খুব চওড়া। ভাটার সময় সমুদ্র অনেক দূরে চলে যায়। বিচের ধারে প্রচুর গাছ আছে। এমনকি বিচের ওপরেও কিছু গাছ আছে। বিচের ওপরে অনেক সময় ঝাকে ঝাকে লাল কাঁকড়া দেখা যায়। সাধারণত বিচটি নির্জন থাকে। সব মিলিয়ে জায়গাটা খুব সুন্দর।
(সংকলিত)
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *দ্বীপ* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড*

সুমন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১. ক্যাসেট প্লেয়ার/ টু ইন ওয়ান,
২. ডিস্কম্যান / ওয়্যাকম্যান অডিও,
৩. বহনযোগ্য অডিও সিডি প্লেয়ার,
৪. ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ইউপিএস, স্ক্যানার, ফ্যাক্স মেশিন।
৫. ভিডিও ক্যাম: এইচ ডি ক্যাম, ডিভি ক্যাম, বেটা ক্যাম এবং প্রফেশনাল কাজে ব্যবহৃত হয় না এমন ক্যামেরা ব্যাতিত সব।
৬. ডিজিটাল ক্যামেরা,
৭. সাধারণ/পুশবাটন/কর্ডলেস টেলিফোন সেট
৮. সাধারণ ইলেকট্রিক ওভেন/ মাইক্রোওয়েভ ওভেন,
8. পোস্টটি (ফেসবুক.কম/banglacomics) থেকে কপিকৃত !
৯. রাইস কুকার/ প্রেসার কুকার,
১০. টোস্টার/ স্যান্ডউইচ মেকার/ ব্লেনডার/ ফুড প্রসেসর/ জুসার/ কফি মেকার।
১১. সাধারণ ও বৈদ্যুতিক টাইপ রাইটার,
১২. গৃহস্থালী সেলাই মেশিন (মেনুয়াল/বৈদ্যুতিক)
১৩. টেবিল / প্যাডেস্টাইল ফ্যান,
১৪. স্পোর্টস সরন্জাম (ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য)
১৫. ২০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ/র্যোপ্য অলংকার (এক প্রকারের অলংকার ১২টির অধিক হবে না)।
১৬. এক কার্টুন সিগারেট (২০০ শলাকা),
১৭. ২৪" পর্যন্ত রঙ্গিন টিভি (সিআরটি)/সাদাকালো টিভি,
১৮. ভিসিআর/ভিসিপি,
১৯. সাধারণ সিডি ও দুই স্পিকার সহ কম্পোনেন্ট (মিউজিক সেন্টার/ সিডি/ ভিসিডি/ ডিভিডি/এলডি/ এমডি সেট)
২০. ভিসিডি/ডিভিডি/এলডি/এমডি ব্লুরেডিস্ক প্লেয়ার,
২১. এলসিডি মনিটর ১৭" পর্যন্ত (টিভি সুবিধা থাকুক বা নাই থাকুক),
২২. একটি মোবাইল সেট।
*জানো* *কাষ্টমস* *বিদেশভ্রমন*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভারতের মধ্যপ্রদেশের শিল্পশহর জবলপুর, যা আসলে জব্বলপুর নামের পরিচিত। আরবি ভাষায় 'জব্বল' শব্দের অর্থ পাথর। জব্বলপুর হলো পাথুরে শহর বা পাথর পুরী। বিচিত্র আকৃতির ক্ষয়িঞ্চু পাথরের পাহাড় তার চারদিকে। এক সময় এখানে ছিল কালচুরি আর গোন্ড রাজাদের রাজধানী। শহরের একধারে রয়েছে গোন্ড রাজাদের তৈরি মদনমোহন দুর্গ। পাহাড়তলির পরিচ্ছন্ন বসতি ছাড়িয়ে টানা চড়াইপথ উঠে গিয়েছে চূড়া পর্যন্ত। কোথাও সিঁড়ি, কোথাও ঢাল। পাহাড়ের উপর মদনমোহন কেল্লা, রানি দুর্গাবতীর প্রাসাদ সময়ের আঘাতে ভেঙ্গে পড়েছে। বারো শতকে গোন্ড রাজারা এখান থেকেই শাসন করতেন তাদের গোন্ডয়ানা রাজ্য। দুর্গ দেখে পাহাড়ের মাঝামাঝি নেমে এলে হাতের বাঁ দিকে পড়বে শিবের মহামন্দির। গুহাটা অনেকটা ছোটখাট ঘরের মতো, তার মাঝে প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ।

জব্বলপুর শহর থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূর ভেড়াঘাট। যেখানে প্রকৃতির কয়েকটি ভয়ঙ্কর সুন্দর সৃষ্টি দেখার জন্য ভিড় করেন দেশ-বিদেশের বহু মানুষ। পাথরে বাঁধানো চওড়া রাস্তা পৌঁছেছে নদীর ধারে। পথের শেষে ধুঁয়াধার জলপ্রপাত। স্থানীয় মানুষের কাছে গঙ্গার মতো পবিত্র নর্মদা নদী এখানে জলপ্রপাতের রূপ নিয়ে, পাথরের এক ধাপ থেকে আরেক ধাপে আছড়ে, অনেক নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। তাতে বহু দূর পর্যন্ত ধোঁয়ার মতো জলকণা উড়ছে বলেই নর্মদা প্রপাতের আরেক নাম 'ধুঁয়াধার' জলপ্রপাত। দাঁড়িয়ে থেকে সেই প্রপাত দেখার জন্য নিরাপদ দূরত্বে নদীর উপর রেলিংঘেরা ভাসমান প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। বৃষ্টির মতো উড়ন্ত জলকণা প্রতিনিয়ত এসে ভিজিয়ে দিয়ে যাবে শরীর। কয়েকশো মিটার দূরে আরেকটি টিলার উপরে রয়েছে আরেকটি ভিউ প্ল্যাটফর্ম।

ধুঁয়াধার জলপ্রপাত থেকে ১ কিলিমিটার দূরে চৌষট্টিযোগিনী মন্দির। বড় বড় গাছে ভরা এক পাহাড়ের মাথায়। ১০৮টি সিঁড়ি বেয়ে ওঠার পর সেখানে সমতল চূড়া। উঁচু শিখরওয়া পাথরের তৈরি মন্দির। এই চৌষট্টিযোগিনী মন্দির খ্রিস্টীয় দশম শতাব্দীতে তৈরি। কেয়ূরবর্ষ নামে জনৈক কালচুরি রাজা যা তৈরি করিয়েছিলেন। মন্দির থেকে বেরিয়ে সামনের চাতালে নামলে, দূরে অনেক নিচে নর্মদা নদীর একটা বাঁক দেখা যায়। সেই বাঁকের মুখে নদীতীরে সাদা রঙের আর এক মন্দির। তার চূড়া তিন-চারতলার সমান উঁচু। জব্বলপুরের বিশেষ দর্শনীয় স্থান মার্বেল রক দেখার জন্য পাহাড় থেকে নেমে ওই জায়গাটিতেই যেতে হবে। নর্মদা ঘাটে পঞ্চায়েতের তত্ত্বাবধানে নানা ধরনের নৌকার ব্যবস্থা রয়েছে মার্বেল রক দেখার জন্য। নর্মদা নদীর পাড়ে মার্বেল রক প্রকৃতির অনন্য এক সৃষ্টি। আসলে এটা ম্যাগনেসিয়াম বা চুনাপাথরের একটি খাড়া পাহাড়। পাথরের খাঁজে সূর্যের আলো পড়লে সেখান থেকে বিচ্ছুরিত হয় নানা রং। আরো দূরে গেলে একেবারে সাদা। তবে মার্বেল রকের রূপ না কি আরো খোলতাই হয় পূর্ণিমার রাতে। তখন রাতভর পাওয়া যায় নৌকা। 
তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *বিদেশভ্রমন* *ভারত* *ভারতভ্রমন* *ট্রাভেল*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

থাইল্যান্ড ও মালেশিয়া থেকে ঘুরে আসুন মাত্র ৬৩,৫০০ টাকায়

ফ্লাইয়ার্স ট্যুরস এন্ড ট্রাভ্রেলস এর সহায়তায় থাইল্যান্ড ও মালেশিয়ায় ট্যুর প্যাকেজ মাত্র ৬৩,৫০০ টাকায়। এই প্যাকেজের আওতায় আপনি ৫ দিন ৪ রাত কাটাতে পারবেন।

*ট্যুর* *ট্যুরপ্যাকেজ* *ট্রাভেল* *ভ্রমন* *বিদেশভ্রমন* *মালেশিয়া* *থাইল্যান্ড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর উপকূলীয় জীব বৈচিত্র্য, স্ফটিক স্বচ্ছ পানি, বহুরকমের প্রবাল আর সৈকত জুড়ে মুক্ত ছড়িয়ে থাকা অনন্য সুন্দর দ্বীপটির নাম ‘কীশ’। কীশ ইরানের একটি দ্বীপ। পারস্য উপসাগরে ইরানের যতোগুলো দ্বীপ রয়েছে তাদের মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এটি। সমগ্র বিশ্বের সাথে ইরানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এই দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চমৎকার আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমণ্ডিত হওয়ায় দ্বীপটি সারা বছর দেশি বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত থাকে। আপনিও চাইলে ঘুরে আসতে পারেন ইরানের অনন্য সুন্দর দ্বীপ ‘কীশ’ থেকে।

কীশ দ্বীপটির অবস্থানঃ
ইরানের দক্ষিণ উপকূল হতে ২০ কিলোমিটার দূরে পারস্য উপসাগরের উত্তরাঞ্চলে ৯১ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে অনেকটা ডিম আকৃতির একটি দ্বীপ রয়েছে। দ্বীপটির নাম কীশ। পূর্ব-পশ্চিমে কীশ দ্বীপের দৈর্ঘ্য হলো ১৫ কিলোমিটার। আর উত্তর দক্ষিণে দ্বীপটির প্রস্থ প্রায় ৮ কিলোমিটারের মত।

কীশ দ্বীপের সৌন্দর্য্য কথনঃ
কীশ দ্বীপ নৌচালনা এবং মুক্তা কুড়ানোর জন্যে বিখ্যাত। এর চমৎকার আবহাওয়াও পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। শীতকালেও কীশের আবহাওয়ায় উষ্ণতার পরিমাণ ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নীচে নামে না। বছরের ছয় মাস গরম থাকলেও বাকি ছয়মাসের আবহাওয়া বেশ উপভোগ্য।

এই দ্বীপে প্রচুর পরিমাণ প্রবাল রয়েছে। খ্রিষ্টপূর্ব দুই হাজার বছর আগে থেকে এখানে মানব বসতি গড়ে ওঠে। ফলে কীশের সংস্কৃতিতে রয়েছে প্রাচীনত্ব আর বেশ সমৃদ্ধও। তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবেও প্রাচীনকাল থেকেই কীশের খ্যাতি রয়েছে।

ইরানের কালজয়ী কবি সাদি সপ্তম শতকে তাঁর বিখ্যাত ‘গোলেস্তান’ কাব্যগ্রন্থে কীশ দ্বীপ প্রসঙ্গে লিখেছেন। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে তৎকালীন কীশের মর্যাদা, বিস্তৃতি এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের বিষয়গুলো।

কীশ দ্বীপ ইরানের সর্বপ্রথম ফ্রি ট্রেড জোন। কেবল বাণিজ্য নয় টুরিস্ট স্পট হিসেবেও কীশ দ্বীপটির খ্যাতি রয়েছে। সমগ্র দ্বীপের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ এলাকা পর্যটনের জন্যে নির্দিষ্ট। পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্যে গড়ে উঠেছে নান্দনিক স্থাপনা, চমৎকার হোটেল। প্রকৃতির সৌন্দর্য আর স্থাপনার নান্দনিকতায় কীশ হয়ে উঠেছে দর্শনীয় একটি দ্বীপ।

কীশ দ্বীপে রয়েছে উপকূলীয় বৈচিত্র্য, রয়েছে স্ফটিক স্বচ্ছ পানি, বহুরকমের প্রবাল, বিচিত্র রঙের অ্যাকুরিয়ামের মাছ এবং সর্বোপরি কীশে রয়েছে মন কেড়ে নেওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এগুলো কীশ দ্বীপ দেখতে যাওয়া যে কোনো দর্শক বা পর্যটককেই কীশ দ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হলো ‘হারিরা’ নামক পুরনো শহর। হারিরা শহরের প্রাচীন নিদর্শনগুলো দর্শকদের নিয়ে যায় সময়ের পর্দা ভেদ করে ইতিহাসের অনেক গভীরে। যেখানে এই চমৎকার প্রবাল দ্বীপের প্রাচীন বাসিন্দাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।

কীশের আরেকটি দর্শনীয় স্থাপনা হলো শেইখ আলে আলি ভবন। শেখ আলে আলি ছিলেন কীশ দ্বীপের সাবেক শাসক। সমুদ্রের পাড়ে যে সুরম্য প্রাসাদ তিনি গড়ে তুলেছেন তা অনন্য। যদিও অনেকের অভিমত স্থাপত্য কৌশলের দিক থেকে কাজারি রাজবংশের শাসনামলের স্থাপত্যের সাথে মিলে রয়েছে।

বন্ধুরা, তবে আর দেরি কেন ঘুরে আসুন ইরানের অনন্য সুন্দর  কীশ দ্বীপ থেকে। আর আপনার ভ্রমনের খুটিনাটি অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে একদম ‍ভুল করবেন না।


*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *বিদেশভ্রমন* *ইরান* *দ্বীপ* *কীশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★