ভ্রমন টিপস

ভ্রমনটিপস নিয়ে কি ভাবছো?

শান্তা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সাজেক যাওয়ার জন্য কি রকম খরচ পড়বে এবং রুম ভাড়া কত?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*সাজেক* *ভ্রমণ* *ভ্রমনটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 স্থলপথে নেপাল যেতে চাই। কতদিন সময় লাগবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় যেতে হবে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ভ্রমনটিপস* *নেপালভ্রমন* *ভ্রমণ*

পাগলা হাওয়া: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গুলিয়াখালি সী বিচ কিভাবে যাওয়া যায় সীতাকুণ্ড থেকে এবং কতটা সেইফ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*গুলিয়াখালি* *সীচ-বিচ* *সীতাকুণ্ড* *ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শাহপরীর দ্বীপ কোথায়? কিভাবে যাবো আর দেখারমত কি কি আছে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*শাহপরীর-দ্বীপ* *ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 "আলিকদম" কোথায়? আলিকদম এ আলির গুহা ছাড়া আর কি কি আছে দেখার মত?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*আলিকদম* *ভ্রমন* *ঘোরাঘুরি* *ভ্রমনটিপস*

Shaima Siddika: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য সুখবর হলো, এখানে গড়ে উঠেছে একটি আন্তর্জাতিক মানের কুমির প্রজনন প্রকল্প এবং চাষাবাদ কেন্দ্র। যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক আসছেন এবং খুব কাছে থেকে কুমিরের এই প্রকল্পটি পরিদর্শন করছেন।


বাংলাশের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম নামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে তোলা এই প্রকল্পটি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৯ সালে পাহাড়ি এলাকায় ২৫ একর জায়গার উপর এ বৃহৎ কুমির চাষ প্রকল্পটি শুরু করেন - দেশের বৃহত্তর বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান আকিজ ওর্য়াল্ড লাইফ ফার্ম লিমিটেড। এর স্বত্ত্বাধিকারী হলেন সাংসদ শেখ আজিজ উদ্দিন।

 

মালয়েশিয়া থেকে ৫০টি কুমিরের বচ্চা আমদানি করে ঘুমধুমের পাহাড়ে আধুনিক ও প্রযুক্তির মাধ্যমে কুমিরের চাষ পরিচালনা শুরু হয়। কয়েক মাসে প্রায় ৮শ’ কুমিরের বাচ্চার প্রজনন হয়। নিবিড় পরিচর্যা, চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত খাবার প্রয়োগ করায় বর্তমানে সকল বাচ্চা সুস্থ অবস্থায় দিন দিন বড় হচ্ছে। উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, কুমির চাষের পাশাপাশি এ প্রকল্পে প্রজাপতির চাষ, বার্ড পার্কসহ কটেজ ও মিউজিয়াম হাউজ গড়ে তুলে প্রকল্পটিকে একটি পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এতে দেশি-বিদেশী পর্যটকের আগমন ঘটলে সরকার পর্যটন খাতেও প্রচুর রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে।


প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, ঘুমধুমের পাহাড়ে আধুনিক পদ্ধতিতে গড়ে ওঠা দেশের সর্ববৃহত্তম ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম কুমির চাষ প্রকল্প। শুধু নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমই নয় , তিন পার্বত্য জেলার প্রতিটি জেলা উপজেলার মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ কুমির চাষের জন্য উপযোগী। সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগে পাহাড়ে এ চাষের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পাশাপাশি বেকারস্ত দূরীকরণে বিরাট ভূমিকা পালন করবে।

এই কুমির চাষ প্রকল্পের সম্পর্কে আরও জানা যায়, প্রকল্পে থাকা স্ত্রী কুমিরগুলো এক সাথে গড়ে ৫০-৫৫টি ডিম ছাড়ে। এসব ডিম সমূহ সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নজর রাখা হলে প্রতিটি ডিম থেকেই বাচ্চা ধারণ করা সম্ভব। আশা করা হয় , ২০১৮ সালের শুরুতেই বিদেশে রপ্তানি প্রক্রিয়া শুরু হবে তার মধ্যে কোরিয়ায় রপ্তানি করা হবে কুমিরের মাংস, জাপানে রপ্তানি করা হবে চামড়া ও হাড় অন্যান্য সামগ্রী যাবে চীনে।
স্হানীয়গণ মনে করছেন, দুর্গম পাহাড়ি একটি ইউনিয়নে কুমির চাষ প্রকল্পের মত একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় এলাকার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। পাশাপাশি আকিজ গ্রুপের সদিচ্ছায় এবং কল্যানে এখানে যদি একটি পর্যটন স্পট গড়ে তোলার পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে ঘুমধুম একটি বাণিজ্যিক নগরীতে পরিণত হবে।

*ভ্রমণ* *কুমিরচাষ* *বান্দরবান* *ভ্রমনটিপস* *ঘুরাঘুরি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘনিয়ে আসছে ঈদ। ক্রমশই বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। প্রতি বছর প্রিয়জনদের সাথে একসাথে ঈদ উৎসব পালন করতে ঘরমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় যানবাহন গুলোতে। দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে অকাল মৃত্যুতে হয়তো কারো আর ঈদের আনন্দ করা হয়ে ওঠেনা। কত ভাই হারা, বোন হারা, মা-বাবা হারা পরিবার গুলোর করুণ অার্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে আকাশ বাতাস। অমানিশার ঘোর অন্ধকার নেমে আসে পরিবার গুলোতে। ট্রেন, বাস ও লঞ্চে মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারন। এ সুযোগে এক শ্রেণীর পরিবহন মালিক তাদের আনফিট ও লক্কর-জক্কর যানবাহন গুলোর বাহ্যিক চেহারা রং লাগিয়ে পরিপাটি করে যাত্রীদের কাছে অাকর্ষনীয় করে তোলে। এ ধরনের যানবাহন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

সরকারের কঠোর মনিটরিং ও জনগণের সচেতনতাই এসব দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। জণগণকে মনে রাখতে হবে, একটি দুর্ঘটনা মানেই সারা জীবনের কান্না। সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক। তাই নিরাপদ ভ্রমণের জন্য আমাকে আপনাকে আরো অধিক সচেতন হতে হবে। রাতের বেলায় লঞ্চ, স্টিমারে সীমিত যাত্রী বহন করতে হবে। তবে দুর্যোগপূর্ণ অাবহাওয়াতে কোনভাবেই জলযান চালানো যাবেনা। এ ব্যাপারে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ বিডব্লিওআইটি- কে যথাযথ ভূমিকা পালন করতে হবে।

আপনার যাত্রা সাবলীল ও নিরাপদ করতে  কিছু দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হলো। আশা করি সকলের উপকারে আসবে।

১. ভিড় এড়াতে আপনার পরিবারে কোনো সদস্যের যদি এখনই বাড়ি যাওয়া সম্ভব হয় তাহলে যতদ্রুত সম্ভব পাঠিয়ে দিন (বিশেষ করে মহিলা ও ছোটদের)। এতে করে তিনি ঈদের আগ মুহূর্তে ভিড় এড়িয়ে যেতে পারবেন। একই সাথে ছুটির দিনে ভিড় কিছুটা কম হবে।

২.ভ্রমন নিশ্চিত করতে অগ্রিম টিকেটের ব্যবস্থা করুন। নয়তো পরে কেবিন পেতে সমস্যায় পড়বেন।

৩.ভ্রমনের জন্য যথাসম্ভব নিরাপদ লঞ্চটি বাছাই করুন।

৪.অপরিচিত লোকের দেয়া কিছু না খাওয়াই ভালো। সন্দেহজনক মনে হলে লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন।

৫.ঈদ স্পেশাল ট্রিপ শুরু হলে লঞ্চ যেকোনো সময়েই ঘাট ত্যাগ করতে পারে। তাই লঞ্চের ভিতরেই অবস্থান করুন।

৬.পরিবারের সকল সদস্য বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের হাতের নাগালে রাখুন। প্রয়োজনীয় ব্যাগ ও মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখুন। কেননা হারিয়ে গেলে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ এর দায় নিবে না।

৭.ঈদে অধিক সংখ্যক লঞ্চ ঘাটে থাকায় বার্থিং নিয়ে জটিলটার সৃষ্টি হয়। লঞ্চে লঞ্চে বিপদজনক ভাবে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাই ঘাটে থাকাকালীন অবস্থায় সর্বদা লঞ্চের পার্স অবস্থান থেকে দূরে থাকুন।

৮.বিপদজনক স্থানে ভ্রমম করবেন না। ফেন্ডারের উপর হাঁটাহাঁটি করবেন না। সম্মুখভাগে আলনিতে বসার চেষ্টা করবেন না। রেলিং এর উপর বসার চেষ্টা করবেন না। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা।

৯.অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চ ভ্রমন করবেন না। বিশেষ করে ছাঁদে না উঠার বিষয়ে অনুরোধ রইল। লঞ্চের ভারসাম্য বজায় রাখতে যথাসম্ভব নীচর দিকে অবস্থান করুন (ডেক যাত্রীদের জন্য)।

১০.পার্শ্ববর্তী কোনো লঞ্চ বা কৌতূহলী কোনো বিষয় দেখার জন্য একই দিকে সবাই ধাবিত হবেন না। এতে লঞ্চটি এক পাশে হেলে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

১১.লঞ্চ মাঝ নদীতে অবস্থানকালে আবহাওয়া জনিত দুর্যোগ দেখা দিলে বিচলিত না হবে ধৈর্য ধারণ করুন। সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রাথনা করুন।

১২.যথা সম্ভব লাইফ জ্যাকেট বা বয়ার নিকট অবস্থান করুন।

১৩.নিদ্রিস্ট গন্তব্বে পৌঁছালে নামার জন্য হুরহুরি না করে ধৈর্য সহকারে নেমে আসুন।

১৪.যাত্রা পথে অধিকহারে ভাড়া আদায় হচ্ছে মনে হলে বা নিশ্চিত হতে পারলে ঘাটে অবস্থানরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করুন। সেজন্য ঘাটে প্রদর্শিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মোবাইল বা ফোন নাম্বার সংগ্রহে রাখুন।

আপনার নিরাপদ ভ্রমন আমাদের একান্ত কাম্য।

কনটেন্ট সোর্সঃ নিরাপদ নিউজ ডটকম

*ঈদযাত্রা* *ঈদেবাড়িফেরা* *বাড়িফেরা* *ভ্রমনটিপস*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত : তিনাপ সাইতার

আমাদের দেশের পাহাড়ি অঞ্চল বলতে যা কিছু, সব চট্টগ্রাম আর সিলেটেই আছে। তবে আমরা নিজেদের সৌভাগ্যবান দাবি করতেই পারি, এই সীমিত অঞ্চলে ঝরনা আর জলপ্রপাতের কোনো কমতি নেই। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় লোকেরা হরদম যাচ্ছেন এসব দেখতে, আর সেই সঙ্গে নতুন নতুন ঝরনা আর জলপ্রপাতের কথা জানতে পারছেন সবাই। অমিয়খুম, চ্যাদল্যাংখুম ইত্যাদির পাশাপাশি নতুন পরিচিতি পাওয়া এমনই একটি জলপ্রপাত হলো তিনাপ সাইতার। এখন পর্যন্ত এখানে খুব কম মানুষেরই পা পড়েছে এখানে। তিনাপ সাইতারের যাত্রাপথটা এভাবে ভাগ করা যায় : ঢাকা-বান্দরবান-রোয়াংছড়ি-রনিনপাড়া-তিনাপ সাইতার। ঢাকার কল্যাণপুর, সায়েদাবাদ বা ফকিরাপুলের যেকোনো বাস কাউন্টার থেকে বান্দরবানগামী বাসে চড়তে হবে। শ্যামলী, হানিফ, ইউনিকসহ বেশ কিছু বাস আছে। নন-এসি ভাড়া পড়বে ৬২০ টাকা আর এসি হাজারের মতো।

*জানা-অজানা* *ভ্রমনটিপস* *ছায়াবতী*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রূপবৈচিত্র-হ্রদের জল-পাহাড় আর অরণ্যের অপার সৌন্দর্যের কোল ঘেঁষে রয়েছে প্রকৃতির রূপসী কন্যা রাঙামাটি। চট্টগ্রাম বিভাগের পার্তব্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার মধ্যে অন্যতম এই রাঙামাটি জেলা। আকা-বাকা পথ আর উঁচু-নিচু পাহাড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাঙামাটি। রাঙামাটিতে রয়েছে অনেকগুলো দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে কাপ্তাই লেক, পর্যটন মোটেল, ডিসি বাংলো, দেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত ব্রিজ, পেদা টিংটিং, সুবলং ঝর্ণা, রাজবাড়ি, রাজবন বিহার, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই হাইড্রো ইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান উল্লেখযোগ্য।

অপরূপ দৃশ্যে মন রাঙ্গাতে এবারের ঈদে ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি থেকে। আপনার ঈদ হয়ে উঠবে আনন্দময়ী। একবার ঘুরে আসলেই যাত্রাপথ, কাপ্তাই, রাঙামাটি, রাজবন বিহার, জাফলং ঝরনা, কালিট্যাং-এর ছবি আঁকা হয়ে যাবে আপনার মানসপটে। বার বার স্মৃতি হয়ে খেলা করবে হৃদয় মাঝে।




কিভাবে যাবেন:

রাজধানীর সায়েদাবাদ থেকে বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির বেশ কয়েকটি গাড়ি প্রতিদিন রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। চট্টগ্রামের বিআরটিসি, অক্সিজেন মোড় ও বিভিন্ন বাসস্টেশন থেকেও রাঙামাটির গাড়ি পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাইভেট গাড়ি নিয়েও ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি। সেক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন অভিজ্ঞ চালক।

হোটেল ও গেস্ট হাউজ:

রাঙামাটিতে রাত যাপনের জন্য সরকারি-বেসরকারি অনেকগুলো হোটেল ও গেস্ট হাউজ রয়েছে; রয়েছে বোডিংও। বোডিংয়ের খরচ কম হলেও খুব ভালো ব্যবস্থা নেই।

কয়েকটি হোটেলের বর্ণনা:

(১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স: ১২টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষসহ বেশ কয়েকটি সিঙ্গেল ও ডাবল রুম রয়েছে এই হোটেলে।

(২) হোটেল সুফিয়া: এতে রয়েছে ২৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। এছাড়া ছোট-বড় সাধারণ কক্ষ রয়েছে আরও ৩৫টি।

(৩) হোটেল নিডস হিল ভিউ: ১৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও ১০টি সাদারণ রুম রয়েছে এতে।

(৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল: এই হোটেলে রয়েছে ৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। এছাড়া সিঙ্গেল ও ডাবল রুমতো রয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে হোটেল জজ, হোটেল আল মোবা, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল ডিগনিটি, হোটেল সাফিয়া, হোটেল ড্রিমল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি মধ্যম মানের হোটেল।

এর সবকটি হোটেল-ই রাঙামাটি জেলা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত। তাই এখানে অবস্থান করেই খুব সহজেই ঘুরে বেড়াতে পারেন জেলার সবকটি দর্শনীয় স্থানে।

*রাঙামাটি* *ঈদেবেড়ানো* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাহাড়ি সবুজ বন, মেঘমালা, পাহাড়ি ঝরনা আর সাংগু নদীর একমুখী ছুটে চলার দৃশ্য আপনাকে হাতছানি দেবে বান্দরবানের পথে পথে। বান্দরবান থেকে থানচির পথে যেতে প্রায় ১০ কিলোমিটার পর শৈলপ্রপাত। পাহাড়ি ঝরনা। যদিও এটি এখন শুকিয়ে গেছে। এর কিছু দূর যাওয়ার পর মিলবে চিমবুক পাহাড়। বান্দরবান থেকে চিমবুকের দূরত্ব ২৪ কিলোমিটার। এ পাহাড়ের চূড়া থেকে আপনি বঙ্গোপসাগর, চট্টগ্রাম বন্দর দেখতে পাবেন। মেঘের আনাগোনার দিনে হাত বাড়ালেই শীতল ছোঁয়া পাবেন।

আকাশ আর মেঘ যেখানে ভ্রমন পিপাসু মানুষকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। অবারিত সবুজ প্রান্তর যেখানে মিশে যায় মেঘের ভেলায়। মেঘের সাথে পাহাড়ের যেখানে আজন্ম বন্ধুত্ব। বলছি নীলগিরি পর্যটনের কথা। এখানে পাহাড় ও মেঘের সাথেই বসবাস করে পাহাড়ি আদিবাসী ম্রো সম্প্রদায়ের অধিবাসীরা। সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ২ হাজার ২ শত ফুট উচ্চতায় এই নীলগিরি পাহাড়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। চিমবুকের পর চলতে চলতে একটা জায়গায় এসে থমকে দাঁড়াতে হয়। একটি সাইনবোর্ড। তাতে লেখা_ 'বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সড়ক'। এবার সামান্য পথ যেতেই নীলগিরি। পর্যটন স্পট। বান্দরবান থেকে দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৬০০ ফুট উঁচু এ পাহাড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সাতটি বিশ্রামাগার। মেঘদূত, আকাশনীলাসহ নানা বাহারি নামের এসব বিশ্রামাগারে রাত কাটানোর জন্য ৩ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে।


তবে এমনিতে ৫০ টাকার টিকিট কেটে নীলগিরির চূড়া থেকে পাহাড়ের চারদিকের সবুজ দৃশ্য অবলোকন করা যায়। নীলগিরিতে করা হয়েছে একটি হেলিপ্যাডও। এখানকার বিশ্রামাগার ভাড়া নিতে হলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আগে যোগাযোগ করতে হয়। নীলগিরি থেকে যত দক্ষিণে যাবেন, ততই আস্তে আস্তে সর্বোচ্চ সড়ক থেকে নিচের দিকে নামতে থাকবেন। কখনো দুই পাহাড়ের মাঝ দিয়ে, কখনো বা পাহাড়ের পাশের সরু সড়ক ধরে চলে যাবে চাঁদের গাড়ি কিংবা নিজস্ব জিপ। পাহাড়ের ঢালে আদিবাসীদের ছোট ছোট ঘরবাড়ি থেকে মাঝেমধ্যে উঁকি দেবে কোনো নারীমুখ কিংবা ছোট্ট শিশু। জুম চাষও দেখতে পাবেন। বর্ষার এই সময়টাতে আদিবাসী নারী-পুরুষ ব্যস্ত থাকে জুমের মাঠে।


এ ছাড়া ঘুরে আসা যায় আদিবাসীদের বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের বাগানে। পাহাড়ি ঝরনা থেকে আদিবাসী নারীদের পানি সংগ্রহ করার দৃশ্য দেখতে ভুলবেন না যেন। এ ছাড়া দুই পাহাড়ের মাঝখানে উন্মত্ত বর্ষায় ছুটে চলা সাংগু নদীও টানবে আপনাকে। আদিবাসীপাড়ার কার্বারি কিংবা কারো সহযোগিতায় ডিঙি কিংবা নৌকায় চড়ে আপনিও চলে যেতে পারেন আশপাশের কোনো মারমা পাড়ায়। আদিবাসীদের জীবনযাত্রা আপনার প্রাণ ছুঁয়ে যাবে। ঈদের ছুটিটা উপভোগ্য না হয়ে পারেই না!


যেভাবে যাবেন
ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম থেকে বাসযোগে বান্দরবান। সেখানে রাতযাপনের জন্য বিভিন্ন হোটেল রয়েছে। এরপর কোনো এক সকালে বান্দরবান থেকে চাঁদের গাড়িযোগে আরো গহিন অরণ্যে যাত্রা করা যায়। এ জন্য ভাড়া পাওয়া যায় চাঁদের গাড়ি। বান্দরবান থেকে থানচি পর্যন্ত একটি গাড়ি আসা-যাওয়ায় ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়। নিজস্ব গাড়ি নিয়েও যাওয়া যায়। তবে পাহাড়ি পথ, বিশেষ করে বান্দরবানের অাঁকাবাঁকা দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা সম্পর্কে চালক অভিজ্ঞ হলে ভালো। শহর থেকে চাঁদের গাড়ীগুলো নীলগিরি পর্যন্ত ৩/৪ হাজার টাকা ভাড়া নিয়ে থাকে। এসব চাঁদের গাড়ীগুলো একসাথে ২০/২৫ জন পর্যন্ত যাত্রী পরিবহণ করে। 

কোথায় থাকবেন
বান্দরবানে এসেই আপনাকে কোন আবাসিক হোটেলে রুম নিয়ে বিশ্রাম নিতে হবে। শহরের মধ্যে বিভিন্ন বাজেটের মধ্যে এসি/ ননএসি হোটেল পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত হোটেল থাকায় রুম পেতে কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না। তবে পর্যটনের ভরা মৌসুমে আগেভাগে বুকিং দিয়ে আসা ভালো। এখন বেশির ভাগ আবাসিক হোটেলের সাথেই খাবারের রেস্তোরা রয়েছে। শহরের রুমা বাসষ্টেশন থেকে বিভিন্ন চাঁদের গাড়ী, জীপ ইত্যাদি নীলগিরী পর্যটন কেন্দ্রে চলাচল করে। আপনাকে এসব গাড়ী রিজার্ভ করেই যেতে হবে গন্তব্যে। কারণ রিজার্ভ গাড়ীতে না গেলে আপনাকে পথে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতে পারে। যা আপনার ভ্রমনের আনন্দকে ম্লান করে দিতে পারে। গন্তব্যে পৌঁছাতে এসব গাড়ী ২-৩ ঘন্টা সময় নিতে পারে। নীলগিরি পৌঁছে আপনি সেখানে রাত যাপনও করতে পারবেন। এখানকার কটেজগুলো একটু ব্যয়বহুল। এখানকার প্রতিটি কটেজের ভাড়া রাতপ্রতি ৪/৫ হজার টাকার মধ্যে। আর থাকতে না চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনাকে আবার বান্দরবান শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে।

*ঈদেরছুটি* *ছুটিতেভ্রমন* *বান্দরবান* *নীলগিরি* *ভ্রমনটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঈদে লম্বা ভ্রমণে কোন জিনিসগুলো অবশ্যই সাথে নেয়া উচিত?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ঈদেভ্রমন* *বাড়িফেরা* *ভ্রমনটিপস*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সৈকত বলা যায়। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এ জায়গা থেকেই সূর্যোদয় এবং সূর্যাচ্চের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। তবে সেটা সৈকতের দুই প্রান্ত থেকে। ভালোভাবে সূর্যোদয় দেখা যায় সৈকতের গঙ্গামতির বাঁক থেকে আর সূর্যাচ্চ দেখা যায় পশ্চিম সৈকত থেকে। এ সৈকতের দৈর্র্ঘ্য প্রায় আঠারো কিলোমিটার আর প্রস্থে প্রায় তিন কিলোমিটার। পুরো সৈকত ঘেঁষেই রয়েছে বিচ্চীর্ণ নারিকেল বাগান। সমুদ্র সৈকতের পূর্ব প্রান্তে রয়েছে গঙ্গামতির খাল। এর পরেই গঙ্গামতির সংরক্ষিত বণাঞ্চল। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের একেবারে পশ্চিম পাশে আছে জেলে পল্লী। মাছের শুটকি তৈরির বিশাল একটি এলাকাও আছে এখানে। এছাড়া পুরো সৈকতজুড়েই সারা বছর দেখা মিলবে মাছ শিকারীদের বিভিন্ন কৌশলে মাছ ধরার দৃশ্য। কুয়াকাটার পুরো সৈকতে বেড়ানোর জন্য রয়েছে মটর সাইকেলের ব্যবস্থা। একটি সাইকেলে দুইজন ভ্রমণ করা যায়। 

বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলে সাগরকন্যাক্ষ্যাত মনোরম একটি ভ্রমণ স্বর্গ কুয়াকাটা। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার অন্তর্গত লতাচাপালী ইউনিয়নে অসাধারণ এ সমুদ্র সৈকতটির অবস্থান। কুয়াকাটার ঠিক পূর্বেই রয়েছে গঙ্গামতির বা গজমোতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল উত্তরে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মাছের বাণিজ্য কেন্দ্র আলীপুর। সাগরের বুকে এখান থেকেই সূর্যোদয় এবং সূর্যাচ্চের মনোরম দৃশ্য দেখা যায় বলে নৈসর্গিক সৌন্দর্যের বিবেচনায় দেশের অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে এর গুরুত্ব অনেক বেশি।

কুয়াকাটার নামকরণ নিয়ে রয়েছে মজার ইতিহাস। ১৭৮৪ সালে বর্মী রাজা রাখাইনদের মাতৃভূমি আরাকান দখল করলে বহু রাখাইন আরাকান ছেড়ে নৌকাযোগে অজানার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়ে। চলতে চলতে তারা বঙ্গোপসাগরের তীরের রাঙ্গবালি দ্বীপ খুঁজে পেয়ে সেখানে বসতি স্থাপন করে। সাগরের লোনা পানি ব্যবহারের অনুপযোগী বলে মিষ্টি পানির জন্য তারা এখানে একটি কূপ খনন করে এবং এ স্থানের নাম দেয় কুয়াকাটা। কুয়াকাটা ভ্রমণের আদ্যোপান্ত নিয়ে চলুন জেনে নেই।


কুয়াকাটার কুয়া
কুয়াকাটা নমকরণের উৎস প্রাচীন সেই কুয়াটি এখনো আছে। তবে অদূরদর্শী কুরুচিকর সংস্কারের ফলে এর সৌন্দর্য এবং প্রাচীন আদল নস্ট হয়ে গেছে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের কাছেই রাখাইন আদিবাসীদের বাসস্থল কেরানিপাড়ার শুরুতেই বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে রয়েছে এই কুয়াটি।


সীমা বৌদ্ধ মন্দির
কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়াটির সামনেই রয়েছে প্রাচীন একটি বৌদ্ধ মন্দির, নাম সীমা বৌদ্ধ মন্দির। প্রাচীন এই মন্দিরে রয়েছে প্রায় সাঁইত্রিশ মন ওজনের অষ্ট ধাতুর তৈরি ধ্যানমগ্ন বুদ্ধের মূর্তি।


কেরানিপাড়া
সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে থেকেই শুরু হয়েছে রাখাইন আদিবাসীদের পল্লী কেরানিপাড়া। এখানকার রাখাইন নারীদেও প্রধান কাজ কাপড় বুনন। এদের তৈরি শীতের চাদর বেশ আকর্ষণীয়।


আলীপুর বন্দর
কুয়াকাটা থেকে প্রায় চার কিলোমিটার উত্তরে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বড় একটি মাছ ব্যবসা কেন্দ্র আলীপুর। এ বন্দর থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রলার বঙ্গোপসাগরে যায় মাছ ধরতে। আলীপুর বন্দর ঘুরে দেখতে পারেন বিভিন্ন রকম সামুদ্রিক মাছের বিশাল আয়োজন।


মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার পূর্বে রাখাইন আদিবাসীদের আকেটি বাসস্থল মিশ্রিপাড়ায় রয়েছে আরেকটি বৌদ্ধ মন্দির। এ মন্দিরেই রয়েছে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মূর্তি। এখান থেকে কিছু দূরে আমখোলা পাড়ায় রয়েছে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রাখাইন বসতি।


গঙ্গামতির জঙ্গল
কুয়াকাটা সুমুদ্র সৈকত পূব দিকে শেষ হয়েছে গঙ্গামতির খালে গিয়ে। আর এখানে শুরু হয়েছে গঙ্গামতির বা গজমতির জঙ্গল। বিভিন্ন রককম গাছপালা ছাড়াও এই জঙ্গলে দেখা মিলতে পারে বন মোরগ, বানর ও নানা রকম পাখির।


ফাতরার বন
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম প্রান্তে নদী পার হলেই সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। এরই নাম ফাতরার বন। এ জায়গাটি অবিকল সুন্দরবনের মতো হলেও হিংস্র কোন বন্যপ্রাণী নেই বললেই চলে। বন মোরগ, বানর আর বিভিন্ন রকম পাখিই এ বনে বেশি দেখা যায়। খুবই কম পরমিানে দেখা মিলে বন্য শুকরের। কুয়াকাটা থেকে ফাতরার বনে যেতে হলে লাগবে ইঞ্জিন বোট। সারা দিনের জন্য মাঝারি মানের একটি বোটের ভাড়া ১৫০০- ২০০০টাকা।


কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা হলো সদরঘাট থেকে লঞ্চে পটুয়াখালী। সেখান থেকে বাসে কুয়াকাটা। ঢাকা থেকে পটুয়াখালী রশুটে চলাচল করে এমভি দ্বীপরাজ, সৈকত ইত্যাদি লঞ্চ। এসব লঞ্চে প্রথম শ্রেনীর দ্বৈত কেবিনের ভাড়া ৮৫০-১০০০ টাকা। পুয়ায়াখালী বাস স্টেশন থেকে প্রতি ঘন্টায় কুয়াকাটার বাস ছাড়ে। ভাড়া ৬০-৭০ টাকা। এছাড়া ঢাকা থেকে লঞ্চে বরিশাল এসে সেখান থেকেও বাসে চড়ে কুয়াকাটা আসা যায়। ঢাকা থেকে বরিশাল ও পটুয়াখালীর লঞ্চগুলো ছাড়ে প্রতিদিন সন্ধ্যায়। ঢাকা থেকে সরসরি বাসও চলে কুয়াকাটার পথে। কমলাপুর বিআরটিসি বাস স্টেশন থেকে প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ছাড়ে সরকারী পরিবহন সংস্থার বাস। আর গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে কুয়াকাটার পথে চলে সাকুরা, সুরভী, দ্রুতি ইত্যাদি পরিবহনের বাস। ভাড়া ৪৫০-৫০০ টাকা।


কোথায় থাকবেন
কুয়াকাটায় থাকার জন্য এখন বেশ কয়েকটি ভালো মানের হোটেল আছে। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পর্যটন করপোরেশনের পর্যটন হলিডে হোমস। হোটেল স্কাই প্যালেস,  হোটেল নীলঞ্জনা ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল গোল্ডেন প্যালেস, হোটেল সাগর কন্যা। 


প্রয়োজনীয় তথ্য
কুয়াকাটা ভ্রমণে যাওয়ার আগে একটি কথা জেনে যাওয়া ভালো। সুন্দর এ পর্যটন কেন্দ্রটি সরকারের কাছে বরাবরই উপেক্ষিত। তাই পটুয়াখালী থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। সড়কের বেহাল দশার কারণে প্রায় আড়াই ঘন্টার এ পথটুকু পেরুতে কিছুটা দুর্ভোগের শিকার হন পর্যটকরা। তবে সাগরকন্যার সৌন্দর্য দেখার পরে সে কষ্ট অনেকের কাছেই সামান্য মনে হবে। কুয়াকাটার পাশ্ববর্তী দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বাহন মোটর সাইকেল। 

*কুয়াকাটা* *ভ্রমনটিপস* *ছুটিতেভ্রমন* *সমুদ্রসৈকত*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★