ব্লেন্ডার

ব্লেন্ডার নিয়ে কি ভাবছো?

এশিয়ান স্কাই শপ বি ডি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

                                                  

এই রমজানে খাবার তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ kitchen appliance হচ্ছে ব্লেন্ডার, গ্রাইন্ডার ও জুসার । এগুলো আপনার খাবার তৈরির  কাজকে আরো সহজ করে দিবে।  এশিয়ান স্কাই শপ বি.ডি তে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড এর অনেক রকম ব্লেন্ডার, গ্রাইন্ডার ও জুসার। আমাদের প্রোডাক্ট সমূহ  100% অরিজিনাল। তাই  নিঃসংকোচ এ কিনতে পারেন আমাদের প্রোডাক্ট সমূহ।

আমাদের কিছু প্রোডাক্ট নিচে দেয়া হলো ( প্রোডাক্ট এর নামে ক্লিক করুন):

1. Bajaj Trio Mixer Grinder
2. Bajaj Mixer Grinder 750 Watt With 3 Jars GX 11
3. Magic Bullet Blender 21 Piece Set
4. Jaipan Jkb-4001 Kitchen Beauty Blender And Grinder 850W 
5. Nima Electric Spice Grinder Nm-8300


এছাড়া আরো প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন -- http://asianskyshops.com/category/blender-grinder-juicer

এছাড়া আমাদের শো-রুম থেকে অথবা ফোন করেও আপনার পছন্দের পণ্যটি ক্রয় করতে পারবেন।

Showroom: 45, Navana Tower (1st floor), Shop No.: 09, Gulshan Avenue, Gulshan 1, Dhaka 1212, Bangladesh.
Contact No.: 01718-155377 ,  01872-344344
Email: info@asianskyshops.com
Website: www.asianskyshops.com
 

*ব্লেন্ডার* *গ্রাইন্ডার* *জুসার* *কোয়ালিটি* *প্রোডাক্ট*

এশিয়ান স্কাই শপ বি ডি: আসন্ন রমজানে খাবার তৈরির একটি গুরুতবপূর্ণ যন্ত্র হচ্ছে ব্লেন্ডার। এশিয়ান স্কাই শপ বি.ডি তে পাওয়া যাচ্ছে অনেক রকম ব্লেন্ডার। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট এবং কিনুন আপনার পছন্দের ব্লেন্ডারটি। http://asianskyshops.com/category/blender-grinder-juicer

*ব্লেন্ডার* *জুসার* *গ্রাইন্ডার*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গ্রাইন্ডার ও ব্লেন্ডারের মধ্যে প্রার্থক্য কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*গ্রাইন্ডার* *ব্লেন্ডার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যে কোনো মৌসুমেই ক্লান্তিতে আরাম এনে দেবে ফলের রস ৷ চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস ৷ এর জন্য ঘরে চাই জুস তৈরির যন্ত্র ৷ জুসার মেশিন বা ব্লেন্ডারেই কাজ সারা যায়। ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন। আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে নানা ধরনের জুসার পাবেন। ছোট-বড়, গোল বা লম্বা নানা ধরনের জুসারের দেখা মিলবে বাজারে। এরকমই ছোটখাটো একটি একটি ব্লেন্ডার কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে দুনিয়া, যার নাম ম্যাজিক বুলেট ব্লেন্ডার।

ম্যাজিক বুলেট ব্লেন্ডার : ম্যাজিক বুলেট ব্লেন্ডার একটি কফি মগের মতোই স্লিম! এই ব্লেন্ডার আপনার ফুড প্রসেসর, ব্লেন্ডার, ইলেকট্রিক জুসার এবং কফি গ্রাইন্ডার হিসেবে কাজ করবে সহজেই ব্যবহার করা যায় ম্যাজিক বুলেট ব্লেন্ডারে ভিন্ন কোন পাওয়ার বাটন নেই। শুধুমাত্র উপকরণগুলো ব্লেন্ডারে দিন আর ব্লেন্ডারটিকে পাওয়ার বেজের ওপর রেখে নীচে চাপ দিন কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনি পেয়ে যাবেন সস, অনিয়ন চপ, সালসা, রসুন জুস, পনির, স্যুপ, চিকেন সালাদ।  ম্যাজিক বুলেট অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে কাজ করে ৩ সেকেন্ডে তৈরি হয় রসুন বাটা! ৫ সেকেন্ডে তৈরি হয় সালসা, চিকেন সালাদ! ১০ সেকেন্ডে তৈরি হয় মিক্স সস, স্যুপ এবং অমলেট! বক্সে আছে ২১ পিস ম্যাজিক বুলেট ব্লেন্ডার সেট। 

দরদাম : ব্র্যান্ড ও আকারের ওপর নির্ভর করে জুসারের দরদামে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুসারের দাম পড়বে দুই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। ২১ পিস ম্যাজিক বুলেট ব্লেন্ডার সেট পাবেন মাত্র ২,৩৯৯ টাকাতে।

 

 

 

 

 

 

 

 

পাবেন যেখানে : নিউমার্কেট, চাঁদনী চক সহ  বিভিন্ন এলাকার ক্রোকারিজের দোকানে এই ব্লেন্ডার পাওয়া যায়। আর ঝামেলা এড়াতে নিশ্চিন্তে অর্ডার করতে পারেন আজকের ডিলে। আজকের ডিল থেকে কিনতে ছবিতে ক্লিক করুন।

*ব্লেন্ডার* *কিচেনটুল* *ম্যাজিকবুলেট* *স্মার্টকিচেন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইফতারিতে শরবত বানানমহামান্বিত মাহে রমজান মাস আমাদের মাঝে সমগত হয়েছে। এবারের পুরো রমজান মাস জুড়েই প্রচন্ড গরম বিরাজ করবে। গরমের ঐ সময়টাতে ইফতারির পর আরাম এনে দিতে পারে একগ্লাস ফলের রস। নানা কাজের ভিড়ে ব্যাচেলররা চাইলেও সময়ের অভাবে অনেক কিছুই করতে পারে না। তবে ইফতারিতে অন্যতম উপকরণ শরবত কিংবা ফলের জুস কিন্তু সহজেই বানিয়ে নেওয়া যায। এর জন্য ঘরে চাই জুস তৈরির যন্ত্র। জুসার মেশিন বা ব্লেন্ডারেই বানিয়ে নিতে পারেন শরবত বা জুস। ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে।


জুসার ও ব্লেন্ডারের রকমসকম

ব্লেন্ডার কিনতে ক্লিক করুন

ফলের রস তৈরি করতে জুসার বা ব্লেন্ডার বেছে নিতে পারেন। জুসারে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটাই গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন।
আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে নানা ধরনের জুসার পাবেন। ছোট-বড়, গোল বা লম্বা নানা ধরনের জুসারের দেখা মিলবে বাজারে।


দরদাম

ব্লেন্ডার কিনতে ক্লিক করুন

ব্র্যান্ড ও আকারের ওপর নির্ভর করে ব্লেন্ডার ও জুসারের দরদামে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডার ও জুসারের দাম পড়বে দুই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া নন-ব্র্যান্ডের জুসার ও ব্লেন্ডার পেয়ে যাবেন এক হাজার ৬০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে। নন–ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম শুরু হয় সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে।


যন্ত্রের যত্ন

জুসার বা ব্লেন্ডার নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই যেকোনো সময় ব্যবহারের পর ব্লেন্ডার বা জুসার যত্নে রাখা জরুির। রান্নাবিদ সিতারা ফেরদৌস জানালেন, কীভাবে যত্নে রাখবেন আপনার জুসার বা ব্লেন্ডার মেশিন।


কোথায় থেকে কিনবেন

জুসার কিনতে ক্লিক করুন

ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রান্সকম, সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটন, মিনিস্টার সহ নামিদামি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শো রুমে থেকে ব্লেন্ডার কিনে নিতে পারবেন। এ ছাড়া নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া ইত্যাদি ব্র্যান্ডের জুসার কিনতে পারেন। যারা ঘরে বসে অনলাইনে ব্লেন্ডার কিনতে ইচ্ছুক তারা দেশের নামিদামি অনলাইন শপগুলোতে নক করতে পারেন। বিশ্বস্থতার সাথে অনলাইন থেকে কিনতে ও দ্রুত ডেলিভারি পেতে দেশ সেরা অনলাইন শপ আজকের ডিল থেকে ঘুরে আসতে পারেন।

*ব্লেন্ডার* *জুসার* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনক’দিন বাদেই মাহে রমজান আমাদের মাঝে সমগত হবে। এবারের পুরো রমজান মাস জুড়েই প্রচন্ড গরম বিরাজ করবে। গরমের ঐ সময়টাতে ইফতারির পর আরাম এনে দিতে পারবে একগ্লাস ফলের রস। নানা কাজের ভিড়ে ্ ব্যাচেলররাও চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস। এর জন্য ঘরে চাই জুস তৈরির যন্ত্র। জুসার মেশিন বা ব্লেন্ডারেই কাজ সারা যায়। ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। 

জুসার ও ব্লেন্ডারের রকমসকম

কিনতে ক্লিক করুন

ফলের রস তৈরি করতে জুসার বা ব্লেন্ডার বেছে নিতে পারেন। জুসারে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটাই গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন।

আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে নানা ধরনের জুসার পাবেন। ছোট-বড়, গোল বা লম্বা নানা ধরনের জুসারের দেখা মিলবে বাজারে।

দরদাম

কিনতে ক্লিক করুন
ব্র্যান্ড ও আকারের ওপর নির্ভর করে ব্লেন্ডার ও জুসারের দরদামে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডার ও জুসারের দাম পড়বে দুই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া নন-ব্র্যান্ডের জুসার ও ব্লেন্ডার পেয়ে যাবেন এক হাজার ৬০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে।  নন–ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম শুরু হয় সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে।

যন্ত্রের যত্ন
জুসার বা ব্লেন্ডার নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই যেকোনো সময় ব্যবহারের পর ব্লেন্ডার বা জুসার যত্নে রাখা জরুির। রান্নাবিদ সিতারা ফেরদৌস জানালেন, কীভাবে যত্নে রাখবেন আপনার জুসার বা ব্লেন্ডার মেশিন।

কোথায় থেকে কিনবেন

কিনতে ক্লিক করুন

ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রান্সকম, সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটন, মিনিস্টার সহ নামিদামি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শো রুমে থেকে ব্লেন্ডার কিনে নিতে পারবেন। এ ছাড়া নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া ইত্যাদি ব্র্যান্ডের জুসার কিনতে পারেন। যারা ঘরে বসে অনলাইনে ব্লেন্ডার কিনতে ইচ্ছুক তারা দেশের নামিদামি অনলাইন শপগুলোতে নক করতে পারেন। বিশ্বস্থতার সাথে অনলাইন থেকে কিনতে ও দ্রুত ডেলিভারি পেতে দেশ সেরা অনলাইন শপ আজকের ডিল থেকে ঘুরে আসতে পারেন।

*ব্লেন্ডার* *জুসার* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোদ থেকে বাসায় ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা জুস! আহ্ সে কী শান্তি! এই গরমে আরাম দেবে তাজা ফলের রস। আর তার জন্য ঘরে থাকতে হবে একটি জুসার। তবে ব্লেন্ডারেও কাজ চলে। ফল থেকে রস বের করে নেওয়ার এই যন্ত্রটির চাহিদা বেড়ে যায় গরম এলেই। গরমের সময় এই ধরনের যন্ত্র বেশি বিক্রি হয়। তবে এবার বেশি চলছে একের মধ্যে অনেক সুবিধা আছে এমন যন্ত্রগুলো। যেমন ব্লেন্ডার। যেখানে জুস, মসলা, কিমার মতো বিষয়গুলো এক যন্ত্রেই সারা যায়। 

Click Here

কিনতে ক্লিক করুন l মৌসুমি ফলে রয়েছে নানান রকম পুষ্টিগুণ। গরমে ফলের রস বা শরবত খেতেও মজা। শরীরের জন্যেও ভালো। বাসায় একটি জুসার মেশিন থাকলে সহজেই যে কোনো ফল দিয়ে পানীয় তৈরি করা যায়। আমাদের শরীরে প্রতিদিনের পুষ্টির ঘাটতি পূরনের জন্য ফলের রস বা ফ্রুট জুসের কোন বিকল্প নেই। বাজারে যেসব ফলের রস আমরা কিনে খাই এগুলো বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রিত তাই এসব জুস শরীরে উপকারের পরিবর্তে অপকারই করে। তবে বাজার থেকে তাজা ফল কিনে যদি জুসার কিংবা ব্লেন্ডারে জুস বানাতে পারেন তো ভাল হয়।


কিনতে ক্লিক করুন l দামের ওপর নির্ভর করে লম্বা, গোলাকার ও নৌকার মতো বাঁকানো নকশার ব্লেন্ডার ও জুসার পাবেন। ম্যানুয়াল ও ডিজিটাল দুই ধরনের জুসারই আছে। ফিলিপসের মাল্টি-ইউজ ব্লেন্ডারে জুস করার জন্য ছাঁকনি ব্যবহারের সুবিধা আছে। এ ছাড়া কিমা ও আদা-রসুন বাটার জন্য আছে আলাদা প্যানেল। দেড় লিটারের মিয়াকোর ব্লেন্ডারে চারটি জার ব্যবহার করে চার ধরনের উপকরণ ব্লেন্ড করা যায়। প্রেস্টিজের স্টেইনলেস স্টিলের ব্লেড দেওয়া ব্লেন্ডারটিতে ভিন্ন তিনটি জার রয়েছে। লম্বা আকারের এই ব্লেন্ডারের ক্ষমতা আড়াই শ ওয়াট। এ ছাড়া নোভার তিনটি জারের প্লাস্টিক বডির ব্লেন্ডারও পাওয়া যাবে।

কিনতে ক্লিক করুন l এই ব্লেন্ডারগুলো দিয়ে ফলের রস তৈরি করা যায়। শুধু জুসের জন্য মিয়াকোর দুই চেম্বারের দুটি সেফটি লক ও স্টেইনলেস স্টিলের ব্লেডযুক্ত জুসার পাওয়া যাবে এবং এতে শক্ত ও নরম ফলের জন্য দুই ধরনের স্পিড মোড রয়েছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে আরও আছে প্যানাসনিক, মলিনেক্স, সেবেক ইত্যাদি। এ ছাড়া প্লাস্টিকের বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের ম্যানুয়াল জুসার রয়েছে বাজারে। গরম যেহেতু বেশি, এসব যন্ত্রের ব্যবহারও হচ্ছে বেশি। তাই যন্ত্র ব্যবহারের আগে-পরে একটু যত্ন নিলে আপনার জুসার বা ব্লেন্ডারটি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।

কিনতে ক্লিক করুন l জুসার দিয়ে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটা গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হয় । ই গরমে আরাম এনে দেবে ফলের রস ৷ চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস ৷ ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। এবার যেহেতু গরম বেশি, তাই এই দুই যন্ত্রের চাহিদাও বেড়েছে।



কিনতে ক্লিক করুন l ব্লেন্ডার বা জুসারটি যে ব্র্যান্ডেরই হোক না কেন তার যত্ন কিন্তু চাই সঠিকভাবে। কিভাবে যত্ন নিলে ব্লেন্ডার বা জুসার যন্ত্রটি ভালো থাকবে জেনে নিন,জুসার বা ব্লেন্ডার যেহেতু বৈদ্যুতিক যন্ত্র, তাই খেয়াল রাখতে হবে যেন এর মোটরে পানি না ঢোকে। আবার একটানা অনেকক্ষণ ব্যবহার করলে মোটর পুড়ে যেতে পারে। তাই পাঁচ মিনিট ব্যবহারের পর একটু বিরতি দিতে হবে। আবার যেহেতু লোডশেডিং হয়, তাই ব্যবহারের পর প্লাগ খুলে রাখতে হবে। কারণ, তাতে মোটর ভালো থাকবে।

কিনতে ক্লিক করুন l

বাজারে আছে নানারকম জুসার ও ব্লেন্ডার। চলুন সেগুলো এক ঝলক দেখে নেই :

যেখানে পাবেন
জুসার ও ব্লেন্ডার পাওয়া যাবে রাজধানীর নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোডের বিভিন্ন দোকানে। এ ছাড়া গুলশান ডিসিসি মার্কেটে, পল্টন ও গুলিস্তানের বিভিন্ন মার্কেটে ব্র্যান্ড, নন-ব্র্যান্ড—সবই মিলবে। ইলেকট্রনিকসের বিভিন্ন শোরুমে মিলবে জুসার ও ব্লেন্ডার। সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটনের শোরুমে পাওয়া যাবে নানা ধরনের জুসার। তার পাশাপাশি নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া, প্রেস্টিজের ব্লেন্ডার পাওয়া যাবে। আর নন-ব্র্যান্ড কিনতে চাইলে বিভিন্ন চীনা ও জাপানের জুসার ও ব্লেন্ডার রয়েছে দোকানগুলোতে। ব্র্যান্ডের জুসার কিনলে কয়েক বছরের ওয়ারেন্টিও পাওয়া যাবে।

কিনতে ক্লিক করুন l তবে যাঁরা ইলেকট্রিক যন্ত্র ব্যবহার করতে চান না, তাঁদের জন্য বাজারে ম্যানুয়াল জুসার রয়েছে। এসব জুসারের দাম পড়বে একটু কম।  এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l এখানে ক্লিক করে ঘুরে আসতে পারেন তাদের বিশাল কালেকশন থেকে এবং চাইলে অর্ডার করতেও পারেন। 

কিনতে ক্লিক করুন l

দরদাম
বাজারে এখন ব্লেন্ডার বা জুসারের দাম একটু বাড়তি। ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডার বা জুসার ১ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। তবে ওয়ারেন্টি পেতে হলে ২ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে কিনতে হবে। যদি নন-ব্র্যান্ড কিনতে চান তবে খরচ পড়বে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার টাকা। বাজারে ম্যানুয়াল ব্লেন্ডার ও জুসার পাওয়া যায়। এর খরচ পড়বে ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

*ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী* *জুসার*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে যত্ন নিলে ব্লেন্ডার বা জুসার যন্ত্রটি ভালো থাকবে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ব্লেন্ডার* *জুসার* *গৃহস্থালিটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মৌসুমি ফলে রয়েছে নানান রকম পুষ্টিগুণ। গরমে ফলের রস বা শরবত খেতেও মজা। শরীরের জন্যেও ভালো। বাসায় একটি জুসার মেশিন থাকলে সহজেই যে কোনো ফল দিয়ে পানীয় তৈরি করা যায়। আমাদের শরীরে প্রতিদিনের পুষ্টির ঘাটতি পূরনের জন্য ফলের রস বা ফ্রুট জুসের কোন বিকল্প নেই। বাজারে যেসব ফলের রস আমরা কিনে খাই এগুলো বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রিত তাই এসব জুস শরীরে উপকারের পরিবর্তে অপকারই করে। তবে বাজার থেকে তাজা ফল কিনে যদি জুসার কিংবা  ব্লেন্ডারে জুস বানাতে পারেন তো ভাল হয়।
 
 
জুসার দিয়ে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটা গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হয় । ই গরমে আরাম এনে দেবে ফলের রস ৷ চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস ৷ ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। এবার যেহেতু গরম বেশি, তাই এই দুই যন্ত্রের চাহিদাও বেড়েছে।
 
ম্যানুয়াল জুসার বাসা বা অফিসে সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন, 
ব্র্যান্ড নিউ প্রোডাক্ট
 
গরমের কারণে প্রতিদিনই জুসার বিক্রি হচ্ছে। সময় বাঁচিয়ে সহজে এক গ্লাস ফলের রস পান করতে জুসারই সেরা। ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ড দুই ধরনের জুসারই আছে বাজারে। তবে ভালো দোকান থেকে কিনলে কয়েক বছরের ওয়ারেন্টি পাওয়া যায়।
 
এখন এই হ্যান্ডি জুস মেকার এর সাহায্যে ঘরেই তৈরি করুন বিভিন্ন ফলের জুসম্যাটেরিয়াল- প্লাস্টিক ও স্টেইনলেস স্টিলআলুসহ বিভিন্ন ধরণের ভর্তাও তৈরি করতে পারবেন
 
জুসার ও ব্লেন্ডারের রকমসকম
ফলের রস তৈরি করতে জুসার বা ব্লেন্ডার বেছে নিতে পারেন। জুসারে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটাই গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন। আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে নানা ধরনের জুসার পাবেন। ছোট-বড়, গোল বা লম্বা নানা ধরনের জুসারের দেখা মিলবে বাজারে।
 
দরদাম
ব্র্যান্ড ও আকারের ওপর নির্ভর করে জুসারের দরদামে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুসারের দাম পড়বে দুই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া নন-ব্র্যান্ডের জুসার পেয়ে যাবেন এক হাজার ৬০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে৷ ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম এক হাজার ৫০০ থেকে নয় হাজার টাকা৷ নন–ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম শুরু হয় সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে৷
 
পাবেন যেখানে
ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটন, মিনিস্টারের বিভিন্ন শো রুমে পাবেন। এ ছাড়া নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া ইত্যাদি ব্র্যান্ডের জুসার কিনতে পারেন। চীনা ও জাপানি বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের জুসার ব্লেন্ডারও পাওয়া যায়। আপনি যদি অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বাসায় বসে নামকরা সব ব্রান্ডের জুসার কিংবা ব্লেন্ডার কিনতে চান তবে নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবথেকে বড় অনলাইন স্টোর আজকেরডিলের উপর। এখানে ক্লিক করে ঘুরে আসতে পারেন তাদের বিশাল কালেকশন থেকে এবং চাইলে অর্ডার করতেও পারেন। 
 
ব্লেন্ডার এন্ড জুসার পাওয়ারঃ AC, 220~240V, 50 Hz ক্যাপাসিটিঃ ১.২ লিটার ওয়ান কি কনট্রোল , প্রোগ্রাম কনট্রোল, অটোম্যাটিক স্টপ
ব্যবহার পদ্ধতি
লম্বা সময় ধরে ঝামেলামুক্ত ভাবে মিক্সার গ্রাইন্ডার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ মিক্সার গ্রাইন্ডার চলতে থাকলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কিছুক্ষণ পরপর সুইচ বন্ধ করে পুনরায় চালু করতে হবে। সবসময় সুইচ বন্ধ করে গ্রাইন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তাছাড়া মিক্সার গ্রাইন্ডারের নিচের যন্ত্রাংশে যেন পানি না ঢোকে সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
ব্র্যান্ড: Icon মডেল: CB-T2T ফাংশনঃ MIXER/JUICER/GRINDER ম্যাটেরিয়াল: Electronics Packing Requirement: Box Packet ১ বছরের ওয়ারেন্টি অরিজিনঃ চায়না
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দেয় মিক্সার গ্রাইন্ডার, রান্না করার সময় এবং শ্রম দুটোই কমাতে জুরি নেই মিক্সার গ্রাইন্ডারের। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, নিউ মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, গুলিস্তান ষ্টেডিয়াম মার্কেটসহ দেশের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স শো রুমগুলো থেকে পছন্দ এবং চাহিদা অনুযায়ী গ্রাইন্ডার বেছে নেওয়া যাবে। এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l 
 
যন্ত্রের যত্ন
জুসার বা ব্লেন্ডার নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই যেকোনো সময় ব্যবহারের পর ব্লেন্ডার বা জুসার যত্নে রাখা জরুির। রান্নাবিদ সিতারা ফেরদৌস জানালেন, কীভাবে যত্নে রাখবেন আপনার জুসার বা ব্লেন্ডার মেশিন।
 
 জুসারে ফলের নির্যাস একদিকে আর ছোবড়া আরেক দিকে পড়ে। যেকোনো ধরনের ফলমূল জুসারে দেওয়ার পর সাবধানে চালু করুন। না হলে সুইচ একবার নষ্ট হলে সারাতে হেপাটা আপনাকেই পোহাতে হবে।
 এ ছাড়া ব্লেন্ডারে ফলের জুস করতে সাধারণত ফলের সঙ্গে বরফ, চিনি ইত্যাদি একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ড করে ফেলা হয়। এখানে ছোবড়া আলাদা হয় না। ফলের নির্যাসের সঙ্গেই ব্লেন্ড হয়ে যায়। তাই নানা ধরনের শক্ত অংশ ভেতরে থেকে গেলে সেটা সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে নিন।
 ব্লেন্ডার বা জুসার ব্যবহারের পর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।
 আজকাল বাজারে নানা ধরনের লিকুইড সাবান পাওয়া যায়। সেটা দিয়েই পরিষ্কার করতে পারেন জুসার, ব্লেন্ডার।
 ফোমের টুকরা বা নরম কিছুতে লিকুইড সাবান জুসারে বা ব্লেন্ডারে দিন। এতে ব্লেন্ডারে কোনো ধরনের দাগ পড়বে না।
 এসব জিনিস বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। আগুন থেকেও সাবধানে রাখা উচিত।
 জুসার বা ব্লেন্ডারের ভেতরে গন্ধ হলে এক কাপ পানির সঙ্গে এক টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে ব্লেন্ডার বা জুসারে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।
*ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী* *জুসার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্লেন্ডার / মিক্সার গ্রাইন্ডার
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দিতে বাজারে রয়েছে হরেক রকমের মিক্সার গ্রাইন্ডার। রান্নার কাজে ব্যবহৃত নানান পদের মসলা এবং অন্যান্য উপকরণ গুঁড়া বা মিহি করার জন্য ব্যবহার করা হয় এই যন্ত্র। ধারণ ক্ষমতা এবং ব্র্যান্ড ভেদে মিক্সার গ্রাইন্ডারের দাম বিভিন্ন রকম। বর্তমানে বাজারে মিয়াকো, নোভা, নোভেনা, ফিলিপস, হুন্দাই, সাহারা, জাইপান, আরএফএল, ন্যাশনাল ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।
 
 
দরদাম
বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন রকমের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া গেলেও ‘মিয়াকো’ ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। 
তুলনামূলক কম দামের মধ্যে লম্বা সময়ের ধরে ব্যাবহার উপযোগী হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে মিয়াকো গ্রাইন্ডারের জনপ্রিয়তা বেশি। 
এছাড়াও নোভেনা, সাহারা এবং জাইপান এর গ্রাইন্ডারগুলোর বাজার মোটামুটি ভালো।
 
 
 
আজকের ডিল ও নিউমার্কেট থেকে মিয়াকোর মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে
২ হাজার ১শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকায়।
বসুন্ধরা সিটির মিয়াকোর বিশেষ শোরুম থেকে ৭৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন গ্রাইন্ডার পেতে পারেন
২ হাজার ৩শ’ টাকায়। ১২৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন স্টেইনলেস স্টিলের বিশেষ গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে
সাড়ে ৩ হাজার  থেকে ৪ হাজার ২শ’ টাকায়।
 
 
 
একটু কম দামের মধ্যে নোভা ব্র্যান্ডের আধা লিটার ধারণ ক্ষমতার মিক্সার গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে ১ হাজার ৮শ’ টাকা
এবং এক লিটার ধারণ ক্ষমতার মধ্যে কিনতে খরচ করতে হবে ২ হাজার ১শ’ থেকে ২ হাজার ৩শ’ টাকা।
টেকসই এবং বেশি কার্যকর গ্রাইন্ডার কিনতে বেছে নেওয়া যেতে পারে
হুন্দাই ব্র্যান্ডের মিক্সার গ্রাইন্ডারগুলো।
আধা থেকে দেড় লিটারের গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ২শ’ টাকা।
 
 
 
সম্প্রতি ‘আরএফএল ভিশন’ নামে বাজারে এসেছে নতুন ধরনের গ্রাইন্ডার।
ভেতরের যন্ত্রাংশের মান এবং জগের আকার ভেদে গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে ২ হাজার ৪শ’ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
এছাড়া আজকের ডিলে পাওয়া যাবে ভারতের জাইপান ব্র্যান্ডের গ্রাইন্ডার।
ভালো মানের ৮৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই গ্রাইন্ডারগুলো পাওয়া যাবে ৪ হাজার টাকায়।
৫৫০ ওয়াট ক্ষমতার জাইপান গ্রাইন্ডারের দাম পড়বে ৩ হাজার ২শ’ টাকায়। 
 
 
 
 
 
সাহারা মিক্সার গ্রাইন্ডার পেতে হলে গুনতে হবে ৫ হাজার টাকা।
এছাড়াও অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন এবং দীর্ঘস্থায়ী ন্যাশনাল’য়ের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে ৫ হাজার ২শ’ টাকায়
এবং প্যানাসনিক ব্র্যান্ডের বড় কিছু গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে ৭ হাজার টাকায়।
 
 
 
 
ব্যবহার পদ্ধতি
লম্বা সময় ধরে ঝামেলামুক্ত ভাবে মিক্সার গ্রাইন্ডার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ মিক্সার গ্রাইন্ডার চলতে থাকলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কিছুক্ষণ পরপর সুইচ বন্ধ করে পুনরায় চালু করতে হবে। সবসময় সুইচ বন্ধ করে গ্রাইন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তাছাড়া মিক্সার গ্রাইন্ডারের নিচের যন্ত্রাংশে যেন পানি না ঢোকে সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দেয় মিক্সার গ্রাইন্ডার, রান্না করার সময় এবং শ্রম দুটোই কমাতে জুরি নেই মিক্সার গ্রাইন্ডারের। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, নিউ মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, গুলিস্তান ষ্টেডিয়াম মার্কেটসহ দেশের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স শো রুমগুলো থেকে পছন্দ এবং চাহিদা অনুযায়ী গ্রাইন্ডার বেছে নেওয়া যাবে। এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l 
*মিক্সারগ্রাইন্ডার* *ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের শরীরে প্রতিদিনের পুষ্টির ঘাটতি পূরনের জন্য  ফলের রস বা ফ্রুট জুসের কোন বিকল্প নেই। বাজারে যেসব ফলের রস আমরা কিনে খাই এগুলো বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রিত তাই এসব জুস শরীরে উপকারের পরিবর্তে অপকারই করে। তবে বাজার থেকে তাজা ফল কিনে যদি জুসার কিংবা   ব্লেন্ডারে জুস বানাতে পারেন তো ভাল হয়।
 
কমলা, আঙুর লেবু এ জাতীয় ফল থেকে রস তৈরি করতে জুসার কিংবা ব্লেন্ডার বেছে নিতে পারেন।
জুসার দিয়ে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটা গ্লাসে এসে পড়ে।
খোসা আলাদা হয়ে যায়।
ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।
ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হয় ।
 
বাজারে নানা ধরনের জুসার পাবেন আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে । ছোট-বড়, গোল বা লম্বাটে বিভিন্ন ধরনের জুসারের দেখা মিলবে বাজারে।
 
দরদাম
ব্র্যান্ড ও আকারের ওপর নির্ভর করে জুসারের দরদামে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুসারের দাম পড়বে দুই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া নন-ব্র্যান্ডের জুসার পেয়ে যাবেন এক হাজার ৬০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে৷ ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম এক হাজার ৫০০ থেকে নয় হাজার টাকা৷ নন–ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম শুরু হয় সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে৷
 
যেখানে পাবেন 
ফিলিপস, ওয়ালটন,ট্রান্সকম , সিঙ্গার,  মিনিস্টারের বিভিন্ন শো রুমে এগুলো কিনতে পাবেন। এ ছাড়া নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া ইত্যাদি ব্র্যান্ডের জুসার কিনতে পারেন। চীনা ও জাপানি বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের জুসার ব্লেন্ডারও পাওয়া যায় বাজারে। আপনি যদি অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বাসায় বসে নামকরা সব ব্রান্ডের জুসার কিংবা ব্লেন্ডার কিনতে চান তবে নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবথেকে বড় অনলাইন স্টোর আজকেরডিলের উপর। এখানে ক্লিক করে ঘুরে আসতে পারেন তাদের বিশাল কালেকশন থেকে এবং চাইলে অর্ডার করতেও পারেন। 
*জুসার* *ব্লেন্ডার* *জুসতৈরি* *ফ্রুটজুস* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★