মজার গল্প

মজারগল্প নিয়ে কি ভাবছো?
জোকস

সাদাত সাদ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

TinTang রিংটোন বেজে উঠলো রাফসানের কল হ্যালো দোস্ত কেমন আছিস ভাল তুই ভাল, একটু জরুরী কথা আছে আমার বাড়ী আয় কি কথা ফোনে বল খুব জরুরী তুই আয় পরে বলব। , আমি তার কাছে গিয়ে বললাম, কি কথা বল! রাফসান: দোস্ত বড় অভাবে আছি এক হাজার টাকা দার দে দুই দিনের ভেতর ফেরত দিয়ে দেব, কথা দিলাম। ,, আমি ওর জরুরী কথা শুনার পর ইচ্ছে করছিল কচুগাছে ফাঁসি দিই কিন্তু পারিনি ভয়ে, যদি মরে যায় (খিকখিক)
*বন্ধু* *মজারগল্প* *বন্ধুত্ব*

তোফায়েল আহমদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা প্রতিদিন আল্লাহর কত নিআমত ভোগ করি। কত রকম পোশাক পরি। কত রকম খাবার খাই। আল্লাহ আমাদেরকে পোশাক না দিলেখাবার না দিলে কেউই দিতে পারত না। কিন্তু দয়াময় আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে কখনোই কষ্ট দিতে পারেন না। তাই যে কোনোভাবেই আমাদেরকে সকল ব্যবস্থা করে দেন। সুতরাং বলি,আলহামদুলিল্লাহসকল প্রশংসা আল্লাহর।

আচ্ছাআমরা কি কখনো ভেবে দেখিএসব কোথা থেকে আসেকীভাবে এগুলো তৈরি হয় এবং কীভাবে আমাদের কাছে তা পৌঁছেএসোএকটি রুটির কাছ থেকে তা জেনে নিইরুটি নিজেই তার কাহিনী আজ আমাদের বলবে।

একদিন ছোট্ট একটি মেয়ে খাওয়ার জন্য (আমার একটি টুকরো) এক টুকরো রুটি হাতে নিল। তখন আমি (রুটির টুকরোটি) বলে উঠলামএকটু পরে খাও হে মেয়ে! তুমি তো এখন বেশি ক্ষুধার্ত নও। কারণ একটু আগে আমার জাতভাইদেরকে খেয়েছ। সুতরাং আমাকে একটু পরে খাও। ততক্ষণে আমি তোমাকে আমার কাহিনী শোনাই। আমার কাহিনী অনেক আশ্চর্যজনক এবং মজাদার।

মেয়েটা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে সে সাথে সাথেই বললহাঁ হাঁ বল তোমার কাহিনী। আমি তখন বললামআচ্ছাতোমার কি মনে হয় আমি এমনি এমনিই তৈরি হয়ে তোমার হাতে এসে পৌঁছে গেছি। তুমি কি কখনো শুনেছো যেরুটি ক্ষেতে জন্মে অথবা আসমান থেকে নামে। তুমি তো খাও কত আরামে। তোমার কাছে খাবার আসে কত সহজে। আর আমি কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করতে থাকি তোমার জন্য। এক মুসিবত থেকে আরেক মুসিবতেএক কয়েদখানা থেকে আরেক কয়েদখানায়শুধু তোমার জন্য। এরপর একসময় পৌঁছি তোমার হাতে। আমার কাহিনী শুনতে চাও! তাহলে শোন। আমি ছিলাম একটি গমের দানা। আমার জাতভাইদের সাথে একটি বস্তায় ছিলাম। বস্তায় কদিন থাকার পর একজন লোক এল এবং আমাকে আমার সাথীদের সাথে নিয়ে গেল। তারপর আমাদেরকে যমীনে বুনল। সেই ক্ষেতের মধ্যে খোলা আকাশের নীচে তখন আমি দুনিয়া দেখতে পাচ্ছিলাম। আমার নিকট সূর্যের আলো পৌঁছত। বাতাস লাগত আমার গায়ে। কয়টা দিন খুব আনন্দে ছিলাম আমি। কিন্তু হঠাৎ একদিন বৃষ্টি নামল। আর আমি মাটির ভেতর ঢুকে গেলাম। তারপর অনেকদিন এমন অবস্থায় ছিলাম। আমার দেহ বড় হতে লাগল। সাথে সাথে আমার চামড়াও  ফেটে যেতে লাগল। একসময় চামড়া ফেটে গেল এবং তা থেকে কিছু শিকড় বের হল। তারপর কিছু ছোট ছোট পাতা মাটি বিদীর্ণ করে বের হল। সেগুলো যমীনের উপর প্রকাশ পেল। কয়েকদিনের মধ্যে আমি কাণ্ডের উপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি শীষ হয়ে গেলাম। তারপর সূর্যের তাপে সেটা হলুদ হল।

আমি মাটির উপর দাঁড়িয়ে থেকে আমার বন্ধুদেরকে দেখতামতাদের সাথে কথা বলতামবাতাসে দোল খেতাম। কী সুন্দর ছিল দিনগুলো। কিন্তু কথায় আছে সুন্দর দিন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। আমার বেলায়ও তাই হল। একদিন কয়েকজন লোক কতগুলো কাস্তে নিয়ে এলা। তারপর আমাদেরকে তারা কেটে নিয়ে গেল এবং খোলায় রাখল। সেখানে আমাদের উপর কঠিন কয়েকটি দিন গেল। কতগুলো ষাঁড় এসে আমাদেরকে সেখানে পা দিয়ে মাড়াই করল। মাড়াইয়ের ফলে আমি শীষ থেকে আলাদা হয়ে গেলাম। সেখান থেকে কয়েকজন লোক আমাদেরকে নিল এবং বাতাসে উড়ালো। তখন খোসাগুলো উড়ে গেল আর দানাগুলো রয়ে গেল।

এই দিনের চেয়েও কঠিন ছিল ওই দিনযেদিন একজন লোক আমাকে নিয়ে গেল পাথর দিয়ে বানানো গোলাকার একটি বস্তুর নিকট। তার মধ্যে ছিদ্র আছে। আমি তার রুক্ষ এবং ঘরঘর আওয়াজ শুনছিলাম। ঐ লোকটি আমাকে তার মধ্যে নিক্ষেপ করল এবং একেবারে পিষে ফেলল। তুমি বোধহয় সেই বস্তুটির নাম জানো। সেটার নাম হচ্ছে পেষণযন্ত্র বা যাঁতা। পিষার ফলে যখন আমি আটা হয়ে উঠলাম তখন আমাকে রুটিওয়ালারা নিল এবং খামির বানানোর পাত্রে রাখল। তারপর আমাকে পরিষ্কার পানিতে ডুবাল এবং হাত দিয়ে মলল। তখন আমি খামিরা হয়ে গেলাম। তা থেকে আমাকে রুটি বানালো। এরপরেই আসল আসল মুসিবত। আমাকে তারা বিছিয়ে রাখল একটি উত্তপ্ত লোহার উপর। যাকে তোমরা তাওয়া বল। আমার তখনকার জ্বালা এবং ব্যাথার কথা আর কী বলব হে মেয়ে! আমি আগুনের তাপে বাঁকা হয়ে গেলাম এবং সংকুচিত হয়ে গেলাম। তবুও তারা আমাকে দয়া করল না এবং আমার প্রতি সদয় হল না। এত কিছু হয়েছে শুধু তোমার জন্য। আমি কষ্ট পেয়েছি তোমার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য।

তোমার মজার জন্য এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থায় পরিবর্তিত হয়েছি তুমি আরাম করে খাওয়ার জন্য এবং তৃপ্ত হওয়ার জন্য। সুতরাং আমার প্রতি না হোকতোমার রবের প্রতি কি তোমার এ কথা বলা উচিত নয়অর্থ : সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলারযিনি আমাকে খাইয়েছেন এবং পান করিয়েছেন এবং আমাকে বানিয়েছেন মুসলিমদের একজন। (আল কিরাআতুর রাশিদা অবলম্বনে)

সংগৃহীত 

*শিক্ষণীয়গল্প* *মজারগল্প*

রং নাম্বার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গভীর রাত। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক ছাড়া চারদিকে আর কোনো সাড়াশব্দ নেই। এ রকম পরিস্থিতিতে আবুল বেপারী হাজির হয়েছেন এক নারিকেল বাগানের সামনে। উদ্দেশ্য নারিকেল চুরি করা। ২০ বছর ধরে তিনি এ পেশায় আছেন। চুরি করে তিনি সংসার চালান।
অনেক নারিকেল ধরেছে এমন একটা গাছ দেখে তরতর করে ওপরে উঠে পড়লেন আবুল বেপারী। কোমর থেকে দা বের করে এক কাঁদি নারকেল কেটে নিচে নামিয়ে রেখে আবার ওপরে উঠলেন। পরের কাঁদি নারিকেল কাটতে গিয়েই ঘটল দুর্ঘটনা। পা পিছলে গেল। পতন ঠেকাতে হাতের দা ফেলে নারিকেলের কাঁদি জাপটে ধরলেন। ঝুলতে থাকলেন সেটা ধরেই।
বেশ কিছুক্ষণ ঝোলার পর আবুল বেপারী লক্ষ করলেন পাশের গ্রামের কালু চোরাও নারিকেল চুরি করতে এসেছেন। আবুল বেপারী তাকে ডাকলেন, ‘কালু...ও কালু’।
ডাক শুনে কালু চোরা প্রথমে ভাবলেন ভূত। দৌড় দিতে যাবেন এমন সময় আবুল বেপারী বললেন, ‘আরে ভয় পাইস না। আমি আবুল বেপারী।’
কালু : আরে আবুল ভাই, আপনে?
আবুল : হ ভাই। আমিও চুরি করতে আসছি। কিন্তু এখন ফাইসা গেছি। আমারে বাঁচা।
আবুলকে ঝুলতে দেখে কালু চোরা যা বোঝার বুঝে ফেললেন। মনে মনে ভাবলেন, ইনকাম করার এটা একটা দারুণ সুযোগ। তিনি বললেন, ‘বাঁচাতে পারি তবে এক শর্তে।’
আবুল : আমি যেকোনো শর্ত মানতে রাজি আছি। বল কী শর্ত?
কালু : আমারে নগদ ৫০০ টাকা দেওয়া লাগব।
আবুল : আচ্ছা দিব। তাড়াতাড়ি বাঁচা।
কালু চোরা দেরি করলেন না। আবুল যে গাছে ঝুলছেন সেই গাছ বেয়ে ওপরে উঠতে শুরু করলেন। জায়গামতো পৌঁছে যেই না আবুলের পা ধরে গাছের দিকে আনতে চেষ্টা করলেন, অমনি কালুর পা-ও পিছলে গেল। পতন ঠেকাতে তিনি আবুলের পা জাপটে ধরলেন। ঝুলতে থাকলেন সেটা ধরে।
আবুল : এটা কী হলো কালু? 
কালু : আমার পা-ও পিছলে গেছে। 
আবুল : হায় রে! এখন আমরা দুজনই নারিকেল ধরে ঝুলছি। কে বাঁচাবে আমাদের? আজকে চুরি করতে আসাই ঠিক হয়নি। দিনটাই কুফা।
দুজনই কাঁদতে শুরু করলেন। তাঁদের কান্না শুনে সেখানে হাজির হলেন গেদু। তিনিও চোর। তবে পেশায় নতুন। নারিকেল চুরি করতে অন্যদের মতো তিনিও সেখানে হাজির হয়েছিলেন। তিনি বললেন, ‘ভাইসাহেব, আপনারা ওপরে কী করবার লাগছেন?’
আবুল : আরে গেদু যে! তুই এইখানে? 
গেদু : হ, আসছিলাম চুরি করতে। তা আপনারা ওপরে কী করেন? ঝুলাঝুলি খেলবার লাগছেন না কি?
কালু : আবুল ভাইরে বাঁচাতে গিয়ে আমিও ফেসে গেছি ভাই। আমাদের জলদি বাঁচান।
গেদুও সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ছাড়লেন না। তিনি বললেন, ‘এক শর্তে বাঁচাব। আমাকে নগদ এক হাজার টাকা দেওয়া লাগবে।’
আবুল : কোনো ব্যাপার না। দেব এক হাজার টাকা। বেঁচে থাকলে অনেক টাকা ইনকাম করা যাবে। 
গেদু দেরি করলেন না। গাছ বেয়ে উঠতে শুরু করলেন। প্ল্যান করলেন, প্রথমে নিচে ঝুলতে থাকা কালুকে উদ্ধার করবেন। তারপর আবুলকে। প্ল্যান অনুযায়ী এক হাতে কালুর পা ধরলেন। সেটাকে টেনে যেই না গাছের দিকে আনতে যাবেন, অমনি তাঁর অপর হাত ফসকে গেল। পতন ঠেকাতে কালুর পা আঁকড়ে ধরলেন। তারপর ঝুলতে লাগলেন সেটা ধরে। 
অবস্থাটা এমন দাঁড়াল, নারিকেল ধরে ঝুলছেন আবুল। তাঁর পা ধরে ঝুলছেন কালু। আর কালুর পা ধরে ঝুলছেন গেদু।
এ রকম পরিস্থিতিতে আবুলের মাথায় বাড়তি আয়ের চিন্তা এলো। তিনি হাঁক দিলেন, ‘তোরা আমার কাছে কে কয় টাকা পাবি?’
কালু : আমি পামু ৫০০ টাকা।
গেদু : আমি এক হাজার টাকা।
আবুল : এবার বল তোরা দুজনে আমাকে দুই হাজার টাকা দিবি? নয়তো আমি হাত ছেড়ে দেব। রাজি?
(ঘটনাটাকি)(খিকখিক)(হাসি২)(ওইসর)
*ছোটগল্প* *মজারগল্প* *বেশম্ভব*

Risingbd.com: পথে পাওয়া : মহিলা সিটে ভদ্রলোকটি গাড়ির ঝাঁকুনিতে মহিলা তার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। পরনের আকাশি রঙের শাড়ির আঁচল তার মুখে লাগছে। ভদ্রলোকের মনে হয়তো অন্য রকম এক অনুভূতি ভরে....বিস্তারিত -http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=99139

*বিনোদন* *ছোটগল্প* *মজারগল্প*

তোফায়েল আহমদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
একবার ব্রিটিশ পুলিশ এক চোরকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল যার চেহারার সাথে তখনকার প্রধানমন্ত্রী জন মেজরের চেহারার অনেক মিল ছিল। পুলিশ চোরের ছবি দিয়ে ধরিয়ে দিন বিজ্ঞাপনও ছাপিয়েছিল। লোকে জন মেজরকেই চোর ভেবে ভুল করতে পারে ভেবে তারা বিজ্ঞাপনের নিচে লিখে দিল-প্রধানমন্ত্রী নন।
*মজারগল্প* *রসিকতা* *জোকস*

Bappy: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এক শিকারি একটি নদীর তীরে একটা গাছের গোড়ায় বসেছিল। কিছুক্ষন পরে কাছেই ঘাসের মধ্যে একটা খরগোশের বাচ্চা দেখতে পেল। তখন সে নিজের মনেই বলে উঠল, আমি ঐ খরগোশটাকে ধরব এবং বাড়িতে নিয়ে যাব।


শিকারি মনে মনে একের পর এক ভেবে চলল, খরগোশের বাচ্চাটা যখন বেশ বড় হবে, তখন আমি ওটা বিক্রি করে দেব। এবং তার পরিবর্তে একটা ছাগলের বাচ্চা কিনে আনব। তারপর একদিন যখন সেই ছাগলের বাচ্চাটা বেশ বড় হবে, তখন সেটাও বিক্রি করে দেব। আর তার জায়গায় একটা ঘোড়া কিনে আনব।


শিকারি মনে মনে বলল, ঘোড়াটা আমাকে আমার কাজে বেশ সাহায্য করতে পারবে। তার জন্যই আমি অনেক টাকা পাব। তারপর আমি একটা গরু কিনবো। সেই গরুটা আমাকে আনেক অনেক দুধ দেবে। সেই দুধ বিক্রি করে আরো অনেক বেশি টাকা আমি রোজগার করতে পারবো।


সবশেষে অনেক গুলো মুরগীর বাচ্চা কিনে আনব। অনেক গুলো অন্যান্য পশুও কিনব।


শিকারি নিজে নিজেই কথা বলতে লাগল। সে মনে মনে আরো বলল যে, হ্যাঁ, আমি খরগোশের বাচ্চাটিকে ধরব এবং তাকে বড় হতে দেব। আমি তাকে বিক্রি করে দেব একটা ছাগলের বাচ্চা কেনার জন্য।


ঘোড়াটার পর আমি গরু কিনে আনব। শিকারি ভেবে চলল। তার সকলেই আমাকে টাকা রোজগারে সাহায্য করবে। অবশেষে আমি অনেক গুলো মুরগীর বাচ্চা এবং পশুও কিনব।


শিকারি মনে মনে বলল, সুতরাং এই সব গরু, মুরগীর বাচ্চা এবং অন্যান্য পশু দ্বারা আমি একটি খামার গড়ে তুলতে পারবো। আমি সেই খামারের মধ্যেই শস্য এবং ঘাসও জন্মাবো, যে গুলো আমার খামারের পশু এবং হাঁস-মুরগীরা খেয়ে সুস্থ এবং সুখে থাকবে।


সে একের পর এক সুখের কথা ভেবেই চলল, আমি সেই খামারের মধ্যে একটা শস্য গোলা নির্মাণ করব। সব পশু-পাখিরা তাতে যেন রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারে এবং ইচ্ছেমত শস্য এবং ঘাস থেতে পারে, এরকম ভাবেই তাদের জন্য গোলাঘর তৈরি করা হবে।


শিকারি একটা খুব বুড়ো গাছের নিচে বসে নিজের সঙ্গে নিজেই এসব কথা বলে ভীষণ সুখি মনে করছিল নিজেকে। মুহূর্তেই সে চিৎকার করে উঠল এবং গলা ছেড়ে গান গেয়ে উঠল। সে বিড় বিড় করে বলল, আমি যা চিন্তা করছি তা কি আমি করতে পারবো?


ছোট্ট খরগোশের বাচ্চাটা শিকারি চিৎকার এবং গান শুগতে পেল। সে এক দৌড়ে দূরে বনের মধ্যে চলে গেল। সে এত দ্রুত দৌড়াতে লাগল যে, শিকারি কিছুতেই তাকে আম ধরতে পারল না। ফলে খরগোশের বাচ্চটি আর শিকারি নিজের হল না।


শিকারি ছাগলের বাচ্চা পেল না। ঘোড়া পেল না। সে গরুও পেল না। সে মুরগীর বাচ্চাও পেল না। তাই তার খামারও গড়ে উঠল না। আর গোলাঘরও নির্মাণ করা হল না।


শিকারি মনে মনে অত্যন্ত দুঃখ পেল। সে বলল, আমি এখানে বসে যখন স্বপ্ন দেখছিলাম, খরগোশের বাচ্চাটি তখন অনেক দূরে চলে গিয়েছে। সে চিৎকার করে বলল, আমি ওই সব কিছু দিয়ে এত সব কিছু করব বলে অত্যন্ত তাড়াতাড়ি সব কথা বলছিলাম এবং আমি খুব বেশি কথা বলছিলাম। অন্য সময় আমি শুধু মাত্র একটি খরগোশের বাচ্চার জন্যই অপেক্ষা করব। 
*গল্প* *মজারগল্প*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★