মালদ্বীপ

মালদ্বীপ নিয়ে কি ভাবছো?

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রকৃতিতে কত বিস্ময়কর জিনিষ আছে যা আমাদের মুগ্ধ করে প্রতিনিয়ত। কত না সুন্দর ভাবে সাজানো আমাদের এই ছোট গ্রহ পৃথিবী। কিন্তু আমরা কি পৃথিবীর সকল বিস্ময়কর জায়গা সম্পর্কে জানি? মনে হয় না কেউ বলতে পারবে হ্যাঁ জানি পৃথিবীর সব বিস্ময়কর জিনিষ।তাহলে চলুন জেনে নেই প্রকৃতির বিস্ময় কর কিছু স্থান সম্পর্কে
,জ্বলজ্বলে সমুদ্র সৈকতঃ
মালদ্বীপের ভাডু  সমুদ্র সৈকত সত্যিকার অর্থে যেন এক স্বপ্নের জগত। দেখলে মনে হবে যেন বিশ্বের সব থেকে রোমান্টিক সমুদ্র সৈকত এটি। এই মিটিমিটি জ্বলজ্বল করে জ্বলতে থাকা প্রতিটা ঢেউ যেন আপনাকে নিয়ে যাবে স্বপ্নের কোন এক দুনিয়ায়। জ্বলজ্বলে জ্বলতে থাকা এই ঢেউ গুলির মধ্যে থাকে অনুজীব যেগুলি বাতাসে অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসা মাত্রই এরকম জলে ওঠে। সে যা হোক সত্যি কিন্তু এক অভুতপূর্ব দৃশ্য এটি।
ব্লু ড্রাগন নদীঃ
উপরের এই নদীর ছবি দেখলে মনে হবে যেন ফটোশপের মাধ্যমে তা বানানো হয়েছে। কিন্তু না, সত্যি সত্যি এই নদীর অস্তীত্য রয়েছে, আর এই নদীর আসল নাম "অদেলেইটি", আর এই নদী পূর্তগালে অবস্থিত। এই নীল রঙয়ের আঁকা বাকা ড্রাগন আকৃতির জন্য এই নদীকে সবাই ব্রু ড্রাহন নদী হিসেবেই চিনে।
হিলার লেকঃ
৬০০ মিটার চওয়া অষ্ট্রেলিয়ার এই লেকের পানির রঙ গোলাপি রঙয়ের। এই লেকের পানি রঙ কেন গোলাপি এই নিয়ে এখন পর্যন্ত গবেষনা চললেও ধারনা করা হয়, এই লেকের মধ্যে কম ঘনত্বের ডানেলিয়া  স্যালাইন এবং হ্যালিকোব্যাকটেরিয়াম থাকার কারনে এই রঙ হয়। যদিও এখন পর্যন্ত এই গোলাপি রঙয়ের আসল কারন আবিস্কার করা সম্ভব হয় নাই তারপরেও দেখতে কিন্তু অসম্ভব সুন্দর। সূত্রঃ ইন্টারনেট



*বিস্ময়* *হিলারলেক* *ব্লুড্রাগননদী* *সমুদ্রসৈকত* *মালদ্বীপ* *জানাঅজানা*

মাজেদুল ইসলাম জীবন: *মালদ্বীপ* মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম মালে। দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্ক এর সদস্য। মালদ্বীপ নামটি সম্ভবত "মালে দিভেহী রাজ্য" হতে ইদ্ভূত যার অর্থ হল মালে অধিকৃত দ্বীপ রাষ্ট্র । কারো কারো মতে সংস্কৃত 'মালা দ্বীপা' অর

rupanzil: ছোট বেলায় একটা বিদেশী মাগাজিনের কভার এ প্রথম *মালদ্বীপ* দেখা ..এবং সেই থেকে এখন পর্যন্ত মনের কোনে স্বপ্ন পুষে রেখেছি " একদিন *মালদ্বীপ* যাবোই যাব "

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রহস্যময়ী রূপবৈচিত্রে ভরপুর এই পৃথিবীটাকে ঘুরে দেখার শখ আমাদের সকলেরই রয়েছে। কিন্তু সাধ থাকলেও অনেকেরই সাধ্য নেই। আবার অনেকের সাধ্য থাকলেও সুন্দর এই পৃথিবীটা এতো বড় যে পুরোটা ঘুরে দেখার মত সময় হয়না। সুন্দর এই পৃথিবীতে এমন কিছু স্থান আছে যেগুলো মৃত্যুর আগে অন্তত একবার হলেও ঘুরে দেখা উচিত। রূপকথাকেও হার মানিয়ে দেবার মত তেমনি অদ্ভুত সুন্দর ও বিস্ময়কর ৬টি স্থান নিয়ে আজকের আলোচনা। আশাকরি,নতুনকে জয় করার স্বপ্ন যাদের মনে তারা একবারের জন্য হলেও পৃথিবীর এই ৬টি স্থান ঘুরে দেখবেন।

চীনের রিড ফ্লুট গুহা
ছবিতে যে আলোকিত স্থানটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি চীনের রিড ফ্লুট গুহা। ২৪০ মিটার দীর্ঘ এই গুহা প্রায় ১২০০ বছর ধরে চীনের অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান। পানির প্রতিফলন ও আলো আধারিতে সৃষ্টি হওয়া নানান রঙের প্রাকৃতিক আলোতে স্বর্গের কোনো স্থান বলে মনে হয় গুহাটিকে।




বলিভিয়ার সালার ডি ইউনি
বৃষ্টির মৌসুমে পৃথিবীর সবচাইতে বড় সল্ট ফ্ল্যাট পরিণত হয় পৃথিবীর সবচাইতে বড় আয়নায়। প্রাচীন অনেক গুলো লেকের সমন্বয়ে তৈরী হয়েছে সালার সালার ডি ইউনি। বৃষ্টির সময় পুরো আকাশের প্রতিবিম্ব দেখা যায় বলে এটাকে বিশাল একটি আয়না বলে মনে হয়।




মালদ্বীপের তারার সমুদ্র
ভেবে দেখুনতো, একটি সমুদ্রের সামনে বসে আছেন আপনি। আপনার সামনে সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে বার বার। আর সমুদ্রের পানিতে ভাসছে অসংখ্য তারা! ঠিক এমনই একটি সমুদ্র আছে মালদ্বীপে। তবে সমুদ্রের পানিতে যেগুলোকে জ্বলজ্বল করতে দেখছেন সেগুলো তারা নয়। সন্ধ্যায় অন্ধকার হয়ে গেলেই হলেই অসংখ্য ফাইটোপ্লাঙ্কটন জ্বলজ্বল করে এই সমুদ্রের পানিতে।




আমেরিকার অ্যারিজোনার আন্টেলপ গিরিখাত
আমেরিকার অ্যারিজোনার আন্টেলপ গিরিখাতটি বহুবছর আগে পানির প্রবাহের ফলে সৃষ্টি হয়। বেশ চাপা এই গিরিখাতটিতে তেমন আলো প্রবেশ করতে না পারলেও সৃষ্টি হয় নানান রঙের। প্রাকৃতিক এই রঙের খেলার কারণে এই স্থানটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান হিসেবে পরিচিত।




ফিনল্যান্ডের মেরুঅঞ্চলের প্রহরী
ভাবছেন বরফের মধ্যে এগুলো কি তাই না? এগুলো ফিনল্যান্ডের মেরুঅঞ্চলের প্রহরী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বাস্তবে এগুলো হলো বরফে ঢেকে যাওয়া উঁচু উঁচু গাছ। তাপমাত্রা -৪০ থেকে -১৫ এর মধ্যে থাকলে এই অঞ্চলের গাছ গুলো দেখতে এরকম হয়ে যায়।




নিউজিল্যান্ডের ওয়েটোমোর জোনাকির গুহা
নিউজিল্যান্ডের ওয়েটোমোরে আছে একটি অসাধারণ গুহা। এই গুহার বৈশিষ্ট্য হলো গুহাটির ছাদে ও দেয়ালের গায়ে লেগে থাকে লক্ষ লক্ষ জোনাকি পোকা। জোনাকি পোকার আলোতেই আলোকিত হয়ে থাকে গুহাটি। দেখে মনে হয় গুহার দেয়ালে ও ছাদে মিট মিট করে জ্বলছে অসংখ্য তারা। সত্যিই অসাধারণ সুন্দর একটি স্থান।

ভ্রমন পিপাসু বন্ধুরা, সাধ্য এবং সাধ দুটোই যাদের আছে তারা অবশ্যই রহস্যময়ী অদ্ভূত সুন্দর এই স্থানগুলো দেখতে ভুল করবেন না। ঘুরে আসুন পৃথিবীর দর্শনীয় স্থান গুলো থেকে আর আপনার ভ্রমনের অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করুন।
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *বিদেশভ্রমন* *মালদ্বীপ* *আমেরিকা* *ফিনল্যান্ড* *চীন* *ভ্রমনগাইড*
৪/৫

মেহেদী হাসান: আপনি প্রথিবীর যেখানেই যান না কেন, এয়ারপোর্ট নেমে সাধারণত গাড়ি,টাক্সি খুজবেন.. *মালদ্বীপ* এমন এক জায়গা যেখানে আপনাকে এয়ারপোর্ট নেমেই খুজতে হবে স্পিড বোট অথবা এয়ার টেক্সী আমরা যেটাকে উড়োজাহাজ বলি..!!! সবই তার ইচ্ছা..

*মালদ্বীপ*

Md. Tarekur rahman: *মালদ্বীপ* বাংলাদেশ এর কোন জায়গা তে .

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এই পৃথিবীটা যেন বিধাতা তার কুদরতি হাতে গড়ে তোলেছেন! পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র ও স্থানকে ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য প্রদান করেছেন। তেমনি ভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য সম্বলিত মন হারা নজর-কাড়া মায়বী রূপের দেশ হচ্ছে মালদ্বীপ। চলুন মালদ্বীপের রূপ বৈচিত্র সম্পর্কে জেনে নেই।

মালদ্বীপের জনপ্রিয়তার কারনঃ
পৃথিবীর অন্যতম  দেশ ভারত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ! প্রকৃতি যেন এখানে দু'হাত ভরে সাজিয়েছে_যা দুনিয়াজোড়া মানুষকে মুগ্ধ করে।  মালদ্বীপের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যই পর্যটকদের কাছে মালদ্বীপকে এতোটাই জনপ্রিয় করে তোলেছে। জেনে হয়তবা অবাক হবেন কিন্তু কথা সত্য! মালদ্বীপের প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন। প্রতি বছর বিশ্বের নানা প্রান্তর থেকে লাখ লাখ পর্যটক মালদ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন। এক ঋতুর দেশটির উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম মিলে রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার ছোট ছোট দ্বীপ। এ দ্বীপগুলোর সমন্বয়েই সৃষ্টি মালদ্বীপ। 

মালদ্বীপে দেখার মত যা যা রয়েছেঃ
পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র মালদ্বীপেই বিশালকায় সাবমেরিনে করে সমুদ্রর তলদেশে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। যা পর্যটকদের ১২০ ফুট গভীর সমুদ্রর তলদেশ পর্যন্ত নিয়ে যায়। গভীর সমুদ্রর তলদেশে বিশাল বিশাল মাছ, গাছ-গাছালি, ভয়ংকর প্রাণী, উঁচু-নিচু পাহাড় দেখে মুগ্ধ হন পর্যটকরা।

সমুদ্রর তলদেশে ভ্রমণ এতই রোমাঞ্চকর যে, বারবার ফিরে আসতে ইচ্ছে করে মালদ্বীপে। সমুদ্র উপকূলের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য রয়েছে সাফারিবোট। যা উপকূল থেকে পর্যটকদের নিয়ে যায় গভীর সমুদ্রে। সৌন্দর্য পিপাসুদের দেয় অনাবিল আনন্দ। এক একটি সাফারিবোট ১৫-২০ দিনের জন্য ২০-২৫ জন পর্যটক নিয়ে পাড়ি জমায় গভীর সমুদ্র ভ্রমণের পথে। সাফারিবোটে ভ্রমণের অংশ হিসেবে পর্যটকরা দক্ষ ও প্রশিক্ষিত গাইড, অক্সিজেন, ওয়াটার প্রুফ জ্যাকেট নিয়ে পাড়ি জমায় অজানার উদ্দেশ্যে। পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য মালদ্বীপে রয়েছে প্রায় ২০০র বেশি সাফারিবোট।

মালদ্বীপের আরেক বিস্ময় হল সমুদ্রের মাঝখানে স্কয়ার সাইজের কয়েক কিলোমিটার জায়গা। যেখানে নেই কোন সাগরের ঢেউ, মনে হয় পুকুরের পানির মতো নীরব হয়ে আছে। এই জায়গায় পর্যটকরা নির্ভয়ে সাঁতার কাটে। স্পিডবোটে চড়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন। এখানে দেখা মিলে বিরল প্রজাতির পানি কাটা পাখি।

পর্যটকরা যখন রাজধানী মালে আসেন তখন প্রথমে তাদের মন কেড়ে নেয় একটি পার্ক। সেই পার্কে রয়েছে শত শত কবুতর। এই কবুতরের সঙ্গে পর্যটকরা মনে খুলে আনন্দ-উল্লাস করে।

মালদ্বীপে আসা বাংলাদেশী পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ মালদ্বীপের রাজধানী মালের বড় মসজিদটি। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় থাকে এই মসজিদটি দেখার জন্য।

মালদ্বীপে বহু বছরের পুরনো অনেক ছোট ছোট মসজিদ আছে, যা পর্যটকদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। মালদ্বীপের জাদুঘর পৃথিবীর সমৃদ্ধ জাদুঘরগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে রয়েছে তাদের পুরনো স্থানীয় মুদ্রা, বিশাল বিশাল মাছের কংকাল, মালদ্বীপের লোকজ শিল্পের সংগ্রহ। এ সব কিছু ছাড়াও ছোট বড় দ্বীপের সমাহার তো থাকছেই।

*মালদ্বীপ* *মালদ্বীপভ্রমন* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনগাইড*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পৃথিবীর অন্যতম নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত দেশ ভারত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ! প্রকৃতি যেন এখানে দু'হাত ভরে সাজিয়েছে, যা দুনিয়াজোড়া মানুষকে করে মুগ্ধ। আর এ কারণেই এ দেশের প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন। প্রতি বছর বিশ্বের নানা প্রান্তর থেকে লাখ লাখ পর্যটক মালদ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন। এক ঋতুর দেশটির উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম মিলে রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার ছোট ছোট দ্বীপ। এ দ্বীপগুলোর সমন্বয়েই সৃষ্টি মালদ্বীপ। 

 
সংস্কৃত শব্দ 'দ্বীপমালা' শব্দ থেকেই মালদ্বীপ। আবার কেউ কেউ বলে, 'মালে দিভেই রাজে'_ এই কথা থেকে মালদ্বীপ শব্দটির উদ্ভব। 'মালে দিভেই রাজে'_ এই কথার অর্থ, 'দ্বীপরাজ্য'। অনেকে মালদ্বীপকে মহলদ্বীপও বলে। মহল মানে (আরবিতে) প্রাসাদ। দ্বাদশ শতক থেকেই মালদ্বীপের মুসলিম শাসন। ইবনে বতুতা মালদ্বীপ গিয়েছিলেন ১৩৪৩ খ্রিস্টাব্দে। ইবনে বতুতা ও অন্য আরব পর্যটকরা এই অঞ্চলকে 'মহাল দিবিয়াত' নামে উল্লেখ করেছেন। আরবিতে মহাল অর্থ প্রাসাদ। বর্তমানে এই নামটিই মালদ্বীপের রাষ্ট্রীয় প্রতীকে লেখা হয়। সংস্কৃতে মালদ্বীপকে লক্ষদ্বীপও বলা হয়েছে। এর অর্থ লক্ষ দ্বীপের সমাহার। আসলে মালদ্বীপ লক্ষ দ্বীপের সমাহার নয়; রয়েছে ২৬টি অ্যাটোল। (অ্যাটোল মানে লেগুন ঘেরা প্রবাল দ্বীপ) ২৬টি অ্যাটোল আর ১১৯২টি ক্ষুদ্র দ্বীপ। যার মধ্যে কেবল ২০০টি বাসযোগ্য। প্রাচীন শ্রীলংকার ঐতিহাসিক গ্রন্থে মালদ্বীপকে বলা হয়েছে মহিলা দ্বীপ।

 
মালদ্বীপের বর্তমান জনসংখ্যা তিন লাখের কিছু বেশি। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে রয়েছে অত্যাধুনিক মালে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। মালদ্বীপের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কল্যাণে পর্যটকরা অনায়াসে ছুটে বেড়াতে পারেন এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে। পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র মালদ্বীপেই বিশালকায় সাবমেরিনে করে সমুদ্রর তলদেশে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। যা পর্যটকদের ১২০ ফুট গভীর সমুদ্রর তলদেশ পর্যন্ত নিয়ে যায়। গভীর সমুদ্রর তলদেশে বিশাল বিশাল মাছ, গাছ-গাছালি, ভয়ংকর প্রাণী, উঁচু-নিচু পাহাড় দেখে মুগ্ধ হন পর্যটকরা। সমুদ্রর তলদেশে ভ্রমণ এতই রোমাঞ্চকর যে, বারবার ফিরে আসতে ইচ্ছে করে মালদ্বীপে। সমুদ্র উপকূলের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য রয়েছে সাফারিবোট। যা উপকূল থেকে পর্যটকদের নিয়ে যায় গভীর সমুদ্রে। সৌন্দর্য পিপাসুদের দেয় অনাবিল আনন্দ। এক একটি সাফারিবোট ১৫-২০ দিনের জন্য ২০-২৫ জন পর্যটক নিয়ে পাড়ি জমায় গভীর সমুদ্র ভ্রমণের পথে। সাফারিবোটে ভ্রমণের অংশ হিসেবে পর্যটকরা দক্ষ ও প্রশিক্ষিত গাইড, অক্সিজেন, ওয়াটার প্রুফ জ্যাকেট নিয়ে পাড়ি জমায় অজানার উদ্দেশ্যে। পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য মালদ্বীপে রয়েছে প্রায় ২০০র বেশি সাফারিবোট। 


মালদ্বীপের অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য ইউরোপের দেশগুলো থেকে আসছে হাজার হাজার পর্যটক। এ কারণে শত শত হোটেল রিসোর্ট সব সময় থাকে মুখরিত। মালদ্বীপের আরেক বিস্ময় হল সমুদ্রের মাঝখানে স্কয়ার সাইজের কয়েক কিলোমিটার জায়গা। যেখানে নেই কোন সাগরের ঢেউ, মনে হয় পুকুরের পানির মতো নীরব হয়ে আছে। এই জায়গায় পর্যটকরা নির্ভয়ে সাঁতার কাটে। স্পিডবোটে চড়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন।
 
এখানে দেখা মিলে বিরল প্রজাতির পানি কাটা পাখি। পর্যটকরা যখন রাজধানী মালে আসেন তখন প্রথমে তাদের মন কেড়ে নেয় একটি পার্ক। সেই পার্কে রয়েছে শত শত কবুতর। এই কবুতরের সঙ্গে পর্যটকরা মনে খুলে আনন্দ-উল্লাস করে।

 

মালদ্বীপে আসা বাংলাদেশী পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ মালদ্বীপের রাজধানী মালের বড় মসজিদটি। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় থাকে এই মসজিদটি দেখার জন্য। দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার প্রবাসী শ্রমিক কাজ করছে। তার মধ্যে বাংলাদেশীদের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার।

 

মালদ্বীপে বহু বছরের পুরনো অনেক ছোট ছোট মসজিদ আছে, যা পর্যটকদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। মালদ্বীপের জাদুঘর পৃথিবীর সমৃদ্ধ জাদুঘরগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে রয়েছে তাদের পুরনো স্থানীয় মুদ্রা, বিশাল বিশাল মাছের কংকাল, মালদ্বীপের লোকজ শিল্পের সংগ্রহ।
 
মালদ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের তুলনা মালদ্বীপ নিজেই। তাই এই প্রাকৃতিক রূপ আর সৌন্দর্যের জন্য দুনিয়ার পর্যটকরা এই ভ্রমণ তীর্থে ছুটে আসে। 

সূত্র : ইন্টারনেট 
*মালদ্বীপ* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমন* *ভ্রমনগাইড* *ভ্রমনটিপস* *ট্রাভেল*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★