ভার্সিটি লাইফ

ভার্সিটিলাইফ নিয়ে কি ভাবছো?

nipu: *ভার্সিটিলাইফ* এর কথা এক কথায় বলে শেষ করা যাবেনা ... তবে একেকটা ক্লাস শেষে ব্যর্থতার গ্লানি মুছে ফেলার জন্য রাজ্জাক ভাইয়ের দোকানের স্পেশাল চা বাটি বাটি গিলতাম এটাই বেশি মনে পরে ।

*ভার্সিটিলাইফ*

সৈয়দ জায়েদ: অর্ধেক সময় পার হয়ে যায় রিকশাওয়ালা খোঁজতে , ক্লাস কত দেরী পাঞ্জেরী...

*ভার্সিটিলাইফ*

STHIR: *ভার্সিটিলাইফ* বিকেল পাচটা বাজলে একে কল,ওকে কল তারপরে সবাই মিলে জমিয়া আড্ডা দেয়া রাত কত হলে কারো সেদিকে খেয়াল নাই, মাঝে মাঝে গিটারের টুং টাং আর সবাই মিলে সমস্বরে সেই গানটাকে রাতের অন্ধকার ভেত করে ক্যাম্পাস এর প্রতিটি বালুকনায় পৌসে দেয়া.

Debabratha Sen: *ভার্সিটিলাইফ* ছোট বেলায় বলতাম যে ভার্সিটিতে না যেন কারা পড়ে। আর কি পড়ায় তাদের এখন আমরাই পড়ছি। অনেক ভাল লাগে সেই জীবন..............

Palash Aktar: লেখা পড়া জীবনে সবচেয়ে স্বরণীয় মহুর্ত দিন কোনটি?

*ভার্সিটিলাইফ*
৫/৫

বাবুই: জাহাঙ্গীরনগর শুধুই একটা বিশ্ববিদ্যালয় নয় / একটা ইউফোরিক ইলম লাভের পথ/ভালোবাসা,হতাশা,মিথ্যা,প্রেম,বিশ্বাস, ঘৃনা, পাপ, পুন্যে ভরা জমিন/আমি এই সবের উর্দ্ধে /তার সমস্ত কিছুই বেকার আমার কাছে/যে বেশেই আসো না কেনো আমি তোমাকে শুধু ছেড়েই চলে যাবো/(নিচেদেখ)

*ভার্সিটিলাইফ*
৫/৫

সৌ র ভী: *ভার্সিটিলাইফ* এর কথা এক কথায় বলে শেষ করা যাবে (না)..তবে একেকটা ল্যাব শেষে ব্যর্থতার গ্লানি মুছে ফেলার জন্য আলম মামার ঝাল চটপটি বাটি বাটি গিলতাম এইটা বেশি মনে পরে (লজ্জা২)

৪/৫

ভালবাসা কবি..!!!: *ভার্সিটিলাইফ* এইতো আর কিছুদিন... তারপরেই ইনশাহাল্লাহ ভার্সিটি...(খুশী২) তবে নাহিদ কাক্কু কবে যে পরীক্ষা নেয়া শেষ করবে (রাগী)

অসামাজিক কবি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রত্যেকটা ভাপ্রত্যেকটাপ্রত্যেকটা ভার্সিটিতেই বিভিন্ন
টাইপের স্টুডেন্ট থাকে ... এই
টাইপগুলা একটা থেকে আরেকটা পুরাই আলাদা !!
ক্লাসের লেকচার তোলার ব্যাপারটাই ধরি ... এই ক্ষেত্রে ৫
ধরণের স্টুডেন্ট থাকে...
.
১) সিনসিয়ার প্রজাতির স্টুডেন্টঃ সকাল ৮ টায় ক্লাস থাকলে এই প্রজাতির স্টুডেন্টদের ৭:৪৫
মিনিটে ক্লাসে দেখা যায় ...
এরা প্রথম দিকের বেঞ্চগুলা দখল
করে থাকে ...
এবং প্রতিটা সাবজেক্টের জন্য এরা আলাদা আলাদা খাতা কিনে
নীল কালি, সবুজ কালি দিয়ে সুন্দর
করে করে এরা লেকচার তুলে !!
২) প্রায় সিনসিয়ার প্রজাতির
স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্টরা মাঝের বা একটু পিছনের দিকের বেঞ্চে বসে ... এরা কিছুটা কিপটা প্রজাতির
স্টুডেন্ট ...
সাবজেক্ট যতগুলাই থাকুক,
এরা একটা মাত্র খাতা কিনে ... ঐটাই তার জাতীয় খাতা ...
এক
খাতাতে ম্যাথ, হিসাব বিঙ্গান, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, অর্থনীতি সবকিছুর লেকচার থাকে !!
৩) পিছনের বেঞ্চের স্টুডেন্টঃ
এই স্টুডেন্টরা ক্লাসে আগে আসুক
কিংবা পরে আসুক, সবসময় পিছনের বেঞ্চে গিয়ে বসে ...
ক্লাসের কিছুটা সময় তারা ঘুমায়, কিছুটা সময়
ঝিমায়, কিছুটা সময় গালে হাত দিয়ে বোর্ডের দিকে চোখ বড় বড়
করে তাকায়ে থাকে, তারপর হতাশ
হয়ে মোবাইল গুতাগুতি করে !!
৪) ধার চাওয়া স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্টদের কোন নির্দিষ্ট বসার জায়গা নাই,
তবে নির্দিষ্ট একটা স্বভাব আছে ... সেটা হইল, ক্লাসে এসেই জিনিসপাতি ধার
চাওয়া ... ক্লাস শুরু হইতে না হইতেই এরা ব্যস্ত হয়ে
আশেপাশে জিজ্ঞেস করে "দোস্ত, একটা পেইজ হবে ?? ... খাতা
আনি নাই ভুলে !!" ...এরা আসলে খাতা কিনেই নাই,
আনবে কেমনে !!
একটু পর এরা আবার বলবেঃ "দোস্ত, একটা কলম দে তো !!" ... বেশিরভাগ সময়েই এদেরকে কলম
দেয়া হইলে সেইটা "সম্প্রদান কারক" এ দিয়ে দিতে হয় ...
ফেরত পাওয়ার আশা করতে হয় না !!
৫) বিছানা স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্ট তাদের
পুরা ভার্সিটি লাইফই বিছানায় শুইয়া কাটায় ... ঘুম ঘুম গলায় ক্লাসের বন্ধুকে ফোন দিয়ে
বলেঃ
"হু, দোস্ত, আমাররর প্রক্সিটা একটু দিস, আমার শরীরটা না
ম্যাজ ম্যাজ
করতেসে রে ... ১০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস
জ্বর !!" "কি কইলি ?? সেলসিয়াস ?? ১০৪ ??"
"হু !!"
"দোস্ত, তুই ঘুমা ... তোর মাথামুথা ঠিক নাই রে !!"
এরা আরামসে ঘুমায়ে যায় ... এদের জীবনে কোন টেনশন
নাই !!
পরীক্ষার ঠিক আগে এই সব প্রজাতির স্টুডেন্টরা প্রথম প্রজাতির কাছে ভীড়
জমায় লেকচার ফটোকপির জন্য ... "মামা, আমার জন্যও এক কপি
করিস" - বলিয়া এক
প্রজাতি আরামসে ঘুমাইয়া যায় !!
এদের মাঝেও এক
কিপটা প্রজাতি বিদ্যমান থাকে ... এরা ডিজিটাল স্টুডেন্ট ...
তারা ফটোকপিও করে না ... লেকচার খাতাটা হাতে পাইলে
বলে, "দোস্ত !! একটু দাঁড়া !!" ... তারপর পকেট
হইতে ইশমার্টফোন বাহির করিয়া ঘ্যাচ ঘ্যাচ করিয়া
লেকচার খাতার
ছবি তুলিয়া নিয়া যায় !! এই কিপটা প্রজাতির বন্ধু
থাকে "আইলসা প্রজাতি" ...
এরা ছবি তুলার কষ্টটাও করে না ... ব্লু-টুথ বা শেয়ার-ইট অন
করিয়া বসিয়া থাকে !!
... ... ...নানা প্রজাতির নানা স্বভাবের এই
ছেলেমেয়েগুলাই একসাথে মুখরিত করে রাখে একেকটা ভার্সিটি ...
ঘুমকাতুরে ছেলেটাকেই দেখা যায়
সিনসিয়ার ছেলেটার
সাথে বিকেলে একসাথে চায়ের
কাপে চুমুক দিচ্ছে ... এই
জায়গাটাতে কোন ভেদাভেদ নাই ... গিটারের টুং টাং আওয়াজে যখন গান গাওয়া হয়, সব
ছেলেমেয়েগুলা গোল
হয়েই বসে থাকে ... সেইখানে কোন
লাস্ট আর ফার্স্ট বেঞ্চ নাই !!
আমাদের জীবনের বেশিরভাগ সময়ই হয়তো স্কুল জীবনটা
আমরা বেশি মিস করি ... কিন্তু ট্রাস্ট মি, কলেজ বা ভার্সিটি জীবনটাও মিস করার মতই ...
একটা সময়ে গিয়ে নিশ্চিতভাবেই
পাওয়া যায় সেটা ... ভার্সিটির
জীবনটা আসলে অন্যরকম সুন্দর !!
একেকটা জীবন আসলে একেক রকম সুন্দর ...
সুন্দর আর অসুন্দর এর মাঝে তুলনা হয় ... কিন্তু সুন্দর আর সুন্দর এর মাঝে কখনো তুলনা হয় না !!" থাকে ... এই
টাইপগুলা একটা থেকে আরেকটা পুরাই আলাদা !!
ক্লাসের লেকচার তোলার ব্যাপারটাই ধরি ... এই ক্ষেত্রে ৫
ধরণের স্টুডেন্ট থাকে...
.
১) সিনসিয়ার প্রজাতির স্টুডেন্টঃ সকাল ৮ টায় ক্লাস থাকলে এই প্রজাতির স্টুডেন্টদের ৭:৪৫
মিনিটে ক্লাসে দেখা যায় ...
এরা প্রথম দিকের বেঞ্চগুলা দখল
করে থাকে ...
এবং প্রতিটা সাবজেক্টের জন্য এরা আলাদা আলাদা খাতা কিনে
নীল কালি, সবুজ কালি দিয়ে সুন্দর
করে করে এরা লেকচার তুলে !!
২) প্রায় সিনসিয়ার প্রজাতির
স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্টরা মাঝের বা একটু পিছনের দিকের বেঞ্চে বসে ... এরা কিছুটা কিপটা প্রজাতির
স্টুডেন্ট ...
সাবজেক্ট যতগুলাই থাকুক,
এরা একটা মাত্র খাতা কিনে ... ঐটাই তার জাতীয় খাতা ...
এক
খাতাতে ম্যাথ, হিসাব বিঙ্গান, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, অর্থনীতি সবকিছুর লেকচার থাকে !!
৩) পিছনের বেঞ্চের স্টুডেন্টঃ
এই স্টুডেন্টরা ক্লাসে আগে আসুক
কিংবা পরে আসুক, সবসময় পিছনের বেঞ্চে গিয়ে বসে ...
ক্লাসের কিছুটা সময় তারা ঘুমায়, কিছুটা সময়
ঝিমায়, কিছুটা সময় গালে হাত দিয়ে বোর্ডের দিকে চোখ বড় বড়
করে তাকায়ে থাকে, তারপর হতাশ
হয়ে মোবাইল গুতাগুতি করে !!
৪) ধার চাওয়া স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্টদের কোন নির্দিষ্ট বসার জায়গা নাই,
তবে নির্দিষ্ট একটা স্বভাব আছে ... সেটা হইল, ক্লাসে এসেই জিনিসপাতি ধার
চাওয়া ... ক্লাস শুরু হইতে না হইতেই এরা ব্যস্ত হয়ে
আশেপাশে জিজ্ঞেস করে "দোস্ত, একটা পেইজ হবে ?? ... খাতা
আনি নাই ভুলে !!" ...এরা আসলে খাতা কিনেই নাই,
আনবে কেমনে !!
একটু পর এরা আবার বলবেঃ "দোস্ত, একটা কলম দে তো !!" ... বেশিরভাগ সময়েই এদেরকে কলম
দেয়া হইলে সেইটা "সম্প্রদান কারক" এ দিয়ে দিতে হয় ...
ফেরত পাওয়ার আশা করতে হয় না !!
৫) বিছানা স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্ট তাদের
পুরা ভার্সিটি লাইফই বিছানায় শুইয়া কাটায় ... ঘুম ঘুম গলায় ক্লাসের বন্ধুকে ফোন দিয়ে
বলেঃ
"হু, দোস্ত, আমাররর প্রক্সিটা একটু দিস, আমার শরীরটা না
ম্যাজ ম্যাজ
করতেসে রে ... ১০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস
জ্বর !!" "কি কইলি ?? সেলসিয়াস ?? ১০৪ ??"
"হু !!"
"দোস্ত, তুই ঘুমা ... তোর মাথামুথা ঠিক নাই রে !!"
এরা আরামসে ঘুমায়ে যায় ... এদের জীবনে কোন টেনশন
নাই !!
পরীক্ষার ঠিক আগে এই সব প্রজাতির স্টুডেন্টরা প্রথম প্রজাতির কাছে ভীড়
জমায় লেকচার ফটোকপির জন্য ... "মামা, আমার জন্যও এক কপি
করিস" - বলিয়া এক
প্রজাতি আরামসে ঘুমাইয়া যায় !!
এদের মাঝেও এক
কিপটা প্রজাতি বিদ্যমান থাকে ... এরা ডিজিটাল স্টুডেন্ট ...
তারা ফটোকপিও করে না ... লেকচার খাতাটা হাতে পাইলে
বলে, "দোস্ত !! একটু দাঁড়া !!" ... তারপর পকেট
হইতে ইশমার্টফোন বাহির করিয়া ঘ্যাচ ঘ্যাচ করিয়া
লেকচার খাতার
ছবি তুলিয়া নিয়া যায় !! এই কিপটা প্রজাতির বন্ধু
থাকে "আইলসা প্রজাতি" ...
এরা ছবি তুলার কষ্টটাও করে না ... ব্লু-টুথ বা শেয়ার-ইট অন
করিয়া বসিয়া থাকে !!
... ... ...নানা প্রজাতির নানা স্বভাবের এই
ছেলেমেয়েগুলাই একসাথে মুখরিত করে রাখে একেকটা ভার্সিটি ...
ঘুমকাতুরে ছেলেটাকেই দেখা যায়
সিনসিয়ার ছেলেটার
সাথে বিকেলে একসাথে চায়ের
কাপে চুমুক দিচ্ছে ... এই
জায়গাটাতে কোন ভেদাভেদ নাই ... গিটারের টুং টাং আওয়াজে যখন গান গাওয়া হয়, সব
ছেলেমেয়েগুলা গোল
হয়েই বসে থাকে ... সেইখানে কোন
লাস্ট আর ফার্স্ট বেঞ্চ নাই !!
আমাদের জীবনের বেশিরভাগ সময়ই হয়তো স্কুল জীবনটা
আমরা বেশি মিস করি ... কিন্তু ট্রাস্ট মি, কলেজ বা ভার্সিটি জীবনটাও মিস করার মতই ...
একটা সময়ে গিয়ে নিশ্চিতভাবেই
পাওয়া যায় সেটা ... ভার্সিটির
জীবনটা আসলে অন্যরকম সুন্দর !!
একেকটা জীবন আসলে একেক রকম সুন্দর ...
সুন্দর আর অসুন্দর এর মাঝে তুলনা হয় ... কিন্তু সুন্দর আর সুন্দর এর মাঝে কখনো তুলনা হয় না !!"র্সিটিতেই বিভিন্ন
টাইপের স্টুডেন্ট থাকে ... এই
টাইপগুলা একটা থেকে আরেকটা পুরাই আলাদা !!
ক্লাসের লেকচার তোলার ব্যাপারটাই ধরি ... এই ক্ষেত্রে ৫
ধরণের স্টুডেন্ট থাকে...
.
১) সিনসিয়ার প্রজাতির স্টুডেন্টঃ সকাল ৮ টায় ক্লাস থাকলে এই প্রজাতির স্টুডেন্টদের ৭:৪৫
মিনিটে ক্লাসে দেখা যায় ...
এরা প্রথম দিকের বেঞ্চগুলা দখল
করে থাকে ...
এবং প্রতিটা সাবজেক্টের জন্য এরা আলাদা আলাদা খাতা কিনে
নীল কালি, সবুজ কালি দিয়ে সুন্দর
করে করে এরা লেকচার তুলে !!
২) প্রায় সিনসিয়ার প্রজাতির
স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্টরা মাঝের বা একটু পিছনের দিকের বেঞ্চে বসে ... এরা কিছুটা কিপটা প্রজাতির
স্টুডেন্ট ...
সাবজেক্ট যতগুলাই থাকুক,
এরা একটা মাত্র খাতা কিনে ... ঐটাই তার জাতীয় খাতা ...
এক
খাতাতে ম্যাথ, হিসাব বিঙ্গান, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, অর্থনীতি সবকিছুর লেকচার থাকে !!
৩) পিছনের বেঞ্চের স্টুডেন্টঃ
এই স্টুডেন্টরা ক্লাসে আগে আসুক
কিংবা পরে আসুক, সবসময় পিছনের বেঞ্চে গিয়ে বসে ...
ক্লাসের কিছুটা সময় তারা ঘুমায়, কিছুটা সময়
ঝিমায়, কিছুটা সময় গালে হাত দিয়ে বোর্ডের দিকে চোখ বড় বড়
করে তাকায়ে থাকে, তারপর হতাশ
হয়ে মোবাইল গুতাগুতি করে !!
৪) ধার চাওয়া স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্টদের কোন নির্দিষ্ট বসার জায়গা নাই,
তবে নির্দিষ্ট একটা স্বভাব আছে ... সেটা হইল, ক্লাসে এসেই জিনিসপাতি ধার
চাওয়া ... ক্লাস শুরু হইতে না হইতেই এরা ব্যস্ত হয়ে
আশেপাশে জিজ্ঞেস করে "দোস্ত, একটা পেইজ হবে ?? ... খাতা
আনি নাই ভুলে !!" ...এরা আসলে খাতা কিনেই নাই,
আনবে কেমনে !!
একটু পর এরা আবার বলবেঃ "দোস্ত, একটা কলম দে তো !!" ... বেশিরভাগ সময়েই এদেরকে কলম
দেয়া হইলে সেইটা "সম্প্রদান কারক" এ দিয়ে দিতে হয় ...
ফেরত পাওয়ার আশা করতে হয় না !!
৫) বিছানা স্টুডেন্টঃ
এই প্রজাতির স্টুডেন্ট তাদের
পুরা ভার্সিটি লাইফই বিছানায় শুইয়া কাটায় ... ঘুম ঘুম গলায় ক্লাসের বন্ধুকে ফোন দিয়ে
বলেঃ
"হু, দোস্ত, আমাররর প্রক্সিটা একটু দিস, আমার শরীরটা না
ম্যাজ ম্যাজ
করতেসে রে ... ১০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস
জ্বর !!" "কি কইলি ?? সেলসিয়াস ?? ১০৪ ??"
"হু !!"
"দোস্ত, তুই ঘুমা ... তোর মাথামুথা ঠিক নাই রে !!"
এরা আরামসে ঘুমায়ে যায় ... এদের জীবনে কোন টেনশন
নাই !!
পরীক্ষার ঠিক আগে এই সব প্রজাতির স্টুডেন্টরা প্রথম প্রজাতির কাছে ভীড়
জমায় লেকচার ফটোকপির জন্য ... "মামা, আমার জন্যও এক কপি
করিস" - বলিয়া এক
প্রজাতি আরামসে ঘুমাইয়া যায় !!
এদের মাঝেও এক
কিপটা প্রজাতি বিদ্যমান থাকে ... এরা ডিজিটাল স্টুডেন্ট ...
তারা ফটোকপিও করে না ... লেকচার খাতাটা হাতে পাইলে
বলে, "দোস্ত !! একটু দাঁড়া !!" ... তারপর পকেট
হইতে ইশমার্টফোন বাহির করিয়া ঘ্যাচ ঘ্যাচ করিয়া
লেকচার খাতার
ছবি তুলিয়া নিয়া যায় !! এই কিপটা প্রজাতির বন্ধু
থাকে "আইলসা প্রজাতি" ...
এরা ছবি তুলার কষ্টটাও করে না ... ব্লু-টুথ বা শেয়ার-ইট অন
করিয়া বসিয়া থাকে !!
... ... ...নানা প্রজাতির নানা স্বভাবের এই
ছেলেমেয়েগুলাই একসাথে মুখরিত করে রাখে একেকটা ভার্সিটি ...
ঘুমকাতুরে ছেলেটাকেই দেখা যায়
সিনসিয়ার ছেলেটার
সাথে বিকেলে একসাথে চায়ের
কাপে চুমুক দিচ্ছে ... এই
জায়গাটাতে কোন ভেদাভেদ নাই ... গিটারের টুং টাং আওয়াজে যখন গান গাওয়া হয়, সব
ছেলেমেয়েগুলা গোল
হয়েই বসে থাকে ... সেইখানে কোন
লাস্ট আর ফার্স্ট বেঞ্চ নাই !!
আমাদের জীবনের বেশিরভাগ সময়ই হয়তো স্কুল জীবনটা
আমরা বেশি মিস করি ... কিন্তু ট্রাস্ট মি, কলেজ বা ভার্সিটি জীবনটাও মিস করার মতই ...
একটা সময়ে গিয়ে নিশ্চিতভাবেই
পাওয়া যায় সেটা ... ভার্সিটির
জীবনটা আসলে অন্যরকম সুন্দর !!
একেকটা জীবন আসলে একেক রকম সুন্দর ...
সুন্দর আর অসুন্দর এর মাঝে তুলনা হয় ... কিন্তু সুন্দর আর সুন্দর এর মাঝে কখনো তুলনা হয় না !!"
*ভার্সিটিলাইফ* *ছাত্রজীবন*

তাহমিদ তায়েফ: *ভার্সিটিলাইফ* ভার্সিটিলাইফ প্রায়ই শেষ হয়ে এলো.....................।

Rakibul hasan: *ভার্সিটিলাইফ* ভার্সিটি লাইফ ভাবতেই গা শিরশির করে উঠত , কবে ভার্সিটি তে উঠব . :: আর এখন আমি সেই সপ্নের ভার্সিটি তে পড়ছি / কি মজাই না লাগে??///(খুকখুকহাসি)

বাবুই: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমার এক সিনিয়র ভাই জিকো 31 ইংলিশ, আমি জিকো ভাই আর আপুকে একসাথে চায়ের দোকানে or বটতলায় দেখলে জিঞ্জাসা করতাম তোমাদের প্রেম কেমন চলতাছে? 
সব সময় আপু আনসার দিত ভাল,,, এমন প্রশ্ন করার কারণে জিকো ভাই আমাকে মাংকি ডাকত,, 
যাই হোক বললাম ভাই আমার প্রেম হয় না কেন?
 কয় তুই সূত্র জানস না,, 
কি সূত্র? ভাই কও না কি করমু,, 
ভাই কয় তুই একটা আইসক্রিম কিনবি,, আর সেই আইসক্রিম দুইজন একসাথে খাবি,, 
বললাম ভাই আমার সাথে কেউ আইসক্রিম খায় না তো,,
 ভাই কয় আসমান জমিন এর কসম দিবি,, বলবি,, সাক্ষী আকাশের চাঁদ আর জমিন এর গাছ, তোমার সাথে আমার বড়ই ভালবাসার স্বাদ,, তখন এক কামড়ে আইসক্রিম শেষ না করতে পারলে হবে না,, ব্রাদার,,
*ভার্সিটিলাইফ*
৪/৫

রোমেল বড়ুয়া: [বাঘমামা-ওস্তাদমানুষ]বন্ধুবান্ধব মিলে একগাদা খিচুড়ির সাথে ঝাল গরুর গোস্ত দিয়ে ভরপেট খাওয়াদাওয়ার পর কোক। এরপর সিগারেট জ্বালিয়ে হৈহল্লা করে রুমে ফেরা। (বস) আহা, আর কিছুদিন পরেই এই দিনগুলিকে মিস্‌ করবো। (কান্না২)

*ভার্সিটিলাইফ*
৫/৫

আশিকুর রাসেল: *ভার্সিটিলাইফ* স্টারওয়ার্ড তি দেখে ভার্সিটি লাইফের কত স্মৃতি মনে পরে গেলো। সাথে সাথে ড্রাইভে জমে থাকা হাজার ফটো দেখতে লাগলাম। প্রথম সেমিস্টারের প্রথম প্রেজেন্টেশন নামক ভয়াল সময় শেষ করার পরে আনন্দ উৎফুল্ল কতিপর যুবকের ছবি। সেই কত বছর আগের কথা...মিস করি এখন সেই দিঙ্গুলো...একেকজন এখন একেক জায়গায়। কেউ সেনাবাহিনিতে, কেউ বিমানবাহিনিতে, কেউ দেশের বাইরে।

*ভার্সিটিলাইফ* *বন্ধুতা*
৫/৫

রোমেল বড়ুয়া: আমার জীবনের সেরা সময়গুলো কাটাচ্ছি এই *ভার্সিটিলাইফ* এ এসে। আড্ডা, ইঞ্জিনিয়ারিং সুখদুঃখ, রাতবিরাতে চা সিগারেট, ক্লাসে বসে আঁকাআঁকি, এই প্রোগ্রাম, সেই প্রোগ্রামে পারফর্ম করা, কনসার্টে সবাই মিলে লাফানো, এখানে ওখানে হ্যাংআউট আরো কতো কি। (খুশী২) আর কিছুদিন পর ভার্সিটির পাঠ চুকে যাচ্ছে। এতো তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেলো কেন???? (মানিনা)

*ভার্সিটিলাইফ*

শুভ্র আহাম্মেদ: *ভার্সিটিলাইফ* এ প্রথম লেডি টিচার এর প্রেমে পরেছিলাম !!! অসম প্রেম !!!

mamunur rashid: *ভার্সিটিলাইফ*

Muhammad Sazzad Hussain shadhin: *ভার্সিটিলাইফ* আমার ভাবার কিছু আছে বইলাতো মনে হইতেছেনা............... বিজ্ঞজনেরা সবাই আগে ভাইবা ফেলছে এহন আমি কইলে তেনারা অপমাতিন হইতে পারেন তবে যথাসাধ্য চেষ্টা করিতেছি এই লাইফের মেয়াদ বাড়াইতে। দোয়া করিবেন

৩/৫

STHIR: *ভার্সিটিলাইফ* JU TE SAT BOSOR AMON VABE KETE GASE J MONE HOISE HAWAI MITHA MUKHE DILAM R TA KONO KISU BOSAAR AGEI AK NIMISHE SESH HOYE GALO.

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★