ব্লাড ব্যাংক

ব্লাডব্যাংক নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

রক্তের গ্রুপের বিস্তারিত।

*রক্তেরগ্রুপ* *ব্লাডব্যাংক* *জরুরীপ্রয়োজন* *স্বাস্থ্যতথ্য*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

“রক্তে মোরা বাঁধন গড়ি, রক্ত দেবো জীবন ভরি” মহৎ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর পুলিশ ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়। পুলিশ ব্লাড ব্যাংক রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে পুলিশ ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত। পুলিশ বাহিনীর সদস্য ছাড়াও যে কোনো ব্যক্তি এই ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত নিতে পারেন। আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল রোগীদের বিনাখরচে রক্ত দেওয়া হয়।



পরিচালনা কমিটিঃ
ঢাকা মেট্রোলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) এর সভাপতি। তত্ত্বাবধায়ক, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, এডিসি (সদর দপ্তর), এডিসি (প্ররক্ষা) এসি (ফোর্স) এবং আরএমও, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল পুলিশ ব্লাড ব্যাংকের কার্যকরী কমিটির সদস্য। আর ডিএমপি’র এসি (কল্যাণ) এই কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে কাজ করছেন।

সুবিধাসমূহ :

এখানে প্রক্রিয়াকৃত প্রায় সব ধরনের রক্ত পাওয়া যায়। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্ধারিত রক্তের ৫টি টেস্ট করা হয়। এগুলো হচ্ছে- ম্যালেরিয়া, হেপাটাইটিস বি/সি, সিফিলিস, গনোরিয়া এবং এইডস। এছাড়া আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল রোগীদের বিনামূল্যে রক্তের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। জরুরি প্রয়োজনে ডোনারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রক্তের ব্যবস্থা করা হয়।

যোগাযোগ :

কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা।
ফোন: ৯৩৬২৫৭৩।
মোবাইল ০১৭১৩-৩৯৮৩৮৬। ডিএমপি ২৪২৫।
ই-মেইল: info@policebloodbank.gov.bd,
ওয়েবসাইট: www.policebloodbank.gov.bd
*ব্লাডব্যাংক* *জরুরীপ্রয়োজন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী রক্ত দাতাদের একটি সংগঠনের নাম বাঁধন। সারা দেশে স্বেচ্ছায় রক্তা দাতাদের সংগঠন হিসেবে বাঁধন ব্লাড ব্যাংক বেশ পরিচিতি লাভ করেছে। ১৯৯৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি,এস,সি’তে সর্ব প্রথম বাঁধন ব্লাড ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পুরো নাম বাঁধন বা লায়াস বাংলাদেশ।

বাঁধনের শাখা সমূহঃ
ঢাকা সহ দেশে বাঁধনের সর্বমোট শাখা রয়েছে ৩২ টি। বাঁধনের শাখাগুলোর মধ্যে ১০ টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২২ টি রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পর্যায়ে।

রক্ত সংগ্রহের উৎসঃ
এখানে রক্তের উৎস কেবলমাত্র স্বেচ্ছাসেবীদের দানকৃত রক্ত। রক্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া রক্ত সংগ্রহ করার জন্য টি.এস.সি চত্বরে বাঁধনের জোনাল অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। রক্তদান প্রক্রিয়া রক্ত দান করতে হলে প্রথমে তাদের ফরম পূরণ করতে হবে। যদি পরীক্ষায় রক্ত ভাল বলে প্রমানিত হয়, তাহলে তারা রক্ত নিয়ে থাকে। রক্ত সংগ্রহ করতে হলে মেডিক্যাল অফিসারের সিল ও স্বাক্ষর যুক্ত লিখিত ব্লাড রিকুইজিশন আনতে হবে। তবেই রক্ত গ্রহণ করা যাবে।

রক্ত সংগ্রহ প্রক্রিয়াঃ
বাঁধনের রক্ত সংগ্রহ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিন।
ক) সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী আয়োজনে বাঁধন তাদের দল নিয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করে।
খ) রক্ত দানের পর রক্ত দাতাদের জন্য গ্লুকোজের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।
গ) রক্ত সংগ্রহে সাধারণত সিরিঞ্জ ব্যবহার করা হয়। একটি সিরিঞ্জ একবার ব্যবহার করা হলে তা পুনরায় ব্যবহার করা হয় না।
ঘ) এখানে রক্ত সংরক্ষন প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তি প্রচলিত নিয়মে করা হয়ে থাকে। রক্ত সংরক্ষনের জন্য CPDA-1 (ব্যাগ উন্নত মানের) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

রক্ত সরবরাহঃ
এখানে সাধারণ মানুষ এবং গরীব-অসহায় মানুষের জন্য রক্ত সরবরাহ করা হয়। রক্ত সরবরাহকালে কেবলমাত্র রক্তের ব্যাগের দাম নেয়া হয়ে থাকে। সদস্যপদ বাঁধনে সেচ্ছাসেবকপদ বা সদস্যপদ পেতে হলে বাঁধনের নির্ধারিত ফরম পূরন করে সদস্য হতে হবে। বাঁধনের সদস্য হতে প্রার্থীকে অবশ্যই কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী হতে হবে।

বাঁধনে আপনি যা পাবেনঃ
ক) এখানে সব ধরনের রক্তের গ্রুপের রক্ত পাওয়া যায়।
খ) এখানে প্রক্রিয়াকৃত কোন রক্ত পাওয়া যায় না। এখানে দাতাদের দেওয়া তাজা রক্ত পাওয়া যায়।
গ) বাঁধন সংগঠনটি সম্পূর্ন সরকার অনুমোদিত একটি প্রতিষ্ঠান।
ঘ) চাহিদামত রক্ত পাওয়া না গেলে বাঁধন অন্যান্য রক্ত সংগঠনগুলোর শরণাপন্ন হয়ে রক্ত গ্রহীতাদের যথাসম্ভব সাহায্য করে থাকে।

যোগাযোগের সময়ঃ
খোলা-বন্ধের সময়সূচী বাঁধন সন্ধ্যা ৬ টায় খোলা হয় এবং রাত ৯ টায় বন্ধ করা হয়। কারও যদি তৎক্ষনাৎ রক্তের প্রয়োজন হয় তাহলে হলগুলোতে যোগাযোগ করতে হবে।

যোগাযোগ ঠিকানাঃ
বাঁধন, টি.এস.সি (নিচতলা), (জোনাল অফিস), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ফোন- ০২-৮৬২৯০৪২ ( সকাল ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত)।
ই-মেইল- du@badhan.org
ওয়েব সাইট- www.badhan.org

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখাঃ স্টেডিয়াম মার্কেট, রা. বি.
*ব্লাডব্যাংক* *জরুরীপ্রয়োজন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে



জরুরী প্রয়োজনে রক্ত দান করে জীবন বাঁচানোর চাইতে মহৎ কাজ আর কি হতে পারে। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচাতে সেই ১৯৭৭ সাল থেকে কাজ করে আসছে সন্ধানী ব্লাড ব্যাংক। নিজেদের প্রচেষ্টা আর দাতাদের অনুপ্রেরণা প্রদানের মাধ্যমে দেশের অন্যতম বৃহৎ রক্ত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে সন্ধানী ব্লাড ব্যাংক।

সন্ধানী ব্লাড ব্যাংক তৈরীর ইতিহাসঃ

এটি মূলত বিভিন্ন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী কৃর্তক প্রতিষ্ঠিত একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।১৯৭৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান আন্দোলনের পথিকৃৎ "সন্ধানী"। বন্ধুর প্রতি ৬ জন উদ্যমী তরুণের অকৃত্রিম ভালবাসা থেকে জন্ম নেয় ঢাকা মেডিকেল কলেজের এই উজ্জ্বল নক্ষত্রটি। আর্থিক অনটনে জর্জরিত ২য় বর্ষের এক ছাত্রের সকালের নাস্তার টাকা যোগাড় করে দেয়ার মাধ্যমে হঠাৎ করেই সন্ধানীর আত্মপ্রকাশ। আত্মপ্রকাশের পরবর্তী এক বছর বিভিন্ন ধরনের সমাজসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করলেও ‘স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী’ সন্ধানীর কার্যক্রমের আওতাভুক্ত ছিল না। ১৯৭৮ সালের ২রা নভেম্বর ডিএমসিএইচ ব্লাড ব্যাংকে সন্ধানী প্রথমবারের মত ‘স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচীর’ আয়োজন করে এবং পরবর্তীতে এই দিনটিকেই ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস’ হিসেবে পালন করার ঘোষণা দেয়া হয়।


যোগাযোগঃ
সন্ধানী বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ ইউনিট। রোড ১৪/এ, বাড়ি ৩৪, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা।
ফোন: ০২-৯১২৪৬১৯।
মোবাইল: ০১৫২৩৭১৫৩১।
ওয়েবসাইট : www.sandhani.org


*ব্লাডব্যাংক* *জরুরীপ্রয়োজন*
ছবি

খুশি: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

ব্লাড ব্যাংক

একের রক্ত অন্যের জীবন। রক্ত দিন জীবন বাঁচান।

*ব্লাডব্যাংক* *জরুরীপ্রয়োজন*

বেশতো Buzz: জরুরী প্রয়োজনে মানুষকে সাহায্য করা আমাদের একান্ত কর্তব্য। আসুন জরুরী প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য নতুন কিছু স্টারড ওয়ার্ড দিয়ে লিখে সহযোগিতার হাত বাড়াই। লিখুন *জরুরীপ্রয়োজন* *হাসপাতাল* *ব্লাডব্যাংক* *আইব্যাংক* *জরুরীফোননম্বর* *অ্যাম্বুলেন্সসার্ভিস* *ঢাকারথানা* *ফায়ারসার্ভিস* *আবাসিকহোটেল* *পরিবহন* ইত্যাদি স্টারড ওয়ার্ড দিয়ে।

*জরুরীপ্রয়োজন* *হাসপাতাল* *ব্লাডব্যাংক* *আইব্যাংক* *জরুরীফোননম্বর* *অ্যাম্বুলেন্সসার্ভিস* *ঢাকারথানা* *ফায়ারসার্ভিস* *আবাসিকহোটেল* *পরিবহন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্লাড ব্যাংকঃ
জরুরী রক্তের প্রয়োজনে ব্লাড ব্যাংকই হয় আমাদের একমাত্র আশা ভরশার স্থান। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে রোগীদের প্রয়োজনীয় মুহুর্তে রক্ত সেবা প্রদানে বেশ কয়েকটি ব্লাড ব্যাংক রয়েছে। সংগঠনগুলো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত। এই সংগঠনগুলো রোগীদের রক্ত সরবরাহে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে থাকে। চাহিদা মাফিক গ্রুপের রক্ত তাদের সংগ্রহে না থাকলে রক্তদাতার ব্যবস্থাও করে থাকে। এ সকল প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র স্বেচ্ছায় রক্ত দাতাদের রক্ত সংগ্রহ ও সরবরাহ করে থাকে। তাদের সংগ্রহে প্রক্রিয়াকৃত ব্যতীত সকল গ্রুপের রক্ত থাকে।
রক্তদান ও গ্রহণঃ
প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ফরম পূরণ করে নমুনা রক্ত দিতে হয়। নমুনা রক্তে কোন প্রকার সমস্যা না থাকলে রক্তদাতার কাছ থেকে রক্ত নেয়া হয়। রক্ত গ্রহণের সময় হাসপাতালের মেডিকেল অফিসারের সিল ও স্বাক্ষরসহ লিখিত ব্লাড রিকুইজেশন জমা দিতে হয়।
খরচঃ
রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড ব্যাংক সোসাইটির এক ব্যাগ রক্তের খরচ পড়ে ৭০০ টাকা। বাঁধন ব্লাড ব্যাংক শুধুমাত্র ব্লাড ব্যাগের দাম নিয়ে থাকে। কোয়ান্টামে ব্লাড সেন্টারের এক ব্যাগ রক্তের খরচ পড়ে ৭৫০ টাকা। পুলিশ ব্লাড ব্যাংকে রক্তের দাম রাখা না হলেও ব্লাড ব্যাগের মূল্য, পাঁচটি রোগের পরীক্ষা খরচ, ক্রস ম্যাচিং টেস্ট ও প্রসেসিং এর জন্য ৪০০ টাকা ফি রাখা হয়।
রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড ব্যাংক সোসাইটি সরকারি হাসপাতালের ফ্রি বেডের রোগীদের জন্য ২৫০ টাকা ও ক্লিনিকের রোগীদের জন্য ৪৫০ টাকায় রক্ত দিয়ে থাকে। থেলাসেমিয়া রোগীদের জন্য কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন সাপেক্ষে ৫০% ছাড়ে রক্ত দিয়ে থাকে। কোয়ান্টাম ব্লাড সেন্টার থেলাসেমিয়া রোগীদের জন্য ছাড় দিয়ে থাকে।
সুযোগ সুবিধাঃ
রক্ত দানের পর রক্ত দাতাদের জন্য জুস ও গ্লুকোজের ব্যবস্থা করে।
রক্ত সংরক্ষণের জন্য CPDA-1 ব্যাগ ব্যবহার করে থাকে। রক্ত সংগ্রহের জন্য একটি সাধারণত সিরিঞ্জ একবারই ব্যবহার করে থাকে।
পুলিশ ব্লাড ব্যাংক থেকে পুলিশ বাহিনীর সদস্য ছাড়াও অন্য যে কোন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্য রক্ত সরবরাহ করতে পারে।
রক্ত সংরক্ষণে না থাকলে তালিকাভুক্ত রক্তদাতার সাথে যোগাযোগ করে রক্তের ব্যবস্থা করে দিয়ে থাকে। পুলিশ ব্লাড ব্যাংক গরীব রোগীদের বিনামূল্যে রক্ত সরবরাহ করে থাকে। এই ব্লাড ব্যাংক গুলো যারা স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়ে থাকে তাদের কাছ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে থাকে।
রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড ব্যাংক সোসাইটি ও কোয়ান্টাম ব্লাড ব্যাংকের সদস্য হওয়া না গেলেও শিক্ষার্থীদের জন্য বাঁধনের সদস্য পদ উন্মুক্ত রয়েছে।
রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড ব্যাংক সোসাইটি ও কোয়ান্টাম ব্লাড ব্যাংক রক্তদাতাদের চিহ্নিত করতে একটি আইডি কার্ড প্রদান করে থাকে। রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড ব্যাংক সোসাইটি চাহিদা মত রক্ত পাওয়া না গেলে রক্ত দাতার ব্যবস্থা করে থাকে।
প্রতিবার রক্ত সংগ্রহের সময় হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, সিফিলিস, এইডস ও ম্যালেরিয়া এই পাঁচটি রোগের জীবানু আছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়।
বাঁধন ব্লাড ব্যাংক থেকে থেলাসেমিয়া রোগীদের জন্য রক্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে খরচে ছাড় পাওয়া যায় না।

যারা রক্তদান করতে পারেনঃ

১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের যাদের ওজন নূন্যতম ৪৫ কেজি বা ১০০ পাউন্ড তারা রক্তদান করতে পারেন।
রক্তদানের সময় রক্তদাতার তাপমাত্রা ৯৯.৫ ফারেনহাইটের নিচে এবং নাড়ির গতি ৬০ থেকে ১০০ বার এর মধ্যে হতে হয়।
ওষুধ ছাড়া সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০ এবং ১৪০ থেকে পারদ চাপ এবং ডায়স্টোলিক রক্ত চাপ ৬০ থেকে ১০০ পারদ চাপের মধ্যে হওয়া প্রয়োজন।
পুরুষের ক্ষেত্রে রক্তের হিমোগ্লোবিন ১২.৫ গ্রাম/এমএল এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ১১.৫/১০০ গ্রাম/এমএল হওয়া দরকার।
রক্তদাতাকে শ্বাসযন্ত্রের রোগ এবং চর্মরোগ মুক্ত থাকতে হয়। রক্তদাতার রক্ত পরিসঞ্চালন জনিত কোন রোগ আছে কিনা সেটাও দেখতে হয়।
সিরিঞ্জের মাধ্যমে রক্ত গ্রহণকারীদের বাহুতে যে ধরনের স্কার মার্ক থাকে, তা আছে কিনা সেটা পরীক্ষা করা হয়।
সূত্রঃ অনলাইন ঢাকা
*ব্লাডব্যাংক* *আইব্যাংক* *জরুরীপ্রয়োজন*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রয়োজনীয় রক্তের জন্য জীবন বাঁচানো যাবে না, এটা ভাবাই যায় না। তবে অনেক সময় প্রয়োজনীয় রক্তের জন্য মানুষের মৃত্যু হয়। তাই জরুরি প্রয়োজনে রক্তাদান করে এরকম কিছু প্রতিষ্ঠানের ফোন নম্বর সংগ্রহে রাখতে পারেন।

রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ৯১১৬৫৬৩।

কোয়ান্টাম ৯৩৫১৯৬৯।

বাঁধন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৮৬২৯০৪২। বুয়েট-০১৯১২-০৮২৯১৯। সুলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ৭৩১৯১২৩। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ০১৮১৯২৮৪৮৭৮। ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ৯০১১৮৮৭। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ৮৩১৭০৯০, ৮৩২১৪৯৫। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট 
*জরুরীপ্রয়োজন* *ব্লাডব্যাংক*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কখনো জরুরী রক্তের প্রয়োজন হলে , কোথায় যোগাযোগ করতে হবে ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*স্বাস্থ্যতথ্য* *ব্লাডব্যাংক*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★