মানিব্যাগ

মানিব্যাগ নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আজকে আমি আমার মানিব্যাগ হারিয়ে ফাল্লাম কই আজীব ব্যাপার ।। টাকা , ক্রেডীট কার্ড , অফিস আইডি কার্ড সব হারিয়ে গেল ।। জীবনটা তীতা হইয়া গেল ।। ' কিচ্ছু ভাল্লাগে না ।।

*বিরক্ত* *হারানো* *মানিব্যাগ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 উটকো বিপদ এড়াতে মানিব্যাগে কোন কোন জিনিস রাখা নিরাপদ নয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*মানিব্যাগ* *বিপদ* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনফ্যাশন কি শুধু নতুন ডিজাইনের পোশাক-আশাকেই? না ফ্যাশন এখন আর পোশাক আশাকে সীমাবদ্ধনেই। ফ্যাশনের গণ্ডি এখন পোশাক-আশাক ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে হাতের ব্রেসলেট, চোখের চশমা, গলার বিশেষ মালা, এমনকি পকেটের মানিব্যাগ পর্যন্ত। বিশেষ করে মানিব্যাগের ফ্যাশন বর্তমান সময়ে জমে উঠেছে দারুণভাবে। মানিব্যাগের ফ্যাশনে মজেনি এমন তরুণ-তরুণী এখন খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এখন আর শুধু টাকা রাখার জন্যই মানিব্যাগ ব্যবহার করা হয় না। সুন্দর ও আধুনিক একটি মানিব্যাগ ব্যক্তিকে যেমন ফ্যাশনেবল করে তোলে, তেমনি প্রকাশ করে মর্যাদাপূর্ণ আভিজাত্য। সেই সঙ্গে সহজে বহনযোগ্য মানিব্যাগে টাকা-পয়সা নিরাপদ তো থাকেই, সঙ্গে রাখা যায় প্রয়োজনীয় ভিজিটিং এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডও।

কিনতে ক্লিক করুন কিনতে ক্লিক করুনতরুণ কিংবা বয়স্ক সবাইকে এখন নানা প্রকৃতির মানিব্যাগ ব্যবহার করতে দেখা যায়। মানিব্যাগগুলোর মডেল নির্ধারিত হয় ডিজাইন, রঙ ও কাঁচামালের ভিন্নতায়। বেশির ভাগ মানিব্যাগ তৈরি হয় চামড়া দিয়ে। সেই সঙ্গে রেকসিনের সুনিপুণ ব্যবহারও থাকে। বাজারে আরও পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রাণীর চামড়া, আর্টিফিশিয়াল লেদার ও খাঁটি চামড়ার মানিব্যাগ। এছাড়া কিছু মানিব্যাগে আজকাল নামি ব্র্যান্ডের ধাতব, বিভিন্ন লোগোও সংযুক্ত করতে দেখা যায়, যার মাধ্যমে মানিব্যাগগুলো দেখতে দৃষ্টিন্দন হয়ে ওঠে। সুন্দর ও আকর্ষণীয় মানিব্যাগ এখন অনেকটাই শিল্পের মতো।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনছেলে ও মেয়েদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মডেলের মানিব্যাগ পাওয়া যায়। যেমন ছোট, মাঝারি, বড় ও লম্বাটে মানিব্যাগ। ব্র্যান্ডভেদে এগুলোর আকার আলাদা আলাদা। ছোট ব্যাগগুলো সাধারণত ছেলেরাই ব্যবহার করে। দুই স্তরবিশিষ্ট ব্যাগগুলোতে অল্প কাগজের নোট, ছবি ও ভিজিটিং কার্ড রাখা সুবিধাজনক।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনতুলনামূলক অনেক চেম্বারবিশিষ্ট মানিব্যাগের প্রচলন বেশি। এটাকে বলা হয় ফোল্ডিং মানিব্যাগ। বাজারে ট্রাই ফোল্ডিং মানিব্যাগও আছে। আকারে খুব বড় না হলেও এগুলো তিনটি ভাঁজ করা যায়। মানুষের নানারকম চাহিদার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রঙের মানিব্যাগ দেখা যায়। সবচেয়ে জনপ্রিয় হল কালো ও কফি রঙেরগুলো। সেই সঙ্গে লালচে, গ্রে ও গাঢ় অফহোয়াইট রঙের মানিব্যাগও প্রচুর বিক্রি হয়। ছেলেদের মানিব্যাগ দুই-তিনটি রঙের হলেও মেয়েদের মানিব্যাগে রঙের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। ফলে বাজার ঘুরে দেখেশুনে বাছাই করে সুন্দর একটি মানিব্যাগ আজই কিনে ফেলুন। নান্দনিক ডিজাইনের অভিজাত মানিব্যাগে বাড়িয়ে নিন নিজের ব্যক্তিত্ব!

পাবেন কোথায় ও দরদাম :

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ড দুই রকম মানিব্যাগই পাওয়া যায় বাজারে। ব্র্যান্ডের মানিব্যাগের জন্য যে কোনো শপিংমলে যেতে পারেন। বড় ফ্যাশন হাউসগুলোও এখন নিজেদের সংগ্রহে মানিব্যাগ রাখছে। চাইলে সেখান থেকেও বেছে নিতে পারেন নিজের পছন্দের মানিব্যাগ। দেশী ব্র্যান্ডের মানিব্যাগগুলোর দাম পড়বে ৩০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। আর বিদেশী ব্র্যান্ডের মানিব্যাগের দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। অনলাইন প্লাটফর্ম থেকেও মানিব্যাগ কিনতে পারেন। অনলাইনে ঘরে বসে মানিব্যাগ কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*মানিব্যাগ* *ওয়ালেট* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আধুনিকতা আর আবহমানতার সাথে তাল মিলিয়ে হয়ত আপনি হাল ফ্যাশনের পোশাক পরেছেন আর সকলের সামনে পকেট থেকে বের করলেন একটা চামড়া উঠা, ছেড়া-ফাটা মানিব্যাগ তাহলে কিন্তু বন্ধু মহলের সামনে আপনার নাক কাঁটার উপক্রম হবে সেটি। ফ্যাশনের বারো ত বাজবেই সাথে মান ইজ্জত নিয়েও টানাটানি হতে পারে। সত্যিই মাঝেমধ্যে হলেও ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আপনার জন্য বিব্রতকর! এজন্য আপনার চাই স্টাইলিশ মানিব্যাগ। দেখে নিন এই ১০টি মানিব্যাগে মধ্যে কোনটি আপনার ভালো লাগে। 
 
 
তবে আবার কিন্তু উল্টোটাও আছে। মানিব্যাগ সংগ্রহ করাই অনেকের শখ। তবে শখ হোক আর প্রয়োজন—মানিব্যাগটা এখন স্টাইলের একটা অংশ হয়ে গেছে ছেলেদের কাছে। ছেলেরা এখন নানা ধরনের ওয়ালেট ব্যবহার করে। অনেকে শুধু টাকা রাখার জন্য মানিব্যাগ বেছে নেন। কেউ আবার কার্ড ও টাকা—দুটোই রাখতে চান। 
 
আবার শুধু ভিজিটিং কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড রাখার জন্য আলাদা ওয়ালেট আছে বাজারে। রঙের ক্ষেত্রে কালো মানিব্যাগের বাইরে এখন চকলেট, বাদামি, ছাই, নীল ইত্যাদি চলছে ভালো। তবে বয়স ও পেশার ওপর ভিত্তি করে ছেলেদের মানিব্যাগ বেছে নেওয়া উচিত। অনেকেই প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে বেছে নেন মানিব্যাগ। যারা চাকরি করেন, তাঁদের জন্য বেশি কার্ড রাখার জন্য পকেট আছে এমন মানিব্যাগ বেছে নেওয়া উচিৎ৷ 
 
 
তবে যারা শিক্ষার্থী তারা অনেকটা হালকা-পাতলা গোছের মানিব্যাগ কিনতে পারেন। খুব বেশি মোটা বা ভারী মানিব্যাগের চল কিছুটা কমে গেছে। তার বদলে হালকা ধরনের চামড়ার তৈরি মানিব্যাগ পছন্দ করছেন তরুণেরা। মানিব্যাগের কাটে কিছুটা ভিন্ন ধরন খোঁজেন অনেকে। তাই সেসব দিক বিবেচনায় নিয়ে নানা ধরনের মানিব্যাগ রাখা হচ্ছে শোরুমগুলোতে এবং অনলাইন শপ আজকের ডিলে ৷
 
মানিব্যাগের নানান ধরন
আজকের ডিলে রয়েছে শিক্ষার্থীদের উপযোগী আইডি কার্ড বা ছবি রাখার সুবিধাসহ এক ভাঁজের মানিব্যাগে আছে নানা রং। এ ছাড়া পাঁচ থেকে আটটি পকেটসহ আছে মানিব্যাগ। মোবাইল ফোনের সিম কার্ড বা মেমোরি কার্ড রাখার জন্য আলাদা পকেটও আছে কোনো কোনো মানিব্যাগে। অনেকেই একাধিক ক্রেডিট কার্ড নিয়ে ঝামেলায় পড়েন। শুধু ক্রেডিট কার্ড ও ভিজিটিং কার্ড রাখার জন্য আলাদা ওয়ালেট পাওয়া যায়। 
তবে সে ক্ষেত্রে ভালো মানের চেইন দেওয়া মানিব্যাগ বেছে নিন। লম্বা পার্সের মতো চিকন মানিব্যাগ এই সময়ে চলছে বেশি। ফ্যাশন সচেতন ব্যক্তিরা এ ধরনের মানিব্যাগ বেশি ব্যবহার করছেন। মানিব্যাগে নানা ধরনের প্রিন্টের চল এসেছে। বাংলাদেশের মানচিত্র, বর্ণমালা, বাঘের মুখ ইত্যাদি প্রিন্ট দেখা যাচ্ছে সেখানে। শুধু বাইরের দিকে না, ভেতরের দিকে থাকা পকেটের কাপড়ের ওপরেও বর্ণমালার প্রিন্ট আছে কোনো কোনো ব্যাগে।
 
 
এ ছাড়া কার্ড হোল্ডার, চাবি সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ওয়ালেট আছে মুঠোফোন বা ট্যাবের কভারের সঙ্গে কার্ড রাখার সুবিধা আছে অনেক ওয়ালেটে৷ গাঢ় কালো, হালকা কালো, ছাই, বাদামি, চকলেট, মেরুন, নীল, লালচে ইত্যাদি নানা ধরনের রং বেশি চলছে মানিব্যাগে। এ ছাড়া পাটের ও কাপড়ের তৈরি মানিব্যাগ মিলবে অনেক দোকানে চামড়ার তৈরি মানিব্যাগ ছাড়াও রেক্সিন, সিনথেটিক, কাপড়, পাট, বোতামের মানিব্যাগ পাবেন দোকানে।
 
দরদাম
সিনথেটিক চামড়া বা রেক্সিনের হলে দাম পড়বে ১০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে, চামড়ার হলে ৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা, পাট বা কাপড়ের মানিব্যাগ পাবেন ১০০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া কার্ড হোল্ডার পাবেন ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকায়।
 
যেখানে পাবেন
বাটা, অ্যাপেক্স, আড়ং, যাত্রা, কারিগর, ওটু, ইনফিনিটি, জেনিস, লেদারেক্সসহ বিভিন্ন চামড়াজাত পণ্যের দোকানে। এ ছাড়া এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট, ধানমন্ডির বিভিন্ন মার্কেট, গুলিস্তান, পল্টন, মালিবাগ, গুলশানের বিভিন্ন মার্কেট, যমুনা ফিউচার পার্ক ও পলওয়েল মার্কেটসহ বিভিন্ন দোকানে। এছাড়া আজকের ডিল তো রয়েছেই l কিনতে ক্লিক করুন ছবিতে ও  অথবা এই লিংকে 
*মানিব্যাগ* *ওয়ালেট* *হালফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ক্রেডিট কার্ড ওয়ালেটপ্রায় প্রতিদিনই কারও না কারও মুখ থেকে ক্রেডিট কার্ড অথবা টাকা হারানোর কথা শোনা যায়! কেউবা আবার চকচকে নোটটা খালি পকেটে রেখে দুই দিনেই লেছড়া বানিয়ে ফেলেন। ওয়েলেট ছাড়া টাকা কিংবা ক্রেডিট কার্ড দীর্ঘদিন খালি পকেটে রাখলে নষ্ট তো হবেই সাথে হারিয়ে যাবারও একটা ভায় থাকবে। তাই ক্রেডিট কার্ড ও টাকার আশ্রয় নিরাপদ করতে আপনার কাছে অবশ্যই একটি নান্দনিক ওয়ালেট থাকা চাই-ই-চাই। মানি ব্যাগে টাকা, ক্রেডিটকার্ড, ভিজিটিং কার্ড সহ অন্যান্য ছোট খাট কাগজ নিরাপদ থাকবে। এবারের আয়োজন নান্দনিক সব ওয়ালেট নিয়ে।
 
 
সিকিউরিটি ক্রেডিট কার্ড ওয়ালেট
আপনাদের ক্রেডিট কার্ড  হারানোর আশংকাকে দূর করতে বাজারে এসেছে নানা ধরনের ক্রেডিট কার্ড  ওয়ালেট। তাই ক্রেডিট কার্ড  নিয়ে চিন্তা আর নার আর না। এখন থেকে আপনার ক্রেডিট কার্ড আর হারবে না এবং বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হবে না। ক্রেডিট কার্ড ওয়ালেটে আপনি টাকা ও ভিজিটিং কার্ড সহ সব ধরনের কার্ড রাখতে পারবেন। সলিড অ্যালুমিনিয়াম ওয়ালেট আপনার গুরুত্বপূর্ণ সব ক্রেডিট কার্ডকে সুরক্ষিত রাখবে Visa card/credit card এর সুরক্ষার জন্য এটি বেশ কার্যকর। এগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি RFID স্ক্যানিং ব্লক করে দেয়; ফলে কেউ কোনো অবস্থাতেই আপনার ক্রেডিট কার্ডের গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার স্ক্যান করে নিতে পারে না।
 
 
অরিজিনাল লেদার ওয়ালেট
চামড়ার মানিব্যাগের সুনাম বিশ্বজোড়া। দীর্ঘস্থায়ী এবং টেকসই হবার কারনে এটি সর্বাধিক ব্যবহারিত। আপনার টাকা, ক্রেডিট কার্ড ও অন্যান্য টুকিটাকি কাজগ রাখার জন্য এই মানিব্যাগ গুলো খুই কার্যকরী। চামড়ার ভাল মানের ওয়ালেট গুলোতে মূলত ক্রেডিট কার্ড রাখার জন্য দুইটি পকেট এবং টাকা রাখার জন্য আলাদা দুইটি পকেটও থাকে। বাজারে চামড়ার নামে অনেকেই ভিন্ন ওয়ালেট দিয়ে আপনাকে প্রতারিত করতে পারে। তাই দেখে শুনে বিশ্বস্থ দোকান গুলো থেকে আপনার পছন্দম ত অরিজিনাল লেদার ওয়ালেট কিনে নিন।
 
 
ভিজিটিং কার্ড ওয়ালেট
নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অনেকের ভিজিটিং কার্ড নিজের কাছে রাখার প্রয়োজন হয। আবার নিজের কার্ডটিও প্রয়োজনীয় সময়ে অন্যকে দিতে হয়। এজন্য পকেটে সবসময় ভিজিটিং কার্ড থাকা চাই। কিন্তু কোথায় রাখবেন আপনার ভিজিটিং কার্ড। মানিব্যাগে তো টাকা ও অন্যান্য কাগজের চাপে ভিজিটিং কার্ড রাখার জায়গা হয় না। এজন্য নিয়ে নিতে পারেন ভিজিটিং কার্ড ওয়ালেট। বর্তমানে বাজারে ফ্যাশনেবল অনেক ধরনের ভিজিটিং কার্ড পাওয়া যায়। হাই কোয়ালিটি ও সটাইলিশ ডিজাইনের এসব ভিজিটিং কার্ডের দামও খুব একটা বেশি নয়। 
 
 
কোথায় থেকে কিনবেন
রাজধানী ঢাকা সহ দেশের সব গুলো মার্কেটেই ওয়ালেট কিনতে পাবেন। অনেক সময় রাস্তার ধারে কিংবা গাড়ির মধ্যেও অনেকে ফেরি করে ওয়ালেট বিক্রি করে কিন্তু সেগুলো ভালো মানের হয় না। বর্তমানে অনলাইন শপ গুলোতে অবশ্য ভালো মানের ওয়ালেট পাওয়া যায়। ঘোরাঘুরি না করে বাড়িতে বসেই  অনলাইন শপ থেকে আপনার পছন্দ মত ওয়ালেট কিনে নিতে পারেন। আমি একটি অনলাইন শপিং মলের লিংক দিয়ে দিলাম। আপনি এখান থেকেও পছন্দমত ওয়ালেট কিনতে পারবেন।
*ওয়ালেট* *মানিব্যাগ* *কেনাকাটা* *শপিং*

ইশতিয়াক সায়ীদ খান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

#‪#‎একটি_মানিব্যাগের_আত্ম_কাহিনী‬

আমার “ও” মাসের শুরুতে আমার দিকে কেমন জুলু জুলু চোখে চেয়ে থাকে,রাস্তায় হাটার সময় একটু পর পর আমাকে ছুয়ে দেখে আমি ঠিক আছি কিনা। মাসের শুরুতে যখন আমার স্বাস্থ্য ভালো থাকে তখন “ও” আমার পেট খুলে দেখে, কামুক দৃষ্টিতে অপলক তাকিয়ে থাকে, আমিতো বেশ লজ্জায়তেই পরে যাই তখন ,কিন্তু এই বাড়তি যত্নটুকু আমি বেশ উপভোগ করি।কিন্তু দিন যত যেতে থাকে আমার স্বাস্থ্য তত খারাপ হতে থাকে,ফুলে ফেপে থাকা পেট টাও কেমন যেন চুপসে যায় দিন দিন।আর দিন দিন কমে যায় আমার প্রতি “ও”র আগ্রহ।মাসের শেষ দিকে যখন আমার জীর্ন দশা তখন আমার প্রতি “ও”র অনাগ্রহ আর অবহেলা আমাকে কুড়ে কুড়ে খায়,আমার আর বেচে থাকতে ইচ্ছা করে না।আগেতো আমাকে সব সময় সাথে নিয়ে ঘুরতো কিন্তু এই শেষ সময়ে আমাকে নিয়ে আর বেরোয় না ,আমাকে টেবিলের উপর অথবা ড্রয়ারে অনাদরে একা ফেলে রেখে চলে যায়।
কিন্তু যার শুরু আছে তার শেষ আছে এবং সেই শেষের পর নতুন একটা শুরুও আছে।আবার যখন পরবর্তী মাস আসে শুরুর দিকে তার সেই জুলু জুলু দৃষ্টি,আলতো করে ছুয়ে দেখা আবারো ফিরে আসে,ফিরে আসে আমার হারানো সুস্বাস্থ্যটাও।

*মানিব্যাগ*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

সাবধান!!

(ভয়পাইসি)

*পুরুষের-স্বাস্থ্য* *হেলথটিপস* *মিনিটিপস* *মানিব্যাগ*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৪/৫
প্রত্যেক সফল পুরুষের পিছনে একজন নারী থাকে।
এটাই স্বাভাবিক!! ছেলেরা মানিব্যাগ পিছনের পকেটেই রাখে।
*রসিকতা* *মানিব্যাগ*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

জলিলের প্রতিবেশী
জলিল ভাই আপনার প্রতিবেশী নাদান মিঞা লোকটা কেমন? ওনার মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ের কথা হচ্ছে। আপনি তো উনাকে চেনেন?
চিনি মানে, এই তো সেদিন পাশের বাড়ির এক অনুষ্ঠানে আমাকে দেখা মাত্রই কোলাকুলি করার জন্য ছুটে এলেন। পরে বাসায় এসে দেখি পকেটে মানিব্যাগ নেই।
*প্রতিবেশী* *মানিব্যাগ*

ইমরান: [বাঘমামা-ব্যাপকমনখারাপ]

*মানিব্যাগ*

রুশদী: বাস এ উঠলে সাধারনত একটু পর পর পিছনের *পকেট* এ হাত দিয়ে *মানিব্যাগ* চেক করি, একদিন লোকাল বাস এ উঠে ভীর এর মধ্যে নিজের *পকেট* এ হাত দিতে যেয়ে আরেকজনের *পকেট* এ হাত ঢুকে গিয়েছিলো। যদিও সেই ব্যাক্তি কিছুই বুঝতে পারেনি, বাট আমার কইলজা উরে গেসিলো !!!

সেলিম রেজা: *মানিব্যাগ* আমি জীবনে কোনদিন ব্যবহার করিনি ,কারণ আমার তেমন দরকার পরেনা , (রাগারাগি)

Rana: *মানিব্যাগ* আমার নীলাঞ্জনার থেকে পেলাম উপহার. যে দেখে সেই বলে, টাকা না, এইবার পাহারা দিতে হবে তর মানি ব্যাগ. (চিন্তাকরি)(ব্যাপকটেনশনেআসি)

মোঃ শারযিল সামাদ: দিনকে দিন আমি মোটা হচ্ছি কিন্তু *মানিব্যাগ* শুকিয়ে যাচ্ছে (ব্যাপকটেনশনেআসি৩)... ভাবছি মোটাতাজা করার জন্য মানিব্যাগে কিছু ইউরিয়া ভরে রাখলে লাভ হবে কিনা (প্রশ্ন)

md.abulbasarsoppu: *মানিব্যাগ* মানিব্যাগ ছাড়া দিন যাই না যখন থাকে না টাকা উহাতে বন্ধুদের মাঝে গিয়া বলি ভুলে ফেইলা আসছি মানিব্যাগ টাকে ।

Dj Double B_Fader: *মানিব্যাগ* একটু আগে ভরা ছিল....... এখন খালি

রাকিবুল হাসান: *মানিব্যাগ* মানিব্যাগ টাকা ছাড়া খাকলে মানিব্যাগ ফেলে দেওয়ার ইচ্ছা করে...................... (মনখারাপ)

আশিকুর রাসেল: *মানিব্যাগ* হায়রে মানিব্যাগ (মাইরালা) হতাশায় আর হতাশায় মানিব্যাগই ইউজ করা ছাইরা দিছি (ব্যাপকটেনশনেআসি৩) এখন খালি পকেট লইয়া ঘুরি। ভাবতেছি *পকেট* খান ও সেলাই কৈরা দিমু (খুশী২)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★