মশা

জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

খুব মশা কামড়াচ্ছে বলে রেগে গিয়ে কালিদাস বিষ খেয়ে নিলেন ..বললেন, নে এবার রক্ত খা ! খেলেই মরবি !!
*জোকস* *মশা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিউলেক্স মশার কামড়ে কি রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*কিউলেক্সমশা* *মশা* *মশাবাহিতরোগ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মসকুইটো কিলার ইলেকট্রনিক ল্যাপ গুলো কতটা কার্যকরি?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*মশা* *মসকুইটোকিলার* *মশকনিধন*

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল
স্থলে জলে বনতলে লাগল যে দোল
দ্বার খোল, দ্বার খোল।।

রাঙ্গা হাসি রাশি-রাশি, অশোকে, পলাশে,
রাঙ্গা নেশা মেঘে মেশা, প্রভাত আকাশে (২)
নবীণ পাতায় লাগে রাঙ্গা হিল্লোল...
দ্বার খোল, দ্বার খোল

ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল
স্থলে জলে বনতলে লাগল যে দোল
দ্বার খোল, দ্বার খোল।।

বেনুবন মর্মরে দখিনো বাতাসে, প্রজাপতি দোলে ঘাসে ঘাসে।
মৌমাছি ফিরে যাচি ফুলেরও দখিনা
পাখায় বাজায় তার ভিখারীরও বিনা,
মাধবী বিতানে বায়ু গন্ধে বিভোল;
দ্বার খোল, দ্বার খোল।।

আমার লেখা রবীন্দ্র সংগীত...হাহাহাহা...
If you can't find the joke, you have serious problem...btw, YOU tube e eitar valo version nai...hehehehe...

Tagging you, cause there will be a day when you won't find the existence of such thing you call 'desire' or any such thing. Everything will be chosen, not because you want it but because you need it. And that day...
"নীল অঞ্জন ঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর...হে গম্ভীর, হে গম্ভীর.
বনলক্ষীর কম্পিত কায় চঞ্চল অন্তর,
ঝংকৃত তার ঝিল্লীর মঞ্জির,হে গম্ভীর, হে গম্ভীর"।
Someday you will realize, how much it truly cause despair and rot the core until it bites to your bone and everything came crashes down, turns the mighty city into a big pile of rocks and dirt.
"দেখেছি, রূপসাগরে মনের মানুষ কাঁচাসুনা
তারে আমার আমার মনে করি, আমার হয়ে আর হইলো না"।
So no matter under which rock you will find yourself in, love will reach you to make the loss even more tasty. Now will you blame the sun for shining bright in the sky when you have no shelter. hahahaha....remember, you wont see the forest for the trees..hahaha...
'শান্ত নীরব রাতের কোনে, বিজলী হাসি চিলকি মারে,
তাল যমুনার বান কেটেছে, দুয়ার ধরে ভাসছি হাতে।"
You may choose to go with the flow but the cycle of reality won't let you go far; it will toy with you...to be precise, you are the toy of a child, named itself as "reality"...
"যাও হারাও, একটা বৈশাখী ঝড় আনো,
পারলে গাও, বুকের মধ্যে নতুন একটা গানও,
যাও হারাও"।
Eventually the greatest trick to keep you away from drifting far from reality is "HOPE". So even though you are trying to get lost, at the same time, you are hoping to get found by sth or sm1. Hope is greatest lie you will embrace when there is nothing left...
"কাঁদো, ছলছল ছল উজাড় করে কাঁদো,
সারাটা দুপুর"।
So you will challenge yourself with even higher, more difficult way to prove that you finally got lost, not to anyone else but to yourself. But each time you will think you reached there, something or someone will find you and you'll the suck old,juicy sack of HOPE and will finally realize, "HOW IT ALL WORKS and HOW a small life of yours has created a path that is no different than HOPE or LIFE itself"...
"হাটতে হাটতে একটু নুড়ি 
ঠুকতে ঠুকতে যাচ্ছে দূরে।
ভাবনাগুলো গড়াগড়ি, খাচ্ছে মাথায়, খাচ্ছে বাড়ি,
কখন হবে সমাধান খানি, কখন হবে জানাজানি"।
Or you might just look at the sky and close your eyes, thinking what everything around you had to went thru just to put you where you are right now and it can make you smile a bit when you will eventually realize how small the face was yet how bright it shines under ONE sky.
" গেরাম বেড়ে অগাধ পানি,
নাই কিনারা নাই তরণী পারে,
বাঞ্ছা করি দেখব তারে (আমি) কেমনে সেথা যাই রে।।
কি বলব পড়শীর কথা,
হস্ত পদ স্কন্ধ মাথা নাই-রে
ক্ষণেক থাকে শূণ্যের উপর
(ওসে) ক্ষণেক ভাসে নীরে।।
পড়শী যদি আমায় ছুঁতো,
যম যাতনা সকল যেতো দূরে।
সে আর লালন একখানে রয়-
(তবু) লক্ষ যোজন ফাঁক রে"।।
It is just TIME...

তাই বাংলাতে আশা করুন বা ইংরেজীতে, এখনি আশা করার, *স্বপ্ন* দেখার সময়। বিজয় দিবসের লেহা লেহি না এইডা তয় চিন্তার খোরাক কারণ শিখার লাগিয়া বসিয়া বসিয়া মশা তাড়ানো থেকে মস্তিষ্ক সচল রাখিলে *মশা* কামড়াইলেও টের পাওয়া যায় না...হাহাহাহা...
দেশকে ভালোবাসতে বলি না কাউকে আর, নিজেকে ভালোবাসেন...নিজে নীতিতে চলেন বাকি যেসব বড় বড় কথা থাকে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখবেন হওয়া শুরু হয়ে গেছে...হাহাহাআ...
"Damn right i am a MANIAC, you better watch your back
cause i am f*king up your (mental) program..
your best bet is to stay where you are mo***r f*ker..."
TITLE: A Hope turned into a Curse which gave birth to life full of love & hope..

*ভালোবাসা* *জীবন* *আশা* *দেশ* *ক্লিকক্লিক-প্যাঁচা* *স্বপ্ন* *মশা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাজধানী সহ সারা দেশেই চিকনগুনিয়ার আতঙ্ক। এই আতঙ্ক কোন ভাবে যেন থামছেই না। এই টেনশনে থাপড়িয়ে মশা মারতে মারতে সারা রাত যাদের ঘুম হয় না তাদের জন্য সুখবর! এখন আর থাপড়িয়ে মশা মারা লাগবেনা, মশা এখন নিজের টানেই মরবে। মশা মারার সেরকম সব আজব যন্ত্রের সাথে আজ পরিচয় করিয়ে দেব। অনেকেই হয়তবা এগুলো সম্পর্কে জানেন বা অলরেডি ব্যবহার করে ফেলেছেন। তবে যারা জানেন না তারা এই মজার যন্ত্র ও ডিভাইসগুলো সম্পর্কে জেনে নিন।

ইলেকট্রিক ব্যাটঃ


ছবিতে দেখে বুঝতেই পারছেন এটার আকৃতি ব্যাটমিন্টন বা টেনিস ব্যাট এর মতন। এটা দিয়ে আনন্দের সাথে মশা মারা যায়। এটাতে কয়েকটি সুইচ আছে যেটা দিয়ে অন করার পর। অন্য আর একটি সুইচ চেপে ধরতে হবে। তখন একটি লাল লাইট জ্বলবে। তখন বুঝতে হবে আপনার যন্ত্রটি মশা মারা জন্যে প্রস্তুত। এখন আপনাকে সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে হবে। ঠিক যেমনটি ব্যাটমিন্টন বা টেনিস খেলার সময় যে ভাবে ব্যাট দিয়ে নিয়ন্ত্রন করেন বা বাড়ি দেন ঠিক সেই ভাবে। মশা টা কে মনে করবেন ব্যাটমিন্টনের কর্ক বা টেনিস এর বল।

ইলেকট্রিক শক মস্কুইটো ট্র্যাপঃ


এই ইলেকট্রিক ডিভাইসটি আপনাকে মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে। এর কার্যকর ফটো-ক্যাটালিক অক্সিডেশন টেকনোলজি মশাকে আকর্ষণ করে মেরে ফেলে। ঘর, অফিস, বাগান বা ছাদে ৭০ স্কয়ার মিটার পর্যন্ত কাজ করবে। মাটি থেকে কমপক্ষে ০১ মিটার উপরে যে কোন 220v লাইনে ট্র্যাপটি সংযুক্ত করুন।

এন্টি মসকুইটো কিলার ল্যাম্পঃ


ইলেকট্রনিক মসকুইটো কিলার এর সাহায্যে এখন মশার হাত থেকে বাঁচুন। মশা ছাড়াও অন্যান্য পোকামাকড় ধ্বংস করে। কোনো রাসায়নিক, ধোঁয়া বা গন্ধ নেই; তাই মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। একটি শক্তিশালী আলোর সাহায্যে পতঙ্গকে আকৃষ্ট করে এবং ইলেক্ট্রিক ওয়েভ দিয়ে ধ্বংস করে দেয়।

LED মাশরুম শেপড মস্কুইটো কিলিং ল্যাম্পঃ


এলিডি মাশরুম শেপড মস্কুইটো কিলিং ল্যাম্পটি ৩০০মিটার ব্যাসার্ধ পর্যন্ত মশাদের ফাঁদ তৈরি করে মশা মারতে সক্ষম। এটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত এবং কোন প্রকার রাসায়নিক ওষুধ বা ক্যামিকেল ছাড়া এটা কাজ করে। মশা মারা ছাড়াও নাইট-ল্যাম্প বা ডেকোরেশন ল্যাম্প হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।

মসকুইটো কিলিং ল্যাম্পঃ


ইলেকট্রনিক মসকুইটো কিলার এর সাহায্যে এখন মশার হাত থেকে বাঁচুন। মশা ছাড়াও অন্যান্য পোকামাকড় ধ্বংস করে। কোনো রাসায়নিক, ধোঁয়া বা গন্ধ নেই; তাই মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। এটি শক্তিশালী আলোর সাহায্যে পতঙ্গকে আকৃষ্ট করে এবং ইলেক্ট্রিক ওয়েভ দিয়ে ধ্বংস করে দেয়। ঘরের বৈদ্যুতিক AC লাইনের মাধ্যমে চলে।

এন্টি মসকুইটো রিস্ট ব্যান্ডঃ


এন্টি মসকুইটো রিস্ট ব্যান্ড মশা থেকে আপনাকে রাখবে নিরাপদ। অ্যাডজাস্টেবল বিভিন্ন ধরনের সাইজ রয়েছে কিডস এন্ড এডাল্ট উভয়ে এটি ব্যবহার করতে পারবে। ক্লাইম্বিং, ক্যাম্পিং, হাইকিং অথবা ফিশিং-এর সময় হাতে অথবা গোড়ালিতে পড়তে পারবেন। এক মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। এই রিস্ট ব্যান্ডটির কোন ধরনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।

মশা মারার আজব এই ইলেকট্রিক যন্ত্রগুলো ঘরে বসেই কিনতে পারবেন। এজন্য ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে। সরাসরি পোড্রাক্টগুলো কিনতে ও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*মশা* *মশামারারযন্ত্র* *স্মার্টশপিং*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসঘটিত রোগ যা এডিস মশা দ্বারা ছড়ায়। এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার প্রায় ৬০টি দেশে এই রোগ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি আমাদের দেশেও এই রোগটির প্রকোপ দেখা দিয়েছে হঠাত করেই। এই রোগ আপনাকে মেরে ফেলবে না ডেঙ্গু জ্বরের মত করে। রোগের বাহক সেম টাইপের মশা (এডিস) হলেও এটি ডেঙ্গুর মত প্রাণঘাতী নয়। তবে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি প্রচন্ড শারীরিক কষ্টের মধ্যে দিতে যান যা তাকে অনেকটাই অক্ষম করে দিতে পারে কিছুদিনের জন্য। চিকুনগুনিয়ার জন্য সঠিক ঔষুধ এখনো বাজারে আসেনি। সুতরাং আক্রান্ত হওয়ার আগেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই বুদ্ধিমানের কাজ। আসুন দেখে নিই কিভাবে সহজ উপায়ে এই রোগ চিনতে ও ঠেকাতে পারি হওয়ার আগেই-

লক্ষনঃ

১। চিকুনগুনিয়া বহনকারী মশা দংশনের ৩-৭ দিনের মধ্যে লক্ষন দেখা দেবে
২। প্রধান লক্ষন হলো কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা (১০২-১০৪ ডিগ্রি ফা.)
৩। পুরো শরীর প্রচন্ড ব্যথা বিশেষ করে হাড়ের সংযুক্তি স্থল গুলোতে
৪। এছাড়াও পেশীতেও ব্যথা হতে পারে, চুলকানি, মাথাব্যথা কিংবা র‍্যাশ দেখা দিতে পারে
৫। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নবজাতক আর বৃদ্ধরা((≥৬৫ বছর) প্রধান শিকার
৬। জ্বর চলে যাবে ৭-১০ দিনের মধ্যে কিন্তু ব্যথা থাকতে পারে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত এমনকি বছরও হতে পারে

প্রতিরোধঃ

১। যেহেতু এটি মশাবাহিত রোগ, সবার আগে মশার জন্মাতে পারে এমন জায়গা খুঁজে বের করে ধ্বংস করতে হবেঃ টবের পানি, গর্তে জমে থাকা পানি, ছাদে-বারান্দায় কোথাও পানি জমতে দেয়া যাবে না
২। এডিস মশা যেহেতু দিনেও কামড়ায় সেহেতু দিনে ঘুমালে মশারি টাঙ্গিয়ে নিন
৩। অ্যারোসল স্প্রে, কয়েল, ইলেক্ট্রিক ব্যাট ব্যবহার করুন মশা মারতে
৪। শরীরের খোলা অংশে ‘মসকুইটো রেপেলেন্ট’ (মশা না কামড়ানোর ক্রিম) লাগিয়ে নিন ঘুমানোর আগে

প্রতিকারঃ

১। আগেই বলা হয়েছে যে চিকুনগুনিয়ার জন্য আলাদা ভাবে কোন ঔষুধ তৈরি হয়নি
২। আক্রান্ত ব্যক্তিকে সম্পূর্ন বেডরেস্ট দিতে হবে
৩। প্রচুর পরিমাণে তরল গ্রহন করতে হবে ডিহাইড্রেশন ঠেকানোর জন্য
৪। জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল দেয়া যেতে পারে। তবে সেটা নিজে করার চাইতে চিকিৎসকের সাথে কথা বলে নেবেন অবশ্যই
৫। ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন দেয়া যাবে না(এর ফলে রক্তক্ষরন হতে পারে যদি ভুলবশত ডেঙ্গু হয়ে থাকে)
৬। ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়ে থাকলে প্রথম সপ্তাহ অবশ্যই মশার কামড় থেকে বেঁচে থাকতে হবে কারন আপনার রক্ত নিয়ে আরেকজনকে দংশন করলে দংশিত ব্যক্তিও আক্রান্ত হবেন
৭। চুলকানির জন্য অ্যান্টি-হিস্টামিন দেয়া যেতে পারে
৮। আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসকের নিকট নিয়ে যেতে হবে

যে কোন রোগ এড়ানোর প্রথম ও প্রধান শর্তই হলো প্রতিরোধ গড়ে তোলা আক্রান্ত হওয়ার আগেই। তাতে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যায় অনেকটাই। চিকুনগুনিয়াও এর ব্যতিক্রম নয়। আর যে কোন রোগ সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়ানো স্বয়ং রোগে আক্রান্ত হওয়ার চাইতেও ভয়াবহ কাজ। নিজে সঠিক না জেনে অন্যকে জানাবেন না। এতে আতঙ্ক ছাড়া আর কিছুই তৈরি হবে না।

সাবধানে থাকুন।

*চিকুনগুনিয়া* *স্বাস্থ্যতথ্য* *মশা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★