বৈশাখী সাজ

বৈশাখীসাজ নিয়ে কি ভাবছো?

মেহেদি হাসান: *বৈশাখীসাজ*

afroja ali: *বৈশাখীসাজ* নিজের হাতে পেইন্ট করা শাড়ী , মাথায় বেলি ফুল , হাতে থাকবে রিনিঝিনি চুড়ি...এখন পর্যন্ত এটাই ভেবেছি .(ঘোড়া)(হাড়ি-১)(চরকি)

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

বাংলা আমার মা, বাংলা আমার অহংকার, আমি বাঙালি হয়ে গর্ব করি এক দিনের জন্যে নয়
এই চরম গরমে ইলিশ নামক জাতীয় নিরীহ প্রাণীর বংশ নির্বংশ করার মিছিলে সামিল হয়ে, বৈশাখীখাবার খেয়ে মিছে মিছি একদিনের বাঙালি সেজে, রং মেখে ঢং করে ঘোরাঘুরি করে কি লাভ? একটু ভাবুন .... নিজেকে, সমাজকে, জাতিকে আর কত্তদিন ধোকা দিবেন? ১ দিন কেন, কেন সপ্তাহ না, কেন মাস না, কেন পুরো বছর বাঙালি সাজা যাবে না???
*গরম* *বৈশাখীখাবার* *বৈশাখীসাজ* *বৈশাখে-ঘোরাঘুরি* *আমার-ভাবনা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এতদিনে নিশ্চয়ই বৈশাখের শাড়ি, গয়না ঠিক করে ফেলেছেন। কিভাবে সাজবেন তাও হয়ত ভেবে নিয়েছেন, তবে হয়ত বা এই গরমের কি হবে চুলের সাজ তা নিয়ে এখনো ভাবছেন। নিশ্চয় নিজেকে চান ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে বছরের প্রথম দিনে। পাশে সিঁথি করে চুলটাকে কখনো ফুলিয়ে নিতে পারেন, আবার কখনো টুইস্ট করে পেঁচিয়ে ক্লিপ দিয়ে কানের পাশে আটকে দিতে পারেন। এবার পছন্দমতো খেজুর বেণি করে চোখে ব্যবহার করতে পারেন রাশভারী চশমা। আর জমকালো ভাব আনতে কার্লার দিয়ে কোঁকড়া করে পেঁচিয়ে খোলা রাখতে পারেন। কানের পাশে গুঁজে দিতে পারেন বড় ফুল।চলুন দেখে নেই, বৈশাখের প্রথম দিনে কিভাবে চুলের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারেন l

খানিক এলোচুলে ছিমছাম
চুলটাকে সাজাতে পারেন এলোমেলোভাবে। শুরুতে সামনের চুলগুলো এক পাশ করে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিন। এরপর নিচের চুলকে কার্লার দিয়ে কোঁকড়া করে নিন। চোখের ওপরে দিন আইলাইনের ছোঁয়া। ঠোঁটে হালকা গোলাপি লিপস্টিক। হাতে আংটি ও কানে ছোট্ট দুলে ছিমছাম সাজ।

স্নিগ্ধ সাজের চুল 
হাইনেক গলার ব্লাউজ, পরনে তাঁতের শাড়ি। হাতে নানা রকমের বালা। কানে বড় দুল। চুলটাকে রোলার দিয়ে বড় বড় কোঁকড়া করে খোলা রাখতে পারেন। সাজ হতে পারে হালকা। এতেই দেখাবে স্নিগ্ধ। সকালে এমন সাজেইবের হতে পারেন।

জমকালো খোঁপা 
চুলটাকে কার্লার দিয়ে কোঁকড়া করে এলোমেলো চুলগুলো উঁচু করে খোঁপা করে ফেলুন। চিরুনি ব্যবহার না করেও খোঁপাটি করতে পারেন। জমকালো ভাব আনতে কানের পাশ দিয়ে একটি-দুটি চুল বের করে দিতে পারেন। সঙ্গে চোখে স্মোকি সাজ আর ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক। উজ্জ্বল রঙের শাড়ির সঙ্গে কনট্রাস্ট ব্লাউজ। গতানুগতিকভাবে না করে ভিন্নভাবে খোঁপা করা যেতে পারে। খোঁপায় বিশেষত্ব আনতে চাইলে সামনের চুলগুলো কার্লার দিয়ে কোঁকড়া করে নিন। এরপর কোঁকড়া চুলগুলো পেঁচিয়ে ফুলের মতো করে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিন। এভাবে দু-তিনটি চুলের ফুল সামনে করা যেতে পারে। আরপেছনের চুল এক পাশে নিচু করে খোঁপা করে নিন। খোঁপার ওপর লাগিয়ে নিতে পারেন কয়েকটি চিকন বেণি। এরপর খোঁপায় গুঁজতে পারেন পছন্দের কোনো ফুল।

*চুলেরসাজ* *বৈশাখীসাজ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাত্র ১ দিন বাদেই আসছে বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। বৈশাখের প্রথম দিনে কি পরবেন তা নিশ্চয় ইতিমধ্যেই ঠিক করে ফেলেছেন। পোশাকের সঙ্গে সাজেরও কিন্তু একটি বিষয় রয়েছে। সেই সাজটি কিভাবে নিবেন ও এর স্থায়ীত্ব কিভাবে থাকবে তার জন্য থাকছে কিছু টিপস।

বেইজ মেকআপ

  • চন্দন পাউডার এবং গোলাপজল মিশিয়ে প্যাকটি ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
  • মেক আপের আগে মুখে বরফ ঘষে নিন।
  • তারপর তুলার সাহায্যে টোনার মুখে ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ত্বক হলে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লাগান।
  • সানস্ক্রিন এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন (তৈলাক্ত ত্বক হলে ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই)।
  • প্রাইমার লাগিয়ে ফাউন্ডেশন, মিনারেল পাউডার, কনসিলার যা যা দরকার প্রয়োজন মত মুখে এ এপ্লাই করুন।
  • দিনে ডার্ক ব্লাশ না দেওয়া ভাল, হালকা ন্যাচারাল কালার ব্যবহার করুন। যেমন: অরেঞ্জ অথবা লাইট ব্রাউন।
  • মনে রাখবেন সকালে বের হলে মুখ ঘেমে যাবে। তখন টিস্যু পেপার দিয়ে আলতো করে মুখ মুছে ফেলতে হবে।

চোখের সাজ

  • প্রথমে আই প্রাইমার লাগান।
  • হালকা শেড ব্যবহার করুন (গোল্ডেন, ব্রাউন)। রাতে চোখের জন্য স্মোকি শেড ভালো (ডার্ক ব্রাউন,
  • ব্ল্যাক, ব্লু, ডার্ক মেরুন)। শেড ভাল করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।
  • কাজল এবং লিকুইড ওয়াটার প্রুফ আইলাইনার ব্যবহার করুন।
  • ট্রেন্ড অনুযায়ী অন্য কালারফুল লাইনার ব্যাবহার করতে পারেন। মাসকারা দিতে ভুলবেন না।

ঠোঁটের সাজ

  • লাল লিপস্টিক ট্রেন্ড চলছে তো সেটাই ব্যবহার করতে পারেন অথবা ডার্ক কোন কালার।
  • লিপগ্লস না লাগানই ভাল। গরমে লিপগ্লস বেশিক্ষণ স্থায়ী থাকে না।
  • ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন।

লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট একে নিন। লিপলাইনার ও লিপস্টিকের রঙ অবশ্যই একই হতে হবে। এখন আর গাঢ় লিপলাইনার এর সাথে হাল্কা লিপস্টিক লাগানোর চল নেই।

চুলের সাজ

  • এই গরমে হাত খোঁপা করে নিতে পারেন অথবা ফ্রেঞ্চ বেণী করে নিন।
  • খোঁপায় পছন্দ মতো ফুল গুঁজে নিতে পারেন।

প্রয়োজনীয় জিনিস যা নিতে ভুলবেন না
পানি
আয়না
চিরুনি
ক্লিপ, রাবার ব্যান্ড
ফেইস পাউডার
টিস্যু প্যাকেট

নতুন সাজে নব আনন্দে কাটুক সবার বৈশাখ। সবাইকে অগ্রীম বৈশাখী শুভেচ্ছা..

*বৈশাখীসাজ* *বৈশাখ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখ আর প্রচন্ড গরম এবার একসাথে আসছে। কিন্তু গরম বলে তো বৈশাখে ঘোরাঘুরি এবং সাজগোজ থেমে থাকবে না। তাই উৎসবের এই সময়টাতে সাজগোজ এবং মেকআপ এ চাই বাড়তি সর্তকতা। বিশেষ করে বৈশাখের রঙে নিজেদের রাঙানো নিয়ে বেশি চিন্তা থাকেন মেয়েরা। মাথার চুল থেকে পা পর্যন্ত সাজে বাঙালি ললনারা। কিন্তু মেয়েরা কীভাবে এই গরমে বৈশাখের আমেজটা আরামদায়কভাবে নিবেন। কোন ধরনের পোশাক পরলে এবং কিভাবে সাজলে প্রচন্ড গরমেও স্মার্টনেস ধরা থাকবে চলুন জেনে নেই। 

 

পোশাক

বৈশাখে সুতি শাড়ি বেছে নেওয়া ভালো।আগে সাদা-লাল পাড়ের শাড়ি পরা হতো, কিন্তু এখন নানা রঙের শাড়ি পরা হয় বৈশাখে। বৈশাখের নানা রঙের শাড়ি পরে মেয়েরা। একরঙা সুতি শাড়িতে চিকন পাড় ভালো লাগে। যেহেতু গরম তাই হাফহাতা বা স্লিভলেস ব্লাউজ পরতে পারেন। আবার শাড়ির সাথে মিল রেখে বাটিকের ব্লাউজ পরতে পারেন। এই দিনে শাড়ি বাঙালী স্টাইলে পরলেই ভালো লাগবে।

অনেকেই শাড়ির বদলে গরমের জন্য সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া পরতে পছন্দ করে। যেহেতু উৎসবটি একেবারে দেশীয় সংস্কৃতির তাই মেয়েদের জন্য শাড়ি, আর ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবীটাই বেশি মানানসই।

বৈশাখী মানানসই শাড়ি দেখতে ক্লিক করুন

মেকআপ

নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে মেকআপ করাটা জরুরী। তবে সেটা হওয়া উচিত হাল্কা বেইজের। কারণ দীর্ঘ সময় গরমে বাইরে থাকতে হয় এই দিনে। প্রধান করণীয়গুলোর মধ্যে হলো পরিচ্ছন্ন থাকা এবং উৎসবের কয়েকদিন আগে থেকে ত্বকের যত্ন নিয়ে রাখা।

মেকআপ করার আগে মুখে বরফ টুকরা ঘষে নিন এতে মেকআপ ত্বকের ভেতরে যাবেনা আর ঘাম কম হবে। হাল্কা ফেস পাউডার ব্যবহার করুন। চোখ গাড় করে সাজান।গাড় লিপস্টিক ব্যবহার করুন।ব্যাস সাধারণ তবে আকর্ষণীয় লুকে হয়ে যাবে বৈশাখের সাজ।

গয়না

শাড়ির সঙ্গে গয়না না হলে কি চলে? সেক্ষেত্রে মাটির গয়না বেছে নেয়া ভালো। মাটির মালা হতে হবে লম্বা। আবার কাঠ, রূপা, মুক্তা বা তামার মালা পরতে পারেন।ভারি গয়না পরতে না চাইলে ফুলের মালা বেছে নিন।

বৈশাখী গহনা

চুড়ি

বাঙালি নারীর হাত ভর্তি চুড়ি তো থাকতেই হবে! গয়না না পরলেও দুহাত ভর্তি চুড়ি সাজ পূর্ণ করে দেয়। শাড়ির পাড়ের সঙ্গে মিলিয়ে রেশমি চুড়ি পরতে পারেন। মাটির বা কাঠের চুড়িও কিন্তু বেশ মানিয়ে যায়।পোশাকের রঙের প্রাধান্য যেটাই থাকুক না কেন, হাতে থাকা চাই রেশমি চুড়ি।

বৈশাখী চুড়ি

চুলের সাজ

এই দিনটিতে চুল কেমন করে বাঁধবেন তা নিয়েই অনেকে চিন্তায় থাকেন।গরম কাল তাই অনেকে চুল ছাড়া রাখতে বিব্রত বোধ করেন,তারা চুল বেণী বা খোঁপা করে রাখতে পারেন। আবার খোঁপা অনেকে নিজে করতে পারেন না। পার্লারে গিয়ে করাতাও কঠিন, কারণ উৎসবের দিনে জায়গা পাওয়া যায়না। তাই নিজে কিছু করতে না পারলে বৈশাখের আগে কয়েক দিন খোঁপা করা শিখে নিতে পারেন।

বেশি বড় খোঁপা করলে মাথা ভারি হয়ে যায়, বেশি সময় থাকাও যায় না।তাই খোঁপাতে একটি ফুল গুঁজে নিলে দেখতে ভালো লাগে। যাদের চুল ছোট তারা ভালো করে আঁচড়ে ক্লিপ লাগিয়ে নিন। যারা চুল ছেড়ে রাখতে চান তারা একপাশে চুল নিয়ে অন্য পাশে একটি ফুল আটকিয়ে নিন। এতে মাথা হাল্কাও থাকবে আবার বৈশাখের আমেজটাও থাকবে। ফুল আটকাতে না চাইলে পরে নিবেন ফুলের মুকুট।

তবে যেহেতু বাঙালির উৎসব তাই ফুল থাকতেই হবে। উৎসবের আগে তেল মাসাজ করে শ্যাম্পু করে নিন। কারণ চুলের যত্নটাও জরুরী। কোনো প্যাক ব্যবহার করতে পারেন এতে রোদে চুলের বেশি ক্ষতি হবেনা।

টিপ

বৈশাখে লাল টিপটাই মানায় বেশি। আবার শাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে টিপ পরতে পারেন। তবে যেকোনো রঙের শাড়ির সঙ্গেই কিন্তু লাল টিপ মানিয়ে যায়।

ব্যাগ ও জুতা ও অন্যান্য

শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করে ব্যাগ নির্বাচন করুন। কালো আর লাল কালার ব্যাগ মানিয়ে যায় সব রঙের শাড়ির সঙ্গে। মাঝারি সাইজের ব্যাগ ব্যবহার করুন। গরমকালের জন্য টুকটাক প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যাগে রাখবেন; ছোটপানির বোতল, হাল্কা মেকআপ, রুমাল এইসব।তবে ব্যাগ যেন বেশি ভারি না হয়।

জুতা অনেকেই হিল পরে হাঁটতে পারেন না, আর এই উৎসবে হাঁটতে তো হয়ই। তাই স্লিপার পরাই ভালো।

সারা বছরে এই পহেলা বৈশাখ একবারই পাওয়া যায়, এজন্য এর পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া দরকার। তাই দু’দিন আগে থেকেই গুছিয়ে রাখুন আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু। সেই সাথে প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো এখনো কিনতে বাঁকি থাকলে ঝটপট এখানে ক্লিক করে কিনে ফেলুন। 

*বৈশাখীসাজ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পহেলা বৈশাখের আর মাত্র কয়েকদিন বাঁকি। এই দিনটিকে ঘিরে উৎসাহ উদ্দীপনার কোন কমতি নেই। কিভাবে নববর্ষের এই সময়টাতে প্রিয় মানুষটির কাছে আরও বেশি প্রিয় হয়ে ওঠা যায়, কিভাবে নিজেকে আরও একটু ফ্যাশনবেল করা যায় তাই নিয়ে তরুণ-তরুণীদের জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। তবে যে যাই বলুক এই দিনটাতে পোশাকে একটু ভিন্নতা থাকতেই হবে। তাই এই বৈশাখে প্রিয় মানুষটির কাছে আরও প্রিয় হয়ে উঠতে পরুন নিচের ড্রেস গুলো। 



বৈশাখী টি-শার্ট

টি-শার্টেই যদি ভালো বাসার বহিপ্রকাশ ঘটে তাহলে দোষ কোথায়? পহেলা বৈশাখে এই রকম ঐতিহ্যবাহী টি-শার্ট যদি আপনার পরণে থাকে তাহলে প্রেমিকের আর বুঝে নিতে দেরি থাকবেনা যে আপনি তার জন্য এই টি-শার্টটি পরেছেন। তাই আর দেরী না করে আজই কিনে নিন আকর্ষণীয় বৈশাখী টি-শার্ট।

টি-শার্ট কিনতে খানে ক্লিক করুন

 

 

যুগলবন্দী পোশাক

বৈশাখী মেলায় বের হবার সময় আপনাদের ড্রেসটি যদি একই রকম হয় তাহলে কেমন মজা হবে বলুন তো। যে কেউ ধরেই নেবে আপনার একজন আরেক জনকে অনেক ভালোবাসেন। আর আপনাদের মধ্যে ভালোবাসা অধিক বেড়ে যাবে। তাছাড়াও বৈশাখে যুগলবন্দী পোশাকে আপনাদের বেশ স্টাইলিশ দেখাবে। ফ্যাশনে যুক্ত হবে নতুন মাত্র। তাহলে আর দেরী না করে আজকের ডিল থেকে কম্বো অফারে কিনে নিন বৈশাখী যুগলবন্দী পোশাক।

বৈশাখী যুগলবন্দী পোশাক কিনতে ক্লিক করুন


ফ্যাশনেবল কূর্তি

কূর্তি পরলে নাকি ফূর্তির শেষ থাকে না। তাই প্রিয় মানুষটিকে আনন্দ ফূর্তিতে ভরিয়ে দিতে বেছে নিতে পারেন কূর্তি। কূর্তি আমাদের দেশে বর্তমানে অধিক জনপ্রিয় পোশাক। বিশেষ করে তরুণীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে এটি। এই পোশাকটি বেশ ঢিলেঢালা এবং আরামদায়ক। এই পোশাকটি আপনাকে এতটাই ফ্যাশনেবল করে তোলতে সক্ষম যা দেখেই আপনার মনের মানুষটি আপনাকে আরও কাছে টেনে নেবে।

কূর্তি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

 
থ্রী পিস

ব্লক প্রিন্টেড আনস্টিচড থ্রী পিস বৈশাখে হতে পারে আপনার সেরা পরিধেয়। স্টাইলিশ এই থ্রী পিস গুলো আপনার আউটলুক দিগুণ করে তোলবে। প্রিয় মানুষটির পাশাপাশি একসাথে ঘুরে বেড়াতে ফ্যাশনেবল স্টাইলিশ থ্রী পিস কিনে নিতে পারেন। এটি প্রিয় মানুষটির কাছে আপনাকে আরও প্রিয় করে তুলবে।

থ্রী পিস কিনতে এখানে ক্লিক করুন


বৈশাখী শাড়ি

বাঙালি ললনাদের নাকি শাড়িতে বেশি মানায়। কাথায় বলে, শাড়িতে অনন্যা বাঙালি ললনা। তাই পহেলা বৈশাখে সত্যিকারের ললনা হয়ে উঠতে আকর্ষণীয় বৈশাখী শাড়ি পরুন। বিশেষ করে যারা একেবারেই শাড়ি পরেন না তারা এই বৈশাখে বাঙালিয়ানা শাড়ি পরে ভালোবাসার মানুষটিকে চমকে দিতে পারেন। তবে শাড়ি পরার সময় অবশ্যই মাচিং করে ব্লাউজ পরবেন।

বৈশাখী শাড়ি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 

বৈশাখী পাঞ্জাবি

এই বৈশাখে ছেলেদের জন্য  সবচেয়ে আকর্ষণীয় পোশাক হচ্ছে পাঞ্জাবি। আকর্ষনীয় ডিজাইনের সব নান্দনিক পাঞ্জাবি আপনি হয়ে উঠতে পারেন আরও স্টাইলিশ। যেহেতু নববর্ষে নতুন পোশাকের দিকে একটা ঝোঁক সবারই থাকে সেজন্য আপুরা ভাইয়াদের উপহার হিসেবেও পাঞ্জাবি দিতে পারেন।  বর্তমান বাজারে ভাল মানের অনেক বৈশাখী পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে পছন্দ অনুযায়ী সেরাটি কিনে নিন।  আর এই বৈশাখে প্রিয় মানুষের কাছে হয়ে উঠুন আরও  প্রিয়। 

বৈশাখী পাঞ্জাবি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

বিঃ দ্রঃ- বৈশাখের সবধরনের আকর্ষণীয় কালেকশন আপনি এখন ঘরে বসে কিনতে পারবেন। ঘরে বসে বৈশাখী কেনাকাটা করতে এখানে ক্লিক করুন। 

*বৈশাখীসাজ* *বৈশাখীফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখ শুরুর আগেই চৈত্র মাসের কাঠফাঁটা রোদে সবারই নাজেহাল অবস্থা। কখনো ঘামে ভেজা কখনো আবার হঠাৎ বৃষ্টিতে ভোগান্তি। এই অবস্থাতে ভিড় ঠেলে মার্কেটে গিয়ে শপিং করার ধৈর্য্য কাররই নেই।  কিন্তু তাই বলে কি বৈশাখী সাজ-পোশাক কেনা হবে না? অবশ্যই হবে-কারণ আপনাদের মত ব্যস্ত মানুষদের জন্য ঘরে বসে কেনাকাটার সুযোগ করে দিয়েছে দেশের ই-কমার্স সাইটগুলো।
 
ঘরে বসে কয়েক ক্লিকেই সাইটগুলো থেকে নিজেদের পছন্দমত বৈশাখী পোশাক বা গহনা কিনতে পারবেন। বন্ধুরা চলুন দেখে নেই দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলে বৈশাখী সাজ পোশাকের কি কি সমাহার রয়েছে। 
 
আজকের ডিলের বৈশাখী হাটঃ
বৈশাখের লাল-সাদা শাড়ি, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি, সালোওয়ার-কামিজ, চুড়ি, নেকলেস, ব্রেসলেট পাওয়া যাচ্ছে। শাড়ির মধ্যে রয়েছে- কোটা শাড়ি, কোটা সিল্ক শাড়ি, হ্যান্ড প্রিন্টেড কোটা কটন শাড়ি, হ্যান্ড প্রিন্টেড শাড়ি, পিওর শিফন শাড়ি, ৩ শেড পিওর কটন শাড়ি, মসলিন সিল্ক এমব্রয়ডারি শাড়ি। প্রকার ভেদে শাড়িগুলোর দাম ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা মধ্যে।
 
 
এছাড়া ৪০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বৈশাখী সালোয়ার-কামিজ। এগুলোর মধ্যে আনস্টিচড কটন থ্রি পিস, সেমিস্টিচড লং থ্রি পিস, ব্লক প্রিন্টেড আনস্টিচড থ্রি-পিস, মাল্টি কালার লেডি কুর্তি উল্লেযোগ্য।
 
ছেলেদের পাঞ্জাবির মধ্যে রয়েছে- লাল-সাদা বৈশাখী কটন পাঞ্জাবী, জেন্টস কোটা কটন পাঞ্জাবী, জামদানী সিল্ক পাঞ্জাবী। পাঞ্জাবীগুলোর দাম ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা। ছেলেদের লুঙ্গির দাম সাড়ে ৪শ’ থেকে ৮০০ টাকা।
 
এছাড়াও ১৮০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে উড কাঁচের চুড়ি, নেকলেস সেট, বৈশাখী পার্ল নেকলেস, ফ্লাওয়ার ডিজাইন নেকলেস, হ্যান্ডমেড বৈশাখী নেকলেস, বৈশাখী লেইস চুড়ি পাওয়া যাচ্ছে।
 
বৈশাখী পোশাকের পাশাপাশি বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী পণ্য আর খাবার বিক্রি করছে ই-কমার্স সাইটগুলো। এই বৈশাখে আজকের ডিলে পাওয়া যাচ্ছে পদ্মার ইলিশ, বগুড়ার দই, টাঙ্গাইলের চমচম, মুড়ি মুরকী, মতিচুরের লাড্ডু, বাতাসা ইত্যাদি। এছাড়াও মিলছে হরেকরকম হালখাতার মিষ্টি।
 
অর্ডারের জন্য আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে লগ ইন করে ক্রেডিট, ডেবিট কার্ড অথবা বিকাশ দিয়ে কেনাকাটা করতে পারেন। আজকের ডিল ক্যাশ অন ডেলিভারি অর্থাৎ পণ্য হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধের সুযোগ দিচ্ছে। অনেকে আবার পোশাকের সঙ্গে চুড়ি ফ্রি দিচ্ছে। বিকাশ দিয়ে আজকেরডিলের যে কোন কেনাকাটায় মিলছে ২০ শতাংশ বৈশাখী ক্যাশব্যাক। তাহলে আর দেরী কেন! আজই আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে বৈশাখী পণ্যের অর্ডার করুন আর ডেলিভারী নিন ঝড়ের গতিতে।
 
বৈশাখী পণ্য অনলাইনে কিনতে  এখানে ক্লিক করুন
*বৈশাখীআয়োজন* *বৈশাখীসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখ মানেই অন্যরকম আনন্দ আর ভিন্ন রকম সাজগোজ। নববর্ষের শুরু এই সময়টাতে সাজে-পোশাকের পাশাপাশি গহনাতেও পরিপূর্ণ বাঙালিয়ানা না থাকলে কেমন জানি বেমানান দেখায়। আর তাই বৈশাখের গয়নার ধরণও যে বাঙালিয়ানায়ও পরিপূর্ণ হবে তা আর বলে দিতে হয় না। বৈশাখের শাড়ি, কিংবা কামিজের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য পাবেন নানারকমের গয়না। চলুন বৈশাখের নান্দনিক কিছু গহনা সম্পর্কে জেনে নেই। 
 
কাঠের গহনা
কাঠের দুল ও মালা এক সময় পছন্দের তালিকায় না থাকলেও ধীরে ধীরে এর চাহিদা বাড়ছে। উঠে আসছে অনেকের পছন্দের তালিকায়। এ ছাড়া নানা বৈচিত্রময় ডিজাইনের কারণে এটি হয়ে উঠেছে সব ধরণের পোশাকের সঙ্গে ব্যবহার উপযোগী। বাজারে কাঠের চুড়ি পাওয়া যাবে ৮০-২৫০ টাকায় আর কাঠের মালার দাম পড়বে ২০০-৫০০ টাকা।
কাঠের গহনা কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
পুতির গহনা
বাজারে নানা আকারের পুতির গয়না পাওয়া। লম্বা, খাটো, দুই বা তিন ধাপের ইত্যাদি। এ ছাড়া প্রায় প্রতিটা পুতির মালাতেই থাকে অনেক রঙের পুতির ব্যবহার। এই বৈশাখে পুতির মালা পরলে আপনাকে বেশ মানিয়ে যাবে। তবে সেটি অবশ্যই পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে পরবেন। বাজারে পুতির দুলের দাম ২০০-৪০০ টাকা। আর মালার দাম ৩০০-১০০০ টাকা।
বৈশাখী আর্টিফিশিয়াল পার্ল নেকলেস সেট কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
মাটির গয়না
বৈশাখে পরার ক্ষেত্রে মাটির গয়না ধীরে ধীরে উঠে এসেছে তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে। বৈশাখৈ বাঙালিয়ানা ফুটিয়ে তুলতে মাটির গহনার বিকল্প নেই। তাই বৈশাখ উপলক্ষ্যে মাটির দুল ও মালায় রয়েছে রঙের বৈচিত্র্য। মাটির দুলের দাম ৭০-৩০০ টাকা আর মালাসহ দুলের দাম ১৫০-৩০০ টাকার মধ্যে।
মাটির গহনা কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
পিতল ও অক্সিডাইজড
পিতল ও অক্সিডাইজডের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই এবার বৈশাখে ফ্যাশন হাউজগুলো এদের ওপর দিয়েছে আলাদা গুরুত্ব। পিতলের বালা, কানের দুল আর অক্সিডাইজড কানের দুলে রয়েছে বৈচিত্রের বাহার। পিতলের বালার দাম পড়বে ১৫০-৪০০ টাকা, কানের দুল ১৫০-৮০০ টাকা। আর অক্সিডাইজড কানের দুল পাবেন ১০০-৩০০ টাকার মধ্যে।
 
কড়ি, ব্রাসো ও বাঁশ
কড়ি, ব্রাসো আর বাঁশের গয়নায় এবার আনা হয়েছে আরও নতুনত্ব। ব্রাসো, বিডসের মালা ও খোঁপার কাঁটা, দুল বা গহনার সেট ১৫০-৫০০ টাকা, বাঁশের মালা ১৫০-৩০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া কড়ি ও মাদুলি পাবেন ১৮০-১৫০০ টাকার মধ্যে।
গহনাটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
শেল ও পার্ল
শেল ও পার্লের গয়না যদিও প্রায়ই ব্যবহার করা হয় কিন্তু এদের মধ্যে বেছে নিতে পারেন আলাদা ডিজাইন ও রঙের মালা এবং দুল। দুলের দাম পড়বে ১৫০-৩০০ টাকা। আর মালার দাম ২০০-৫০০ টাকা। এ ক্ষেত্রে মানের ওপর দাম কম বেশি হয়ে থাকে।
গহনাটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
কোথায় পাবেন
মাটি, কড়ি, বাঁশ, শেল, পার্ল, কাঠ ও পুতির গয়না পাওয়া যাচ্ছে শিশু একাডেমীর সামনে, চারুকলার বাইরে, শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে, নিউমার্কেটে ও ইডেন কলেজের সামনে। এ ছাড়াও যারা ঘরে বসে আকর্ষণীয় ডিজাইনের বাঙালিয়ানা গহণা কিনতে চান তারা ঘুরে আসতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইট থেকে। তাদের কালেকশনে অসংখ্য গহনার সমাহার রয়েছে আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন। বিস্তারিত জানতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন
*গহনা* *বৈশাখীসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রকৃতিতে নব আনন্দের সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। আর মাত্র ক’দিন পরেই প্রকৃতিকে নতুন করে সাজাতে বাংলা নববর্ষের প্রথম মাস বৈশাখের আগমন ঘটবে। বৈশাখ মানেই ভিন্নরকম সাজে নিজেকে একটু বদলে নেওয়া। বৈশাখী হাওয়ার রঙ্গিণ সাজে নিজেকে মানিয়ে না নিলে বৈশাখের নব রঙ আপনাকে ফাঁকি দেবে এটাই স্বাভাবিক। তাই আসছে বৈশাখে স্টাইলিশ ফ্যাশনের ছোঁয়ায় নিজেকে সাজিয়ে নিন নতুন করে। কি কি রাখবেন বৈশাখী সাজে চলুন জেনে নেই।
 
নারীদের বৈশাখী শাড়ি
মাত্র ক’দিন বাদেই নেচে গেয়ে বৈশাখ বরণ করতে বেরিয়ে পড়বে সবাই। নানান রংয়ের বাঙালিয়ানা শাড়ি পরে ললনারা ডাক দেবে মেলায় যাওয়ার। সে দিনের সাজটা কেমন হবে আপনার? এই সময়টাতে প্রকৃতির রং আর  ঐতিহ্যের ছোঁয়া তো থাকবেই। তাই বৈশাখে বাঙ্গালিয়ানা ঐতিহ্য,  নতুন ফুল, পাতার রংগুলো তুলে আনুন পোশাকে। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া যা-ই পরা হোক, তাতে বৈশাখী ছোঁয়া থাকা চাই। সাদা, কমলা, হলুদ,  লাল, সবুজ, রানিং রং এগুলোই তো থাকবে শাড়িতে। শাড়িতে থাকতে পারে ব্লক ও জরির কাজ। ব্লাউজের কাটে ভিন্নতা আনতে পারেন ম্যাগি বা ঘটি হাতা দিয়ে। 
ললনাদের বৈশাখী শাড়ির কালেকশন দেখতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 
 
বৈখাখী ফ্যাশনে গয়না
হালকা সাজ পোশাকের সঙ্গে গয়নাও হালকা হওয়া চাই। সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে মাটি, কাঠ বা মেটালের দুল পরুন। গলায় পাতলা নেকলেস পরে নিতে পারেন। হাতে চুড়ি পরতে পারেন। এখানেও বেছে নিন কাঠ, মাটি, মেটাল বা কাঁচের রেশমি চুড়ি। শাড়ি পরলে কানের দুলের সঙ্গে গলায় লম্বা পুঁতির মালা পরুন। সঙ্গে হাতভর্তি চুড়ি। সাজের পূর্ণতা আনতে ব্যবহার করুন হালকা সুগন্ধি।
বৈশাখী সাজের গয়না কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
ছেলেদের বৈশাখী ফ্যাশন
বর্ষ বরণে শুধু মেয়েরাই শাড়ি আর গহনায় নিজেকে সাজাবে তা কি হয়? ছেলেরাও বৈশাখে নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন বাঙালিয়ানা সাজে।  বৈশাখী পাঞ্জাবি পরেই বেরিয়ে পড়তে পারেন এই দিন। প্রকৃতির যেকোনো উজ্জ্বল রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে সাদা,কমলা, হলুদ, লাল, সবুজ, হলুদ পাঞ্জাবি পরতে পারেন। এদিন ঐতিহ্যবাহী রঙের পোলোশার্ট ও টিশার্টেও বেশ মানাবে। সঙ্গে চোজ-পায়জামা। পাঞ্জাবি পরতে না চাইলে উজ্জ্বল রংয়ের শার্টও পরতে পারেন। সেক্ষেত্রে জিন্স-প্যান্ট বেশ মানিয়ে যাবে।
ছেলেদের বৈশাখী ফ্যাশনে মন মাতানো পোশাক কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 
 
এই বৈশাখে আপনাকে নতুন করে সাজাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল নিয়ে এসেছে নানা রকম আয়োজন। তাদের বৈশাখী সব আয়োজন দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 
*বৈশাখীসাজ* *বৈশাখীফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেশ সেরা অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল দিচ্ছে দুর্দান্ত সব অফার। অফারের আওতায় থাকছে বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে বাহারি বৈশাখী শাড়ির সাথে চুড়ি ফ্রি অফার । আজকের ডিলের এই অফারে আপনি আপনার বৈশাখকে রাঙিয়ে নিতে নানা রকমের বাঙালিয়ানা শাড়ির সাথে পাবেন আকর্ষণীয় সব চুড়ি একদম ফ্রি। সেই সাথে শাড়িতেও থাকছে ৫০% ক্যাশব্যাক অফার। পহেলা এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ অফার চলবে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।
 
হ্যান্ড প্রিন্টেড শাড়ির সাথে ম্যাচিং চুড়ি
হ্যান্ড প্রিন্টের কাজ করা বৈশাখী এই ফ্যাশনেবল ডিজাইনের শাড়িটির সাথে আজকের ডিল দিচ্ছে ম্যাচিং করা চুড়ি একদম ফ্রি! অফারে আজকের ডিল থেকে শাড়িটিও কিনতে পারবেন মাত্র ৭৫০টাকায়। যেসব রমনীরা স্টাইলিশ ফ্যাশনে বিশ্বাসী তাদের জন্য এই শাড়িটি বেশ মানানসই হবে। শাড়িটিতে লেস বসানো পাড় রয়েছে। প্রিয়জনের জন্য অনন্য উপহার হিসেবেও দিতে পারেন  এই শাড়িটি সাথে চুড়িও। 
অনলাইনে শাড়িটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
টাঙ্গাইল কটন শাড়ি সাথে বৈশাখী চুড়ি
দেশীয় শাড়ির জগতে টাঙ্গাইলের শাড়ি অন্যতম একটি নাম। ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের আকর্ষণীয় কালারফুল টাঙ্গাইল কটন শাড়ির সাথে প্রিয় শপিং সাইট আজকের ডিল বৈশাখ উপলক্ষ্যে ম্যাচিং করা চুড়ি একদম ফ্রি দিচ্ছে। আকর্ষণীয় ডিজাইন আর নজরকাড়া সৌন্দর্য্যমণ্ডিত এই শাড়িটি কিনতে পারবেন ৯৯৯ টাকায়। চূড়ি আর শাড়িতে আপনার বৈশাখকে রাঙিয়ে দিতে আজই এই শাড়িটি কিনে নিতে পারেন। এই বৈশাখে প্রিয়জনের জন্য অনন্য উপহার হিসেবেও দিতে পারেন  এই শাড়িটি। 
অনলাইনে শাড়িটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
মাল্টিকালার সিল্ক শাড়ি সাথে চুড়ি ফ্রি
একে তো শাড়িতে নানটি নাইন তারপরে আবার চুড়ি ফ্রি। সোনায় সোহাগা ব্যাপার। আজকের ডিল থেকে বৈশাখে সর্বাধিক বিক্রিত সিল্ক শাড়িটির সাথেও চুড়ির অফার রয়েছে। বাহারি ডিজাইনের ফ্যাশনেবল এই শাড়িটি বৈশাখী উৎসবে আপনাকে আরও স্টাইলিশ ও সুন্দরী করে তুলবে সাথে চুড়ি পরে হয়ে উঠবেন আরো মহোনীয়। নববর্ষে নিজেকে নতুন করে সাজাতে শাড়িটির বিকল্প নেই। যেকোনো উৎসবে মানানসই এই শাড়িটি পরতেও খুব আরামদায়ক। বৈশাখের গরমে আয়েশ করে পরতে পারবেন শাড়িটি। 
অনলাইনে শাড়িটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
পিওর কটন শাড়ি সাথে চুড়ি ফ্রি
রঙে ঢঙে বৈশাখী এই উৎসবকে সাজিয়ে নিতে এই শাড়িটি হতে পারে আপনার বৈশাখের একান্ত অনুসঙ্গী। আর শাড়ির সাথে ফ্রি পাওয়া চুড়িটি হতে পারে রিনিক ঝিনিক সাজের স্টাইলিশ উৎস। কটন ফ্রেবিকের এই শাড়িটিতে প্রিন্টের কাজ করা রয়েছে। এই শাড়িটি কিনলে এর সাথে ম্যাচিং আনস্টিচড ব্লাউজ পিসও  পেয়ে যাবেন একদম ফ্রি। 
দারুন স্টাইলিশ ও আরামদায়ক এই শাড়িটি বিকাশ পেমেন্টে করে ৫০% ক্যাশব্যাকে কিনে নিতে পারবেন। 
অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
বৈশাখের মাথা খারাপ করা অফারে সব ধরনের অনুসঙ্গ কিনতে ঘুরে আসুন আজকের ডিলে বৈশাখী আয়োজন থেকে। 
*বৈশাখীসাজ* *বৈশাখীঅফার* *স্মার্টশপিং*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দরজায় কড়া নাড়ছে নববর্ষ। পহেলা বৈশাখে নিজেকে নতুন করে সাজিয়ে তুলতে নতুন পোশাক, গহনা, ঘর সাজানো- সবকিছু নিয়ে ব্যস্ত সবাই। নিয়মিত ত্বকের যত্ন যদি এখন থেকেই শুরু না করেন তবে কিন্তু পহেলা বৈশাখের পুরো আনন্দটাই মাটি হয়ে যাবে। তাই নিজের দিকে দৃষ্টি দিন এখনই। যেন পহেলা বৈশাখের সারাদিন আপনাকে দেখায় উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত।

সপ্তাহে দু’দিন ভালো কোনো ফেস ও বডি স্ক্র্যাবার দিয়ে মুখ ও শরীর স্ক্র্যাব করে নিন। এতে শরীরের মরা চামড়া উঠে ত্বক হয়ে উঠবে সজীব, সতেজ।

বাইরে থেকে ফিরে ভালো ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে মুখ ধুয়ে টোনার লাগিয়ে নিন। এরপর সারা মুখে মশ্চারাইজার লাগান। মনে রাখবেন ত্বকের যত্নে ক্লিনজিং, টোনিং, মশ্চারাইজিং খুবই কার্যকরী।

সপ্তাহে চারদিন উপটানের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে সারা শরীরে মাখুন। ১০ মিনিট রেখে নরম কাপড় দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন। এরপর গোসল করে ফেলুন। দেখবেন এতে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠছে।

রোদে পোড়া ত্বকের দাগ তুলতে পাকা পেঁপে, ডাবের পানি খুবই কার্যকর। এছাড়া এসব সমস্যায় টমেটোও খুব ভালো কাজ দেয়।

ত্বক ভালো রাখতে তাজা শাক-সবজি, ফলমূলের কোনো বিকল্প নেই। সেই সঙ্গে প্রচুর পানি পান করতে হবে। এসব খাবার শরীরের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়।
কনটেন্ট সহযোগিতা: জাগো নিউজ
*ত্বকেরযত্ন* *বৈশাখীসাজ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখ আসতে আর মাত্র ১৪ দিন বাঁকি। তাইতো সবার মাঝেই বৈশাখী সাজ সাজ ভাব। কেউ শাড়ি, কেউবা ফতুয়া, কেউবা আবার সালোয়ার কামিজে নিজেকে সাজিয়ে নেবার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। বর্তমান ফ্যাশনে লং হোক কিংবা শর্ট, মেয়েদের সালোয়ার-কামিজের আবেদন এতটুকু কমেনি।যেকোনো উৎসব-পার্বণে সব বয়সী মেয়েদের পছন্দের পোশাক সালোয়ার-কামিজ। ঝামেলাবিহীন স্বস্তির পোশাক হিসেবে সালোয়ার-কামিজকেই বেছে নেন তাঁরা।  বরাবরই এর কাটিংয়ে থাকে ভিন্নতা এবং প্যাটার্নে আসে নতুনত্ব। এই বৈশাখেও সালোয়ার কামিজে এসছে নতুনত্ব। বৈশাখের সাজে যারা নতুন কিছু খুঁজছেন তারা কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করুন। 
 
বাহারি সালোয়ার কামিজঃ
শাড়িতে সুন্দর নারী আর সালোয়ার কামিজে সতেজ ও মোহনীয় দেখায় তরুণীদের। তবে সালোয়ার কামিজের কাটিং ও ঢঙে অনেকটা বৈচিত্র্য এসেছে আর দারদামও এসেছে নাগালের মধ্যে । বিগত কয়েক বছর ধরেই এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবারের বৈশাখেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। গরম আবহাওয়া বিবেচনা করে এবার সালোয়ার কামিজে প্রাধান্য পেয়েছে সুতি কাপড়। বৈশাখ উপলক্ষ্যে দেশের ফ্যাশন হাউসগুলো নতুন নতুন ডিজাইনের সালোয়ার কামিজের পসরা সাজিয়ে তুলেছে। এবার নামিদামি বিদেশি ব্র্যান্ডের বাইরে দেশীয় পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের ঝোঁকটা একটু বেশিই। এর কারণ ভালো মান আর ডিজাইনে বাহারি ঢং। আর ক্রেতাদের চাহিদামতো দোকানিরাও সাজিয়ে বসেছেন তাদের উৎসবের পোশাক।
সালোয়ার কামিজটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
চল যেটাই থাকুক না কেন, উৎসবে চাই একটু ভিন্নতা। একটু নতুনত্ব। তাই এবার লং, শর্ট সালোয়ার-কামিজের পাশাপাশি ফ্রক স্টাইলের সালোয়ার-কামিজের চাহিদা বেশি। কেউ লং ফ্রক কিনছে, কেউ বা শর্ট ফ্রক পছন্দ করছে। ঘেরওয়ালা ফ্রকের চাহিদাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকে আবার কামিজের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন নানা ডিজাইনের কটি। রংচঙা এই কটিগুলো মানিয়েও যাচ্ছে বেশ। কোনোটা উঁচু গলার,কোনোটা আবার বোতাম স্টাইল, কটিতে বাহারি রঙের ফিতার চলটাও একেবারে এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। পাইপিনের চলটা আবারও ঘুরেফিরে চোখে পড়ছে। যদিও বেলবেটের রিবন এবারও পছন্দের শীর্ষে। তার ওপর কারচুপি কাজ পোশাকে বাড়তি মাত্রা যোগ করছে। আর সালোয়ারেও চলছে পালাবদল। পালোজ্জা পছন্দের জায়গাটি ধরে রেখেছে ঠিকই। তবে চুড়িদারও কামিজের সঙ্গে নজর কাড়ছে বেশ।
প্রোডাক্টটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
যেহেতু গরম তাই সুতিকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। তবে সিল্ক, অ্যান্ডি কটন, হাফসিল্কও পিছিয়ে নেই। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে ফ্লোরাল প্রিন্টের জর্জেট। কারণ বৃষ্টিতে জর্জেটের আবেদন সব সময়ই থাকে। রংটাও বেছে নিচ্ছে সবাই গরমোপযোগী। হলুদ, আকাশি, হালকা সবুজ, মেরুন, সাদা, গোলাপি আর ফিরোজা। গরমের সময় এ ধরনের রং অনেকটা স্বস্তি দেয়।
সালোয়ার কামিজটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
 
কোথায় পাবেন ভালো মানের সালোয়ার কামিজঃ
দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস গুলোতেই সালোয়ার-কামিজ কিনতে পারবেন। সবধরনের সালোয়ার কামিজ কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন নিউমার্কেট, গাউছিয়ায়। এই মার্কেটগুলোতে দামদর করে পছন্দমত সালোয়ার-কামিজ কিনে নিতে পারবেন। তাছাড়া এই বৈশাখে আকর্ষনীয় ও বাহারি ডিজাইনের স্টাইলিশ ও গর্জিয়াস সালোয়ার কামিজ কিনতে চাইলে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের উপর। আজকের ডিলে রয়েছে বাহারি সব সালোয়ার কামিজের সমহার।
 
বৈশাখে প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে সালোয়ার কামিজ দিতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন
*সালোয়ার-কামিজ* *বৈশাখীসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রকৃতিতে বৈশাখী বাতাস বইতে শুরু করেছে। বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে প্রকৃতির সাথে মিল রেখে আপনি আপনার ঘরের দেয়ালটিও সাজিয়ে নিতে পারেন। তাছাড়া ঘরের দেয়ালটি ফাঁকা পড়ে থাকলে কেমন জানি বেমানান দেখায়। কিন্তু দেয়ালে যদি বৈশাখের নান্দনিকতার রং লাগানো যেত তাহলে দেয়াল হয়ে উঠত আকর্ষণীয় আর ঘরের সৌন্দর্য্যও বৃদ্ধি পেত। এজন্য ঘরের দেয়ালে জুড়ে দিতে পারেন না রঙের স্টিকার। সেটা হতে পারে রংধনু, বিভিন্ন রঙের প্রজাপতি, গাছপাখি,রূপকথার বিভিন্ন চরিত্রের স্টিকার, তারা, বিভিন্ন গ্রহের স্টিকার ইত্যাদি। চলুন আপনার খালি ঘরকে বৈশাখী স্টিকারে সাজিয়ে তুলি নিচের স্টিকার গুলো দিয়ে। 
কন্টেনটির স্টিকারের ছবিতে ক্লিক করে আপনি বিস্তারিত জানাতে পারবেন।
 
রঙ নির্ধারণ
স্টিকারের যেকোনো রঙ বা সজ্জা নির্ধারণের আগে যে ঘরটি সাজাবেন তার সম্পূর্ণ থিম ঠিক করে নিন। এতে করে স্টিকারের রঙ আর সাজ দুটোই আকর্ষণীয়ও হবে। মনে রাখতে হবে ঘরের সব কিছুই যেন একসঙ্গে মানানসই দেখায় এমন কিছু পরিকল্পনা করবেন। এই যেমন ঘড়ি, ফুলদানি, পেইন্টিংস, কুশন এগুলোর সঙ্গে মৌলিক থিমের মিল রাখতে হবে। এই সাধারণ জিনিসগুলোই ঘরকে করে দিতে পারে অসাধারণ। 
(কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে বৈশাখী ওয়াল স্টিকার কিনতে পারবেন)
 
 
ওয়াল স্টিকার লাগানোর নিয়ম কানুন
ওয়াল স্টিকার মূলত ওয়াটার প্রুফ, ওয়াশ প্রুফ দেয়ালের জন্য উপযুক্ত। তাহলে দেয়্লে স্টিকারের পুরো ছাপটা মসৃনভাবে ফুটে ওঠে l ছোট ঘরের একটা দেয়াল কিংবা সিলিংয় সাজাতে পারেন ওয়াল স্টিকার দিয়ে। বড় ঘর হলে পুরোটাজুড়ে কিংবা বিপরীত দেয়ালে। ছোট ঘরে উজ্জ্বল আলো আর সূক্ষ্ম ডিজাইন উপযোগী। এ ক্ষেত্রে শুধু একটিমাত্র দেয়াল ব্যবহার করুন স্টিকার, তাহলে নান্দনিকতা বজায় থাকবে। সিলিংয়ে থ্রিডি পেইন্টিং, আর পুরো ঘরজুড়ে প্লেইন পেইন্ট বা টেকচারের স্টিকার লাগাতে পারেন। ছোটদের ঘরজুড়ে থাকতে পারে রঙিন কার্টুন কিংবা ফুল, পাখি, প্রজাপতি, ড্রয়ং-ডাইনিংয়ে রাস্টিক ফ্লোরাল প্রিন্ট, গাছ ডাল-পালা সহ বা যে কোনো ধরনের প্যাটার্ন ওয়ার্ক ভালো মানায়।
ওয়াল স্টিকারটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
বেডরুম বা যেসব ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে এমন ঘরে স্টিকার ভালো মানায়। দেয়াল ভালো করে ঘষে নিতে হবে l এবার স্কেল দিয়ে হালকা দাগ দিয়ে নিতে হবে দেয়ালের গায়ে একদম স্টিকারের মাপ অনুযায়ী l এবারে স্টিকারে এক পাশ থেকে সামান্য প্লাষ্টিক টেনে খুলে হবে l এবার দু মাথা দুই হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে আস্তে করে দেয়ালে লাগাতে হবে এবং নিচ থেকে প্লাস্টিকের বাইরের সাদা কাগজটি টেনে বের করে, স্টিকারের প্লাস্টিকটি দেয়ালের গেয়ে ঘষে ঘষে খুব ভালো করে এটে দিতে হবে l এবার এক পাশ থেকে আস্তে আস্তে স্টিকারের প্লাষ্টিকটি টেনে তুলতে হবে খুব সাবধানে l ভালোমানের স্টিকার হলে খুব সহজেই দেয়ালে বসে যাবার কথা l সব শেষে পরিষ্কার ন্যাকড়া দিয়ে আর্টটি মুঝে দিতে হবে l এবার আপনি পেয়ে যাবেন আপনার আকর্ষনীয় দেয়ালের সাজ l
ওয়ালস্টিকারটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
কোথায় পাবেন?
আপনার ঘরের দেয়ালকে আকর্ষনীয় করে তুলতে এবং ঘরকে নতুনত্বের ছোঁয়ায় রাঙিয়ে দিতে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বড়বড় সব মার্কেট গুলোতেই ওয়ালস্টিকার পেয়ে যাবেন। যারা ঘরে বসে আকর্ষনীয স্টিকার কিনতে চান তারা দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দমত অর্ডান করুন। আপনার চাহিদা মত দেশের যে কোন প্রান্তে তারা আপনার অর্ডারকৃত পন্যটি পৌঁছে দেবে। 
 
নান্দনিক সব ওয়াল স্টিকারসহ বৈশাখে ঘরসাজানোর সব আয়োজন দেখতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
*গৃহসজ্জা* *বৈশাখীসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখ মানেই তারুণ্যের ফ্যাশন। বৈশাখ মানেই চারপাশটাকে রঙিন করে সাজানো। রঙিনের এই সাজ সজ্জায় চোখে যদি রঙিন চমশা না থাকে তাহলে কি মানায়? অবশ্যই না কারণ সানগ্লাস, আধুনিক ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ। কেবল ফ্যাশনের জন্যই নয়, বৈশাখে রোদে ঘোরাঘুরি সময় আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর অঙ্গ চোখকে সুরক্ষা দিতেও সানগ্লাসের  ‍জুড়ি মেলাভার। 
(কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে চশমা কিনে নিতে পারবেন)
 
 
বৈশাখে সানগ্লাস ফ্যাশন:
চোখে রঙিন চশমা থাকলে নাকি পুরো দুনিয়াটাই রঙিন লাগে। রঙিন দুনিয়া তো খালি চোখেও দেখা যায়। কিন্তু চোখে চশমা না থাকলে ফ্যাশনতো আর রঙিন হয় না। সেজন্যই তারুণ্যের ফ্যাশনে চশমা থাকা চাই-ই-চাই। সামনে যেহেতু নতুন বর্ষ বরণের মহা উৎসব আগত তাই উৎসবে সানগ্লাস না থাকলে ফ্যাশনটাই ফিকে হয়ে যেতে পারে। তাছাড়াও চৈত্রমাসের শেষ ও বৈশাখের শুরুর সময়টাতে প্রচন্ড রোদ থাকে, রোদের হাত থেকে চোখ দু’টিকে বাঁচানোর জন্যে হলেও সানগ্লাস থাকা চাই। 
 
এবারের বৈশাখ মাতাতে বাজারে রয়েছে  লাল, নীল, সবুজ-বাহারি সব রঙ ও আকৃতির সানগ্লাস। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পোশাকের সাথে মিল করে যে যার মত পছন্দের সানগ্লাসটি কিনে নিচ্ছেন। অনেকেই আবার একাধিক সানগ্লাস কিনছেন  এবং যখন যে ড্রেসটা পরবেন তখন সেই কালারের সানগ্লাসটা চোখে লাগিয়ে নিবেন। ছোট, ইয়াং এবং ত্রিশোর্ধ্ব পুরুষ-মহিলারা ছুটছেন কালারফুল সানগ্লাসের দিকে। 
বাহারি সানগ্লাস কিনতে এই লিংকে ক্লিক করুন
 
বৈশাখ উপলক্ষ্যে সানগ্লাগ কেন কিনছেন প্রশ্ন করেছিলাম, জবির আইন বিভাগের ছাত্রী বিভাগের ছাত্রী জাকিয়াকে উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘ বৈশাখ আমার কাছে অন্যতম বড় একটি উৎসব। বৈশাখে সারাটাদিন বন্ধুরা মিলে রোদে ঘুরাঘুরি করব এসময় সানগ্লাস না থাকলে কেমন হয়। তাছাড়া, সানগ্লাস আমার কাছে বাড়তি ফ্যাশন এটা আমার আউট লুক বৃদ্ধি করে, চেহারায় একটা আলাদা ভাব নিয়ে আসে যার কারনে আমি বৈশাখী উৎসব ছাড়াও অন্যসময়  সানগ্লাস পরে বের হই। ক্লাস টাইমের বাইরে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বের হলেই সানগ্লাস ছাড়া ভাল লাগে না।’
সানগ্লাসটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অমিত হাসান বলেন, ‘ সানগ্লাস ব্যবহার আমার কাছে ফ্যাশন ও চোখের সুরক্ষা দুটোই। আমি যখন বাইরে বের হই তখন সানগ্লাস ছাড়া বের হই না। কারণ সানগ্লাস ব্যবহার করলেই আমার ফেসের সুন্দর্য্য বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া আমার সব বন্ধু বান্ধবীরাই সানগ্লাস ব্যবহার করে। আর সামনে যেহেতু বৈশাখ আসছে তাই দুই একটা নতুন সানগ্লাস নিচ্ছি’।
সানগ্লাসটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
কোথায় পাবেন, দাম কেমন:
নানা ব্র্যান্ডের বাহারি সানগ্লাসে ছেয়ে আছে ঢাকার মার্কেটগুলো। বাজারে চীন এবং ভারতের তৈরি সস্তা মানের সানগ্লাস যেমন আছে, তেমনি নামিদামি ভালো ব্রান্ডের সানগ্লাসেরও অভাব নেই। বসুন্ধরা শপিংমল, ইস্টার্ন প্লাজা, নিউমার্কেট সহ দেশের বড়বড় সব মার্কেটেই  রে বান, গুচ্চি, ওকলে, প্যারাডা, আরমানি, পুলিশ, ডিএনজিসহ নানা বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের সানগ্লাস কিনতে পাবেন। ব্র্যান্ড ভেদে দামের বেশ প্রার্থক্য রয়েছে। তবে বাজারে ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা দামের পর্যন্ত সানগ্লাস রয়েছে।  আপনারা যারা সামর্থ্যের মধ্যেই ভালোবাসা আর রঙে রাঙিয়ে তুলতে চান আপনার প্রিয় বৈশাখ তারা দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে বাহারি চশমা কিনে নিতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। অনলাইনে চশমার বাহারি কালেকশন দেখতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 
*চশমা* *সানগ্লাস* *বৈশাখীসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রঙে ঢঙে নতুন বছরকে সাজিয়ে নেওয়ার দিন প্রায় আগত। আর ক’দিন পরেই এসো হে বৈশাখ, এসো এসো—এই গানের মাধ্যমে আমরা পহেলা বৈশাখকে বরণ করে নিব। বরণ করে নিব নতুন বছরকে। এই দিনে  বাঙালি মেতে ওঠে তার প্রাণের উত্সবে। মেলা, হালখাতা এসবের পাশাপাশি আমরা মেতে উঠি অতিথি আপ্যায়নে। আর এই দিনে নিজের ঘরখানিকে একটু ভিন্ন ধাঁচের বাঙালিয়ানায় সাজাতে কে না ভালোবাসে। একটু চেষ্টা করলেই রুচিশীল যে কেউ সাজিয়ে নিতে পারেন নিজের ঘরটিকে আমাদের দেশীয় ঐতিহ্যে, ফুটিয়ে তুলতে পারেন ষোলআনা বাঙালিয়ানা।
 
বৈশাখে যেসব উপকরণ দিয়ে সাজাবেন আপনার ঘর:
বৈশাখ আমাদের প্রাণের উত্সব। এই দিনটিতে শুধু কাপড়-চোপড় নয় বরং আপনার অন্দরমহলকেও সাজিয়ে তুলুন রঙের বর্ণিল ছটায়। যেহেতু এই দিনটিতে অতিথিদের আনাগোনা থাকে তাই ঘরে লাগাতে পারেন নতুন পর্দা। পর্দার নতুন রঙ আপনার ঘরে এনে দেবে নান্দনিকতার ছোঁয়া। সেইসঙ্গে দেশীয় নানা শৌখিন উপকরণ দিয়েও সাজাতে পারেন ঘর। এসব জিনিস দিয়ে ঘর সাজালে তা পাবে উত্সব ও সৃজনশীলতার পরশ। 
ঘর সাজানোর পর্দা কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
আমাদের চিরাচরিত ধারণা, বৈশাখ মানেই লাল আর সাদা। যুগের পরিবর্তনে লাল আর সাদার বাইরেও এখন ব্যবহার করা হচ্ছে কমলা, হলুদ, বাসন্তী, জলপাই, হাল্কা সবুজ, খয়েরি, বাদামি, হাল্কা গোলাপি ইত্যাদি রঙ। ফেব্রিক্সের মাধ্যমে এসব রঙকে আপনি অনায়াসে ফুটিয়ে তুলতে পারেন আপনার ঘরের সোফা, কুশন কভার, পর্দা, বিছানার চাদর, টেবিল ক্লথ, টেবিল রানার ইত্যাদিতেও। চাইলে ব্লক অথবা স্ক্রিন প্রিন্টও করাতে পারেন। যদি পছন্দ করেন কবিতার লাইন তাহলে আপনার পছন্দের কিছু কবিতার পঙক্তিও ফুটিয়ে তুলতে পারেন ঘরের পর্দার কাপড়ে। আর সেইসঙ্গে মানিয়ে তৈরি করে নিন বিছানার চাদর আর কুশন কভার।
ড্রিম লাইটটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
আপনার ঘরের সৌন্দর্য দ্বিগুণ বেড়ে যাবে যদি আপনি বাটিক, টাইডাই, হ্যান্ডপেইন্ট আর নকশীকাঁথার ব্যবহারে সাজাতে পারেন আপনার ঘরের সৌন্দর্য। চিরাচরিত রঙ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন প্রতি বছরের, যেমন এ বছর বেছে নিতে পারেন গাঢ় গোলাপি, সবুজ, হলুদ, কমলা, সাদা, বাদামি, হাল্কা গোলাপি রঙ। আপনি চাইলে এসব রঙেও রাঙাতে পারেন আপনার ঘর। ঘরের বিভিন্ন কর্নারে রাখা যেতে পারে বিভিন্ন আকৃতির মাটির পটারি। বিভিন্ন আকৃতির মাটির পটারিতে নানা ধরনের ইনডোর প্লান্টস এবং ফুল। সিঁড়িঘরকে সাজাতে পারেন ছোট-বড় বেশকিছু পটারি দিয়ে। প্রবেশ পথের মুখে দেয়ালে টাঙিয়ে দিতে পারেন বাঁশ, বেত অথবা কাঠের কারুকাজ করা আয়না। 
নকশীকাঁথাটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
আজকাল বাজারে মাটির তৈরি অনেক সুন্দর শোপিসও পাওয়া যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে সেগুলো দিয়েও সাজাতে পারেন ঘরের দেয়ালগুলো। ঘরের কোণে অথবা সিঁড়িতে মাটির বড় পাত্রে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে তাতে রেখে দিতে পারেন ফ্লোটিং মোমবাতি অথবা প্রদীপ। সন্ধ্যায় অতিথিদের আগমনের সময় জ্বালিয়ে রাখুন রঙবেরঙের মোমবাতি। দেখবেন মোমের আলোয় পাল্টে যাবে আপনার ঘরের পরিবেশ। তবে যেভাবেই সাজান না কেন, আপনি খেয়াল রাখবেন আপনার ঘরের আসবাবপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে যেন ডেকোরেশন করা হয়। আপনার ঘরের আসবাবপত্র যদি হয় বাঁশ, বেত অথবা কাঠের তাহলে শোপিস নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন করুন মাটি, কাঠ, বাঁশ, বেত ইত্যাদি। টেরাকোটার কাজও বেশ মানাবে। এছাড়াও আপনি চাইলে পর্দার পরিবর্তে বাঁশের চিকও ব্যবহার করতে পারেন, আসবে নতুনত্ব। 
বেতের এই শোপিসটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
বসার ঘরে দেশীয় আসবাবপত্রের সঙ্গে বিভিন্ন কর্নারে রাখতে পারেন বেত অথবা বাঁশের ল্যাম্পশেড আর দেয়ালে টাঙাতে পারেন মাথাল, তালের পাখা, কাগজের ফুল ইত্যাদি। খাবারের টেবিলে রাখা যেতে পারে দেশীয় আমেজ, মাটির থালা, বাটি, গ্লাস, মগ, জগ ইত্যাদি। কারণ এতে ফুটে উঠবে দেশীয় আমেজ। টেবিলের মাঝখানে মাটির ফুলদানিতে কিছু তাজা ফুল রাখুন, না হলে কাপড়ের ফুলও রাখতে পারেন। এছাড়া দেশীয় টেবিল রানার, ন্যাপকিন এবং টেবিলম্যাট ব্যবহার করতে পারেন খাবার টেবিলে। দরজা-জানালার পর্দার সঙ্গে মিলিয়ে এসব করতে পারেন অনায়াসে।
কোকোনাট ল্যাম্পশেড কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
ঘরের বিভিন্ন কর্নারে অথবা বারান্দায় বসার জন্য অতিরিক্ত মোড়া রাখুন। আবার যাদের দোলনা খুব পছন্দ তারা একটু নান্দনিক করতে দোলনার উপরের অংশে পেচিয়ে দিন গাদা ফুলের মালা। ঘরে বিদেশি উইন্ডচ্যাম্পের পরিবর্তে ব্যবহার করুন মাটির ঘণ্টা। ঘণ্টার টুংটাং শব্দ আপনার চারপাশের পরিবেশে আনবে ভিন্নতা। দেশীয় ঐতিহ্য হিসেবে ঘরের বিভিন্ন স্থানে এবং প্রবেশ মুখে সাঁটিয়ে দিতে পারেন রিক্সাপেইন্টের আয়না। ড্রেসিং টেবিলের ওপর রিক্সাপেইন্টের জুয়েলারি বক্স অথবা পড়ার টেবিলে কলমদানি রাখা যেতে পারে। এসবের জন্য আপনি বেছে নিতে পারেন যে কোনো ভালো ফ্যাশন হাউস। এখানে বিছানার চাদর, কুশন কভার, পর্দা, সোফা ব্যাক, ন্যাপকিন সবকিছুুই পাবেন। ফ্লোরে বিছিয়ে রাখতে পারেন মাদুর, শীতল পাটি অথবা শতরঞ্জি। 
পোড্রাক্টটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
নতুন বছরের বর্ণিল রঙে সাজাতে যে ঘরের সব ফার্নিচার বদলে ফেলতে হবে এমন কোনো কথা নেই বরং আপনার ঘরেই এমন অনেক জিনিস আছে যেটা দিয়ে আপনি অনায়াসে সাজাতে পারেন বাঙালিয়ানায়। সামর্থ্যের মধ্যেই ভালোবাসা আর রঙে রাঙিয়ে তুলুন আপনার প্রিয় বৈশাখ। আর বৈশাখে বিশেষ কিছু কেনার প্রয়োজন পড়লে  এখানে ক্লিক করুন। আশাকরি এই লিংকেই বৈশাখের সব প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গ কিনতে পাবেন। 
*গৃহসজ্জা* *বৈশাখীসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"চুড়ি নেবেন চুড়ি, হরেক রকম চুড়ি", একসময়ের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গী ছিলো চুড়ি। রেশমি চুড়ি, কাঁচের চুড়ি, বৈশাখী চুড়ি, কারিনা চুড়ি, দেবদাস চুড়ি বাহারি নামে চুড়ির ঝনঝন আওয়াজ মাতিয়ে রাখতো রমনীদের হাত। বর্তমানে চুড়ির কদর কমে গেছে। বিশেষ কোনো উদযাপন ছাড়া চুড়ির বেচা-কেনা একবারেই হয় না। তবে আসছে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চুড়ির কারখানার কারিগররা যেনো কাজের সন্ধান পেয়েছে। দিন-রাত এক করে বাহারি রঙ ও ডিজাইনের চুড়ি তৈরি করতে এখন তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বাঙালি নারীর হাতে রেশমি চুড়ির রিনিঝিনি ছন্দে, মন মেতে ওঠে আনন্দে। কানে ঝুলানো দুল সঙ্গে দেয় আলাদা আবহ। তাই বৈশাখ বরণে নতুন পোশাকের সঙ্গে হাতভর্তি রেশমি চুড়ি আর মিলিয়ে কানের দুল চাই-ই চাই। আর কদিন বাদে পহেলা বৈশাখ। তাই নিজের সাজগোজের সব অনুষঙ্গ ঠিকঠাক মত আরেকবার মিলিয়ে নিতে পারেন। পোশাকের রং-এর সঙ্গে মিলিয়ে চুড়ি-গয়না কিনেছেন তো? এখনো না কিনে থাকলে জেনে নিন কোথায় পাবেন মনের মতো কাঁচের চুড়ি আর কানের দুল। 
 
 
টিএসসির মোড়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ভবনের পাশে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং ছবির হাট ও চারুকলার সামনে কাঠ, মাটির গয়না আর কাচের চুড়ির পসরা সাজিয়ে বসেছেন চুড়িওয়ালা মামারা। এছাড়া দোয়েল চত্বর, আজিজ সুপার মার্কেট, আড়ং, কলাবাগানসহ ইডেন কলেজ, নিউ মার্কেটে রাস্তার দুপাশে, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের পাশে রয়েছে চুড়ি, দুল, গলার মালার বিশাল বাজার। পহেলা বৈশাখে মাটির গয়নার চাহিদা অন্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। 
 
আকর্ষণীয় এই গয়নাগুলোর দাম থাকবে হাতের নাগালেই। এক জোড়া কানের দুল ৫০ থেকে ৮০ টাকা, মালা ৮০ থেকে ২৫০ টাকা, চুড়ি ২০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। মাটির ওপর ডিজাইন করে তাতে রং ধরিয়ে তৈরি হয় গহনা। পিছিয়ে নেই অনলাইন শপ আজকের ডিলও । পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে তাদের রয়েছে বৈশাখী আয়োজন নামের বিশাল কালেকশন। 
 
আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানের ভিন্নতায় এসেছে ব্যবহারের বিশিষ্টতা। এখন মাটির গহনায় যুক্ত করা হয় বিভিন্ন স্টোন, ছোট ছোট ডিজাইনের মেটাল, পুতি। ইদানীং বিটস ও মেটালের গয়না বেশ চলছে। এবারের বৈশাখে আপনিও বেছে নিতে পারেন এমন গয়না। কিনতে পারেন বিভিন্ন ফলের বিচির গয়না, প্লাস্টিক, কাঁচ পুঁতি আর কাঠ পুঁতির গয়না। এবারের বৈশাখে পুঁতির সঙ্গে মেটাল মিলিয়ে তৈরি করা হালকা ও ভারী নকশাদার বাহারি গয়না পাওয়া যাচ্ছে। 
 
 
বৈশাখী সাজে অনায়াসে এসব গয়না মানিয়ে যাবে। নানা রকম ঝুনঝুনি, চুমকি, পুঁতি ব্যবহার করা মাটির গয়নাও আপনার সাজে ব্যাবহার করতে পারেন। বৈশাখী সাজের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে ফুলের গয়না। ফুলেল সাজে নিজেকে অনন্য করে তুলতে বেছে নিতে পারেন রং-বেরঙের ফুলের গয়না। এখন প্রয়োজন আপনার রুচি আর সাধ্যের সমন্বয় করে গয়না কেনার পালা। এসব গয়না ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে অনায়াসে পেয়ে যাবেন। হাতের চুড়ি পাবেন সেট অনুযায়ী ভিন্ন দামে। আজকের ডিল থেকে চুড়ি কিনতে ক্লিক করুন এখানে।
*চুড়ি* *বৈশাখীসাজ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখ মানেই অন্যরকম আনন্দ, বৈশাখ মানেই একটু ভিন্ন ভাবে সাজা। বৈশাখী উৎসবে সাজসজ্জার আগ্রহকে পাধান্য দিয়ে সেই আদিকাল থেকেই বৈশাখী সাজে সৌন্দর্য্য বর্ধন ও বিলাসিতার অন্যতম অনুসঙ্গে পরিণত হয়েছে বিভিন্ন ধরনের গহনা। পোশাকের সাথে মিলিয়ে চিরন্তনী সাজে সেজে উঠতে নারী মনের সবচেয়ে বড় আবেদন হচ্ছে গহনা। তবে বছরের অন্যান্য সময়ের সাজের সাথে পহেলা বৈশাখের সাজের অনেকটাই প্রার্থক্য রয়েছে। কাবণ বাংলা নববর্ষকে সাদরে বরণ করে নিতে সাজ-পোশাক আর গহনাতে থাকবে বাঙালিয়ানা ঐতিহ্য। পোশাকের সাথে মানানসই বিভিন্ন বাঙ্গালিয়ানা গহনা জড়িয়ে হয়ে উঠুন আরও আকর্ষনীয়। বন্ধুরা আজকের আয়োজন বৈশাখের বাঙ্গালি গহনা নিয়ে।
 
বৈশাখী সাজে বাঙ্গালি গহনা
বছর ঘুরে আবার দরজায় কড়া নাড়ছে পহেলা বৈশাখ। এই দিনকে সাদরে বরণ করে নিতে সাজ-পোশাক আর খাবারে থাকবে বাঙালিয়ানা ঐতিহ্য। নানা স্বাদের বাঙালি খাবারের সঙ্গে সূতি শাড়ি আর বাহারি গয়নায় সাজ না হলে পহেলা বৈশাখের আবহাওয়ায় যেন মানাতে চাই না। গোটা বাঙালি জাতির প্রাণের এ উৎবসকে ঘিরে বেশ আগে থেকে শুরু হয় নানা প্রস্তুতি। সেই প্রস্তুতিতে আর একটু সৌন্দর্য সচেতনতা যোগ করতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের বিশেষ আয়োজন ‘বৈশাখী সাজে বাঙ্গালি গহনা’।  বৈশাখের চিরায়ত সাজে মাটির গহনা অন্যতম অনুষঙ্গ। আজকের তরুণীদের সাজাতে বাজারে আরও হাজির হয়েছে মেটালের মালা, বড় লকেট, কাঠ, বাঁশ, বেতসহ নানা রকম গয়না। শাড়ির পাশাপাশি নানা রকম টপস, থ্রিপিসের সঙ্গে এসব গয়না মিলিয়ে পরা যায়। ছবির এই ব্রেসলেটটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
বৈশাখ উপলক্ষে জুয়েলারি শপে মাটি, মেটাল, কড়ি ও বিডসের নানা রকম গয়না পাওয়া যাচ্ছে। হাতের সাজে নিতে পারেন মাটির বালা, কাঁচের চুড়ি, মেটালের নানা ডিজাইনের বা পাথর বসানো চুড়ি। ছোট বড় আংটিতে হাতের আঙুলটি সাজতেও বাদ যাবে না। কোমর জুড়ে থাকতে পারে বিছা, পায়ে থাকতে পারে খাড়ু। ইদানীং বিডস ও মেটালের গয়না বেশ চলছে। এবারের বৈশাখে আপনিও বেছে নিতে পারেন এমন গয়না। কিনতে পারেন বিভিন্ন ফলের বিচির গয়না, প্লাস্টিক, কাঁচ পুঁতি আর কাঠ পুঁতির গয়না। এবারের বৈশাখে পুঁতির সঙ্গে মেটাল মিলিয়ে তৈরি করা হালকা ও ভারী নকশাদার বাহারি গয়না পাওয়া যাচ্ছে। বৈশাখী সাজে অনায়াসে এসব গয়না মানিয়ে যাবে। নানা রকম ঝুনঝুনি, চুমকি, পুঁতি ব্যবহার করা মাটির গয়নাও আপনার সাজে ব্যাবহার করতে পারেন। 
 
 
বৈশাখী সাজের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে ফুলের গয়না। ফুলেল সাজে নিজেকে অনন্য করে তুলতে বেছে নিতে পারেন রং-বেরঙের ফুলের গয়না। সাজ পোশাক যেমনই হোক না কেন একখানি নান্দনিক গহনা তুলে ধরতে পারে সবার মাঝে আপনাকে করবে আলাদা। এক কিংবা দুই লহরের লম্বা মালা শাড়ি কিংবা টপসের সঙ্গে ভীষণ মানাবে। এখন প্রয়োজন আপনার রুচি আর সাধ্যের সমন্বয় করে গয়না কেনার পালা। 
ছবির বৈশাখী এই নেকলেসটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
দরদাম ও কেনাকাটা
রঙ বে রঙের  এসব বৈশাখী গহনা রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন শপিংমলের গহনার দোকানগুলোতে পেয়ে যাবেন।  এসব গহনা ১৫০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে অনায়াসে পেয়ে যাবেন।  সুসংবাদ তাদের জন্য যারা ঘরে বসে অনলাইনে বৈশাখী গহনা কিনতো চান। আপনাদের জন্য দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল নিয়ে এসেছে হরেক রকরেম বাঙ্গালিয়ানা বৈশাখী গহনা।  দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে অর্ডার করে আপনি আপনার পছন্দের গহনাটি কিনে নিতে পারবেন। আজকের ডিল থেকে বৈশাখী গহনা কিনতে ও গহনার কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 
*বৈশাখীসাজ* *গহনা* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজকেরডিলে বৈশাখী বেডশীটবাংলা বর্ষবরণ উৎসবকে ঘিরে চারদিকে কেনাকাটার সাজ সাজ ভাব বিরাজ করছে। যে যার মত পহেলা বৈশাখে নিজেকে সাজিয়ে নেওয়ার জন্য পাঞ্জাবী, ফতুয়া, শাড়ি সহ নানান রকমের বাঙ্গালিয়ানা অনুসঙ্গ বেছে নেবেন। নিজেকে সাজানো পাশাপাশি বৈশাখ উপলক্ষে নিজের ঘরটাকেও সাজিয়ে নিতে ভুল করবেন না অনেকেই। কারণ সবাই চায় নিজের ঘরটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে, যেন দেখে সবাই মুগ্ধ হয়, প্রশংসা করে ।  এক্ষেত্রে গর্জিয়াস এবং আনকমন কিছু বেডশীঠ আপনার বেডরুমের সম্পুর্ণ  সৌন্দর্য্যটাই পাল্টে দিতে পারে। এই বৈশাখে আপনার  ঘরে রাজকীয় লুক এনে দিতে সক্ষম এমন  কিছু বাহারি বেডশীট সেট সম্পর্কে জেনে নিই একপলকে।
(কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে বেডশীড গুলো দেখতে ও কিনতে পারবেন)
 
বৈশাখী বেডশীটঃ
বৈশাখে সারা দিনের ঘোরাঘুরি শেষে মনে প্রশান্তি পেতে বাহারি ডিজাইনের বেডশীট হতে পারে অন্যতম অনুসঙ্গ। কারণ সারাদিন ঘুরে এসে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে আপনার মন চাইবেই। আর বিছানাটা যদি মনের মতো হয় তবে তো মনে প্রশান্তির পরশ লাগবেই। এজন্য বৈশাখের আগেই ঘরসাজেতে বেডশীট নেওয়া চাই-ই-চাই। 
 
বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনবেডশীট কেনার পূর্বে  ঘরের আসবাব, পর্দা বা ঘরের আকারের সঙ্গে মানিয়েই কেনা উচিৎ। কারণ ঘরের বাকি জিনিস কিংবা পর্দার সঙ্গে মিল রেখে চাদর বিছালে ঘরের মধ্যে আলাদা একটা আবেশ তৈরি হয়। আবার মূল শোয়ার ঘর, শিশুর শোয়ার ঘর কিংবা অতিথিদের শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরের মধ্যে পার্থক্য আছে। 
 
বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনমূল শোয়ার ঘরের বেডশীট সাধারণত হালকা রঙের হয়ে থাকে। সাদা বেডশীট অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সাদা বেডশীট দ্রুত ময়লা হয়ে যায়, তাই নিয়মিত বিছানো যায় না। সাদা ছাড়াও হালকা নীল, ধূসর, বাদামি, হালকা বেগুনি রঙের বেডশীটও বিছাতে পারেন।
 
বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুন হালকা রংগুলো চোখের জন্যও আরামদায়ক। যাঁরা গাঢ় রং পছন্দ করেন তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। গাঢ় রঙের বড় ফুলওয়ালা বেডশীট বিছানার সঙ্গে বেশ মানায়। তবে এ ক্ষেত্রে বিছানাটা হতে হবে বড় বা ডবল বেড। মেয়ে বাচ্চাদের শোয়ার ঘরে হালকা গোলাপি, কমলা রঙের কার্টুন সংবলিত চাদর মানাবে। তবে বাচ্চারা যেহেতু দ্রুত ময়লা করে ফেলে, তাই মজার মজার কার্টুনের গাঢ় রঙের চাদরও বিছানো যেতে পারে। ছেলে বাচ্চাদের জন্য হালকা নীল বা সবুজ রঙের বেডশিট মানাবে। অতিথিদের শোয়ার ঘরের চাদর হালকা রঙের মধ্যে স্ট্রাইপ করা হলে ভালো দেখাবে।
 
বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনরাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বেডশীট পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-৩৫০০ টাকায়। চাইলে গজ কাপড় কিনে বানিয়ে নিতে পারেন মনের মতো বেডশীট। যারা ঘরে বসে বৈশাখী সাজে রুমটাকে নান্দনিক বেডশীট দিয়ে সাজাতে চান তাহলে  ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। আজকের ডিলের বৈশাখী আয়োজনে দারুন দারুন সব বৈশাখী বেডশীট পাওয়া যাচ্ছে। আপনারা দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে অর্ডার করে বেডশীট কিনতে পারবেন। 
 
বিস্তারিত জানতে ও কিনতে এই লিংকে ক্লিক করুন
*গৃহসজ্জা* *চাদর* *বেডশীট* *স্মার্টশপিং* *বৈশাখীসাজ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজকেরডিলে বৈশাখী প্রস্তুতিচলছে চৈত্র মাস। বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানাতে আর কয়েকদিন বাদেই আগমন ঘটবে রঙ,ঢঙ আর আনন্দের বৈশাখ মাস। বাঙালির ঐতিহ্য আর উৎসবের বৈশাখকে ঘিরে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে নানান জল্পনা-কল্পনা। কে কিভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করবে তা নিয়ে চলছে ব্যপক প্রস্তুতি। পহেলা বৈশাখ নিয়ে শুধু এ দেশের মানুষই নয় বরং পুরো পৃথিবীর বাংলা ভাষাভাষী মানুষের আছে আলাদা এক উৎসব কেন্দ্রিক প্রস্তুতি। এবার তাই বৈশাখে আপনার সাজ-পোশাক আর মেকাপের প্রস্তুতি নিয়ে থাকছে কিছু টিপস।
 
পোশাক:
পহেলা বৈশাখ মানেই যে শুধু লাল সাদা পোশাক, সে ভাবনাটা এখন আর নেই। এখন ফ্যাশন সচেতনরা বেছে নিচ্ছেন লাল, সাদা, কমলা, নীল, হলুদ, বেগুনী ইত্যাদি রঙ। বয়স, পরিবেশ আর অভ্যাস মিলে বেছে নিন আপনার পোশাক। তবে যেহেতু উৎসবটি একেবারে দেশীয় সংস্কৃতির তাই মেয়েদের জন্য শাড়ি, আর ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবীটাই বেশি মানানসই। বাচ্চাদের পরাতে পারেন পাতলা সুতির শাড়ি বা সালওয়ার-কামিজ।
পোশাকের রঙের প্রাধান্য যেটাই থাকুক না কেন, গলায় আর কানে পরতে পারেন নানা রঙের মাটির গয়না। এছাড়াও মানানসই যেকোনো গয়না আপনার বৈশাখি সাজে যোগ করতে পারে ভিন্ন মাত্রা।  
 
মেকআপ:
বৈশাখী সাজে মেকআপের জন্য বেছে নিতে পারেন হাল্কা বেইজের কিছু। তবে তা অবশ্যই স্বাভাবিক মানের হওয়া চাই। প্রচণ্ড গরম আর রোদের তাপে মেকআপ নষ্ট হবার ভয় থাকে। তাই বেছে নিতে পারেন অয়েল ফ্রি বা ওয়াটার প্রুফ মেকআপ। চোখে লাগাতে পারেন হাল্কা আই শ্যাডো আর মাশকারা। এ ক্ষেত্রে কাজল, আই লাইনার বা মাশকারা অবশ্যই ওয়াটার প্রুফ হতে হবে। যাদের কাজল ছড়িয়ে যায় তারা কাজল দেওয়ার পর তার ওপর হাল্কা একটু পাউডার দিয়ে নেবেন। তাতে আর কাজল ছড়ানোর ভয় থাকবে না। ঠোঁটে দিতে পারেন লাল কিংবা অন্য হালকা রঙের লিপস্টিক। কপালে ছোট বা বড়  লাল টিপই বেশি মানাবে।
 
চুলের সাজ:
বৈশাখের সাজে চুলে করতে পারেন খোঁপা বা বেণী। শাড়ি বা সালওয়ার কামিজ যাই পরুন না কেন, চুলে করতে পারেন খোঁপা বা বেণী। এ ক্ষেত্রে হাত খোঁপা করে চুলের দু পাশে বা পুরোটা জুড়ে গেঁথে নিতে পারেন দেশি ফুলের মালা। 
মাঝারি বা ছোট হলে চুল হলে এখনই দিয়ে ফেলুন মানানসই কোনো হেয়ার কাট। উৎসবের দিন সেটাকে আয়রন করে একপাশে রেখে দিতে পারেন বা ছোট্ট কোনো ব্যান্ড দিয়ে হাল্কা হাতে একটু অগোছালো করে আঁটকে নিতে পারেন। তবে তাতেও ফুল থাকা চাই-ই চাই!
 
অন্যান্য অনুষঙ্গ:
 
বাঙালী সংস্কৃতিতে চুড়ির উপস্থিতি অবশ্যই আছে। রেশমি চুড়ির পাশাপাশি অন্যান্য সাধারণ মানের কাঁচের চুড়ি জায়গা করে নিয়েছে, যাতে ব্যবহার হচ্ছে স্টোন, চুমকি, গ্লিটার ইত্যাদি। শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে পরতে পারেন হাতভর্তি এসব চুড়ি। বাঙালির প্রাণের উৎসবে চুড়ির মতো নিখাদ বাঙালি ফ্যাশন অনুষঙ্গ বৈশাখের সাজকে সত্যিই দেয় পূর্ণতা। 
হরেক রকম জুয়েলারী দেখতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
ঘরে বসে বৈশাখী প্রস্তুতির সেরে নিন:
ইচ্ছে থাকলেও কর্মব্যস্ততার কারনে অনেকেই হয়তবা বৈশাখের প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গ কিনতে বের হতে পারবেন না। তবে বিচলিত হবার কোন কারণ নেই ডিজাটাল যুগে ডিজিটালি সব কেনাকাটা সেরা নিতে পারবেন ঘরে বসে। এজন্য আপনার সহযোগী হতে পারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল। আজকের ডিলে আপনি সব ধরনের বৈশাখী অনুসঙ্গ কিনতে পাবেন। বিশ্বাস না হলে  একটি বার ঘুরে আসুন এই লিংক থেকে।
 
*বৈশাখীফ্যাশন* *বৈশাখীসাজ* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★