মাতৃভাষা

মাতৃভাষা নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুনঅমর একুশে বাঙালি জাতির এক বড় অর্জন। ভাষা আন্দোলন ও ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। দিবসটিকে ঘিরে নানা আয়োজনের মধ্যে একুশের গৌরবগাথা ফুটে ওঠে পোশাকেও। পোশাকের বিভিন্ন দোকান ও বুটিকগুলো মহান একুশকে সামনে রেখে তৈরি করছে নতুন নতুন নকশার রকমারি পোশাক। তবে মাতৃভাষা দিবসে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় পোশাক হল টি-শার্ট। চলুন একুশের জনপ্রিয় ১০টি টি-শার্ট দেখে নেই। 

একুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুনএকুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুন

একুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুনএকুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুন

একুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুনএকুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুন

একুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুনএকুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুন

একুশের এক্সক্লুসিভ টি-শার্ট কিনুন 

 

বন্ধুরা, এই টি-শার্ট গুলো পাওয়া যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। ২১ ফেব্রুয়ারির আগেই এই টিশার্ট হাতে পেতে এখনি অর্ডার কর এই লিংকে। 

*টি-শার্ট* *একুশেরফ্যাশন* *মাতৃভাষা*

প্যাঁচা : বাংলা খুবই কঠিন ভাষা এবং কোন সেন্স মেইক করে না অনেকক্ষেত্রেই।শহীদুল্লাহ সাহেব এবার যতই গালাগালি দিক না কেন?ইংরেজীতে gentle breeze,বাংলায় মৃদুমন্দ হাওয়া...হিন্দী???তার উপর আছে বেশ আঞ্চলিকতার প্রভাব (যদিও আমি এটাই খুব পছন্দ করি)।শুদ্ধবাংলায় খারাপ কথা বলা বেশ কষ্টকর কারণ ঠিক মানায় না যেন কিন্তু ইংরেজিতে একটাই রূপ।তাই কাউকে কেবল শুদ্ধ বাংলা শেখালে,গালাগালি সে ইংরেজীতে করবে সেটাই স্বাভাবিক।হাহাহাহাহাহা...

*ভাষা* *বাংলা* *ইংরেজী* *মাতৃভাষা* *ভাষা-দিবস*

Mahi Rudro: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 তমুদ্দুন মজলিস কী?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*মাতৃভাষা* *ভাষাআন্দোলন*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

অন্তত আজকের দিনে হলেও যেন মাতৃ-ভাষার প্রতি সম্মানার্থে সমস্ত হিন্দি চ্যানেল গুলো বন্ধু রাখা হোক প্রতিটি ঘরে .

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, একুশে ফেব্রুয়ারী। আমি কি ভুলিতে পারি? সেই সব ভাষা শহীদদের জন্য রইল গভীর শ্রদ্ধা।

*শ্রদ্ধা* *ভাষাআন্দোলন* *মাতৃভাষা* *একুশেফেব্রুয়ারী*

নিউজ ফ্ল্যাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রতি বছরের মতো এবারও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

এ বছর দিনটির প্রতিপাদ্য: `মাতৃভাষার মাধ্যমে সর্বব্যাপী শিক্ষা`। ভাষা দিবস উপলক্ষে প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দপ্তরে ভাষা শহীদদের স্মরণে বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ সময় গভীর শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ করে আলোচকরা বলেন, ভাষার মর্যাদা রক্ষায় বাঙালি জাতি যে ত্যাগ স্বীকার করেছে তা সমগ্র পৃথিবীর ইতিহাসে তা অতুলনীয়।

আলোচনা শেষে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন বাঙালি শিল্পীরা।

১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে প্রতি বছর নানা আয়োজনে দিনটি পালন করে আসছে ইউনেস্কো।

এদিকে প্রভাত ফেরীর পাশাপাশি শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশে ভাষা দিবস পালন করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। 
*অমরএকুশে* *মাতৃভাষা* *শহীদদিবস* *২১ফেব্রুয়ারি*

Ahsan Kabir Chowdhury: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, একুশে ফেব্রুয়ারী। আমি কি ভুলিতে পারি? *ভাষারমাস* *ফেব্রুয়ারী* *অমরএকুশে* *বাংলাভাষা* *মাতৃভাষা*

ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

কথা দিলাম আমরা তোমাদের ভুলবনা...

মহান একুশে ফেব্রুয়ারিতে সকল ভাষা শহীদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

*২১শেফেব্রুয়ারি* *অমরএকুশে* *ভাষাশহীদ* *মাতৃভাষা*
৫/৫

Mahbubul Alam: বাঙালির রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলনের স্বীকৃতি দিয়ে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এরপর থেকেই যথাযোগ্য মর্যাদায় সারা বিশ্বে একযোগে পালিত হয়ে আসছে দিনটি।

*অমরএকুশ* *২১ফেব্রুয়ারি* *মাতৃভাষা*

মেঘবালক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উনিশ শতকের একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা আজ বাংলা ভাষাকে অনেক উচুতে পৌছে দিছে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী এই ঘটনা ঘটলেও আমরা প্রায় অনেকেই জানিনা যে, বাংলায় সেই ঐতিহাসিক তারিখটা কি ছিল। সেদিনের সেই প্রাণত্যাগী দামাল ছেলেদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।


বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা এই কথাটা আপামর জনতা সবাই জানে। কিন্তু এরই মধ্যে বিদেশি ভাষা আমাদের দেশে দেশিয় ভাষার মতই ব্যবহৃত হচ্ছে। দু'দিন আগে টেলিভিশনে টক-শো এর সাক্ষাতকারে একজন অতিথীকে বলতে শুনলাম "আমি পৃথিবীর যে দেশেই গেছি সেখানেই তাদের মাতৃভাষায় নিজেদের চর্চা দেখেছি। (উনি সঞ্চালককে বললেন) আপনি চীনে যাবেন সেখানে কম্পুটারকে তারা কম্পুটার বলেনা তারা তাদের মাতৃভাষায় কম্পুটারের নাম উচ্চারণ করে" উক্ত অনুষ্ঠানে আরেকজন অতিথী বললেন, "এমনও পরিবার আছে যাদের ছেলে-মেয়ে বাংলাদেশে অবস্থান করেও ঠিকভাবে বাংলা উচ্চারণ করতে পারে না।"

এ থেকে কি বুঝা যায়? প্রত্যেক দেশে তাদের মাতৃভাষাকে ব্যবহারের মাধ্যমে জীবিত রেখেছে। আর আমাদের বাংলাদেশের মানুষ যেন লোকসম্মুখে একটু ইংরেজী বা হিন্দী অথবা অন্য কোন ভাষা বলতে পারলেই গর্বে বুকটা ফুলে উঠে। হাতাশ!! আমাদের শিশুরা কোন অতিথীর সামনে ইংরেজী বা অন্য কোন ভাষা কলকল করে বলতে পারলেই বাবা-মা'র মুখে খুশীর অন্ত থাকে না। আপনি বলবেন আমি বিদেশী ভাষার বিরোধীতা করছি? না। জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন আছে, এমন কি আমরা যা জানি তার থেকেও বেশি জানার প্রয়োজন আছে। 

আমার দেখা একজন ব্যক্তি (২০০৩ সালের ঘটনা) উনি বাংলাদেশের একজন কুটনৈতিক সদস্য ছিলেন উনি কোন এক কথার ছলে বলছিলেন যে, "আমি ১২টি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারি বাংলা ভাষা ছাড়াও। কিন্তু তাতে আমার কোন অহংকার নেই আমার অহংকার হচ্ছে আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারাটা। অন্যান্য দেশের কুটনৈতিকরা যখন আমাকে বাংলা বলার জন্য অনুরোধ করে তখন আমার খুশির অন্ত থাকে না। আমিও তাদের বাংলা শুনিয়ে দিই প্রাণভরে।" কি সুন্দর অভিব্যক্তি বাংলার জন্য। 

বাংলাদেশের অফিস-আদালত, ঘরে-বাইরে, হাটে-বাজারে, স্কুল-কলেজ সহ প্রত্যেক পর্যায়ে বাংলার প্রচলন চাই। এটা শুধু মাত্র এই ফেব্রুয়ারী মাস এলেই চাওয়া নয় এই চাওয়াটা সবসময়। আমার যেন বিদেশী ভাষার আগ্রাসনে পরিনিত না হই। বিদেশি ভাষা জানতে হবে অবশ্যই আমাদের জানার পরিধি বাড়ানোর জন্য। 
*মাতৃভাষা* *বাংলাভাষা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর মাত্র একদিন পর মহান ভাষা দিবস ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি’। বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এদিন স্মরণ করবে বাঙ্গালী জাতির সূর্য সন্তান ৫২-র ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের।

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজানো হচ্ছে আমাদের গর্বের প্রতীক জাতীয় শহীদ মিনার। সারা বছর অবহেলায় ও অযত্নে পড়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটিকে এখন যেন নতুনভাবে রূপ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কেন একটি বছর পরে  এই সাজ সজ্জা? বাঙ্গালি হিসেবে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের প্রতিদিনের দ্বায়িত্ব। তাই ভাষা শহীদের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে সব সময় একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটির মত করে সাজিয়ে রাখা উচিৎ।



*অমরএকুশ* *একুশেফেব্রুয়ারি* *মাতৃভাষা* *শহীদদিবস* *শহীদমিনার* *২১শেফেব্রুয়ারি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাতৃভাষা বাঙালির মহা গৌরবের অর্জন। ১৯৫২ সালে অর্জিত বাঙালির রক্তাক্ত অমর একুশে জাতিসংঘ এবং ইউনেস্কোর স্বীকৃতি লাভের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করতে যাচ্ছে। আগামী ২০ ফ্রেব্রুয়ারি নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক স্টেট গভর্ণর এই সংক্রান্ত স্বীকৃতির একটি সনদ প্রদান করবেন। সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের স্টেট গভর্ণর এন্ড্রু এম কুমো নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে অনুমোদনের পর এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

শনিবার ঢাকায় প্রাপ্ত নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২০১৪ সালে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিশ্বজিত সাহা আমেরিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভের জন্য নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর হোজে রোল্টার কাছে প্রস্তাবটি পেশ করেন এবং নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট আলবেনিতে গত ১০ জানুয়ারি ২০১৫ প্রস্তাবটি পাশ করা হয় (রেজ্যুলুশন-৪৬৯)। এরপর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি পাশকৃত প্রস্তাবটি গেজেটে অর্ন্তর্ভুক্ত হয়।

২০ ফ্রেব্রুয়ারি বিকেল ৫ টায় নিউইয়র্ক গভর্ণরের অমর একুশেকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদানের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল বাঙ্গালিকে উপস্থিত থাকার জন্যও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে দুই সপ্তাহব্যাপী একুশের গ্রন্থমেলা আয়োজনেরও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন।
(সংকলিত) 

*মাতৃভাষা* *বাংলাভাষা* *বাংলা* *অমরএকুশ* *২১শেফেব্রুয়ারি*

দস্যু বনহুর: [বইমেলা-বইমেলা] ক- এ কলা খ- এ খাই, এত বেশি খেতে নাই। গ- এ গরু ঘ- এ ঘাস, এতো ঘাস কোথা পাস? ঙ বলে কোলা ব্যাঙ, সারাদিন ঘ্যাঙ ঘ্যাঙ! ক- খ- গ- ঘ- ঙ।। ---- হিব্রু, জুলু, সিসওয়াতি, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, হিন্দী, আরবী, ইংলিশ-বিংলিশ কিংবা বাংলা যে ভাষাই হোক না কেন সেটা যদি হয় মা এর ভাষা হয়, তবে তার মত মধুর ধ্বনি আর কি হতে পারে!!

*আমরিবাংলাভাষা* *মাতৃভাষা* *২১শেফেব্রুয়ারী* *আন্তর্জাতিকমাতৃভাষাদিবস*
৫/৫

দীপ্তি: আমি বাংলায় কথা কই, আমি বাংলার কথা কই আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার আমি সব দেখেশুনে ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান, ক্ষিপ্ত তীর ধনুক আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ॥ আমি বাংলায় ভালোবাসি, আমি বাংলাকে ভালোবাসি(হার্ট)

*ভাষারমাস* *ফেব্রুয়ারী* *অমরএকুশে* *বাংলাভাষা* *মাতৃভাষা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বছর পাড়ি দিয়ে আবার এসেছে ভাষা অর্জনের মাস ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই ফেব্রুয়ারি মাসেই আমরা আমাদের মাতৃভাষা, আমাদের প্রাণের স্পন্দন বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলাম। আজকে আমরা স্বাধীন ভাবে বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই, বাংলাই হাফ ছেড়ে নিঃশ্বাস নেই। বাংলা ভাষা আজ আমাদের দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের প্রাণের ভাষাকে সম্মান দিয়ে সারা বিশ্ব ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে।

ফেব্রুয়ারি হচ্ছে আমাদের চেতনার মাস। ফেব্রুয়ারি হচ্ছে বাঙ্গালির স্বপ্নপূরণের মাস। সেদিন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষার গৌরবদীপ্ত ইতিহাস রচনার মাস ফেব্রুয়ারি। এ মাসেই বাংলা আমাদের মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। বাঙালির জাতিস্বত্তা বিনির্মাণ সর্বোপরি আমাদের মহাণ স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়েছিল এ মাসেই।

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তুমুল আন্দোলন ও বহু প্রাণের আত্নত্যাগের বিনিময়ে আমরা মাতৃভাষা বাংলাকে নিজের করে পেয়েছি। ভাষা আন্দোলনের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সেদিন রাজপথে প্রাণ দিয়েছিল জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান সালাম, রফিক, জব্বার, বরকতসহ নাম না জানা আরো অনেকে। যাদের জন্য আমাদের এই মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যাদের জন্য আজ আমরা প্রাণ খুলে বাংলায় কথা বলতে পারছি, সেই সব অমর ভাষা শহীদদের প্রতি জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা।
*একুশ* *মাতৃভাষা* *ফেব্রুয়ারি* *২১ফেব্রুয়ারি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বছর ঘুরে আবারও আসছে বাঙ্গালির স্বপ্নপূরণের মাস ফেব্রুয়ারি। ফেব্রুয়ারি হচ্ছে ভাষা অর্জনের মাস। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষার গৌরবদীপ্ত ইতিহাস রচনার মাস ফেব্রুয়ারি। এ মাসেই বাংলা আমাদের মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। বাঙালির জাতিস্বত্তা বিনির্মাণ সর্বোপরি আমাদের মহাণ স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়েছিল এ মাসেই। কি কি থাকছে এই ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে!  চলুন জেনে নেই।

২১শে ফেব্রুয়ারিঃ
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি ’ জনপ্রিয় এই গানটিই বলে দিচ্ছে ফেব্রুয়ারি হচ্ছে ভাষার মাস। ১৯৫২ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে বাঙ্গালি জাতি তাদের ভাষার মর্যাদা পেয়েছিল। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তুমুল আন্দোলন ও বহু প্রাণের আত্নত্যাগের বিনিময়ে আমরা মাতৃভাষা বাংলাকে নিজের করে পেয়েছি। ভাষা আন্দোলনের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সেদিন রাজপথে প্রাণ দিয়েছিল জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান সালাম, রফিক, জব্বার, বরকতসহ নাম না জানা আরো অনেকে। আসুন এ মহান ফেব্রুয়ারির মাসে প্রতিদিনেই সালাম, রফিক, জব্বার, বরকতসহ সকল অমর ভাষা শহীদদের নিবেদন করি অপার শ্রদ্ধা, অশেষ ভালোবাসা।

বইমেলাঃ
ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজন করা হয় অমর একুশে গ্রন্থমেলা। পুরো ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে চলে পাঠক ও লেখকদের এই মিলন মেলা। ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এই মেলা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।




১১তম বিশ্বকাপ ক্রিকেটঃ
ফেব্রুয়ারি মাসেই শুরু হচ্ছে ১১তম বিশ্বকাপ ক্রিকেট। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়াতে শুরু হবে বিশ্ব ক্রিকেটের এই মহাৎসব। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এই বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক দেশ। আমাদের সবার প্রিয় বাংলাদেশ টাইগার দল ভাল করবে এই প্রত্যাশা আমাদের সবার।



ভালবাসা দিবসঃ

১৪ ফেব্রুয়ারি সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও পালিত হয় বিশ্ব ভালবাসা দিবস বা আন্তর্জাতিক ভ্যালেনটাইন ডে।
*ফেব্রুয়ারি* *বইমেলা* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *মাতৃভাষা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★