ব্লগ

সগীর খান: বেশতোতে অনেক ব্লগ লিখা হয়েছে। যদি একজনের ব্লগ একসাথে দেখার সুযোগ থাকতো তাহলে সেগুলো নিয়ে পরবর্তী কাজ করা সহজ হত। অনেকদিন ধরেই ব্লগ লিখার পর সম্পাদনা করার সুযোগটা চাচ্ছিলাম। এটি কি এখনো যুক্ত হয়নি?

*ব্লগ* *বেশতো*

সগীর খান: অনেকদিন ধরেই নিজের ব্যক্তিগত ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগটা গোছানোর চেষ্টা করছি। তারই ধারাবাহিকতায় বেশতোতে আমার লিখা ব্লগগুলো খুঁজে বের করে বুকমার্ক করে রাখলাম নিজের ব্লগে টুকে রাখবো বলে। খুঁজতে গিয়ে আমি নিজেই অবাক! এতগুলো ব্লগ লিখেছি! যেগুলো নিজের ব্লগে টুকে রাখার মত এমনগুলো বুকমার্ক করতে করতে দেখি ১৩টা হয়ে গিয়েছে।

*ব্লগ* *সগীর-হোসাইন-খান*

সাদাত সাদ: বিগত বছর খানেক আগে দেশের একটি ব্লগে একাউন্ট খুলে একটি ব্লগ ও লিখেছিলাম। আজ এক বছর পর সেই ব্লগে আবার গেলাম এবং ব্লগ লিখে আসলাম, আশাকরি আবার এক বছর পর সেই ব্লগে যাব। আরেকটা ব্লগ লিখতে (খিকখিক)

*ব্লগ*

দস্যু বনহুর: [বাঘমামা-হাহাহা] ................একটি বেশব্লগ লিখেছে।...... নাকি, ...............একটি লেখার অনুলিপি দিয়েছে্ন। ! ! বিঃদ্রঃ ব্লগ লেখার আমেজটা বেশতোতে বিশালাকারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে স্বল্প কিছু ব্লগ আছে এখানে যা মৌলিক এবং গ্রহনযোগ্য।

*অনুলিপি* *ব্লগ*

আল ইমরান: [বেশবচন-ভুয়াভুয়া]প্রতিটি ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় সান্ড্রি নামক একটা একাউন্ট থাকে। যেখানে দিন শেষের গরমিল এমাউন্ট পোস্টিং দেয়া হয়। এবং সমাধান হওয়ার পর তা আবার সান্ড্রি থেকে ডেবিট করে নির্ধারিত হিসাবে দেয়া হয়। আমাদের দেশেও আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবং এই ধরনের কিছু নামের সান্ড্রি হিসাব খোলা হয়েছে। যেখানে ব্লগার খুনের কেস কে খুব সহজেই তাদের একাউন্টে জমা করে। সত্যি সেলুকাস

*ব্লগ* *ব্লগার*

মোঃআশিকুর রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনন্ত চিন্তা করে একটা উপায় বের করল।এটা সে শিহাবকে বলল। শিহাব এটা শুনে সানন্দে রাজি হল।তো একদিন অনন্ত পূর্বেকার মত রাত ১২টার দিকে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তখন সে এক শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পায় আবারো। জানালা দিয়ে দেখে ওই শিশু চোরটাই।সে শিহাবকে ফোন করল,শিহাব অনন্তের কথামত অনন্তের বাড়ির দিকে রওনা হল।পথিমধ্যে শিশু চোরটিকে দেখতে পেয়ে লুকিয়ে গেল।তারপর চোরটার পিছনে আইসক্রিম এর সাইকেল রেখে যথেষ্ট দুরে সরে বেল বাজাতে লাগল। চোরটা দেখল,আইসক্রিম এর সাইকেল। সে ওইটার দিকে যেতে লাগল। তার কাছে আসতেই সাইকেলটা দুরে সরে গেল।যতই কাছে যায়,সাইকেলটা ততই দুরে যায়।একটা সময় সাইকেলটা জংগল এ ঢুকলে চোরটাও জংগলে ঢুকে।তখনি অনন্ত আর শিহাব চোরটিকে ধরে ফেলে।তারপর অনন্ত চোরটাকে নিজের ঘরে নিয়ে জেরা করতে থাকল। চোরটা বলল যে,সে চুরি করেছে সত্য কিন্তু সে এটা করেছে অভাবের টানে।বাবা মারা যাবার পর মা তাকে ছেড়ে অন্য একজনকে নিয়ে পালিয়ে যায়।সে একা হয়ে পড়ে।যে বুঝতে পারছিল না কি করবে।তখন সে নিরূপায় হয়ে চুরির পথ বেছে নেয়।অনন্ত সব শুনে সিদ্বান্ত নিল যে,ছেলেটিকে সে নিজের কাছে রাখবে,তাকে লেখাপড়া শিখিয়ে বড় করবে।তারপর থেকে শিশুটি অনন্তের কাছে থেকে মানুষ হতে লাগল।

শিশুটি অনন্তের ঘরে চুরি করে সব নিয়ে গেছে জেনেও,শিশুটি চোর জেনেও অনন্ত তাকে বাঁচিয়ে তাকে মানুষ করার মহত সিদ্বান্ত নিল।অথচ আমরা শিশুদের কি করি?চোর নয় জেনেও পিটিয়ে তাকে পৃথিবীছাড়া করি!!! হায়রে মানবতা,তুমি এখন রংধনু ছাড়া আর কিছুই না!!!!(আম্মুউউউ)(কান্না৩)(রাগী)(মনখারাপ)
*ব্লগ*

মোঃআশিকুর রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনন্ত গ্রামে ছোট একতলা বাড়িতে ঘুমাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।সময় রাত ১২টা।হটাত সে একটা শব্দ শুনলো। কোন বাচ্চার কান্নার শব্দ। অনন্ত এটাকে তেমন আমলে নিল না।সে ঘুমিয়ে পড়ল।কিন্তু সে শব্দ এড়িয়ে যেতে পারলনা।১.৩০টায় অনন্তর ঘুম ভাংল।সে বাইরে গেল শব্দের উতপত্তি জানার জন্য।বেশিদূর হাটার দরকার তার হয়নি, বাড়ির কাছে অনন্ত দেখল এক শিশু কান্না করছে।অনন্তরর মায়া হলো,সে শিশুটির কাছ থেকে ওর পরিচয় জানতে চাইল,কেন কাঁদছে তাও জানতে চাইল।শিশুটি বলল সে দুইদিন ধরে খেতে পায়নি,এই দুনিয়ায় ওর কেউ নেই যে ওকে নিবে।এসব জেনে অনন্ত শিশুটিকে তার ঘরে নিয়ে গেল।তাকে খাইয়ে দাইয়ে তার ঘরে থাকতে দিল।শিশুটিকে বলল আজ থেকে তুমি আমার কাছে থাকবে।এরপর ওকে ঘুম পাড়িয়ে অনন্ত ঘুমাতে গেল।

সকালে ঘুম থেকে উঠে অনন্তর চোখ তো ছানাবড়া। শিশুটিতো নেই সাথে সাথে তার ঘরের জিনিসপত্র ও উধাও!!!! অনন্ত কি করবে বুঝতে পারছেনা। সে তার ঘরের সামনে মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকল।অনন্তর বন্ধু শিহাব অনন্তর বাসার সামনে দিয়ে যাবার সময় অনন্তর এই অবস্তা দেখে এর কারন জানতে চাইল।অনন্ত শিহাব কে সব খুলে বললে,শিহাব বলল ও একটা চোর।এভাবে সে অনেকের বাড়ি থেকে চুরি করেছে।সব কিছু শুনে অনন্ত ভাবতে লাগল কি করা যায়?
*ব্লগ*

মোঃআশিকুর রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের দিনের মতো ঈদের পরের দিনও বৃষ্টিস্নাত হয়েই কাটল।জানিনা কি কারনে কয়েকদিন ধরে প্রকৃতি এত নারাজ যে সবার ঈদ আনন্দ মাটি করতে তৎপর হলো সে।আবার বৃস্টির দিনে নাকি প্রিয়জনের কথা মনে পড়ে।প্রকৃতি হয়তো চাচ্ছে আমরা যেন প্রিয়জন এর কথা মনে করি।

সকালে ঘুম থেকে দেরীতে উঠলাম আজ।উঠে নাস্তা করলাম, নাস্তা করে বসলাম বেশতো তে।দেখলাম নোটিফিকেশন আসল কিনা,তারপর অন্যান্য লেখা দেখতে দেখতে একজনের লেখা চোখে পড়লো। লেখা দেখেই অবগত হলাম আজ সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের ৩য় মৃতু্্যবার্ষিকী।তখন ওনার সাহিত্যকর্মের কথা মনে হতে লাগল।চিন্তা করলাম বাংলাদেশে তার মতো সাহিত্যিক জন্ম নেবে কিনা।সে চিন্তা এমনই যে,দুপুরের খাবার না খেয়েই ঘুমিয়ে গেলাম(!!!!)।তারপর অাবার বেশতো তে বসলাম।বেশতো তে অামার এ পর্যন্ত পরিসংখ্যান দেখলাম।অামি ২৭৩ জনকে ফলো করছি,৫৭জন অামাকে ফলো করছে,পোস্ট দিয়েছি ৬১৩টি।অন্যের তুলনায় নেহায়েত কমই।এরপর মাগরিবের নামাজ পরে চটপটি, সেমাই খেয়ে ধোয়া উঠা চা নিয়ে ব্লগ লিখতে বসলাম।এখন অপেক্ষায় আছি কখন ১০টা বাজবে,আমি ইত্যাদি দেখতে টিভির সামনে যাব।

অামার অলস সময় এভাবেই কেটে যাচ্ছে। কয়েকদিন পর এই সময়ের অবসান ঘটবে,কর্মব্যস্ততায় ডুবে যাব আমি,যার কারনে এগুলো তেমন মনে হবে না হয়তো।তবে সময়টা মোটামুটি ভালই উপভোগ করছি।
*ব্লগ*

দস্যু বনহুর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

            ফেসবুকে কি মনে করে যে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছি মনে নেই, রিকোয়েষ্ট এক্সেপ্ট করলে কি মনে করে তা কি জানো! এরপর এর বেশি আর চিনতে পারিনি। অনেকদিন পর একটা কমেন্ট পরলাম একটা লিংক’এ, প্রশংশা করেছ কি যেন! খুব একটা খেয়াল করিনি, তারপর দেখলাম আমার পছন্দের একটা পেজ এ তুমিও  লাইক করেছ, তখন তোমার প্রফাইলে প্রথম যাই আমি, ভালো করে তোমাকে দেখলাম, বোঝার চেষ্টা করলাম, অনেক ছবির মধ্য থেকে তোমাকে আমি খুজে পেলাম বিষন্ন একাকী একজন মানুষ’কে। কেন এই উপলব্ধি, আমি জানিনা। তখনও তোমার গালের টোল আমি দেখিনি, ওখানেই তখন শেষ ছিল।
এরপর নিজের মতই দিন কাটছিলো, হঠাত আবার তুমি! তোমার স্ট্যাটাস, সবার থেকে একটু আলাদা। এর কয়েকদিনের মধ্যেই মনে হয় আমি ফেসবুকে, তুমি কোত্থেকে উদয় হয়ে আমাকে কি সব বলছিলে যেন, আমি স্বাভাবিক উত্তর দিচ্ছিলাম, মিথ্যে বলবনা একটু অগ্রাহ্য’ও করছিলাম হয়ত, সেদিন কিছু কথা হলো। আবার একদিন আমি অনলাইনে ছিলাম না তুমি লিখলে, আজকে বিখ্যাত মানুষের সাথে কথা বলার ইচ্ছা ছিল…এমন কিছু একটা, মনে হল কেন ছিলাম না আমি! এর পর পরই তুমি কি একটা ইমোটিকন (চোখে পাতায় হৃদয় ছলকে উঠছে) পাঠালে, এবং সেজন্য তোমার কি লজ্জা! কোনোভাবে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা, আমি খুব হাসছিলাম, মজা পাচ্ছিলাম তোমার সংকোচ দেখে। ভাবছিলাম কিভাবে অজান্তেই মানুষ তার খেয়াল তুলে ধরে অন্যের কাছে, ভুল করেই হয়ত তুমি সেদিন আমার অনেক কাছে চলে এলে, আমিও আমার দ্বার খুলে দিলাম তোমার জন্য…… শুরু হলো কথার মালা গাথা। সময় চলছে নিজস্য গতিতে আর আমরা ভেসে যাচ্ছি কথার সাগরে, ঢেউয়ের পর ঢেউ আছড়ে পড়ছে আমাদের হৃদয়ে, আমরা ভিজে একাকার হয়ে যাচ্ছি। না বলে কয়েই এক অবাধ্য প্রেম বাসা বাধলো আমাদের মনে। এত কথা যে তুমি বলতে পারো! আমাকে আমার মধ্য থেকে বের করে নিয়ে এসে রাতের নক্ষত্রের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলে আর আমিও খুজে পেলাম আমার বনলতা সেন, মুখ তার শ্রাবস্তি’র কারুকার্য, খলখল একাকিত্বের অন্ধকারে আলোর দ্যুতি, মেঘাকাশের ভয়ংকর সুন্দর বিদ্যুৎ! আমি কোনভাবেই নিজেকে সামলাতে পারলাম না, আমাকে ইচ্ছে করেই তোমাতে ডুবিয়ে দিলাম ঘনঘোর ঝরঝর বরষায়। রাতের নক্ষত্র হয়ে আকাশে আমি, মাটির পুতুল বনলতা’র জন্য সারাক্ষন বসে থাকি, পথ দেখাবো বলে! তোমার প্রথম প্রেম রবী ঠাকুর আর আমি কত পেছনে বনলতা? 
*ব্লগ* *পিপড়াবিদ্যা* *ফেসবুক*

অভ্র মেঘ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সামার নাঈট গুলো অদ্ভুত রকম সুন্দর হয় ।স্নিগ্ধতা মাখা রাত গুলো তে কোন একটিভিটিজে অংশ নিতে ইচ্ছে করেনা। ইচ্ছে করে সবুজ লনে চেয়ারে বসে শরীর এলিয়ে দিতে। সামনে রাখা সিরামিকের কাপ হাতে তুলে নিতেও জড়তা আসে। চা য়ে ঠোঁট ছোঁয়াতে মন চায়না, বরং পুরো রাত জুড়ে মনে হয় ভাসিয়ে রাখি নিজেকে এ হাল্কা ভেজা বাতাসে । রজনীগন্ধা যদি যুক্ত হয় সে রাতের মায়াময়তায় তবে তা জীবন্ত হয়ে ওঠে। ধীর পায়ে আসতে থাকে কাছে। সবুজ চিকন ধারালো ঘাসের কার্পেটে তার মৃদু ঝংকার সচেতন করে তোলে। তার উপস্থিতি, এই সচেতনতায়। তাকে দেখতে কি চাই? তার শ্বেত-শুভ্রতার ছায়ায় সে হারায়, যদি ফিরি ঘুরে, পেতে যদি তাকে চাই।

https://www.facebook.com/avromegh7/posts/1569382403309745?pnref=story
*ব্লগ* *রাত* *সন্ধ্যা* *চা*

অভ্র মেঘ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জীবন হয়ত চক্রাকার, আমার
তাইই ধারণা, আমার
ধারণার চাইতেও অনেক
বেশি চক্রাকার হতে
পারে। আমি তা জানিনা
কতটা বেশি বা কেমন। তবে
খুব ভালমতই বুঝতে পারি
জীবন ওয়ান ওয়ে জার্নি।
এর পেছনে যাবার রাস্তা
নেই কোন, যে রাস্তা
দিয়ে এসেছি এতটা সেই রাস্তা
দিয়েও নয়। এখন কিভাবে এই
রাস্তায় চলা যায় ?
পৌঁছানো যায় শেষ পর্যন্ত,
নাকি মাঝ পথেই মরে
যেতে হয়?
ভীড় জড়ানো এই রাস্তা
তো ভাল লাগেনা।
মেলানো কঠিন হয়ে পড়ে,
দূরে থাকতেই স্বস্তি পাই ।
আসলেই কি চাপিয়ে
দেওয়া পরিচয় বয়ে নিয়ে
বেড়ানো নয় কি? আশ্রিত
থাকবার মতই তো বেঁচে
থাকাটা হয়ে গিয়েছে। মূল
পরিচয়টি কোথায়? এই
পরিচয়েই খোঁজেই কি শেষ
মাথায় গিয়ে পৌছাতে
হবে ?কিন্তু সেই পর্যন্ত
যাত্রা তো হচ্ছেনা তেমন
যেমন হওয়া উচিত। কি হবে
এই বৃত্তের বাইরে গেলে?
হারিয়েই কি যাবনা? মনে
হয় মাঝে মাঝে এই
প্রক্রিয়া ভেঙে ফেললে
কেমন হয়। খুব ভুল একটি কথা
বলে ফেললাম। আমি কখনোই
এই বৃত্ত চক্র ভাংতে
পারবনা । বরং আমাকেই
বেরিয়ে যেতে হবে ।
পাটীগণিতের ছকে বাঁধা
হয়ে গিয়েছে সব কিছুই। যদি
হুট করেই গুটিয়ে নেই,
হারিয়েই যাই নিজেকে
নিয়ে ,আমার ধারণা, মজাই
হবে। নাও হতে পারে। কেই
বা বলতে পারে, কি আছে
মুদ্রার অপর পৃষ্ঠে?
*জীবন* *ব্লগ*

শাহান: আমি 3D শেখার উদ্যোগ নিলাম কয়েক দিন আগে, এখনো তেমন কিছু পারি না, তবে একটা ব্লগ খুলেছি গত বছর ঐখানেই পোস্ট করছি. ব্লগ এর লিংক হলো - http://shahanlearnstodraw.wordpress.com/ আসলে খুশি হব :D

*আর্ট* *3D* *ব্লগ* *বর্দ্প্রেস*

The তানভীর স্বপ্ন: [ভুত-প্লীজ]সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবের মানুষগুলো আসলে নিজেদের ভেতরই কেমন একলা একা! তারা সুখ খুঁজে ফেরে ব্রাউজিং ট্যাবের রঙচঙা পাতাগুলোয়। সুখ খুঁজে ফেরে চৌকোনা বাক্সাকৃতির ছবির পাশে দেওয়া অদেখা-অচেনা মানুষগুলোর লিখার মাঝে! (মনখারাপ)

*বেশতো* *ফেসবুক* *টুইটার* *মাইস্পেস* *গুগল-প্লাস* *ব্লগ* *ফোরাম*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: আমি ব্লগে লেখালেখি শুরু করেছি.....বেশতো পাঠকদের প্রতি অনুরোধ আমার ব্লগ পড়ে সুচিন্তিত মতামত জানান ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের তালিকা http://www.somewhereinblog.net/blog/abdulGoni007/29930877

*ব্লগ* *ইতিহাস* *লেখালেখি*

নাহিয়ান সেজান: আজকে একটা ক্লিনিক দেখলাম, নাম সোনার বাংলা ক্লিনিক। একটু গোবেষনা করতেই নিশ্চিত হলাম ইহা জামাতি মাল। সোনাব্লগের সোনাযুগের কথা মনে পরি গেল রে! কিউরিয়াস বিড়াল জানতে চায়, সোনাযুক্ত সবকিছু জামাতি হয় কেন গো?? (হিহিহি) (শয়তানিহাসি)(চিন্তাকরি) (মামাকিদেখলাম)

*ক্লিনিক* *বেড়াল* *ব্লগ* *সোনার-বাংলা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★