ভুতেরগল্প

ভুতেরগল্প নিয়ে কি ভাবছো?

রশিদা আফরোজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

(কেউ একজন এই লেখাটা লিখেছিলেন। আমার হাতে আসার পর পড়তে শুরু করি। তারপর বলা যায় গোগ্রাসে গিলতে থাকি। পড়ার পর কিঞ্চিৎ ভয় ভয়ও লাগলো। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো লেখাকের নামটা জানা যায়নি। আমা করছি কোনো একদিন লেখকের চোখে আমার এই পোস্ট পড়বে, কমেন্টে এসে তিনি নিজের নাম বলবেন। সেইদিনে অপেক্ষায় থাকলাম)



ইন্টারনেটের বদৌলতে দুই লাইনের ভুতের গল্প সম্পর্কে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। বিশেষ করে,“পৃথিবীর শেষ মানুষটি তার ঘরের দরজায় কড়া নাড়ার আওয়াজ শুনতে পেলেন” – এই বিখ্যাত ভৌতিক লাইনটা শোনেননি এমন মানুষের সংখ্যা খুব কমই আছে। যাই হোক, এমনই আরও কিছু গল্প পড়েছিলাম কয়েকদিন আগে। খুব ভালোলাগায় অনুবাদ করে ফেললাম। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

১) “আজ রাত তোমার জীবনের শেষ রাত” – মোবাইলে এই মেসেজটা পাওয়ার পর 'ও' পাল্টা মেসেজ পাঠিয়ে জিগ্যেস করল, “কে আপনি?” ঠিক তখনই ওর ঘরের দরজার বাইরে Message alert বেজে উঠতে শোনা গেল। - ক্যাথরিন ওয়েস্ট

২) সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইলে আমার একটি ঘুমন্ত ছবি দেখতে পেলাম। আমার বাসায় আমি ছাড়া আর কেউ থাকে না !

৩) ছোট বোনটা পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার পাঁচ বছর পর, তাকে একদিন কাপড়ের আলমারির ভেতর দেখতে পেল তিম্মি। ওর দু’চোখ ভরা জল। - স্টিফেন কিং

৪) অনবরত কাঁচে টোকা মারার শব্দ শুনে ঘুম ভাঙলো আমার। জানালার দিকে তাকানোর পর বুঝতে পারলাম শব্দটা আসছে আমার ঘরের আয়না থেকে।

৫) মুখ ধোয়ার সময় আমি কাকে যেন বলতে শুনলাম, “পেছনে তাকিয়ে দেখ”। অবাক হয়ে আয়নায় তাকাতেই দেখি আমার প্রতিবিম্ব আঙ্গুল তুলে আমার পেছনে কি যেন দেখতে বলছে।

৬) মা বাসায় ফিরতে দেরি করায় আজকে রাতের খাবারটা বাবাই রাঁধলেন। পেট ভরে মাংসের স্টু খাওয়ার পর বাবা মুচকি হেসে আমাদের বললেন, “তোমাদের মা কিন্তু তোমাদের ভেতরেই আছেন”।

৭) আমার ছোট বোন বলে, আম্মু নাকি ওকে খুন করেছিল । আম্মু বলে আমার কোন ছোট বোন নেই!

৮) মাঝরাতে ঘুম ভাঙার পর দেখতে পেলাম জানালার বাইরে থেকে কে যেন আমার দিকে অনেকক্ষন যাবত তাকিয়ে আছে। হঠাৎ মনে পড়ল আমি থাকি ১৪ তলার উপরে।

৯) ফুটফুটে গোলাপি জামা পরে নির্লিপ্ত দৃষ্টিতে 'ও' আমার চেয়ারে বসে ছিল। ওর দিকে তাকিয়ে নিজের অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম, কেন যে আমি মৃত সন্তান প্রসাব করলাম !

১০) সারাদিন পরিশ্রমের পর ক্লান্ত আমি ঘরের তালা খুলে ভেতরে ঢুকলাম। অন্ধকার ঘরে বাতি জ্বালাতে গিয়ে সুইচ বোর্ডে হাত রাখতেই কার হাতের ওপর যেন হাত পড়ল!

১১) “এক্ষুনি খেতে আয়”, নীচের রান্নাঘর থেকে মা’র ডাক শুনতে পেলাম। সিড়ি দিয়ে নামতে যাব, ঠিক তখনি ঘরের আলমারির ভেতর থেকে মার গলার আওয়াজ এল, “যাস না খোকা, আমিও শুনেছি ঐ ডাক”।

১২) বাসায় কেউ নেই, আমি ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম। কম্বলটা টেনে উপরে তুলতেই পা বেরিয়ে গেল, আর তখনই ঠাণ্ডা একজোড়া হাতের ছোয়া অনুভব করলাম আমার পায়ে!


*ভুতেরগল্প*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খাল, ছোট ছোট নালা, সারি সারি গাছ, ঘন জঙ্গল, সাপ, পশু-পাখি ও অন্য বন্যপ্রাণী। দ্বীপতো হবে এমনই। কিন্তু এই দ্বীপে গা ছমছমে পরিবেশ। কোথাও কোনও মানুষের চিহ্ন নেই। মেক্সিকোর দক্ষিণে জিওচিমিলকো ক্যানালের পাশের এক দ্বীপের চিত্র এমনই। তবে দ্বীপের বাসিন্দা কয়েশো পুতুল। কোনও বসতি নেই দ্বীপে। সারা দ্বীপ জুড়ে শুধুই পুতুল আর পুতুল। মাথাযুক্ত, মাথা ছাড়া, অর্ধেক শরীর বা পুরো একটি পুতুল ঝুলে রয়েছে গাছের ডালে। দ্বীপ জুড়ে ছোট ছোট যে ঘর রয়েছে সেখানেও রয়েছে এমন পুতুল। একবাক্যেই এটিকে পুতুলের দ্বীপ বলা চলে। তবে এই পুতুল যেমন তেমন নয়, ভয়ঙ্কর। আর এ কারণেই দ্বীপটি হয়ে উঠেছে ভয়ঙ্কর-ভৌতিক পুতুলের দ্বীপ!

রহস্যময় এই দ্বীপটি সম্পর্কে বলা হয়, অর্ধশতাব্দী আগে এই দ্বীপের একটি খালে ডুবে প্রিয় পুতুলসহ মারা যায় ছোট একটি মেয়ে শিশু। এরপর থেকে খালে এসে জমা হতে থাকে শত শত পুতুল। পরবর্তী সময়ে দ্বীপের একমাত্র বাসিন্দা ডন জুলিয়ান তা সংগ্রহ করে দ্বীপবাসী হিসেবে ওই পুতুলগুলিকে ‘আশ্রয়’ দেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত পুতুল সংগ্রহ করে গেছেন তিনি। তার মৃত্যুর আগে ও পরে কোনও মানুষ থাকেনি এই দ্বীপে।



স্থানীয়দের কাছে দ্বীপটি ‘লা আইসলা দে লাস মুনেকাস’ নামে পরিচিত। ইংরেজিতে এই দ্বীপটি পরিচিতি পেয়েছে ‘পুতুলের দ্বীপ’ হিসেবে। স্থানীয় শহর কর্তৃপক্ষ ৯০ দশকে দ্বীপটিকে পরিষ্কার করার কার্যক্রম হাতে নেয়। তখনই সামনে আসে ‘ভৌতিক’ এই পুতুল দ্বীপ।

দ্বীপটিতে কোনও মানুষ না থাকায় এমন উদ্যোগ নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ভূত, প্রেত, জিন, আত্মা কিংবা গা ছমছমে পরিবেশ যারা পছন্দ করেন, এমন পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের জন্য আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে দ্বীপটি।
-ইন্টারনেট
*ভুতেরগল্প* *ভুত*

শ্যামল মিত্র: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্রেফ ভূতের ভয়ে জনশূন্য আস্ত একটি গ্রাম। রাত-বিরেত তো পড়ে মরুক, দিনের বেলাতেও আজ আর ওই গ্রামমুখো হন না কেউই।

বছরের পর বছর ধরে ভূতের ভয়ে জনশূন্য হয়ে পড়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল শহর থেকে মাত্র বারো কিলোমিটার দূরে নিয়ামতপুরের বেলাগ্রাম। আজ শুনশান এই বর্ধিত বেলাগ্রাম। বেশ কয়েকবছর আগেই ভূতের ভয়ে মানুষজন বাড়ি-ঘর ছেড়ে গ্রামটিকে পরিত্যক্ত করে চলে গিয়েছেন আশপাশের গ্রামে কিংবা অন্য কোথাও। গ্রামে ঢুঁ মারলে আজও দেখা যায়, বড় বড় পাকা দোতলা বাড়ি, পুকুর ঘাট, কালী মন্দির, কুয়োতলা, রাস্তাঘাট সবই জনশূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একটি লোকেরও গতাগম্য নেই বেলাগ্রামে। শুধু একদা জনপদের সাক্ষী হয়ে রয়েছে পাকা দোতলা বাড়িগুলি। দীর্ঘদিনের অব্যবহারে সেগুলিরও আজ জরাজীর্ণ দশা। ঠিক কী হয়েছিল বেলাগ্রামে?


আশপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, হঠাৎই ভূতের উপদ্রব শুরু হয় বেলাগ্রামে। দিনে দুপুরে লোকের বাড়িতে ঢিল পড়তে শুরু করে। রাতে শোনা যেতে থাকে প্রেতনীর কান্না। গভীর রাতে কারা যেন এসে এই গ্রামের বাসিন্দাদের দরজায় কড়া নেড়ে যেতে থাকে। অথচ দরজা খুললে দেখা যেত না কাউকেই। এরইমধ্যে হঠাৎ করে একদিন এক অজানা অচেনা তরুণীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা। তারপরেই গ্রামের বিভিন্ন গাছতলায় পর পর দেখা মিলতে থাকে অচেনা বেশ কয়েকটি ঝুলন্ত তরুণীদের মৃতদেহ। পুলিশ পর্যন্ত সেই সমস্ত তরুণীদের শনাক্ত করতে পারে না। ভয়ঙ্কর ভেবে গলার নলি কেটে যেন রক্ত চুষে খাওয়া হয়েছে সেই সমস্ত তরুণীর মৃতদেহ থেকে। যে দৃশ্য দেশে কার্যত রাতারাতি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বেলাগ্রামের মানুষের মধ্যে।


বিদ্যুৎবিহীন বেলাগ্রামে এরপর থেকেই শুরু হয় তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ। গভীর রাতে শোনা যেতে থাকে পায়ের শব্দ। শোনা যায় চুরির ঠূং ঠাং আওয়াজ। সব মিলিয়ে প্রতিরাতেই অশরীরী আত্মার আনাগোনা শুরু হয়ে যায় বেলাগ্রামে। মানুষের মুখে মুখে ভূতের গ্রাম হিসাবে পরিচিতি পেয়ে যায় বেলাগ্রাম। আস্তে আস্তে লোকজন বেলাগ্রাম ছাড়তে আরম্ভ করে। পাকাবাড়ি, জমি-জায়গা ফেলে বেলাগ্রাম ছেড়ে পালাতে থাকে স্থানীয় বাসিন্দারা। এইভাবেই একদিন পরিত্যক্ত জনশূন্য হয়ে গেলো বেলাগ্রাম।


আজ দিনের আলোতেও বেলাগ্রামে ঢূকলে সারি সারি নিঝুম বাড়িগুলি থেকে শুধু শোনা যাবে ঘুঘুর ডাক। শোনা যাবে পাখ-পাখালির ডানার ঝাপটা। আর সন্ধ্যা নামলেই চামচিকে আর বাদুরের কিচির মিচির আওয়াজে ভয়াল হয়ে উঠতে থাকে বেলাগ্রামের আবহ।


তবে ভূতের ভয়ে জনশূন্য হয়ে যাওয়া বেলাগ্রাম নিয়ে বলতে গিয়ে আশপাশের গ্রামের অনেকেই আজ মনে করেন, ভূত নয়, দুর্জন মানুষই নাকি এই ভূতের আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেলাগ্রামে। কিছু সমাজবিরোধীরাই নাকি তাদের কাজের সুবিধার জন্য বেলাগ্রামকে ভূতের ভয় দেখিয়ে জনশূন্য করে দিয়েছে। এই বেলাগ্রামের পাশ দিয়েই গিয়েছে ট্রেনের হাওড়া-দিল্লি মেন লাইন। এই লাইন দিয়ে শুধু যাত্রীবাহি ট্রেনই নয়, চলে মালবাহী ট্রেনও। ওয়াগান ব্রেকাররা নাকি ওয়াগান থেকে কয়লা সরানোর জন্যই এই গ্রামটিকে ভূতের আখ্যা দিয়ে পরিত্যাক্ত করে দিয়েছে। রাতে এখানে ট্রেন দাঁড়ালে নাকি বেলাগ্রামের ভিতর দিয়ে কয়লা সরানো হয়, হয় নানা ধরনের অসামাজিক কাজও। আর তার জন্যই কি বেলাগ্রামকে ভূতের ভয় দেখিয়ে আজ পরিত্যক্ত করে দেওয়া হয়েছে? তবে ভূতের ভয়ে পরিত্যক্ত বেলাগ্রামের নেপথ্য কারণ যাই হোক না কেন, আজও কিন্ত বেলাগ্রামে ঢূকলে আধিভৌতিক গা ছমছমে পরিবেশে আপনি শিউরে উঠবেন। হ্যাঁ, উঠবেনই। একথা আজ  হলফ করেই বলা যায়।  

*ভৌতিকঘটনা* *ভুতুড়ে* *ভুতেরগল্প*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দোতলা টিন শেডের হলরুম সাইজের ঘরে থাকি! বাসার পশ্চিম পাশে পেয়ারা গাছে পেয়ারা পাকছে!! হঠাত করে মাঝে মাঝে আওয়াজ আসে বাদুরের দানা ঝাপটানি আর সে সাথে টিনের চালে পেয়ারা পড়ার শব্দ! মশারি টানিয়ে শুয়েছি কেবলি! আজ শুক্রবার! ভুত এফ এম শুনব,,,,

হঠাত দেখলাম হালকা জ্যোছনার আলোয় ঘরের ভিতর কি যেন নড়ছে,,
গা চমকে উঠল আমার....
মেঝো ভাই একা একা থাকতে ভয় পেতেন বলে আর থাকেন না! ভাগ্নে বলে মামা ছাদে নাকি কিসের শব্দ হয়??
আমার বাসা থেকে খুলনা রেল স্টেশন মাত্র ২ কি,মি, দুরে!আর রেল পথ বাসার পূর্ব পাশে ১০০ হাত ও দুরে হবেনা! ঘন ঘন তাই ট্রেনের শব্দে  ক্ষুদ্র পরিসরের কোন গোপন শব্দ শুনতে ঝামেলা হয় বৈকি! বড় আপা বলেছিল মাঝে মাঝে রেলের ধারের কলা বাগান থেকে পুকুরের উপর দিয়ে আগুনের ঝলকানি অথবা কালো কিছু উড়ে যায়! আসার পর প্রথম দুই রাত কি সব আজব ভয়ঙ্কর দু:স্বপ্ন দেখেছিলাম! সব আস্তে আস্তে মনে পড়তে লাগলো !! তখন ও কিছুটা নড়ছে,,

ভয় কে এড়ানোর জন্য আমার মাধ্যমিকের ইংলিশ স্যার বলেছিলেন কোন কিছু দেখে  ভয় পাওয়ার আগে জিনিসটা ঘটার কারণ খুজলে ভয়কে এড়ান যাবে! শুরু হল শার্লক হোমসের অনুসন্ধান প্রক্রিয়া,,

আগেই বলেছি বড় রুমেই থাকি! ভুত এ এম শুনার আগে গান শুনছিলাম! সেই সাথে পা দুটো ও নাড়াচ্ছিলাম !! তাতেই মশারি নড়ছিল! আর মশারির এক কোনা বাধা ছিল ঘরে টানানো দড়িতে! দড়িতে ঝুলছিল গামছা !! ব্যস গান বাজলে এমনে গানের তালে ভুতের আচলও নাচে!!(খুশী২)(শয়তানিহাসি)(ভেঙ্গানো২)

তথাকথিত ভুতের গল্প (খিকখিক)(খিকখিক)
*ভুতেরগল্প* *ভুতএফএম* *রসিকতা* *দুখোব্লগ*

রানা মাসুদ: *ভুতেরগল্প* ভুত দেখে কেউ করিস নে ভয়, আড়ালে তার ভুতনি হাসে। হা হা হা(ব্যাপকটেনশনেআসি)

*ভুতেরগল্প*

মো : শামীম রেজা: *ভুতেরগল্প* হুহু ভয় পাই..................কি দরকার এসব এর......(কান্না২)

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: *ভুতেরগল্প* সুদুর অতীত থেকে ঈশ্বরের প্রতিপক্ষ হিসেবে জ্বীন-ভুত-শয়তান পরিচিত। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে লোকগল্প সবকিছুতেই ভুত শব্দটা একটা ভয়ের শিহরণ জাগানো আমেজ নিয়ে আসে। এই উপমহাদেশে ভুত বলতে অতৃপ্ত আত্মাকে বুঝি।

মিঃ খান: *ভুতেরগল্প* কখোনও রাতে ঘুমুতে যাবার আগে। নিজের খাটের তলায় ভালো করে দেখেছেন কোন দিন? হয়তো দেখেন নি। হতেওতো পারে, যে এই লেখাটা পড়ার পরেই দেখতে গেলেন। হয়তো আপনি কিছুই দেখবেন না। কিন্তু কিউ একজন আপনাকে ঠিকিই দখবে। হয়তো অশরিরি কিছু ,কি সেটা? প্রেতাত্মা!!

ছবি

সোহেল শিকদার রনি: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি শেয়ার করেছে

বাস্তব ঘটনা

*ভুতেরগল্প*

প্রিমন সুমায়া: *ভুতেরগল্প* ভূত কিনা জানিনা..আগে একটা টাইম এ খুব উলটপালট জিনিস দেখতাম..পরে ডাক্তার বলল Hallucination ..যদিও আমার মনে হয় কিছু একটা ঝামেলা ছিলই ..আমি একই মানুষ কে অনেক জায়গায় একই টাইম এ দেখতাম..সত্তি ই শুনতে ফানি লাগলেও আমার জন্য ভয়াবহ পিরিয়ড ছিল..

তাহিরা তারান্নুম প্রজাপতি: *ভুতেরগল্প* ভুত কি আছে? ভুত না থাকলে পেত্নি ত আছেই।

Dipankar Das: *ভুতেরগল্প*

অলস পোলা: ভুতের সাথে রাতে দেখা করতে চাই ... কেও দেখা করে থাকলে জানাইএন ...... *ভুতেরগল্প*

ফোকলা দাঁতে মুচকি হাসি: *ভুতেরগল্প* লাইফ এ ভুতের গল্প নাই বললেই চলে(চিন্তাকরি) যা আছে সব পেত্নীর গল্প....(হাসি২)(হাসি২)

রায়হান সিদ্দিক: *ভুতেরগল্প* রুমের দরজাটা খোলা বিছানার উপর শুয়ে আছে একটি বাচ্চা........হঠাৎ...... বাচ্চাটা হেসে উঠল হি ......হি......হা.........হা......(হাসি-৩) তারপর.............................................।।

অভী আহমেদ খান: *ভুতেরগল্প* একটা নদীতে মাটির বিরাট একটা অংশ পানিতে ভাসছিলো, আমি একাই সেইটাতে করে নদীর ওইপারে গেলাম। গিয়ে যা দেখলাম। তা দেখে চোখ ছানাবড়া হয়ে গিয়েছিলো। নদীর ওইপারের তীরে একটু খালি যায়গা তারপর গভীর বন। বনের ভিতর অনেকটা ভূতুড়ে পরিবেশ (নিচেদেখ) কমেন্টে

পরাজিত যোদ্ধা: *ভুতেরগল্প* শুনতে ভাল ঈ লাগে ম্যান।।

নাকিব ওসমান : *ভুতেরগল্প* (অবাক) *মজারছবি* (খুশী২)

মেহেদী হাসান: *ভুতেরগল্প* ছোটবেলা casper মুভি দেখে ব্যাপক ভুত হইতে মন চাইছিলো! বড় হবার পর grudge মুভি দেখে ভুত হওয়া তো দুরের কথা, বাসার সিরি দেখেও ভয় পাইতাম (ব্যাপকটেনশনেআসি)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★