মহাকাশ

মহাকাশ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাচীন উপকথা অনুসারে প্রতি ১২ মাসে ১২ পূর্ণ চাঁদ দেখা যায়। আর ১৩তম পূর্ণচাঁদটিই হচ্ছে নীল চাঁদ বা সুপার মুন। রঙ নীল না হলেও চারপাশের পরিবেশের কারণে চাঁদের রঙ নীল দেখা যায়। কারো মতে ‘সুপার মুন’ আবার কেউ-বা বলেন, ‘ব্লু মুন’। অনেকেই হয়তো ইতিমধ্যে শুনেছেন বিশাল সে চাঁদের কথা। চন্দ্রপ্রেমীদের জন্য সুখবর। আকাশে আজ দেখা মিলতে পারে তার। আজ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসবে চাঁদ। অন্যদিনের তুলনায় চাঁদকে আজ দেখা যাবে ১৪ শতাংশ বড় ও ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল। আজকের পূর্ণিমাকে তাই বলা হয় সুপার মুন। সুপারমুন হচ্ছে কাকতালীয় বিষয়। 

পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব তিন লাখ ৮৪ হাজার ৪০২ কিলোমিটার। আজ অনুভূ সময়ের কাছাকাছি সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করবে। ফলে তখন পূর্ণচন্দ্র বা পূর্ণিমা হবে। অনুভূ ও পূর্ণিমা প্রায় একই সময়ে সংঘটিত হওয়ার কারণে তখন চাঁদকে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে। সুপার মুন নিয়ে রয়েছে নানানা ধরণের কুসংস্কারও ; মানুষের শরীরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, প্রকৃতিতে অস্বাভাবিক কিছু ঘটনা আর রটনায় মিলে মিশে আছে সুপার মুনের রহস্য। তবে আদতে, মানুষের আচরণের ওপর সুপার মুন বা নীল চাঁদের কোনো প্রভাব পড়ে না। 

‘লুনাটিক’ বা চাঁদের আকর্ষণে পাগল হয়ে যাওয়ার ঘটনার কথাও শোনা যায়। লুনাটিক শব্দটি ল্যাটিন ভাষার শব্দ, যার অর্থ চন্দ্রাহত বা চাঁদের বিভিন্ন দশায় বেড়ে যাওয়া পাগলামি; যদিও চন্দ্রাহত হওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখন অব্দি কারো কাছে নেই। 

৬৮ বছর পর  আজ ১৪ নভেম্বর, ২০১৬  আবারও দেখা মিলবে 'সুপার মুন'-এর। ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারির পর মাঝের এতোগুলো বছরে চাঁদ কখনো পৃথিবীর এত কাছে আসেনি। আজকে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু থেকে চাঁদের দূরত্ব হবে ২ লাখ ২১ হাজার ৫২৪ মাইল বা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৮ কিলোমিটার৷ সাধারণ দূরত্বের তুলনায় এবার পৃথিবীর আরও প্রায় ৮৫ মাইল কাছে চলে আসবে চাঁদ। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসবে চাঁদ। স্বাভাবিক দিনের তুলনায় এবার ১৪ নভেম্বর রাতের আকাশে চাঁদকে ১৪ শতাংশ বড় দেখাবে। দেড়টা নাগাদ পৃথিবী ও চাঁদ সমান্তরালে অবস্থান করবে।



'সুপার মুন' দেখার জন্য ১৪ নভেম্বর রাতের আকাশকে মেঘমুক্ত থাকা লাগবে। তা না হলে আবারও 'সুপার মুন'-এর দেখা পেতে অপেক্ষায় থাকতে হবে আরও ১৮ বছর। বিজ্ঞানীদের দাবি, ২০৩৪-এর নভেম্বর মাসে ফের চাঁদ পৃথিবীর এত কাছে আসবে।

 

*সুপারমুন* *মুন* *মহাকাশ*

NatunSomoy : একটি বেশব্লগ লিখেছে

                 

চিত্র-১: মাওনা লোয়ার ভূ্ত্বকের গঠন হুবহু মঙ্গলগ্রহের মত। মঙ্গলগ্রহে বসবাস করার ট্রেনিং নভোচারীদের জন্য
মঙ্গলগ্রহে যেতে বিপজ্জনক আগ্নেয়গিরিতে বাস করছেন ৬ বিজ্ঞানী। সেখানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও ইন্টারনেট কিছুই নেই। পৃথিবীর কারো সঙ্গে যোগাযোগও নেই তাদের। জায়গাটির পরিবেশ ঠিক মঙ্গলগ্রহের মতোই। চারদিকে ধূ ধূ লালচে বালিকনা। বসবাসের জন্য বানিয়েছেন তাবুর মতোই গম্বুজ। সোলার প্যানেলের বিদ্যুতেই তারা আলো জ্বালান। তাতেই চলে রান্নাবান্নার কাজ। সঙ্গে যে পানি নিয়ে গেছেন- তা দিয়ে রি সাইকেল করেই ব্যবহার করেন দিনের পর দিন।

                     

চিত্র-২: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় আট হাজার দুইশো ফুট উপরে হাওয়াই আগ্নেয়গিরি মাওনা লোয়া চূড়ায় বসবাস করেছেন বিজ্ঞানীরা। স্থানটি ১১ মিটার লম্বা ও ১০০০ স্কয়ার ফুট চওড়া।

২০১৫ সালের আগস্ট মাস থেকে মঙ্গলগ্রহের মতো ওই পরিবেশে বাস করছেন তারা। স্থানটি যুক্তরাষ্ট্রের হাউয়ায় আগ্নেয়গিরির মাওনা লোয়া নামক চূড়া। আগ্নেয়গিরি থেকে লাল রঙের লাভা বের হয়ে সেখানকার পরিবেশ একেবারে মঙ্গলগ্রহের মত হয়ে গেছে। আর সে জন্যেই মঙ্গলগ্রহের বসবাস করার অভিজ্ঞতা অর্জন করার জন্য বিজ্ঞানীরা ওই স্থানটি বেছে নিয়েছেন। বিজ্ঞানীদের ধারণা, তারা যদি সেখানে বসবাস করতে পারেন, তাহলে মঙ্গলগ্রহেও বসবাস করতে পারবেন। এতে করে পরবর্তীতে মঙ্গলে গিয়ে বসবাস করতে তাদের সুবিধাই হবে।

                

চিত্র-৩: সেখানে নভোচরীরা কিছু শুকনো ও পাওডার খাবার এবং কিছু গাছ-পালাও নিয়ে যাওয়া হবে

আগামী ২৮ আগস্ট ওই ৬ বিজ্ঞানীর ফিরে আসার কথা রয়েছে। অভিযানটির আয়োজন করেছে হাওয়াই স্পেস এক্সপ্লোরেশন এনালগ সিমুলেশন (এইচআই-এসইএএস/হাই-সিস)। প্রতিষ্ঠানটির এটি চতুর্থ ও দীর্ঘমেয়াদী অভিযান। হাই-সিসের প্রধান তদন্তকারী কিম বিনস্টেড বলেন, ‘যত বেশি দীর্ঘমেয়াদী অভিযান দেওয়া হবে, তত বেশি মহাশূণ্য ভ্রমণ সম্পর্কে জানা যাবে।’

প্রতিবেদন-টি সম্পূর্ণ পড়ুন এবং ভিডিও দেখুন এখানে - মঙ্গল অভিযান প্রস্তুতি গভেষনা প্রতিবেদন ও ভিডিও

*মঙ্গলঅভিযান* *আড্ডা* *বেশম্ভব* *মঙ্গলেবসবাস* *নভোচারী* *মঙ্গলগভেষনা* *বিজ্ঞানওপ্রযুক্তি* *মঙ্গলগ্রহ* *মহাকাশ* *মহাকাশঅভিযান*

NatunSomoy : মঙ্গলে ‘পানি’র কথা দেড় হাজার বছর আগেই প্রকাশ! সম্প্রতি নাসার পাঠানো মঙ্গলযান কিউরিওসিটি মঙ্গল থেকে যে তথ্য সংগ্রহ করে তা থেকে জানা যায়, বরাহমিহিরের দুটি সিদ্ধান্তই ছিল নির্ভুল। মঙ্গলে সত্যিই...বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/28riI6Q

*মঙ্গলগ্রহ* *পানিরঅস্তিত্ব* *বিজ্ঞানওপ্রযুক্তি* *আড্ডা* *মহাকাশগভেষনা* *মহাকাশ*

নিরাপদ নিউজ: পৃথিবীর অনেকখানি কাছে চলে এসেছে মঙ্গলগ্রহ পৃথিবীর অনেকখানি কাছে চলে এলো মঙ্গলগ্রহ। দীর্ঘ ১১ বছরের মধ্যে আজ ৩০ মে সোমবারই সেই দিন।জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, কক্ষ পথে ঘুরতে ঘুরতে তুলনামূলক অবস্থান থেকে মঙ্গল এই পৃথিবীর অনেক কাছে এসেছে। তবে ...বিস্তারিত পড়ুন - http://www.nirapadnews.com/2016/05/30/news-id:158544/

*আড্ডা* *মহাকাশ* *জানাঅজানা* *মঙ্গলগ্রহ* *পৃথিবীরকাছাকাছি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এই কি তবে স্বর্গের পারিজাত?  মর্ত্যের উপরে যে স্বর্গ ছিল মানুষের কল্পনায়, সেখানেও ফুল ছিল। কল্পনার সে ফুল যে নিছক কষ্টকল্পনা নয়, আজ তা প্রমাণ করে দিলেন বিজ্ঞানীরা। কেননা এ ফুলও তো ফুটেছে মর্ত্যের মাটি থেকে অনেকখানি উপরেই। মানুষের আকাঙ্ক্ষা এবার মহাকাশেও ফুল ফোটাল। হ্যাঁ, ছবির  এ ফুলই মহাকাশে প্রথম ফোটা ফুল।

মহাকাশে প্রথম ফোটা এ ফুলের খবর দিয়েছেন আমেরিকান মহাকাশবিজ্ঞানী স্কট কেলি। গতবছর মার্চ মাস থেকেই তিনি স্পেস ল্যাবে ফুল ফোটানোর কাজে ব্যস্ত। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, সেই ল্যাবেই ফুটেছে এই জিনিয়া।

মহাকাশে ফুল ফোটানোর এ পরীক্ষার নাম ছিল ‘ভেগি’। এতদিন পর্যন্ত মহাকাশযাত্রীরা বিভিন্ন শুকনো, প্রসেসড খাবার খেতেন৷ টাটকা শাক-সবজি ছিল কল্পনারও বাইরে। সেই অসুবিধা থেকেই ভাবনা আসে যে, মহাকাশেও কি শাকসবজি চাষ করা যায় না? নাসার তরফে জানানো হয়েছিল, ২০১৮ সালের মধ্যে এ সমস্যারও সমাধান হয়ে যাবে। সেই পরীক্ষারই সফলতা ফুটে উঠল এই জিনিয়া ফুলে। স্পেস ল্যাবে যেভাবে ফুলটি ফুটে উঠেছে, তাতে মাইক্রোগ্র্যভিটিটে অন্যান্য শাক সবজি চাষও অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

মহাকাশে এর আগেও যা জন্মেছে তা লেটুস শাক। সেবার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মানুষের জন্য সামান্য খাবার হলেও মহাকাশ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এটি বিরাট সাফল্যের। সেই সাফল্যের সূত্র ধরেই এবার ফুটল জিনিয়া। বিজ্ঞানীদের ভবনায় এখন মহাকাশে টমেটো উৎপাদনের পরিকল্পনা। এবছরই এক মহাকাশযানে বীজ পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে নাসার তরফ থেকে।

শুধু জিনিয়া নয়, অনন্ত শূন্যতাকেও মানুষ হয়তো একদিন শস্যশ্যামলা করে তুলবে। মহাকাশে ফুটে ওঠা প্রথম ফুলের পাপড়িতেই যেন লেখা আছে, সেদিন খুব বেশি দূরে নেই।

সোর্সঃ টুইটার
সহযোগতিাঃ কলকাতা২৪
*ফুল* *মহাকাশ* *তথ্যপ্রযুক্তি* *আবিষ্কার*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

.
১৯৬৯ খ্রীস্টাব্দের ১৬ই জুলাই জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ আবিষ্কারের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ অভিযান, প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশযান অ্যাপোলো ১১, যা ২০ জুলাই চাঁদে অবতরণ করে। এই অভিযানে অংশনেন দলপ্রধান নীল আর্মস্ট্রং, চালক মাইকেল কলিন্স, এডুইন অল্ড্রিন জুনিয়র এবং কমান্ড মডিউল। পরবর্তীতে আবিষ্কার হয়েছে প্লুটো সহ অন্যান্য বামন গ্রহ, নেহারিকা, ধূমকেতু, কৃষ্ণগহ্বর।বিজ্ঞান ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে শক্তিশালী কৃত্রিম উপগ্রহ, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদি। যথাঃ হাবল টেলিস্কোপ। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান মহাবিশ্বকে দূরবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরেছে। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানীর কারনে পরিপূর্ণতা লাভ করেছে। তাদের মদ্ধে, আন্নি জাম কেনন (Annie Jump Cannon), মারিয়া মিশেল (Maria Mitchell), সি.ডব্লীউ থমবারগ(C.W. Tombaugh) হানরিটা সোয়ান লেভিট (Henrietta Swan Leavitt) প্রমুখ
*জ্যোতির্বিজ্ঞান* *মহাকাশ* *টেলিস্কোপ* *সাদ* *আবিষ্কার* *মানুষবাহী* *দুরবীক্ষন* *ধুমকেতু*
ছবি

Risingbd.com: ফটো পোস্ট করেছে

পৃথিবীর বিস্ময়কর ৫ তথ্য

পৃথিবী সম্পর্কে জানার অনেক কিছুই রয়েছে। পৃথিবীর বিস্ময়কর পাঁচটি তথ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রতিবেদন...বিস্তারিত- http://bit.ly/1IVUJmJ

*জানাঅজানা* *পৃথিবী* *বিস্ময়করতথ্য* *আড্ডা* *মহাকাশ* *বিজ্ঞান*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মহাকর্ষ বলের প্রভাবে মহাকাশে কতগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যেরচারদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিক্রমণ করছে। এদের গ্রহ বলা হয়।গ্রহের নিজস্ব আলো ও তাপ নেই।সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৮ টি।সূর্য থেকে গ্রহগুলোর দূরত্ব অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে অবস্থান করছে।যথা: বুধ(Murcury), শুক্র (Venus), পৃথিবী(Earth), মঙ্গল (Mars), বৃহস্পতি (Jupiter) , শনি(Saturn), ইউরেনাস(Uranus), নেপচুন (Neptune)।গ্রহগুলোর মধ্যে বৃহস্পতি সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে ছোট বুধ।

*মহাকর্ষ* *বুধ* *মহাকাশ* *গ্যালাক্সি* *সৌকর্য্য* *সৌরজগত* *জ্যোতিষ্ক*

Jui: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বিশ্বের প্রথম মহাকাশ পর্যটক কে ?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*মহাকাশ* *পর্যটক* *সাধারণজ্ঞান*

নিউজ ফ্ল্যাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে দিগন্তের উপরে চাঁদ ওঠার পর গ্রহণ শুরু হবে। এরপর সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে আংশিক গ্রহণ ও রাত ৮টা ৫৯ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণের উপচ্ছায়া পর্যায় শেষ হবে।

বাংলাদেশ থেকে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা গেলেও প্রশান্ত মহাসাগর তীরবর্তী অঞ্চল, আলাস্কা ও হাওয়াই থেকে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।

এবারের চন্দ্রগ্রহণ ১৩২ সরোজ সিরিজের অন্তর্গত। বাংলাদেশ থেকে পরবর্তী পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই।


চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে একই সরলরেখায় পৃথিবী চলে আসে। ফলে ওই সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ায় পৃথিবী থেকে মনে হয় চাঁদ ধীরে ধীরে ঢেকে যাচ্ছে।

গ্রহণ চলাকালীন চাঁদকে অনেকটা তামাটে বা লালচে চাকতির মতো মনে হয়। এর কারণ হল, সূর্যের কিছু আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্যে দিয়ে বিকিরিত হয়ে চাঁদের ওপর পড়ে।

সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত অনেক রংয়ের মধ্যে লাল রং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল দিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের ওপর পড়ে, যে কারণে গ্রহণের চাঁদকে লাল দেখায়।

সূর্যগ্রহণ খালি চোখে দেখা অত্যন্ত ক্ষতিকর হলেও চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখে দেখা ক্ষতিকর নয়। চন্দ্রগ্রহণ দেখতে বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপ জরুরি নয়, তবে পরিষ্কার তথা ভালোভাবে দেখতে সেগুলোর ব্যবহার করা যেতে পারে। ছবি তোলার জন্য যেকোন জুম লেন্সসহ ক্যামেরাই যথেষ্ট।

চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য অনুসন্ধিৎসু চক্র নানা প্রস্তুতি নিয়েছে বলে চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি শাহজাহান মৃধা জানান।

কেন্দ্রীয় ও বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পটি হবে ঢাকার আফতাবনগর প্রকল্পের উত্তরপ্রান্ত এলাকায়। মেঘমুক্ত আকাশ থাকাসাপেক্ষে ক্যাম্প শুরু সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিট থেকে। গ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এই ক্যাম্প থেকে ছবি ও বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। চন্দ্রগ্রহণ যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ক্যাম্পে ৮ ইঞ্চি স্মিড ক্যাসিগ্রেইন টেলিস্কোপ থাকবে।

আর ঢাকার বাইরে অনুসন্ধিৎসু চক্র ও অ্যাস্ট্রোনমিকেল সোসাইটি অব রুয়েট যৌথভাবে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে একটি ক্যাম্প করবে।

এ ক্যাম্পে ৪ ইঞ্চি মাকসুতভ টেলিস্কোপের মাধ্যমে চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করার কথা রয়েছে।

সূত্র: ইন্টারনেট 
*চন্দ্রগ্রহণ* *মহাকাশ* *সৌরজগত*

Shahriar Nazim: সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষাকারী ওজোন স্তর কয়েক বছর ধরে হ্রাস পাওয়ার পর আবার বৃদ্ধি পাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের ওপর দেখা দেয়া ওজোন স্তরের ফুটো বছর বছর বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতাও বন্ধ হয়েছে। জাতিসংঘের প্রকাশিত

*মহাকাশ*

Shahriar Nazim: ডিলাইভ ডেস্ক: পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম নক্ষত্র সূর্য। এটিকে বলা হয় সৌরজগতের প্রাণ। যার বদৌলতে বেঁচে আছে পৃথিবী নামক একটি গ্রহ। এ কারণে এই নক্ষত্র নিয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের গবেষণার শেষ নেই। তবে এ পর্যন্ত কোনো মহাকাশযানই সূর্যের খুব বেশি কাছে যেতে পারেনি। কারণ প্রচণ্ড তাপ প্রতিরোধী কোনো মহাকাশযানই এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি। তবে এবার সূর্যকে নিয়ে গবেষণার জন্য

*মহাকাশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★