মরুভূমি

মরুভূমি নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

সাদ ফটো শেয়ার করেছে

*ফটোগ্রাফি* *আমারছবি* *ফুল* *বিচিত্রছবি* *শখের-ফটোগ্রাফি* *সাদফটোগ্রাফি* *মজারছবি* *সাদ* *শখেরফটোগ্রাফি* *মরুভূমি* *আরব* *প্রিয়ছবি* *বেশতোফটোগ্রাফার* *বেশতোছবি* *বেশতোফটো* *বেশতোচিত্র* *প্রকৃতি* *আকাশেরছবি* *চিত্রকর্ম* *সুন্দরছবি* *অন্যরকমছবি* *ছবি*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

নাম না জানা ফুল :D

কত না হাজার ফুল ফুটে ধরণীতে, তার কিছু ফুল দিয়ে গাঁথা হয় মালা বাকি ফুল ফুটে অঝরে ঝরে যেতে ....

*ফটোগ্রাফি* *আমারছবি* *ফুল* *বিচিত্রছবি* *শখের-ফটোগ্রাফি* *সাদফটোগ্রাফি* *মজারছবি* *সাদ* *শখেরফটোগ্রাফি* *মরুভূমি* *আরব* *প্রিয়ছবি* *বেশতোফটোগ্রাফার* *বেশতোছবি* *বেশতোফটো* *বেশতোচিত্র* *প্রকৃতি* *আকাশেরছবি* *চিত্রকর্ম* *সুন্দরছবি* *অন্যরকমছবি* *ছবি*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

সকাল বেলা

*অচেনাগাছ* *বিচিত্রছবি* *আমারছবি* *ফটোগ্রাফি* *শখের-ফটোগ্রাফি* *সাদফটোগ্রাফি* *মজারছবি* *সাদ* *শখেরফটোগ্রাফি* *মরুভূমি* *আরব* *প্রিয়ছবি* *বেশতোফটোগ্রাফার* *বেশতোছবি* *বেশতোফটো* *বেশতোচিত্র* *প্রকৃতি*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

অচেনা একটি গাছ

এই গাছ টা মরুভূমিতে দেখা যায়, বিচিত্র একটি গাছ। এই গাছে পাতা গজায় না কখনোই। ছবিতে যেমন দেখা যাচ্ছে ঠিক তেমনই থাকে সবসময়। এই ছবি বেশতো তে দেয়ার মূল উদ্দেশ্য হল, গাছ টার নাম জানা। আশা করছি কেউ না কেউ এই গাছটার নাম জানাতে পারবেন (ইয়েয়ে)

*অচেনাগাছ* *বিচিত্রছবি* *আমারছবি* *ফটোগ্রাফি* *শখের-ফটোগ্রাফি* *সাদফটোগ্রাফি* *মজারছবি* *সাদ* *শখেরফটোগ্রাফি* *মরুভূমি* *আরব* *প্রিয়ছবি* *বেশতোফটোগ্রাফার* *বেশতোছবি* *বেশতোফটো* *বেশতোচিত্র* *প্রকৃতি*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

মরুভূমির ঘাস

(শয়তানিহাসি)

*মরুভূমি* *ঘাস* *ফটোগ্রাফি* *প্রকৃতি* *শখেরফটোগ্রাফি* *সাদফটোগ্রাফি* *সাদ*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

মরুভূমি ও সাদা মেঘ

*মরুভূমি* *ফটোগ্রাফি*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

সাদাত সাদ: অনেক দূরের গন্তব্য, গাড়ি নিয়ে ছুটলাম সাথে শুকনো কিছু খাবার আছে মরুভূমির আশেপাশে হোটেল কিংবা দোকান খুবই কম পাওয়া যায়। গাড়ি চলছে হাওয়ার বেগে। চারিদিকে বালুচরে হঠাৎ চাকা গেল খারাপ হয়ে কি করবো কি করবো চিন্তায় অস্থির। টায়ার আছে কিন্তু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই (ফুঁপিয়েকান্না) অবশেষে আমার সমবয়সী একজন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। টায়ার লাগিয়ে আবার ছুটলাম।

*দূরেরপথ* *পথ* *গন্তব্য* *মরুভূমি*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

মরুভূমির আকাশ

মরুভূমির আকাশ

*মরুভূমি* *আকাশেরছবি*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাহারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মরুভূমি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর উঁচু নিচু ছোট ছোট বালুকাময় পাহাড়ের সমন্বয়ে সাহারা মরুভূমি গড়ে উঠেছে। ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের ইচ্ছা এই মরুভূমিটি খুব কাছ থেকে ঘুরে দেখার কিন্তু  আগ্রহ থাকলেও অনেকের পক্ষেই তা সম্ভব হয়ে উঠে না। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলে মরুভূমি ভ্রমন খুবই কষ্টকর। আর বিশেষ করে, অন্যান্য মরুভূমির চাইতে সাহারা মরুভূমিটি নিঃসন্দেহে দুর্গম। তাই নির্দিষ্ট শ্রেণীর পর্যটকরাই কেবল সাহারায় বেড়াতে আসেন।


সাহারা মরুভূমির সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ
সাহারা মরুভূমি পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি। এই মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৯০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। এখানকার লোকসংখ্যা ২০ লক্ষের বেশী হবে না। পাহাড়, মালভূমি, বালি ও অনূর্বর ভূমি দ্বারা সাহারা মালভূমি গঠিত। বেশ কিছু মরূদ্যানও আছে। কূপ ও প্রস্রবণ থেকেই কিছু জল পাওয়া যায়। মিশর, মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, চাদ, সুদান, নাইজার, মালি প্রভৃতি দেশ পর্যন্ত সাহারা মরুভূমি বিস্তৃত। সাহারার লিবিয়া ও আলজেরিয়া অংশে প্রচুর তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া গেছে। তা ছাড়া এই মরুভূমিতে তামা, লোহা, ফসফেট ইত্যাদি অনেক খনিজ দ্রব্যও আছে। জায়গাটি অত্যন্ত গরম ও শুকনো। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০ সেমি-র বেশী হয় না। দিনে প্রচন্ড গরম ও রাতে ঠান্ডা। কখনো কখনো পাহাড়ের চূড়ায় বরফও জমে থাকতে দেখা যায়। শীতকাল থেকে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রী সে থেকে ৪৩ ডিগ্রী সে পর্যন্ত ওঠানামা করে।

সাহারা মরুভূমির জীবন প্রকৃতিঃ
এখানকার মানুষ অধিকাংশই যাযাবর। তারা ছাগল, ভেড়া, ও উট পালন করে এবং জলের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায়। খেজুর, গম, বার্লি ইত্যাদি চাষ করে ।মরুভূমির কোনো কোনো জায়গায় ঘাস, গুল্ম ও ছোট গাছ জন্মে।জলের সন্ধানে গাছ গুলোর মূল মাটির খুব গভীরে পৌঁছায় এবং অনেক ক্ষেত্রেই বাতাস থেকে পাতার মাধ্যমে জল গ্রহণ করে।সাপ, গিরগিটি ও খেঁকশিয়ালের মত প্রাণী বাস করে। যাযাবর ও পণ্যবাহকেরা যাতায়াতের জন্য উট ব্যবহার করে। ১০,০০০ বছর আগে সাহারার আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত আর্দ্র ও শীতল ছিল, বেশ কিছু হ্রদ ও ছোট নদীর অবস্থানের প্রমাণ পাওয়া যায়। বর্তমানে শুষ্ক মরুভূমি,এমন কিছু অঞ্চলের পাহাড়ের গুহায় আদিম মানুষের বসবাসের চিহ্ন (গুহাচিত্র ও পাথরের যন্ত্রপাতি)পাওয়া গেছে যা থেকে বোঝা যায় ঐ এলাকা থেকে এক সময়ে সহজে জলের নাগাল পাওয়া যেত। এই এলাকায় হাতি জিরাফ ও অন্যান্য প্রাণী বাস করত। জায়গাটি নিঃসন্দেহে দুর্গম। তাই নির্দিষ্ট শ্রেণীর পর্যটকরাই কেবল সাহারায় বেড়াতে আসেন।

বন্ধুরা, নতুন জায়গা ভ্রমন করা নিঃসন্দেহে খুবই আনন্দের। তবে নতুন জায়গা ও নতুন আবহাওয়ার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন কিনা? সে দিকে লক্ষ্য রেখেই ভ্রমনের জন্য জায়গা নির্ধারণ করতে হবে। মনে রাখবেন, মরুভূমি ভ্রমন খুব কষ্টকর তাই ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *আফ্রিকা* *সাহারা-মরুভূমি* *মরুভূমি* *ভ্রমনটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাগর, পাহাড়, অরণ্য পেরিয়ে প্রকৃতির যে রূপ যুগের পর যুগ ধরে পর্যটকদের বিস্ময়-বিহ্বল করে রেখেছে, সেই মরুর চরিত্র অনেকটাই অন্য। মানুষের অবকাশ ভাবনায় বৈচিত্র্যের কোনো শেষ নেই। কেউ কেউ আছেন দুর্গম সব জায়গায় বেরিয়ে পড়েন অবকাশ কাটানোর জন্য। তেমনি একটি অবকাশযাপনের মাধ্যম হচ্ছে মরু ভ্রমণ। মরুভূমি ঠিক সুখের ভ্রমণের জায়গাও নয়। মরুশহরের কথা অবশ্য আলাদা। ভারতের মরুশহরের রঙিন বিস্তার চোখ ধাঁধিয়ে দেয়, কেল্লার পর কেল্লার সারি নিয়ে যায় অতীতে, ঝলমলে পোশাক-গয়না-জুতোর পসরা বিলাসী মনে তৃপ্তি আনে। সেইসব মরুশহরে উটের পিঠে সওয়ারি হয়ে মরুভূমিতে একটু-আধটু ঘুরে আসাও যায়। তাতে যদিও মরুভূমি সফরের স্বাদ অল্পই মেটে, তবু ভ্রমণ পূর্ণ হয়। যে কোনও ভ্রমণসংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে ঢুঁ মেরে আসা যায় এমন মরুশহরে, অথবা চলে যাওয়া যায় নিজের উদ্যোগেই। সেই যাত্রায় ভাবনা-চিন্তার তেমন কিছু নেই।
এর বাইরে মরুভূমির আস্বাদ নেওয়া যায় ট্রেকিং-এর মাধ্যমে। পায়ে পায়ে বালির সমুদ্রে পায়চারি করে খুঁজে নেওয়া যায় অনন্তের আস্বাদ। তার জন্যও রয়েছে নানান ভ্রমণসংস্থা, রয়েছে ভারত সরকারের তরফে বন্দোবস্ত। কিন্তু যদি নিজের উদ্যোগে যেতে চান? তৈরি হয়ে থাকুন মরু-কান্তারের স্বভাবের সঙ্গে মোকাবিলার জন্য।

জলই জীবন : মরুসফরের প্রথম এবং প্রধান শর্তই হল সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল রাখা। পানীয় জল আর কিছুটা হাত-মুখ ধোওয়ার জল- দুটোই দরকার মরুর উত্তপ্ত আবহাওয়ার জন্য। মরু অঞ্চলে সফরের সময়ে অবশ্য জল নিয়ে খুব একটা বিলাসিতার সুযোগ পাওয়া যাবে না। তাই মুখ পরিষ্কারের জন্য ওয়েট টিস্যু এবং হাত সাফাইয়ের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে থাকুক। বাকি রইল পানীয় জল- সেটা যতটা পারেন ভরে নিয়ে শুরু করুন মরুপথে পায়চারি।

মরুপথে সাবধান : মরু অঞ্চলের বালির মধ্যে লুকিয়ে থাকে এমন অনেক প্রাণীই যা আপনার সফরের আনন্দ তো বটেই, এমনকী বেঁচে থাকার আনন্দও মাটি করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। তাই যে অঞ্চলে যাচ্ছেন, সেখানকার পোকামাকড়, সাপ, বিছে এসব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করে নিন। জেনে নিন, বিপদের আশঙ্কা কতটা এবং তার হাত থেকে বাঁচতে সঙ্গে কী কী না রাখলেই নয়। সেই শর্ত মেনেই কিছু ওষুধ-বিষুধ কাছে থাকাটা খুব জরুরি।

মরু-পোশাক : মরুভূমি দিনের বেলায় যতটা গরম হয়ে থকে, রাতের বেলায় ঠিক ততটাই ঠান্ডা হয়ে থাকে। এই আবহাওয়ার দ্বিচারিতা থেকে বাঁচার জন্য সঙ্গে গরম এবং হাল্কা সুতির জামাকাপড়- দুটোই থাকা প্রয়োজনীয়। নইলে সুস্থ শরীরকে ব্যস্ত করা ছাড়া আর কিছু হয়ে উঠবে না সাধের সফরে।
মরু-আবাস : মরুপথে ট্রেকিং-এর সময়ে কোথায় তাঁবু ফেলবেন, সে বিষয়েও একটু-আধটু পড়াশোনা করে নিন। মরুভূমিতে মাঝেসাঝেই ঝড় ওঠে, অতএব তাঁবু খাটাতে হবে যে দিক থেকে হাওয়া আসছে তার উল্টো পিঠে। নইলে বালি-ঝড়ে তাঁবু উড়ে যাওয়ার পরে বালুকা-সমাধিই হবে আপনার নিয়তি। তেমনই, মাথায় রাখতে হবে সূর্যের অবস্থান। নইলে খর তাপে তাঁবুটাই হয়ে উঠবে একটা গনগনে চুল্লি। দুটোরই কোনওটাই তো কাঙ্ক্ষিত নয়, তাই না?

বুঝেশুনে পায়চারি : মরুপথে সব দিক মেপেজুপে বেরিয়ে পড়লেই হবে না, মাথায় রাখতে হবে পায়চারির সময়টাও। বেলা যত বাড়তে থাকবে, খর তাপে পায়চারি করার মতো শারীরিক সামর্থ্যও কমতে থাকবে একটু একটু করে। তাই সূর্য মাথার উপরে উঠে যাওয়ার আগে পর্যন্ত যতটা সম্ভব পথ পেরিয়ে যাওয়া ভাল। তেমনই আবার হাঁটাহাঁটি শুরু করা যায় বিকেলের দিকে। কিন্তু সন্ধে হয়ে গেলে কখনই নয়। তখন পথ ভুল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তো রয়েছেই, তেমনই রয়েছে বিষাক্ত প্রাণী এবং দস্যুর হাতে পড়ার আশঙ্কা। এই ব্যাপারগুলো খেয়াল না রাখলে কিন্তু সফর বৃথা! আর হ্যাঁ, মরু-অঞ্চলে ট্রেকিং-এর সময়ে সঙ্গে টর্চ আর কম্পাস রাখতে ভুলবেন না।

আর কী! এবার তাহলে বেরিয়ে পড়ুন.....(মিশনেআছি)
মরু পথে হাঁটছি আমি একা একা,
সমুখে মরু পথের মরীচিকা, করছে ঝিকমিক,
যেন এ পথ স্বপ্ন ঘোরে চলা, কালের আঁধার ধুইয়ে ধুইয়ে
ছোপ ছোপ বরফ ঢাকা পথে পায়ের ছাপ একে।
*বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *মরুভূমি*

মাসুম: [বাঘমামা-আম্মু]জীবন চলার প্রধান সড়কের আশেপাশের অলিগলি থেকে শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত চরিত্রের ন্যায় কতবারই প্রেম উকি দিল,দেবদাসের ন্যায় আকড়াইতে পারলামনা কঠোর বাস্তবতা আর বেকারত্বের কালিমায়,শেষের কবিতার ন্যায় হারিয়ে গেল সব স্বপ্ন।শুধু জীবন চলার রাস্তাটা এখন বৃহত্তর মরুভুমিতে বহমান।আমি রয়েছি সেই রাস্তার উপর চলমান জীর্ণ-শীর্ণ লরিতে সামান্য ড্রাইভার হিসেবে

*বাস্তবতা* *বেকারত্ব* *মরুভূমি* *শেষেরকবিতা* *দেবদাস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★