বেশটেক

বেশটেক নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সম্প্রতি মার্কিন রসায়নবিদ ও গবেষকরা এক ধরনের ‘ট্যাটুর স্টিক’ তৈরি করেছেন যা দিয়ে শারীরিক পরিশ্রম বা ট্রেনিং-এর মাত্রা পরিমাপ করা যায়৷ শুধু তাই নয়, তার পাশাপাশি তৈরি করা যায় বিদ্যুৎও৷ তাও আবার কিনা ঘাম থেকে৷বিশ্বাস না হলেও এটাই সত্যি!
ধরুণ আপনি ‘জগার’ হিসাবে দৌড়াচ্ছেন৷ সেই সঙ্গে শুনছেন এমপিথ্রি প্লেয়ারে গান। আর এই জন্য যে বিদ্যুৎশক্তির প্রয়োজন, তা প্রস্তুত করছেন আপনি নিজেই৷ শুনে অবাক লাগছে? কথাটা কিন্তু সঠিক৷ শুধু ঘামের মাধ্যমেই তৈরি হয় বিদ্যুৎ৷ ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর একদল গবেষক এই মজার আইডিয়াটা বাস্তবায়িত করেন৷ তাঁরা এর নাম দিয়েছেন ‘ট্যাটু বায়োব্যাটারি’৷ ‘‘ঘামের মতো শরীর থেকে নির্গত তরল পদার্থ দ্বারা যে শক্তি উত্পাদন করা যায় তার একটা দৃষ্টান্ত এটা৷”

ল্যাকটেট মাপা হয়

ঘামের ল্যাকটেট মাপা হয় একটি সেন্সর দিয়ে৷ল্যাকটেট হল এক প্রকার অণু, যা গ্লুকোজ থেকে মেটাবলিজমের মাধ্যমে প্রস্তুত হয়৷ শারীরিক পরিশ্রমের সময় কোষে ল্যাকটেট-এর ঘনত্ব দ্রুত বৃদ্ধি পায়৷ ট্রেনিং-এর সময় শারীরিক অবস্থা কেমন হয় সেটা মাপা যায় ল্যাকটেট-এর পরিমাণ দেখে, জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর ডক্টরেটের গবেষক ভেনঝাউ জিয়া৷ অতিরিক্ত ল্যাকটেট তৈরি হলে দেহে চাপ পড়ে৷

এতদিন চিকিত্সকরা খেলোয়াড়দের দেহে ল্যাকটেট-এর পরিমাণ মাপার জন্য রক্ত পরীক্ষা করতেন৷ এখন তো বেশ সহজ পদ্ধতি বের হলো৷ ত্বকের ওপর ঘামেও থাকে ল্যাকটেট-এর অণু৷ একটি নতুন সেন্সর দিয়ে এটি মাপা যায়৷ অন্যান্য আধুনিক যন্ত্রপাতির চেয়ে এটা বিশদভাবে ফিটনেসের মাত্রা পরিমাপ করতে পারে৷

*বেশটেক* *মোবাইল* *চার্জ* *বিজ্ঞান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মধ্যযুগের উল্লেখযোগ্য জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে ছিলেন মু’আয়াদ আল-দিন আল-‘উরদি, নাসির আল-দিন আল-তুসি , কুতুব আল-দিন আল শিরাজি , সাদর আল-শারিয়া আল-বুখারি, ইবনে আল-শাতির , এবং আলি আল-কুশজি ।পঞ্চদশ শতাব্দীতে, তিমুরিয় শাসক সমারকন্দের উলাঘ বেগ তার দরবারকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতার এক কেন্দ্রে পরিণত করেন। তিনি নিজে তার যৌবনে তা নিয়ে অধয়ন করেছিলেন, এবং ১৪২০ সালে একটি মানমন্দির প্রতিষ্ঠার আদেশ দেন, যা এক প্রস্থ নতুন জ্যোতির্বিজ্ঞানসংক্রান্ত সারণী তৈরি করে, সাথে সাথে অন্যান্য বৈজ্ঞানিক এবং গাণিতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

 

বেইজিং প্রাচীন মানমন্দিরের একটা অংশ।চৈনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে ইসলামি প্রভাব সর্বপ্রথম লিপিবদ্ধ হয় সং রাজবংশের সময়ে যখন মা ইজ নামের একজন হুই মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানী এক সপ্তাহে সাতদিনের ধারণা প্রবর্তন করেন এবং অন্যান্য অবদান রাখেন।মঙ্গোল সাম্রাজ্য এবং পরবর্তী ইউয়ান রাজবংশের সময় চীনে ইসলামি জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নিয়ে আসা হয়েছিল বর্ষপঞ্জিকা তৈরিতে এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করতে। ১২১০ সালে চৈনিক পণ্ডিত ইয়েহ-লু চু’সাই চেঙ্গিস খানের সঙ্গী হন পারস্য গমনে এবং মঙ্গোল সাম্রাজ্যে ব্যবহারের জন্যে তাদের দিনপঞ্জিকা নিয়ে অধ্যয়ন করেন। কুবলা খান বেইজিংয়ে ইরানিদের নিয়ে আসেন একটি মানমন্দির এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত বিদ্যার্জনের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্যে।

মারাগেহ মানমন্দিরে বেশ কয়েকজন চৈনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী কাজ করেছিলেন, ১২৫৯ সালে পারস্যের হুলাগু খানের পৃষ্ঠপোষকতায় নাসির আল-দিন আল-তুসি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। এসব চৈনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একজন ছিলেন ফু মেংচি, অথবা ফু মেজহাই।১২৬৭সালে ফার্সি জ্যোতির্বিজ্ঞানী জামাল আদ-দিন, যিনি আগে মারাগা মানন্দিরে কাজ করতেন, কুবলাই খানকে সাতটি ফার্সি জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত যন্ত্রসমূহ উপহার দেন, যেগুলোর অন্তর্ভুক্ত ছিল একটি ভূগোলক এবং একটি আরমিলেয়ারি গোলক, সেই সাথে একটি জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত পঞ্জিকা, যা পরবর্তীতে চীনে ওয়ানিয়ান লি নামে পরিচিত হয় (“দশ হাজার বছরের বর্ষপঞ্জি” অথবা “চিরকালের বর্ষপঞ্জি)। চায়নায় তিনি “ঝামালুদিং” নামে পরিচিত ছিলেন, যেখানে, ১২৭১ সালে, তিনি খান দ্বারা বেইজিং-এ ইসলামিক মানমন্দিরের প্রথম পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান,ইসলামিক জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত বিভাগ নামে পরিচিত, যা চার শতাব্দী ধরে চৈনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত বিভাগের পাশাপাশি কাজ করেছিল। ইসলামিক জ্যোতির্বিজ্ঞান চীনে ভাল সুখ্যাতি অর্জন করে তার গ্রহসংক্রান্ত অক্ষাংশের তত্ত্বের কারনে, সেই সময়ে চৈনিক জ্যোতির্বিদ্যায় যার অস্তিত্ব ছিল না, এবং গ্রহণ সম্পর্কে তার নির্ভুল গণনার কারনে।তার কিছুদিন পরেই বিখ্যাত চৈনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী গুয়ো শাউজিং কর্তৃক গঠিত কিছু জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি মারাগেহ’তে তৈরি যন্ত্রপাতির ধরণের অনুরূপ।বিশেষত, “সহজতর যন্ত্র” (জিয়ানি) এবং গাওচেং জ্যোতির্বিজ্ঞান মানমন্দিরের বিশাল গ্নমন ইসলামিক প্রভাবের সাক্ষ্য বহন করে।১৮২১ সালে শাউশি বর্ষপঞ্জি তৈরি করার সময়, গোলকাকার ত্রিকোণমিতি নিয়ে রচনায় সম্ভবত কিছুটা প্রভাবিত হয়েছিল ইসলামিক গণিত দ্বারা, যা কুবলার দরবারে সমাদরে গৃহীত হয়েছিল।এইসব সম্ভাব্য প্রভাব অন্তর্ভুক্ত করে নিরক্ষসংক্রান্ত এবং গ্রহণের স্থানাঙ্ক রুপান্তরের একটি ছদ্ম-জ্যামিতিক ব্যাবস্থা, মূলগত স্থিতিমাপে দশমিকের প্রণালীবদ্ধ ব্যবহার, এবং গ্রহসমূহের চলনের অনিয়মিত হিসেবে ঘনের ক্ষেপকের প্রয়োগ।

মিং রাজবংশের ১৩২৮ সাল থেকে ১৩৯৮ সাল নাগাদ সম্রাট হংয়ু (রাজত্ব ১৩৬৮ সাল থেকে ১৩৯৮সাল নাগাদ,তার শাসনের প্রথম বছরে ১৩৬৮ সালে সাবেক মঙ্গোলীয় ইয়ুয়ানদের বেইজিং-এর জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানসমূহের হান এবং ও-হান জ্যোতির্বিদ্যা বিশেষজ্ঞদের বাধ্যতামূলকভাবে নিয়োগ করেন নানজিং সদ্য প্রতিষ্ঠিত জাতীয় মানমন্দিরের কর্মকর্তা হতে।

সেই বছরে মিং সরকার প্রথমবারের মত জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্মকর্তাদের ঊর্ধ্ব রাজধানী ইয়ুয়ান থেকে দক্ষিণে আসার নির্দেশ জারি করে। তাদের সংখ্যা ছিল চৌদ্দ। পর্যবেক্ষণ এবং হিসেব পদ্ধতিতে নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে, হংয়ু সম্রাট সমান্তরাল বর্ষপঞ্জি ব্যাবস্থা, হান এবং হুই অবলম্বন জোরদার করলেন। পরবর্তী বছরগুলোতে, মিং দরবার সাম্রাজ্যিক মানমন্দিরে বেশ কয়েকজন হুই জ্যোতির্বিদদের উঁচু পদে নিয়োগ দিলেন। তারা ইসলামিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর প্রচুর বই লিখলেন এবং ইসলামি ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে জ্যোতির্বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতিও প্রস্তুত করলেন।দুটো গুরুত্মপূর্ণ রচনা চাইনিজ ভাষায় অনুবাদের কাজ সম্পন্ন হয় ১৩৮৩ সালে জিজ ১৩৬৬ সালে,এবং আল-মাদখাল ফি সিন’আত আহকাম আল-নুজুম, জ্যোতিষবিদ্যার পরিচিতি ১০০৪সালে।

১৩৮৪ সালে, বহু উদ্দেশ্যপূর্ণ ইসলামি যন্ত্র প্রস্তুতির নির্দেশাবলীর উপর ভিত্তি করে একটি চাইনিজ এস্টোলোব প্রস্তুত করা হল নক্ষত্র পর্যবেক্ষণের জন্য । ১৩৮৫ সালে উত্তরদিকের নানজিং-এ এক পাহাড়ে যন্ত্রটি স্থাপন করা হয়।১৩৮৪ সালের দিকে, মিং রাজবংশের সময়, সম্রাট হংয়ু আদেশ করলেন চাইনিজ অনুবাদ এবং ইসলামি জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত সারণীসমূহের সংকলন করার, একটি কাজ যা পণ্ডিতগণ মাশায়িহেই, একজন মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানী, এবং য়ু বোজং, একজন চাইনিজ বিদ্বান-কর্মকর্তা দ্বারা সম্পন্ন হয়েছিল। এইসব সারণী হুইহুই লিফা নামে পরিচিতি লাভ করল, যা চীনে ১৮শ শতক পর্যন্ত বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়, যদিও কিং রাজবংশ ১৬৫৯ সালে চৈনিক-মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাগ করে।মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইয়্যাং গুয়াংজিয়ান খ্রিস্টান ধর্মসঙ্ঘের সদস্যদের জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত বিজ্ঞানের প্রতি তার আক্রমণের জন্য পরিচিত ছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা।

*ইসলাম* *ইতিহাস* *মধ্যযুগ* *জ্যোতির্বিদ্যা* *বেশটেক* *বেশম্ভব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে মুসলিম দেশগুলো পেছনে পড়ে যাওয়ায় পাশ্চাত্য তাদের ভাগ্য নিয়ন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি কোনো মুসলমানের কাম্য হতে পারে না। আমরা এমন এক যুগে বসবাস করছি যেখানে একটি মুসলিম শিশু মুসলমানদের দুর্দিন ছাড়া আর কিছু দেখছে না। শুধু শিশু নয়, আবালবৃদ্ধবনিতা সবার মধ্যে এমন একটি ধারনা কাজ করছে যে, বিজ্ঞান মানেই ইউরোপ আর আমেরিকা। তাদের কাছ থেকে আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান শিখতে হবে। কিন্তু আমাদের অনেকেই জানে না যে, মুসলমানরাই আধুনিক বিজ্ঞানের জন্মদাতা। আজকের এ অধ:পতিত মুসলমানদের পূর্বপুরুষেরা কয়েক শতাব্দি পর্যন্ত বিশ্বে জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে গেছেন। আজকের আলোকিত বিশ্ব তাদের কাছে ঋনী। বর্তমান বিশ্ব সভ্যতা মুসলমানদের কাছে ঋনী। মুসলমানরাই বিশ্ব সভ্যতাকে রক্ষা করেছেন। এ ব্যাপারে মুসলিম ঐতিহাসিক মোহাইমিনি মোহাম্মাদের একটি উক্তি উল্লেখযোগ্য। তিনি তার 'গ্রেট মুসলিম ম্যাথমেটিশিয়ান' গ্রন্থের ৩ নম্বর পৃষ্ঠায় লিখেছেন, 'In the Byzantine and Persian empire were manifesly bent upon mutual destruction. Likewise, India was greatly divided. However, China was steadily expanding, the Turkish in central Asia were disposed to work in an accord with China. During this period, the world was saved by the rise of the Islamic civilization.'

অর্থাত, 'সপ্তম শতাব্দিতে পশ্চিম ইউরোপের পতন ঘটেছিল। অন্যদিকে বাইজাইন্টাইন ও পারস্য সাম্রাজ্য একে অন্যের ধ্বংস সাধনে ছিল সুস্পষ্টরূপে বদ্ধপরিকর। একইভাবে ভারত ছিল মারাত্মকভাবে দ্বিধাবিভক্ত। তবে দৃঢ়তার সঙ্গে চীনের সম্প্রসারন ঘটছিল। মধ্য এশিয়ায় তুর্কিরা চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতার ভিত্তিতে কাজ করতে আগ্রহী ছিল। এসময় ইসলামী সভ্যতার উত্থানে বিশ্ব রক্ষা পায়।'

পৃথিবীর জাতিসমূহের মধ্যে মুসলমানই একমাত্র জাতি যার রয়েছে সর্বাধিক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস-ঐতিহ্য। জাতি তাদের মহত ব্যক্তিদের কীর্তিসমূহ সম্পর্কে এমনি নিশ্চিতভাবে জানতে পারে যা সকল প্রকার সংশয় ও সন্দেহ থেকে মুক্ত। মুসলমানদের হোমারের এলিয়ড অথবা হিন্দুদের রামায়ন, মহাভারতের কল্পকাহিনীর প্রয়োজন নেই। কেননা এসব কল্পকাহিনীর চেয়ে অনেক বেশি বিস্ময়কর ও গৌরবোজ্জ্বল কাহিনীর বাস্তব উদাহরন তাদের ইতিহাসের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে রয়েছে, অথচ ঐসব কল্পকাহিনীর মিথ্যাচারিতা ও অবিশ্বস্ততার ছোঁয়াও তাতে লাগেনি। মুসলমানদের ফেরদৌসীর শাহনামা অথবা স্পার্টাবাসীদের কল্পকাহিনীরও কোন প্রয়োজন নেই। কেননা, তাদের ইতিহাসের পাতায় পাতায় রয়েছে রুস্তম ও স্পার্টার ছড়াছড়ি। মুসলমানদের ন্যায়পরায়ন নওশেরওয়া বাদশাহ বা হাতেম তাঈর গল্পেরও কোনই প্রয়োজন নেই। কেননা, তাদের সত্য ইতিহাসের পাতায় পাতায় অসংখ্য হাতেম ও নওশেরওয়া বিদ্যমান। মুসলমানদের এরিস্টটল, বেকন, টলেমী বা নিউটনেরও কোনই প্রয়োজন নেই। কেননা, তাদের পূর্বপুরুষদের মজলিসে এমনসব দার্শনিক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী বিদ্যমান রয়েছেন- যাঁদের পাদুকাবহনকেও উল্লিখিত যশস্বীগন গৌরবের কারন জ্ঞান করতেন।

 

 

 

কতই আক্ষেপ ও বিস্ময়ের ব্যাপার, আজ যখন বিশ্বের তাবত জাতি নিজেদেরকে বিশ্ব দরবারে সমুন্নত করার প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত, তখনও সর্বাধিক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস-ঐতিহ্যের অধিকারী মুসলমানগন নিজেদের ইতিহাস সম্পর্কে উদাসীন ও নির্বিকার। মুসলমানদের যে শ্রেনিটাকে অনেকটা শিক্ষিত ও সচেতন মনে করা হয়, তারাও তাদের বক্তৃতা-বিবৃতি ও প্রবন্ধাদিতে কোন মহত ঘটনার উদাহরন দিতে চান তখন মনের অজান্তেই তাঁদের মুখ ও কলম দিয়েও কোন ইউরোপিয়ান বা খ্রিষ্টান মনীষীর নামই নির্দ্বিধায় বেরিয়ে আসে। এক্ষেত্রে তার চেয়েও হাজার গুন উল্লেখযোগ্য কোন মুসলিম মনীষীর নাম তাঁদের জানা থাকে না। এ সত্যকে কে অস্বীকার করতে পারে যে, মুসলমানদের শিক্ষিত শ্রেনি বিশেষত নব্য শিক্ষিত শ্রেনির মুসলমানদের বক্তৃতা-বিবৃতি বা রচনাদিতে নেপোলিয়ান, হ্যানিবল, শেক্সপিয়ার, বেকন, নিউটন প্রমুখ ইউরোপীয় মনীষীর নাম যত নিতে দেখি, খালিদ ইবনে ওয়ালিদ, সালাহউদ্দিন আইয়্যুবী, হাসসান ইবনে ছাবিত, ফেরদৌসী, তূসী, ইবন রুশদ, বূ-আলী, ইবন সীনা প্রমুখ মুসলিম মনীষীর নাম ততো নিতে দেখা যায় না। এর একটি মাত্র কারন, আর তা হচ্ছে বর্তমান যুগে মুসলমানরা তাদের নিজ ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞ ও নির্বিকার। মুসলমানদের এই অজ্ঞতা ও উদাসীনতার কারন হচ্ছে-

প্রথমত এমনিতেই অন্যান্য জাতির তুলনায় মুসলমানদের জ্ঞানস্পৃহা কম।

দ্বিতীয়ত, জ্ঞানান্বেষনের সুযোগ ও অবকাশও তাদের নেই।

তৃতীয়ত, সরকারি কলেজ ও মাদরাসাগুলো ইসলামী শিক্ষায়তনগুলোকে ভারতবর্ষে প্রায় অস্তিত্বহীন করে দিয়েছে।

চতুর্থত, মুসলমানদের যে শ্রেনিটিকে সাধারনত শিক্ষিত বলা হয়ে থাকে এবং মুসলমানদের মধ্যে নেতৃস্থানীয় বলে গন্য করা হয় তাঁদের প্রায় সকলেই শিক্ষায়তনসমূহে লেখাপড়া করে এসেছেন - যেগুলোতে ইসলামের ইতিহাস পাঠ্যভূক্ত নয়, আর তা পাঠ্যভূক্ত থাকলেও ইসলামের ইতিহাস পদবাচ্য নয়-অন্য কিছু, অথচ তাকে ইসলামের ইতিহাস বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে এবং সেগুলোকেই মুসলিম সন্তানদের গোগ্রাসে গলধকরনে বাধ্য করা হয়। কলেজ থেকে ডিপ্লোমা হাসিল করার পর না জ্ঞানার্জনের বয়স বাকি থাকে আর না তার তেমন কোন অবকাশ বা সুযোগ থাকে। মোটকথা, আমাদের শিক্ষিত মুসলমানদেরকে সেই ইসলামের ইতিহাসের উপরই নির্ভর করতে হয় যা ইসলামের প্রতিদ্বন্দী ও শত্রুরা বিকৃত করে তাদের ইংরেজি পুস্তকাদিতে লিখেছে।

 

 

 

মুসলমানদের পূর্বে পৃথিবীর অন্য কোন জাতির এ সৌভাগ্য হয়নি যে, ইতিহাসকে একটা সঠিক ভিত্তির উপর রীতিমত একটা শাস্ত্ররূপে দাড় করাবে। তাঁদের কেউই তাদের পূর্বপুরুষদের সঠিক ইতিহাস রচনায় সমর্থ হননি। ইসলামের পূর্বে ইতিহাস রচনার মান যে কেমন ছিল বাইবেলের পৃষ্ঠাসমূহ বা রামায়ন মহাভারতের কাহিনীগুলো পাঠই তা উপলব্ধি করার জন্য যথেষ্ট। মুসলমানরা মহনবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদিস সংরক্ষন ও বর্ননায় যে কঠোর সতর্কতা ও নিয়মানুবর্তিতার স্বাক্ষর রেখেছেন পৃথিবীর ইতিহাসে তার কোন নযীর নেই। 'উসূলে হাদিস' ও 'আসমাউর রিজাল' এর মত শাস্ত্রগুলো কেবল হাদিসে নববীর হিফাযত ও খিদমতের উদ্দেশ্যে তাঁরা উদ্ভাবন করেছেন। রিওয়ায়াত বা বর্ননাসমূহের বাছ-বিচার ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য যে সুদৃঢ় নীতিমালা তাঁরা উদ্ভাবন করেছেন পৃথিবী তার সুদীর্ঘ আয়ুষ্কালে কোন দিন তা প্রত্যক্ষ করেনি।

মুসলমানদের ইতিহাস সংক্রান্ত সর্বপ্রথম কীর্তি হচ্ছে ইলম হাদিসের বিন্যাস ও সংকলন। ঠিক সেই নীতিমালার ভিত্তিতেই তাঁরা তাঁদের খলীফাগন, আমীর-উমরা ও সুলতানগন, বিদ্বজ্জন ও মনীষীগনের জীবন-চরিত লিপিবদ্ধ করেছেন। এসবের সমাহার হচ্ছে ইসলামের ইতিহাস। দু:খজনক যে, মুসলমানদের ইতিহাস হয় না পৃথিবীর জন্য এক অভাবিত, অভূতপূর্ব অথচ অপরিহার্য উপাদান। অন্যান্য জাতি যেখানে তাদের বাইবেল ও মহাভারত পৃভৃতিকেই তাদের গৌরবজনক 'ঐতিহাসিক' সম্পদ বলে বিবেচনা করতে অভ্যস্ত ছিল, তখন বিশ্বের মানুষ সবিস্ময়ে প্রত্যক্ষ করল যে, মুসলমানরা খতীবের 'তারীখ' বা ইতিহাস গ্রন্থকে তাদের নির্ভরযোগ্য ইতিহাস গ্রন্থের আলমারী থেকে বের করে সরিয়ে রাখছে।

 

 

 

আজ ইউরোপীয় ঐতিহাসিকদেরকে ইতিহাস শাস্ত্রের অনেক খুঁটিনাটি তত্ত্ব নিয়ে নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। মুসলমানরা তা দেখে অনেকটা হকচকিয়ে যান এবং পূর্ন আন্তরিকতার সাথে তাদের স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন। কিন্তু তাদের একথাটিও জানা নেই যে, উত্তর আফ্রিকায় বসবাসকারী জনৈক স্পেনীয় আরব বংশোদ্ভূত মুসলমান ঐতিহাসিক ইবন খালদূনের ইতিহাসের ভূমিকা 'মুকাদ্দামায়ে তারীখ' -এর উচ্ছিষ্ট ভোগই গোটা ইউরোপ তথা গোটা বিশ্বকে ইতিহাস শাস্ত্র সম্পর্কে এমনি জ্ঞানদান করেছে যে,

ইউরোপীয় ঐতিহাসিকদের সমস্ত ঐতিহাসিক গবেষনাকর্মকে ইবন খালদূনের মাজারের ঝাড়ুদারকে অর্ঘ্য-স্বরূপ বিনীতভাবে পেশ করা চলে। কিন্তু মুসলিম ঐতিহাসিকদের ইতিহাসকর্ম যে কত উঁচুমানের ছিল তা এ থেকেই অনুমিত হয় যে, মুসলিম বিজ্ঞজনের মজলিসে ইবন খালদূনের অনন্যসাধারন 'মুকাদ্দামা' বাদ দিলে তাঁর আসল ইতিহাসের তেমন কোন মূল্য নির্বিবাদে স্বীকৃত হয়নি।

ইবন হিশাম, ইবনুল আছীর, তাবারী, মাসউদী প্রমুখ থেকে নিয়ে আহমদ ইবন খাওন্দশাহ এবং যিয়াউদ্দিন বারনী পর্যন্ত বরং মুহাম্মদ কাসিম ফিরিশতা এবং মোল্লা বদায়ূনী পর্যন্ত হাজার হাজার মুসলিম ঐতিহাসিকের বিপুল গবেষনা কর্ম যে বিশালায়তন ভলিউমসমূহে সংরক্ষিত রয়েছে, এদের প্রত্যেকটি মুসলমানদের বিস্ময়কর অতীত ইতিহাসের এক একটি খন্ডচিত্র এবং এদের প্রত্যেকের লিখিত ইসলামের ইতিহাস এমনি উল্লেখযোগ্য যে, মুসলমানরা তা অধ্যয়ন করে অনেক শিক্ষনীয় বিষয়ের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারে। কিন্তু অত্যন্ত অাক্ষেপ ও পরিতাপের বিষয় যে, আজ শতকরা একজন মুসলমানও নিজেদের জাতীয় ইতিহাস জানার জন্য ঐসব মনীষীর রচনাবলী পাঠের এবং তার মর্ম উপলব্ধি করার সামর্থ্য রাখে না। অথচ সেই তুলনায় মিল, কার্লাইল, ইলিয়ট, গিবন প্রমুখের লিখিত ইতিহাস পাঠ করার এবং তার মর্ম উপলব্ধি করার মত যোগ্য মুসলমানের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়।

 

 

 

মুসলমানদের অবস্থা আজকের মতো এত শোচনীয় অতীতে ছিল না। তারা ছিলেন একসময় বিশ্বের প্রভূ। অতীত নিয়ে একটি মুসলিম শিশু গর্ব করতে পারে। ইউরোপ ও আমেরিকাকে লক্ষ্য করে বুক ফুলিয়ে সে বলতে পারে, আমরাও তোমাদের মতো ছিলাম। জ্ঞান-বিজ্ঞানে আমরা তোমাদের পেছনে নই। এমন কথা বলার পূর্বে তাকে জানতে হবে তার আত্মপরিচয়। নিজের জাতীয় পরিচয়। ইসলামের স্বর্নযুগের ইতিহাস প্রতিটি মুসলিমকে অহেতুক হীনমন্যতা থেকে রক্ষা করতে পারে। মহিমান্বিত সে যুগের আলোচনা সামনে সময়মত পর্যায়ক্রমে করার ইচ্ছে থাকলো। তার পূর্বে আসুন প্রাতস্মরনীয় ক'জন মুসলিমদের নামোচ্চরন করি। দেখি, যাচাই করি, এদের আমরা ইতিপূর্বে চিনতাম কি না-

রসায়নের জনক জাবির ইবনে হাইয়ান, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভূগোলবিদ আল বিরুনী, আধুনিক চিকিতসা বিজ্ঞানের জনক ইবনে সিনা, হৃদযন্ত্রে রক্ত চলাচল আবিষ্কারক ইবনুন নাফিস, বীজগনিতের জনক আল খাওয়ারিজমি, পদার্থ বিজ্ঞানে শুন্যের অবস্থান নির্নয়কারী আল ফারাবি, আলোক বিজ্ঞানের জনক ইবনে আল হাইছাম, এনালাইটিক্যাল জ্যামিতির জনক ওমর খৈয়াম, সাংকেতিক বার্তার পাঠোদ্ধারকারী আল কিন্দি, গুটিবসন্ত আবিষ্কারক আল-রাজি, টলেমির মতবাদ ভ্রান্ত প্রমানকারী আল-বাত্তানি, ত্রিকোনমিতির জনক আবুল ওয়াফা, স্ট্যাটিক্স এর প্রতিষ্ঠাতা ছাবিত ইবনে কোরা, পৃথিবীর আকার ও আয়তন নির্ধারনকারী বানু মূসা, মিল্কিওয়ের গঠন শনাক্তকারী নাসিরুদ্দিন তুসি, এলজাব্রায় প্রথম উচ্চতর পাওয়ার ব্যবহারকারী আবু কামিল, ল' অব মোশনের পথ প্রদর্শক ইবনে বাজাহ, এরিস্টোটলের দর্শন উদ্ধারকারী ইবনে রুশদ, ঘড়ির পেন্ডুলাম আবিষ্কারক ইবনে ইউনূস, পৃথিবীর ব্যাস নির্নয়কারী আল-ফারগানি, পৃথিবীর প্রথম নির্ভুল মানচিত্র অঙ্কনকারী আল-ইদ্রিসী, বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের আবিষ্কারক আল-জাজারি, সূর্যের সর্বোচ্চ উচ্চতার গতি প্রমানকারী আল-জারকালি, মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস প্রনেতা আবুল ফিদা, বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের অগ্রদূত ইবনে আল-শাতির, ভূগোল বিশ্বকোষ প্রনেতা আল-বাকরি, প্লানেটরি কম্পিউটার আবিষ্কারক আল-কাশি, বীজগনিতের প্রতীক উদ্ভাবক আল-কালাসাদি, প্রথম এশিয়া ও আফ্রিকা সফরকারী নাসির-ই-খসরু, অঙ্কনে ব্যবহৃত কম্পাসের উদ্ভাবক আল-কুহি, বিশ্ববিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতাসহ এরকম হাজারও প্রাত:স্মরনীয় মুসলিম ব্যক্তিত্বদের এ পৃথিবী প্রত্যক্ষ করেছে যাদের অবদান বিশ্ব তার অন্তিম লগ্ন পর্যন্ত শ্রদ্ধাভরে স্মরন করে যাবে। বিশ্ব সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে যাদের অবদান চিন্তা করলে বিধর্মী পন্ডিতগন পর্যন্ত শ্রদ্ধা-সম্মানে মস্তক অবনত করে দেন।

অধ্যাপক জি. সারটন তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য হিস্টোরি অব সায়েন্স' -এ লিখেছেন, 'It will suffice here to evoke few glorious names without contemporary equivalents in the West: Jabir ibn Haiyan, Al-Kindi, Al-Khwarizmi, Al-Fargani, Al-Razi, Thabit ibn Qurra, Al-Battani, Hunain ibn Ishaq, Al-Farabi, Ibrahim ibn Sinam, Al-Masudi, Al-Tabari, Abul Wafa, Ali ibn Abbas, Abul Qasim, Ibn Al-Jazzari, Al-Biruni, Ibn Sina, Ibn Yunus, Al Kashi, Ibn Al-Haitham, Ali Ibn Al-Ghazali, Al-Zarqab, Omar Khayyam. A magnificent array of names which it would not be difficult to extend. If anyone tells you that the Middle Ages were scientifically sterile, just quote these name to him, all of whom flourished within a short period, 750 to 1100 A.d.'

অর্থাৎ 'এখানে মুষ্টিমেয় কিছু নাম উল্লেখ করাই যথেষ্ট হবে। সমসাময়িককালে পাশ্চাত্বে তাদের সমতুল্য কেউ ছিল না। তারা হলেন:

জাবির ইবনে হাইয়ান, আল-কিন্দি, আল-খাওয়ারিজমি, আল-ফারগানি, আল-রাজি, ছাবিত ইবনে কোরা, আল-বাত্তানি, হুনাইন ইবনে ইসহাক, আল-ফারাবি, ইবরাহীম ইবনে সিনান, আল-মাসউদি, আল-তাবারি, আবুল ওয়াফা, আলী ইবনে আব্বাস, আবুল কাসিম, ইবনে আল-জাজারি, আল-বিরুনি, ইবনে সিনা, ইবনে ইউনূস, আল-কাশি, ইবনে আল-হাইছাম, আলী ইবনে ঈসা আল গাজালি, আল-জারকাব, ওমর খৈয়াম। গৌরবোজ্জ্বল নামের তালিকা দীর্ঘ করা মোটেও কঠিন হবে না। যদি কেউ আপনার সামনে উচ্চারন করে যে, মধ্যযুগ ছিল বৈজ্ঞানিক দিক থেকে অনুর্বর তাহলে তার কাছে এসব নাম উল্লেখ করুন। তাদের সবাই ৭৫০ থেকে ১১০০ খৃস্ট সাল পর্যন্ত একটি সংক্ষিপ্ত সময়ে বিশ্বকে আলোকিত করেছিলেন।'

 

 

 

কিন্তু আফসোস, আজকের মুসলিম সন্তানরা বিশ্ব সভার আলোকিত মুকুটধারী এই মহা মনীষীদের অবদানকে তুচ্ছ জ্ঞান করে থাকেন। কিংবা ইতিহাস না জানার কারনে, মূর্খতার আস্ফালনে স্বজাতির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সম্মন্ধে অজ্ঞই থেকে যান তারা। আর এ অজ্ঞতাই তাদের হীনমন্যতার কারন। ভুলে গেলে চলবে না, হীনমন্যতা এমনি দূরারোগ্য এক ব্যধি যে, একটি জাতিকে অকর্মন্য, অথর্ব আর আবর্জনাতুল্য হীন জাতিতে পরিনত করার জন্য এরচে' বড় কোন অস্ত্র নেই।

অফটপিক: এই পোস্টটি প্রিয় ব্লগার রাজীব নূরকে শুভেচ্ছাসহ। তার একটি পোস্টকে কেন্দ্র করেই এই বিষয়ে লেখার কথাটা মাথায় আসে। চেষ্টা থাকবে, ধারাবাহিকভাবে আরও কয়েকটি পর্বে এই পোস্টটিকে কন্টিনিউ করার। সকলের কল্যান হোক।

তথ্যসূত্র:

১। উইকিপিডিয়া।

২। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ অনূদিত ও প্রকাশিত ইসলামের ইতিহাস, মাওলানা আকবর খান নজিবাবাদী।

৩। Shornojuge Muslim Bigganider Abishkar - Shahdat Hossain Khan

৪। অন্যান্য।

*বিজ্ঞান* *মুসলমান* *ইতিহাস* *গৌরবউজ্জ্বল* *ইবনে-সিনা* *বেশটেক* *বেশম্ভব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লাইভ বা সরাসরি সম্প্রচার বলতে আসলে কিছুই নেই !!!

আমরা যে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম(আল্ট্রা ভায়োলেট থেকে ইনফ্রারেড) অর্থাৎ আলো দেখতে পাই তার গতি হচ্ছে শূন্যস্থানে ৩ লক্ষ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডে।

আমাদের চোখে তাই কোন দৃশ্যমান আলো থেকে প্রতিক্রিয়া হতে ১.৩ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগে। এজন্যই ফ্যানকে বা চাকাকে আমরা ঘূর্ণায়মান দেখতে পাই , রিয়েল টাইমে অর্থাৎ সরাসরি দেখতে পেলে এগুলো স্থির অবস্থায় দেখা যেত ।

আকাশে তাকালেই যে চাঁদের উপরে চোখ যায় সেটা পৃথিবী থেকে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার কিঃমিঃ দূরে কাজেই চাঁদকে আমরা ১.২ সেকেন্ড অতীতে দেখি।

সূর্য পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কোটি কিঃমিঃ দূরে । তাই সূর্যকে আমরা ৮ মিনিট অতীতে দেখি । একইভাবে চাঁদের ঠিক ডানে যে জ্যোতিষ্ক দেখা যায় অর্থাৎ মঙ্গল গ্রহ সেটি আমরা দেখতে পাই ১৫ মিনিট পূর্বের অবস্থায় !!!

যারা সেইন্ট মার্টিন দ্বীপে গিয়েছেন তারা নিশ্চয়ই আকাশে তারার একটি সারি লক্ষ করেছেন যার নাম মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ । এটি আমাদের মাতৃ গ্যালাক্সি । আমাদের সৌরজগত হলো এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ১০০ বিলিয়ন নক্ষত্রের একটি ! ওটি অর্থাৎ মিল্কিওয়ে আমরা ২৫ হাজার বছর পূর্বের অবস্থায় দেখছি !!!

এতো গেল ধারের কাছের জিনিস এখন যদি সৌরজগতের গ্যালাক্সি অর্থাৎ মিল্কিওয়ের নিকটতম গ্যালাক্সি মানে অ‍্যান্ড্রোমিডা থেকে পৃথিবীর দিকে তাকান হয় তাহলে এখন ডাইনোসর দেখা যাবে অর্থাৎ বর্তমান যুগের আলো এখনো যেয়ে পৌঁছেই নি ওখানে। আরো ৬০ মিলিয়ন বছর পর বর্তমান যুগটাকে দেখা যাবে !!!

কাজেই লাইভ বলতে কিছু নেই । সবই পুরনো

 

*বিজ্ঞান* *বেশটেক* *সরাসরি* *মিল্কওয়ে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমানে আমাদের দেশে অন্যান্য দেশের মত ডিএসএলআর ক্যামেরা বেশ জনপ্রিয়। এবং চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। ডিএসএলআর কেনার আগে,আপনি মূলত কি কাজে ব্যাবহার করবেন,এবং আপনার বাজেট ঠিক করুন।এরপর আপনি সেই ক্যামেরা সম্পর্কে অনলাইনে রিভিউ এবং সাথে ইউজার রিভিউ গুলো দেখুন,ভালো মন্দ সকল তথ্যই পাবেন।
আমাদের দেশে বেশ কিছু মিডরেঞ্জ ডিএসএলআর রয়েছে তবে অফিসিয়াল এবং আনঅফিসিয়াল এই ক্ষেত্রে দামের অনেক তফাৎ রয়েছে।

বাজেট অনুযায়ী সেরা কয়েকটি ডিএসএলআর (পুরনো কিছু মডেলগুলো লিস্ট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে)

 

Nikon D5600
দামঃ ৪৭০০০ টাকা (অনলি বডি)

Resolution: ২৪.২ এমপি (৪০০০*৬০০০)
Sensor: CMOS APS-C ২৩.৫ * ১৫.৬ মিলিমিটার
ISO : ১০০ থেকে ২৫৬০০
Shutter speed: ১/৪০০০ সেকেন্ড
Continuous shooting: ৫.০ এফপিএস

 

Canon 800D
দামঃ ৫৪০০০ টাকা (অনলি বডি)

Resolution: ২৪.২ এমপি (৪০০০*৬০০০)
Sensor: CMOS APS-C ২২.৩ *১৪.৯ মিলিমিটার
ISO : ১০০ থেকে ২৫৬০০
Shutter speed: ১/৪০০০ সেকেন্ড
Continuous shooting: ৬.০ এফপিএস
Made in: জাপান

 

Canon 77D
দামঃ ৬২০০০ টাকা (অনলি বডি)

Resolution: ২৪.২ এমপি (৪০০০*৬০০০)
Sensor: CMOS APS-C ২২.৩ *১৪.৯ মিলিমিটার
ISO : ১০০ থেকে ২৫৬০০
Shutter speed: ১/৪০০০ সেকেন্ড
Continuous shooting: ৬.০ এফপিএস
Made in: জাপান

 

Nikon D7200
দামঃ ৬৩০০০ টাকা (অনলি বডি)

Resolution: ২৪.০ এমপি (৪০০০*৬০০০)
Sensor: CMOS APS-C ২৩.৫ * ১৫.৬ মিলিমিটার
ISO : ১০০ থেকে ২৫৬০০
Shutter speed: ১/৮০০০ সেকেন্ড
Continuous shooting: ৬.০ এফপিএস

 

Canon 80D
দামঃ ৬২০০০ টাকা (অনলি বডি)

Resolution: ২৪.২ এমপি (৪০০০*৬০০০)
Sensor: CMOS APS-C ২২.৩ *১৪.৯ মিলিমিটার
ISO : ১০০ থেকে ২৫৬০০
Shutter speed: ১/৮০০০ সেকেন্ড
Continuous shooting: ৭.০ এফপিএস
Made in: জাপান

 

Canon 7D mark ii
দামঃ ৯৩০০০ টাকা (অনলি বডি)

Resolution: ২০.২ এমপি (৩৬৪৮*৫৪৭২)
Sensor: CMOS APS-C ২২.৩ *১৪.৯ মিলিমিটার
ISO : ১০০ থেকে ৫১২০০
Shutter speed: ১/৮০০০ সেকেন্ড
Continuous shooting: ১০.০ এফপিএস
Made in: জাপান

*বেশটেক* *ক্যামেরা* *শখ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ মোবাইল ফোন নির্মাতা শাওমি (Xiaomi – যাকে আমরা অনেকেই ভুলভাবে জিয়াওমি উচ্চারণ করে থাকি) অনেকের কাছে পরিচিত হলেও, বাংলাদেশে অধিকাংশের কাছে এখনো অপরিচিত। এই চাইনিজ মোবাইল ও স্মার্ট ডিভাইস নির্মাতা কোম্পানিটি ২০১০ সালের আগস্ট মাসে তাদের যাত্রা শুরু করে। মাত্র ৬ বছরেই শাওমি তার বর্তমান অবস্থানে পৌঁছে যায় এবং এর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে দুর্বার গতিতে। আমাদের দেশে আরও দুটি চাইনিজ মোবাইল নির্মাতা হুয়াওয়ে (১৯৮৭) ও অপ্পো (২০০১) কোম্পানি তাদের অনেক শো-রুমের কল্যাণে বেশ পরিচিতি পেলেও শাওমি আজও মোটামুটি অপরিচিতই বলা যায়। অথচ বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ১৭ কোটি শাওমি অপারেটিং সিস্টেম মিইউআই (MIUI) ব্যবহারকারী রয়েছে, যার মধ্যে বৃহৎ অংশটি শাওমি’র মোবাইল সেট ব্যবহার করে। প্রায় ৩৪০ টি মডেলে ব্যবহৃত মিইউআই, অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। কিন্তু শাওমি আর এর অপারেটিং সিস্টেম মিইউআই এর কথা আপনি যদি কাউকে বলেন, তাহলে তার মুখের কৌতুহলের ভ্রুকুটি বা বিদ্রুপের (চাইনিজ হবার কারণে) অভিব্যক্তি দেখে আপনার খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক। শাওমির জনপ্রিয়তার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম এর প্রোডাক্টের মূল্য। বলা হয়ে থাকে, শাওমির প্রোডাক্টগুলোর দাম হয় কস্ট-অফ-ম্যাটেরিয়ালস বা শুধুমাত্র পন্য প্রস্তুতের খরচের সবচেয়ে কাছাকাছি। ফিচার ও কনফিগারেশনের তুলনায় এর দাম অন্যন্য হাই-এন্ড ব্র্যান্ডের সমতূল্য মডেলের সেটের এক তৃতীয়াংশ বা এমনকি এক চতুর্থাংশের মত হয়। শাওমি মূলতঃ মোবাইল ফোন নির্মাতা হিসেবে নামলেও আজ তারা নানা রকমের চমকপ্রদ সব ইলেক্ট্রনিক স্মার্ট ডিভাইস ও গৃহস্থালি পন্য তৈরি করে যাচ্ছে।

তবে আজকের এই লিখাটি কিন্তু শাওমি’র গুণগান করবার জন্য নয়। বরং এর অপারেটিং সিস্টেম মিইউআই (MIUI – Mi User Interface) সম্পর্কে দু-একটি কথা বলবার জন্যই লেখা।

 

মিইউআই কি?

মিইউআই (উচ্চারণ হয়ঃ Me, You, I) মূলতঃ এন্ড্রয়েড-ভিত্তিক আফটার-মার্কেট ফার্মওয়্যার বা এক কথায় একটি কাস্টম রম। তবে, মিইউআই সমস্ত শাওমি মোবাইলে স্টক রম হিসেবে ইন্সটল করা থাকে। আমরা যারা এন্ড্রয়েডের এডভান্সড ইউজার, তাদের জন্য রম, স্টক রম, কাস্টম রম ইত্যাদি পরিচিত শব্দ হলেও আমাদের অনেকেরই কাছে এগুলো অপরিচিত হতে পারে। খুব সহজে বলতে গেলেঃ রম হল এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনের অপারেটিং সিস্টেম বা অপারেটিং সিস্টেমের মূল কাঠামো যেখানে ডিফল্ট অ্যাপ্লিকেশনগুলো বিন্যস্ত থাকে। স্টক রম হল একটি মোবাইল ফোনে ফ্যাক্টরী থেকে দেয়া রম (যেমনঃ এন্ড্রয়েড কিটক্যাট, ললিপপ, মার্শম্যালো ইত্যাদি) আর কাস্টম রম হল, মূল এন্ড্রয়েড ভার্সনের ওপেন সোর্সকে ডেভেলপ করে নির্মিত রম যেখানে অতিরিক্ত ও ভিন্ন কিছু ফিচার বা অ্যাপ্লিকেশন থাকে (যেমনঃ সায়ানোজেনমড, মিইউআই, এওএসপি ইত্যাদি)। তাই শাওমি বা অন্য কোন ব্র্যান্ডের মোবাইলে মিইউআই রম স্টক হিসেবে দেয়া হলেও এটা যেহেতু মূল এন্ড্রয়েড এর উপর নির্মান করা তাই একে একধরনের কাস্টম রমও বলা যায়। মিইউআই রম শাওমি’র সব মোবাইলের পাশাপাশি প্রায় ৩৪০ মডেলের সেটে কাস্টম রম হিসেবে ইন্সটল করা থাকে যাতে নিচের ব্র্যান্ডগুলোর বেশ কিছু মডেলও উল্লেখযোগ্যঃ

গুগল নেক্সাস
এইচ টি সি
স্যামসাং
মটোরলা
এল জি
সনি এরিকসন
জেড টি ই
অপ্পো
হুয়াওয়ে
মিডিয়াটেক
লেনোভো
ওয়ান প্লাস
টি সি এল
মাইক্রোম্যাক্স
মেইজু
জিওনি

প্রকারভেদ

মিইউআই রম মূলতঃ দুই ধরণের হয়ঃ

চায়না রমঃ এই রম প্রধানতঃ মেইনল্যান্ড চায়নার জন্য তৈরি। চীন সরকার ও গুগলের মধ্যে কিছু মতবিরোধের কারণে চায়না রমে গুগলের কোন অ্যাপ্লিকেশন প্রি-ইন্সটল করা থাকে না (এমনকি এন্ড্রয়েডের জন্য অপরিহার্য গুগলের প্লে-স্টোর অ্যাপ্লিকেশনও না)। যার কারণে এই রম ইন্সটল করলে প্রথম দিকেই আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে, কারণ আমরা আমাদের পছন্দমত অ্যাপ্লিকেশনগুলো প্লে-স্টোর থেকেই ডাউনলোড ও ইন্সটল করে থাকি। তবে, এ সমস্যারও সমাধান আছে। আপনি GApps নামের গুগল অ্যাপ্লিকেশন প্যাক চায়না রমের উপর ইন্সটল করতে পারবেন যেখানে আপনার কাস্টম রিকভারী, রম ফ্ল্যাশিং, রুটিং ইত্যাদি সম্পর্কে কিছুটা এডভান্সড জ্ঞান থাকতে হবে। এছাড়া, চায়না রমে সাধারণতঃ চাইনিজ ভাষার স্থানীয় কিছু অ্যাপ্লিকেশন থাকে যা, চাইনিজদের জন্য উপকারী হলেও আমাদের অন্য সবার জন্য ‘ব্লোটওয়্যার’ (অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার – যা জায়গা আর মেমোরী দখল করে) ছাড়া কিছু নয়। তবে, হালনাগাদ আর নতুনত্বের দিক থেকে চায়না রম সবসময়ই কিছুটা এগিয়ে থাকে।

গ্লোবাল রমঃ এই শ্রেণীর রম মূলতঃ গ্লোবাল ইউজারদের জন্য নির্মিত হয়। গ্লোবাল রমে চাইনিজ ভাষার কোন অ্যাপ্লিকেশন থাকে না এবং গুগলের অপরিহার্য প্রায় সব অ্যাপ্লিকেশনই প্রি-ইন্সটল করা থাকে (না থাকলেও চিন্তা নেই, প্লে-স্টোর যেহেতু থাকছেই!)।

পুরো লেখাটি পড়তেঃ http://lighthome24.com/miui-rom-review/

*শাওমি* *ফোন* *মোবাইল* *বেশটেক* *তথ্যপ্রযুক্তি* *রম* *বিশ্ব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মহাবিশ্বের সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেক মজার মজার ঘটনা যা হয়ত অনেকেরই অজানা। গত পর্বগুলোর ধারাবাহিকতায় অাজকের পর্বেও থাকছে কিছু মজার ঘটনা। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক সেই ঘটনাগুলো।
১) এটা সবাই জানি যে একটি ফোটনের গতিবেগ সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার। সেই হিসেবে একটি ফোটনের সূর্য থেকে পৃথিবীতে অাসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। কিন্তু অাপনি কি জানেন এই ফোটনটির সূর্যের কেন্দ্র থেকে তার পৃষ্ঠে অাসতে কত সময় লেগেছে? শুনলে রীতিমত চমকে উঠবেন। একটি ফোটনের সূর্যের কেন্দ্রে উৎপন্ন হয়ে সূর্যের পৃষ্ঠে পৌছতেই সময় লাগে প্রায় ১০,০০০ থেকে ১,৭০,০০০ বছর!!! তারপর এটি প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে পৃথিবীতে পৌছায়। সূর্যের কেন্দ্রে উৎপন্ন হওয়ার পর ফোটনগুলো সূর্যের প্লাজমা দ্বারা শোষিত হয় এবং অাবার নিন্মশক্তিতে বিকিরিত হয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া যা বার বার ঘটতে থাকে, হাজার হাজার এমনকি লক্ষ বছর ধরে। যার ফলে ফোটনের সূর্যের পৃষ্টে পৌছতে এত সময় লাগে।

 

২) অামাদের কাছে ফোটনের গতিবেগ অনেক বেশি মনে হলেও মহাবিশ্বের বিশালতার কাছে তা খুবই সামান্য। উদাহরণস্বরূপ, একটি ফোটন কণার অামাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌছতে প্রায় ১ লক্ষ বছর সময় লাগে! শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে বিজ্ঞানীরা শত শত কোটি অালোকবর্ষ দূরের নক্ষত্রও পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। মজার বিষয় হলো টেলিস্কোপে নক্ষত্রগুলোর যে চিত্র ধরা পড়ে তা কিন্তু শত শত কোটি বছর অাগের। বর্তমান রূপটি অামাদের কাছে অজানাই। এই দৈর্ঘ্য সময় ফোটনগুলো মহাবিশ্বের দৈর্ঘ্য পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে পৃথিবীতে পৌছছে। প্রতিটি নক্ষত্রের ক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটে, শুধু দূরত্বের তারতম্য রয়েছে। কাজেই প্রতি রাতে অামরা নক্ষত্রসজ্জিত যেই সুন্দর অাকাশটি প্রত্যক্ষ করি, তা অতিতের প্রতিচ্ছবি মাত্র।

*জানা-অজানা* *বেশম্ভব* *বেশটেক* *মহাবিশ্ব* *ফোটন* *সূর্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মটরগাড়ি প্রস্তুত কারী প্রতিষ্ঠানের কেউ নন, এমন একজন যদি বিশ্বের গাড়ি প্রস্তুত কারী প্রতিষ্ঠানের জগতে নাম করে নিতে পারেন; শুধু নাম করা নয় নামি দামী গাড়ী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইলেকটৃক গাড়ি প্রস্তুত করনে দিক নির্দশনা দিয়ে দেন, তাহলে সেই বিষয়টি নিশ্চয়ই একটি যুগান্তকারী ঘটনা।

সে রকমই ঘটনা হয়ে গেছে গত এক দশকে।
গাড়ি প্রতিষ্ঠান কারী এই নতুন প্রতিষ্ঠানের নাম হলো "টেসলা", যার নাম বার বার এই ইলেকটৃক গাড়ি র বিপ্লব রচনার সাথে জড়িত, তিনি হলেন "ইলন মাস্ক"। প্রতিষ্ঠানটি ক্যলিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।

তার একটি ইলেকটৃক গাড়ির কারিগরী বর্ণনা নিম্নরুপঃ-
১। গাড়ি ইঞ্জিন এর সিসি = নাই(কারন এর কেন ইঞ্জিন নেই); চলে ব্যটারী চালিত ইলেকটৃ মটরে। সেটির বর্ণনা নিচে দেয়া হোলঃ-
Model S is an electric vehicle available in both rear wheel and all-wheel drive configurations. The liquid-cooled power train includes the battery and one or more motors, drive inverters and gear boxes.
২। ইলেকটৃক পাওয়ার = 70 kWh or 90 kWh ব্যটারী স্টোরেজ ধারন ক্ষমতা।
৩। সব কিছু microprocessor controlled,
৪। ব্যটারী গুলো সব lithium-ion battery, সুতরাং দাম বেশী হলেও জায়গা বেশী লাগে না। ব্যটারী গাড়ির পাদদেশে স্থাপিত হওয়ায় এটি চলমান ভারসাম্য অন্যান্য গাড়ি বা সম গোত্রের গাড়ির চেয়ে অনেক ভাল।
৫। Three phase, four pole AC induction motor, copper rotor সহ
৬। ইলেকটৃক মটর চলে Drive inverter সিস্টেম এ। যার আছে variable frequency drive এবং গাড়ির গতি কমানোর সময়ে পূণরায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে regenerative braking system
৭। গাড়ির (মডেল এস) এর এক চার্জ এ যেতে পারে ৪০০ কিলো মিটার { নির্মাতা প্রধান ইলন Musk stated that driving at 65 mph (105 km/h), under normal conditions, gives a reasonable range of 250 miles (400 km)}
৮। হাই পাওয়ার চার্জিং সিস্টেম সংযোজিত থাকলে "ফুল" চার্জ হতে সময় নেয় মাত্র ৪৫ মিনিটে।
৯। সর্বোচ্চগতি ২৫০কিঃমি প্রতি ঘন্টায়, তারও ওপরে গতি হতে পারে বলে জানা যায়, কিনতু কেউ সাধারন রাস্তায় এর ওপরে গতি উঠাতে পারেন নি।
১০। মডেল "এস" ৭৫ কিলো ওয়াট হাওয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন টেসলা গাড়িটি ১ কিমি থেকে ১০০কিমি গতিতে স্পীড ওঠাতে এই গাড়িটি সময় নেয় ৩সেকেন্ড এর ও কম। যার কারনে এটি স্পোর্ট্স কার বা হাই সিসির কার তথা, "পোর্সে", বিএম ডব্লিউ, বা মার্সিডিয় এর সংগে সহজে প্রতিযোগিতা করতে পারে।

সুতরাং বোঝায়ই যাচ্ছে এই গাড়ি অতি সাধারন কোন গাড়ি নয়।

 


গাড়ির "অপারেটিং সিস্টেম"
অনেকে জেনে অবাক হলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নয়, হোল "লিনাক্স"। সেই "লিনাক্স" এর বিশেষ চয়ন ছিল "উবুন্টু"। কিন্তু এতটাই কাস্টমাইয্ড করা যে ঐ "লিনাক্স" এর শুরুতে "উবুন্টু" এর কিছুই দেখা যায় না, অর্থাৎ দৃশ্যায়িত নয়।

এই ইলেকটৃক গাড়ি এতই নাম করেছে যে, বিশ্বের বাঘা বাঘা গাড়ি নির্মাতারা টেসলা কে বাগে এখন ইলেকটৃক গাড়ি নির্মানে মনযোগী হয়েছেন।

বাংলাদেশে এই গাড়ি আমদানী করলেও বিআরটিএ তে এই বিপ্লবী ও যুগান্তকারী গাড়ি নিবন্ধন করতে পারবেন না, সুতরাং চালাতেও পারবেন না, কারন এই গাড়ির কন ইঞ্জিন নেই।
ইঞ্জিন ছাড়া গাড়িকে বিআরটিএ এর বর্তমান নীতিমালায় গাড়ি সংজ্ঞায়ন করা যায় না।
কবে কে এই নীতিমালা পরিবর্তন করে পরিবেশ বান্ধব ইলেকটৃক গাড়ি বাংলাদেশের রাস্তায় চলতে দেখা যাবে, সেটাই অপেক্ষা ও দেখার বিষয়।

*গাড়ি* *ইলেকট্রিক* *বেশটেক* *লিনাক্স*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মোবাইল ব্যাবহারের ক্ষেত্রে বিলের ঝামেলা আসলেই অসুবিধার। ফোন কল, মেসেজ কিংবা ডাটা ব্যবহারের খরচ চিন্তিত করে আমাদের। মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার, কথা বলা কিংবা এসএমএস এর মাধ্যমে নিজের প্রয়োজন মেটাতেই হোক আর সন্তানের যথেচ্ছা ব্যবহারেই হোক, অনেক টাকার বিল ঠিকই গুণতে হয় আমাদের।

যদি কারো কাছে স্মার্টফোন থাকে, তবে কিছু অ্যাপস এর সাহায্যে সস্তায় কল করা, ফ্রি এসএমএস দেয়া কিংবা বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। এতে খরচ কমে যায় প্রচুর।

১। whatApp- ফ্রি এসএমএসঃ
এই অ্যাপের সাহায্যে ফ্রি এসএমএস পাঠানো যায়। এটি একটি ক্রস প্ল্যাটফর্ম(ios/Android) যাতে একই সফটওয়্যার থাকা স্মার্টফোনধারীদের কাছে ফ্রি এসএমএস পাঠানো যায়। সারা বিশ্বে ২০ লাখেরও অধিক লোক এই অ্যাপটি ব্যবহার করে। এটি whatswap ওয়েবসাইট থেকে নামানো যাবে।

২। Yelo- সাশ্রয়ী কলঃ
বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশে সেলফোন ও ল্যান্ডফোনে সাশ্রয়ী মূল্যে কল করার জন্য এই অ্যাপটি অত্যন্ত কার্যকরী। এর মাধ্যমে যেকোনো দূরত্বে ফোন করা যাবে। এটি http://www.yeloworld.com এই ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নেয়া যাবে।

৩। Onavo- মোবাইলে ডাটা কমাতেঃ
মোবাইল ডাটা ব্যবহারের খরচকে ৩০-৫০% কমাতে এই অ্যাপটির জুড়ি নেই। উন্নত ডাটা সংকোচনের ফলে এটি লিমিটের বাইরে অতিরিক্ত ডাটা ব্যবহারের খরচকে লাঘব করে দেয়। Onavo ওয়েবসাইট থেকে এটি নামানো যাবে।

৪। Fon- ফ্রি মোবাইল ডাটাঃ
বিশ্বজোড়া ৭মিলিয়নেরও বেশি ওয়াইফাই হটস্পট নিয়ে এই অ্যাপটি ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা দেয়। একটি Fon router(Fonera) কিনে কাছাকাছি হটস্পট বাছাই করে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। এটি পাওয়া যাবে http://www.fon.com এই সাইটে।

৫। WeFi- ফ্রি হটস্পটঃ
পঞ্চম ও সর্বশেষ এই অ্যাপটি এর ডাটাবেসে সারা বিশ্বে প্রায় বিশ লাখ হটস্পটের সাহায্যে স্মার্টফোনে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে থাকে।

উপরোক্ত মোবাইল অ্যাপসগুলো খরচ কমাবে অনেকাংশেই। তাই মোবাইল অপারেটরেরা এগুল অপছন্দ করে। তবে যেকোনো মোবাইল সেবাই ম্যানুয়ালি কীভাবে বন্ধ বা চালু করতে হয় সেটি অবশ্যই জেনে নেয়া উচিৎ, কারণ তা না হলে গ্রাহকের অজান্তেই তার টাকায় মোবাইল অপারেটরগুলো লাভের পাহাড় গড়ে তুলবে।

*বেশটেক* *মোবাইল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মোবাইলের রেডিয়েশনের কারণে ক্যান্সারে ঝুঁকি বাড়ে সেটা সবারই জানা। আচ্ছা, মোবাইল ফোন কি আমাদের এতটাই দরকার ছিল যে আমরা ক্যান্সারকেও বরণ করে নিতে পারি?

বিভিন্ন রকম অস্ত্র মুহূর্তেই হাজার হাজার জীবন কেড়ে নিচ্ছে। অস্ত্রীক নিরাপত্তা কি আমাদের এতই দরকার ছিল যে আমরা মরণঅস্ত্র তৈরি করেছি?

আমাদের খাওয়ার কথা ছিল গ্রীষ্মের গাছ পাকা আম। তা না করে আমরা কেমিকেল দিয়ে বোতলে ভরে সারা বছর খাওয়ার উপায় বের করেছি। আসলেই আমাদের সারাবছর আম খাওয়ার দরকার ছিল?

বিশ্বাস করুন, প্রযুক্তি আমাদের কখনোই ভালো কিছু উপহার দেয় নি। আমরা ভাবছি দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের জীবনকে গতিময় করছে। কিন্তু না! প্রকৃতপক্ষে আমাদের জীবনের গতি বাড়িয়ে মৃত্যুকে কাছে এনে দিয়েছে।

যখন প্রযুক্তি ছিল না, তখন কি মানুষ বাঁচেনি? মানুষের মনে কি সুখ ছিল না?

আমরা জানি যে পোলিও-কলেরা টাইপের মরণ-ঘাতী ব্যাধি থেকে বাঁচার জন্য আবিষ্কৃত টিকা প্রযুক্তির অবদান।

অথচ, অতীতে মানুষের আয়ু বর্তমানের চাইতে অনেক বেশি ছিল। হয়তো আমরা নিজেরাও জানি না যে এক রোগের টিকা দিয়ে অন্য রোগ বাধিয়ে ফেলেছি! কারণ এমন কোন ওষুধ হতে পারে না যার কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

পায়ে হাটা বাদ দিয়ে পৃথিবীর বুক চিরে তেল বের করছি গাড়ি চড়ার জন্যে। ভিতরটা যদি খালি করে দেই, উপরের কিছু কি ঠিকঠাক থাকবে? একদিন গাড়ি সহ ধপাস করে ভেঙে নিচে পরে যেতে হবে।

একদিন আমরা বুঝতে পারবো প্রযুক্তি আমাদের কি ক্ষতি করেছে। কিন্তু সেদিন সংশোধনের কোন উপায় থাকবে না।

ডায়নাসোরের মত বৃহৎ প্রাণী পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে নিজেদের পৃথিবীর সাথে খাপ খাওয়াতে পারেনি বলে। আর পৃথিবীই একদিন হারিয়ে যাবে মানুষের সাথে খাপ খাওয়াতে পারবে না বলে।

পৃথিবীকে প্রায় "খেয়ে" দিয়ে আমরা বুদ্ধি খুঁজছি মঙ্গলে পালানোর। কিন্তু মঙ্গল কি আদৌ তার বোনের শত্রুদের নিজের বুকে স্থান দিবে?

তানভির ইসরাক
১০ এপ্রিল, ২০১৭

*প্রযুক্তি* *ভালো* *বেশটেক* *মঙ্গল* *পৃথিবী*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা সবাই কোন তথ্য খোঁজার জন্য গুগলকে ব্যবহার করি। গুগল মামার কাছে আমরা যেকোন কিছুই নিঃসঙ্কোচে চাইতে পারি, উনি তা আমাদের সামনে সাথে সাথেই হাজির করবেন। তবে গুগল মামাকে সঠিক ভাবে বুজাতে হবে আমরা আসলে কি চাচ্ছি। না হলে শুদু শুদু সময় নষ্ট হবে, আর আমরা ও আমাদের কাঙ্খিত জিনিস পাবো না। আসুন তাহলে জেনে নেই গুগলে তথ্য খোঁজার সঠিক উপায়।

আপনার পছন্দের সাইটের মত আরো ওয়েব সাইট খুঁজে পেতেঃ
ধরুন প্রিয় কোন সাইটে বাংলা খুজছেন কিন্তু পেলেন না, সেক্ষেত্রে এমন আর একটি সাইট খোজার প্রয়োজন হল যেটা আপনার প্রিয় সাইটের এর মত টিউটোরিয়াল শেয়ার করে, তাহলে পরিচিত সাইটটির আগে লিখুন related: যেমনঃ related:prothom-alo.com লিখে সার্চ দিলে গুগল বাংলাদেশের অন্যান্য অনলাইন নিউজপেপার সাইটের সার্চ রেজাল্ট দেবে।

কোন নির্দিষ্ট শব্দের সমার্থক শব্দ দরকার?
গুগলে নির্দিষ্ট শব্দের আগে (~) টিলড চিহ্নটি বসিয়ে সার্চ দিলে সমার্থক শব্দ পেয়ে যাবেন। যেমনঃ ~gorgeous লিখে সার্চ দিয়ে দেখুন তো, কতগুলো সিনোনিম খুজে পাওয়া যায়।

কোন কিছুর সংজ্ঞা ও বিস্তারিত পেতেঃ
আপনি যদি কোন কিছুর সংজ্ঞা পেতে চান তবে কোলন দিয়ে লিখুন-
define:plethora,
define:MBBS

নির্দিষ্ট শহরের আবহাওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলেঃ
weather: এর পরে শহরের নাম লিখুন। যেমন-weather:Dhaka

নির্দিষ্ট শহরের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় জানতেঃ
আবহাওয়ার মত একই ভাবে sunrise বা sunset শব্দের সাথে প্রসিদ্ধ শহরের নাম লিখে সার্চ দিলে ঐ শহরের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় জানা যাবে।

সুনির্দিষ্ট ফাইল টাইপঃ
ফাইলের ধরন সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া সম্ভব গুগল সার্চে। যেমন: আপনি কোন পিডিএফ ফাইল খুজছেন, তাহলে যেটা খুজতে চান সেটা লিখে তারপর filetype:pdf লিখলে ফলাফলে সব পিডিএফ ফাইল দেখা যাবে। একইভাবে .ppt (পাওয়ার পয়েন্ট ফাইল), .doc (মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল), .swf (ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ফাইল) .mp4 সহ আরো অনেক ধরনের ফাইলের ধরন নির্দিষ্ট করে দেওয়া সম্ভব।

পাইরেটেড ডাওনলোডঃ
প্রয়োজনীয় বই বা টিউটোরিয়ালের ফ্রি ডাওনলোড লিঙ্ক পাচ্ছেন না? কোন সমস্যা নেই। সেই বই বা টিউটোরিয়ালের নামের শেষে একটা স্পেস দিয়ে warez লিখে সার্চ দিন, দেখুন কত কত পাইরেটেড ফ্রি ডাওনলোডের লিঙ্ক চলে আসছে।

এক দেশের মুদ্রার সাথে অন্য দেশের মুদ্রার তুলনা করতেঃ
২টি মুদ্রার মাঝে in অথবা or লিখুন। যেমন-
USD to BDT
KWD in USD

নির্দিষ্ট সাইট থেকে তথ্য খোঁজাঃ
আপনি কোন নির্দিষ্ট ওয়েব সাইট থেকে কোন তথ্য পেতে চাইলে যে তথ্য পেতে চান তা লিখার পর লিখুন site: তারপর ওয়েব সাইটের নাম লিখুন। যেমন- রম্য site:somewhereinblog.net

গুগল কনভার্টারঃ
গুগল দিয়ে এক ইউনিট থেকে অন্য ইউনিটে কনভার্ট ও করা যাবে। যেমন-
mile in kilometer
meter to feet

*বেশটেক* *গুগল* *এক্সপার্ট* *সাইন্স*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

২০১০ সনে যখন ক্রেইগ ভেন্টার এর গ্রুপ একটা ব্যাক্টেরিয়ার জিনোম (ক্রোমোজম যেখানে সব ডিএনএ থাকে) কে ল্যাবে তৈরী করে সেটা একটা ব্যাক্টিরিয়ার 'খোলস' কোষে প্রবেশ করিয়ে দেখান যে ল্যাবে তৈরী করা জিনোম যেভাবে ডিজাইন করা হয়েছে সেই ডিজাইন অনুযায়ী 'কৃত্রিম' ব্যাক্টিরিয়া কাজ করা আরম্ভ করছে, তখন ই পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা নড়ে-চড়ে বসেন। কেননা জিনোমই হল সকল প্রানের ব্লু-প্রিন্ট। আপনার যে জীবন সেটা শুধুই সম্ভব হয়েছে আপনার বাবার কাছ থেকে হাফ আর মায়ের কাছ থেকে আরেক হাফ 'জিনোম' পাওয়ার মাধ্যমেই। এখন যদি এই জিনোম ল্যাবে বানিয়ে কোন ভ্রুনের মাঝের অরিজিনাল জিনোম বের করে ল্যাবে তৈরী করা জিনোম প্রতিস্হাপন করা হয়, তাহলে ই 'ডিজাইনার' মানুষ তৈরী করা সম্ভব হয়ে উঠবে। কিন্তু ব্যাক্টেরিয়াতে করা যত সহজেই সম্ভব সেটা কোন eukaryotic organism- যে গ্রুপ এর মাঝে আছে মানুষ থেকে আরম্ভ করে এককোষী ছত্রাক ইস্ট (যেটা পাউরুটি তৈরী তে ইউজ হয়- উপরের ছবিটা), সেখানে সিনথেটিক জিনোম বানানো এখনও সম্ভব ছিল না (প্রচুর complexity).

গত সপ্তাহে এক সাথে ৭ টা রির্সাচ পেপার বিশ্বখ্যাত সাইন্স জার্নালে প্রকাশ হল যেখানে দেখানো হল এই প্রথম ইস্টের এর জিনোম যেটা ১৬ টা ক্রোমোজম নিয়ে গঠিত, তার মাঝে কৃত্রিম ৭ টা ক্রোমোজম ল্যাবে তৈরী করে ইস্টে (yeast) সফল ভাবে প্রতিস্হাপন করা হয়েছে। তার মানে কৃত্রিম ৭টা ক্রোমোজম ই নেচারাল ভাবে কাজ করছে। এই কৃত্রিম ক্রোমোজম কে আরো ইফিসিয়েন্ট ভাবে কাজ করার জন্য ক্রোমোজমের 'অপ্রয়োজনিয়' অংশ কে বাদ দিয়ে ই তৈরী করা হয়েছে.... Very scary indeed.........Now what will hold them up to synthesize human genome to create/design artificial people in the lab say in 50 years......
Below is the coverpage image of the Science Journal on the artificial chromosome
Science Journal Article Link

 

নিচের ছবিতে দেখানো হচ্ছে কিভাবে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের 'build a genome' course/class এর মাধ্যমে ইস্টের জিনোমের ছোট ছোট টুকরা সিনথেসাইজ করা হয়েছে ২০১৪ সনে। এক বার এই ক্লাশ টাকে কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল...।

 

After Thoughts: কিছুদিন আগে একজনের ব্লগ পোস্টে বিবর্তন বাদ নিয়ে অনেক কথা বলতে হয়েছিল...এনারা কোন প্রমান ছাড়াই বলবে বিজ্ঞান আজ যা বলছে বিবর্তন নিয়ে তা মিথ্যা..উনার যেটা বিশ্বাস করেন সেটাই সত্য..। প্রমান হিসাবে বলেন ...যেহেতু বানর এখনও বিদ্যমান, সেহেতু বানর থেকে মানুষের উৎপত্তি হয় নাই....এই যদি হয় উনাদের জ্ঞান বিবর্তন নিয়ে তাহলে আলোচনা করাই নিস্ফল। মাত্র একজনের বিজ্ঞান আবিস্কার পুরা পৃথিবীর লোকদের বিশ্বাস এর ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল উনি যখন বলেছিল সূর্য না ...পৃথিবীই সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। এক জনের বিজ্ঞান ই সব চেন্জ করেছে। এখন কোর্ট টাই পরা ইভানজেলিক্যাল প্রিস্ট রা টিভি তে এসে বলে ও হ এটা তো বাইবেলের এত তম অহিতে প্রতিকী ভাবে বলাই আছে। গ্যালিলিও বলার আগে সে এটা খুজে পায় নাই। আজ আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে, কট্ররবাদীরা স্কুল/কলেজ এর পাঠ্য-পুস্তক থেকে বিবর্তনবাদ তুলে দিতে চাচ্ছে কিন্তু তারাও একদিন বিজ্ঞানের এমন এমন যুগান্তরী আবিস্কারে স্বীকার করতে বাধ্য হবেন বিবর্তনবাদকে। যেমন স্বীকার করতে বাধ্য হতে হয়েছিল রোমান ক্যাথলিক চার্চকে ৩৫০ বছর পরে ১৯৯২ সনে প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়ে।
Roman Catholic church admits Galileo was RIGHT

বিজ্ঞান বসে নাই, কিন্তু চার্চের লোকজন কোন কিছুর চর্চা না করেই তার বিশ্বাসকে আকড়ে ধরে আছে

http://syntheticyeast.org/

*বেশটেক* *বিজ্ঞান* *সিনথেটিক* *ক্রোম* *জিন* *কৃত্তিম* *জীবন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রথমেই বলে নি, বিশ্বাস অবিশ্বাস আপনার কাছে । শুধু মাত্র জানার জন্যে পোষ্ট দেওয়া ।
'নিউমেরলজি'র কথা হয়ত সকলেই শুনেছেন। অনেকেই এই বিদ্যাকে বিশ্বাস করেন। আবার অনেকেই মনে করেন যত সব ভুল ভাল কথা। কিন্তু সব থেকে বড় কথা হল বিশ্বাস না থাকলে যে কোনও কাজই সঠিকভাবে করা যায় না। শুধুমাত্র নিউমেরলজির ক্ষেত্রেই নয়। জীবনের প্রতিটা পরীক্ষাতেই যদি আপনার নিজের প্রতি বিশ্বাস না থাকে তাহলে সেই কাজে সফল হওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। ধরুণ আপনি চাকরির পরীক্ষা দিতে যাচ্ছেন, তখন নিশ্চয়ই বেরনোর সময় বাবা-মায়ের আশির্বাদ অবশ্যই নেবেন। কারণ আপনি জানেন এই আশির্বাদের প্রতি আপনার বিশ্বাস আছে। আবার ঠিক তেমনভাবেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ হওয়ার দিনটি কেমন যাবে। সেটাও আগের দিন ইন্টারনেট থেকে পাওয়া সহজলভ্য জ্যোতির্বিদ্যার বিভিন্ন সাইট থেকে দেখে নেন অনেকেই।
তাহলে এবার দেখে নিন ঠিক কীভাবে নিউমেরলজিতে হিসেব করা হয়। এখানে কোন বর্ণমালার সঙ্গে কোন সংখ্যা যায় তার লিস্ট দেওয়া হল..


এবার দেখে নিন ঠিক কীভাবে গণনাটি করা হয়ে থাকে...
ধরুন আপনার নাম হল SUMAN
S=৩, U=৬, M=৪, A=১, N=৫
এবার এই সংখ্যাগুলিকে যোগ করতে হবে, ৩+৬+৪+১+৫= ১৭
যোগফল দুই সংখ্যার হলে তাকে আবার যোগ করতে হবে। যেমন ১+৭=৮। তাহলে আপনার নামের সংখ্যাটি হল ৮।
এবার দেখে নিন নিউমেরলজি আপনার নাম সম্পর্কে ঠিক কি বলছে...
নামের সংখ্যা ১ হলে
খুবই উচ্চাকাঙ্খী হলেন আপনি। চলতে গিয়ে আপনাকে অনেক বাধার সম্মুখীন হয়ে হয়। কিন্তু আপনার মধ্যে সেই বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার প্রবল ক্ষমতা বর্তমান। যাতে কেউই আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারে না।
নামের সংখ্যা ২ হলে
আপনাকে চাঁদের সঙ্গে তুলনা করা হয়। অনেক সময় আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। যার ফলে আপনাকে কাজের ক্ষেত্রে এবং ব্যক্তিগত জীবনে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।
নামের সংখ্যা ৩ হলে
কাজও যেমন করেন, তেমন সফলতাকে উদযাপনও করেন সফলভাবে। অন্যদের থেকে তাড়াতাড়ি নিজের লক্ষ্যে পৌঁছে যাওয়ার এক অদ্ভুত দক্ষতা আছে আপনার মধ্যে।
নামের সংখ্যা ৪ হলে
আপনি চট জলদি কাউকে আপনার বন্ধু বানান না। কিন্তু যখন কাউকে আপনি নিজের বন্ধু বানিয়ে ফেলেন তার জন্য জীবনও দিতে পারেন আপনি।
নামের সংখ্যা ৫ হলে
আপনি খুবই বুদ্ধিমান এবং সমস্ত কাজ খুব চট জলদি করে ফেলতে পারেন। যে সব কাজ করতে খুব বেশি সময় লাগে, সেই কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখতেই বেশি পছন্দ করেন আপনি।
নামের সংখ্যা ৬ হলে
আপনার আশে পাশের সকলের থেকেই সম্মান পেতে চান আপনি। আবার অনেক সময় সেই সম্মান খুইয়ে ফেলার মতো কাজও করেন। উচ্চাভিলাষী হওয়ার জন্য প্রচুর অপব্যয়ও করে ফেলেন।
নামের সংখ্যা ৭ হলে
আপনার উদ্ভাবনী শক্তি প্রবল। তবে শিল্পকলার প্রতি আগ্রহ সব থেকে বেশি। কিন্তু পুরনো পন্থাকে অবলম্বন করে চলতে প্রবল দ্বিধা আপনার।
নামের সংখ্যা ৮ হলে
আধ্যাত্মিকতার প্রতি অদ্ভুত ইচ্ছা আছে আপনার। এছাড়া যেকোনও দায়িত্বপূর্ণ কাজকে সুদক্ষভাবে করে তুলতে পারেন আপনি।
নামের সংখ্যা ৯ হলে
রাগ যেন আপনার ঠিক নাকের ডগায় থাকে। আবার খুব তাড়াতাড়ি রাগ ভেঙেও যায়। যতই রাগ করুন না কেন যে কোনও কাজকে সঠিক সময় শেষ করার জন্য আলাদা একটা খ্যাতি আছে আপনার।

*নাম* *বেশটেক* *নিউমেরলজি* *আপনি* *সম্পর্কে* *গানিতিক* *জোত্যিষ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল কুয়াকাটায় ১০ একর জমিতে স্থাপন করা হয়েছে। এখান থেকে ঢাকার মগবাজার টেলিফোন ভবন পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি তুরঙ্কের ইস্তানবুলে সি-মি-ইউ-৫ কনসোর্টিয়ামের বৈঠক শেষে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের মালিক দেশগুলোতে সংযোগ দেয়া হয়েছে। তবে এই সংযোগ শুধুমাত্র ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রয়েছে। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সরবরাহের কাজটি করবে স্ব স্ব দেশ। দ্বিতীয় সাবমেরিন
কেবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশন। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযুক্ত হওয়ায় দেশে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে আরও ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব আছে। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪শ’ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪শ’ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস বিএসসিসিএলের প্রথম সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে আসছে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আইটিসির মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। বর্তমানে কুয়াকাটা-ঢাকা ব্যাকহোল লিংক বা কেবল স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বিটিসিএলের এই ব্যাকহোল লিংক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন ও টেস্টিং সম্পন্ন হওয়ার পরে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হবে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় দেশে ইন্টারনেট সেবার ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে গেল। একটি কেবল কোন কারণে বিকল হলে অন্য কেবলটি ব্যাকআপ হিসাবে কাজ করবে। দেশে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা থাকবে। ফলে ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের কাজকর্মে গতি বাড়বে। দেশে বিনিয়োগও বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল দেশের মানুষের কাছে একটি বড় সুখবর। এই কেবল দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আগের একটি সাবমেরিন কেবলে থাকায় কোন কারণে কাটা পড়লে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হত। তখন ভারত থেকে আমদানি করে চাহিদা মেটাতে হতো। দ্বিতীয় সাবমেরিনে যুক্ত হওয়ার ফলে এখন একটা ব্যাকআপ তৈরি হলো। প্রতিটি সাবমেরিন কেবলের লাইফ টাইম ১০ থেকে ১৫ বছর। এখনই উচিত তৃতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপনের চিন্তা হবে। ভারত অন্তত ২০ সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সদস্য দেশগুলো হচ্ছে, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিসর, ইতালি, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া ও ফ্রান্স। সি-মি-উই-৫ কনসোর্টিয়ামে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরবসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ নিয়ে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের মালিকও দ্বিতীয় কনসোর্টিয়ামের সদস্য দেশগুলো। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ ইন্টারনেট সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

*বেশটেক* *সাবমেইন* *ক্যাবল* *কুয়াকাটা* *ইন্টারনেট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

Antioxidant e320 ( Butylated hydroxy-anisole ) এই রাসায়নিক উপাদানটি আমাদের দেশে চুইংগাম এ ব্যবহৃত হয় যা চোখ, ত্বক , শ্বসনতন্ত্রের ক্ষতি করে। এছাড়াও এর থেকে হতে পারে ক্যান্সার । ১৯৫৮ সালে জাপান এটি নিষিদ্ধ করে ।

এই বিষয়ে আরো লেখার ইচ্ছে থাকলেও আপাতত সময়সংক্ষেপ cut paste এ কাজ চালাতে হলো।

Antioxidant
A petroleum derivative, BHA is a synthetically made aromatic organic compound that is derived from the reaction of 4-methoxyphenol and isobutylene. It retards spoilage due to oxidation in foods.
It is used in edible oils, chewing gum, fats, margarine, nuts, instant potato products and polyethylene food wrappers.
Not permitted in infant foods. May provoke an allergic reaction in some people and may trigger hyperactivity and other intolerance reactions. There are serious concerns over carcinogenicity and estrogenic effects and in large doses caused tumors in laboratory animals. It was banned in Japan in 1958, and it was recommended that it be banned in the UK, however due to industry pressure it was not. McDonald's eliminated BHT from their US products by 1986.
Not recommended to be consumed by children.
The Hyperactive Children's Support Group believe that a link exists between this additive and hyperactive behavioural disorders in children


তথ্য সংগ্রহঃ
http://www.ukfoodguide.net/e320.htm

http://www.befoodsmart.com/blog/tag/e320/

*চুংগাম* *বেশটেক* *স্বাস্থ্য* *রাসায়নিক*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অস্ত্র রিভিউ :: Fabrique Nationale FN SCAR (MK16/MK17)
তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে :: মাশুক খান

SCAR বেলজিয়ামে বিখ্যাত Fabrique Nationale কম্পানী তৈরী করে। আগের কোন রাইফেলের উপর নির্ভর করে নয়, সম্পূর্ন নতুন ভাবে এই অস্ত্র ডিজাইন করা হয়। সাধারণ স্কেচ করে থেকে পরিপূর্ণ রূপ। ইসএস স্পেশাল অপারেশন কমান্ড (US SOCOM) এই রাইফেল ইস্যু করে। একই সাথে বিভিন্ন ক্যালিবার ব্যবহারের সুবিধা পাবার জন্য ইস এস স্পেশাল ফোর্স নতুন অস্ত্র দাবি করে যা FN SCAR একমাত্র পূরন করতে সক্ষম হয়। 5.56x45mm NATO, 7.62x51mm NATO, .260 Remington, 5.56x36mm, 7.62x39mm, .300 Blackout ক্যালিবার এই অস্ত্রে ব্যবহার করা যায়। একই রাইফেলে এত ধরনের ক্যালিবার বিষ্ময়কর ! এর জন্য অল্টারনেটিভ ব্যারেল ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। SCAR এর দুইটা ভার্সন দেখা যায় যার একটা MK16 (SCAR-L) যেটাতে 5.56x45mm NATO ক্যালিবারের ত্রিশ রাউন্ডের ম্যাগাজিন ব্যবহার করা হয়। MK-16 বা SCAR-L (Light) মূলত এসল্ট রাইফেল। অন্যদিকে অপর ভার্সন MK-17 (SCAR-H) কে ব্যাটল রাইফেল বলা হয়। SCAR-H (heavy) বিশ রাউন্ডের 7.62x51mm ক্যালিবারের রাউন্ড ব্যবহার করা হয়। আরো ভার্সনের মধ্যে হচ্ছে MK-20 যা একটি স্নাইপার সাপোর্ট রাইফেল (SSR)। এছাড়া রয়েছে পার্সোনাল ডিফেন্স ওয়েপন (PDW) যেটা MK-16 এর উপর বেস করে তৈরী।

SCAR-L ও SCAR-H এর ৯০% জিনিস এক। SCAR এর স্পেশালিটি হচ্ছে একে দ্রুত মডিফাই করার সুবিধা। যুদ্ধক্ষেত্রে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে একে খুব দ্রুত মোডিফাই করা যায়। এই রাইফেলে তিন ধরনের ব্যারেল [ Standard (S), Close Quarter Combat (CQC) এবং Long Barrel (LB) ] ব্যবহার করা যায় যুদ্ধা অবস্থায় পরিবর্তন যোগ্য। যা রাইফেলের ওজন, দৈর্ঘ্য, ভিন্ন ক্যালিবার ব্যবহার, মাজল ভেলোসিটি, ফায়ারিং রেঞ্জ পরিবর্তনে সহায়তা করে। তাছাড়া অল্টারনেট ব্যারেলের মাধ্যমে শত্রুর বুলেট ব্যবহার করার সুবিধা উপভোগ করা যায়, যেটা যুদ্ধক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এসব সুবিধা SCAR কে জনপ্রিয় করে তুলেছে যে কারনে বর্তমানে ২০ এর অধিক দেশে এই রাইফেল ব্যবহার করা হয়। আর স্পেশাল ফোর্স, এলিট ফোর্সের ব্যবহার তো আছেই।

টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেসন ::
Fabrique Nationale FN SCAR (MK16/MK17) ::
Modular Automatic Rifle.
উৎপাদনকারী দেশ :: আমেরিকা
উৎপাদন সাল :: 2004
সার্বিক দৈর্ঘ্য (with stock) :: SCAR-L = CQC 31 ইঞ্চি (787 মি.মি), S 35 ইঞ্চি (889 মি.মি), LB 39 ইঞ্চি ( 990 মি.মি)। SCAR-H = CQC 35 ইঞ্চি ( 889 মি.মি), S 38 ইঞ্চি ( 965 মি.মি), LB 42 ইঞ্চি ( 1067 মি.মি)। SSR 43 ইঞ্চি ( 1080 মি.মি)। PDW 24.9 ইঞ্চি ( 632 মি.মি)
সার্বিক দৈর্ঘ্য (without stock) :: SCAR-L = CQC 21 ইঞ্চি (533 মি.মি), S 25 ইঞ্চি (635 মি.মি), LB 29 ইঞ্চি ( 736 মি.মি)। SCAR-H = CQC 25 ইঞ্চি ( 635 মি.মি), S 28 ইঞ্চি ( 711 মি.মি), LB 32 ইঞ্চি ( 813 মি.মি)। SSR 40.5 ইঞ্চি ( 1029 মি.মি)। PDW 20.5 ইঞ্চি ( 521 মি.মি)
ব্যারেলের দৈর্ঘ্য :: SCAR-L = CQC ১০ ইঞ্চি ( ২৫৪ মি.মি), Standard ১৪ ইঞ্চি ( ৩৫৫ মি.মি), LB ১৮ ইঞ্চি ( ৪৫৭ মি.মি), SCAR-H = CQC ১৩ ইঞ্চি ( ৩৩০ মি.মি), Standard ১৬ ইঞ্চি ( ৪০০ মি.মি), LB ২০ ইঞ্চি ( ৫০০ মি.মি)। SSR ২০ ইঞ্চি (৫০৮ মি.মি)। PDW ৬.৭৫ ইঞ্চি (১৭১.৪৫ মি.মি)
খালি অবস্থায় ওজন :: SCAR-H = Standard ৩.৫৮ কিলোগ্রাম ( ৭.৮৯ পাউন্ড), CQC ৩.৪৯ কিলোগ্রাম ( ৭.৭ পাউন্ড), LB ৩.৭২কিলোগ্রাম ( ৮.২ পাউন্ড)। SCAR-L = Standard ৩.২৯ কিলোগ্রাম ( ৭.৩ পাউন্ড), CQC ৩.০৪ কিলোগ্রাম ( ৬.৭ পাউন্ড), LB কিলোগ্রাম ৩.৪৯ ( ৭.৭ পাউন্ড)। SSR ৪.৮৫ কিলোগ্রাম ( ১০.৭ পাউন্ড)। PDW ২.৫ কিলোগ্রাম (৫.৫ পাউন্ড)।
লোডড অবস্থায় ওজন :: আপনি কি ধরনের ক্যালিবার ও কত রাউন্ডের ম্যাগাজিন ব্যবহার করবেন তার উপর নির্ভরশীল।
ক্যালিবার :: 5.56x45mm NATO, 7.62x51mm NATO, .260 Remington, 5.56x36mm, 7.62x39mm, .300 Blackout।
এ্যাকশন :: গ্যাস ওপারেটেড; রোটেটিং বোল্ট।
ম্যাগাজিন ক্যাপাসিটি :: MK-16 ৩০ রাউন্ড। MK-17 ও SSR ২০ রাউন্ড।
রেট অফ ফায়ার :: 625 রাউন্ড।
ইফেক্টটিভ রেঞ্জ :: SCAR-L : CQC 300 মিটার, S 500 মিটার, LB 600 মিটার। SCAR-H : CQC 300 মিটার, S 600 মিটার, LB 800 মিটার।
মূল্য :: 3200 ডলার। ভার্সন অনুযায়ী দাম পরিবর্তন হয়।

ছবিটি একটি FN SCAR এর SSR (MK-20) ভার্সন।

*বেশটেক* *টেকনোলজি* *বিজ্ঞান* *যুদ্দ্ব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চীন নিয়ে সব মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। চীনাদের জীবনযাপন চলা ফেরা অন্যান্য দেশের চেয়ে একটু অন্যরকম। চীনারা অন্যরকম বলেই সবাই জানতে চায় তাদের সংস্কৃতি নিয়ে। আজ জেনে নিন চীন সম্পর্কে নতুন কিছুঃ

১. সম্প্রতি চীনা কর্তৃপক্ষ অনেক জায়গায় পাহারার জন্য কুকুরের পরিবর্তে রাজ হাঁস নিযুক্ত করেছে। কেননা রাজা হাঁস যাকে তাড়া করে সেই জানে এটার ক্ষিপ্রতা কেমন!
২. প্রতিবছর চীনে এক কোটি ত্রিশ লাখ শিশু গর্ভপাতের মাধ্যমে মেরে ফেলা হয়।
৩. বেইজিংয়ে ট্রাফিক জ্যামে ক্ষতির পরিমাণ ১১.৩ বিলিয়ন ডলার।
৪. বেইজিংয়ে বাতাস এতটাই দূষিত, যে প্রতিদিন এক প্যাকেট সিগারেটের খেলে যে ক্ষতি হয়, বেইজিংয়ের বাতাসে একদিন শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে সেই পরিমাণ ক্ষতি হয়।
৫. টয়লেট পেপার প্রথম চীনে আবিষ্কৃত হয়েছিল শুধুমাত্র সে দেশের রাজা টয়লেটে ব্যবহার করবেন বলে।
৬. নাবালক ছেলেদের মূত্র দ্বারা সিদ্ধ করা ডিম খাওয়াকে পবিত্র কাজ মনে করা হয়
৭. সামরিক বাহিনীর অফিসারদের কোটে পিন দেয়া থাকে, যাতে তারা দাঁড়ানোর সময় মনোযোগ সহকারে দায়িত্ব পালন করেন। সামান্য হেলে পড়লেই পিন চামড়ায় গেঁথে যাবে!
৮. তারা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের হাঁটার জন্য আলাদা লেন তৈরি করেছে।
৯. তারা এলিস ইন ওয়ান্ডার ল্যান্ড মুভিটা নিষিদ্ধ করেছিল এই কারণে যে, মুভিতে পশুপাখিরা মানুষের ভাষায় কথা বলতে পারে।
১০.পুলিশদের একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় হাত উঁচিয়ে রাখার ট্রেনিং দেয়া হয়।

 

তথ্য সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

*চীন* *বেশম্ভব* *বেশটেক* *অজানা* *তথ্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সৃষ্টি বড়ই অদ্ভূত। পৃথিবী জুড়ে এমন অনেক কিছুই রয়েছে, যেগুলি সম্পর্কে ন্যূনতম কোনো ধারণাই আমাদের নেই। বেশি দূরে যেতে হবে না। ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াই যে কত সৃষ্টি, কত ঘটনা এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, তা-ই অনেক সময় আমাদের গোচরে আসে না। আজ পাঠকদের জানাব মানবদেহ সম্পর্কেই অবাক করা ৫টি তথ্য। জানেন কি, আপনি একজন সুপারহিরো। প্রত্যেকটা মানুষই ১০টা সুপার পাওয়ার নিয়ে জন্মায়। নিজেদের সেই ক্ষমতা সম্পর্কে আমরা নিজেরাই অনেকে অবগত নই। তাহলে জানা না থাকলে জেনে নিন।

১. মানুষের মস্তিষ্ক বিদ্যুৎ উৎপাদক: নিউরন আমাদের মস্তিষ্কে বার্তা পাঠায়। সেই সময়ই বেশ কিছুটা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে সেটি। মস্তিষ্কে তৈরি হয় প্রায় ২০ ওয়াট বিদ্যুৎ। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ দিয়ে জ্বালানো যেতে পারে ছোট টিউব বা ডিম লাইট।

২. ইস্পাতের থেকে শক্ত মানবদেহের হাড়: জানেন কি, মানুষের শরীরের হাড় অনেক শক্ত জিনিসের থেকেও বেশি শক্তিশালী। নিশ্চয়ই ভাবছেন ঠিক কতটা শক্ত আমাদের হাড়? ইস্পাতের থেকে ৫ গুণ বেশি শক্ত।

৩. মানুষের চোখ আসলে ৫৭৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা: দিনরাত তো কোন ফোনের ক্যামেরা কত মেগাপিক্সেল, তা নিয়েই মেতে রয়েছেন। ৮ থেকে ৪১ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ফোন বাজারে এসেছে। আর যদি ডিএসএলআর ক্যামেরার কথা বলেন, তবে তার ক্ষমতা ১২০ মেগাপিক্সেল। কিন্তু, একবারও ভেবে দেখেছেন যে, আপনার কাছেই রয়েছে বিশ্বের সর্বশক্তিমান ক্যামেরা! মানুষের চোখই আসলে ৫৭৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। সেজন্যই আমরা প্রায় ১ কোটি রঙ আলাদা ভাবে দেখতে পাই।

৪. মুখের ভাব পরিবর্তন করেই মুড পাল্টানো: বিজ্ঞান আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে, নির্দিষ্ট কোনো মানসিক অবস্থার আবেগ ও ভাবনাচিন্তার থেকে অনেক বেশি শক্তি রাখে মুখের অভিব্যক্তি। সঙ্গে সঙ্গে না হলেও, এটা কাজ করে ধীরে ধীরে।

৫. হঠাৎ কিছু করতে অ্যাড্রিনালিনের ছুটোছুটি: কোনো অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস বা অস্বাভাবিক কোনো কাজের ক্ষেত্রে শরীরে বয়ে যায় অ্যাড্রিনালিন স্রোত। এটিই সেই কাজ করার জন্য শরীরকে বাড়তি শক্তি জোগায়। যেমন, ধরুন জাম্পিং, স্কাই ডাইভিং বা রেসিং-এর সময় শক্তির এই উৎসই সাফল্যের দোরগোড়ায় এনে দেয়। অনেকে অবশ্য স্বাভাবিক দক্ষতার থেকে বাড়তি কোনো সাফল্য পাওয়ার জন্য অনেক সময় শক্তিবর্ধক ইনজেকশন শরীরে প্রয়োগ করেন।

*বেশটেক* *বেশম্ভব* *মানুষ* *চোখ* *পিক্সেল* *৫৭৬*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


গত শতাব্দীর শীর্ষস্থানীয় দার্শনিক এবং মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস খুব সুন্দরভাবে বলেছেন, আমার প্রজন্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো, দৃষ্টিভঙ্গি বদলে একজন মানুষ পারে তার জীবনকে বদলে ফেলতে। এ কথার সত্যতা সম্বন্ধে এখন বিজ্ঞানীমহলেও মিলছে সমর্থন। নিউরোসায়েন্টিস্টরা বলেন, মানুষের মস্তিষ্কের রয়েছে যেকোনো চিন্তাকে বাস্তবায়িত করার এক অসাধারণ ক্ষমতা। মন ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে দশকের পর দশকব্যাপী গবেষণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে সাইকোনিউরো-ইমিউনলজি নামে বিজ্ঞানের নতুন শাখা ।

এ বিষয়ে ডা. অ্যালেন গোল্ডস্টেইন, ডা. জন মটিল, ডা. ওয়াইল্ডার পেনফিল্ড ও ডা. ই রয় জন দীর্ঘ গবেষণার পর বলেছেন, একজন প্রোগ্রামার যেভাবে কম্পিউটারকে পরিচালিত করে, তেমনি মন মস্তিষ্ককে পরিচালিত করে। মস্তিষ্ক হচ্ছে হার্ডওয়ার আর মন হচ্ছে সফটওয়ার। নতুন তথ্য ও নতুন বিশ্বাস মস্তিষ্কের নিউরোনে নতুন ডেনড্রাইট সৃষ্টি করে। নতুন সিন্যাপসের মাধমে তৈরি হয় সংযোগের নতুন রাস্তা। বদলে যায় মস্তিষ্কের কর্মপ্রবাহের প্যাটার্ন। মস্তিষ্ক তখন নতুন দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে নতুন বাস্তবতা উপহার দেয়। নতুন বাস্তবতা ভালো হবে না খারাপ হবে, কল্যাণকর হবে না ক্ষতিকর হবে তা নির্ভর করে মস্তিষ্কে দেয়া তথ্য বা প্রোগ্রাম এর ভালো-মন্দের উপর। কল্যাণকর তথ্য ও বিশ্বাস কল্যাণকর বাস্তবতা সৃষ্টি করে আর ক্ষতিকর তথ্য বা বিশ্বাস ক্ষতিকর বাস্তবতা উপহার দেয়। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, জীবনের নতুন বাস্তবতার চাবিকাঠি হচেছ দৃষ্টিভঙ্গি বা নিয়ত।

 

বিজ্ঞানীরা বলেন দৃষ্টিভঙ্গি দু’ধরনের।
১) প্রো-একটিভ।
২) রি-একটিভ।

জীবনকে বদলাতে হলে একজন মানুষকে জানতে হবে রি-একটিভ নয়, প্রো-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করতে হবে।

একজন প্রো-একটিভ মানুষের বৈশিষ্ট্য ৩ টি :
১. তারা উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

২. তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেন।

৩. তারা সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে পড়েন না।

 

নিচের গল্পটি পড়ুন:


বাবা, ছেলে ও গাধার গল্প

বাবা ও ছেলে বিশেষ প্রয়োজনে বাড়ির পোষা গাধাটিকে বিক্রি করার জন্যে হাটের পথে যাত্রা শুরু করল। বাবা, ছেলে ও গাধা তিনজনই হেঁটে যাচ্ছে। কিছুদূর যাওয়ার পর তাদেরকে দেখে একজন বললো লোক দুটো কি বোকা। গাধা থাকতে হেঁটে যচ্ছে। একজন তো গাধার পিঠে উঠে আরাম করে যেতে পারে। বাবা ছেলেকে গাধার পিঠে উঠিয়ে দিলেন। ছেলে গাধার পিঠে আর বাবা হেঁটে চলছেন। কিছুদূর যাওয়ার পর আরেকজন বলল, কী বেয়াদব ছেলে। নিজে গাধার পিঠে আরাম করে যাচ্ছে আর বুড়ো বাপকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার পর বাবা ও ছেলে স্থান পরিবর্তন করলো। বাবা গাধার পিঠে আর ছেলে হেঁটে। আরও কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর আরেক ব্যক্তি মন্তব্য করল, কী নিষ্ঠুর পিতা! নিজে গাধার পিঠে আরাম করছে আর মাসুম বাচ্চাটাকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার পর বাবা ও ছেলে দু’জনই গাধার পিঠে উঠল। গাধা চলতে শুরু করল। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর একজন পশুপ্রেমিকের নজরে পড়ল তারা। পশুপ্রেমিক তাদের দেখে আক্ষেপ করে বলতে শুরু করল, কী অত্যাচার! কী অবিচার! একটি গাধা তার উপর দুটি লোক!

বাবা ও ছেলে পড়ল সমস্যায়। কী মুশকিল! গাধার সাথে হেঁটে গেলে দোষ। ছেলে উঠলে দোষ! বাবা উঠলে দোষ! দু’জন উঠলে দোষ! এখন কি করা যায়? বাবা ছেলে দুজন মিলে নতুন এক বুদ্ধি বের করল। বাঁশ ও রশি জোগাড় করল। গাধার চার পা ভালো করে বাঁধল। তারপর পায়ের ফাঁক দিয়ে বাঁশ ঢুকিয়ে দিল। বাবা সামনে আর ছেলে পিছনে বাঁশ কাঁধে নিয়ে হাঁটতে শুরু করল। গাধা রইল ঝুলে। গাধাকে কাঁধে নিয়ে পুল পার হওয়ার সময় গাধা ভয় পেয়ে চিৎকার করে নড়ে উঠল। বাবা, ছেলে ও গাধা পড়ে গেল খালে। গাধার মেরুদণ্ড ভাঙল। বাবা ও ছেলের ভাঙল পা। গাধা আর বেচা হলো না। বাবা ও ছেলে আহত অবস্থায় ফিরে এল ঘরে।

 

এই বাবা-ছেলে হলেন রি-একটিভ। রি-একটিভ হলে নিয়ন্ত্রণ তখন নিজের হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। আপনি যখন অন্যের কথায় কষ্ট পান, অন্যের কথায় রেগে যান, অন্যের আচরণে ক্রোধে ফেটে পড়েন, অন্যের তোষামোদিতে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন, অন্যের চাটুকারিতায় গলে যান, অন্যের কথায় নাচেন, তখন নিয়ন্ত্রণ আর আপনার হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। গল্পের এ বাবা-ছেলের মতোই রি-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় ব্যর্থতা, হতাশা ও অশান্তি সৃষ্টি করে।

প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে যেকোনো পরিস্থিতিতে উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ। প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে অন্যের কাজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে কোন কাজ বা আচরণ না করা। সর্বাবস্থায় নিজের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে আচরণ ও কর্মপন্থা অবলম্বন করা। প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে কি কি নেই তা নিয়ে হা-হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করা। প্রো-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় সাফল্য ও বিজয় ছিনিয়ে আনে।
প্রো-একটিভ মানুষই অন্যকে প্রভাবিত করে, পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করে নিজের পক্ষে নিয়ে আসতে পারে। এই জন্যেই মহামানবরা সবসময় প্রো-একটিভ ছিলেন। নবীজী (স)-র জীবন দেখুন। তিনি সবসময় প্রো-একটিভ ছিলেন। ফলে প্রভাবিত করতে পেরেছেন সবাইকে।

এক বৃদ্ধা প্রতিদিন নবীজী (স)-র পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখত। উদ্দেশ্য নবীজীকে কষ্ট দেয়া। নবীজী (স) প্রতিদিন কাঁটা সরিয়ে পথ চলতেন। যাতে অন্যের পায়ে কাঁটা না বিঁধে। একদিন পথে কাঁটা নেই। দ্বিতীয় দিনও পথে কাঁটা নেই। নবীজী (স) ভাবলেন, একদিন হয়তো ভুল করে বৃদ্ধা কাঁটা বিছায় নি। দুই দিন তো ভুল হতে পারে না। নিশ্চয় বৃদ্ধা অসুস্থ। তিনি খোঁজ নিলেন। বৃদ্ধা ঠিকই গুরুতর অসুস্থ। আমরা হলে হয়তো বলতাম, ‘বেটি বুড়ি আমার পথে কাঁটা বিছিয়েছিস! আল্লাহ তোকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছে।’ কিন্তু নবীজী বৃদ্ধার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করলেন। তার চিকিৎসা ও সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করলেন। বৃদ্ধা সুস্থ হয়ে উঠলেন।

 

সুস্থ হওয়ার পর বৃদ্ধার মনে প্রশ্ন জাগল, যাদের কথায় নবীর পথে কাঁটা বিছিয়েছি, তারা তো কেউ আমাকে দেখতে আসে নি। বরং যাকে কষ্ট দেয়ার জন্যে কাঁটা বিছিয়েছি, তিনিই আমার সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করলেন। মানুষ হিসেবে নবীজীই ভালো মানুষ। বৃদ্ধা নবীজীর ধর্ম গ্রহণ করলেন। নবীজী (স) প্রো-একটিভ ছিলেন বলেই বৃদ্ধাকে প্রভাবিত করতে পেরেছিলেন। বৃদ্ধা যা-ই করুক না কেন, বৃদ্ধার আচরণ দ্বারা নবীজী (স) প্রভাবিত হন নি। নবীজী (স) বৃদ্ধার সাথে সেই আচরণই করেছেন, যা তিনি সঙ্গত মনে করেছেন। সে কারণেই বিরুদ্ধাচরণকারী বৃদ্ধা নবী অনুরাগীতে রূপান্তরিত হলো।

 

তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেন।

 

এক ছিলো বুড়ি। তার দুটিই মেয়ে। বড় মেয়ের জামাই একজন ছাতা বিক্রেতা। আর ছোট মেয়ের জামাই সেমাই বানিয়ে বিক্রি করে। এই বুড়িকে কেউ কখনো হাসতে দেখে নি। সারাক্ষণই সে শুধু কাঁদতো। যখন রোদেলা দিন তখন বড় মেয়ের কথা মনে করে। আর বৃষ্টির দিনে ছোট মেয়ের কথা মনে করে। কারণ রোদ হলে বড় মেয়ের জামাইয়ের ছাতার বিক্রি তেমন ভালো হয় না। আর গ্রীষ্ম ফুরিয়ে বৃষ্টির দিন যখন আসে তখন আবার ছোট মেয়ের জামাইয়ের ব্যবসায় মন্দা যায়। দুই মেয়ের কথা ভেবে রোদ বা বর্ষা কোনোসময়ই তার কোনো সুখ ছিলো না।

একদিন এক সাধুর সাথে তার দেখা হলো। সাধু যখন জানতে চাইলেন সে কেন এভাবে সবসময় কাঁদে। সে ঘটনা বললো। সাধু বললেন, এখন থেকে তুমি তোমার চিন্তাটাই বদলে ফেলো। রোদের দিন তুমি তোমার বড় মেয়ের কথা ভাববে না। ভাববে ছোট মেয়ের কথা। কত সুন্দর করে সে এই চমৎকার রোদে সেমাই শুকোচ্ছে। আর গ্রীষ্ম শেষে যখন বর্ষা আসবে, ভাববে বড় মেয়ের কথা। যে এখন দেদারসে ছাতা বিক্রি করছে। তখন ছোট মেয়ের কথা মনে করার দরকার নেই।

বুড়ি তাই করলো। সমাধানও হয়ে গেলো তাড়াতাড়ি। এখন আর তাকে কাঁদতে হয় না।

 

২১ বছর বয়সে তিনি ব্যবসায়ে লস করেন। ২২ বছর বয়সে তিনি রাজনীতিতে পরাজিত হন। ২৩ বছর বয়সে আবারও ব্যবসায়ে লস করেন। ২৬ বছর বয়সে হারান প্রিয়তমা স্ত্রীকে । ২৭ বছর বয়সে তার নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়। ৩৪ বছর বয়সে কংগ্রেস নির্বাচনে হেরে যান। ৪৫ বছর বয়সে সিনেট নির্বাচনে হেরে যান। ৩৭ বছর বয়সে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হলো। ৪৯ বছর বয়সে আবারও সিনেট নির্বাচনে পরাজিত হন। এবং ৫২ বছর বয়সে তিনি হন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

 

তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। এতগুলো হারের পরও যিনি কখনো ভাবেন নি, রাজনীতি আমার জন্যে নয়। আর তাইতো তিনি হতে পেরেছিলেন আমেরিকার সর্বকালের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত প্রেসিডেন্টদের একজন।
সফল মানুষদের জীবনে বাধা বা প্রতিকূলতা নেই, এ কথাটি ঠিক নয়। বরং তাদের জীবনে বাধা বা সমস্যা সাধারণ মানুষদের চেয়েও বেশি এবং বিচিত্রতর। কিন্তু তাদের তফাৎ হচ্ছে তারা কখনো বাধার মুখে ভেঙে পড়েন না। বাধাটাকে জয় করেন।
আসলে কোনো পরাজয়ই পরাজয় নয়, যদি তা মানসিকভাবে আপনাকে পরাজিত করতে না পারে। প্রো-একটিভ মানুষেরা এ সত্যটিই উপলব্ধি করেন এবং সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়ে কাজ করে যান। ফলে তারা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন।

 

সুতরাং আপনি যেখানে আছেন সেখান থেকেই শুরু করুন। যা আছে তা নিয়েই শুরু করুন। সাময়িক ব্যর্থতায় মুষড়ে পড়বেন না। নেতিবাচক লোকদের কথায় প্রভাবিত হবেন না। আপনি জয়ী হবেনই।

*বেশটেক* *মানসিক* *দৃষ্টিভঙ্গি* *চেতনা* *সমাজ* *বাস্তবতা* *বেশম্ভব* *আব্রাহামলিংকন* *প্রেসিডেন্ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (Virtual Reality) VR- নামে আপনার বাচ্চার চোখের ক্ষতি করছেন কি???
★★★★★★★★★★★★★

VR Box ব্যাবহারে মাথা ব্যাথা, মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব, motion sickness, cyber sickness, cyber addiction থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের বিকৃতি, নার্ভ টিস্যু ডেমেজ হয়ে থাকে। এই কথা গুলো wall streat journal এ উঠে এসেছে।

তাছাড়া চোখের ক্ষতিকর দিকগুলো নিচে আলোচনা করা হলঃ

১. কাছের বস্তু দেখার জন্য ২৫ সেন্টিমিটার দূরত্ব দরকার হয়। ঐ দূরত্বের থেকে, আর ও কাছে কোন স্বাভাবিক চোখ, কোন বস্তুকে স্পষ্ট দেখতে পায় না। VR Box এর ডায়ামিটার ১৫ থেকে ২০ সেন্টিমিটার!!!

২. চোখের কর্নিয়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে!!!!

চোখের কর্নিয়ার নিজের কোন রক্ত চলাচলের নালিকা নেই, তাই সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে, অক্সিজেন গ্রহন করে, তাছাড়া ডিফিওসানের মাধ্যমে ও অক্সিজেন গ্রহন করে থাকে। VR BOX ব্যাবহার এ কর্নিয়ার অক্সিজেন গ্রহনের মাত্রা কমে যায়। দৈনিক ১২ ঘন্টার বেশ সময় এই VR Box ব্যাবহার করলে চোখের কর্নিয়ার মারাত্বক ক্ষতি হতে পারে।

৩. চোখ জ্বালাপোড়া করে, এর কারন হল কর্নিয়ার ড্রাইনেস। এবং কিছু সময় পর পর চোখ দিয়ে পানি পরা শুরু হতে পারে।

৪. আমাদের চোখের গঠন অনেকটা ক্যামেরার মত। চোখের লেন্স, কাছের বস্তু দেখার জন্য বড় হয়ে যায় এবং দূরের বস্তু দেখার জন্য, লেন্সের ডায়ামিটার কমিয়ে ছোট করে ফেলে, সমস্ত প্রকৃিয়াটিকে এ্যাকোমোডেশান বলে। অধিক সময় বাচ্চারা যদি VR Box ব্যাবহার করে, গেইম বা মুভি দেখে, তাহলে এ্যাকোমোডেশানে সমস্যার কারনে চোখে ঝাপসা দেখতে পারে।

৫. EyeStrain - চোখের ক্লান্তি!!! চোখ সঠিক ভাবে ব্যাবহার না করলে, বিকৃত যান্ত্রিক ভাবে চোখকে ব্যাবহার করলে, একদৃষ্টি তে বেশিক্ষন তাকিয়ে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, টেব ও ব্যাবহার করলে EyeStrain হয়ে থাকে।
যা VR Box ব্যাবহারকারিরা ও এ সমস্যায় পরতে পারে।

৬. আর যদি আপনার চোখের লেন্সে, আগে থেকে কোন সমস্যা থাকে, আপনি চশমা ছড়া, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি টের ও পাবেন না। কর্তিপক্ষ আপনার কথা না ভেবেই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বক্স তৈরি করেছে।

★★★★ আমার কল্পনায়, যে ভার্চুুয়াল রিয়েলিটির কাজ করে, তা আমি কাউকে বুঝাতে পারি না!!! এটা ঠিক!!!
কিন্তু আপনি চাইলে, চোখ বন্ধ করেই 3D, 4D, 5D তে আপনার সব চেয়ে, প্রিয় মানুষজনের মুখ দেখতে পারবেন। মহান সৃষ্টিকর্তা, আমাদের সকলকেই এই ক্ষমতা দিয়েছেন। এজন্য আলাদা কোন ডিভাইজ্ দরকার হয়ে না!!!

★★★★★★★★★★★★★★★
বিজ্ঞাপনটি তে বলা আছে..... এটি
যেকোন স্মার্টফোনের সাথে সেট করুন, আর হারিয়ে যান 3D'র দুনিয়ায়!!!!
চোখে দিয়ে উপভোগ করুন অসাধারণ প্রাণবন্ত সিনেমা অভিজ্ঞতা!!!! তাই অসাধারন এই অভিজ্ঞতা নিতে আজই আপনার বা আপনার শিশুর জন্য VR Box পণ্যটি সংগ্রহ করুন!!!!!
VR Box Headset
• হালকা ওজন তাই দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারযোগ্য
• লেন্সঃ HD Aspheric surface (চোখের কোনো ক্ষতি করে না)!!!!!
★★★★★★★★★★★★★★★

লেখাঃ
ডাঃ শেখ মাহ্ফুজুল হক সোহাগ

*বেশটেক* *বেশম্ভব* *ভার্চুয়াল* *ডিজিটাল* *অন্ধত্ব*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★