বিশ্বকাপ রেকর্ড

বিশ্বকাপরেকর্ড নিয়ে কি ভাবছো?

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কলাকৌশলী, দর্শক এবং ক্রিকেট বোদ্ধা সবাই যার যার মত পুরানো রেকর্ড বই খুঁজে হয়রান। কি করল এই দানব? শেষ পর্যন্ত খোঁজ মিলল! ক্রিকেট ইতিহাসের পূর্বকার সকল রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড তৈরী করল  ক্রিকেটর দানব খ্যাত বিশ্ববিখ্যাত ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল। ক্যানবেরা মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তার ব্যাট কথা বললো ঘুর্ণিঝড়ের মত। মুহূর্তেই ভেঙ্গে লন্ডভন্ড করে দিল পূর্বকার সব রেকর্ড।

হ্যাঁ বন্ধুরা, বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে ক্রিস গেইল হলেন একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব অজর্ন করলেন। এছাড়াও একদিনের ক্রিকেট ডাবল শতক হাকানো চতুর্থ ব্যাটসম্যানের খাতায়ও তার নাম উঠলো।

এর আগে প্রথমে ৭৯ রান করে ৯ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন। এরপর ১৮৯ রান করে বিশ্বকাপে করা সর্বকালের সর্বোচ্চ স্কোর ছাড়িয়ে যান। তারপর সংগ্রহ করেন সর্বোচ্চ ২১৫ রান। এতোদিন দক্ষিণ আফ্রিকার গ্যারি ক্রিস্টেন ১৮৮ রান নিয়ে সবার শীর্ষে ছিলেন। ১৮৩ দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। ১৮১ রান নিয়ে তৃতীয় স্থানে ছিলেন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। আর ১৭৫ রান নিয়ে চতুর্থ স্থানে ছিলেন বীরেন্দর শেবাগ।

প্রথমে যখন ১ রানে ওয়েস্টইন্ডিজের প্রথম উইকেটর পতন ঘটে, ঠিক তারপর থেকেই উইকেটে ঘরবাড়ি তৈরী করেন ক্রিস গেইল ও স্যামুয়েলস। ক্রিস গেইল ও স্যামুয়েলস এর ২য় উইকেট জুটিতে গড়া ৩৭১ রান দখল করে নিল বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় পার্টনারশিপের স্থানটি।

ক্রিকেট রেকর্ড ভাঙ্গা ও রেকর্ড গড়ার খেলা। তারপরেও এতো বড় এই রেকর্ডটি আবার কখন কারা ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়বেন সে প্রত্যাশাই থাকবেন ক্রিকেট ভক্তরা।

*ক্রিকেটরেকর্ড* *ক্রিসগেইল* *গেইল* *বিশ্বকাপরেকর্ড* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ*
ছবি

AjkerDeal.com: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

বাংলার বেদুঈন: [ক্রিকেটরঙ্গ-উরাইলাইছে](তালি)(তালি) ক্রিস ভাই কালু গেইল, শুরু করছে পাগলামি খেইল. কারো নাই বেইল, বোলার সবাই ফেইল. ব্যাট যেন লাইক সেইল রান ছুটছে তুফান মেইল,

*ক্রিকেটরঙ্গ* *বিশ্বকাপরঙ্গ* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫* *ক্রিকেটরেকর্ড* *বিশ্বকাপরেকর্ড*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৃষ্টি বাগড়া না দিলে ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ তাদের ২য় ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার। পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের চাইতে অস্ট্রেলিয়ার পাল্লাটা অনেক বেশি ভারী।

এই পর্যন্ত দুই দল ১৯ বার মুখোমুখি হয়েছে যার মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ১৮ বার এবং বাংলাদেশ জয় পায় শুধু ১ বার কোন ম্যাচ ড্র অথবা পরিত্যক্ত হয় নি। আর বাংলাদেশের এই ১ বার জয় আসে ২০০৫ সালে ট্রাই নেশন সিরিজে। সে সিরিজে আশরাফুলের সেঞ্চুরির উপর ভর করে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটের ব্যবধানে হারায়। আর এইটাই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একমাত্র জয়।

বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক ইনিংসে সর্বচ্চ রান করেছে ২৯৫ রান ৬ উইকেটে এবং এক ইনিংসে সর্বনিম্ন রান রয়েছে ৭৪ রান। বাংলাদেশের পক্ষে হাবিবুল বাশার ১১ ম্যাচ খেলে ২৮৯ রান করে। এক ইনিংসে সর্বচ্চ রান করে মোহাম্মদ আশরাফুল ১০০(১০১)। বাংলাদেশের হয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেরা বোলিং ফিগার হল বাহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাকের ৩/৩৬।

অন্যদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার এক ইনিংসের সর্বচ্চ রান ৩৬১/৮ এবং সর্বনিম্ন রান হল ১৯৮/৫ রান। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে এডাম গিলক্রিস্ট ১১ ম্যাচ খেলে করে ৪৪৪ রান করেন। এক ইনিংসে সর্বচ্চ রান করেন শেন ওয়াটসন ১৮৫*(৯৬)। এক ইনিংসের সেরা বোলিং ফিগার হল এন্ড্রু সাইমন্সের ৫/১৮।

কোন পরিসংখ্যানই বাংলাদেশের পক্ষে নেই তবুও পরিসংখ্যান যাই হক আগামীকালের ম্যাচে বাংলাদেশ চাইবে ভাল খেলে জয় ছিনিয়ে আনতে। সেজন্য বাংলাদেশকে সব বিভাগেই জ্বলে উঠতে হবে।

*ক্রিকেটরেকর্ড* *বিশ্বকাপরেকর্ড* *বিশ্বকাপক্রিকেট* *বাংলাদেশ-না-অস্ট্রেলিয়া*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্কটল্যান্ডের চার ব্যাটসম্যান গোল্ডেন ডাক পেয়েছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয়বার এমন ঘটনা ঘটল।
মঙ্গলবার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সহ-আয়োজক দেশ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল স্কটিশরা।
প্রথম ম্যাচেই শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যে তিনজন প্রথম বলেই আউট হয়ে যান।

গোল্ডেন ডাক পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন অধিনায়ক প্রিসটন মোমেসন, ক্যালাম মেকলেউড, হ্যামিশ গার্ডিনার ও ইয়ান ওয়ার্ডল। চারজনই বোল্ড হয়েছেন।


এক ওভারেই পর পর দুটি উইকেট পেয়েছেন ট্রেন্ট বোল্ট। ক্যালাম মেকলেউড ও হ্যামিশ গার্ডিনার বোল্ড করেছেন ২৫ বছর বয়সী এই বা-হাতি ফাস্ট মিডিয়াম বোলার।

তৃতীয় গোল্ডেন ডাক পেয়েছেন অধিনায়ক মোমেসন। তিনি বোল্ড হয়েছেন টিম সাউদির বলে। আর সব শেষ ইয়ান ওয়ার্ডলকে বোল্ড করেছেন স্পিনার ড্যানিয়েল ভেট্টোরি।

সূত্র : ক্রিকইনফো
*ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫* *বিশ্বকাপরেকর্ড* *ক্রিকেটরেকর্ড* *গোল্ডেনডাক*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে ভারত বনাম পাকিস্তান এই লড়াইয়ে আজ পর্যন্ত হারের মুখ দেখেনি ভারত। তবে একটা আক্ষেপ কিন্তু তাদের এই কিছুক্ষণ আগ পর্যন্তও ছিল। ভারতের হয়ে কত রথী-মহারথী খেলেছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে।! খেলেছেন শচীন টেন্ডুলকার, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, সঞ্জয় মাঞ্জেরে​কার, সৌরভ গাঙ্গুলি, রাহুল দ্রাবিড়ের মতো ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু তিন অঙ্কে পৌছাতে পারেননি কেউই। ক্রিকেট কিংবদন্তি পৌছেছিলেন তিন অঙ্কের সবচেয়ে কাছে। ২০০৩ বিশ্বকাপে ৯৮ রানে আউট না হলে হয়তো এই প্রতিবেদনটি লেখারই প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু ভারতীয়দের মনে পাকিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরির আক্ষেপ রেখেই ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন তিনি। কিন্তু আজ সেই আক্ষেপ থেকে ভারতবাসীকে মুক্তি দিলেন নতুন ‘টেন্ডুলকার’খ্যাত বিরাট কোহলি।

সাম্প্রতিক ফর্মটা কিন্তু মোটেও ভালো যাচ্ছিল না কোহলির। সর্বশেষ ত্রিদেশীয় সিরিজে তার রানের গড় ছিল আট। পাকিস্তানকে সামনে পেয়েই আবার জ্বলে উঠেছিলেন কোহলি । গত মার্চেও এশিয়া কাপে মিরপুরের মাঠে তার ১৮৩ রানের অনবদ্য ইনিংসেই পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কালকের পাকিস্তানের বিপক্ষে বেঁধে দেয়া ৩০১ রানের লক্ষ্য গড়তেও বেশ ভালো অবদান রেখেছিল তার ১০৭ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় উইকেটে শিখর ধাওয়ানকে নিয়ে গড়েছেন রেকর্ড ১২৯ রানের জুটি।

পাকিস্তান জয় না পেলেও এই শতকের পরিসংখ্যানেই যা একটু এগিয়ে ছিল। ২০০৩ বিশ্বকাপে সেঞ্চুরিয়নের মাঠে যেদিন টেন্ডুলকার ৯৮ রানে ফিরেছিলেন, সেদিনই ভারতের বিপক্ষে ১০১ রানের অনন্য ইনিংসটি খেলেছিলেন সাঈদ আনোয়ার। সাঈদ আনোয়ার ছাড়া ৭০-এর ঘরই পার করতে পারেননি আর কেউই। সেই ৯২ বিশ্বকাপে সিডনিতে আমির সোহেল করেছিলেন ৬২ রান।

এই বিশ্বকাপ শুরুর দুদিনের মাথাতেই ক্রিকেটের রেকর্ড খাতায় বদল এল অনেক! বিশ্বকাপের বাকি দিনগুলোতে আর কত চমক অপেক্ষা করছে কে জানে! (সংগ্রহিত) 
*ভারত-না-পাকিস্তান* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫* *ক্রিকেটরেকর্ড* *বিশ্বকাপরেকর্ড*

পূজা: ২০০৩ বিশ্বকাপে গতির মাস্টার শোয়েব আখতারকে একের পর এক চার-ছয়ে মেরে দর্শকদের মুগ্ধ করেন লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকার। কি মনে আছে তো সেই খেলার কথা (খুশী২) (শয়তানিহাসি) https://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=52e9678oiTA

*ভারত-না-পাকিস্তান* *বিশ্বকাপক্রিকেট* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫* *ক্রিকেটরেকর্ড* *বিশ্বকাপরেকর্ড*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নৈঃশব্দ্যের শহর অ্যাডিলেড। কেমন যেন আলস্যমাখা আভিজাত্যে নেতিয়ে থাকে। সেই শহর হঠাৎ ঘুম-টুম ভুলে জেগে উঠেছে আড়মোড়া ভেঙে। বিশ্বকাপের মাঝে এ যে আরেক বিশ্বকাপ। ভারত-পাকিস্তান মহারণ। নিঃস্তরঙ্গ আবহেও যে দ্বৈরথের ভাঁজে ভাঁজে বারুদের গন্ধ। ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানে পরতে পরতে উত্তেজনা।

সেই উত্তেজনার ঢেউ আছড়ে পড়ে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মাঝেও। সমর্থকরা ক্রিকেটারদের কাছে যে কোনো মূল্যে জয় চান। আর এই চাওয়াটা বাড়তি চাপ হয়ে দেখা দেয় ক্রিকেটারদের মাঝে।

আজ চলছে সেই ম্যাচ। দুই চিরশত্রুর সাক্ষাৎ। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনেই অস্ট্রেলিয়ার শান্ত শহর অ্যাডিলেডে ধোনি-মিসবাহদের পাঞ্জা লড়াই। যে ম্যাচের টিকিট ২০ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে যায়, যে ম্যাচের ধারাভাষ্য আছেন অমিতাভ বচ্চন, এমন হাইপ তোলা ম্যাচকে সংজ্ঞায়িত করা যে কতটা দুরূহ, তা বিলক্ষণ জানেন ক্রিকেট রোমান্টিকরা। 

উত্তেজনার বারুদে ঠাসা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর সাক্ষাৎ সম্পর্কে জাভাগাল শ্রীনাথের মন্তব্য স্মরণযোগ্য, ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ আমি খেলেছি বলে মনে পড়ে না। ওয়াসিম আকরাম একবার বলেছিলেন, ভারতের কাছে হারলেই বাড়িতে ফোনে বলতাম গাড়িটা গ্যারেজে ঢোকানোর জন্য। তা না হলে একটা কাচও আস্ত থাকবে না। এটা এমন একটা ম্যাচ, যে ম্যাচে কেউ হারতে চায় না। বিশ্বকাপ জিতুক কিংবা না জিতুক, তাতে কিছু যায়-আসে না। 

চিরশত্রুকে হারালেই বিশ্বকাপ জেতার তৃপ্তি পাওয়া যায়। ভারত ও পাকিস্তান দুদেশেই একই মনোভাব। তাই আজ কলকাতা থেকে করাচি, মুম্বাই থেকে মুলতান, রাঁচি থেকে রাওয়ালপিন্ডি সর্বত্র কায়মনোবাক্যে সবাই মগ্ন হবে নিজেদের জয়ের জন্য প্রার্থনায়। সব্বারই তাই হয়। ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট মাঠে মোলকাত গ্ল্যাডিয়েটরের পথলাড়ইয়ের শোভন সংস্করণ। 
বিশ্বকাপের ইতিহাসে পাঁচ ম্যাচের সবকটিতে ভারতের কাছে পাকিস্তানের হার সত্ত্বেও এই দ্বৈরথের ওপর অনাগ্রহের ধুলো এতটুকু জমেনি। টিম যেমনই হোক, শক্তির তারতম্য যতই ঘটুক, টানটান উত্তেজনার কখনোই কমতি হয় না পরস্পরের প্রতি বৈরী মনোভাবাপন্ন দুই প্রতিবেশীর ক্রিকেটযুদ্ধে। এবারের লড়াই বিশ্বকাপের শুরুতে হওয়ায় দুই শিবিরই মনে করছে, এতে ভালোই হয়েছে। এই ম্যাচের যে প্রচণ্ড চাপ, তা শুরুতেই কেটে গেলে বাকি পথচলা সহজ হয়ে যাবে।

স্বাভাবিকভাবেই দিল্লি-ইসলামাবাদ কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মতো দুদেশের সাবেকরা ভবিষ্যদ্বাণী করছেন, নিজ নিজ দলকে পরামর্শ দিচ্ছেন, আশার বাণী শোনাচ্ছেন। রাহুল দ্রাবিড় যেমন ভারতকে সতর্ক করে দিয়েছেন এই বলে যে, সাত ফুটি উচ্চতার পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ ইরফান হুমকি হয়ে উঠতে পারেন তাদের জন্য। আর সাবেক অধিনায়ক এবং বর্তমানে প্রধান নির্বাচক মঈন খান বলেছেন, পাকিস্তানের সামনে এটাই সুবর্ণ সুযোগ ভারতকে হারানোর। পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই হার, বিশ্বকাপে অচলায়তন ভাঙার পণ নিয়ে আজ অ্যাডিলেড ওভালের মাঠে নামবেন মিসবাহরা। আর ধোনিরা চাইবেন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে। ঘুরেফিরে সেই কথাটাই চলে আসছে, প্রতিশোধ না পুনরাবত্তি? 

দুদলের জন্যই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা কঠিন। পাক-ভারত ম্যাচ মূলত চাপ সামলানোর ম্যাচ। বিশ্বকাপে বরাবরই এই চাপটা ভালোভাবেই সামলে আসছে ভারত। এখন অবধি যতবার ভারত-পাকিস্তান বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছে ততবারই পরাজিত দলের কাতারে পড়েছে পাকিস্তান। কি এক রহস্যর কারণে বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে জিততে পারে না পাকিস্তান। রোববার অ্যাডিলেড ওভালে সেই গেঁরো কি খুলতে পারবে পাকিস্তান? সেটা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই জানা যাবে। ভারতের সংগ্রহে ৩০০ রান l পাকিস্তান কি মেটাতে পারবে সেই চ্যালেঞ্জ?

পাকিস্তানের জন্য অুনপ্রেরণা হয়ে আছে বিরানব্বই। সেবারও বিশ্বকাপ হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে। ইমরান খান কী অসাধারণভাবেই না চ্যাম্পিয়ন করেছিল পাকিস্তানকে! ২৩ বছর পর আবারো মহাযজ্ঞ বিশ্বকাপের সেই দু দেশেই। পুরো দস্তুর রাজনীতির মাঠে ঢুকে পড়ায় ক্রিকেট নিয়ে আর কথাই বলতে চান না ইমরান। বিশ্বকাপে আসার আগে মিসবাহ-উল-হকদের নিশ্চয় কোন টোটকা দিয়েছেন কিংবদন্তি এই অলরাউন্ডার। এদিকে ম্যাচের চব্বিশ ঘণ্টা আগে মিসবাহ-উল-হক সরাসরি বলে দিয়েছেন তিনি ম্যাচটি জিততে চান,‘ আমরা এখানে জিততে চাই। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাপ অন্যরকম। আমরা এটা সবাই মেনে নিয়েছি। তাই জানাতে চাই ওই বিশেষ চাপটা নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের আছে। আগের পাকিস্তান হয়তো এতটা চাপ নিতে পারেনি সেজন্য জিততে পারেনি। কেন এত বছর ধরে বিশ্বকাপে ভারত অপরাজেয় রয়েছে এখন ময়নাতদন্ত করার সময় নয়।’

টিম ইন্ডিয়া’র ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রী পাকিস্তানকে হারানোর সব পরিকল্পনা ক্রিকেটারদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ওদিকে পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক মঈন খান ছেলেদের বলে দিচ্ছেন,‘ ভারতকে হারাও। পাকিস্তানের জনগণ তোমাদের মাথায় তুলে রাখবে।’ এটা বুঝতে বাকি থাকেনা মঈন মূলত ক্রিকেটারদের উদ্দীপ্ত করতেই এমন বাক্য ব্যবহার করেছেন। জীবনের শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন ইউনিস খান। তিনি বলেন,‘ এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ। শুরুতেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। আমরা জিতে দুর্দান্ত শুরু করতে চাই। ভারত খুব ভালো ফর্মে নেই, এটাই আমাদের জন্য বাড়তি সুবিধা। ’ বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচের আগে নাইট ক্লাবে গিয়ে জরিমানা গোনা শহীদ আফ্রিদি গজগজ করে বিবিসিকে বলেছেন,  ‘পাকিস্তান আগে সব খেলায় হেরেছে, তা তো আর আমরা এখন পাল্টাতে পারব না। কিন্তু ইতিহাস তো নতুন করে তৈরি করা যায়। আগে হয়নি বলে এখনো হবে না এটা ভাবা কি ঠিক হচ্ছে? ভারতকে হারাতে পারলে আমাদের দলের চেহারাই পাল্টে যাবে।’

ভারত অধিনায়ক বলেন,‘ আমাদের দরকার অতীত ভুলে যাওয়া এবং চেষ্টা করা একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না করা। এখানে দীর্ঘসময় কাটানো আমাদের জন্য ইতিবাচক। আমরা এই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছি। ছেলেরা ভালো কিছু করতে মুখিয়ে আছে।’ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছে পাঁচবার। এর প্রতিবারই জিতেছে ভারত। কিন্তু ধোনি এসব পরিসংখ্যান মনে রাখতে চান না,‘  

শেষমেষ কি হয় আজ সেটাই দেখবার পালা !
*ভারত-না-পাকিস্তান* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *ক্রিকেটরেকর্ড* *বিশ্বকাপরেকর্ড*
খবর

জয়া হাসান: একটি খবর জানাচ্ছে

কিয়া VS কিয়া ঐতিহাসিক ফুটবল ম্যাচ
https://www.youtube.com/watch?v=KF4mYk0geUI
আমিও ছিলাম l মেয়েদের নীল্ দলের ১২ নাম্বার l ...বিস্তারিত
*বিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপরেকর্ড* *ফিফাবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপহাড্ডাহাড্ডি*
১৫৯ বার দেখা হয়েছে

ইয়াসির খান: [বিশ্বকাপ২০১৪-জিতবোই] জার্মানি ☑ জার্মানি ☑ জার্মানি ☑

*আর্জেন্টিনানাজার্মানি* *ফিফাফাইনাল* *বিশ্বকাপরেকর্ড* *বিশ্বকাপহাড্ডাহাড্ডি* *বিশ্বকাপপাগলামি* *বেশতোটিয়া* *বিশ্বকাপ-২০১৪*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

তানভীর হাসিব চৌধুরী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মিরোস্লাভ ক্লোসা!জন্ম ১৯৭৮ এ পোল্যান্ডে। ৮ বছর
বয়সে তার পরিবারের সাথে পোল্যান্ডের কমুনিস্ট শাষন
থেকে পালিয়ে জার্মানীতে আসার সময় সে মাত্র দুটো জার্মান শব্দ
জানতো, ‘হ্যাঁ’ এবং ‘ধন্যবাদ’। শরনার্থী ক্যাম্পে জার্মান জীবন
শুরু করা ক্লোসাকে ফুটবল সুযোগ করে দিয়েছে মূল জার্মানদের
সাথে মিশে যেতে, তাকে আলাদা পরিচয় দিতে। ক্লোসা সবসময়ই
পরিচিত ছিলেন একজন ভদ্র, নম্র পুরোপুরি পেশাদারী একজন
খেলোয়াড় এবং মানুষ হিসেবে। মাঠের ভিতরে বা বাইরে কখনোই
কোন ধরনের বিতর্ক সে জন্ম দেয়নি বরং মাঠে তার ফেয়ার
প্লে সবসময়ই তাকে প্রসংশিত করেছে। যার সবচেয়ে বড় উধাহরন
হলো ওয়ার্ডার ব্রেমনের হয়ে খেলার সময় রেফারি তার
পক্ষে পেনাল্টি দিলে সে রেফরিকে বলে সেটা পেনাল্টি ছিল না।
২০১২ সালে ল্যাজিওর হয়ে খেলার সময় তার হাতে লেগে গোল
হবার পর সে রেফারিকে জানায় গোল বাতিল করে হ্যান্ডবল দেবার
জন্য।

পোলান্ড থেকে পালিয়ে আসা সেই বালক ক্লোসা এখন জার্মানির হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ গোল এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৬ গোলের মালিক।

তার দুর্ভাগ্য তিনি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেন না।এই রেকর্ড ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার কেউ করলে যত মাতামাতি হত,তার শিকি পরিমাণও হয়নি তাকে নিয়।

তাই হয়ত ইতিহাসের সেরাদের তালিকায় সে কখনোই গন্য হবে না এটা যেমন সত্য তেমনি ভাবে এটাও সত্য
যে কিছু মানুষ একজন ভদ্র, পরিচ্ছন্ন ভাবে ফুটবল
খেলে যাওয়া এবং দেশকে সবসময় সর্বোচ্চ সার্ভিস
দিয়ে যাওয়া ফুটবলার হিসেবে তাকে সমসময় মনে রাখবে।

*বিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপরেকর্ড*

বাবুই: [বিশ্বকাপ২০১৪-লালকার্ড]ডাক্তার এর পরামর্শে ফুটবল নিয়া কথা বলা নিষেধ - বললে জার্মান ভাষায় বলুন বি : দ্র : আমাদের হৃদয়টা হয়ে গেছে ঘাস -- ১১ জন জার্মান খেলে গেছে , দিয়ে গেছে বাশ (মাইরালা)

*বিশ্বকাপরেকর্ড* *বিশ্বকাপহতাশা* *বিশ্বকাপহাড্ডাহাড্ডি* *মিশনহেক্সা* *ফালতুখেলা* *ফিফাসেমিফাইনাল* *বিশ্বকাপভাগ্য* *সেরামগোল* *বিশ্বকাপরঙ্গ*

সুমি রহমান: *বিশ্বকাপরেকর্ড* ফিফা ২০১৪ এর প্রথম গোলটাই যখন মারসেলো করেছিল নিজেদের জালে তখন-ই সবার বোঝা উচিত ছিলোঃ এইবার ব্রাজিলের মাথা গণ্ডগোল হয়ে গেছে! আরজেন্টিনার কট্টর সমর্থক হয়েও আমি কাল ব্রাজিলের জন্য মায়া অনুভব করেছি! (গরুরগুঁতা)

ইয়াসির খান: [বিশ্বকাপ২০১৪-জিতবোই] জার্মানি >>> ব্রাজিল (খুশী২)

*ফিফাসেমিফাইনাল* *বিশ্বকাপরেকর্ড* *মিশনহেক্সা* *বিশ্বকাপহাড্ডাহাড্ডি* *ব্রাজিল* *জার্মানি* *গোলমেশিন*

শাকিল: টাইব্রেকার ভাগ্য *আর্জেন্টিনা* # ১৯৯০ সালে দুবার টাইব্রেকারে জেতে তারা। কোয়ার্টার-ফাইনালে যুগোস্লাভিয়া ও সেমি-ফাইনালে ইতালিকে হারায় আর্জেন্টিনা। # ১৯৯৮ বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে ইংল্যান্ডকে টাইব্রেকারে হারায় আর্জেন্টিনা। # তবে ২০০৬ সালে আর পেরে ওঠেনি আর্জেন্টিনা। জার্মানির কাছে হেরে কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় তারা।

*বিশ্বকাপরেকর্ড*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★