ব্যাক প্যাক

ব্যাকপ্যাক নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কি আপনার মনে হচ্ছে এই তো সেদিনই আপনার কোল আলো করে যে ছোট্ট সোনামনি এসেছে, দেখতে দেখতে তার স্কুলে যাওয়ার সময় হয়ে এলো। সোনামনি স্কুলে যাচ্ছে আপনার কি আর চিন্তার শেষ আছে ! তবে, সব পরিকল্পনা মাফিক প্ল্যান  করলে চিন্তা একটু কমানো যাবে।  

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

• ছোট্ট সোনা স্কুলে যাচ্ছে, তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করুন
• স্কুল সম্পর্কে মজার মজার গল্প বলুন
• তাকে বোঝান স্কুল ভয়ের জায়গা নয়
• বেশ কিছুটা সময় সে আপনার কাছ থেকে অন্য পরিবেশে থাকবে, তাই আগে
• থেকেই তার অভ্যাস তৈরি করুন।
• মাঝে মাঝে স্কুলে নিয়ে বেড়াতে যান
• শিশুকে নিরাপদে রাস্তা পার হতে শেখান
• নাম-ঠিকানা, বাসার ফোন নম্বর মুখস্ত করান শিশুকে
• একটি কাগজে বিস্তারিত ঠিকানা, যোগাযোগের নম্বর লিখে শিশুর ব্যাগের নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে দিন।

সোনামনির নতুন স্কুলের জন্য কেনাকাটা শেষ ! যদি না হয়ে থাকে তাহলে আগেই তালিকা করুন কি কি  প্রয়োজন :

• স্কুলের পোশাক তৈরি করুন
• বই, খাতা, পেনসিল, ইরেজার, ব্যাগ, পেনসিল বক্স, টিফিন বক্স, পানির পট
• যদি জুতা স্কুল ঠিক করে দেয় তাহলে তো ঠিক আছে, না হলে আরামদায়ক জুতা কিনুন

• বাচ্চার স্কুলে যাওয়ার জন্য দরকার সুন্দর একটি ব্যাগ। বই, খাতা, পেন্সিল, পানির বোতল, খাবারের বাটি সবই নিতে হবে সেই ব্যাগে। তাই রঙ, ডিজাইন আর টেকসই দেখে সোনামনির জন্য স্কুল ব্যাগ কেনার চেয়েও বরং শিশুর জন্য আরামদায়ক ব্যাগ কিনুন, শতকরা ৬০ ভাগ ভারী ব্যাগ বহনকারী স্কুল শিক্ষার্থীরই পরবর্তীতে পিঠের নানা সমস্যা হয়। এসব সমস্যার মধ্যে রয়েছে মেরুদণ্ড ও মাংসপেশির সমস্যা, ঘাড় ব্যথা ও পিঠের নানা সমস্যা। গবেষকরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পিঠ বেশি ভারি বোঝা বহনের উপযুক্ত নয়। নইলে,  হতে পারে ব্যাগের চাপে শিশুর মেরুদণ্ডের ক্ষয় ! চেষ্টা করুন তার পছন্দের কার্টুন চরিত্রকে ব্যাগ হিসেবে তার কাঁধে ঝোলাতে, এতে করে সে ভীষণ আনন্দ পাবে।

• শিশুর জন্য একটি বড় সমস্যা তৈরি হয় ভোরে উঠে তৈরি হয়ে স্কুলে যাওয়া। এজন্য শিশুকে রাতে ১০টার মধ্যে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। 

 

নিউ মার্কেট, নবাবপুর, চকবাজার, এলিফেন্ট রোড, বায়তুল মোকাররম, গুলিস্তান, মৌচাক মার্কেট ছাড়াও শিশুদের জন্য স্কুলের সকল প্রকার সামগ্রী রয়েছে বড় বড় শপিং মলগুলোতেও। তবে আগোরা, মীনাবাজার, ফ্যামিলি নিডসসহ বিভিন্ন চেইনশপে আকর্ষণীয় ডিজাইনের ব্যাগ ও শিশুদের স্কুল সামগ্রী পাওয়া যায়। তবে, আমি বলবো আজকের ডিল থেকে স্কুল ব্যাগ কিনতে। আজকেরডিল থেকে আপনি মোট ২২৫ টি ব্যাগের মধ্যে বাছাই করে আপনার সন্তানের জন্য স্কুল ব্যাগ অর্ডার করতে পারেন। আজকের ডিল থেকে কিনতে এখানে ও ছবিগুলোতে ক্লিক করুন।

পরিশেষে,  আপনার শিশুকে স্কুলের অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে মেলামেশার করতে অাগ্রহ তৈরি করুন। এতে তার সামাজিক বিকাশ দ্রুত হবে।

আপনার সোনামনির জন্য রইল শুভকামনা।

*স্কুলব্যাগ* *সোনামনি* *শিশুরপ্রথমস্কুল* *প্যারেন্টিংটিপস* *ব্যাকপ্যাক*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাসে, বাইরে, ভ্রমণে বহনে সুবিধার জন্য এক ফিতার কাঁধের ব্যাগ বা হ্যান্ডব্যাগের চেয়ে ব্যাকপ্যাকই এখন বেশি জনপ্রিয়। আর যাঁরা বাইক চালান, তাঁদের ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যাগের চেয়ে ভালো কোনো বিকল্প নেই। বেশি বাজেটের ব্যাকপ্যাকগুলো দেশের বাজারে কমই দেখা যায়। ভ্রমণে যাচ্ছেন, সঙ্গে কাপড়-চোপড়, ব্যবহারের জিনিসপত্র থাকবে; ল্যাপটপ থাকবে ; বড় ব্যাকপ্যাক হলে ল্যাপটপের সঙ্গে দু-তিনটি কাপড়, মোবাইল চার্জার, দরকারি জিনিসপত্র ভালোভাবে রাখা যাবে। সবচেয়ে ভালো হয় পানিরোধক ব্যাগ ব্যবহার করতে পারলে। বৃষ্টি কিংবা কোনোভাবে পানি ঢোকা নিয়ে আশঙ্কা করতে হবে না। ল্যাপটপ তো নিরাপদ থাকবেই, সঙ্গে অন্য জিনিসপত্রও। 
ব্যাকপ্যাকের ধরন
বিভিন্ন স্টাইল ও আকারের ব্যাকপ্যাক দেখা যায়। প্রয়োজন বুঝে বেছে নিতে হবে দরাকারিটি। ল্যাপটপ রাখার বড় বা মাঝারি আকারের ব্যাকপ্যাকগুলোতে বাড়তি সুবিধা হিসেবে ট্যাব রাখার স্লট থাকে। ল্যাপটপের আকার বুঝে ঠিক করতে হবে কোন ব্যাগটি নেবেন। শুধু নোটবুকের জন্য হলে বড় ব্যাকপ্যাক না নেওয়াই ভালো। বড় ব্যাকপ্যাকে শুধু নোটবুক নিয়ে চলতে অস্বস্তি লাগতে পারে। শুধু ট্যাব রাখারও ব্যাকপ্যাক আছে। চাইলে ট্যাবের চার্জার, ইন্টারনেট রাউটার, পাওয়ার ব্যাংক, এক্সটার্নাল কিবোর্ডও রাখা যাবে। তবে ছোট ব্যাগে স্লট কম, জায়গা থাকলে এক স্লটেই একাধিক জিনিস রাখতে হবে। আর বড় ও মাঝারি ব্যাগে বেশি স্লট। তাই একেক স্লটে একেক জিনিস ভালোভাবে রাখা যাবে। বাইরে চলতে-ফিরতে ঝাঁকুনি লাগলেও স্লটগুলোতে ডিভাইস বা জিনিসপত্র নিরাপদ থাকবে।
কাদের জন্য ব্যাকপ্যাক
ল্যাপটপ, নোটবুক, ট্যাব রাখার পাশাপাশি বই, নোট, মোবাইল চার্জার, পোর্টেবল হার্ডডিস্ক বা এ ধরনের দরকারি জিনিসপত্র রাখারও ব্যবস্থা (স্লট) রাখা হচ্ছে ব্যাকগুলোতে। বাজারে পাতলা কাপড়ের কম দামি সাধারণ ব্যাগ যেমন আছে, ওয়াটারপ্রুফ (পানিরোধক) বহু সুবিধার দামিটাও আছে। কে কোনটা কিনবে-নির্ভর করছে তার প্রয়োজন বা ব্যবহারের ওপর। দরকারি আর ফ্যাশন-দুই দিক চিন্তা করেই তৈরি হচ্ছে এখনকার ব্যাকপ্যাক। ল্যাপটপের জন্য অ্যাডিডাস, টারগাস, সেইন্ট ইগল, ক্যামেল মাউন্টেন ব্র্যান্ডের ব্যাকপ্যাকই বেশি বিক্রি হচ্ছে। বেশির ভাগ ব্যাগই গ্যাবার্ডিন কাপড়ের। কোনো কোনোটির ভেতরে ওয়াটারপ্রুফ আবরণ থাকে।
 
ক্যামেরার জন্য
সাধারণ ডিজিটাল ক্যামেরা হলে ল্যাপটপ বা ট্যাব উপযোগী ব্যাকপ্যাক হলেই চলে। ল্যাপটপের পাশাপাশি ক্যামেরা অনায়াসেই রাখা যায়। তবে বড় ক্যামেরা হলে এর জন্য আলাদা ব্যাগ লাগবেই। কম্পিউটার ও ক্যামেরার দোকান ছাড়া ব্যাগের দোকানেও ক্যামেরার ব্যাগ পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে দামের হেরফের হয় ব্যাগের ধরন, মান ও আকার বুঝে। দুই থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যেও ব্যাগ পাওয়া যায়। তবে ভালো ব্যাগের জন্য গুনতে হবে তিন থেকে ছয় হাজার টাকা। দামি ক্যামেরার ব্যাগ কেনার ক্ষেত্রে কম দামিগুলো পছন্দ করা বোকামি। ক্যামেরাই যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে ্ব্যাগ কেনায় টাকা বাঁচিয়ে কী হবে!
ব্যাগ কেনার সময় খেয়াল রাখবেন ক্যামেরা, লেন্স ভালোভাবে রাখা যাবে কি না। ক্যামেরা নড়াচড়া করবে কি না, তা-ও খেয়াল রাখবেন।
দরদাম
বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্যাকপ্যাক পাওয়া যায়। ক্যামেল মাউন্টেনের ব্যাকপ্যাক সাধারণত এক হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার টাকা, উইলসন এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার ৭০০ টাকা, পাওয়ার এক হাজার ৭০০ টাকা, ইয়েসো দেড় হাজার টাকা। এসব ব্যাকপ্যাকে ল্যাপটপ ও দরকারি জিনিসপত্র রাখা যাবে।
 
কম্পিউটার দোকানগুলোতে এইচপি ও টারগাস ব্র্যান্ডের ব্যাকপ্যাকগুলো বেশ চোখে পড়ে।
 
টারগাসের ১৫.৬ ইঞ্চি ও ১৬ ইঞ্চি সাইজের ল্যাপটপ রাখার ব্যাগগুলোতে আছে 'ডেডিকেটেড অ্যাডভান্সড ওয়ার্কস্টেশন'। এ অংশে একগুচ্ছ কলম ও কার্ডহোল্ডার রাখা যাবে। বাড়তি কাগজপত্র রাখার জন্য আছে আলাদা পকেট। ব্যাগটিতে সঠিক ওজন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। ব্যাগগুলো পাওয়া যাবে দেড় হাজার থেকে চার হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত। এইচপি ব্র্যান্ডের কিছু ব্যাকপ্যাক আছে দেড় হাজার থেকে এক হাজার ৭৫০ টাকার মধ্যে। ৭-৮ ইঞ্চি সাইজের ট্যাবের ব্যাকপ্যাক পাওয়া যাবে এক হাজার থেকে দুই হাজার টাকায়।
 
বসুন্ধরা সিটি, বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আগারগাঁও), এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারসহ বিভিন্ন মার্কেটে এসব ব্র্যান্ডের ব্যাকপ্যাক পাওয়া যাবে।
 
অনলাইনে ব্যাকপ্যাক 
চাইলে অনলাইনে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্যাকপ্যাক দেখে যাচাই করা যাবে। এবং কেনার অর্ডারও দেওয়া যাবে। অনলাইনে ই-কমার্স সাইটগুলোতে ব্যাকপ্যাকের সংগ্রহ ভালো। অর্ডার করার আগে জেনে নেবেন আপনার এলাকায় সাইটটির ডেলিভারি সুবিধা আছে কি না। যদি থাকে তাহলে ডেলিভারিতে কেমন সময় লাগবে, ডেলিভারি চার্জ কেমন-ইত্যাদি। পেমেন্ট কিভাবে দিতে হবে, তা-ও জেনে নিবেন। ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি অনেক সাইটে মোবাইল লেনদেনের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও টাকা পরিশোধ করা যায়। আবার পণ্য ডেলিভারির সময় ক্যাশ বুঝে নেবে, এমন শর্তও থাকতে পারে।
 
তবে পণ্য বুঝে নেওয়ার সময় সব ঠিকঠাক আছে কি না, দেখে নিন।
 
বিকিকিনির সাইট বিক্রয় (www.ajkerdeal.com) থেকেও ব্যাকপ্যাক কেনা যাবে। কিনতে ক্লিক করুন এখানে l
 
*ব্যাকপ্যাক* *ভ্রমণসঙ্গী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★