ব্যাডমিন্টন

ব্যাডমিন্টন নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্যাডমিন্টন খেলার মৌসুম চলে এসছে। শীতের দাপটকে কুপকাত করতে দেশের সর্বত্র ফ্লাড লাইটের মত আলো জ্বালিয়ে তরুণ যুবারা ব্যাডমিন্টনে মেতে উঠবে। শীত যত বাড়বে, খেলাও তত জমবে। যদিও এক সময় ব্যাডমিন্টন ছিল উচ্চবিত্তের খেলা। এখন সে গণ্ডি পেরিয়েছে বেশ। চাকচিক্যের প্রাচীর পেরিয়ে চলে এসেছে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত এমনকি নিম্নবৃত্ত সহ সমাজের নানা মানুষের ভিড়ে। তাতারপরেও ব্যাডমিন্টন সরঞ্জামাদির খরচাপাতির একটা ব্যাপার থেকেই যায়। আবার সব সরঞ্জাম একসাথে পাওয়াও যায় না। তাই কিছুটা হলেও পূর্বপ্রস্তুতি দরকার। চলুন জেনে নেই কি ধরনের সরঞ্জাম লাগবে এই খেলায়।


র‌্যাকেট/ব্যাডঃ

ব্যাডমিন্টন খেলায় হস্তচালিত যে উপকরনটি প্রয়োজন হয় তার নাম র‌্যাকেট। যেহেতু খেলার সময় এটিকে এক হাত দ্বারা অতি দ্রুত চালনা করার প্রয়োজন হয় তাই র‌্যাকেট যত ওজনে হালকা হয় ততই সুবিধা। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের র‌্যাকেট পাওয়া যায়। ১০টি দেখে পছন্দমত একটি নিয়ে নিন।


শাটলককঃ

শাটলকক ব্যাডমিন্টন খেলার দ্বিতীয় প্রধান উপকরণ। আমেরিকানরা একে (Bird অথবা Birdie) শব্দ দ্বারা উপস্থাপন করে থাকে। এটি এক প্রকার কোনক আকৃতির নিক্ষিপ্ত বস্তু যাকে র‌্যাকেটের সাহায্যে সজোড়ে পিটিয়ে প্রতিপক্ষের দিকে নিক্ষেপ করা হয়। শাটলকক দুই ধরণের বস্তু দ্বারা তৈরী করা হয় (১) রাজহাঁস অথবা অন্য কোন পাখির পালক দ্বারা (২) সিনথেটিক/নাইলনের পাতলা বস্তু দ্বারা। বাজারে বক্স ধরে এগুলো কিনতে পাওয়া যায়। দামও খুব একটা বেশি নয়।


জালঃ

ব্যাডমিন্টন জাল শক্ত সুতা দিয়ে বোনা এক প্রকার জাল, যার পূর্ন দৈর্ঘ্য ২০ ফুট হতে ২২ ফুটের মধ্যে হয়ে থাকে এবং প্রস্থ ২ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে ৩ ফুটের মধ্যে হয়ে থাকে। জালের দৈর্ঘ্য বরাবর একটি শক্ত দড়ি প্রবেশ করিয়ে নেট পোস্টের সাথে বাঁধা হয়। জাল কেনার সময় দেখে শুনে একটু লাইলনের শক্ত টাইপের টা নেওয়া ভাল। এটি বেশ টেকসই হয়।


পোষাকঃ

ব্যাডমিন্টন খেলাতে প্রচুর পরিমান মাতামাতি করার প্রয়োজন হয় ফলে শরীর খুব তাড়াতাড়ি উত্তপ্ত হয়ে প্রচুর ঘাম নির্গত হয় তাই যথা সম্ভব হালকা জার্সি, ট্রাওজার পরে খেলা উচিত। হাতের কনুইতে ও বাহুতে ব্যাথা হলে রবারের তৈরী বেল্ট হাতে লাগালে কিছুটা আরামদায়ক হতে পারে। পায়ে পাতলা ও নরম সুকতলা বিশিষ্ট কেডস ব্যবহার করলে তা আরামদায়ক হতে পারে।


আলোক উৎসঃ

দিবালোকে খেললে কৃত্তিম আলাকের উৎসের প্রয়োজন নেই তবে রাত্রিকালীন ম্যাচ খেললে উভয় নেটপোষ্টের পাশে দুটি বৈদ্যূতিক আলোক উৎস লাগিয়ে আলোক সৃষ্টি করা যেতে পারে। ইনডোর ষ্টেডিয়ামে খেললে ষ্টেডিয়ামের বৈদ্যূতিক আলোক উৎস দ্বারা মাঠ আলোকিত করা হয়।


কোথায় থেকে কিনবেনঃ

র‌্যাকেড, শাটলকক এবং জাল একসাথে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন খেলাঘর থেকে কিনতে পারবেন। লোকাল মার্কেটেও র‌্যাকেট ব্যাট পাওয়া যায়। তবে অনলাইনে ঘরে বসেও আপনি কিনে নিতে পারেন আপনার পছন্দের পণ্যটি। এজন্য ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। সবচেয়ে কমদামে ব্যাডমিন্টন খেলার সরঞ্জাম কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ব্যাডমিন্টন* *র‌্যাকটে* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নভেম্বর প্রায় শেষ, আসছে ডিসেম্বর আর ডিসেম্বর মানেই শীতের আনাগোনা। বিকেল হলেই কমতে শুরু করে তাপমাত্রা। শীতের হাওয়া গায়ে লাগতে শুরু করে। এছাড়া আমাদের দেশে শীতের আগমন টের পাওয়ার আরেকটি প্রচলিত চিত্র হচ্ছে সন্ধ্যারাতে ব্যাডমিন্টন খেলা। গ্রামগঞ্জে বাড়ির আঙিনায়, শহরের আনাচে কানাচে ফাঁকা জায়গায় ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট দেখলেই বোঝা যায় শীত চলে এসেছে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম নয় ! শীতের শুরু থেকেই শুরু হয়ে গেছে শীতের খেলা ব্যাডমিন্টন। ব্যাডমিন্টন এ দেশে 'মৌসুমি' খেলা। ব্যাডমিন্টন খেলার গায়ে ‘শীতকালীন খেলা’র তকমাটা বেশ ভালোভাবেই লেগে আছে। শীত এলেই আমাদের দেশে ব্যাডমিন্টন খেলার তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। পাড়ায় পাড়ায় ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট কেটে ছেলে-মেয়ে, তরুণ, বৃদ্ধ সবাই নেমে পড়ে খেলায়।

সাধারণত পাড়ার তরুণরাই এই খেলার আয়োজকের ভূমিকায় থাকে । নিজেরা চাঁদা দিয়ে, চাঁদা উঠিয়ে খুব আয়োজন করে এই ব্যাডমিন্টন খেলার প্রাথমিক কাজগুলো শুরু হয়। চাঁদা ওঠেও ভালো। কারণ প্রত্যেকেরই এই ব্যাডমিন্টন খেলাটির প্রতি রয়েছে অপার ভালোবাসা। খেলতে পছন্দ করেন সবাইই। ফলে সন্ধ্যা হলেই ভিড় জমে খেলার কোর্টের সামনে। ব্যাডমিন্টন খেলার খরচ খুব বেশি একটা না হলেও কমও নয়। পুরো টাকাটাই এলাকার তরুণ ছেলেরা কোনো একভাবে ব্যবস্থা করে ফেলে। 

এবারও হালকা শীত পড়তেই পাড়া-মহল্লায় শুরু হয়ে গেছে ব্যাডমিন্টন খেলার ধুম। মাঠ-ফাঁকা জায়গাগুলোয় কাটা হয়েছে ব্যাডমিন্টনের কোর্ট। তরুণদের পাশাপাশি মধ্যবয়সীরাও যোগ দিচ্ছেন ব্যাডমিন্টন উৎসবে। পিছিয়ে নেই নারীরাও। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য কাটা হয়েছে কোর্ট। আজিমপুর, মিরপুর, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, মণিপুর, ইন্দিরা রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি মাঠেই একাধিক কোর্ট কাটা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেদের প্রায় সব হলেই কাটা হয়েছে ব্যাডমিন্টন কোর্ট। হলের ভেতরের এসব কোর্টে খেলা চলেও তুলনামূলক বেশি রাত পর্যন্ত।

খেলার কোর্ট কাটতে বাঁশসহ খরচ পড়বে এক থেকে দেড় হাজার টাকা। লাইটের জন্য খরচ হবে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার মতো। কোর্টে টানানোর জন্য পাঁচশ থেকে এক হাজার টাকার মধ্যে নেট পাওয়া যাবে বাজারে। আর ব্যাডমিন্টন র‍্যাকেটের দাম শুরু হবে তিনশ’ টাকা থেকে। তবে তিন হাজার টাকার মধ্যে অনেক ভালো ব্যাডমিন্টন র‍্যাকেট পাওয়া যায়। আর প্রতিদিন খেলার জন্য একটা ফেদার বা কক তো লাগবেই। প্রতিটি ফেদারের দাম পড়বে ষাট থেকে একশ’ বিশ টাকা। আজকের ডিলে রয়েছে ব্যাডমিন্টন র‍্যাকেটের বিশাল কালেকশন। পাওয়া যাচ্ছে নানান দামে নানান ব্র্যান্ড অনুযায়ী। আজকের ডিল থেকে কিনতে ক্লিক করুন ছবিগুলোতে এবং এখানে ব্যাডমিন্টন ।

ব্যাডমিন্টন শীতের সন্ধ্যায় একটু ঘাম ঝরানোর অন্যতম একটি উপায়। তাই শারীরিক উপকারের কথা আর না-ই বা উল্লেখ করা হলো। প্রতিদিন অন্তত এক গেম ব্যাডমিন্টন খেলুন, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকুন। তবে শুধু শারীরিক উপকারী নয়, ব্যাডমিন্টন খেলতে মেলে মানসিক প্রশান্তিও, জানতে চান কিভাবে ! ব্যাডমিন্টন খেলার পাশাপাশি আড্ডা দেওয়া যায়। সারা দিন কাজের পরে বেশ ভালোই সময় কাটে। শীতের রাতে খেলা চলবে আর গরম-গরম ভাপা-চিতই পিঠা খাওয়া হবে না তা কি হয়। পিঠা ছাড়াও চা, চটপটি-ফুচকা, কখনো চানাচুর-মুড়ি মাখানো এসব তো আছেই, কোনো উপলক্ষ পেলে কোর্টেই আয়োজন করা হয় বিশেষ ভোজের।

তাহলে আর দেরি কেন, শীত তো চলেই এলো, র‌্যাকেট হাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে ওয়ার্ম আপ হচ্ছেন তো !

*শীতেরখেলা* *ব্যাডমিন্টন* *র‌্যাকেট*

আফনান : শীতকালে ক্রিকেট খেলতে একদম ভাল লাগেনা। টেপ টেনিস বল হলেও, পায়ে লাগলে ব্যথা আর ব্যথা। তবে ব্যাডমিন্টন খেলা বুদ্ধিমানের কাজ (খুশী২)

*ব্যাডমিন্টন*

সো হা গ: [বাঘমামা-আম্মু]এবছর যেহেতু আমি ক্যাম্পাসে নেই তাই এবার *ব্যাডমিন্টন* খেলার সুযোগও নেই (নাআআআ)(মাইরালা)

*ব্যাডমিন্টন*

মারগুব: *ব্যাডমিন্টন* যে গতদিন খেলিনা!! আগে শীত আসলেই সবাই মিলে মাঠ কাটতাম, চাঁদা তুলে কর্ক কিনতাম - সেদিন দেখি মানুষ প্লাস্টিকের কর্ক ব্যবহার করে - দেখেই মনটা খারাপ হয়ে গেল..

Arif rahaman: *ব্যাডমিন্টন* অনেক দিন হইছে খেলি না

সামিয়া: *ব্যাডমিন্টন* কত্ত দিন যে খেলা হয়না (ফুঁপিয়েকান্না) স্কুল এ থাকতে অনেক খেলতাম....

আল ইমরান: *ব্যাডমিন্টন* তেমন খেলতে পারিনা। কিন্তু মাঝে মাঝে ট্রাই করি।

ছবি

বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন: ফটো পোস্ট করেছে

শুরু হলো আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা-২০১৫

অংশগ্রহণকারী দল সমূহ এবং বাংলাদেশী খেলোয়াড় অনিক এর একশন মুহূর্ত

*ব্যাডমিন্টন*
খবর

বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন: একটি খবর জানাচ্ছে

শাটলারদের চাওয়া আরও টুর্নামেন্ট
http://www.prothom-alo.com/sports/article/700513/%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F
খানাখন্দে ভরা বেহাল সড়কটা হঠাৎ ঝা চকচকে! পল্টন উডেনফ্লোর জিমনেসিয়ামের সামনের পিচঢালা রাস্তাটা এখন চেনাই যায় না। জিমনেসিয়ামের দেয়ালে ঝুলছে জোনাকি বাতি। বাইরে রঙিন পতাকা। এক দল বিদেশি খেলোয়াড় গাড়ি থেকে নামছেন। ছড়িয়ে ছিটিয়ে গল্প করছিলেন এনামুল আইমান শাপলারা। এ যেন বিয়েবাড়ির... ...বিস্তারিত
*ব্যাডমিন্টন*
১২১ বার দেখা হয়েছে
ছবি

বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন: ফটো পোস্ট করেছে

এস.এম.মুন্না: *ব্যাডমিন্টন* (ভালো)(ভালো)(ভালো) সেই রকম হচ্ছে খেলা ........

অনুপ: *ব্যাডমিন্টন* খেলতে পারি না ! (মনখারাপ)

রানা মাসুদ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"badminton"

শীত এলেই আমাদের দেশে ব্যাডমিন্টন খেলার জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। যদিও অনেক আগে থেকেই এদেশে ব্যাডমিন্টন বহুল প্রচলিত খেলা হিসেবে সমধিক পরিচিত। শীতের তীব্রতার মাঝে হালকা গরমের আবেশ নিতে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রায় সব বয়সী মানুষেরাই এই খেলায় অংশ নেয়। বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় মেয়েরাও ব্যাডমিন্টন খেলায় অংশগ্রহণ করছে। সবাই এই খেলার সাথে পরিচিত হলেও এর মূল নিয়ম কানুন অনেকেরেই অজানা। খেলার নিয়ম কানুন না জানলে, খেলায় তেমন একটা মজা পাওয়া যায় না। তাই চলুন ব্যাডমিন্টন খেলার নিয়ম কানুন জেনে নেই।

ব্যাডমিন্টনের কোর্ট: ব্যাডমিন্টনের কোর্ট সমতল আয়তাকৃতির হয়ে থাকে। একক ও দ্বৈত উভয় ক্ষেত্রে যার দৈর্ঘ্য ১৩.৪ মিটার (৪৪ ফুট)। প্রস্থের মাপ বাড়ে দ্বৈতের ক্ষেত্রে। দ্বৈতের জন্য কোর্টের প্রস্থ ৬.১ মিটার (২০ ফুট), এককে ৫.১৮ মিটার (১৭ ফুট)। নেটের উচ্চতা ১.৫৫ মিটার (পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি)।

র‌্যাকেট/ব্যাট : BWF(Badminton World Federation) কর্তৃক নির্ধারিত কিছু মাপ রয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এই মাপ অনুযায়ী বিভিন্ন র‌্যাকেট প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠান বণিজ্যিকভাবে র‌্যাকেট উৎপাদন করে থাকে।

একটি র‌্যাকেটের দৈর্ঘ্য সর্বাধিক ৬৮ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা, এবং প্রস্থ ২৩ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা। জাল বোনা মাথার দৈর্ঘ্য সর্বাধিক ২৮ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা এবং জাল বোনা মাথার প্রস্থ সর্বাধিক ২২ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে আধুনিক র‌্যাকেটসমূহের মাপ সর্বোচ্চ মাপের তুলনায় কিছুটা ছোট হয়।

শাটল (কর্ক): শাটলটির ওজন ৪.৭৪ গ্রামের কম অথবা ৫.৫০ গ্রামের বেশি হবে না। এর মধ্যে ১৪ থেকে ১৬টি পালক থাকবে। খেলোয়াড়: একক ম্যাচে উভয়পক্ষে ১ জন করে সর্বমোট ২ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে। দ্বৈত খেলায় উভয়পক্ষে ২ জন করে সর্বমোট ৪ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে।

খেলার নিয়ম ও পয়েন্ট: একক ও দ্বৈত উভয় খেলায় সাধারণত ১৫ থেকে ২১ পয়েন্টে গেম হয়। উভয় খেলোয়াড় বা দল ২০-২০ পয়েন্ট অর্জন করলে সেক্ষেত্রে ২ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয়লাভ করতে হবে, অর্থাৎ ২২-২০, ২৫-২৩ ইত্যাদি।

উভয় দলের পয়েন্ট সমান হওয়াকে ডিউস বলে। মনে রাখতে হবে, এভাবে সর্বোচ্চ ৩০ পয়েন্টের মধ্যে অবশ্যই গেম শেষ করতে হবে। তিনটি গেমের মধ্যে যে বা যে দল দুই খেলায় জিতবে, তারাই বিজয়ী হবে।

একক খেলার সময় সার্ভিসকারীর পয়েন্ট শূন্য বা জোড় সংখ্যা হলে খেলোয়াড় তাদের ডান দিকের কোর্ট থেকে সার্ভিস করবে এবং বেজোড় সংখ্যা হলে বাম দিকের কোর্ট থেকে সার্ভিস করবে। প্রতি পয়েন্টের পর খেলোয়াড়রা তাদের সার্ভিস বা রিসিভ কোর্ট বদল করবে।

দ্বৈত খেলার সময় প্রথম সার্ভিসের জন্য ডানদিকের খেলোয়াড় কোনাকুনি বিপক্ষের কোর্টে সার্ভিস করবে। যাকে সার্ভিস করা হবে কেবল সেই খেলোয়াড় সার্ভিস গ্রহণ করবে। কোনো খেলোয়াড় পরপর দুইবার সার্ভিস করতে পারবে না।

প্রথম গেমে বিজয়ী খেলোয়াড় দ্বিতীয় গেমে সার্ভিস শুরু করবে।সার্ভিসের সময় সার্ভারের দুই পা মাটি স্পর্শ করে থাকবে। সার্ভিস করার সময় শাটল নেটে লেগেও যদি ঠিক কোর্টে পড়ে তবে সার্ভিস ঠিক হয়েছে বলে ধরা হবে।

শাটল দাগ স্পর্শ করলেই শুদ্ধ হয়েছে বলে ধরা হবে। নেট অতিক্রম করে কেউ শাটলে আঘাত করতে পারবে না এবং খেলা চলাকালে কেউ র‌্যাকেট বা শরীরের কোনো অংশ দিয়ে নেট ও পোস্ট স্পর্শ করতে পারবে না।

বন্ধুরা তাহলে তো জেনে গেলেন, ব্যাডমিন্টন খেলার সব নিয়ম কানুন এবার তাহলে খেলার মজাটা একটু ভিন্ন ভাবে উপভোগ করার যাবে তাই না?


*ব্যাডমিন্টন*

ফ্রেশ ফ্রজেন: "ব্যাডমিন্টন" অনেক ভালো লাগে খেলতে ! শীতে এই খেলাটাই সব চাইতে বেশি ভালোলাগে (খুশী২)

*ব্যাডমিন্টন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্যাডমিন্টন খেলার মৌসুম চলে এসেছে। শীতের দাপটকে কুপকাত করতে দেশের সর্বত্র ফ্লাড লাইটের মত আলো জ্বালিয়ে তরুণ যুবারা ব্যাডমিন্টনে মেতে উঠবে। শীত যত বাড়বে, খেলাও তত জমবে। যদিও এক সময় ব্যাডমিন্টন ছিল উচ্চবিত্তের খেলা। এখন সে গণ্ডির প্রাচীর পেরিয়ে ব্যাডমিন্টন চলে এসেছে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত এমনকি নিম্নবৃত্ত সহ সমাজের নানা মানুষের ভিড়ে। তারপরেও ব্যাডমিন্টন সরঞ্জামাদির খরচাপাতির একটা ব্যাপার থেকেই যায়। আবার সব সরঞ্জাম একসাথে পাওয়াও যায় না। তাই কিছুটা হলেও পূর্বপ্রস্তুতি দরকার। চলুন জেনে নেই কি ধরনের সরঞ্জাম লাগবে এই খেলায়...

র‌্যাকেট/ব্যাডঃ
ব্যাডমিন্টন খেলায় হস্তচালিত যে উপকরনটি প্রয়োজন হয় তার নাম র‌্যাকেট। যেহেতু খেলার সময় এটিকে এক হাত দ্বারা অতি দ্রুত চালনা করার প্রয়োজন হয় তাই র‌্যাকেট যত ওজনে হালকা হয় ততই সুবিধা। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের র‌্যাকেট পাওয়া যায়। ১০টি দেখে পছন্দমত একটি নিয়ে নিন।


শাটলককঃ
শাটলকক ব্যাডমিন্টন খেলার দ্বিতীয় প্রধান উপকরণ। আমেরিকানরা একে (Bird অথবা Birdie) শব্দ দ্বারা উপস্থাপন করে থাকে। এটি এক প্রকার কোনক আকৃতির নিক্ষিপ্ত বস্তু যাকে র‌্যাকেটের সাহায্যে সজোড়ে পিটিয়ে প্রতিপক্ষের দিকে নিক্ষেপ করা হয়। শাটলকক দুই ধরণের বস্তু দ্বারা তৈরী করা হয় (১) রাজহাঁস অথবা অন্য কোন পাখির পালক দ্বারা (২) সিনথেটিক/নাইলনের পাতলা বস্তু দ্বারা। বাজারে বক্স ধরে এগুলো কিনতে পাওয়া যায়। দামও খুব একটা বেশি নয়। 


জালঃ
ব্যাডমিন্টন জাল শক্ত সুতা দিয়ে বোনা এক প্রকার জাল, যার পূর্ন দৈর্ঘ্য ২০ ফুট হতে ২২ ফুটের মধ্যে হয়ে থাকে এবং প্রস্থ ২ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে ৩ ফুটের মধ্যে হয়ে থাকে। জালের দৈর্ঘ্য বরাবর একটি শক্ত দড়ি প্রবেশ করিয়ে নেট পোস্টের সাথে বাঁধা হয়। জাল কেনার সময় দেখে শুনে একটু লাইলনের শক্ত টাইপের টা নেওয়া ভাল। এটি বেশ টেকসই হয়। 


পোষাকঃ
ব্যাডমিন্টন খেলাতে প্রচুর পরিমান মাতামাতি করার প্রয়োজন হয় ফলে শরীর খুব তাড়াতাড়ি উত্তপ্ত হয়ে প্রচুর ঘাম নির্গত হয় তাই যথা সম্ভব হালকা জার্সি, ট্রাওজার পরে খেলা উচিত। হাতের কনুইতে ও বাহুতে ব্যাথা হলে রবারের তৈরী বেল্ট হাতে লাগালে কিছুটা আরামদায়ক হতে পারে। পায়ে পাতলা ও নরম সুকতলা বিশিষ্ট কেডস ব্যবহার করলে তা আরামদায়ক হতে পারে। 


আলোক উৎসঃ
দিবালোকে খেললে কৃত্তিম আলাকের উৎসের প্রয়োজন নেই তবে রাত্রিকালীন ম্যাচ খেললে উভয় নেটপোষ্টের পাশে দুটি বৈদ্যূতিক আলোক উৎস লাগিয়ে আলোক সৃষ্টি করা যেতে পারে। ইনডোর ষ্টেডিয়ামে খেললে ষ্টেডিয়ামের বৈদ্যূতিক আলোক উৎস দ্বারা মাঠ আলোকিত করা হয়। 


কোথায় থেকে কিনবেনঃ
র‌্যাকেড, শাটলকক এবং জাল একসাথে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন খেলাঘর থেকে কিনতে পারবেন। লোকাল মার্কেটেও র‌্যাকেট ব্যাট পাওয়া যায়। তবে অনলাইনে ঘরে বসেও আপনি কিনে নিতে পারে আপনার পছন্দরটি। 
এক ক্লিকে ব্যাডমিন্টনে খেলার সব গুলো উপকরণ দেখে নিন-
*ব্যাডমিন্টন* *খেলাধুলা* *ব্যাড* *শাটলকক* *শপিং* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★