বৈশাখী মিষ্টি

বৈশাখীমিষ্টি নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণ-সঞ্জীবনী সুধা। একটি লোকজ উৎসব। বাঙালির ঐতিহ্য ও লোক-সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ। এদেশের মানুষ প্রতিটি দিনই পহেলা বৈশাখের আনন্দ উদার মন নিয়ে উদ্যাপন করুক। সর্বজনীন-সার্বজনিক পহেলা বৈশাখে মানুষের মাঝে সব ভেদাভেদ দূর হয়ে যাক। মাঝে আর মাত্র কয়েকটি দিন। এরপর রাত পোহালেই উদিত হবে বাংলা নতুন বছরের সূর্য। সার্বিক মঙ্গল কামনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হবে বাংলা নতুন বছর ১৪২৪। কণ্ঠে কণ্ঠে উচ্চারিত হবে কবিগুরুর পঙ্ক্তিমালা- ‘এসো হে, বৈশাখ; এসো, এসো/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক/যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি’।

নতুন বছরকে বরণ করে নিতে চলছে জোর প্রস্তুতি। এ নিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে এখন সাজসাজ রব। সাজানো হচ্ছে বরণডালা, আত্বীয়-পরিজনদের উপহার হিসেবে তত্ব পাঠানোর ঐতিহ্য বেশ পুরনো, যেহেতু বছরের প্রথম দিন, শুভ দিন তাই এ দিনে উপহার হিসেবে মুড়ি, মুড়কি, মিষ্টির বিকল্প আর কিছু হতে পারে না l বাংলার মানুষজনও অতীতের সব দুঃখ-বেদনা, ব্যর্থতা ও গ্লানিকে বিদায় জানিয়ে নব উদ্যমে, নব প্রত্যাশায় নানা আয়োজনে বরণডালা সাজিয়েছে নতুন বছরকে বরণ করতে। তাই আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন l বেছে নিতে পারেন আজকের ডিলের মিষ্টির বরণডালার অফারগুলো l দেখে নিন হরেক রকমের মিষ্টি।

কুমিল্লার রসমালাই

কুমিল্লার রসমালাই কিনতে ক্লিক করুন

যশোরের সাদেকগোল্রা

যশোরের সাদেকগোল্লা কিনতে এখানে ক্লিক করুন

নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি

নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন

টাঙ্গাইলের চমচম
 
টাঙ্গাইলের চমচম কিনতে ক্লিক করুন

সিরাজগঞ্জের ধানসিঁড়ির দই

সিরাজগঞ্জের ধানসিঁড়ির দই কিনতে ক্লিক করুন

এগুলো সহ আরও মিষ্টির কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*বৈশাখীমিষ্টি* *মিষ্টি* *স্মার্টশপিং*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মিষ্টি ছাড়া বাঙালির উৎসব আয়োজনে অনাসৃষ্টির আশঙ্কা ষোলআনা। নববর্ষে স্বজনদের মিষ্টিমুখ না করা হলে উৎসবটা যেন পুরোপুরি আনন্দময় হয়ে ওঠে না। আসন্ন নববর্ষ তথা বৈশাখী আয়োজন উপলক্ষে বাড়িতেই বানিয়ে নিন মাওয়া বুন্দিয়ার লাড্ডু। চলুন রেসিপি শেখে নিই। 

যা লাগবে 

বুন্দিয়া বানাতে- বেসন ১ কাপ, পানি ১/২ ক্যাপ, বেকিং পাউডার ১/৪ চা চামচ, সয়াবিন তেল ভাজার জন্য। লাড্ডুর জন্য- বুন্দিয়া ২ কাপ, ছানা ১/৪ কাপ, গুঁড়া দুধ ২ টে, চামচ, ঘি ১ টে. চামচ, চিনি ২ টে. চামচ, ক্রিম ফ্লেভার ১/৪ চা চামচ।

যেভাবে করবেন

 প্রথমে বুন্দিয়া বানতে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ১০ মিনিট মেখে রেখে দিতে হবে। কড়া জ্বালে আগুন রেখে ছাঁচে এই মিশ্রণটা ঢেলে তেল এ ছাড়তে হবে। হাল্কা ভাজা হলে চিনির সিরায় ১০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। এবার বুন্দিয়া আধা ভাঙ্গা করে ছানা, চিনির সঙ্গে মিশিয়ে অল্প একটু সময় চুলায় রাখবেন। ঠাণ্ডা হলে গুঁড়া দুধ ও গোলাপ জল মিশিয়ে গোল লাড্ডু করে মাওয়ায় গড়িয়ে নিন।

(সংকলিত)

*মাওয়ালাড্ডু* *মিষ্টি* *বৈশাখীমিষ্টি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যে কোন উৎসব আর নুতন আয়োজন মানেই মিষ্টির ছড়াছড়ি। হোক সেটা বর্ষ বরণ, বিয়ে কিংবা অন্য কোন বিশেষ দিবসের অনুষ্ঠান সব খানেই মিষ্টির আধিপত্য। আর ক’দিন বাদেই ঢাক ঢোল বাজিয়ে আসবে বাংলার ঐতিহ্য ও উৎসবের মাস বৈশাখ। বর্ষবরণের এই সময়টাতে বাঙ্গালির ঘরে ঘরে বাঙালিয়ানা ফুটিয়ে তুলতে রাখতে পারেন কয়েক জেলার বিখ্যাত সব মিষ্টি। চলুন তাহলে পহেলা বৈশাখের মিষ্টি মুখ করি বিভিন্ন জেলার মিষ্টি দিয়ে।
 
টাঙ্গাইলের চমচমঃ
আমাদের এই উপমহাদেশে জনপ্রিয় মিষ্টি গুলোর মধ্যে টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম  অন্যতম। এই মিষ্টি এখনো তার পুরনো ঐতিহ্য নিয়ে  কীর্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। এর গ্রহনযোগ্যতা কিশোর যুবা বৃদ্ধ সবার কাছেই সমান। দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানান বর্নের, স্বাদের চমচম তৈরী হলেও ইট রঙের টাঙ্গাইলের এই চমচম অনন্য। বৈশাখ বরণে ঘরে রাখতে পারেন টাঙ্গাইলের এই বিখ্যাত চমচম। বাজারে প্রতি কেজি চমচমের দাম ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।
 
যশোরের জামতলার স্পঞ্জঃ
জামতলার রসগোল্লার স্পঞ্জের আসল নাম সাদেক গোল্লা। এই সাদেক গোল্লা এখন জামতলার মিষ্টি হিসেবে দেশ-বিদেশে সমাদৃত। যশোরের শার্শা উপজেলার জামতলার এই রসগোল্লা দীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য ধরে রেখে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে। এই মিষ্টি অনেকটা বাদামি টাইপের তবে মাঝে মাঝে এটি সাদাটে টাইপের হয়। বৈশাখীর উৎসবে আপনিও কিনে নিতে পারেন ঐতিহ্যবাহী এই মিষ্টি। প্রতি কেজি স্পঞ্জের দাম দাম ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।
 
পাবনার ঐতিহ্যবাহী কালোজামঃ
পাবনার ঐতিহ্যবাহী একটি মিষ্টির নাম কালোজাম। আমরা রাজধানী সহ সারা দেশে যে কালোজাম পাই তার চেয়ে পাবনার কালোজাম ভিন্নধর্মী ও সুস্বাদু। এই কালোজাম স্পেশাল সুস্বাদু ছানা দিয়ে তৈরী করা হয়। পাবনার ঐতিহ্যবাহী প্যারাডাইস এর মুখরোচক কালোজাম মিষ্টি প্রতি কেজির দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা। পাবনা থেকে কিনে নিতে পারেন অথবা অনলাইনে আজকের ডিলে পাওয়া যাচ্ছে। তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে নক করুন। 
 
 
মেহেরপুরের বিখ্যাত সাবিত্রীঃ
মেহেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি সাবিত্রী  ১৮৬১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তাদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এই মিষ্টি তৈরির বর্তমান মালিক ও কারিগর জানালেন, এটি তৈরি করার যে কৌশল তা কেবল তাদের বংশপরম্পরায় সীমাবদ্ধ। আজ থেকে তাদের পাঁচ পুরুষ আগে পঞ্চানন শাহা কৌশলটি আবিষ্কার করেছিলেন। এই মিষ্টি সাধারণত অর্ডার ছাড়া মিষ্টি খুব কম তৈরি করা হয়। বিজয়ের মাসে ঐতিহ্যবাহী এই মিষ্টি খেতে চাইলে ঘুরে আসুন আজকের ডিল থেকে। 
 
 
গাইবান্ধার বিখ্যাত রসগোল্লাঃ 
রসেভরা রসালো মিষ্টির নাম রসগোল্লা। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাতেই এই মিষ্টি পাওয়া যায়। তবে রসগোল্লা জন্য বিখ্যাত হল গাইবান্ধা।  গাইবান্ধার ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু এই মিষ্টির জনপ্রিয়তা অনেক আগে থেকেই। দেশভাগেরও আগে থেকে এ এলাকায় পাওয়া যেত এই মিষ্টি। পুরো এলাকায় নানা মিষ্টির দোকানে পাওয়া যায় এটি। কেজিপ্রতি দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা। 
গাইবান্ধার রসগোল্লা কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
ঢাকায় অরিজিনাল এই মিষ্টি গুলো কোথায় পাবেন?
বিখ্যাত এই মিষ্টি গুলো বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়।  ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকার মধ্যে দেশের যে কোন মিষ্টির দোকানে সন্দেশ কিনতে পাবেন। কিন্তু অরিজিনাল মিষ্টি খেতে হলে আপনাকে যেতে হবে না হলে কাউকে দিয়ে কিনে আনাতে হবে। তাই বলবো, যারা ঢাকার মধ্যে রয়েছেন তারা বাড়তি কষ্ট না করে দেশের জনপ্রিয় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে অর্ডার করে ঘরে বসেই বর্ষরণের বিভিন্ন জেলার মিষ্টি কিনতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

 

*বৈশাখীমিষ্টি* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রসে ডোবা রসালো মিষ্টির নাম রসগোল্লা। বাংলাদেশের মিষ্টিকুলের মধ্যে রসগোল্লা খুবই জনপ্রিয়। রসে ভরা রসালো রসগোল্লা দেখলে যে কোন বাঙ্গালির জিহবায় জল আসবে এতে কোন সন্দেহ নেই! বাঙালিদের যেকোন অনুষ্ঠান রসগোল্লা ছাড়া অপূর্ণ থেকে যায়। সামনে আসছে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেবার মহাৎসব। তাই বাঙ্গালির ঐতিহ্যবাহী প্রাণের এই উৎসবে মিষ্টি মুখ করুন রসে ভরা রসগোল্লা দিয়ে। চলুন রসেভরা রসগোল্লা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।
 
রসগোল্লার প্রাচীন ইতিহাস
চিনির সঙ্গে ছানার রসায়নে আধুনিক সন্দেশ ও রসগোল্লার উদ্ভাবন অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে। রসগোল্লার নাম আদিতে ছিল গোপাল গোল্লা। রসের রসিক বাঙালি চিনির সিরায় ডোবানো বিশুদ্ধ ছানার গোল্লাকে নাম দিয়েছে রসগোল্লা। ওডিশা না পশ্চিমবঙ্গ? রসগোল্লার দুই যোগ্য হকদার। এ নিয়ে ভারতের দুই রাজ্যের মধ্যে বেশ গণ্ডগোলও হয়ে গেছে। ওডিশা রসগোল্লার আবিষ্কার ভূমি হিসেবে স্বীকৃতি পেতে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তবে কলকাতাও নাছোড়বান্দা। কিছুতেই দাবি ছাড়বে না রসগোল্লার ওপর। বিখ্যাত মিষ্টি প্রস্তুতকারক নবীন চন্দ্র দাসের পরিবারও কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছে। 
 
গাইবান্ধার বিখ্যাত রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
১৮৬৮ সালে বাগবাজারে (তত্কালীন সুতানুটি) ছিল নবীন ময়রার মিষ্টির দোকান। তিনিই নাকি প্রথম ছানার মণ্ড চিনির সিরায় ডুবিয়ে তৈরি করেন রসগোল্লা। এ মিষ্টি আবিষ্কারের কাহিনী রয়েছে ওডিশায়ও। লক্ষ্মী দেবীর অভিমান ভাঙানোর জন্য জগন্নাথ দেব তাকে খাইয়েছিলেন ক্ষীরমোহন। সেই ক্ষীরমোহনই পরিচিতি পায় রসগোল্লা হিসেবে। আবার নথি ঘেঁটে পাওয়া গেছে অনেক তথ্য। তা হচ্ছে, রসগোল্লা আবিষ্কারে জড়িত অন্য কেউ। দাস শুধু তা জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করেছেন। খাদ্যবিশারদ প্রণব রায়ের এ-সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল ১৯৮৭ সালে ‘বাংলার খবর’ পত্রিকায়। জানা যায়, ১৮৬৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের কাছেই ছিল ব্রজ ময়রার মিষ্টির দোকান। নবীন ময়রা রসগোল্লা বিক্রি শুরুর দুই বছর আগে সেখানে নাকি রসগোল্লা পাওয়া যেত। শুধু কি তাই! পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার হারাধন ময়রা উনিশ শতকে রসগোল্লা প্রথম তৈরি করেন বলে বিশ শতকের গোড়ার দিকে জানিয়েছেন পঞ্চানা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রানাঘাটের পাল চৌধুরীদের জন্য কাজ করতেন। রসগোল্লার সর্বশেষ সংস্করণ স্পঞ্জের রসগোল্লা।
 
বাঙ্গালির রসগোল্লা
জলযোগের বিখ্যাত রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
বিখ্যাত মিষ্টি রসগোল্লা বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। রেসিপিটা সহজ হওয়াই সবাই রসগোল্লা বানাতে পারে। কিন্তু সবার মিষ্টির স্বাদ একরকম হয় না। যেমন, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, মাদরীপুর, পাবনা, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইল ইত্যাদি জেলা সমূহের রসগোল্লা খুবই বিখ্যাত।
 
জনপ্রিয় এই মিষ্টির দাম অবশ্য খুব একটা বেশি না। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকার মধ্যে দেশের যে কোন মিষ্টির দোকানে রসগোল্লা কিনতে পাবেন। এই বৈশাখে যারা ঢাকার মধ্যে রয়েছেন তারা বাড়তি কষ্ট না করে দেশের জনপ্রিয় অনলাইন শপ আজকের ডিলের মিষ্টির কালেকশন থেকে  রসগোল্লা কিনে নিতে পারেন। রসগোল্লা কেনার সুবিধার্থে আপনার  জন্য নিচে লিংকটি শেয়ার করলাম।
 
 
*বৈশাখীমিষ্টি* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★