ভ্রমন গাইড

ভ্রমনগাইড নিয়ে কি ভাবছো?

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

‘মাধবকুণ্ড’ জলপ্রপাত কমবেশি সবারই চেনা। তবে এর কাছেই যে আরেকটি জলপ্রপাত আছে, সেটা কি দেখা হয়েছে? স্থানীয় মানুষের কাছে এর নাম  ‘পরিকুণ্ড’। সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এই বুনো ঝর্ণাটি সবাইকে কাছে টানবে। মাধবকুণ্ডের চেয়ে পরিকুণ্ড কিছুটা নির্জন। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় ছেয়ে আছে এর চারপাশ। প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু থেকে পাথরের খাড়া পাহাড় বেয়ে শোঁ শোঁ শব্দ করে জলধারা নিচে আছড়ে পড়ছে। নিচে বিছানো ছোট-বড় পাথর গড়িয়ে স্রোতধারা একটি বড় ছড়ায় মিশে গেছে। বড় একটি পাথরে বসে আনমনে খুব কাছ থেকেই জলপ্রপাতের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করা যেতে পারে। ইচ্ছা করলে স্বচ্ছ পানির ছড়ায় ভালোমতো গোসলও সেরে নেওয়া যায়।

কিভাবে পরিকুণ্ডতে পৌছাবেনঃ
আপনারা যাঁরা মাধবকুণ্ডে বেড়াতে যেতে চান, তাঁরা চাইলেই পরিকুণ্ড দেখে আসতে পারেন। টিকিট কেটে প্রধান ফটক পেরিয়ে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের রাস্তা। হাঁটতে হাঁটতে সামনে গিয়ে হাতের বাঁ পাশে টিলার ওপর শিবমন্দির। এর ঠিক বিপরীতে রাস্তার সঙ্গে একটি নতুন পাকা সিঁড়ি তৈরি হয়েছে। ওই সিঁড়ি দিয়ে নেমে মাধবকুণ্ডের মূল ছড়া। আর ওই ছড়াটির সোজাসুজি পাথর বিছানো ছড়া দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেই পরিকুণ্ড। ভয়ের কারণ নেই। ছড়ায় শুধু পায়ের পাতাই ভিজবে। ভয়ের অবশ্য দু-একটা কারণ আছে। নিচে বিছানো পাথরগুলো কিন্তু বেশ পিচ্ছিল। শ্যাওলা জমে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাই পা ফেলতে হবে খুব সাবধানে। মাধবকুণ্ড ও পরিকুণ্ড বেড়াতে এসে কাছাকাছি রাত্রিযাপনের জন্য জেলা পরিষদের দুই কক্ষের একটি বিশ্রামাগার আছে। সেটি কমপক্ষে সাত দিন আগে বুকিং দিতে হয়।

ঢাকা থেকে যেতে যা যা করতে হবেঃ
মাধবকুণ্ডের পথ অনেকেরই চেনা। আন্তনগর ট্রেনে ঢাকা থেকে সরাসরি কুলাউড়া জংশন রেলস্টেশনে নামতে হবে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে সরাসরি মাধবকুণ্ড পৌঁছাতে পারেন। ভাড়া নেবে তিন বা চার শ টাকা। কুলাউড়ায় নেমে বাসে করেও যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে কাঁঠালতলী বাজারে নামতে হবে। সেখান থেকে অটোরিকশায় মাধবকুণ্ড। দূরত্ব আট কিলোমিটার, ভাড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। এ ছাড়া ঢাকা বা অন্য জায়গা থেকে সড়কপথে কাঁঠালতলী বাজার হয়ে মাধবকুণ্ডে পৌঁছানো যায়।
*ট্রাভেল* *ভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *জলপ্রপাত* *ঘুরেএলাম*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিউবা বিশ্ববাসীর কাছে বিপ্লবের ভূমি হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনচেতা এই দেশটি খুবই শান্ত ও সুন্দর। ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারার নেতৃত্বে একদল বিপ্লবী হটিয়ে দিয়েছিল স্বৈরাচারী বাতিস্তা সরকারকে। তখন থেকেই তারুণ্যের প্রতীক, জীবনের প্রতীক কিউবা। ঐতিহ্যবাহী এই শহরটি শুধু বিপ্লবেরই স্বাক্ষী দেয় না বরং এখানে ঘুরে দেখার মত অনেক কিছু রয়েছে।  মূলত ৫টি  কারণে কিউবার রাজধানী হাভানায় ঘুরতে যায় মানুষ।

১. পুরনো আমলের গাড়ি  
হাভানায় গেলে আপনি বিনামূল্যে টাইম মেশিনে চড়ার সুযোগ পাবেন। রাস্তায় নামলে দেখবেন এখনো ১৯৫০-এর দশকের ট্যাক্সিক্যাবগুলো রীতিমতো রাস্তা কাঁপিয়ে চলছে। উঠে পড়ুন ট্যাক্সিক্যাবে, সেটাই টাইম মেশিন। ভুলেই যাবেন অর্ধশতাব্দী এগিয়ে আছেন আপনি।

২. কিউবান  
মানুষ দেখতে হলেও কিউবায় যাবেন। বন্ধুবৎসল হিসেবে খ্যাতি রয়েছে কিউবানদের। ছোট ছোট গলির ভেতরে দেখবেন দাদার বয়সীরা হাফপ্যান্ট পরে আরাম কেদারা বিছিয়ে দিব্যি বসে আছেন। রাস্তায় দেখবেন বাচ্চাদের সাথে পাল্লা দিয়ে বুড়োরা ফুটবল নিয়ে কাড়াকাড়ি করছেন। এই দৃশ্যগুলোই কিউবানদের প্রাণবন্ত জীবন-যাপনের উদাহরণ।

৩. বুড়ো শহর  
হাভানায় রয়েছে কয়েক শ বছরের পুরোনো বাড়িঘর। স্থাপত্যের দিক থেকে হাভানা ঐতিহ্যমণ্ডিত। পায়ে হেঁটে শহর ঘুরে দেখতে পারেন, সময় পেরিয়ে যাবে। এসব স্মৃতির কোনো তুলনা হয় না।

৪. নাচ এবং গান  
কিউবানদের শরীরজুড়ে রয়েছে গান এবং ছন্দ। ফুরসত পেলেই নাচে গানে আসর মাতিয়ে রাখতে ওস্তাদ কিউবানরা। হাভানায় রয়েছে অসংখ্য ড্যান্স ক্লাব। সেখানে যদি নাও যান, রাস্তায় দেখা পাবেন কোন বাঁশিওয়ালার যে একমনে বাজিয়ে চলছে ডাকাতিয়া বাঁশি। আর সালসা নাচ তো কিউবান সংস্কৃতিরই অংশ।

৫. চুরুট এবং রাম  
হাভানার নাম অনেকেই মনে রাখে হাভানা চুরুটের নামে। রাম এবং সিগারেটের বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত হাভানা। অনেকেই কার্টুন ভর্তি করে সিগারেট নিয়ে আসেন হাভানা থেকে। এত সস্তায় এত ধরনের সিগারেট সহজে আর কোথাও মিলবে না। 

বন্ধুরা, বিশ্ব ভ্রমন যাদের ইচ্ছা তারা সহজেই  ঘুরে আসতে পারেন কিউবার রাজধানী হাভানা থেকে।


*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *কিউবা* *হাভানা* *বিদেশভ্রমন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লালবাগের কেল্লা বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্রাচীন দুর্গ। মোঘল আমলে স্থাপিত এই দুর্গটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি পুরনো ঢাকার লালবাগে অবস্থিত, আর সে কারণেই এর নাম হয়েছে লালবাগের কেল্লা। এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল। বর্তমানে ( প্রেক্ষিত ২০১২ ) বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ব বিভাগ এই কেল্লা এলাকার রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।
*লালবাগদূর্গ* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফরিদপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন কীর্তি মথুরাপুরের দেউল। রহস্যঘেরা এ স্থাপনা কবে কে কখন নির্মাণ করেছিল তার সঠিক কোন তথ্য প্রমান আজও পাওয়া যায়নি। তবে রহস্য যাই থাকুক না কেন প্রাচীন ঐতিহ্য হিসেবে ভ্রমন প্রিয়সীদের কাছে মথুরাপুরের দেউল বেশ জনপ্রিয়। সময় পেলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন মথুরাপুর দেউল থেকে।

মাথুরাপুর দেউলঃ
ফরিদপুর জেলার মধুখালি উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামে অবস্থিত এ প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তিটি। মাথুরাপুর দেউলের নিমার্ণ নিয়ে প্রচলিত আছে নানা কথা । পাথরাকৃতির পোড়ামাটির তৈরি দেউলটি প্রায় ৭০ ফুট উঁচু । এর শিলাখন্ডগুলো সুগ্রথিত । কোথা থেকে এর গাঁথুনি শুরু হয়েছে তা বোঝা দুরুহ। একেবারে নিচ থেকে মোটা হয়ে ক্রমান্বয় উপরের দিকে অল্প সরু হয়ে চুড়ার দিকে মিশে গেছে । সম্পুর্ণভাবে ঢালাই করা এর ছাদ । নির্মাণকালে এ দেউলের সংখ্যা ছিল ৪টি । প্রত্নতত্ব ও জাতীয় জাদুঘর বিভাগের অধীনে নিয়ে আসার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগ এর ২টি দরজা বন্ধ করে দেয়।

বর্তমানে এর ভেতরে গিয়ে উপরের দিকে তাকালে অন্ধকারে কিছুই দেখা যায়না । দেউলের গা জুড়েই আঁকা রয়েছে অসংখ্য ছাপচিত্র ও মাটির কলস । অঙ্কিত শিলাখন্ডে চোখ পড়লে দেখা যায় হরেক মুর্তি। কোনোটি আছে  নারীর , কোনোটি উৎসবের আনন্দযজ্ঞের । তীর ধনুক হাতে কোনো হনুমান দাঁড়িয়ে আছে । আবার দেখা যায়, কোনো প্রানীকেবহন করে নিয়ে যাচ্ছে হনুমান বা কিম্ভুত কোন প্রানী যার মুখ হিংস্রের মতো । কোথাও রয়েছে নৃত্যরত নগ্ন নর-নারী , গদা হাতে হনুমান , যুদ্ধের দৃশ্য, পেচা জাতীয় কোন প্রাণী , মুন্ডুহীন মানুষের আকৃতি বিশিষ্ট প্রাণী দেহ । আরও দেখা যায় ধাবমান ঘোড়া , মন্দিরে প্রার্থনারত  হনুমান ইত্যাদি । 

দেউল গাত্রের নির্মান সৌকর্যেও ফলক এবং যেসব মূর্তি রয়েছে সেগুলো দেখে বিমোহিত হন দর্শক ভ্রমন বিলাসীরা । দেউলটি কবে এবং কেন তৈরি করেছিলে সে ব্যাপারে কোন প্রামান্য তথ্য মেলেনি । এব্যাপারে নানা মত  প্রচলিত আছে । সেগুলোর মধ্যে ২-১টি জন শ্র“তি এ রকম  এ এলাকায় বহুকাল আগে রাজা মথুরা নামে এক শাসক ছিলেন । তার নামানুশারেই এগ্রামের নাম মথুরাপুর হয়েছে  ।  এই শাসকের অস্তিম ইচ্ছা ছিল মৃত্যুও পর সমাধিতে যেন একটি  স্মৃতিস্তম্ভ তৈরিকরা হয় । তবে তার অস্তিম ইচ্ছা  আদৌ পুরন হবে কি না  সে ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ায় জীবিত অবস্থায়ই তিনি একটি মঠতৈরি করেন । সেটিই মথুরাপুরের মঠ বা দেউল দেউল নামে পরিচিত । মৃত্যুর পর তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী এমঠের পাশেই তাকে সমাহিত করা হয় । অন্য আরেকটি জন শ্রুতি মেলে এ দেউল সর্ম্পকে।

আ.কা.মোঃ যাকারিয়া রচিত বাংলাদেশের প্রাচীন কীর্তিগ্রস্থর দ্বিতীয় খন্ডে মথুরাপুরের দেউল সম্পর্কে উল্লেখ আছে এটি কবে ও ও কেন তৈরি হয়েছিল  বা এর স্থপতি কে ছিলেন  এ বিয়ষ সঠিক কোনোতথ্য পাওয়া যায়নি । লোকমুখে প্রচলিত কাহিনী এ রকম যশোরের রাজা প্রতাপাদ্যিকে যুদ্ধে পরাজিত করার পর মোগল সম্রাট আকবরের সেনাপতি রাজা মান সিংহ এটি নির্মান করে ছিলেন । বিজয় স্তম্ভ হিসেবে মাথুরার দেউলটি নিয়ে নানাজনের নানা মত থাকলেও দেউলটি যে কোন মুসলমান শাসকের নির্মিত নয়  এব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়  । দেউলের গাজুড়ে পোড়া মাটির ফলক শিলাখন্ড, হনুমান ও নানা মুর্তি দেখে । তবে এর নির্মান শৈলি ও সংগে মোগল স্থাপত্যকলার ন্যয় । 

দেউলের নির্মাণ প্রকরণ দেখে পন্ডিতদেও অনুমান য়ে, এটি ১৭ শতকের নির্মিত হয়েছিল  এবংখুব সম্ভব কোন হিন্দু সামন্তরাজ এটি তৈরি করেছিলেন । মথুরাপুরের দেউল সম্পর্কে স্থানীয় জনসাধারনের কল্প কাহিনী বংশ পরম্পরায় প্রচলিত রয়েছে । এ কল্পকাহিনীটি এরকম ফেরেশতা বাজিন-পরিরা  অথবা হিন্দুমতে দেব- দেবীরা মাত্র এক রাতে এ দেউলটি তৈরি করেন । স্থানীয় জন সাধারনের ধারনা তৈরির সময় এটি ৭তলা বিশিষ্ট ছিল । কালক্রমে ৬তলা মাটির নিচে দেবে গেছে । ঐতিহাসিক স্থাপত্য কীর্তি মথুরাপুরের দেউলটি প্রত্নতত্ব ও জাতীয়জাদুঘর বিভাগের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে। এলাকাবাসী মনে করেন, ঐতিহাসিক এই দেউলকে ঘিরে গড়ে তোলা যেতে পারে একটি পর্যটন কেন্দ্র। 

*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ট্রাভেল* *ভ্রমনগাইড* *ফরিদপুর*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সুন্দরবনের পশ্চিম কোল ঘেঁষে দাড়িয়ে আছে চমকপ্রদ একটি দ্বীপ যার নাম হেনরী দ্বীপ। তবে এই হেনরী দ্বীপটি বাংলাদেশের সীমানাতে নয় এটি ভারতের সীমানায় পড়েছে। ভারতের বকখালি ও ফ্লেজারগঞ্জের কাছে সমুদ্রের ধারে, সুন্দরবনের পশ্চিম সীমানা ঘেঁষে এটির অবস্থান। ভ্রমনপ্রিয়সীদের কাছে এটি একটি সুন্দর বেড়াবার জায়গা। 



হেনরী দ্বীপ কোলকাতা থেকে মাত্র ১৩০ কিঃমিঃ দুরে ও গাড়ীতে করে প্রায় ৪ ঘণ্টায় পৌছান যায়। প্রায় ১০০ বছর আগে হেনরী নামে এক ব্রিটিশ সার্ভেয়ার এই (উপ)দ্বীপটি সার্ভে করেন ৷ তারই নামে এই দ্বীপের নাম হেনরী দ্বীপ ৷ ১৯৮০ সালে মৎস দপ্তর দ্বীপটিকে পর্যটনের উপযুক্ত করে তোলেন।



হেনরী দ্বীপে রাত্রি বাসের জন্য বেশ কয়েকটি আবাস আছে যার মধ্যে “সুন্দরী” নামে বাড়িটি খুব ভাল। এর সাথে ওয়াচ টাওয়ারও আছে, যার ওপর থেকে বন এবং, ভাগ্য ভাল থাকলে, হরিণ ও বন্য শুয়োর দেখা যায়। এই ওয়াচ টাওয়ার পেরিয়ে বিচের দিকে বেশি দুর গাড়ী যায়না। পায়ে হেঁটে বনের ভিতর দিয়ে মেঠো রাস্তা আর বাঁশের সাকো পেরিয়ে বিচ-এ য়েতে হয়। ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগে। বিচটির নাম কিরণ বিচ।



এই বালি ও মাটি মেশানো বিচটি খুব চওড়া। ভাটার সময় সমুদ্র অনেক দূরে চলে যায়। বিচের ধারে প্রচুর গাছ আছে। এমনকি বিচের ওপরেও কিছু গাছ আছে। বিচের ওপরে অনেক সময় ঝাকে ঝাকে লাল কাঁকড়া দেখা যায়। সাধারণত বিচটি নির্জন থাকে। সব মিলিয়ে জায়গাটা খুব সুন্দর।
(সংকলিত)
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *দ্বীপ* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে দেশের বিভন্ন প্রান্তে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরী করা হয়েছে। সৌন্দর্য্যমণ্ডিত এই স্তম্ভগুলো স্মৃতি ধারক হিসেবে বিবেচিত হলেও এর শৈল্পিক সৌন্দর্য্য সহজেই সবাইকে আর্কষণ করে। রাজধানী শহর ঢাকায় অবস্থিত তেমনি নজরকাড়া একটি স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে আজকের আয়োজন। স্মৃতিস্তম্ভটির নাম ‘বীরসপ্তক’।

সন্ধ্যা হলেই আঁধার ফুঁড়ে পিরামিড আকৃতির সাতটি স্তম্ভ হয়ে ওঠে আলোয় রঙিন। সবুজ লতায় মাখা ঝলমলে সে আলো চোখে প্রশান্তি দেয় পথচারীদের। আর এ আলোতেই খুঁজে পাওয়া যাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযুদ্ধের সাত বীরশ্রেষ্ঠকে।

স্বাধীনতাযুদ্ধে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, হামিদুর রহমান, মোস্তফা কামাল, মো. রুহুল আমিন, মতিউর রহমান, মুন্সী আব্দুর রউফ ও নূর মোহাম্মদ শেখ উপাধি পান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’। এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে রাজধানী ঢাকার মো. জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের প্রবেশমুখ বিমানবন্দর সড়কে রেডিসন হোটেল পেরিয়েই বনানী এমইএস বাসস্ট্যান্ড। আর ফ্লাইওভারে ওঠা-নামার এ স্থানে বিমানবন্দর সড়কের বাঁকে শোভা পাচ্ছে নান্দনিক এ স্মৃতিস্তম্ভ ‘বীরসপ্তক’।

স্মৃতিস্তম্ভগুলোয় নানান রঙের আলোর প্রতিফলন সফটওয়্যারের মাধ্যমে সাজানো। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত অ্যাডভান্স এলইডি পদ্ধতি বিভিন্ন দিবসেও আলাদা আলো দিয়ে আলাদা রঙের আবহ তৈরি করতে সক্ষম।
(সংকলিত)

*স্মৃতিস্তম্ভ* *বীরসপ্তক* *ঢাকা* *ভ্রমনগাইড* *ঘুরেএলাম* *ট্রাভেল* *ভ্রমন*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুর। এখানে পাহাড় নদীর মিতালী চলে দিনভর। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমণ্ডিত হওয়ায় প্রতিদিন শতশত পর্যটক এই উপজেলাটিতে ভিড় করে। ভ্রমন প্রিয়সী যারা নেত্রকোনা ভ্রমনে যাবেন তারা দুর্গাপুরের সৌন্দর্য্য না দেখে বাড়ি ফিরবেন না।

দুর্গাপুরের সৌন্দর্য্যঃ
পাহাড় আর নদীর মিতালী এ দুর্গাপুরে। পাহাড়ী নদী সোমেস্বরীর সবুজ পানির সাথে সবুজ বৃক্ষের অপূর্ব মেলবন্ধন মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের। নদী পার হয়ে একই পথে রানীখং মিশন, সাদা মাটির পাহাড়, দেখতে দেখতে পর্যটকদের দিন কেটে যায়।

দুর্গাপুরের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে অসামান্য সুন্দর সোমেস্বরী নদী। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় থেকে সৃষ্ট এ নদী মেঘালয়ের বাঘমারা বাজার হয়ে রানিখং পাহাড়ের পাশ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। জনশ্রুতি আছে সোমেশ্বর পাঠক নামে এক সিদ্ধপুরুষ এ অঞ্চলের দখল নেওয়ার পর থেকে নদীটি সোমেশ্বরী নাম লাভ করে। একেক ঋতুতে এ নদীর সৌন্দর্য একেক রকম। তবে সারা বছরই এর জল টলটলে স্বচ্ছ। বর্ষা মৌসুমে বেড়ে গেলেও শীতে সোমেশ্বরীর জল অনেকাংশেই কমে যায়।

কীভাবে যাবেন:
ঢাকার মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সরাসরি দুর্গাপুর যাওয়ার বাস ছাড়ে। এ পথে চলাচলকারী দু’একটি বাস সার্ভিস হলো সরকার, জিন্নাত ইত্যাদি। ভাড়া ২৫০-৩৫০ টাকা। এ ছাড়া বাস কিংবা রেলে ময়মনসিংহ গিয়েও সেখান থেকে বাসে বিরিশিরি আসতে পারেন।

কোথায় থাকবেন:

দুর্গাপুরে থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা হলো ইয়ুথ মেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বা ওয়াইএমসিএ-এর রেস্ট হাউস। এখানকার কক্ষ ভাড়া ৩০০-৫০০ টাকা। এ ছাড়া আছে ইয়ুথ ওমেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বা ওয়াইডব্লিউসিএ পরিচালিত আরেকটি রেস্ট হাউস। এখানকার কক্ষ ভাড়া ৩০০-৬০০ টাকা।

এ ছাড়া দুর্গাপুরে সাধারণ মানের কিছু হোটেল আছে। স্বর্ণা গেস্ট হাউস, হোটেল সুসং, হোটেল গুলশান ইত্যাদি। এসব হোটেলে ২০০-৪০০ টাকায় থাকার ব্যবস্থা আছে।

*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনগাইড* *নেত্রকোনা* *দুর্গাপুর*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাস্তা যদি হয় মনের মতন তাহলে ঘুরতে তো কোন বাঁধা থাকে না। কথায় আছে, চলার পথ যদি সুন্দর হয় তাহলে জীবন আরও মনোরম হয়। পথচলার কিছু সুন্দরতম সড়ক নিয়েই আজকের এই বেশব্লগ। বিশেষ করে ভ্রমন প্রিয় বন্ধুরা যারা বিশ্বের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমন করে থাকেন তাদের জন্য পৃথিবীর সুন্দরতম ১০টি সড়কের সৌন্দর্য্য ও তথ্য  তুলে ধরব। চলুন তাহলে ঘরে আসি পৃথিবীর সুন্দরতম ১০টি সড়ক থেকে।

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট রুট:
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে এই রাস্তাটি অবস্থিত। ১৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তাটি প্রশান্ত মহাসাগর এর উপকূলে বিগ সুর পাহাড়ের উপর অবস্থিত। এই পথ দিয়ে চলাচলের সময় সাগরের অত্যাশ্চর্য দৃশ্য উপলব্ধি করা যায়।

ট্রান্সফাগারাসান হাইওয়ে:
রুট ট্রান্সফাগারাসান রোমানিয়ায় অবস্থিত ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তা। এটি রোমানিয়ার সব থেকে উচ্চতর ও লম্বা রাস্তা। এটি ফাগারাস পাহাড় এর উপর দিয়ে তৈরি। তাই পাহাড়ের নাম অনুযায়ী এর নাম রাখা হয়।

গ্রোসগ্লোকনার রোড:
এই রাস্তাটি অস্ট্রিয়াতে অবস্থিত। এর দৈর্ঘ্য ২,৫০৫ মিটার। কারিন্থিয়া ও সালজবারগ এর মাঝে রয়েছে। পর্যটকেরা এখানে গাড়ি পার্ক করে রাস্তায় দাড়িয়ে এর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করে।

রুটা ফরটি হাইওয়ে:
এই পথটি আর্জেন্টিনার উত্তর থেকে দক্ষিণ এ অবস্থিত। এটি আর্জেন্টিনার সব থেকে লম্বা রাস্তা। এটি বিভিন্ন স্থানের সাথে সংযুক্ত। এটি সে দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তা। এই রাস্তাটি পাতাগনিয়া সমুদ্রতল থেকে শুরু হয়ে ৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পথের সাথে ২০টি জাতীয় উদ্যান, ১৮ টি প্রধান নদী এবং ২৭ টি পাহাড়ের সাথে সংযুক্ত।

আটলান্টিক রোড:
আটলান্টিক রোডটি নরওয়ে তে অবস্থিত। এটি উপকূলীয় এলাকার উত্তর অংশে অবস্থিত। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮,২৭৪ কিলোমিটার।

চ্যাপমেন পিক রোড:
চ্যাপমেন পিক রোড দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন এ অবস্থিত।

কারাকরাম হাইওয়ে:
কারাকরাম হাইওয়ে পাকিস্তান ও চায়না এর মিলিত উদ্যোগে আর্মিদের দ্বারা ১৯৬৬ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তৈরি করা হয়। এই পথটি চায়না এবং পাকিস্তানকে সংযুক্ত করে। এটি বিভিন্ন পাহাড় কেউ অতিক্রম করে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৬৯৩ মিটার।

মিল্লাও ভিয়াদাক্ট:
ফ্রান্স এ অবস্থিত এই ব্রিজটি। এই ব্রিজটির দৈর্ঘ্য ২,৪০০ মিটার। এটি ৩৪৩ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। সেখানে ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়। তাই গাড়ি নিয়ে ভ্রমণ কালে অবশ্যই জানালা বন্ধ রাখুন।

টিয়ান্মেন মাউনটেন রোড:
চায়নার টিয়ান্মেন মাউনটেন এর জাতীয় পার্ক এর পাশে এটি অবস্থিত। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথ বেয়ে আপনি টিয়ান্মেন পাহাড়ে পৌঁছে যাবেন।

রোড কম্বে লাভাল:
এটি ফ্রান্স এ অবস্থিত। ২৫৩ মিটার থেকে ১,১৪৬ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট এই পথটি সমুদ্র তল ১,০১১ মিটার থেকে উঁচুতে অবস্থিত।


*সড়ক* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর উপকূলীয় জীব বৈচিত্র্য, স্ফটিক স্বচ্ছ পানি, বহুরকমের প্রবাল আর সৈকত জুড়ে মুক্ত ছড়িয়ে থাকা অনন্য সুন্দর দ্বীপটির নাম ‘কীশ’। কীশ ইরানের একটি দ্বীপ। পারস্য উপসাগরে ইরানের যতোগুলো দ্বীপ রয়েছে তাদের মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এটি। সমগ্র বিশ্বের সাথে ইরানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এই দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চমৎকার আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমণ্ডিত হওয়ায় দ্বীপটি সারা বছর দেশি বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত থাকে। আপনিও চাইলে ঘুরে আসতে পারেন ইরানের অনন্য সুন্দর দ্বীপ ‘কীশ’ থেকে।

কীশ দ্বীপটির অবস্থানঃ
ইরানের দক্ষিণ উপকূল হতে ২০ কিলোমিটার দূরে পারস্য উপসাগরের উত্তরাঞ্চলে ৯১ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে অনেকটা ডিম আকৃতির একটি দ্বীপ রয়েছে। দ্বীপটির নাম কীশ। পূর্ব-পশ্চিমে কীশ দ্বীপের দৈর্ঘ্য হলো ১৫ কিলোমিটার। আর উত্তর দক্ষিণে দ্বীপটির প্রস্থ প্রায় ৮ কিলোমিটারের মত।

কীশ দ্বীপের সৌন্দর্য্য কথনঃ
কীশ দ্বীপ নৌচালনা এবং মুক্তা কুড়ানোর জন্যে বিখ্যাত। এর চমৎকার আবহাওয়াও পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। শীতকালেও কীশের আবহাওয়ায় উষ্ণতার পরিমাণ ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নীচে নামে না। বছরের ছয় মাস গরম থাকলেও বাকি ছয়মাসের আবহাওয়া বেশ উপভোগ্য।

এই দ্বীপে প্রচুর পরিমাণ প্রবাল রয়েছে। খ্রিষ্টপূর্ব দুই হাজার বছর আগে থেকে এখানে মানব বসতি গড়ে ওঠে। ফলে কীশের সংস্কৃতিতে রয়েছে প্রাচীনত্ব আর বেশ সমৃদ্ধও। তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবেও প্রাচীনকাল থেকেই কীশের খ্যাতি রয়েছে।

ইরানের কালজয়ী কবি সাদি সপ্তম শতকে তাঁর বিখ্যাত ‘গোলেস্তান’ কাব্যগ্রন্থে কীশ দ্বীপ প্রসঙ্গে লিখেছেন। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে তৎকালীন কীশের মর্যাদা, বিস্তৃতি এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের বিষয়গুলো।

কীশ দ্বীপ ইরানের সর্বপ্রথম ফ্রি ট্রেড জোন। কেবল বাণিজ্য নয় টুরিস্ট স্পট হিসেবেও কীশ দ্বীপটির খ্যাতি রয়েছে। সমগ্র দ্বীপের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ এলাকা পর্যটনের জন্যে নির্দিষ্ট। পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্যে গড়ে উঠেছে নান্দনিক স্থাপনা, চমৎকার হোটেল। প্রকৃতির সৌন্দর্য আর স্থাপনার নান্দনিকতায় কীশ হয়ে উঠেছে দর্শনীয় একটি দ্বীপ।

কীশ দ্বীপে রয়েছে উপকূলীয় বৈচিত্র্য, রয়েছে স্ফটিক স্বচ্ছ পানি, বহুরকমের প্রবাল, বিচিত্র রঙের অ্যাকুরিয়ামের মাছ এবং সর্বোপরি কীশে রয়েছে মন কেড়ে নেওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এগুলো কীশ দ্বীপ দেখতে যাওয়া যে কোনো দর্শক বা পর্যটককেই কীশ দ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হলো ‘হারিরা’ নামক পুরনো শহর। হারিরা শহরের প্রাচীন নিদর্শনগুলো দর্শকদের নিয়ে যায় সময়ের পর্দা ভেদ করে ইতিহাসের অনেক গভীরে। যেখানে এই চমৎকার প্রবাল দ্বীপের প্রাচীন বাসিন্দাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।

কীশের আরেকটি দর্শনীয় স্থাপনা হলো শেইখ আলে আলি ভবন। শেখ আলে আলি ছিলেন কীশ দ্বীপের সাবেক শাসক। সমুদ্রের পাড়ে যে সুরম্য প্রাসাদ তিনি গড়ে তুলেছেন তা অনন্য। যদিও অনেকের অভিমত স্থাপত্য কৌশলের দিক থেকে কাজারি রাজবংশের শাসনামলের স্থাপত্যের সাথে মিলে রয়েছে।

বন্ধুরা, তবে আর দেরি কেন ঘুরে আসুন ইরানের অনন্য সুন্দর  কীশ দ্বীপ থেকে। আর আপনার ভ্রমনের খুটিনাটি অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে একদম ‍ভুল করবেন না।


*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *বিদেশভ্রমন* *ইরান* *দ্বীপ* *কীশ*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সারা বিশ্বের পর্যটকদের ভোটে ভ্রমনের জন্য নির্বাচিত সেরা ১০টি শহরের অন্যতম একটি শহর হল ইস্তাম্বুল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেজে ওঠা প্রাচীন এই শহরটি সারা বিশ্বের পর্যটকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। কামাল আতার্তুকের এই দেশটির ইস্তাম্বুল শহরে প্রতি বছর প্রায় ৭. ৫ মিলিয়ন পর্যটক  ভ্রমন করে। বিদেশ ভ্রমনের ইচ্ছে যাদের মনে তারা এক বারের জন্য হলেও ঘুরে আসতে পারেন সুন্দরতম এই নগর থেকে।





ইস্তাম্বুলঃ
তুরস্কের অন্যতম প্রধান শহর। এর পুরোনো নাম কন্সটান্টিনোপল। এছাড়া এটি বাইজান্টিয়াম নামে পরিচিত ছিল। এটি পূর্বে উস্‌মানীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। ১৪৫৩ সালে এটি তৎকালীন উস্‌মানীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হয়। এটি তুরস্কের সংস্কৃতি এবং অর্থনীতির কেন্দ্রস্থল। ১৯২৩ সাল পর্যন্ত এখানেই ছিল তুরস্কের রাজধানী। এটি তুরস্কের বৃহত্তম শহর যার জনসংখ্যা ১২.৮ মিলিয়ন। অনেক ঐতিহ্যবাহী শহর। এই শহরটি দুটি মহাদেশকে বিভক্ত করেছে। মসজিদের নির্মাণশৈলী এবং গঠন আকর্ষনীয়।

*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *তুরস্ক* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনগাইড*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্থানীয়ভাবে পরিচিত পঞ্চবটীর বন নিয়ে নানান কাহিনীও প্রচলিত আছে।

দিনাজপুর জেলায় নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এই উদ্যানের অবস্থান।

নবাবগঞ্জ বনবিটের জগন্নাথপুর, হরিল্যাখুর, বড় জালালপুর, আলোকধুতি, তর্পনঘাট, রসুলপুর ও খটখটিয়া কৃষ্টপুর মৌজা নিয়ে উদ্যান গঠিত। এই জাতীয় উদ্যান আসলে একটি শালবন। স্থানীয়ভাবে পঞ্চবটীর বন নামেও পরিচিত।

২০১০ সালের ২৪ অক্টোবর নবাবগঞ্জ বনবিটের এই অঞ্চলকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আয়তন ৫১৭ দশমিক ৬১ হেক্টর বা ১২৭৮ দশমিক ৫০ একর।

২০১০ সালে জাতীয় উদ্যানের মর্যাদা পেলেও এই বনাঞ্চল বেশ পুরানো। এ জঙ্গল নিয়ে নানান কাহিনীও প্রচলিত আছে স্থানীয়দের কাছে।

জানা যায়— কুশদহ, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট পর্যন্ত এ বনের ৫টি শাখা ছিল। তাই এর আরেক নাম পঞ্চবটী। জনশ্রুতি আছে শিবের কৈলাশবাস আর সীতার বনবাস এই বনেই হয়েছিল। এছাড়া দস্যু রত্নাকর সিদ্ধিলাভ করে বাল্মীকি মুনিরূপে খ্যাতিলাভ করেন এই বনে।

নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যানের প্রধান বৃক্ষ শাল ও সেগুন। এছাড়াও আছে গামার, ইউক্যালিপটাস, জাম, আকাশমনি ও নানান শ্রেণির অর্কিড। বনের বাসিন্দা বন্যপ্রাণীর মধ্যে আছে বনবিড়াল, শিয়াল, মেছো বাঘ, নানান রকম সাপ। নানান জাতের পাখিও আছে এ বনে।

কীভাবে যাবেন

প্রথমে যেতে হবে দিনাজপুর জেলা শহর। সেখান থেকে বাসে চড়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরে। এরপর রিকশা কিংবা অটো রিকশায় যাওয়া যাবে নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যানে।

রাজধানী থেকে দিনাজপুর সড়ক ও রেলপথে যাওয়া যায়।

ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী বাসগুলো সাধারণত ছাড়ে গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে। এ পথে নাবিল এন্টারপ্রাইজের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ১ হাজার টাকা।

এছাড়া হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, নাবিল এন্টারপ্রাইজ, বাবলু এন্টারপ্রাইজ, কেয়া পরিবহন,  সেফ লাইনের নন এসি বাস চলাচল করে এ পথে। ভাড়া ৬শ’ থেকে সাড়ে ৬শ’ টাকা।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। আর আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে। ঢাকা থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ যথাক্রমে মঙ্গল ও বুধবার।

ভাড়া শোভন সিট ৩৬০ টাকা। শোভন চেয়ার ৪৩০ টাকা। প্রথম শ্রেণি চেয়ার ৫৭০ টাকা। প্রথম শ্রেণি বার্থ ৮৫৫ টাকা।

দিনাজপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে আর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ৯টা ২০ মিনিটে। দিনাজপুর থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেসের বন্ধ যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার।

কোথায় থাকবেন

দিনাজপুর শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল হচ্ছে পর্যটন মোটেল (০৫৩১-৬৪৭১৮)। এছাড়া ঢাকায় পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এই মোটেল বুকিং দেওয়া যায়। ফোন- ৯৮৯৯২৮৮-৯১।

দিনাজপুরের পর্যটন মোটেলে এসি টুইনবেড ১ হাজার ৯শ’ টাকা এবং এসি ডিলাক্স টুইনবেড ২ হাজার ৩শ’ টাকা। ইকনোমি বেড ৪শ’ টাকা, ইকনোমি কাপল বেড ৭শ’ টাকা।

এছাড়া দিনাজপুরের অন্যান্য সাধারণ মানের  হোটেলে ১শ’ থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকায় রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা আছে। কয়েকটি সাধারণ মানের হোটেল হল- মালদহ পট্টিতে হোটেল ডায়মন্ড,  নিমতলায় হোটেল আল রশিদ, হোটেল নবীন, হোটেল রেহানা, নিউ হোটেল।

প্রয়োজনীয় তথ্য

নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান বেশ নির্জন। পর্যটন সুবিধা এই বনে নেই বললেই চলে। ভ্রমণে গেলে দলবলে যাওয়া উচিৎ।

*ভ্রমনটিপস* *ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আসন্ন বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে স্বপ্নের দেশ অস্ট্রেলিয়া সেজেছে নতুন সাজে। এমনিতেই রূপ রসের কমতি নেই তারপরে আবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ। বুঝতেই পারছেন অস্ট্রেলিয়ার আসল সৌন্দর্য্য উপভোগ করার এটাই উপযুক্ত সময়। ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের বলছি,  বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুবাদে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমনের সুযোগ হাতছাড়া করা একদম ঠিক হবে না।



স্বপ্নের দেশ অস্ট্রেলিয়াঃ
অস্ট্রেলিয়া একটি দ্বীপ-মহাদেশ। এটি এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বে ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। কাছের তাসমানিয়া দ্বীপ নিয়ে এটি কমনওয়েল্‌থ অফ অস্ট্রেলিয়া গঠন করেছে। দেশটির উত্তরে তিমুর সাগর, আরাফুরা সাগর, ও টরেস প্রণালী; পূর্বে প্রবাল সাগর এবং তাসমান সাগর; দক্ষিণে ব্যাস প্রণালী ও ভারত মহাসাগর; পশ্চিমে ভারত মহাসাগর। দেশটি পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ৪০০০ কিমি এবং উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৩৭০০ কিমি দীর্ঘ। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ, কিন্তু ৬ষ্ঠ বৃহত্তম দেশ। অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা। সিডনী বৃহত্তম শহর। দুইটি শহরই দক্ষিণ-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।

গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর। এটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব সীমান্ত ধরে প্রায় ২০১০ কিমি জুড়ে বিস্তৃত। এটি আসলে প্রায় ২৫০০ প্রাচীর ও অনেকগুলি ছোট ছোট দ্বীপের সমষ্টি। কুইন্সল্যান্ডের তীরের কাছে অবস্থিত ফেয়ারফ্যাক্স দ্বীপ গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের অংশ।

অস্ট্রেলিয়া ৬টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত নিউ সাউথ ওয়েল্স, কুইন্সল্যান্ড, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া, তাসমানিয়া, ভিক্টোরিয়া, ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া। এছাড়াও আছে দুইটি টেরিটরি অস্ট্রেলীয় রাজধানী টেরিটরি এবং উত্তর টেরিটরি। বহিঃস্থ নির্ভরশীল অঞ্চলের মধ্যে আছে অ্যাশমোর ও কার্টিয়ার দ্বীপপুঞ্জ, অস্ট্রেলীয় অ্যান্টার্কটিকা, ক্রিসমাস দ্বীপ, কোকোস দ্বীপপুঞ্জ, কোরাল সি দ্বীপপুঞ্জ, হার্ড দ্বীপ ও ম্যাকডনাল্ড দ্বীপপুঞ্জ, এবং নরফোক দ্বীপ।


সৌন্দর্য্যমণ্ডিত অস্ট্রেলিয়াঃ
বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অস্ট্রেলিয়া কোয়ালা, ক্যাংগারুর দেশ হিসেবে পরিচিত। অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছে মনকাড়া সুন্দর্য্যমণ্ডিত বড় বড় কয়েকটি শহর । অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম শহরগুলো হল: সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেন, এডেলেইড, তাসমানিয়া, ডার‌উইন, পার্থ, গোল্ডকোষ্ট।শ হর জুড়ে আছে নানা রকম সমু্দ্র, নদি, যেগুলির দিকে চোখ গেলে ফেরানো মুসকিল হয়ে পড়বে, ইচ্ছা হবে ঘন্টার পর ঘন্টা ঐ সমুদ্রের পাড়ে বসে সময় কাটিয়ে দিতে

কোয়ালা, অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ বিখ্যাত প্রাণী। প্রায়ই দেখা যায় জংগলে গাছের ভেতর চুপটি মেড়ে বসে আছে আর মাঝে মাঝে এক গাছ থেকে আর এক গাছে বেয়ে উঠছে। কোয়ালার লাফালাফি আর ছুটাছুটি দেখে আপনি মগ্ধ হয়ে যাবেন। ক্যাঙ্গারু অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় পশু। যা অস্ট্রেলিয়ার সৌন্দর্যের প্রতীক।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা। অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাংলাদেশের অনেক ক্ষেত্রেই মিল পাওয়া যায়, যেমন, এখানে বলতে গেলে সবরকম দেশী ফুল, ফল, মাছ পাওয়া যায়। এখানকার আবহাওয়ার ধরনটাও অনেকটা বাংলাদেশের মত, এটা অবশ্য সব যায়গায় না, বিশেষ কিছু শহরে, যেমন ব্রিজবেনে।

অস্ট্রেলিয়ার ফুল এর কথা না বল্লেই নয়, শহরের বিভিন্ন যায়গা গুলি নানান রকম সুন্দর সুন্দর ফুল ও লতা পাতায় সাজানো, যেখানে বসে, হাটাহাটি করে চমৎকার সময় কাটাতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ার মাটির নীচে পাওয়া গেছে মূল্যবান ধাতব ঐশ্বর্য্য। বনে গাছপালা ছাড়াও নানান রকম জীব জন্তু আর পানিতে মাছের প্রাচুর্য্য।

বর্ণনায় বলে দিচ্ছে 
অস্ট্রেলিয়া কতটা সৌন্দর্য্যমণ্ডিত দেশ। বন্ধুরা, অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা এই দেশটিতে ভ্রমনের এখনি উপযুক্ত সময়। আর দেরী না করে ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঘুরে আসুন স্বপ্নের দেশ অস্ট্রেলিয়া থেকে।

*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *অস্ট্রেলিয়া* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনগাইড*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যারা বিনা ভিসায় দেশের বাইরে ছুটি কাটাতে চান তাদের জন্য একটি তালিকা দেওয়া হলো। এ তালিকায় রয়েছে সেসব দেশের নাম ও দরকারী তথ্য যেখানে বিনা ভিসা বা অন অ্যারাইভেলে যাওয়া যায়।

ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে:

- এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা)

- শ্রীলংকা (৩০ দিন) আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস)

- মালাউই (৯০ দিন)

- সেশেল (১ মাস)

- আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন)

- হাইতি (৩ মাস)

- গ্রানাডা (৩ মাস)

- সেন্ট কিট্স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস)

- সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস)

- টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন)

- মন্টসের্রাট (৩ মাস)

- ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন)

- ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস)

- কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন)

- নাউরু (৩০ দিন)

- পালাউ (৩০ দিন)

- সামোয়া (৬০ দিন)

- টুভালু (১ মাস)

- নুউ (৩০ দিন)

- ভানুয়াটু (৩০ দিন)

- মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।

এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে:

- এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার)

- জর্জিয়া (৩ মাস)

- লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)

- মালদ্বীপ(৩০ দিন)

- মাকাউ (৩০ দিন)

- নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার)

- সিরিয়া (১৫ দিন)

- পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)

- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক)

- মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)

- মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার)

- টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ)

- উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।

তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন। আর আপনার কাছে ফিরতি টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজ অবশ্যই থাকতে হবে।

এ বিষয়ে কারও কোন সন্দেহ থাকলে Google-এ search দিয়েও যাচাই করে নিতে পারেন। সব দেশের অ্যাম্বেসির ই-ওয়েবসাইট আছে, সেখান থেকেও তথ্য যাচাই করে নিতে পারেন। 
*তথ্য* *ঘুরাফেরা* *বিদেশ* *ভিসা*
*ঘুরাফেরা* *বিদেশ* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রূপের জাদু ছড়িয়ে আপনার মনযোগ কেড়ে নিতে বিন্দুমাত্র সময় লাগবেনা জাদুকাটার। মুহুর্তেই আপনি হারিয়ে যাবেন জাদুকরী সৌন্দর্যের আড়ালে। কিসের এই সৌন্দর্য্য? কেনই বা সে এতো সুন্দর? বন্ধুরা বলছি সুনামগঞ্জের জাদুকাটা নদীর কথা। চলুন তাহলে জেনে নেই জাদুকাটা নদী এবং তার আশেপাশের রহস্যময়ী প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা...

জাদুকাটা নদীঃ
দুই পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে নেমে এসেছে নদী। যেমন অদ্ভূত তার সৌন্দর্য তেমন অদ্ভূত তার নাম। বিমুগ্ধ করার মতো। মায়াবী নদীটির নাম জাদুকাটা। জাদুকাটা নদীর জাদু সবাইকে কাবু করতে যথেষ্ট। জাদুকাটা নদীর গভীরতা কম। আর তার জল এতটাই স্বচ্ছ যে নিচের বালুকণা পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যায়। নদীর এক পাশে বিস্তীর্ণ বালুচর, অন্য পাশে সবুজ পাহাড়ের হাতছানি। কে না চায় এমন এক পরিবেশে নিজেকে কয়েকটা দিনের জন্য হারিয়ে ফেলতে!

জাদুকাটা নদীর অবস্থানঃ
সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে জাদুকাটার দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। কিন্তু বাসের রাস্তা নেই। যেতে হবে ভাড়া করা বাহনে অথবা নিজের মোটরবাইকে। এসব সমস্যা নিমেষেই হাওয়া হয়ে যাবে জাদুকাটার দর্শনে। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চলে যেতে পারেন সুরমা নদীর সাহেববাড়ির ঘাটে। সেখান থেকে নৌকা যাত্রা। আধঘণ্টা পর দেখা মিলবে মণিপুরি ঘাটের। ঘাটে নেমে ভাড়ার মোটরবাইকে আবার যাত্রা শুরু। পলাশ বাজার, ধরপুর বাজার পেছনে ফেলে, চিনাকান্দি বাজার ছাড়িয়ে বাইক আপনাকে একেবারে নিয়ে যাবে পাহাড়ের কাছে। ডান দিকে চোখ দিলেই দেখা মিলবে মেঘালয়ের। এরপর বিজিবি ক্যাম্পের পাশ দিয়ে মোটরবাইক নিয়ে নেমে যেতে পারেন জাদুকাটার বালুচরে। মেঘ আর পাহাড়ের সমন্বয়ে এখানে নস্টালজিক হতে বাধ্য আপনি।

দৃশ্যমান জাদকাটাঃ
পায়ের নিচে জাদুকাটার ঠান্ডা জলের পরশ আর মাথার ওপরে পাহাড়। সেই পাহাড়ের পিঠ বেয়ে যেন বের হয়ে বাংলাদেশে এসেছে জাদুকাটা নদী। দেখে মনে হবে, নদীর উৎসমুখে দুই পাশ থেকে পাহাড় ঝুলে আছে। পেছনে আরও একটি পাহাড়ের দেখা মিলবে সেখানে। পশ্চিমে বারেকটিলা, পূর্বে শাহ আরেফিনের (রহ.) আস্তানা ও লাউড়েরগড় গ্রাম। সেই গ্রামের দক্ষিণ কোণের নদীতীরে রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান। প্রতিবছর চৈত্র মাসে প্রায় একই সময়ে শাহ আরেফিনের আস্তানায় ওরস ও জাদুকাটা নদীতীরে পূণ্যস্নান হয়। দুই উৎসব ঘিরে সেসময় নদীতীরে বসে দুই ধর্মের মানুষের মিলনমেলা। হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে নদীর গা ঘেসে। একসময় এই জাদুকাটা নদীর তীরেই ছিল প্রাচীন রাজ্য লাউড়ের রাজধানী। সময়ের পরিক্রমায় সেখানে এখন রাজ্য নেই, নেই রাজধানীও। প্রাচীন সেই রাজ্যের নামের সাথে মিলিয়ে এখনও গ্রামটির নাম ‘লাউড়েরগড়’। গ্রামটিও ঘুরে দেখে আসতে পারেন।

বন্ধুরা, তাহলে আর দেরী কেন জাদুর টানে ঘুরে আসুন সুনামগঞ্জের জাদুকাটা নদী থেকে। আপনার ভ্রমন হোক নিরাপদ ও আনন্দময় এই শুভ কামনা রইল।


*ট্রাভেল* *ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *নদী* *সুনামগঞ্জ* *ছটিতেভ্রমন* *ঘুরেএলাম*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপরূপ সৌন্দর্য্য ও প্রকৃতির অপার লীলায় সজ্জিত বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলা। এ উপজেলার সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান হলো তিন্দু। স্থানীয়দের মতে তিন্দু হচ্ছে বাংলাদেশর অন্যতম ভূ-সর্গ। ভ্রমন পিপাসুদের মতে, পৃথিবী'তে তিন্দু-র মত এমন ঘুম-ঘুম সুন্দর জায়গা আর একটিও নেই। প্রাকৃতিক আকর্ষণের কারণে এ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী পর্যটকরা প্রতিদিন আকর্ষণীয় এই পর্যটন স্থানটিতে ভিড় জমান।

তিন্দু নামক অপরূপ সৌন্দর্য্যমণ্ডিত এই জায়গাটা এখনও লোক চক্ষুর প্রায় আড়ালেই রয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের দেশেও তিন্দুর মত এমন স্বর্গ থাকতে পারে তা জানা ছিলনা। বান্দারবানে অনেকেই গেছেন। বগা লেক তাদের সবাইকেই মুগ্ধ করেছে। এখন এই ছোট্ট ভূ-স্বর্গ টাকে দেখে আসুন আশাকরি খুব ভাল লাগবে।

কিভাবে যাবেনঃ
> ঢাকা – বান্দারবান যাওয়ার শ্যামলি, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, ডলফিন এর বাস আছে। রাত ১০ টায়/১১:৩০ টায় কলাবাগান/সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে যায়। ভাড়া ৪০০-৪৫০ টাকা। 

> ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়েও যাওয়া যায়। বদ্দারহাট থেকে বান্দারবানের বাস ছাড়ে পুরবী/পুর্বানী ভাড়া প্রায় ১০০ টাকার মত।

সকাল ৭:৩০ এর মধ্যেই বান্দারবান পৌছে যাবেন। এখান থেকে চান্দের গাড়ী নিয়ে সোজা থানচি। আপনি চান্দের গাড়ী রিজার্ভ করে নিতে পারেন। এছাড়া লোকাল চান্দের গাড়ী আছে সেটাতে করেও আপনি থানচি যেতে পারেন। বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ।

থাকা খাওয়াঃ
বান্দারবান-থানচি থেকে তিন্দু গেলে সেখানে থাকার অনেক জায়গা পাবেন। এছাড়াও সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বারের তৈরী বাংলোতেও থাকতে পারেন। ইচ্ছে করলে তাবু গেড়েও ওখানে রাত কাটাতে পারেন।  খাওয়া দাওয়ার চিন্তা নাই। খাওয়ার জন্য হোটেল পাওয়া যায় অথবা আপনি যেখানে থাকবেন তারাই রেঁধে দিবে। মুরগীর ঝোল তারা অসাধারন রাঁধে। থাকা খাওয়ার খরচ প্রতিদিন ৪০০ টাকার বেশি হবে না। 

বন্ধুরা, তোমরা যারা ভ্রমন করতে ভালবাসো তারা নতুন কিছু জয়করার জন্য বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু থেকে ঘুরে আসতে পার। তোমাদের ভ্রমনের ভাল লাগা ও খারাপ লাগার প্রতিটি মূহুর্তের খবর আমাদের সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দাও তুমি কেমন ভ্রমনপ্রিয়?


*ট্রাভেল* *ট্রাভেলার* *ভ্রমন* *বান্দরবান* *ঘুরেএলাম* *ভ্রমনগাইড* *তিন্দু*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বাক্ষী চীনের মহাপ্রাচীর প্রাচীন ইতিহাসের অংশ হিসেবে সারা বিশ্বের পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রাচীন এই স্থাপত্যশৈলীর কারুকার্য ও সৌন্দর্য্য অবলোকন করলে আপনি মুগ্ধ না হয়ে পারবেন না। পরিসংখ্যান মতে, এটি মানুষ নির্মিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থাপনা। কথিত আছে, চাঁদ থেকেও এই স্থাপনা দেখতে পাওয়া যায়। অপরূপ সৌন্দর্য্য এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক হওয়ায় চীনের মহাপ্রাচীরকে বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্য ঘোষণা করা হয়েছে।

কেন নির্মিত হয়েছিল এই মহাপ্রাচীরঃ

ঐতিহ্যবাহী এই প্রাচীরকে চীনা ভাষায় বলা হয় ‘ছাংছং’ । ‘ছাংছং’-এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে দীর্ঘ দেয়াল। হাজার হাজার বছর আগে কেন এতো জনবল,সম্পদ,সময় ব্যয় করে এই মহা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল? আসলে এই মহা প্রাচীর নির্মাণের প্রধান লক্ষ্য ছিল বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করা।

চীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য। এই প্রাচীরের উচ্চতা প্রায় ৫ থেকে ৮ মিটার এবং ৮৮৫১.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি শুরু হয়েছে সানহাই পাস থেকে এবং শেষ হয়েছে লোপনুর নামক স্থানে। খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দী থেকে শুরু করে প্রায় ২০০০ বছর পর্যন্ত এর নির্মাণ,সংস্কার, পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের কাজ চলতে থাকে। এর মূল অংশের নির্মাণ শুরু হয়েছিল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২২১ সালে।
চীনের প্রথম সম্রাট ছিন শি হুয়াং বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে তাঁর নবনির্মিত সাম্রাজ্য নিরাপদ রাখতে নির্মাণ করেন মহাপ্রাচীরের বিভিন্ন অংশ। তবে সেই সময়ে নির্মিত প্রাচীরের তেমন কিছুই আজ আর অবশিষ্ট নেই। পরবর্তী ডাইন্যাস্টিগুলোতে এর নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ অব্যাহত থাকে। তবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ছিন, হান এবং মিং ডাইন্যাস্টি। এই তিনটি ডাইন্যাস্টি মিলে নির্মিত প্রাচীরের দ্যৈর্ঘ প্রায় ১০০০০ কিলোমিটারের অধিক।
বর্তমানে চীনের সিনচিয়াং, কানসু, নিনশিয়া, চিয়াংশি, ইনার মঙ্গোলিয়া, শানসি, হোপেই, পেইচিং, থিয়েনচিন, লিয়াওনিং, চিলিন, হোইলুংচিয়াং, হোনান, শান্তুং, হুপেই ইত্যাদি অঞ্চলে মহাপ্রাচীরের প্রাচীন অংশের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে।

দেখার আছে অনেক কিছুঃ
এই মহা প্রাচীর নির্মাণের স্বর্ণযুগ হচ্ছে মিং ডাইন্যাসটি (১৩৬৮-১৬৪৪)। বর্তমানে আমরা মহা প্রাচীরের যে অংশগুলো দেখতে পাই, তা মূলত মিং ডাইন্যাস্টিতে নির্মিত। এই সময়ে নির্মিত অংশ ৩৭৩ মাইলের বেশি দীর্ঘ। এতে রয়েছে ৮২৭ টি শহর প্রাচীর প্ল্যাটফর্ম,৭১টি গিরিপথ এবং অগুনিত দুর্গ।

মিং রাজার সময়ে নির্মিত প্রাচীরের যে অংশগুলো মোটামুটি ভালোভাবে সংরক্ষিত রয়েছে সেগুলো হচ্ছে: পাতালিং, মুথিয়ানাইয়ু, সিশাথাই, চিনশানলিং, হুয়াং হুয়া চং, কুপেইখৌও, চিয়ানখৌও ইত্যাদি।  তবে এর মধ্যে দেশি বিদেশি পর্যটকদের মাঝে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘পাতালিং’ । মহা প্রাচীরের এই অংশটিই প্রথম সাধারণ পর্যটকদের জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছিল। বেইজিং শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার উত্তরে ইয়ানছিং কাউন্টিতে এর অবস্থান। মিং ডাইন্যাস্টিতে এটি ভৌগোলিক ও সামরিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুপাশের অপরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশ এর সৌন্দর্যে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা। 

চীনের মহাপ্রাচীরে বছরের ৪টি ঋতুতে উপভোগ করা যায় চার ধরনের সৌন্দর্য। শীতকালে শুভ্র তুষারে ঢাকা প্রাচীর যেমন আপনার মনে এনে দিতে পারে এক ধরনের পবিত্র প্রশান্তি, তেমনি বসন্তের রঙবেরঙের ফুল আপনার মনকে করে তুলবে উত্ফুল্ল। গ্রীষ্মকালে গ্রেট ওয়ালের চারপাশের সবুজ স্নিগ্ধ পরিবেশ আর ঝিরিঝিরি বাতাস প্রশান্ত করবে আপনার মন ও হৃদয়কে।

ভ্রমন করা যাদের নেশা তারা একবারের জন্য হলেও ঘুরে আসুন পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য থেকে। আপনার দুঃসাহসিক ভ্রমনের জানা অজানা আমাদের মাঝে শেয়ার করুন। সবাইকে জানিয়ে দিন আপনি সত্যিকারের একজন ট্রাভেলার।

*ভ্রমন* *চীন* *ট্রাভেল* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপরূপ এই পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তেই লুকিয়ে আছে অজানা সৌন্দর্য্য। রোমান্টিকতায় ভরপুর এই পৃথিবীর রোমান্টিক স্থান গুলো সম্পর্কে আমরা তেমন একটা খোঁজ খবর রাখি না। যারা ভ্রমনপ্রিয় তারা কিন্তু পৃথিবীর রূপ, রস, গন্ধ ও সৌন্দর্য্যমন্ডিত স্থান গুলি সব সময় খুঁজে ফেরেন। এরকম ভ্রমনপ্রিয় রোমান্টিক ট্রাভেলারদের ভোটে নির্বাচিত হওয়া পৃথিবীর শীর্ষ ৫টি রোমান্টিক স্থান নিয়ে আলোচনা করব। তাদের মতে এই স্থানগুলোর মতো রোমান্টিক এবং সুন্দর পরিবেশ পৃথিবীতে আর নেই। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক সেই রোমান্টিক স্থান গুলোকে...

ওইয়া, স্যান্টোরিনি, গ্রীস
স্যান্টোরিনি আইল্যান্ডের অসাধারণ সুন্দর পরিবেশকে বিশ্বের সব চাইতে রোমান্টিক স্থান ধরা হয়। সমুদ্রে সূর্যের খেলা, সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয় দেখার জন্য সব চাইতে ভালো জায়গা এটি। প্রতিবছর হাজারো দম্পতি হানিমুন করার জন্য এই স্থানে আসেন।



ভেনিস, ইতালি
পানির ওপরে যে শহর তা আর যাই হোক না কেন সব চাইতে অন্যরকম একটি জায়গা। সারাটাক্ষণ নৌকোয় ঘুরাঘুরি এবং অসাধারণ পরিবেশের এই শহরটিকে সবাই বেশ রোমান্টিক স্থান হিসেবেই চিনে থাকেন।



বেলিজ
বেলিজ একটি অতুলনীয় সুন্দর এবং সময় কাটানোর জন্য পারফেক্ট দেশ। এর একটি অসাধারণ সুন্দর রিসোর্ট রয়েছে যা সব চাইতে বিখ্যাত। এই রিসোর্টটি বিশ্বজুড়ে অনেক রোমান্টিক দম্পতির হৃদয় কেড়ে নিয়েছে। আর তাদের ভতেই নির্বাচিত হয়েছে এই অপূর্ব সুন্দর রিসোর্টটি।



কাসাব্ল্যাংকা, মরক্কো
অ্যাটল্যান্টিক মহাসগর এবং মেডিটেরিয়ান সাগরের বেলাভূমির কারণে অতুলনীয় এই জায়গাটি। আরও রয়েছে অ্যাটলাস পর্বতের তুষারভরা চূড়া যা এই স্থানটির মূল আকর্ষণ। বিশ্বজুড়ে সব চাইতে সুন্দর হানিমুনের স্থান হিসেবেই পরিচিত এই জায়গাটি।



মালদ্বীপ
উজ্জ্বল সূর্য, যতদূর চোখ যায় ততোদুর পর্যন্ত বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত, হাজার হাজার আইল্যান্ড এবং হৃদয় থামিয়ে দেয়ার মতো সুন্দর পানির নিচের বাগান যা মালদ্বীপকে করেছে অতুলনীয়। আর সকলের মতে এই স্থানটি সব চাইতে কাছের মানুষটিকে ছাড়া দেখা বৃথা। সে কারনেই মালদ্বীপ হয়েছে বিশ্বের সব চাইতে অতুলনীয় রোমান্টিক স্থান। 

রোমাঞ্চ প্রিয় বন্ধুরা, তাহলে আর দেরি কেন সময় সুযোগ পেলেই ঘুরে আসুন পৃথিবীর রোমান্টিক সব স্থান থেকে। আর আপনাদের ভ্রমনের অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে একদম ভুল করবেন না।
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রহস্যময়ী রূপবৈচিত্রে ভরপুর এই পৃথিবীটাকে ঘুরে দেখার শখ আমাদের সকলেরই রয়েছে। কিন্তু সাধ থাকলেও অনেকেরই সাধ্য নেই। আবার অনেকের সাধ্য থাকলেও সুন্দর এই পৃথিবীটা এতো বড় যে পুরোটা ঘুরে দেখার মত সময় হয়না। সুন্দর এই পৃথিবীতে এমন কিছু স্থান আছে যেগুলো মৃত্যুর আগে অন্তত একবার হলেও ঘুরে দেখা উচিত। রূপকথাকেও হার মানিয়ে দেবার মত তেমনি অদ্ভুত সুন্দর ও বিস্ময়কর ৬টি স্থান নিয়ে আজকের আলোচনা। আশাকরি,নতুনকে জয় করার স্বপ্ন যাদের মনে তারা একবারের জন্য হলেও পৃথিবীর এই ৬টি স্থান ঘুরে দেখবেন।

চীনের রিড ফ্লুট গুহা
ছবিতে যে আলোকিত স্থানটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি চীনের রিড ফ্লুট গুহা। ২৪০ মিটার দীর্ঘ এই গুহা প্রায় ১২০০ বছর ধরে চীনের অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান। পানির প্রতিফলন ও আলো আধারিতে সৃষ্টি হওয়া নানান রঙের প্রাকৃতিক আলোতে স্বর্গের কোনো স্থান বলে মনে হয় গুহাটিকে।




বলিভিয়ার সালার ডি ইউনি
বৃষ্টির মৌসুমে পৃথিবীর সবচাইতে বড় সল্ট ফ্ল্যাট পরিণত হয় পৃথিবীর সবচাইতে বড় আয়নায়। প্রাচীন অনেক গুলো লেকের সমন্বয়ে তৈরী হয়েছে সালার সালার ডি ইউনি। বৃষ্টির সময় পুরো আকাশের প্রতিবিম্ব দেখা যায় বলে এটাকে বিশাল একটি আয়না বলে মনে হয়।




মালদ্বীপের তারার সমুদ্র
ভেবে দেখুনতো, একটি সমুদ্রের সামনে বসে আছেন আপনি। আপনার সামনে সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে বার বার। আর সমুদ্রের পানিতে ভাসছে অসংখ্য তারা! ঠিক এমনই একটি সমুদ্র আছে মালদ্বীপে। তবে সমুদ্রের পানিতে যেগুলোকে জ্বলজ্বল করতে দেখছেন সেগুলো তারা নয়। সন্ধ্যায় অন্ধকার হয়ে গেলেই হলেই অসংখ্য ফাইটোপ্লাঙ্কটন জ্বলজ্বল করে এই সমুদ্রের পানিতে।




আমেরিকার অ্যারিজোনার আন্টেলপ গিরিখাত
আমেরিকার অ্যারিজোনার আন্টেলপ গিরিখাতটি বহুবছর আগে পানির প্রবাহের ফলে সৃষ্টি হয়। বেশ চাপা এই গিরিখাতটিতে তেমন আলো প্রবেশ করতে না পারলেও সৃষ্টি হয় নানান রঙের। প্রাকৃতিক এই রঙের খেলার কারণে এই স্থানটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান হিসেবে পরিচিত।




ফিনল্যান্ডের মেরুঅঞ্চলের প্রহরী
ভাবছেন বরফের মধ্যে এগুলো কি তাই না? এগুলো ফিনল্যান্ডের মেরুঅঞ্চলের প্রহরী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বাস্তবে এগুলো হলো বরফে ঢেকে যাওয়া উঁচু উঁচু গাছ। তাপমাত্রা -৪০ থেকে -১৫ এর মধ্যে থাকলে এই অঞ্চলের গাছ গুলো দেখতে এরকম হয়ে যায়।




নিউজিল্যান্ডের ওয়েটোমোর জোনাকির গুহা
নিউজিল্যান্ডের ওয়েটোমোরে আছে একটি অসাধারণ গুহা। এই গুহার বৈশিষ্ট্য হলো গুহাটির ছাদে ও দেয়ালের গায়ে লেগে থাকে লক্ষ লক্ষ জোনাকি পোকা। জোনাকি পোকার আলোতেই আলোকিত হয়ে থাকে গুহাটি। দেখে মনে হয় গুহার দেয়ালে ও ছাদে মিট মিট করে জ্বলছে অসংখ্য তারা। সত্যিই অসাধারণ সুন্দর একটি স্থান।

ভ্রমন পিপাসু বন্ধুরা, সাধ্য এবং সাধ দুটোই যাদের আছে তারা অবশ্যই রহস্যময়ী অদ্ভূত সুন্দর এই স্থানগুলো দেখতে ভুল করবেন না। ঘুরে আসুন পৃথিবীর দর্শনীয় স্থান গুলো থেকে আর আপনার ভ্রমনের অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করুন।
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *বিদেশভ্রমন* *মালদ্বীপ* *আমেরিকা* *ফিনল্যান্ড* *চীন* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাহাড় ভ্রমন, হাইকিং কিংবা ট্রাকিং এই শব্দগুলো ট্রাভেলারদের কাছে খুবই পরিচিত। বর্তমানে ভ্রমন পিপাসু অনেকেই পাহাড় ভ্রমনে গিয়ে উঁচু চূড়ায় উঠতে চায়। তবে পাহাড়ে ভ্রমন কিন্তু একেবারে সহজ না। তাই নিজের নিরাপত্তার জন্য কিছু জিনিস সাথে নিন যা আপনার হাইকিং বা ট্র্যাকিংকে করে তুলবে নিরাপদ আর আনন্দময় । এসব জিনিস সাথে রাখা শুধু হাইকিং এর জন্যই নয় বরং যে কোন অপরিচিত স্থানে বেড়াতে যাবার জন্য অপরিহার্য। চলুন তবে জেনে নেই কোন জিনিসগুলো হাইকিং এ যাওয়ার পূর্বে সাথে নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

পরামর্শঃ
হাইকিং এ যাওয়ার আগেই সে স্থান সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। যাতায়াত ব্যবস্থা কেমন (transport), কেমন খরচ হবে (cost), থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা (residence), কোন বিপদের সম্ভাবনা আছে কি না ইত্যাদি। জেনে নিন আবহাওয়ার অবস্থা। বেশি গরমের দিনে বা বর্ষাকালে হাইকিং এ যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

হাইকিং এর জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রঃ
ব্যাগঃ
একটি মজবুত এবং বড় সাইজের ব্যাকপ্যাক সাথে নিন। কারণ আপনার যাবতীয় জিনিসপত্র এখানেই রাখতে হবে। মজবুত এবং ভাল ব্র্যান্ডের ব্যাকপ্যাক (backpack) কিনুন কারণ আপনি নিশ্চয় চাইবেন না বেড়ানোর মাঝপথে আপনার জিনিসপত্র ব্যাগ ছিঁড়ে মাটিতে গড়াগড়ি খাক।

ম্যাপ এবং কম্পাস
একটি ম্যাপ এবং কম্পাস সাথে নিন । এই দুটি জিনিসকে আলাদা না ভেবে একটি টিম হিসেবে দেখুন। কারণ শুধুমাত্র এদের যে কোন একটি আপনাকে পথ দেখাতে পারবে না।

পানি
সাথে অবশ্যই পানি রাখুন। এমনকি আপনি ১ ঘণ্টার জন্য হাইকিং এ গেলেও। কারণ যে কোন পরিস্থিতিতে আপনার পানি দরকার হতে পারে। পানি রাখার জন্য মজবুত ফ্লাক্স বা বোতল কিনে নিন।

টর্চ লাইট 
অবশ্যই একটি টর্চ নিন সাথে। যদি আপনার বেড়ানোর সময়সীমা দিনের আলো থাকা অবস্থাতেই শেষ হয়ে যায় তারপরেও। সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে আপনি আগেভাগে জানতে পারবেন না। তাই সতর্ক থাকাটা জরুরি। টর্চ ব্যাগে নেয়ার আগে দেখে নিন তাতে ফুল চার্জ আছে কি না।

খাবার
হাইকিং এ যাওয়ার আগেই ভালভাবে পানি এবং খাবার খেয়ে নিবেন। কারণ আপনি একটি পরিশ্রমের কাজ করতে যাচ্ছেন, তাই শক্তি দরকার। এছাড়াও সাথে নিন প্যাকেট করা খাবার। হালকা, শুকনো এবং পুষ্টিকর খাবারকে এই ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিন।

ম্যাচ বা অন্যান্য আগুন জ্বালানোর উৎস
অবশ্যই ম্যাচ বা অন্যকোন আগুন জ্বালানোর উৎস সাথে নিন। ম্যাচ ভিজে যাওয়ার আশংকা থাকতে পারে। তাই ম্যাগনেশিয়াম লাইটার কিনে নিতে পারেন। হাইকিং এর সরঞ্জাম বিক্রি করে এমন যে কোন দোকানেই এটা পেয়ে যাবেন।

ছুরি এবং প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম
একটি ধারালো ছুরি সাথে নিয়ে নিন । ৩-৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের ছুরি ই যথেষ্ট। নিন প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জামও। পাহাড়ে থাকা অবস্থায় কোনভাবে আঘাত পেলে এটা কাজে লাগবে।

হুইসেল বা বাঁশি
খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই জিনিসটি ব্যাগে নয় বরং নিজের পকেটে বা গলায় ঝুলিয়ে রাখুন। আপনি পা পিছলে পড়ে যেতে পারেন অথবা পথ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তখন এই বাঁশি ই আপনাকে খুঁজে পেতে সাহায্য করবে আপনার সঙ্গীদের।

এগুলো ছাড়াও আরও কিছু দরকারি জিনিস যেমনঃ নাইলনের দড়ি, বড় প্লাস্টিক ব্যাগ, আপনার পরিচয় পত্র, টয়লেট টিস্যু সাথে নিয়ে নিন। আর উপভোগ করুন নিরাপদ এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত হাইকিং। (সংকলিত)


*হাইকিং* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *পাহাড়ভ্রমন* *ভ্রমনগাইড*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★