ভাষা

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ভারত ও বাংলাদেশ ছাড়া আর কোন কোন দেশে বাংলা ভাষা ব্যবহার করা হয়?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*ভারত* *বাংলাদেশ* *ভাষা* *বাংলা* *বাংলাভাষা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বিশ্বের কোন কোন দেশের দাফতরিক ভাষা বাংলা?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ভাষা* *বাংলা* *বাংলাভাষা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাংলাদেশের কোন জেলার আঞ্চলিক ভাষা শুদ্ধ এবং সর্বোত্তম?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*বাংলাদেশ* *জেলা* *আঞ্চলিকভাষা* *ভাষা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পৃথিবীতে এমন অনেক জাতি আছে যারা বৈদেশিক আগ্রাসনের ফলে নিজেদের ভাষা, সংস্কৃতি সব হারিয়ে অন্যের ভাষা, সংস্কৃতির উপর ভর করে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে। ঔপনিবেশিক যুগে যখন ইউরোপিয়ানরা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে শাসন, শোষণ আর আগ্রাসন চালিয়েছিল তখন অনেক জাতি নিজেদের ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য সব ভুলে পুরোদস্তুর দাসে পরিণত হয়েছিল। সামরিক আগ্রাসনের ফলে জাতি বিলুপ্তির ঘটনাও আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই।

কিন্তু যারা একবার জীবন দেওয়া শিখেছে তাদেরকে আর পদানত করে রাখা যায়নি। আমরা সেই গর্বিত জাতি যারা ভাষার জন্য, মাতৃভূমির জন্য, সংস্কৃতির জন্য জীবন দেওয়া শিখেছিলাম। এ কারণেই আমাদের ভাষা, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের স্বাধীনতা কেউ চিরতরে কেড়ে নিতে পারেনি। পৃথিবীতে ভাষার জন্য জীবন দেওয়ার গৌরবোজ্জল ইতিহাস একমাত্র বাঙালি জাতিরই রয়েছে। এদেশের সূর্যসন্তানেরা সেদিন যদি ভাষার জন্য জীবন না দিতেন তবে আমরাও হয়ত আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলতাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো আমরা কি আমাদের মাতৃভাষার সেই গৌরবকে পূর্ণরূপে ধরে রাখতে পেরেছি নাকি কেবল দিবসের মধ্যে ভাষাশহীদদের সম্মানকে, বাংলা ভাষার গৌরবকে আবদ্ধ করে রেখেছি?

নিজ বাসভূমে সেই ভাষা এখন পরবাসী, তার অঙ্গে এখন বহুবিধ লজ্জার স্পর্শ। আমরা অধিকাংশই শুদ্ধরূপে বাংলা বলতে ও লিখতে পারি না কিন্তু সেটা সেখার জন্য ন্যুনতম চেষ্টাও করি না অথচ ইংরেজিতে এক লাইন শুদ্ধ বলতে পারাকে খুব গর্বের মনে করি। বাংলা বলার মধ্যেও ইংরেজি শব্দ ব্যবহারকে আধুনিকতা মনে করি। পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শক্তি একথা বলার চেষ্টা করেছিল যে বাংলা সাহিত্যের ভাষা, কিন্তু কাজের ভাষা নয়, উচ্চশিক্ষার বাহন নয়-সে কথাই আজ স্বাধীন দেশে যেন কার্যত সত্যে প্রমাণিত হচ্ছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কী থাকতে পারে? ফেব্রুয়ারি এলে বাংলা ভাষার জন্য মায়া কান্না অঝোরে ঝরতে থাকে, কিন্তু এই দিবসেই কেবল আমরা ভাষার কথা স্মরণ করি, সারা বছর পড়ি ইংরেজি মাধ্যমে। উচ্চশিক্ষা, অফিস-আদালত, ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারি এক কথায় উচ্চপর্যায়ের প্রায় সব অঙ্গনেই এখন রাজত্ব করছে বিদেশি ভাষা।

*ভাষা* *সংস্কৃতি* *আবেগ* *বাংলা* *স্বাধীনতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন স্নায়ুজাত ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে শিশুর ‘ভাষা বিকাশ’ পর্বটি পরিপূর্ণ না-ও হতে পারে। অথবা তার বিকশিত ভাষার দক্ষতাটি হারিয়েও যেতে পারে। ভাষাগত সমস্যা শুধু এখনকার নয়, সব যুগেই এ সমস্যা ছিল। তবে বিষয়টি সম্পর্কে মানুষ তেমনভাবে সচেতন ছিল না।

কোনো কারণে যদি আপনার শিশু ‘ভাষা সমস্যায়’ ভোগে, তাহলে নিচের উপসর্গগুলো দিয়ে খুব সহজেই বোঝা যাবে—
* মানসিক অবস্থা ও আবেগ প্রকাশে সমস্যা বা আচরণগত সমস্যা
* কথা বলার সময় বিপরীত ব্যক্তির চোখে চোখ না রাখা
* ভাষা অনুধাবনে তাৎপর্যপূর্ণ ঘাটতি
* শিশুর আয়ত্ত করা শব্দের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম হবে। বিশেষ করে, ‘যাই’, ‘করি’, ‘খাই’ ইত্যাদি বৈচিত্র্যময় ক্রিয়াপদের সংখ্যা নেই বললেই চলে।
* সংলাপ চালিয়ে যাওয়ায় সীমাবদ্ধতা
* সমবয়সীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিশতে সমস্যা
* কিছু স্বর বা শব্দ বারবার বলা
* প্রতীকী খেলায় অপারগতা

স্বাভাবিক শিশুর ক্ষেত্রে চার-পাঁচ বছর বয়সের মধ্যেই ভাষার মৌলিক কাঠামো গড়ে ওঠে, তবে শব্দাবলি আয়ত্তকরণের প্রক্রিয়াটি পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পরও চলতে থাকে।
মনে রাখতে হবে, কোনো শিশু চার-পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে দৈনিক পাঁচ থেকে দশটি শব্দ দিয়ে পরিবেশ এবং প্রতিবেশ অনুযায়ী যদি মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারে, তাহলে তা উদ্বেগজনক। এ ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

সুত্র:প্রথম আলো

*শিশু* *ভাষা* *সমস্যা* *চিকিৎসা* *স্বাস্থ্যতথ্য*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পৃথিবীতে কোন ভাষা সবচেয়ে কঠিন কেউ কি বলতে পারবেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ভাষা* *কঠিনভাষা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ অমর একুশে ফেব্রুয়ারী। আমরা যারা ইন্টারনেটের আগের প্রজন্ম তাদের কাছে একুশে ফেব্রুয়ারীর মর্মটাই ছিল অন্যরকম। স্কুলে আমরা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস পড়েছি।তারুন্যে এসে জহির রায়হানের '' আরেক ফাল্গুন'' পড়ে একুশ নিয়ে আবেগে উদ্বেলিত হয়েছি।আর তাই আমাদের সময়ে খালি পায়ে ফুল হাতে '' প্রভাত ফেরী'' তে অংশ নিয়ে শহীদ মিনারে যাওয়াটা ছিল ছিল ভাষা সৈনিকদের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদ্দেশ্য। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের বেশির ভাগই জানে না একুশে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস। ফেসবুক ও ইন্টারনেটের এই যুগে তারা যে ম্যসেজ পাচ্ছে তা হলঃ
''একুশ মানে সাদা কালর ফ্যাশন শো''

*একুশ* *২১* *ভাষা* *সাদা* *কালো* *ইন্টারনেট* *শ্রদ্ধ্বা* *তরুন* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার পাশাপাশি অন্তত একটা বই কিনে বাংলাভাষাকে শ্রদ্ধা করুন। ফুলতো ঘন্টা পরে পঁচে যাবে।কিন্তু বইটা সারাজীবন রয়ে যাবে। ফুল আর মিনারে শুধু ভাষা দীর্ঘজীবী হয়না, বরং বই পাঠে ভাষা দীর্ঘজীবী হয়। বই পাঠের চর্চা নাই বলেই ২১শে'র শহীদ মিনারে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের ছবি শোভা পায় আর ব্যানারে লেখা হয় ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ভাষা দিবস। ভাষা দিবস আর ২১ শে ফেব্রুয়ারি মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। সালাম, বরকতের জায়গায় সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল আর ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রবের ছবি থাকে। ফলে চারজনকেই একসাথে অপমান করা হয়। অতি উৎসাহী একদল ফুল দিতে গিয়ে দেখেন-ঘটনাকি -আজ এখানে মানুষ কই? বার কি ঠিক আছে,সময় কি ঠিক আছে? খুব আগে কিংবা বেশি পরে আসলাম না তো। ঘড়িটা কি তবে ঠিক নাই? না, জনাব। সবই ঠিক আছে। শুধু ভুল করে আজ সাভার স্মৃতিসৌধে চলে গেছেন। দেশে ২৮ লক্ষ পরিবার। প্রতি পরিবার ১ টা বই কিনলেও ২৮ লক্ষ বই বিক্রি হতো। বাদ দেন প্রতি পরিবারে ১টা বই। প্রতি পাড়ায় মিলেও ১টা বই কেনা হয়না। বিভিন্ন উৎসবে যে হারে শাড়ি,লেহেঙ্গা আর পাণ্জাবি, ফতুয়া বিক্রি হয়, বই উৎসবে বই সে হারে লক্ষভাগের ১ ভাগও বিক্রি হয়না। বিড়ি,তামুক,ইয়াবা ফ্যাক্টরির মালিক কোটিপতি কিন্তু বইয়ের দোকানের মালিক ফকির। কারণ বইখোরের চেয়ে তামুক,জর্দা, বিড়ি,ইয়াবা খোর বেশি। আফসুস! প্রতি মহল্লায়, অলিতে গলিতে খুঁজলে ব্যাঙের ছাতার চেয়েও বেশী দলীয় কার্যালয় পাওয়া যাবে। কিন্তু পুরো গ্রাম মিলে একটা গ্রন্থাগার খুঁজে পাওয়া যাবেনা।"বই" মানে নাকি "বহমান ইতিকথা"। কথাটা এখন মনে হয় একেবারেই বৃথা। আল্লার ওয়াস্তে কুতুবওয়ালাদের সেলিব্রেটি না বানিয়ে এবার কিতাবওয়ালাদের সেলিব্রেটি বানান। শুধু মিনার না বানিয়ে সালাম, বরকত,রফিক, শফিক, জব্বার, শফিউর, আব্দুল আওয়াল,অহিউল্লাহর নামে গ্রন্থাগার বানান। ভাষাশহীদ রিকশাশ্রমিক আব্দুল আওয়াল আর রাজমিস্ত্রীর নয় বছরের ছোট ছেলে অহিউল্লাহর নামটাও তো কেউ জানেনা। অহিউল্লাহর লাশটাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।আর অহিউল্লাহর বাবা রাজমিস্ত্রী হাবিব না খেয়ে মারা গেছেন। হায়! শহীদদের প্রতি ভালোবাসা!! তবে একেকটা ছোট ছোট গ্রন্থাগার দেখা যাবে শিশুদের পীঠের ওপরে।এই শিশুরা যত বড় হয়, ওদের পীঠ থেকে বইয়ের বোঝা তত হৃাস হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্রদের হাতে আর বইই নেই। বরং ওল্টোটাই হওয়ারই কথা ছিলো। দেশে তিনকোটি ছাগল যে পরিমাণ কাঁঠালপাতা খেয়ে দিনে হজম করে সতেরো কোটি মানুষ সারা জীবনে সে পরিমান বইয়ের পাতা খেয়ে হজম করতে পারে না। প্রতিমা ফুলে ছেয়ে যায় কিন্তু আসল মায়ের কোনো খবর থাকেনা। তাই,শুধু পাথরে তৈরী প্রতিমাকে সম্মান না করে রক্ত মাংসে তৈরি প্রতি মাকেও সম্মান করি। পরচর্চার অভ্যাস বাদ দিয়ে , পাঠচর্চার অভ্যাস শুরু করি। বুকে দ্বেষকে না রেখে দেশকে রাখি।

*একুশ* *দ্বেষ* *দেশ* *২১* *ভাষা* *দল* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগের দিন সকালে এক মাম্মী ড্যাডির মেয়ের ফোনে ঘুম ভাঙ্গলো ! Hi শরীফ ভাই i mean বলতে চাচ্ছি আগামীকাল একুশে february আমাদের lot of plan আছে about twenty first feb নিয়ে ! আপনি কি থাকবেন আমাদের সাথে ? হেব্বী fun হবে actually we want celebrating আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী
.
গত বছর একুশে ফেব্রুয়ারীতে ফুল দিতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হলের একটি মেয়ে, তার এক হাতে ফুলের ডান্ডা আরেক হাতে মোবাইলে কাকে যেনো বলছে, 'হাই নটি বয় এই একুশে ফেব্রুয়ারীতে মুসকিল হে তেরে বিনা এক বি কদম চালনা !' আসলে ফুলের তোড়াটা বেশী ভারী ছিলো তাই ধরার জন্য হলেও একটা ছেলে দরকার ছিলো !
.
গোলাপী বেগম'রা এখন pinky madam রং চেঞ্জ হয়নি বটে তবে ভাষা চেঞ্জ হয়ে গেছে
.
একুশে ফেব্রুয়ারীতে অন্তত একদিন বাংলায় বলতে চেয়েছিলাম ! চঃবিঃতে শোভাকলোণীর কিউট মেয়েটি এসে জিজ্ঞেস করেছিলো, ভাইয়া তুমি আমার ফেসবুক আইডিতে নেই ? বললাম, 'নেই মানে ! ফেসবুকে নিয়মিতো তোমাকে পছন্দ(like) করি তো ! মেয়ে গাল ফুলিয়ে বললো, ভাইইয়াআআ আমার তো 'বয় ফ্রেন্ড' আছে ! বললাম 'ছেলে বন্ধু'ই তো পবলেম নেই ! ছেলে বন্ধু সবারই থাকতে পারে কিন্তু তোমাকে ফেসবুকে পছন্দ(like) করলে ওর সমস্যা কি !
.
আমাদের চিকিৎসক কবি সায়েম ভাই পণ করেছে ফেব্রুয়ারী মাসে বাংলা শব্দ ছাড়া কথা বলবে না ! ডাক্তাররা কবিও হয় অথবা কবি যে কেউ হতে পারে শুধু মন থাকতে হয় ডাক্তার সাব তার জ্বল জ্বল উজ্জ্বল প্রাণবন্ত উদাহরণ এবং চলমান দৃষ্টান্ত ! উনি একুশে ফেব্রুয়ারীর শুভেচ্ছা দিচ্ছেন এভাবে, আপনাকে একুশে ইংরেজী সনের দ্বিতীয় মাসের শুভেচ্ছা ! ইংরেজী শব্দটির বাংলা শব্দ অভিধানে খুঁজে পাইনি বলে দুঃখিত লজ্জিত !
.
অনেক বছর আগে সন্দ্বীপে নানার বাড়ি বাউরিয়ার বধুমালাদারের বাড়িতে কোন এক আট ই ফাল্গুনে ঘুম থেকে উঠে দেখি ভদ্রমশাই 'বাংলা গালি' দিচ্ছে ! সে কি গালি ! ভাবলাম ভাষা দিবস উপলক্ষে সে গালিটাও বাংলায় দিচ্ছে ভেবে গর্বে বুক ভরে যাচ্ছি ! বললাম নানা এটা 'ফকিরন্নীর বাচ্চা হবে না উচ্চারণ হবে ফইন্নীর বাচ্চা !' সে বললো দূর রাখেন আপনার ফইন্নীর বাচ্চা সাঁজ সকালে আমার বাগান থেকে ফুল চুরি করে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেছে ! হালা ফইন্নী ! হাউ কিউট ! ফইন্নী ইজ কারেক্ট সরি ফইন্নী ঠিক বলেছেন !
.
গত বছর একুশেলফি তোলার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়েছিলাম সেখানে দেখলাম ছাত্রলীগ ছাত্রদলের মধ্যে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারী রিহার্সেল চলছে ! মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন !
.
গত ষোল ডিসেম্বর বিজয় দিবস ছিলো শুক্রবার অফিসের একটি বন্ধ মাইর গিয়েছিলো ! ভাগ্যিস দুইহাজার সতের একুশে ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার পড়েছে হিসেব করে দেখলাম ২০১৪ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী শুক্রবার পড়েছিলো যাই হোক আমি কি ভুলিতে পারি অনেকদিন পর একটি বন্ধ অতঃপর কেডিএস এক্সেসোরিজ !

*ভাষা* *একুশ* *চেতনা* *মেয়ে* *সেলফি* *২১* *একুশ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একুশ মানে সাতসকালে খালি পায়ে হাঁটার নাম নয়। পাথরের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার নাম একুশ নয়। গান গাওয়া কিংবা মাইকে গান বাজানোর নামই একুশ নয়। রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে, দিনে ফুল দিয়ে, সারাদিন গান বাজিয়ে আসলে কী হয়? এসব প্রতিকি কর্মযজ্ঞে হয়তো একটা 'দিবস' উদযাপিত হয়। কিন্তু একুশের সত্যিকারের মানে তো একটা 'দিবস' নয়। অবস্থা দেখে মনেহচ্ছে শুধু দিবসটা থেকে যাবে কিন্তু মাতৃভাষাটা দিনকে দিন...! কারণ এখনকার হুযুগে বাঙ্গালীদের ২১ কিংবা ২২ এ কিছু আসে যায় না; এদের একটা দিবস হলেই হলো। হোক সেটা থার্টি ফাস্ট কিংবা ১৪ই ফেব্রুয়ারি! বাংঙ্গালী দিবস পালনে ওস্তাদ!

কোন কুতুব আসি নাই যে, একুশের সত্যিকারের মানে কী; তা ব্যাখ্যার করব। কারণ যতই সময় অতিবাহিত হয় ততই একুশের মানে আমার কাছে ভিন্নরূপে ধরা দেয়; গতবছর একটা এবছর আরেকটা! তবে এততটুকুন বুঝি যে, কি কি দিয়ে এর মানে করলে- সেটা ঠিক হয় না। সাদা কাপড় পরলে যেমন মনটা সাদা হয় না তেমনি কালো ব্যাচ লাগালেই শোক হয় না আর ফুল দিলেই শ্রোদ্ধা জানানো হয় না। এটা অনুভব করার বিষয়। কেননা একুশের চেতনা; শুধুই ফুল দিতে বলে না।

*ভাষা* *২১* *অহংকার* *শহীদ* *চেতনা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নাম সাবেরী আলম । উনি অভিনয়ের পাশাপাশি শিক্ষতা করেন ।। উনি একজন বিখ্যাত মায়ের সন্তান। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে একুশে পদক পেয়েছিলেন উনার মা আভা আলম ১৯৭৭ সালে। 

সময় সংবাদে তার একটা উপস্থাপনা নেয়া হয়েছিল উনি শহীদ বেধীতে তখন দাঁড়ানো ছিল ।।

তাকে জিজ্ঞেস করা হলো শহীদ বেধীতে যারা জুতা পায়ে উঠেন তাদের ব্যাপারে তিনি কি বলবেন ? তিনি বলবেন শিক্ষাটা পারিবারিক থেকে পরিবার যদি সম্মান,শ্রদ্ধ্বা না  শিখায় তাহলে কিভাবে আসবে ।।

উনি বুঝাতে চাচ্ছেন এগুলো বাপ মায়ের নৈতিকতা শিক্ষার অভাব ।। যাই হোক ভালো বলেছেন ।।

কিছুক্ষন পর সংবাদ কর্মী তাকে জিজ্ঞেস করলেন আপনি ও তো জুতা পায়ে বেধীতে হেটেছেন সাথে সাথে তিনি বোল পাল্টালেন বললেন জুতা পায়ে বেধীতে উঠল কোন ক্ষতি নেই ।।

এই হচ্ছে আমাদের জাতীর অবস্থা সুশীল সমাজের লোকেরা যদি ভন্ডামী করে জাতী তাহলে আদের কাছ থেকে শিখবে ।।

শুধু ভাষার মাস আসলেই ভালোবাসা ,চেতনাদন্ড  দাঁড়িয়ে যায় সবার এই খান থেকে বের হয়ে আসতে হবে তাহলেই জাতী সামনে এগিয়ে যাবে ।।

মনে প্রানে ভাষাকে লালন করতে হবে ।। আর মন থেকে বলতে হবে " আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি"

আসুন না ভণ্ডামীর মুখোশ ছিড়ে ফেলে ভাষার জন্য দেশের জন্য একযোগে কাজ করি ।।

১ দিনের জন্য না ভাষাকে সারাজীবনের জন্য মনে প্রানে আগলে রাখি ধারন করি বুকের মাঝে ।।

*ভাষা* *শহীদ* *শ্রদ্ধ্বা* *সম্মান* *ভন্ডামী* *মুখোশ* *২১*

প্যাঁচা : বাংলা খুবই কঠিন ভাষা এবং কোন সেন্স মেইক করে না অনেকক্ষেত্রেই।শহীদুল্লাহ সাহেব এবার যতই গালাগালি দিক না কেন?ইংরেজীতে gentle breeze,বাংলায় মৃদুমন্দ হাওয়া...হিন্দী???তার উপর আছে বেশ আঞ্চলিকতার প্রভাব (যদিও আমি এটাই খুব পছন্দ করি)।শুদ্ধবাংলায় খারাপ কথা বলা বেশ কষ্টকর কারণ ঠিক মানায় না যেন কিন্তু ইংরেজিতে একটাই রূপ।তাই কাউকে কেবল শুদ্ধ বাংলা শেখালে,গালাগালি সে ইংরেজীতে করবে সেটাই স্বাভাবিক।হাহাহাহাহাহা...

*ভাষা* *বাংলা* *ইংরেজী* *মাতৃভাষা* *ভাষা-দিবস*

ফ্রেশ ফ্রজেন: [বাঘমামা-হাহাহা]"ঘাট ফারৈতে উলামেলা , ঘাট ফারৈলে খেয়ানি হালা" ভাষাটা পরিচিত হলে আমাকে কেউ বাজে বলবেন না ! হঠাত চোখে পরলো তাই শেয়ার করলাম ......

*ভাষা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি নিজেকে দেশ প্রেমিক বলবো না, কারন আমি আমার দেশের জন্য দেশের ভষার জন্য এখন পর্যন্ত কিছুই করতে পারি নি ।।
আমি দেশকে কিছুই দিতে পারি নি বরং দেশ আমাকে দিয়েছে একটা স্বাধীন মানচিত্র, ভাষা , শিক্ষা , বেচে থাকার উপকরন সব কিছু ।।

বিনিময়ে কি দিয়েছি দেশকে কিছুই না ।।

আর আমি কথিত মানুষের মতো ফেব্রুয়ারি আসলেই ভাষার জন্য দেশের জন্য চিৎকার করে বুক ফাটাবো সেই রকম না ।। আমি সারা বছর সারা জীবন দেশকে ভালোবেসে যাবো ।।

তাই আমি আমার মনের গভীর থেকে বলতে চাই " আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি "।।
"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভূলিতে পারি ""

শ্রদ্ধা জানাই আমার ভাষার প্রতি ।। ভাষা বেচে থাকুক মনে প্রানে সবখানে ।।

*দেশপ্রেম* *ভাষা* *শহীদ* *একুশেফেব্রুয়ারী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★