বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ২০২২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?

উত্তর দাও (৯ টি উত্তর আছে )

.
*২০২২সাল* *বিশ্বকাপফুটবল* *ফুটবলবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ* *ফুটবল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রমজান এল গেল, ঈদও চলে গেল। দুয়ারে ফুটবল বিশ্বকাপের দৌড়াদৌড়ি চলছে। অনেকদিন কিছু প্রকাশ করা হয় না তবে পড়া হয়। পড়তে আমার ভাল লাগে, জানতে ভাল লাগে। সেই ভাল লাগা থেকেই নতুন কিছু অংশ আপনাদের মাঝে দিতে এসেছি। ঈদের দিন কাজ থাকায় শুভেচ্ছাটা দিলাম না। কর্মজীবনে প্রবেশ করার পর থেকে ঈদের আনন্দটা প্রকাশ সেভাবে করা সম্ভব হয় না। যেভাবে বাচ্চারা করে থাকে, যে সময়টাকে আমি খুব খুজেঁ ফিরি।

পুরো নাম দিয়েগো আরমানদো মারাদোনা ফ্রাঙ্কো, যে যেভাবে ডাকতে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করুন। খেলার মাঠে অবস্থান বলতে গেলে মধ্যমাঠের খেলোয়াড়, তবে ধাচেঁ আক্রমণাত্নক।

অনেকে পরিসংখ্যান দিয়ে অনেক কিছু যাচাই করেন। সে চিন্তা করলে তো একাধিক আরব ইসরাঈল যুদ্ধে আরবের তো শুরু থেকেই জয় পাবার কথা! আপনি সংখ্যা, উপাত্ত দিয়ে বিশ্লেষণ করলে ধারণা পাবেন এর থেকে বেশি কিছু নয়। তেমনি গোল ও বিশ্বকাপ দিয়েই ব্যবচ্ছেদ করে, একেই সেরা মনে করা উচিত নয়। যদিও ইতিহাসে জয়ীকে নিয়েই স্তুতি প্রস্তুত হয়।

নাম না জানা কত খেলোয়াড় এসেছে, গিয়েছে। তার মধ্য থেকেই কয়েকটি তারা জ্বল জ্বল করে। মারাদোনার নাম তুললে একটি নক্ষত্র সর্বদাই পিছু আসে সেটা হল পেলে। মানুষ যে দল বা সংঘকে পচ্ছন্দ করবে; তারই গুনগান গাইবে। এটাই স্বাভাবিক। আমিও ব্যতিক্রম নই। তবে সঠিক পর্যালোচনা করাই উদ্দেশ্য।

প্রথমেই মারাদোনার কৈশর এর একটি ভিডিও, যারা ভক্ত তাদের জন্য

https://www.youtube.com/watch?v=xr7SfOC6X_U


মারাদোনা শারীরিকভাবে খুব শক্তিশালী ছিল যে কোন ফাউল উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে পারত। ফাউল হলেও বড় কোন ইনজুরিতে বারবার পড়তে হয় নি। আর ড্রিবলিং ছিল অসাধারণ। বলকে নিয়ে কিভাবে খেলা যায় আর তা দিয়ে প্রতিপক্ষকে কিভাবে নাঁচাতাে হয় তা সে ভালভাবেই রপ্ত করেছিল। আর আরেকটা কথা হল ক্ষিপ্রতা। এগুলো মিশিয়ে গতিময় ফুটবল যদি একজনই বল ঠেলে এগিয়ে যেতে থাকলে তাকে আপনি কি বলবেন? যার কোন বারতি আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে দিতে হচ্ছে বলকে গোল দিতে। যদিও ১১*২ সদস্যের খেলা ফুটবল তবুও এই প্রতিভাকে শ্রেষ্ঠ রূপ দিতে সমস্যা কই?

আমার হাসি পায় সবচেয়ে বেশি একজন মধ্যমাঠের আক্রমণ ভাগের খেলোয়াড় এর সাথে শুধু আক্রমণভাগের খেলোয়াড় এর সাথে পরিসংখ্যান মিলিয়ে একটি ফলাফলে আসা। পেলের একা দল টানতে হয় নাই, আর তার মাঠে অবস্থাটাও সেরকম ছিল না কখনো। যেখানে মারাদোনা করে গিয়েছে। Mid মারাদোনা Attacking striker(Forward) এ পেলে যদি একটি দলে খেলতেন তাহলে আমার বিশ্বাস তারা প্রতিপক্ষকে কাপিঁয়ে ফেলতেন। মারাদোনাকে অনেকে playmaker উপাধি দেন, আমি বলব সে রিখুয়েলমে বা জিদান থেকে অনেক বেশি বলব। মেসিকেও অনেকে একজন playmaker বলে কিন্তু আমি মনে করি তার মাঠের অবস্থান এর সাথে এটি যায় না।

মারাদোনা অন্ধকার জীবনের একটি হল কোকেইন তবে অনেকে এটিকে শক্তি বৃদ্ধিকারী মাদক মনে করলেও করতে পারেন; যা ভুল। কোকেইল কোন কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ঔষধ বা মাদক নয়। এটি শুধুই একটি মাদক যা মানুষকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এতে স্বল্প সময়ের জন্য মানুষ মাদকের নেশায় থাকে এর থেকে বেশী কিছু নয়।

আর শেষটুকু বলা যায় হাত দিয়ে গোল দেওয়া, এই একটি বিষয় যা ব্রাজিল ভক্তদের খুব প্রিয়। একটি মানুষের ১০০ গুন থাকলেও ১ দোষই যথেষ্ট চেপে ধরার।

একজন সফল খেলোয়াড় একজন সফল কোচ হবেন বা ব্যক্তি জীবনের অনুপ্রেরণা হবেন তার নিশ্চয়তা নেই। সুতরাং মারাদোনার খেলার শৈলী অপ্রতিরুদ্ধ।

*খেলা* *ফুটবল* *বিশ্বকাপ* *আর্জেন্টিনা* *মারাদোনা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ফুটবল বিশ্বকাপ এ বেশতো বন্ধুরা কে কোন দলের সমর্থক জানতে চাই ???

উত্তর দাও (৪ টি উত্তর আছে )

.
*বিশ্বকাপ* *ফুটবল* *সমর্থক* *খেলাধুলা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ। মর্যাদার দিক দিয়েও সবার উচুতে এই প্রতিযোগিতা। কিছু কিছু কারণে এই মর্যাদার টুর্ণামেন্ট হয়েছে বির্তকিত। আর বির্তকের কথা আসলেই প্রথমে আসে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনার ‘ইশ্বরের হাত’ গোলটি। সেই গোলটিকে আনেকই সর্বকালের সেরা গোল বলেও আখ্যা দিয়েছে। আবার অনেকেই তাকে ফুটবলের কলঙ্কও বলে থাকে। হোক সেটা বির্তকিত বা সেরা। ওই গোলের কয়েক মিনিট পর ম্যারাডোনার যে গোলটি বিশ্ব দেখেছিল তাকে শতাব্দীর সেরা গোল বলে মানতে কারো দ্বিধাদ্ব›দ্ব নেই।

সেই গোলের ৩২ বছর পরও আজো শতাব্দীর সেরা গোল হিসেবেই মনে করেন বিশ্লেষকরা।

মেক্সিকো ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের ইংল্যান্ডের মুখোমুখি আর্জেন্টিনার। সেই ম্যাচে রেফারির চোখ ফাকি দিয়ে হাত দিয়ে গোল করেন ম্যারাডোনা। পরর্বতিতে সেটা নিয়ে তুমুল বির্তকের সৃষ্টি হয়ে। তবে, তার কয়েক মিনিট পরই যা করে দেখালেন তা সত্ত্যি অসাধারণ ছিল। মাঝমাঠ থেকে ম্যারাডোনা বল নিয়ে বোঁদৌ। ইংলিশ মিডফিল্ড ও রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের বোকা বানিয়ে বল পাঠালেন ইংল্যান্ডের জালে। জন্ম দেয় ইতিহাসের। আর সেই গোলেই ছিটকে গিয়েছিল বিশ্বকাপ থেকে।

ইতিহাস তৈরির পথে সব মিলিয়ে ৬৮ মিটার দৌড়েছের এই আর্জেন্টাই। ১১ সেকেন্ডে রচনা করেছিলেন এই অনব্দ্য ইতিহাসে।

অভিষেক বিশ্বকাপে লাল কার্ড দেখে আসর থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ফুটবলের বেডবয়কে। অবশ্য পরের বিশ্বকাপে কষ্টটা আরো বেশী কারণ, চিরপ্রতিদ্ব›িদ্ব ব্রাজিলে কাছে হেরে দ্বিতীয় রাউন্ডেই বিদায় নিয়েছিল ম্যারাডোনার দল। তাই পরের ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়ে ছিল এই কিংবদন্তিকে। অপেক্ষাটাকও সার্থক করেছে আর্জেন্টাইন তালিশম্যান। র্জামানিকে হারিয়ে ৩-২ গোলে হারিয়ে শ্রেষ্টত্বে নিশ্চিত এই ফুটবল ইশ্বর।

*গোল* *বিশ্বকাপ* *ম্যারাডোনা* *ফুটবল* *শতাব্দি* *সেরা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কি সরাসরি খেলতে পারবে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ক্রিকেট* *খেলাধুলা* *বিশ্বকাপ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফুটবলে যেমন থাকে তীব্র প্রতিদন্ধিতা, শ্রেষ্টত্ব অর্জনের লড়াই তেমনি থাকে কিছু মজার মুহুর্তও। ফুটবলের মজার কয়েকটি মুহুর্ত তুলে ধরলাম এই পোস্টে-

★ ১৯৫০ সালের আসরে ফিফা দলই খুঁজে পাচ্ছিলনা। এই বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল ব্রাজিল। ১৯৫০ এর বিশ্বকাপে খেলতে সুযোগ পেয়ে ব্রাজিল পর্যন্ত গিয়েছিল ভারত। কিন্তু খালি পায়ে খেলার আবদার তোলে ভারত! হাউ ফানি। খালি পায়ে খেলার অনুমতি না পাওয়ায় ভারতের আর বিশ্বকাপ খেলা হয়নি

★ ১৯৭০ বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো ব্রাজিল। এ আসরে ইংল্যান্ড দলে ন্যাক্করজনক এক ঘটনা ঘটে। মদ্যপান, চুরিও অশালীন আচরণের অভিযোগে ইংল্যান্ড তারকা ববি মুরকে গ্রেপ্তার করে মেক্সিকো পুলিশ। এ ছাড়াও ১৯৭০ বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও পুর্তগালের মতো বিশ্বসেরা দলগুলোর আসরে সুযোগ না পাওয়ার ঘটনা। বাছাই পর্ব থেকেই বাদ পড়ে যায় এ সেরা চার দল।অন্যদিকে ১৯৭০ বিশ্বকাপ আসরে অভিষেক হয় ইসরাইলের।

★ ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কথা, হাত দিয়ে গোল করে ২য় বারের ও শেষ বারের মতো দেশকে বিশ্বকাপ এনে দেন ম্যারাডোনা। এই বিশ্বকাপে আর একটি দলের কথা না বললেই নয়, সেই দেশটি ডেনমার্ক। নতুন ধরনের ফুটবলে তারা চমক দিয়েছিল বিশ্বকে।স্কটল্যান্ডকে ১-০ উরুগুয়েকে ৬-১ এবং পশ্চিম জার্মানীকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের চমক হিসাবে আবিভূর্ত হয় তারা।তবে দ্বিতীয় রাউন্ডে স্পেনের কাছে ১-৫ গোলে হেরে আকাশ থেকে বিলাপ করে মাটিতে পড়ে ডেনিশরা।

★ ৯০ মিনিটের এক ম্যাচে কয়টি লালকার্ড দেখা যায়? একটি, দুইটি বা খুব খারাপ কোনো দিন হলে তিন বা চারটি পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু আর্জেন্টিনার ক্লাব ফুটবলের এক ম্যাচে রেফারি ডেমিয়েন রুবিনো মাঠের সবাইকে লাল কার্ডে দেখিয়ে ছেড়ে ছিলেন। ক্লেপোল ও ভিক্টারিয়ানোর ম্যাচে প্রথম অর্ধে মাত্র দুজনকে লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন রেফারি। দ্বিতীয়ার্ধে যেন নরক ভেঙে পড়ল মাঠে। কে কাকে ঘুষি দিচ্ছে বা লাথি মারছে, কারও কোনো হুঁশ নেই।খেলোয়াড়, কোচ, দর্শক হাত চালাতে বাদ রাখেননি কেউই। রেফারিও বা বাদ যাবেন কেন? মাঠের সবাইকেই তাই লাল কার্ড দেখিয়ে বসলেন তিনি।

★ এখন নম্বর ছাড়া জার্সি কল্পনাই করা যায় না। জার্সি নম্বরই যেন এখন খেলোয়াড়ের পরিচয় বাহক। এমনকি বড় বড় ক্লাব ও জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা বিশেষ কোন নম্বরের জার্সি পরার স্বপ্নও দেখেন। অথচ, একটা সময় ছিল যখন জার্সিতে কোন নম্বর লেখা থাকতো না। ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথমবারের মতো জার্সিতে নম্বর লেখা হয়েছিল।

★ সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল দিয়ে রেকর্ড অক্ষুণ রেখেছেন ক্যামেরুনের রজার মিলা। ১৯৯৪ সালে তিনি যখন রাশিয়ার বিরুদ্ধে গোল করেছিলেন, তখন তার বয়স ছিল ৪২ বছর ৩৯ দিন। আর গোল করার পরে সে-কি সেলিব্রেশন! আহ, নেচে নেচে দর্শকদের বিমুগ্ধ করেছিলেন মিলা, দর্শকরাও চেয়ার ছেড়ে হাততালি দিয়ে তার গোল সেলিব্রেশনের মুহুর্তটি উপভোগ করেছিল।

এমন অনেক মজার মুহুর্ত পাওয়া যায় ফুটবলে, তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে হাজার মজার মাঝেও জয় হোক ফুটবলের।

*ফুটবল* *বিশ্বকাপ* *মজার* *ঘটনা* *খেলাঘর*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

২০২৬ সালে ৪০ দলের বিশ্বকাপ

ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ৩২ থেকে ৪০ হলে কেমন হবে? ২০২৬ সাল থেকেই ফুটবলপ্রেমীরা চল্লিশ দলের বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন! এ বছরের অক্টোবরে ফিফা তাদের নতুন প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিশ্বকাপে টিম সম্প্রসারণের প্রস্তাবের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে। ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরেই ওয়ার্ল্ডকাপে আরো আটটি দল যোগ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। এবার তা বাস্তবায়নের পথে! এদিকে, এক ঘোষণায় ২০২৬ বিশ্বকাপের নিলাম প্রক্রিয়াটিও জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মেক্সিকো শহরে চলমান ফিফা কংগ্রেসে চার ধাপে বিশ্বকাপের (২০২৬) নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্নের সিদ্ধান্ত হয়। ২০২০ সালের মে মাসে আয়োজক দেশের নাম চূড়ান্ত হবে। এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, নতুন কর্মকৌশল ও অালোচনা পর্ব (মে ২০১৬- মে ২০১৭), নিলাম প্রক্রিয়া (জুন ২০১৭-ডিসেম্বর ২০১৮), নিলাম মূল্যায়ন (জানুয়ারি ২০১৯-ফেব্রুয়ারি ২০২০) ও ২০২০ সালের মে মাসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্বকাপের (২০২৬) জন্য আলোচনা পর্বে চারটি বিষয়ে জোর দেওয়া হবে, যা ২০১৭ সালের মে মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা, ফরম্যাট ও কনফেডারেশনগুলোর যোগ্যতার বিষয়ে আসছে অক্টোবরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চায় ফিফা। ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার এক মাস পর গত মার্চে ইনফান্তিনো বলেছিলেন, ‘আমাদের অবশ্যই বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা আরো বাড়াতে হবে। এই ধারণাটা ২০২৬ (বিশ্বকাপ) থেকে শুরু হতে পারে। আমরা এ বিষয়ে খেলোয়াড়, ফিফা কাউন্সিল সবার সঙ্গে কথা বলবো। শুধুমাত্র অংশগ্রহণের সম্ভাবনার (বাছাইপর্ব) ক্ষেত্রে অনেক দলকে সুযোগ দিলেই হবে না, বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে আরো বেশি টিমের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তাও দিতে হবে।’ রাশিয়াতে ২০১৮ সালে ২১তম বিশ্বকাপ আসরের পর্দা উঠবে। ২০২২ বিশ্বকাপ হবে কাতারে। পরের আসরেই কিন্তু টিমের সংখ্যাটা ৩২ থেকে ৪০-এ সম্প্রসারিত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে!

*বিশ্বকাপ* *ফুটবল*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

পরবর্তী টি-২০ বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ায় ?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-২০১৬ শেষ হওয়ার আগেই পরবর্তী ভেন্যুর নাম জানিয়ে দিয়েছে আইসিসি। চার বছর বাদে ২০২০ সালে সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসবে অস্ট্রেলিয়ায়। এর আগেও অজিদের মাটিতে বিশ্বকাপের আসর বসেছে। তবে সেটা ছিল ওয়ানডের আসর। এখন পর্যন্ত টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করেনি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ২০২০ সালেই প্রথমবার টি-২০ বিশ্বকাপ হবে সেখানে। এদিকে, আইসিসির নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে প্রতি চার বছর পর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসবে। আগের নিয়মে ২ বছর পর পর বিশ্বকাপের আয়োজন করা হতো। যদিও ২০০৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টির পর ২০১০ সালেও বিশ্বকাপের আয়োজন করা হয়। পরবর্তী বিশ্বকাপে ১৬টি দেশ অংশ নেবে বলে ঠিক হয়েছে। গ্রুপ পর্বের পরেই কোয়ার্টার ফাইনাল হবে। অনেকটা ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের মতো। দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, জিম্বাবুয়ে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ডস, আফগানিস্তান, হংকং ও আয়ারল্যান্ড।

*টি-২০* *বিশ্বকাপ* *ক্রিকেট*

Risingbd.com: ফিরে দেখা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাঁচ ফাইনাল ২০১০ সালে ইংল্যান্ড ও ২০১২ সালে বিশ্বকাপের ট্রফি জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবার ট্রফি কার হাতে উঠবে সেটাই দেখার বিষয়... বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/1RT1m7b

*টি-টোয়েন্টিবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ* *আড্ডা* *খেলাধুলা* *ক্রিকেট*

সাদাত সাদ: খুব সুন্দর একটা জেতা ম্যাচ আমরা হারলাম। আমাদের কপাল এতটাই খারাপ (ফুঁপিয়েকান্না) আমি এখন কাঁদছি প্রাণ খুলে কাঁদছি। ২০ রানে হেরে গেলে কষ্ট ছিলনা। কষ্ট হলো ১ রানে হার, এই হারের জন্যে আমরা নিজেরাই দায়ী। এই জয়ে ইন্ডিয়ার কোন অবদান নেই, সব অবদান আমাদের সোনার ছেলেদের। ৩ বলে দরকার ছিল ২ রান! এটাও কি অসম্ভবের কিছু ছিল? অবশ্যই না। যাক হেরে গিয়ে ভালই লাগছে আমাদের ক্রিকেটের জন্মই হয়েছে হারার জন্য। আমরা না হারলে হারবে কে???

*ক্রিকেট* *টি-টুয়েন্টি* *বিশ্বকাপ* *ক্রিকেট-বিশ্বকাপ*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

বাংলাদেশ বনাম ভারত

*টি-২০* *বিশ্বকাপ* *ক্রিকেট*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

আজকে ইডেন গার্ডেনে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটিং বনাম পাকিস্তানের বোলিং ?

টি-২০ ওয়ার্ল্ড কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ইডেন গার্ডেনে পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ | খেলা শুরু হবে বিকাল ৩:৩০ মিনিটে এবং খেলাটি সরাসরি দেখাবে গাজী টিভি |

*টি-২০* *বিশ্বকাপ* *ক্রিকেট*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

অনলাইন থেকে কিনতে পারবেন টি-২০ বিশ্বকাপের টিকিট ?

বুকমাইশো.কম থেকে কিনতে পারবেন টিকিট ? https://in.bookmyshow.com/sports/

*টি-২০* *বিশ্বকাপ* *ক্রিকেট* *টিকিট*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের সব টিকেট শেষ!

আর একদিন বাদেই মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিশ্বকাপের ম্যাচ। আর এরই মধ্যে ফুরিয়ে গেছে ম্যাচের সব টিকেট। অনলাইন টিকেটের ওয়েবসাইট বুকমাইশো.কম এমন তথ্য জানিয়েছে। এদিকে, ভারত-পাক ম্যাচের কোনও টিকিটই কাউন্টার থেকে জনসাধারণের জন্য বিক্রি করা হবে না। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি নিজেই এই কথা জানিয়ে দিলেন, ‘অনলাইনে যে হাজার দশ টিকিট দেওয়া হবে। তার বাইরে আর কিছু দেওয়া হবে না।’ মূলত, নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি। সিএবি সদস্যদের ও অনুমোদিত ক্লাব, সংস্থাগুলিকে বুধ ও বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে টিকিট দেওয়া হবে।

*টি-২০* *বিশ্বকাপ* *ক্রিকেট* *টিকিট*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★