মাটির জিনিস

মাটিরজিনিস নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিল্পায়নের আধুনিকতায় গগণচুম্বী ভবনে আমাদের বাস। তাই বলে কি আমরা আমাদের মাটির টান ভুলে যেতে পারব? নিশ্চয় পারবনা কারণ এই মাটিই আমাদের ঐতিহ্য। একবার ভাবুন তো ফ্ল্যাট ঘরেই যদি থাকে মাটির জিনিসের বাহারী সাজ তাহলে কেমন লাগবে? ভাল লাগারই কথা কারন মাটির তৈরী ব্যবহার্য বাহারি জিনিসের ব্যবহারের কথা মানুষ এখনো ভুলে যায়নি। এক সময়ের এই ঐতিহ্য এখন ফিরে এসেছে হাল আমলের স্টাইল হয়ে। 
 
এখনও কুমারপাড়ার সব মাটির তৈজসপত্রের সংস্করণ পাওয়া যায় রাজধানীসহ বড় বড় নগর-বন্দরে। সবচেয়ে মজার ব্যপার হল,  মাটির এই উপকরণ গুলো শুধু পথের ধারের ফুটপাতেই বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রি হচ্ছে দেশের নামীদামি সব অনলাইন শপগুলোতে। এখন আপনি ইচ্ছে করলে ঘরে বসেই কিনে নিতে পারবেন ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈজসপত্র। চলুন পোড়া মাটির তৈরী প্রয়োজনীয় কিছু তৈজসপত্র সম্পর্কে জেনে নেই। 
 
টেরাকোটাঃ
বাহারি নকশা করা পোড়ামাটির ফলক ঘরের দেয়ালে। আছে ফুল-লতা-পাতা, আছে গ্রামীণ জীবনের ছবি আঁকা। এ ছাড়া পাওয়া যায় বিমূর্ত নানা নকশার টেরাকোটাসহ মাস্কিং টেরাকোটাও। ছোট ছোট বিভিন্ন মাপের টেরাকোটা প্রস্তুত অবস্থায় পাওয়া যায় মৃিশল্পের দোকানে। অনলাইন শপ গুলোতে সন্ধান করলেও টেরাকোটা পেয়ে যাবেন।  বসার ঘরের দেয়ালের কোনো একটা পাশে এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত লাগিয়ে নিতে পারেন টানা একটা টেরাকোটার কাজ। আবার শোবার ঘরের পেছনের দেয়ালেও রাখতে পারেন টেরাকোটা।
অনলাইনে কিনুন এই লিংকে-
 
 
অ্যাশট্রেঃ
ধূমপান না করাই ভালো। কিন্তু কেউ যদি ধূমপান করেই থাকেন, আর অতিথি হয়ে আসেন আপনার বাড়িতে, তাহলে কী করবেন। একটা কর্নার টেবিলে রেখে দিতে পারেন একটা মাটির অ্যাশট্রে। এই অ্যাশট্রেও কিন্তু এখন পাওয়া যায় নানান জিনিসের আকৃতিতে। আছে বাহারি নকশা করা মাটির অ্যাশট্রেও। এতে যেমন সৌন্দর্য বাড়বে, তেমনি হঠাত্ প্রয়োজনও মিটবে। ২০ টাকা থেকে ১০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায় মাটির অ্যাশট্রে।
অনলাইনে কিনুন এই লিংকে-
 
 
মিরর ষ্ট্যান্ড শো-পিসঃ
দিনের মধ্যে সবারই একবার হলেও আয়নার সামনে যেতেই হয়। আর আয়নাতেও রাখতে পারেন মাটির কারুকাজের ছোঁয়া। গোল, চার কোনা—নানা আকৃতির আয়না পাওয়া যায় মাটির ফ্রেমে। খাবার ঘরের হাত ধোয়ার স্থানে কিংবা প্যাসেজেও রেখে দিতে পারেন একটা ছোট মাটির ফ্রেমের আয়না। 
অনলাইনে কিনুন এই লিংকে-
 
 
মাটির থালা-বাসনঃ
এইতো কিছু দিন আগেই আমরা মাটির তৈরী থালা-বাসন, মগ, হাড়ি পাতিল সহ সব পন্যেই ব্যবহার করেছি। তাহলে এখন আবার খাবার টেবিলে মাটির বাসন-কুসন বা বাদ যাবে কেন? আপনি চাইলেই বাসায় রেখে দিতে পারেন একটা মাটির ডিনার সেট। বিশেষ দিনে অতিথি আপ্যায়নে ব্যবহার করতে পারেন এই মাটির থালা-বাসন-গ্লাস বা কাপ-পিরিচ।
অনলাইনে কিনুন এই লিংকে-
 
 
শোপিসঃ 
এখন সুন্দর সুন্দর মাটির শোপিস পাওয়া যায়। টেপা পুতুল, ছোট হাতি, ঘোড়া থেকে শুরু করে লোক-মোটিফের পোড়ামাটির নানা কাজ কিনতে পাওয়া যায় দোকানগুলোতে। কেউ চাইলেই এগুলো দিয়ে সাজাতে পারেন আপনার শোকেস। অথবা বসার ঘরের কোনো একটি কোনায় ছোট একটি নিচু টেবিল রেখে সাজাতে পারেন মাটির শোপিসে। এগুলোর দাম ৪০-৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকার মধ্যেই।
 
মাটির ব্যাংকঃ
শুধু শখের বশে খুচরা পয়সা বা টাকা জমানোর জন্যই নয়, মাটির ব্যাংক দিয়ে সাজাতে পারেন ঘরও। বিভিন্ন ফল, ব্যাঙ, হাতি, ঘোড়াসহ নানা আকৃতির ব্যাংক পাওয়া যায় মাটির। এগুলোতেও ঘরের শোভা বাড়াতে পারেন আপনি। দাম পড়বে ২০ টাকা থেকে ১০০ টাকার মধ্যে।
 
ফুলের টব
টব তো মাটিরই হওয়া দরকার। এখন অনেক আকৃতির আর নানা নকশার টব পাওয়া যায়। আছে গোল ও চৌকো আকৃতির মাটির টবও। ওপরে-নিচে কিংবা সারা গাজুড়ে নকশা করা মাটির টব পাওয়া যায় বিভিন্ন রঙের। এসব টবে শুধু ফুল কিংবা পাতা বাহারই নয়, বারান্দাটা একটু বড় হলে লাগিয়ে দিতে পারেন কোনো একটা ফলের গাছও। ১৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন আপনার মনের মতো টব।
 
মাটির গহণাঃ 
শুনে অবাক হতে পারেন কিন্তু  এ কথা সত্য যে, মাটির ও গহণা তৈরী হয়। এই গহণা গুলোর ডিজাইনও বেশ চমৎকার। উৎসবের যে কোন দিন আপনি মাটির তৈরী গহণা পরতে পারেন। 
অনলাইনে কিনুন এই লিংকে-
 

 

*মাটিরজিনিস* *মাটিরতৈজসপত্র* *থালা-বাসন* *কেনাকাটা* *শপিং* *অনলাইনশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★