ভুত

NatunSomoy : [ভুত-আজকেরতোরেখাইসি]প্রতিদিন স্ত্রীর রক্ত পান করে স্বামী সমীক্ষা বলছে, ভ্যাম্পায়ারের উৎস উপমহাদেশ। ভারত থেকেই না কি রক্তচোষার অস্তিত্বের কথা জেনেছিল সারাবিশ্ব। এবং সেই মতো লক্ষণ মিলিয়ে খুঁজে.... বিস্তারিত পড়ুন ও ভিডিও দেখুন - http://bit.ly/2aTk1Dh

*ভুত* *রক্তপিপাসু* *ভ্যাম্পায়ার* *রক্তচোষা* *বেশম্ভব* *আড্ডা*

NatunSomoy : [ভুত-আজকেরতোরেখাইসি] কোন ভূতে ধরলে কী ক্ষতি হয়? অমাবস্যার রাতে শ্মশানে প্রবেশ করে ভূত-প্রেতের নৃত্য দেখেছেন, অতি অবাধ্য শবরূপী বেতালকে কাঁধে ফেলে যাত্রা করেছেন সন্ন্যাসীর আশ্রমের দিকে। কিন্তু এই বিরাট গোলমালে... বিস্তারিত পড়ুন- http://bit.ly/28XaM8b

*ভুতেধরা* *ভুত* *আড্ডা* *বেশম্ভব* *ভূতে_ধরলে_ক্ষতি*

Risingbd.com: ১৬ বছরের তরুণীর ভৌতিক লাইফস্টাইল (ভিডিও) নিজেকে সুন্দর দেখাতে কে না চায়? আর তাই সুন্দর হওয়ার জন্য মানুষের কত রকমেরই না প্রচেষ্টা করে থাকে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের ১৬ বছরের তরুণী লারা ওয়ের্থ এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরানার। কারণ তার লাইফস্টাইলটা ভৌতিক সাজের... বিস্তারিত- http://bit.ly/1OUH0dn

*আড্ডা* *ভুত* *শিল্পী* *বিনোদন* *লাইফস্টাইল*

Risingbd.com: সেলফিতে ভূত! (ভিডিও) যার ফলে আমি বুঝতে পারি সেলফির ছবিটিতে নিশ্চয়ই কোনো একটা কিছু উপস্থিতি আসলেই রয়েছে...বিস্তারিত- http://bit.ly/1Zk4JKH

*ভুত* *সেলফি* *ভাগ্য* *আড্ডা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খাল, ছোট ছোট নালা, সারি সারি গাছ, ঘন জঙ্গল, সাপ, পশু-পাখি ও অন্য বন্যপ্রাণী। দ্বীপতো হবে এমনই। কিন্তু এই দ্বীপে গা ছমছমে পরিবেশ। কোথাও কোনও মানুষের চিহ্ন নেই। মেক্সিকোর দক্ষিণে জিওচিমিলকো ক্যানালের পাশের এক দ্বীপের চিত্র এমনই। তবে দ্বীপের বাসিন্দা কয়েশো পুতুল। কোনও বসতি নেই দ্বীপে। সারা দ্বীপ জুড়ে শুধুই পুতুল আর পুতুল। মাথাযুক্ত, মাথা ছাড়া, অর্ধেক শরীর বা পুরো একটি পুতুল ঝুলে রয়েছে গাছের ডালে। দ্বীপ জুড়ে ছোট ছোট যে ঘর রয়েছে সেখানেও রয়েছে এমন পুতুল। একবাক্যেই এটিকে পুতুলের দ্বীপ বলা চলে। তবে এই পুতুল যেমন তেমন নয়, ভয়ঙ্কর। আর এ কারণেই দ্বীপটি হয়ে উঠেছে ভয়ঙ্কর-ভৌতিক পুতুলের দ্বীপ!

রহস্যময় এই দ্বীপটি সম্পর্কে বলা হয়, অর্ধশতাব্দী আগে এই দ্বীপের একটি খালে ডুবে প্রিয় পুতুলসহ মারা যায় ছোট একটি মেয়ে শিশু। এরপর থেকে খালে এসে জমা হতে থাকে শত শত পুতুল। পরবর্তী সময়ে দ্বীপের একমাত্র বাসিন্দা ডন জুলিয়ান তা সংগ্রহ করে দ্বীপবাসী হিসেবে ওই পুতুলগুলিকে ‘আশ্রয়’ দেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত পুতুল সংগ্রহ করে গেছেন তিনি। তার মৃত্যুর আগে ও পরে কোনও মানুষ থাকেনি এই দ্বীপে।



স্থানীয়দের কাছে দ্বীপটি ‘লা আইসলা দে লাস মুনেকাস’ নামে পরিচিত। ইংরেজিতে এই দ্বীপটি পরিচিতি পেয়েছে ‘পুতুলের দ্বীপ’ হিসেবে। স্থানীয় শহর কর্তৃপক্ষ ৯০ দশকে দ্বীপটিকে পরিষ্কার করার কার্যক্রম হাতে নেয়। তখনই সামনে আসে ‘ভৌতিক’ এই পুতুল দ্বীপ।

দ্বীপটিতে কোনও মানুষ না থাকায় এমন উদ্যোগ নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ভূত, প্রেত, জিন, আত্মা কিংবা গা ছমছমে পরিবেশ যারা পছন্দ করেন, এমন পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের জন্য আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে দ্বীপটি।
-ইন্টারনেট
*ভুতেরগল্প* *ভুত*

তিমু চৌধুরী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এই ব্যাপারে কথা বলতে প্রথমেই একটা প্রশ্নের উত্তর ধরে নিতে হবে , ভূত কি আছে?

ধরে নিলাম , হ্যা ভুত আছে । ভুত ব্যাপাটি অনেক রোমাঞ্চকর । কারন যারা ভুত দেখেছে শুধু তারাই মানে যে ভূত আছে । যারা ভুত দেখে নি তাদের অনেকেই মেনে নেয় যে ভূত আছে আবার অনেকেই মনে করে যে ভূত বলে কিছু নেই। কিন্তু কেউই নিশ্চিত নয় ভুত আছে কি নেই । SO there is always a room for doubt.

 

বিজ্ঞান দ্বারা ভূতকে যাস্টিফাই করা অনেকটা হাস্যকর ব্যাপার বলেই মনে হয়। যারা বিজ্ঞান বুঝে তারা হয়ত ভুত ব্যাপারটা শোনার পর বলবে , “ have ya gone mad?? Or just  plain stupid ??” এখন আমি ভূতকে বিজ্ঞান দিয়ে প্রমাণ করব না। শুধু কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব বাকিটা আপনার উপর । ভূত নিয়ে আলোচনার প্রতিটা ব্যাখ্যা অনেক বড় হয় তাই এই বিষয়কে কয়েকটা ভাগে ভাগ করে নিব। এই পোস্টে প্রথম সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব।

 

প্রথম সমস্যাঃ ভূত দেখতে কেমন ? , ভুতের বাসস্থান এবং স্পেশালিটি ...।

 

আসলে ভুত কেমন হবে সেটা নির্ভর করে আপনার উপর। ভূত অনেক ধরনের হয়ে থাকে। ভুত আপনার উপর নির্ভর করে নিজের পোশাক বদলায় । আমি অনেক ভুতের গল্প শোনেছি তাদের মাঝে যেসব গল্প গ্রাম্য সাইডে হয়েছে সেসব গল্পের বেশিরভাগ গল্পে একটা কমন বিষয় রয়েছে সেটা হচ্ছে সাদা কাপড়।

 

ইয়াপ, বেশিরভাগ গল্পের ভূত সাদা কাপড় পরা থাকে। এখন প্রশ্ন জাগে গ্রামের ভুত শুধু সাদা কাপড়ই পরবে কেন ? এর একদম পার্ফেক্ট ব্যাখ্যা আমি দিতে পারব না। তবে কিছু একটা ধারণা আমি দাড় করিয়ে দিচ্ছি।

 

প্রথমত , গ্রামের বেশিরভাগ বৃদ্ধা সাদা শাড়ি পরে থাকেন বা বৃদ্ধ সাদা কাপড় পড়েন । ঠিক কারনটা জানি না । তবে হয়ত বয়স খুব বেশি হওয়ায় চকচকে কিছু তারা পছন্দ করেন না । আর বৃদ্ধ বয়স্ক মানুষেরাই কিন্তু কয়েক বছর কিংবা কয়েক মাসের মাঝে মারা যায়। অধিকাংশ সময়ই এসব বৃদ্ধ মানুষগুলোর কাছেই কিন্তু নতুন প্রজন্ম ভূতের কাহিনী শোনে থাকে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই নতুন প্রজন্মের সাব কন্সিয়াস মাইন্ডে একটি ভুতের চিত্র গড়ে ওঠে । সেটার অনেকাংশেই সাদা কাপড়ের একটা আঁচড় থাকে। অর্থাৎ তারা নিজের অজান্তেই সাদা রঙকে ভয়ের কারন হিসেবে ধরে নিয়েছে। এতে করে ভুত সাদা দেখারই কথা।

 

দ্বিতীয়ত , বলতে গেলে আসতে হবে পদার্থ বিজ্ঞানের আলোর মাঝে। আচ্ছা সাধারণ একটা প্রশ্ন , ঘরের দেয়ালে সাদা রঙ করা হয় কেন ??? উত্তর আশা করি একটাই , যে সাদা আলো সব আলোকে প্রতিফলিত করে তাই ঘর বেশি উজ্জ্বল রাখার জন্য সাদা কালার দেয়া হয়। হ্যা , ভুতের ব্যাপারটাও ঠিক তেমন। আপনি ইচ্ছে হল যে ,  ভুত দেখবেন ।  তো  আপনি কি করবেন ??? ঘরের সব বাতি জ্বালিয়ে প্ল্যান চ্যাটে বসবেন ???? অবশ্যই না , সব বাতি নিভিয়ে দিবেন, তাইত ??

 

হ্যা, সেটাই করবেন আশা করি। তাহলে ধরে নিতে হবে যে আপনার মস্তিষ্ক অন্ধকার ভয় পায়। আপনার মস্তিষ্ক অন্ধকার মানেই বুঝে যে একটি ভুতুরে পরিবেশ। তাহলে ভুত দেখতে হলে অন্ধকারে দেখতে হবে কিন্তু অন্ধকারের মাঝে কোন রঙ বেশি দেখা যায় ??? প্রথমে আসবে লাল আর দ্বিতীয়ত সাদা । কারন এই দুইটা ছাড়া অন্ধকারের মাঝে ভালোভাবে ফুটে ওঠে তেমন কোন রঙ কিন্তু নেই। তাই আশা করা যায় আপনার মস্তিষ্ক অন্ধকারে কিছু দেখাতে হলে প্রথমে চাইবে যে সাদা রঙ অথবা লাল রঙটাকে দেখাতে।

 

এখন যেহেতু গ্রাম্য সাইড গুলো বা রাতের বেলায় সবকিছু অন্ধকার থাকে তখন আপনার দর্শন ইন্দ্রিয় কাজ করে না। ফলে আপনার বাকি ইন্দ্রিয় গুলো বেশি সক্রিয় হয়ে যায়। তাহলে সক্রিয় হওয়ার ফলে আপনার মস্তিষ্ক আশে পাশের সকল শব্দ নড়াচড়া নিয়ে একটু বেশি চিন্তা করা শুরু করে। যেহেতু তার ফলে আপনি একটা অস্বস্তিকর মুহুর্তে পড়ছেন তাই আপনার মস্তিষ্কই আবার চায় ওই বিষয়টা দেখে ক্লিয়ার করতে। তাই অন্ধকারের মাঝেই দেখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যায় , এমন সময় যদি হালকা একটা আলো আপনার চোখের সামনে আসে তাহলে আপনার মস্তিষ্ক এত অন্ধকারের মাঝে নিজেকে ঐ আগের ভৌতিক পরিবেশে নিয়ে যায় আর ঐ আলোকে একটা শেইপ দেয়ার চেস্টা করে। এমন সময় অন্ধকারের মাঝে যেহেতু সাদা আর লাল আলোই বেশি দেখা সম্ভব তাই মস্তিষ্ক ধরে নেয় আপনি লাল আর সাদা কিছু দেখছেন। এখন জীবনে যে বিষয়টা আপনি বেশি ভয় পান ঐ বস্তুর আকারটা মস্তিষ্ক সেভাবেই গড়ে তুলবে। আর সেটা দেখেই আপনি ভয় পাচ্ছেন আর অন্যকিছু করতে হবেনা। বাকি যত কাহিনী হবে সব আপনার মস্তিষ্ক নিজ থেকেই সাজিয়ে নিবে।

 

সো সবকিছু যখন রাতের অন্ধকারের মাঝেই হবে তাই ভুতকে আপনি লাল অথবা সাদা রঙেই দেখবেন স্বাভাবিক। আর শহরে যেহেতু চারদিকে আলো আর আলো তাই দেখবেন শহরের ভুতের ক্ষেত্রে এই রঙের বেপারটা তেমন কোন ফেক্ট হয় না। তবে শহরে বিশাল বিশাল বিল্ডিং থাকে তাই এত বড় বড় বিল্ডিং ত ভুতের দ্বারা হেঁটে পার করা সম্ভব না। অর্থাৎ ভুতের একটি স্পেশাল পাওয়ার থাকতে হবে , সেটা হল শহরের ভুত উড়তে হবে। যারা শহরের বাড়ীতে ভুত দেখে তারা দেখবেন বেশিরভাগ দেখে যে ভুত উড়ছে । আবার অনেক সময় ভুত খাটের নিচে থাকে । কারনটা স্বাভাবিক , বেশিরভাগ শহুরে খাট বক্স খাট থাকে। কিন্তু যাদের থাকে না তারা মনে একটা বিষয় থাকে যে আমার ঘরে ভুত আসলে কোথায় থাকবে । সেটাই সবথেকে সেইফ জায়গা মানে খাটের নিচে।।।

 

এবার আপনি যদি একটা সদ্য জন্ম নেয়া বাচ্চাকে একা ঘরে রেখে যান সে ভয় পাবে না। কিন্তু আপনি যদি থাকেন তাহলে কিছুটা হলেও ভয় লাগবে।   তার মানে দাঁড়ায় যারা বিশ্বাস করে ভুত আছে তারাই ভুত দেখে আবার যারা খুব বেশি অবিশ্বাস করে তারাও দেখে। কারনটা হয়ত তেমন কিছু না। সারাদিন ভূত নেই ভূত নেই বলতে বলতে ভূত নাহয় একবার দেখা দিয়েই দেয় তাদের। (শয়তানিহাসি)

*ভুত* *বিশ্লেষণ*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

(আতশবাজি) (খিকখিক)(আতশবাজি)
জীবনে যদি সত্যিকারের মানুষ না হতে পারো তবে ভুত হও পেত্নী হও অন্তত মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে তাছাড়া সুনাম ও বাড়বে (ভেঙ্গানো)
*ভুত* *পেত্নী* *আমিএখনকই*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ভুত হতে মন চাই
মাঝে মাঝে আমার ভুত হতে ইচ্ছে হয়, আবার দুশ্চিন্তা ও হয় ভুত হলে যদি পেত্নী না পায় তবে আমার কি হবে? (মাইরালা)
*পেত্নী* *সাদ* *ভুত* *কানাই*

Dipti: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সকলের সাধারণ নাম ‘ভুত’ হলেও ‘ভুত’ হচ্ছে পুরুষ এবং ‘পেত্নী’ হচ্ছে নারীর অশরীরি আত্মা! ভুতের রাজ্যে নারী ভুতের সংখ্যাই বেশী-পুরুষতান্ত্রিক সমাজ মৃত্যুর পরেও নারীকে শান্তি দেয়নি, পেত্নী নামক ঘৃণ্য এক চরিত্রে তাকে চিত্রায়ন করেছে। শতকরা আশিভাগেরও বেশী ভুতের গল্পে নারীদের প্রাধান্য রয়েছে। 
মৃত আত্মার প্রকারভেদে পেত্নীদের নামকরণ করা হয়- ‘শাকচুন্নী’ (সে সব বিবাহিত মেয়েদের আত্মা যারা তার স্বামীর পরকীয়ার জন্য জীবন দিয়েছে), ‘শাকিনী’ (সে সব মেয়েদের আত্মা যারা বিয়ের পরে অসুখে বা নির্যাতনে পড়ে আত্মহত্যা করেছে), ‘মোহিনী’ (সে সব মেয়েদের আত্মা যারা প্রেমে ব্যর্থ হয়ে বা বিয়ের আগেই আত্মহত্যা করেছে), ‘ডাকিনী’ (সে সব মেয়েদের আত্মা যারা অসময়ে কোনো কারনে মারা গেছে। সেই অর্থে মোহিনী, শাকিনী বা শাকচুন্নী সবাই ডাকিনীর অন্তর্ভুক্ত), ‘ডাইনী’ (অত্যন্ত সুন্দরী মেয়েদের আত্মা), ‘কাঁদারমা’ (এরা জঙ্গলে বসে করুণ সুরে বিলাপ করতে থাকে ) এবং ‘চোরাচুন্নী’ (সে সব মেয়েদের আত্মা যারা জীবনে চোর ছিলো)। 
মৃত পুরুষ আত্মাদের মধ্যে আছে ‘মামদো’ (মুসলমান পুরুষের আত্মা), ‘ব্রক্ষ দৈত্য’ (হিন্দু ব্রাক্ষনদের আত্মা), ‘দৈত্য’ (শারীরিক ভাবে ভীষন শক্তিশালী পুরুষ আত্মা), ‘বেঘোভূত’ (বাঘের আক্রমনে মৃত্যুবরণ করেছে এমন মানুষের আত্মা) এবং ‘চোরাচুন্না’ (পুরুষ চোরের আত্মা)। 
এছাড়া রয়েছে ‘নিশী’ যারা মানুষকে বশ করে নিয়ে যায়; ‘আলেয়া’ যারা জলাশয়ে বসবাস করে মাঝি বা জেলেদের ভয় দেখায়; ‘পিশাচ/পিশাচী’ ও ‘রাক্ষস/রাক্ষসী’ হলো তারা যারা নির্দয়, নিষ্ঠুর বা নীচ প্রকৃতির পুরুষ/নারীর আত্মা; ‘কানাভুলো’রা পথিকের গন্তব্য ভুলিয়ে দিয়ে ঘোরের মধ্যে ফেলে দেয় এবং অচেনা স্থানে নিয়ে আসে; ‘পেঁচাপেঁচি’রা জঙ্গলে দুর্ভাগা ভ্রমণকারীদের পিছু নেয় এবং সম্পূর্ণ একাকী অবস্থায় ভ্রমণকারীকে আক্রমণ করে মেরে ফেলে ও শিকারের দেহ ছিঁড়ে ছিঁড়ে খায়; ‘মেছোভূতে’রা ভূতেরা মাছ ভালোবাসে ও ‘গেছোভূতে’রা গাছে বসবাস করে; ‘দেও’রা লোকজনকে পানিতে ফেলে ডুবিয়ে মারে; এবং ‘কবন্ধক’ যাদের শরীরে মাথা থাকে না। 
*মূল লেখা- মোঃ আলাউদ্দীন ভুঁইয়া
*ভুত* *ভৌতিকগল্প* *ভুতুড়ে* *ভৌতিক-কাহিনী*

মার্ক শুভ্র সরকার: ভুতের গল্প পড়তে আমাদের অনেকেরই ভালো লাগে ভূতের ব্যাপারটা সব সময়ই অনেক রহস্যময়। সভ্যতার অনেক অগ্রগতী হয়েছে তবে মানুষের মন থেকে ভূতের যায়নাই।ভূতের কথা আসলেই পৃথিবীর মানুষ দুভাগে ভাগ হয়ে যায়!! এক ভাগ ভূত মানে আরেক ভাগ মানেনা!! কিন্তু পৃথিবীর ৮৫% মানুষ অন্ধকারে একা থাকতে ভয় পায়।৬৫% মানুষ রাতে একা ঘুমাতে ভয় পায়।আমেরিকার ৯০% শিশু এবং অনেক প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষও মনে করে যে কাকতাড়ুয়া রাতে হাটে .. এই লেজেন্ডকে বলা হয় “Scarecrow walk at night” .. কিসের এতো ভয় পায় মানুষ ?? সেদিন একটা পেজে বিজ্ঞান দিয়ে ভূতকে প্রমান করার একটা নতুন কনসেপ্ট ভালো লাগল।ওখানে যা বলা হয়েছে তার সারমর্ম হল, অ্যাস্ট্রোলজি এবং কসমোলজির বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে আমাদের জগতটি ১০ মাত্রার।প্রথম মাত্রা একটি বিন্দু , দ্বিমাত্রিক বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ আছে আর ত্রিমাত্রিক বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ আর উচ্চতা। আমাদের চারপাশের জগত এই 3D তেই সীমাবদ্ধ।স্পেসে গেলে চতুর্থ মাত্রা সময় হিসাবে আনতে হই তাই স্পেস 4D আর ৫ মাত্রা মহাকর্ষ।আমাদের সামনে দিয়ে যদি 4-D, 5-D’র কোন কিছু যায় অথবা থাকে, আমরা কি সচক্ষে সেটা দেখতে পারবো? না, পারবো না। ভূত প্রেত এগুলা যদি এই টাইপেরই কিছু হয় ?? এখানে প্রশ্ন আসে যদি তাদের দেখতেই না পাই তবে মানুষ ভূত কেন দেখে ?? যে কোন একটি মাত্রা, যেমন- দৈর্ঘ্য, প্রস্থ অথবা উচ্চতা’র পরিবর্তনের মাধ্যমে গোটা ডাইম্যানসনে পরিবর্তন আসতে পারে আর এসব ঘটে সময়ের তারতম্যের কারনে তাই কোন বিশেষ সময়ে অল্প কিছু টাইমের জন্য হয়ত তাদের দেখা যায় আরকি শেষ করছি দুটি উক্তি দিয়ে “ভূতেরা বাস্তব আর রাক্ষসেরাও!তারা আমাদের ভিতরেই বাস করে আর কখনো কখনো তারাই জেতে” – স্টিফেন কিং “আমি নিজে সারা জীবন ভূত দেখার চেষ্টা করেছি । ভাঙ্গা বাড়িতে একা থেকেছি । শশ্মানে রাত কাটিয়েছি । গা ছম ছম করেছে ঠিকই , ইদুরের লাফালাফি কিংবা পেচার ডাক শুনে আতকে উঠেছি ঠিকই , কিন্তু কখনো ভূতের দেখা পাইনি । ভূতের গল্প হাতের কাছে পেলে আমি আর অন্য কিছু পড়িনা।“ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

*ভুত*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

৪/৫
[ভুত-ইইই] এক লোক গেছে সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে ডাক্তার : আপনার কি সমস্যা ? রোগী : আমার সমস্যা......ইদানিং নিজেকে সব সময় ভূত মনে হয় । ডাক্তার : কবে থেকে এই সমস্যা ? রোগী : যেদিন মারা গেলাম সেদিন থেকে ।
*ভুত* *কমেডিয়ানহাফিজ*

প্রীতম: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
-বেশঅভিযোগ-
"বেশতো" -তে আমার ছবি ভালো ভাবে আকা হয় নি ক্যা? আমি বাংলা সাহিত্যের হাজার বছরের সিলিব্রিটি। আমারে কিনা একখান সাদা কাপড় পরাই থুইছে!! আমারে কইলে কি আমি এক জবরজঙ পোষাক পরে পোজ দিতাম না? আমি এর বিচার চাই!!!!!!!!
*ভুত* *সেন্সঅবহিউমার*
ছবি

শ্যামল মিত্র: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

ভুতের রুপচর্চা

*ভৌতিকঘটনা* *ভুত* *ময়দা-বিদ্যা*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

গা ছমছম করা ভুতুড়ে বাড়ি

*ভুত* *ভুতুড়েবাড়ি* *ভৌতিক* *হন্টেডহাউজ* *ভৌতিকঘটনা*
জোকস

অনি: একটি জোকস পোস্ট করেছে

এক ভূত গেছে সেলুনে চুল কাটাইতে মানুষের রূপ ধরে । . নাপিত : পরে আসুন, এখন ব্যস্ত আছি । . ভূত কি এমন কথা বলেছে যা শুনে নাপিত যায়গায় বেহুঁশ হয়ে গেছে ? . ভূত বলল, 'মাথা টা এখানে রেখে যাচ্ছি । চুল কেটে রাখবেন আমি পরে এসে আমার মাথা নিয়ে যাবো ।'
*ভুত*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

জহির ভাইয়ের এত্ত সাহস @Zahirhasan
একদিন কবরের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জহির ভাই । ভয়ে তাঁর বুক ঢিপঢিপ করছে। এমন সময় দেখেন, তার পাশে আরও একজন লোক হাঁটছে। জহির ভাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, ওহ্, ভাই, আপনাকে দেখে কিছুটা সাহস পেলাম। কী যে ভয় করছিল। লোকটা বললঃ কেন? ভয় কিসের? জহির ভাই ফিসফিস করে বললঃ কিসের আবার? ভূতের! শুনেছি, এখানে খুব ভূতের উপদ্রব!
লোকটার উত্তরঃ আরে, নাহ্! কে বলেছে? আমার মৃত্যুর পর প্রায় ৩০ বছর ধরে এখানে আছি, কই, একটাকেও তো দেখলাম না!
*ভুত* *রসিকতা*

সেজুতী ত্রয়ী: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ভুত এফ.এম এ এইডা কি কইলো ?? !! আয়নায় নাকি কি কি সব হয় !! আয়না তো ঢাইক্যা দিলাম, কিন্তু এখন ঘুমামু ক্যমনে ??!!
*ভয়* *ভুত*

A1-Mamu9 রাসেল: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

হাউ,মাউ,কাউ...মানুষের গন্ধ পাউ
কে,কে এখানে..? কি চাই..?
আমি ভুত... তোর ঘর মটকে রক্ত খেতে চাই
*ভুত*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★