মসজিদ

মসজিদ নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভাস্কর্যটি অপসারন করে আনেক্স বিল্ডিঙের সামনে পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। হেফাজত ক্যান সবাই বুঝেছে তাতে যে লাউ সেই কদু হয়েছে !! শ্যাম ও আছে কূল ও রয়েছে !! মারহাবা।

মাঝখানে এসে সুলতানা কামাল তার মুর্খতার দারুন পরিচয় দিয়ে গেলেন নিউজ ২৪ টকশোতে । তিনি বলেছেন “ভাস্কর্য না থাকলে মসজিদও থাকার দরকার নেই, এটিও অপসারণ করা হোক”

এই মূর্খ মহিলা কি অপসারিত ভাস্কর্যটিকে পূজা করতেন। তারা মূর্তিকে ভাস্কর্যের সাথে মিলাবে না। কিন্তু মসজিদের সাথে ভাস্কর্যের সমতা চাইবে, নাউজুবিল্লাহ। এই মুর্খ মহিলার মাথায় গোবর ছাড়া আর কিছুই নেই মনে হয়।

কোর্টের মসজিদে মানুষ নামাজ আদায় করে থাকেন। অন্যদিকে এ ভাস্কর্যের কেউ পূজা করে না সেখানে।সুতরাং ভাস্কর্য না রাখলে মসজিদও থাকবে না দাবিটা সুলতানা কামাল এর গোবর ভর্তি মাথা থেকে ছাড়া আর কোথাও হতে আসতে পারে না !!! ঐ ভাস্কর্য যদি সুলতানা কামালের দেবী মূর্তি হয়ে থাকে তবে তিনি হাই কোর্ট এলাকায় একটি মন্দির স্থাপনের দাবি করার পাশাপাশি ঐ মন্দিরে ভাস্কর্যটি মূর্তি হিসেবে রাখার দাবি করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে সরাসরি সমজিদে আক্রমন করলেন অতচ এই ভাস্কর্যটি অপসারনে মসজিদের কোন ভুমিকা ছিল না।

 

সুলতানা কামালের এই মূর্খতার পরে আপনারা যারা ভাস্কর্যটি মূর্তি নয় স্রেফ ভাস্কর্য আর এটি ন্যায়বিচারের প্রতীক হেসেবে সুপ্রিম কোর্টে স্থাপন করা হয়েছে বলে আসছিলেন তাদের বক্তব্য ও মিথ্যা প্রমান হল। আমি বুঝিনা এত মুর্খতা নিয়ে কিভাবে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক হয়েছেন সুলতানা কামাল। এই মুহূর্তে দেশে কত বড় বড় ইস্যু রয়েছে কথা বলার, অতচ সব বিষয়ে মুখে কুলুপ দিয়েছেন আর কথা বলছেন সস্থা ভাস্কর্য অপসারনের অযুহাতে মসজিদ অপসারনের দাবিতে। আসলে সুলতানা কামালের উদ্যেশ্য ভাস্কর্য বা মূর্তি নয় তার আসল উদ্যেশ্য হচ্ছে ইসলামকে হেয় করা, যে কোন ভাবে এই দেশের শান্ত প্রিয় মুসলমানদের উস্কে দিয়ে যাতে আবার জঙ্গি জঙ্গি করে লাফাতে পারে সেই খেয়ালেই আছেন তিনি।কারন এ রকম উল্টা পাল্টা কথা বললে বাংলাদেশের শান্ত প্রিয় ধর্মপ্রাণ মানুষ রাস্তায় নামে। আর এই রাস্তায় নামাকে সুলতানা কামালরা নাম দেন জঙ্গি।

*ইসলাম* *বিদ্বেষী* *সুলতানা-কামাল* *মসজিদ* *খবর* *জঙ্গি*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আরিফাইল মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*মসজিদ* *আড়িফাইল*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাচ্চারা সাধারণত উচ্ছল প্রকৃতির হয়, একটু চঞ্চলতা বেশিই করে, ঠিক বেঠিক বোঝার বয়স তাদের তেমন থাকেন না। তাই অন্যান্য স্থানের মতো মসজিদে এসেও বাচ্চারা দুষ্টুমি করবে- এটাই স্বাভাবিক। তাই ছোটরা নামাজে এলে তাদেরকে পাশে নিয়ে নামাজে দাঁড়ান, তাদের আলাদাভাবে দাঁড়াতে দেবেন না। ছোটরা আলাদাভাবে দাঁড়ালে দুষ্টুমি করবে, বড়দের সঙ্গে একত্রে দাঁড়ালে আর দুষ্টুমি করার সুযোগ পাবে না। 

তারা কিছু কাজ কিন্তু না বুঝেই করে থাকে যেমন : অজু করতে যেয়ে পানি ছিটানো কিংবা মসজিদে লুকোচুরি খেলা, টুপি কাড়াকাড়ি খেলা, শূণ্য হাতে ক্রিকেট বল অথবা ব্যাট করার ভঙ্গি, দৌঁড় প্রতিযোগিতা, উচ্চ হাসি, চিৎকার, অন্য বাচ্চাদের সাথে খুনসুটি ইত্যাদি। আসলে এসবে তারা খুব মজা পায় বলেই করে কিন্তু তারা যদি বুঝতো যে এসব এখানে করা যাবে না তাহলে নিশ্চয় করতো না। তাদের এই শিশুসুলভ আচরণে অনেকেই বিরক্ত হোন, আবার অনেকেই আছেন এমন  যারা মসজিদে বাচ্চাদের দেখলেই তেড়ে যান। শুধু তাই নোই সেই বাচ্চাদের অভিভাবকের দিকে অভিযোগের দৃষ্টিতে তাকান। এটা মোটেও সমীচীন নয় কিন্তু।  তাই অনেক অভিভাবক বাচ্চাকে সাথে নিয়ে মসজিদে যেতে চান না এটা না করে বরং তাদের আদর করে, স্নেহ দিয়ে বুঝিয়ে বলুন মসজিদের পবিত্রতা নিয়ে, এখানে কি করা যাবে আর কি করা যাবে না, মসজিদে হাসাহাসি-দুষ্টুমি করলে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হয়, অন্যরা বিরক্ত হতে পারে এই ব্যাপারগুলো আগে থেকেই বুঝিয়ে রাখুন সন্তানকে। 

মনে রাখবেন, আপনার-আমার শিশুদের প্রতি ছোট ও সুন্দর আচরণ এবং দৃষ্টিভঙ্গিই পারে বদলে দিতে তাদের জীবনকে আর তাদের আলোকিত ভবিষ্যৎ পাল্টে দিতে পারে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে, সমৃদ্ধ করতে পারে জাতিকে আর গর্বে ভরিয়ে দিতে পারে দেশকে । আগামী প্রজন্মকে আলোর পথে এনে গড়ে তোলার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই।

*আদবকেতা* *শিশুরবিকাশ* *প্যারেন্টিংটিপস* *মসজিদ*
ছবি

হাফিজ উল্লাহ: ফটো পোস্ট করেছে

দৃষ্টিনন্দন মিরপুর পাইকপাড়া সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার জামে মসজিদ l

ছবি-প্রথম আলো

*মসজিদ*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইসলামের বিস্তৃতির সঙ্গে পৃথিবীতে নির্মিত হয়েছে বহু মসজিদ। বেড়েছে এর পরিধিও। এ ছাড়া একেক দেশের একেক রকমের সংস্কৃতির ছাপ পৃথিবীর একাধিক মসজিদের নির্মাণশৈলীতে ঠায় পেয়েছে স্থাপত্য শিল্প। আর হয়েছে এ শিল্প সমৃদ্ধও।

পৃথিবীর সেরা মসজিদগুলোর নির্মাণশৈলী এবং ইতিহাস নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। উইকিপিডিয়ার করা তালিকায় আয়তনের দিক থেকে সেরা দশে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর সেরা দশ মসজিদ সম্পর্কে।

মসজিদ-উল-হারাম : পৃথিবীর সবথেকে বড় মসজিদ হল মসজিদ-উল-হারাম। ইসলাম ধর্মের সবথেকে পবিত্র স্থান ‘কাবা’কে ঘিরে সৌদি আরবের মক্কা নগরীরতে এর অবস্থান। ৮৮.২ একর বা ৩,৫৬,৮০০ বর্গমিটার জমির ওপরে মসজিদটির অবস্থান। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এই মসজিদটির সাধারণ প্রায় ৯ লাখ মুসলিম একসঙ্গে নামাজ পড়ে। তবে হজের সময় এর পরিমাণ বেড়ে কখনো কখনো ৪০ লাখে পৌঁছায়। বর্তমানে মসজিদটির সংষ্কারের কাজ করে যাচ্ছে সৌদি সরকার।

মসজিদে নববী :  হযরত মুহাম্মাদ (স.) এর হাতে ৬২২ খ্রিস্তাব্দে নির্মিত হয় মসজিদে নববী কিংবা আল-মাসজিদুন-নাবী। অর্থাৎ নবীর মসজিদ। সৌদি আরবের মদিনা শহরে এই মসজিদটি অবস্থিত। মসজিদটিতে ৬ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারে।

তবে মসজিদটি হযরত মুহাম্মাদ (স.)- এর রওজা সংলগ্ন হওয়ায় হজের সময় প্রায় ১০ লাখ মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করার রেকর্ড রয়েছে। মসজিদের ১০টি মিনারের মধ্যে সবথেকে উঁচু মিনারটির উচ্চতা ১০৫ মিটার।

হারামে ইমাম রেজা : শিয়া সম্প্রদায়ের ১২ ইমামের অষ্টম ইমাম, ইমাম রেজার এই মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে ‘হারামে ইমাম রেজা’ মসজিদটি ‘ইমাম রেজা মসজিদ’ নামেই সর্বাধিক পরিচিত।

ইরানের খোরসান প্রদেশের রাজধানী মসনদে অবস্থিত পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম এই মসজিদটি। প্রায় ৩,৩১,৫৭৮ বর্গমিটার জমির ওপরে অবস্থিত এই মসজিদটিতে প্রায় ৫ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারে। ৮১৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত এই মসজিদটির আটটি মিনার রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ মিনারের উচ্চতা ৪১ মিটার।

ইস্তিকলাল মসজিদ : জনসংখ্যার দিক থেকে অন্যতম বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত ইস্তিকলাল মসজিদটি। এটিই ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় মসজিদ। ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার স্মৃতিস্বরুপ মসজিদটি নির্মিত করা হয়েছিল বলে এর নাম ‘ইস্তিকলাল মসজিদ’।

ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় শব্দটির অর্থ স্বাধীনতা। মসজিদটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৮ সালে । ৯৫,০০০ বর্গমিটার জায়গা নিয়ে অবস্থিত পৃথিবীর চতুর্থ বৃহৎ এই মসজিদটিতে প্রায় ১,২০,০০০ মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে।

মসজিদুল হাসান-আল শানী : মসজিদুল হাসান-আল শানী স্থানীয়দের কাছে ক্যাসাবালাঙ্কা হাজ কিংবা হাসান মসজিদ নামে বহুল পরিচিত। মরক্কোর সবথেকে বড় শহর ক্যাসাবালাঙ্কায় আটলান্টিক মহাসাগরের তিরে অবস্থিত মসজিদটি।

১৯৯৩ সালে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় মসজিদটি। প্রায় ২২ একর জমির ওপর নির্মিত এই মসজিদটিতে একত্রে ১,০৫,০০০ মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে। মসজিদটিতে একটি মাত্র মিনার রয়েছে, যার উচ্চতা প্রায় ২১০ মিটার।

ফয়সাল মসজিদ : পাকিস্তানের সবথেকে বড় মসজিদ ‘ফয়সাল মসজিদ’ পাকিস্থানের ইসলামাবাদে অবস্থিত। আয়তনের দিক থেকে এটি পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহৎ মসজিদ। মসজিদটির নকশা করেন বিখ্যাত তুর্কি স্থপতি ভেদাত দালোকে।

প্রায় ৪৩,০০০ বর্গমিটার জায়গার উপরে নির্মিত এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮৬ সালে। এতে প্রায় ৭৪,০০০ মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে। মসজিদটির চারটি গম্বুজের প্রত্যেকটির উচ্চতা ৯০ মিটার।

জামিয়া মসজিদ : পাকিস্থানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহরের বাহরিয়ায় অবস্থিত পৃথিবীর সপ্তম বৃহৎ মসজিদ, মসজিদে জামিয়া কিংবা জামিয়া মসজিদ।

২০১৪ সাল থেকে এই মসজিদটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু হয়। ২১টি গম্বুজ এবং ৪টি মিনার বিশিষ্ট এই মসজিদটি গ্রান্ড জামিয়া নামে বিশ্বব্যাপী বেশ পরিচিত। এতে একত্রে প্রায় ৭০ হাজার মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে।

শেখ জায়েদ মসজিদ : আরব আমিরাতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শেখ জায়েদের নামে প্রায় ২২ হাজার বর্গমিটার জায়গা নিয়ে আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবীতে অবস্থান শেখ জায়েদ মসজিদের। পৃথিবীর অষ্টম বৃহৎ মসজিদ এটি।

১৯৯৬ সালের শেষ দিকে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রায় ৪১ হাজার মুসল্লি একত্রে এখানে নামাজ আদায় করতে পারেন। তবে ঈদ এবং জুম্মার নামাজের সময় এর পরিমাণ বেড়ে পঞ্চাশ পেরিয়ে যায়। মসজিদটিতে  ৮২টি গম্বুজ এবং ৪টি মিনার রয়েছে ।

জামে মসজিদ : ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত পৃথিবীর নবম বৃহৎ মসজিদ। ১৬৪৪ সাল থেকে ১৬৫৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে মুঘল সম্রাট শাহ জাহান এটি নির্মাণ করেন বলে  মসজিদটির নাম রাখা হয় মসজিদ-ই-জাহান নুমা।

তবে জামে মসজিদ নামেই এটি বহুল পরিচিত। প্রায় ২২ হাজার বর্গমিটার জায়গায় অবস্থিত ২৫ হাজার ধারণক্ষমতা বিশিষ্ট এই মসজিদটির ৩টি গম্বুজ এবং দুইটি মিনার রয়েছে। মিনার দুইটির উচ্চতা ৪১ মিটার।

বায়তুল মোকাররম : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম বিশ্বের দশম বৃহৎ মসজিদ। ১৯৫৯ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৯৬৮ সালে শেষ হয় মসজিদটির নির্মাণ কাজ।

অনেকটা মুঘল স্থাপত্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এই মসজিদটির অবস্থান প্রায় ২১,০০০ বর্গমিটার জমির ওপরে। প্রায় ৪০,০০০ হাজার মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে এই মসজিদটিতে

*মসজিদ*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

মালয়েশিয়ায় অবস্থিত এই মসজিদ

*মসজিদ*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

অসাধারণ একটা মসজিদ (জোস)

*মসজিদ*

Mahbubul Alam: মরক্কোর কুতাবিয়া মসজিদ (Koutoubia Mosque)।

*মসজিদ*

Mahbubul Alam: স্পেনের কর্ডোভা মসজিদ (Mosque-Cathedral of Cordoba)।

*মসজিদ*

Mahbubul Alam: সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনার মসজিদে নববি (Al-Masjid an-Nabawi)।

*মসজিদ*

Mahbubul Alam: সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার মসজিদুল হারাম (Al Haram Mosque)।

*মসজিদ*

Mahbubul Alam: ফিলিস্তিনের জেরুজালেমের আল আকসা (Al Aqsa Mosque) মসজিদ।

*মসজিদ*

Mahbubul Alam: মরক্কোর ‘ক্লাসাবাংকা’ (Hassan II mosque, Morocco) জামে মসজিদ।

*মসজিদ*

Mahbubul Alam: মিশরের কায়রোর ‘ইবনে তুলুন’ (Ibn Tulun Mosque) মসজিদ।

*মসজিদ*

রুপালি বীন: মসজিদ নির্মাণে কিছু কথা আমি শুনতে পাই আযানের সে ডাক, “আল্লাহ সর্বশক্তিমান, আমি স্যা দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোনো মাবুদ নেই, আমি স্যা দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর....বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2015/07/14/news-id:69763/

*ইসলাম* *ধর্ম* *মসজিদ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★