বীরশ্রেষ্ঠ

বীরশ্রেষ্ঠ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচচ সামরিক পদক। যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্নত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতি স্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে । আমরা ছোটবেলায় সবাই ওনাদের সমন্ধে জেনেছি পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে l আমি জানি অনেকেই ওনাদের সমন্ধে বিস্তারিত জানেন, তবুও আরো একবার সকলের জানার নিমিত্তে সেই সাথে বিসিএস পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্তে তাদের সমন্ধে কিছু গুরত্বপূর্ণ তথ্য লিখছি l 

১. মুন্সি আব্দুর রউফ


জন্মস্থানঃ জেলা: ফরিদপুর,
উপজেলা: মধুখালী, গ্রাম:
সালামতপুর। জন্মঃ মে, ১৯৪৩ ।
পদবিঃ ল্যান্স নায়েক , কর্মস্থলঃ
ইপিআর । সেক্টরঃ ১ নং। শহীদ হনঃ
০৮/০৪/১৯৭১ তারিখে।

২. মোঃ মোস্তফা কামাল


জন্মস্থানঃ জেল: ভোলা,উপজেলা:
দৌলতপুর, গ্রাম: মৌটুপী। জন্মঃ
১৬/১২/১৯৪৭। পদবিঃ সিপাহী ,
কর্মস্থলঃ সেনাবাহীনি । সেক্টরঃ
২ নং। শহীদ হনঃ ১৪/০৪/১৯৭১
তারিখে।

৩. মতিউর রহমান


জন্মস্থানঃ জেলা: নরসিংদী,
উপজেলা: রায়পুরা, গ্রাম: রামনগর।
জন্মঃ ২৯/১১/১৯৪২। পদবিঃ ফ্লাইট
লেফটেন্যান্ট , কর্মস্থলঃ
বিমানবাহিনী । শহীদ হনঃ
২০/০৮/১৯৭১ তারিখে।

৪. নূর মোহাম্মদ শেখ


জন্মস্থানঃ জেলা: নড়াইল, গ্রাম:
মহিষখোলা। জন্মঃ ২৬/০২/১৯৩৬ ।
পদবিঃ ল্যান্স নায়েক , কর্মস্থলঃ
ইপিআর । সেক্টরঃ ৮ নং। শহীদ হনঃ
০৫/০৯/১৯৭১ তারিখে।

৫. হামিদুর রহমান


জন্মস্থানঃ জেলা:
ঝিনাইদহ,উপজেলা: মহেশপুর, গ্রাম:
খোর্দ্দ খালিশপুর। জন্মঃ ০২/০২/১৯৩৪ ।
পদবিঃ সিপাহী, কর্মস্থলঃ
সেনাবাহিনী । সেক্টরঃ ৪ নং।
শহীদ হনঃ ১০/১২/১৯৭১ তারিখে।

৬. রুহুল আমীন


জন্মস্থানঃ জেলা:
নোয়াখালী,উপজেলা:
সোনাইমুড়ি, গ্রাম: বাঘপাঁচড়া।
জন্মঃ ১৯৩৪ । পদবিঃ স্কোয়াড্রন
ইঞ্জিনিয়ার , কর্মস্থলঃ
নৌবাহিনী। সেক্টরঃ ১০ নং। শহীদ
হনঃ ১০/১২/১৯৭১ তারিখে।

৭. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর


জন্মস্থানঃ জেলা: বরিশাল,
উপজেলা: বাবুগঞ্জ, গ্রাম: রহিমগঞ্জ।
জন্মঃ ১৯৪৮ । পদবিঃ ক্যাপ্টেন ,
কর্মস্থলঃ সেনাবাহিনী। সেক্টরঃ
৭ নং। শহীদ হনঃ ১৪/১২/১৯৭১
তারিখে
*বীরশ্রেষ্ঠ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন স্থানীয় প্রশাসন ও তার পরিবারের লোকজন। তার নামে নির্মিত মহাবিদ্যালয়ে ও নিজ গ্রাম খর্দ্দখালিশপুরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
১৯৪৫ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার চাপড়া থানার ডুমুরিয়া গ্রামে তার জন্ম। ২৬ বছর বয়সে ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে দক্ষিণ-পূর্ব কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্তে পাকহানাদার বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে শত্র“পক্ষের দুজন সৈন্যকে ঘায়েল করেন। এরপর শত্র“পক্ষের গুলিতে ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর শাহাদৎবরণ করেন। তখন তার সহযোদ্ধারা তার লাশ দক্ষিণ ভারতের আমবাসা গ্রামের একটি মসজিদের পাশে দাফন করেন। ৩৬ বছর পর ২০০৭ সালের ১১ ডিসেম্বর তার লাশ ওই স্থান থেকে উত্তোলন করে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। তার নামে প্রতিষ্ঠিত কলেজ কর্তৃপক্ষ সকাল ১০টায় কলেজে মিলাদ মাহফিলের আয়াজন করেছে এবং বাসায় বিকালে কাঙালিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

সূত্রঃ ইন্টারনেট
*বীরশ্রেষ্ঠ*

মনুষ্য: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজকে ফেসবুকে অনেকবার এই লেখাটা চোখে পরেছে. যতবার পড়েছি, চোখ নিজের অজান্তেই ভিজে উঠেছে. আর বার বার মনে হয়েছে যুদ্ধের সময় এমন চমত্কারভাবে কিভাবে লিখলেন এটা! তাই এখানে সবার সাথে এটা শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না. (খুকখুকহাসি)
"
প্রিয়ত
মা
 মিলি, একটা চুম্বন তোমার
 
পাওনা রয়ে গেলো...সকালে প্যারেডে যাবার আগে তোমাকে চুমু খেয়ে বের না হলে আমার দিন ভালো যায়
না। আজ তোমাকে চুমু খাওয়া হয় নি। আজকের দিনটা কেমন
যাবে জানি না... এই চিঠি যখন তুমি পড়ছো, আমি তখন
তোমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে। ঠিক
কতোটা দূরে আমি জানি না।

মিলি, তোমার কি আমাদের
বাসর রাতের কথা মনে আছে? কিছুই বুঝে উঠার
আগে বিয়েটা হয়ে গেলো। বাসর
রাতে তুমি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে যখন কাঁদছিলে, আমি তখন
তোমার হাতে একটা কাঠের বাক্স ধরিয়ে দিলাম।
তুমি বাক্সটা খুললে..সাথে সাথে বাক্স
থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে জোনাকী বের হয়ে সারা ঘরময়
ছড়িয়ে গেলো। মনে হচ্ছিলো আমাদের ঘরটা একটা আকাশ..
আর জোনাকীরা তারার ফুল ফুটিয়েছে!
কান্না থামিয়ে তুমি অবাক হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলে,
"আপনি এতো পাগল কেনো!?" মিলি, আমি আসলেই
পাগল... নইলে তোমাদের এভাবে রেখে যেতে পারতাম না।

মিলি, আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় দিন প্রিয়
কন্যা মাহিনের জন্মের দিনটা। তুমি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলে।
বাইয়ে আকাশ ভাঙ্গা বৃষ্টি..আমি বৃষ্টির
মধ্যে দাঁড়িয়ে কষ্টে পুড়ে যাচ্ছি। অনেকক্ষণ পরে প্রিয় কন্যার
আরাধ্য কান্নার শব্দ... আমার হাতের মুঠোয় প্রিয় কন্যার
হাত! এরপর আমাদের সংসারে এলো আরেকটি ছোট্ট
পরী তুহিন...মিলি, তুমি কি জানো..আমি যখন আমার
প্রিয় কলিজার টুকরো দুই কন্যাকে এক সাথে দোলনায় দোল
খেতে দেখি, আমার সমস্ত কষ্ট - সমস্ত যন্ত্রণা উবে যায়।
তুমি কি কখনো খেয়াল করেছো, আমার কন্যাদের
শরীরে আমার শরীরের সূক্ষ একটা ঘ্রাণ পাওয়া যায়? মিলি...
আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমার
কন্যারা যদি কখনো জিজ্ঞেস করে, "বাবা কেনো আমাদের
ফেলে চলে গেছে?" তুমি তাঁদের বলবে, "তোমাদের
বাবা তোমাদের অন্য এক মা'র টানে চলে গেছে...
যে মা'কে তোমরা কখনো দেখো নি। সে মা'র নাম
'বাংলাদেশ';

মিলি..আমি দেশের ডাককে উপেক্ষা করতে পারি নি।
আমি দেশের জন্যে ছুটে না গেলে আমার মানব জন্মের
নামে সত্যিই কলঙ্ক হবে। আমি তোমাদের যেমন
ভালোবাসি, তেমনি ভালোবাসি আমাকে জন্ম
দেওয়া দেশটাকে। যে দেশের প্রতিটা ধূলোকণা আমার চেনা।
আমি জানি... সে দেশের নদীর স্রোত কেমন..
একটি পুটি মাছের হৃৎপিন্ড কতটা লাল, ধানক্ষেতে বাতাস
কিভাবে দোল খেয়ে যায়..! এই দেশটাকে হানাদারের
গিলে খাবে, এটা আমি কি করে মেনে নিই? আমার মায়ের
আচল শত্রুরা ছিঁড়ে নেবে.. এটা আমি সহ্য
করি কিভাবে মিলি? আমি আবার ফিরবো মিলি.. আমাদের
স্বাধীনদেশের পতাকা বুক পকেটে নিয়ে ফিরবো। আমি, তুমি,
মাহিন ও তুহিন..বিজয়ের দিনে স্বাধীন দেশের
পতাকা উড়াবো সবাই। তোমাদের ছেড়ে যেতে বুকের
বামপাশে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে..আমার মানিব্যাগে আমাদের
পরিবারের ছবিটা উজ্জ্বল আছে..বেশি কষ্ট
হলে খুলে দেখবো বারবার।
ভালো থেকো মিলি... ফের দেখা হবে। আমার দুই নয়ণের
মণিকে অনেক অনেক আদর। 
ইতি, মতিউর
।"
*শ্রদ্ধা* *বীরশ্রেষ্ঠ* *মতিউর*
ছবি

নাকিব ওসমান : ফটো পোস্ট করেছে

৭ বীর শ্রেষ্ঠের স্বরণে...

*স্বাধীনতা* *মুক্তিযুদ্ধ* *বীরশ্রেষ্ঠ* *সাম্প্রতিক* *বাংলাদেশ*
ছবি

মাহনূর তাবাসসুম মীম: ফটো পোস্ট করেছে

১৯৭১

*১৯৭১* *মুক্তিযুদ্ধ* *বিজয়দিবস* *মুক্তিরদাবি* *বীরশ্রেষ্ঠ* *একাত্তরেরইতিহাস*

সুজন: আপ্নাদের আম্রা কোন দিন ভুলব না । আমাদেরর অহংকার

*বীরশ্রেষ্ঠ*

Abu Jafor Yahia: @beshtobuzz আজকে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী। স্টার ওয়ার্ড *বীরশ্রেষ্ঠ* না থাকার কারণ কি? বেশতো তে কী স্বাধীনতাবিরোধী ভূত আছে?

ছবি

Abu Jafor Yahia ফটোটি শেয়ার করেছে
"*বীরশ্রেষ্ঠ*"

২৮ অক্টোবর ২০১৩ সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর রহমান এর ৪২ তম শাহাদৎবার্ষিকী

তোমাদের ঋণ কোন দিন শোধ হবে না................ (শোক)(শ্রদ্ধা-১)(শ্রদ্ধা-২)

নাকিব ওসমান : আজ ৫ সেপ্টেম্বর, *বীরশ্রেষ্ঠ* নূর মোহাম্মদ শেখের ৪২তম *মৃত্যুবার্ষিকী* (শোক) ১৯৭১ সালের এই দিনে ৮নং সেক্টর যশোরের শার্শা থানার কাশিপুর সীমান্তের পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে *শহীদ* হন (মনখারাপ) মহান এই জাতীয় বীরের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি (শ্রদ্ধা-১)(শ্রদ্ধা-২)

*মুক্তিযুদ্ধ* *স্বাধীনতা* *বীরশ্রেষ্ঠ* *মৃত্যুবার্ষিকী* *শহীদ* *মুক্তিযোদ্ধা* *দেশপ্রেম* *ঈমান* *দ্বায়* *দায়িত্ব*

মোহাম্মাদ আরিফ হোসাইন: *বীরশ্রেষ্ঠ* (শ্রদ্ধা-১)

অঞ্জন: দুঃখে চোখে পানি চলে আসে যখন জানতে পারি *বীরশ্রেষ্ঠ* রুহুল আমিনের ছেলে চায়ের দোকানের পানি টেনে জীবিকা অর্জন করেন। দেশের শ্রেষ্ঠ বীরের এই সন্তানও কি কোটায় চাকরি পেয়েছেন চায়ের দোকানে? কাদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে এই কোটা বিরোধী আন্দোলন? (মনখারাপ)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★