ব্রেকআপ

ব্রেকআপ নিয়ে কি ভাবছো?

পাগলা হাওয়া: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ব্রেক আপের পর করণীয় কি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ব্রেকআপ*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

৪/৫
[পিরিতি-কলিজাখানখান] ব্রেকআপ হওয়ার সবচেয়ে ছোট গল্পঃ মেয়েঃ তোমাকে সত্যি অনেক ভালোবাসি। ছেলেঃ এতদিন বল নাই কেন ? মেয়েঃ ভাইয়া দুঃখিত । ভুল করে টেক্সট আপনার কাছে চলে গেছে! ছেলেঃ ইটস ওকে!
*ব্রেকআপ* *ছোটগল্প* *কমেডিয়ানহাফিজ*
৫/৫

মেঘলা -মেয়ে: শত্রুর আঘাতের চেয়ে প্রিয় মানুষের দেওয়া কষ্ট অনেক যন্ত্রণার.(হার্টব্রেক)

*সম্পর্ক* *ব্রেকআপ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

আড়াল থেকেই বলছি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দ্বিতীয়বার প্রেম করা মেয়েটা ক্ষণে ক্ষণে দ্বিতীয় ব্যক্তির মাঝে তার প্রথম ভালবাসার ছায়া খুঁজে পেতে চায়। দ্বিতীয় প্রেম করা ছেলেটা অবচেতন মনে প্রায়ই তার প্রথম প্রেমিকার হাসির সাথে দ্বিতীয় জনের হাসির তুলনা করে ফেলে। না চাইলেও তার চোখ ফ্লাশ ব্যাকে চলে যায়। ছেলেটি তার চোখের জল মুছিয়ে দেবার সময় ক্ষণিকের জন্যে হলেও তার মনে পড়ে যাবে "ঠিক একইভাবে আগেও একজন চোখ মুছে দিয়েছে।" ছেলেটা আজ দ্বিতীয় কারো হাত হয়ত ধরবে। কিন্তু হাতের তালুটা সেই প্রথমবারের মত কখনোই উষ্ণ হবে না। দ্বিতীয় কারো সাথে মেয়েটা বৃষ্টিতে ভিজলেও তার হৃদয়টা আর প্রথম বারের মত সিক্ত হবে না। প্রথম ভালবাসার স্মৃতি মানুষের ইন্দ্রিয়ে "ছায়া"র মত ঘুরঘুর করতে থাকে। ছায়া খুব খারাপ জিনিস। ছায়া কখনো দূরে সরে না। একে ঢেকে ফেলা যায় না, মুছে ফেলাও যায় না। সাথে নিয়ে নিয়ে ঘুরতে হয়। মস্তিষ্ক অদ্ভুত কারনে মাঝেই মাঝেই দ্বিতীয় জনের মাঝে সেই "ছায়া" তৈরী করার একটা চেষ্টা করে চলে।

*সংগ্রহ* *সম্পর্ক* *প্রেম* *ভালোবাসা* *ব্রেকআপ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্বে এক-তৃতীয়াংশ বিয়ে-বিচ্ছেদের কারণ ফেসবুক ! পাঁচ হাজার বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন পর্যালোচনা করে ব্রিটিশ আইনি সংস্থা ‘ডিভোর্স অনলাইন’ এ কথা জানায়।
কারন হিসেবে , সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে দম্পতিদের পরস্পরবিদ্বেষী বিবৃতি, বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে সন্দেহজনক ফেসবুক ব্যবহার ও ইন্টারনেটে আপত্তিকর ছবি প্রকাশ বিয়ে- বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।এছাড়া একে অন্যের প্রতি সন্দেহ ও অবিশ্বাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এ ফেসবুক।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশেও এ সমস্যা পরিলক্ষিত হচ্ছে।এ কারণে ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সূত্রঃ ফেসবুক
*ডিভোর্স* *ব্রেকআপ* *সম্পর্ক*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি যা বাংলাদেশে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। যৌতুক নামের এই মহামারী রোগ প্রতিদিন অনেক মেয়ের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, ঘটছে বিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদের মত অনাকাঙ্খিত ঘটনা। সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বিবাহিত জীবনের মতো নাজুক সম্পর্ক ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হয়তো একটি কারণই যথেষ্ট যার নাম যৌতুক।
কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, বিভিন্ন সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণ ত্রিশূলের মতো দু’জনের মধ্যে মাথা তুলে দাঁড়ায়। এসব কারণের মধ্যে এদেশে যৌতুক, পরকীয়া, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনই প্রধান। ১৯৮০ সালের সামাজিক অপরাধ হলেও গ্রামে, শহরে, উচ্চ, মধ্য ও নিম্নবৃত্ত-সব পরিবারেই যৌতুক বিয়ের প্রধান মাফকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউনিসেফ জানায়, গত ১০ বছরে বিয়ে হয়েছে এমন মেয়েদের শতকরা ৫০ ভাগ যৌতুকের শিকার। যৌতুক ছাড়া এখন বিয়ে হয় না। বিয়ে হলেও যৌতুক না দিয়ে বিয়ে টেকে না।  দেশের প্রায় শতকরা ৯১ ভাগ জনগণ যৌতুক বিরোধী।
২০০৪-এর মে মাসে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতারা দেশব্যাপী এক জরিপ চালান। ২ হাজার অংশগ্রহণকারী যৌতুকবিরোধী আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি যৌতুক গ্রহণকারীকে বয়কটের অভিমত প্রকাশ করেছেন। এদিকে আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানায়, গত বছর প্রথম তিন মাসে যৌতুকের জন্য ৬৭টি মামলা পরিচালনা করে। মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা জানায়, গত বছর প্রথমে তিন মাসে যৌতুকের জন্য ১২ জন নারী নির্যাতিত হয়। ২০০৩ সালে যৌতুকের কারণে হত্যা কর হয় ১২ জন নারীকে। এদের বয়স ১৬ থেকে ৩০ বছর।
যৌতুকের পরেই রয়েছে পরকীয়া প্রেমের জটিলতা। এক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়েরই পাল্লা-ভারী। প্রতিদিনই পত্রিকার পাতা খুললে পরকীয়ার কারণে বিয়ে বিচ্ছেদের ঘটনা আমরা জানতে পারি। তবে পরকীয়ার কারণে বিচ্ছেদের ঘটনা উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। গ্রামে পুরুষরা নারীদের প্রতি পরকীয়ায় এগিয়ে থাকলেও ঢাকা শহরে নারীরাই পুরুষদের প্রতি পরকীয়ায় রয়েছে এগিয়ে। বিদেশে অবস্থানরত অনেক পুরুষ তাদের স্ত্রীকে দীর্ঘদিন দেশে রেখে যাওয়ায় স্ত্রীরা জৈবিক খোরাক নিবারণের জন্য পুরুষ বন্ধু বেছে নিচ্ছে বলে মনোজগৎ ম্যাগাজিনের একটি পরিসংখ্যান তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তথ্যে বলা হয়েছে, ঢাকা শহরের শতকরা ৪৩ ভাগ বিবাহিত নারী পরকীয়া প্রেম করেন। তাদের স্বামীরা চাকরি, ব্যবসা বা অন্য কাজের জন্য গড়ে বছরের ১০ থেকে ১১ মাস ঘরের বাইরে থাকেন।

বিঃ দ্রঃ- বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য গুলি সংগৃহীত
*ডিভোর্স* *ব্রেকআপ* *বিবাহবিচ্ছেদ* *সম্পর্ক*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন কারনে অনেক সময়ে স্বামী-স্ত্রীর পক্ষে একসঙ্গে থাকা সম্ভবপর হয় না, সেক্ষেত্রে তাঁদের দুটি পথ অবলম্বন করা যায় একটি হল - বিবাহ বিচ্ছেদ (Divorce) আর ২য়টি হল আদালতের নির্দেশে আলাদা (Judicial Separation) হয়ে  বসবাস করা।

ডিভোর্সঃ

ডিভোর্স বা বিবাহ-বিচ্ছেদ হল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভাবে ছিন্ন হওয়া। ডিভোর্সের পরে দুজনেই আবার কাউকে বিয়ে করে নতুন সংসার পাততে পারেন। (এখানে মনে রাখতে হবে বিবাহ ভারতবর্ষে ব্যক্তিগত আইনে আওতায় পড়ে। সবার জন্য ধর্ম-নিরপেক্ষ বিশেষ বিবাহ আইন (Special Marraiage Act, 1954) থাকলেও, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর জন্য বিভিন্ন বিবাহ আইন রয়েছে। যেমন মুসলিম বিবাহ আইনে ডিভোর্স না করেও স্বামীর পক্ষে মোট চারটি স্ত্রী গ্রহণ করা সম্ভব।)

জুডিশিয়াল সেপারেশন বা বিচ্ছেদঃ

জুডিশিয়াল সেপারেশন হল আদালতের আদেশে স্বতন্ত্র ভাবে বসবাস করার অধিকার। এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ছিন্ন হল না, কিন্তু তারা আলাদা ভাবে বসবাসের অনুমতি পেলেন। ফলে এঁদের কেউই অন্য কারোর সঙ্গে নতুন করে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হতে পারবেন না। বলা বাহুল্য যে, মুসলিম বিবাহ আইনের ক্ষেত্রে জুডিশিয়াল সেপারেশন প্রযোজ্য হবে না, কারণ সেই আইনে পুরুষের একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু যদি কোনও মুসলিম পুরুষ ও নারী বিশেষ বিবাহ আইন, ১৯৫৪ অনুসারে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন, কিংবা মুসলিম মতে বিবাহের পর বিশেষ বিবাহ আইনে নিজেদের বিবাহ রেজিস্ট্রি করেন, তাহলে তাঁরা বিশেষ বিবাহ আইনের আওতায় পড়বেন। এবং সেই আইনের সমস্ত বিধি-নিষেধ তাঁদের উপরে বর্তাবে।
 জুডিশিয়াল সেপারেশনের ক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তির উপর স্ত্রীর অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে। এছাড়া ফৌজদারী দণ্ডবিধির 125 ধারা অনুসারে আলাদা হবার পর স্ত্রী খোরপোষের আবেদন করতে পারেন। খোরপোষের আবেদন বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটলেও করা যায়। কিন্তু সেই খোরপোষের আদেশ আবার বিয়ে করলে আর বলবত্ থাকে না। নানান কারণে ডিভোর্স বা জুডিশিয়াল সেপারেশনের জন্য আবেদন করা যায়। তার অনেকগুলি নিচে দেওয়া হল। সেই সঙ্গে দেওয়া হল কোন কোন ধর্মের বিবাহের ক্ষেত্রে সেগুলি প্রযোজ্য। এ ছাড়াও অন্য কারণে আবেদন করা সম্ভব। দুজনের মিউচুয়াল কনসেণ্ট বা সহমতের ভিত্তিতেও আদালত বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে বিচ্ছেদ পেতে তাঁদের এক বছর আলাদা থাকতে হয় এবং সহবাস করা থেকে বিরত থাকতে হয়।
কারণ - নিষ্ঠুরতা: স্ত্রীর উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার (যেমন, মারধোর করা, যৌন-নিপীড়ন, স্ত্রীর স্বাধীনতায় অন্যায় হস্তক্ষেপ, সংসার না দেখে মদ-জুয়োতে টাকা ওড়ানো, ইত্যাদি)
কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: হিন্দু, মুসলিম, ক্রিশ্চান, পার্সী, সিভিল ম্যারেজ, এবং স্পেশাল ম্যারেজ এক্ট, 1954, অনুযায়ী রেজিস্টিকৃত বিবাহ। কারণ - ব্যাভিচার (Adultry): স্বামীর (বা স্ত্রীর) অন্য কোনও নারীর (বা পুরুষের) সম্মতিতে তার সঙ্গে যৌন-সম্পর্ক স্থাপন।
কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: হিন্দু, ক্রিশ্চান, পার্সী, সিভিল ম্যারেজ, এবং স্পেশাল ম্যারেজ এক্ট, 1954, অনুযায়ী রেজিস্টিকৃত বিবাহ। কারণ - স্বামী বা স্ত্রীর দু-বছরের অধিক কাল সংসার ত্যাগ করে চলে যাওয়া: কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: হিন্দু, ক্রিশ্চান, পার্সী, সিভিল ম্যারেজ, এবং স্পেশাল ম্যারেজ এক্ট, 1954, অনুযায়ী রেজিস্টিকৃত বিবাহ। মুসলিম আইনের ক্ষেত্রে তিন বছরের বেশি সময় হলে। কারণ - স্বামী বা স্ত্রীর সাত বছরের বেশি কারাদণ্ড হওয়া:
কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: পার্সী, সিভিল ম্যারেজ, এবং স্পেশাল ম্যারেজ এক্ট, 1954, অনুযায়ী রেজিস্টিকৃত বিবাহ। কারণ - স্বামী বা স্ত্রী সাত বছর নিরুদ্দিষ্ট থাকা: কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: হিন্দু, সিভিল ম্যারেজ, এবং স্পেশাল ম্যারেজ এক্ট, 1954, অনুযায়ী রেজিস্টিকৃত বিবাহ। মুসলিম আইনে চার বছরের বেশি সময হলে। কারণ - স্বামী বা স্ত্রী মস্তিষ্ক বিকৃতি:
কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: আবেদনের প্রাক্কালীন তিন বছর ধরে - হিন্দু, সিভিল ম্যারেজ, এবং স্পেশাল ম্যারেজ এক্ট, 1954, অনুযায়ী রেজিস্টিকৃত বিবাহ। মুসলিম বিবাহ আইন। কারণ - যৌন ব্যধি: কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: মুসলিম বিবাহ আইন। রোগ সংক্রামক হলে - হিন্দু, সিভিল ম্যারেজ, এবং স্পেশাল ম্যারেজ এক্ট, 1954, অনুযায়ী রেজিস্টিকৃত বিবাহ। কারণ - স্বামী বা স্ত্রীর অন্য ধর্ম গ্রহণ: 
কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: হিন্দু, পার্সী ও মুসলিম বিবাহ আইন। কারণ - স্বামীর যৌন অক্ষমতা: কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: মুসলিম বিবাহ আইন। বিবাহ বিচ্ছেদের কারণগুলির কোনও একটির ভিত্তিতে জুডিহিযাল সেপারেশনও চাওয়া যেতে পারে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
*ডিভোর্স* *ব্রেকআপ* *সম্পর্ক* *আইন-আদালত*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সংসার জীবনের খুটিনাটি দোষ ক্রটি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্য গোলমাল শুরু হয়। আর গোলমাল থেকে সূত্রপাত হয় ডিভোর্স বা ব্রেক আপের মত ঘটনার যা কাররই কাম্য না। তার পরেও যদি জীবনে ডিভোর্স নামক যন্ত্রনাটি চলে আসে তাহলে কি করবেন তা অনেকেই ভেবে পান না।
ডিভোর্স কিংবা ব্রেকআপ পরবর্তী মানসিক টানাপোড়ন সামলে নেয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হলে আপনাকে যা যা করতে হবে তা জেনে নিন।
 
ডিভোর্স বা ব্রেকআপ পরবর্তী সময়ে করণীয়ঃ

ভালো বন্ধু তৈরী করাঃ
সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর সবচাইতে জরুরি যে বিষয়টি তা হলো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করা এবং একজন ভাল বন্ধু বেছে নেওয়া যার কাছে আপনি সব কিছু শেয়ার করতে পারবেন। এই সময়টাতে একমাত্র বন্ধুরাই আপনাকে সবচাইতে ভালো করে বুঝতে পারবে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর অনেক সময় পরিবারের সাথেই ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। এই ক্ষেত্রে বন্ধুরা আপনাকে সঙ্গ দিতে পারে এবং মানসিকভাবে সহায়তা করতে পারে। এই সময়টাতে বন্ধুদের সাথে বেশি বেশি আড্ডা দিন, ঘুরে বেড়ান, কথা বলুন। এতে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যাবে।

ভাল ও মন রাঙানো মিউজিক শোনাঃ
মনকে শান্ত রাখতে মিউজিকের বিকল্প নেই। গান বা মিউজিক মনকে শান্ত রাখতে সহায়তা করে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে মানসিক টানাপোড়ন কমাতে মন খারাপ হলেই গান শুনুন। খুব ভালো হয় যদি মুড ভালো করার জন্য বিশেষ কিছু মিউজিক পাওয়া যায় ইউটিউবে সেগুলো শুনতে পারেন।

শখকে পাধান্য দেওয়াঃ

সম্পর্কে থাকা অবস্থায় হয়তো আপনি অনেক শখই ছেড়ে দিয়েছিলেন ব্যস্ততার জন্য। সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পরে নিজের পুরোনো শখগুলোর সাথে আবারও সখ্যতা গড়ে তুলুন। এতে আপনার সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার কষ্ট অনেকটাই ভুলে যাবেন আপনি। সেই সঙ্গে দারুণ ভাবে কেটে যাবে আপনার অবসর সময়গুলো।

সৌন্দর্য চর্চাঃ
সম্পর্ক ভেঙে গেলে অধিকাংশ মানুষ যা করে তা হলো নিজের দিকে একেবারেই খেয়াল দেন না। এটা সবচাইতে বড় একটি ভুল। আয়নার সামনে আপনি যতবার ক্লান্ত বিষণ্ণ চেহারা নিয়ে দাঁড়াবেন, ততবার সম্পর্কের ভাঙা গড়ার ঘটনাগুলো আপনার মনে ঘুরপাক খাবে। বরং সুন্দর ঝলমলে চেহারায় আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখুন, মন অবশ্যই ভালো হয়ে যাবে। তাই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর নিজের যত্ন নিন এবং শরীরটাকে ফিট রাখুন। 

জনপ্রিয় সিনেমা দেখতে পারেনঃ

সিনেমা মানুষকে বেঁচে থাকার আশা যোগায়, সুখী হওয়ার স্বপ্ন দেখায়। সিনেমার গল্পের সাথে বাস্তব জীবনকে মেলাতে শেখায় সিনেমা। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে মানসিক অবস্থা যখন একেবারেই খারাপ থাকে তখন কিছু সুন্দর রোমান্টিক, কমেডি কিংবা অ্যাকশন সিনেমা দেখুন। এতে বেশ ভালো সময় কাটবে আপনার। সেই সঙ্গে জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক হয়ে উঠবেন আপনি।

*ডিভোর্স* *ব্রেকআপ* *সম্পর্ক* *দাম্পত্যেটানাপোড়েন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★