মালদ্বীপ ভ্রমন

মালদ্বীপভ্রমন নিয়ে কি ভাবছো?

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এই পৃথিবীটা যেন বিধাতা তার কুদরতি হাতে গড়ে তোলেছেন! পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র ও স্থানকে ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য প্রদান করেছেন। তেমনি ভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য সম্বলিত মন হারা নজর-কাড়া মায়বী রূপের দেশ হচ্ছে মালদ্বীপ। চলুন মালদ্বীপের রূপ বৈচিত্র সম্পর্কে জেনে নেই।

মালদ্বীপের জনপ্রিয়তার কারনঃ
পৃথিবীর অন্যতম  দেশ ভারত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ! প্রকৃতি যেন এখানে দু'হাত ভরে সাজিয়েছে_যা দুনিয়াজোড়া মানুষকে মুগ্ধ করে।  মালদ্বীপের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যই পর্যটকদের কাছে মালদ্বীপকে এতোটাই জনপ্রিয় করে তোলেছে। জেনে হয়তবা অবাক হবেন কিন্তু কথা সত্য! মালদ্বীপের প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন। প্রতি বছর বিশ্বের নানা প্রান্তর থেকে লাখ লাখ পর্যটক মালদ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন। এক ঋতুর দেশটির উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম মিলে রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার ছোট ছোট দ্বীপ। এ দ্বীপগুলোর সমন্বয়েই সৃষ্টি মালদ্বীপ। 

মালদ্বীপে দেখার মত যা যা রয়েছেঃ
পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র মালদ্বীপেই বিশালকায় সাবমেরিনে করে সমুদ্রর তলদেশে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। যা পর্যটকদের ১২০ ফুট গভীর সমুদ্রর তলদেশ পর্যন্ত নিয়ে যায়। গভীর সমুদ্রর তলদেশে বিশাল বিশাল মাছ, গাছ-গাছালি, ভয়ংকর প্রাণী, উঁচু-নিচু পাহাড় দেখে মুগ্ধ হন পর্যটকরা।

সমুদ্রর তলদেশে ভ্রমণ এতই রোমাঞ্চকর যে, বারবার ফিরে আসতে ইচ্ছে করে মালদ্বীপে। সমুদ্র উপকূলের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য রয়েছে সাফারিবোট। যা উপকূল থেকে পর্যটকদের নিয়ে যায় গভীর সমুদ্রে। সৌন্দর্য পিপাসুদের দেয় অনাবিল আনন্দ। এক একটি সাফারিবোট ১৫-২০ দিনের জন্য ২০-২৫ জন পর্যটক নিয়ে পাড়ি জমায় গভীর সমুদ্র ভ্রমণের পথে। সাফারিবোটে ভ্রমণের অংশ হিসেবে পর্যটকরা দক্ষ ও প্রশিক্ষিত গাইড, অক্সিজেন, ওয়াটার প্রুফ জ্যাকেট নিয়ে পাড়ি জমায় অজানার উদ্দেশ্যে। পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য মালদ্বীপে রয়েছে প্রায় ২০০র বেশি সাফারিবোট।

মালদ্বীপের আরেক বিস্ময় হল সমুদ্রের মাঝখানে স্কয়ার সাইজের কয়েক কিলোমিটার জায়গা। যেখানে নেই কোন সাগরের ঢেউ, মনে হয় পুকুরের পানির মতো নীরব হয়ে আছে। এই জায়গায় পর্যটকরা নির্ভয়ে সাঁতার কাটে। স্পিডবোটে চড়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন। এখানে দেখা মিলে বিরল প্রজাতির পানি কাটা পাখি।

পর্যটকরা যখন রাজধানী মালে আসেন তখন প্রথমে তাদের মন কেড়ে নেয় একটি পার্ক। সেই পার্কে রয়েছে শত শত কবুতর। এই কবুতরের সঙ্গে পর্যটকরা মনে খুলে আনন্দ-উল্লাস করে।

মালদ্বীপে আসা বাংলাদেশী পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ মালদ্বীপের রাজধানী মালের বড় মসজিদটি। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় থাকে এই মসজিদটি দেখার জন্য।

মালদ্বীপে বহু বছরের পুরনো অনেক ছোট ছোট মসজিদ আছে, যা পর্যটকদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। মালদ্বীপের জাদুঘর পৃথিবীর সমৃদ্ধ জাদুঘরগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে রয়েছে তাদের পুরনো স্থানীয় মুদ্রা, বিশাল বিশাল মাছের কংকাল, মালদ্বীপের লোকজ শিল্পের সংগ্রহ। এ সব কিছু ছাড়াও ছোট বড় দ্বীপের সমাহার তো থাকছেই।

*মালদ্বীপ* *মালদ্বীপভ্রমন* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনগাইড*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★