বৃষ্টির দিন

বৃষ্টিরদিন নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বৃষ্টির দিনে ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধ দূর করতে কি করতে পারি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*বৃষ্টিরদিন* *স্যাঁতস্যাঁতেগন্ধ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বৃষ্টির দিনে কাপড়ের স্যাঁতস্যাঁতে দুর্গন্ধ দূর করতে কি করণীয়?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*বৃষ্টিরদিন* *স্যাঁতস্যাঁতেদুর্গন্ধ* *লাইফস্টাইলটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বৃষ্টির দিনে বদ্ধ জায়গার স্যাঁতস্যাঁতেভাব দূর করতে কি করণীয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*বৃষ্টিরদিন* *স্যাঁতস্যাঁতেভাব* *লাইফস্টাইলটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বৃষ্টির দিনে স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় দ্রুত ভেজা কাপড় শুকানোর প্রয়োজন হলে কি করা যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*বৃষ্টিরদিন* *স্যাঁতস্যাঁতেআবহাওয়া* *কাপড়শুকানো* *ভেজাকাপড়* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রখর রোদে চামড়া পুড়ে গেলেও ছাতা ব্যবহারে উদাসীন অনেকেই। তবে ব্যস্ত জীবনে হঠৎ বৃষ্টিতে  উদাস হওয়ার সুযোগ কোথায়! রোদ অনেকটাই বাঙালির গা সওয়া। রোদে পুড়তে রাজি, তবু মাথার ওপর ছাতা মেলতে গড়িমসির অন্ত নেই। তবে মাথায় বৃষ্টির ফোঁটা পড়লে সেই গা ছাড়া ভাবটি আর থাকে না। তখন ঘরের কোণে পড়ে থাকা ছাতাটির খোঁজ পড়ে। অথচ ইতিহাস জানাচ্ছে ছাতার উদ্ভাবন হয়েছিল রোদ ঠেকাতেই। খ্রিষ্টজন্মের প্রায় ১২০০ বছর আগে মিসরে যে ছাতার চল হয়েছিল, তা ব্যবহৃত হতো রাজাগজা ও অভিজাতদের খররোদ থেকে রক্ষার নিমিত্তে। রোদ ঠেকানো ছাতাকে বলা হতো ‘প্যারাসোল’‘আমব্রেলা’ বলে যে ছাতাটির সঙ্গে এখন আমাদের ঘনিষ্ঠতা, সেটি তৈরি হয়েছিল বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে। 
অনেক রকম ছাতাই আছে বাজারে। লম্বা বাঁটের সাবেকি ছাতা ‘বাংলা ছাতা’ বলে যার পরিচিতি, এগুলোর চল এখন কমে এসেছে। নবাবপুরের ছাতার পাইকারি দোকানগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, চীনের তৈরি হরেক রকমের ভাঁজ করা ছাতা বিকোচ্ছে প্রচুর। এসব ছাতা দুই ভাঁজ ও তিন ভাঁজ করে রাখা যায়। ছাউনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বিভিন্ন রঙের একরঙা ও নকশা করা প্যারাসুট কাপড়। মানভেদে দুই ভাঁজের ছাতার দাম ১৬০ থেকে ৫৫০ টাকা। তিন ভাঁজের ছাতার দাম ৩৫০ থেকে ১১০০ টাকা। আমদানিকারকেরা চীন থেকে এসব ছাতা এনে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নামে বাজারজাত করছেন। এটলাস, মুন, শংকর, রহমান—এসব প্রতিষ্ঠানের নামে চলছে ভাঁজ করা ছাতা।
 
 
বাংলা ছাতা তৈরি হয় দেশেই। সেই আদ্দিকালের কাঠের বাঁটওয়ালা কালো সুতি কাপড়ের ছাউনি দেওয়া ২৬ ইঞ্চি ঘেরের ছাতার দাম ১৮০ টাকা। লোহার শিকের ৩০ ইঞ্চি ঘেরের বাংলা ছাতার দাম ৩৫০ থেকে ৭৫০ টাকা। বাংলা ছাতা চলে কম। বিক্রেতারা জানালেন, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোনাকাটার ক্ষেত্রে বাংলা ছাতা কিনে থাকে। এটাই বাংলা ছাতার প্রধান বিক্রি। ‘শরিফ ছাতা’, ‘ইজতেমা ছাতা’ ও ‘এটলাস ছাতা’ বাংলা ছাতার এই তিনটি প্রধান ব্র্যান্ড। বিখ্যাত ‘মহেন্দ্র দত্তের’ ছাতা এখন দুর্লভ। ভারতের মহেন্দ্র দত্তের বাংলা ছাতাই ছিল এককালে বর্ষাকালে বাঙালির বিশ্বস্ত সঙ্গী। ঐতিহ্য অনুরাগের বশবর্তী হয়ে মহেন্দ্র দত্তের ছাতা দিয়ে মাথা ঢাকতে চাইলে নবাবপুরে দু-একটি দোকানে পাওয়া যাবে বটে, তবে তার দাম পড়বে ১২০০ টাকা থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। এই ছাতাগুলো অবশ্য খুব টেকসই। তবে তাতে কী যায় আসে। 
 
 
দিনে দিনে মানুষের রুচি-অভ্যাসও তো বদলে গেছে। উপরন্তু মাথার ওপর মেলে ধরা এসব বাহারি ছাতা সাজসজ্জার বাহারও খুলে দেয়। বর্তমানে তিন ধরনের ছাতা পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। ‘টু ফোল্ড’, ‘থ্রি ফোল্ড’ এবং লম্বা শিকের বড় ছাতা। আকারে ছোট হওয়ার কারণে ‘থ্রি ফোল্ড’য়ের ছাতার চাহিদাই বেশি। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে এই ছাতগুলোর চাহিদা বেশি। মানভেদে ছাতাগুলোর দাম পড়বে আড়াইশ থেকে পাঁচশ টাকা। বাংলাদেশে ছাতার ব্র্যান্ডের মধ্যে আছে শংকর, অ্যাটলাস, ফারুক, সারোয়ার, ফিলিপস, তোফায়েল ইত্যাদি। তবে এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরা কোনো ছাতা তৈরি করেনা। বেশিরভাগই চীন থেকে আমদানি করে থাকে।
 
 
ছাতা কেনার সময় ছাতার শিকগুলো মজবুত কিনা এবং ছাতার কাপড়ের গুণগত মান দেখে কিনুন , ব্যবহারের পর ভেজা ছাতা খুলে রাখতে হবে যেন শুকিয়ে যায়। শুকানোর পর অবশ্যই ছাতার কাপড়ের ভাঁজ অনুযায়ী ভাঁজ করতে হবে। আর বেঁধে রাখার সময় বেশি চেপে বাঁধা উচিত নয়। এতে কাপড় ছিড়ে যেতে পারে। রাজধানীতে ছাতার সবচেয়ে বড় বাজার চকবাজারের ইমামগঞ্জ। এ্যাগোরা, মীনাবাজার ও ফ্যামিলি নিডের মতো চেইন শপগুলোতেও ছাতা পাবেন। শংকর, সরোয়ার, মুন, খান বাংলাসহ দেশী ছাতা পাবেন পুরান ঢাকার চকবাজার, মোগলটুলী খান মার্কেটে। এখানে প্রায় ৪০টি ছাতার দোকান রয়েছে। ডিজাইন, আকার-আকৃতি আর ব্র্যান্ডের ভিন্নতা অনুযায়ী ছাতার দামও কমবেশি হয়। 
 
 
দরদাম
শরীফ, মুন, এটলাসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ছাতা বাজারে আছে। এর মধ্যে শরীফের বড় ডাঁটওয়ালা প্রতিটি ছাতা কিনতে পারবেন ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়, ফোল্ডিং ছাতার দাম ২২৫ থেকে ২৪০ টাকা, এটলাসের ২৬ ইঞ্চি ছাতার দাম ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, ভাঁজযুক্ত ছাতার দাম ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, শিশুদের জন্য রঙিন ছাতার দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকা, শংকর ২৮ ইঞ্চি ফোল্ডিং ছাতার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ২৪ ইঞ্চি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, কিংস আমব্রেলা ২৬ ইঞ্চি দাম ২০০ থেকে ২২০ টাকা, নওয়াবের বড় ডাঁটের ছাতা ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, দুই ভাঁজের ছাতার দাম ১২০ থেকে ২২০ টাকা, তিন ভাঁজের ছাতা কিনতে পারবেন ১৬০ থেকে ৩০০ টাকায়, মার্টিন ছাতার দাম ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, গোল্ডফিসের দাম পড়বে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, ফিলিপস অটো ছাতার দাম ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, এপেক্স ছাতা কিনতে পারবেন ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়, ডিংডংয়ের প্রতিটি ছাতার দাম ৯০ থেকে ১৫০ টাকা, বাজারে বাহারি ডিজাইনের চেরি ছাতাও রয়েছে। কোম্পানি ভেদে দাম পড়বে ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, শিশুদের জন্য রঙিন কার্টুনওয়ালা ছাতাগুলো কিনতে পারবেন ৯০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। মেয়েদের ডিজাইন ছাড়া ছাতার দাম পড়বে ১৬০-২৫০ টাকা, লেইস লাগানো ও নকশা করা ছাতার দাম পড়বে ৩৫০-৪০০ টাকা। একরঙের ছেলেদের ছাতা পাবেন ২০০-২৮০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া বাস কাউন্টার ও পার্কগুলোতে বিভিন্ন ধরনের বড় আকারের গার্ডেন ছাতা দেখা যায়। কোম্পানি ভেদে ৩২ ইঞ্চি গার্ডেন ছাতা কিনতে পারবেন ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকায়, ৩৪ ইঞ্চি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, ৩৬ ইঞ্চি ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা, ৪২ ইঞ্চি ১১৫০ থেকে ১২৫০ টাকা l এছাড়া অনলাইন শপ আজকের ডিলেও রয়েছে বাহারি সব ছাতার কালেকশন l 
 
হঠাৎ বৃষ্টিতে রক্ষা পেতে ছাতা সংগ্রহে রাখুন আজই।
*ছাতা* *বাহারিছাতা* *আমব্রেলা* *প্যারাসোল* *বৃষ্টিরদিন* *বর্ষামৌসুম* *হঠাৎবৃষ্টি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৃষ্টি মানে অলস দুপুর তোমার ভেজা চুল
বৃষ্টি মানে রোদের ছুটি, প্রিয় গানের সুর,
বৃষ্টি মানে খোলা জানালা, পুরনো স্মৃতিচারণ
বৃষ্টি মানে আদুরে উল্লাস, তোমায় ছুঁতে বারণ।

মানে ক্লান্ত বিকেল তোমায় কাছে পাওয়ার আশায় বদ্ধ ঘরে মন তো বসে না
বৃষ্টি মানে শর্ত মেনে নীরব অবুঝ অভিমানে নতুন করে আমার পথচলা
বৃষ্টি মানে খোলা জানালা, পুরনো স্মৃতিচারণ
বৃষ্টি মানে আদুরে উল্লাস, তোমায় ছুঁতে বারণ



*বৃষ্টি* *ব্রিস্টিরদিন* *প্রিয়গান* *বৃষ্টিরদিন* *বৃষ্টিস্নাতসকাল*

সেজুতী ত্রয়ী: তুমি রোদেলা এক অরন্যে যেন এক মায়াহরিন তুমি তীব্র খরার পর যেন হৃদয় বৃষ্টিদিন (হার্ট)

*রোদেলাদুপুর* *বৃষ্টিরদিন* *খরারদিন*

অঞ্জন: নেই অফিস যাওয়ার তাড়া, নেই শার্ট-প্যান্ট-জুতা খোঁজার ঝামেলা, নেই রাস্তায় নেমে কাদা এড়িয়ে সাবধানে হাটার ঝক্কি। বেলা অব্দি যতক্ষন ইচ্ছা বিছানায় গড়িয়ে নেওয়া, আর দুপুরে উঠে সকালের নাস্তা :P ছুটির দিন উইথ *বৃষ্টি* এ্যান্ড ঠান্ডা ঠান্ডা আমেজ...লাভিং ইট :D

*বৃষ্টিরদিন* *ছুটিরদিন* *বৃষ্টি*

আশিকুর রাসেল: বৃষ্টির দিন= খিচুড়ি তারপর বারান্দায় বসে বৃষ্টিবিলাস (গ্যাংনাম)

*বৃষ্টিবিলাস* *খিচুড়ি* *বৃষ্টিরদিন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★