মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়া নিয়ে কি ভাবছো?

গাজী আজিজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ডিহাইড্রেশন এবং সানবার্ণ 

বিষুবরেখার একেবারে কাছাকাছি ২ থেকে ৭ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দেশটির অবস্থান। সারাবছর ধরে প্রখর সূর্যকিরণ দেশটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ঘামের কারণে পানিশূন্যতা, লবণের ঘাটতি এবং সানবার্ণের ঝুঁকিতে থাকেন অনভ্যস্ত ভ্রমণকারীরা। প্রচুর পানি পান করতে হবে, লবণের ঘাটতি পূরণের জন্য স্যালাইন জাতীয় পানীয় পান করতে হবে। এ অবস্থায় অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় আরও ক্ষতিকর। আর সর্বোপরি উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় উপযোগী পোশাক সাথে নিতে হবে।

 

মাদক

মালয়েশিয়ায় মাদকসংক্রান্ত আইন অত্যন্ত কঠোর। মাদক পরিবহন, উৎপাদন, আমদানী, রপ্তানী এসব ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত। ১৫ গ্রামের বেশি হেরোইন, ৩০ গ্রামের বেশি মরফিন বা কোকেন, ৫০০ গ্রামের বেশি গাঁজা, ২০০ গ্রামের বেশি গাঁজা নির্যাস, ১ কেজি ২০০ গ্রামের বেশি আফিম কারো অধিকারে থাকলে তা দোষী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট।

 

এছা্ড়া মাদকের অবৈধ ব্যবহারে সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাভোগ করতে হতে পারে, উচ্চ অংকের জরিমানা হতে পারে কিংবা উভয় শাস্তি হতে পারে। কারো কাছে মাদক না পাওয়া গেলেও যদি মাদক ব্যবহারের আলামত পাওয়া যায় তবে শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ অবস্থায় মাদক মালয়েশিয়ার বাইরে ব্যবহৃত হয়েছে এটা প্রমাণ করেও লাভ হবে না।

 

কেনাকাটা

মালয়েশিয়ায় কেনা প্রতিটি পণ্যে ৩০% শুল্ক দিতে হয়।

 

ট্যাক্সি

সম্প্রতি ট্যাক্সি ক্যাবের ভাড়া পুননির্ধারণ করা হয়েছে মালয়েশিয়ায় এবং মিটার ছাড়া চুক্তিতে ট্যাক্সি চালানো নিষিদ্ধ। কিন্তু সেখান অসাধু ট্যাক্সি ড্রাইভারের সংখ্যা একেবারে কম নয়। মালয়েশিয়ায় নতুন, এটা বুঝতে পারলে অনেক ট্যাক্সি ড্রাইভার ঘুরপথে গন্তব্যে যায় বেশি বিল তোলার জন্য। আবার সেখানে অবৈধ রেজিস্ট্রেশনবিহীন ট্যাক্সি রয়েছে যা ছদ্মবেশী ছিনতাইকারীরা চালায়।

ধর্মীয় স্থাপনা পরিদর্শন

মালয়েশিয়ার ধর্মীয় স্থাপনা যেমন মসজিদ বা মন্দিরে প্রবেশের সময় জুতা খোলারা রেওয়াজ আছে। কিছু মসজিদে প্রবেশের সময় নারীদের আলখেল্লা জাতীয় পোশাক এবং স্কার্ফ দেয়া হয়। এসব জায়গায় ছবি তোলায় বিধিনিষেধ নেই, তবে ছবি তোলার আগে অনুমতি নেয়া ভালো।

 

হাত মেলানো

মালয়েশিয়ায় নারী-পুরুষ উভয়ের মাঝেই হাত মেলানোর রীতি আছে। তবে মুসলিম নারীদের মাঝে এক্ষেত্রে অনীহা থাকতে পারে। কাজেই হাত মেলানোর ক্ষেত্রে নারীদের দিকে থেকে হাত বাড়ানোর জন্য অপেক্ষা করা উচিত। সামাজিকভাবে সালাম আদানপ্রদান হাত মেলানোর মতই বিবেচিত হয়।

 

মালয়েশীয় বাড়িতে বেড়ানো

কারো বাড়ি যাওয়ার আগে ফোন করা ভদ্রতা বলে বিবেচিত হয়। অবশ্যই জুতা খুলে প্রবেশ করতে হবে। সাধারণত পানীয় পরিবেশন করা হয়, যা গ্রহণ করাটা ভদ্রতা বলে বিবেচিত হয়।

 

মশা

সারাবছর ধরে আর্দ্র আবহাওয়া থাকার কারণে মশার উৎপাতও আছে দেশটিতে। মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ যেমন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু জ্বর, জাপানী বি এনকেফালাইটিস ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি এড়াতে শরীরে এবং পোশাকে মশা নিবারক ব্যবহার করা উচিত। মালয়েশীয় উপদ্বীপে ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি খুব কম। কুয়ালালামপুর এবং অন্যান্য বড় শহরগুলিতেও ঝুঁকি খুব কম। কিন্তু পূর্ব মালয়েশিয়া ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হয় ভ্রমণকারীদের।

 

খাবার

খাদ্যের মান বিবেচনায় বলতে হয় পুরো মালয়েশিয়াতেই খাবারের মান বেশ ভালো। তবু খাবার ও পানীয় কেনার সময় মানের দিকটিতে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। বোতলজাত পানি ও কার্বনেটেড পানীয় পান করার চেষ্টা করতে হবে। ট্যাপ, ঝরনার পানি বা কিউব বরফ এড়িয়ে চলতে হবে। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং ফিল্টার সাথে রাখা যেতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও এন্টিবায়োটিক সাথে রাখা ভালো।

 

অন্যান্য

বিক্ষোভ সমাবেশ মালয়েশিয়ায় খুব একটা হয় না, কিন্তু সাম্প্রতিককালে কিছু বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে এবং পুলিশ শক্ত হাতে তা দমন করেছে। কাজেই যারা বাইরে থেকে মালয়েশিয়া ভ্রমণে যাবেন, তাদের উচিত হবে যে কোন মূল্যে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দূরে থাকা।

 
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ছুটিতেভ্রমন* *মালয়েশিয়া* *বিদেশভ্রমন*

গাজী আজিজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে


 
 চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ সরকারিভাবে উৎসাহিত করা হয় এমন অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে মালয়েশিয়া একটি। একারণে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা দেশটির প্রচলিত আইনে যথেষ্টই সুরক্ষা পান। চিকিৎসাসেবার মান নিয়েও উদ্বেগ নেই।

 

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের মত উন্নত দেশগুলো থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসা চিকিৎসকগণ সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে চিকিৎসা দেন।

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের চিকিৎসা ব্যয় যেখানে দিনে দিনে আকাশছোঁয়া হয়ে উঠছে, সেখানে মালয়েশিয়া সারা বিশ্বের রোগীদের জন্য কম খরচে বিশ্বমানের চিকিৎসা দিচ্ছে।  পশ্চিমা দেশগুলোয় চিকিৎসা নিতে যে পরিমাণ খরচ হয় তার চেয়েও কম খরচে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা নেয়া এবং ছুটি কাটানো দু’টিই সম্ভব।

 

উন্নত থাকার ব্যবস্থা ছাড়াও সবচেয়ে বড় যে সুবিধাটি বিদেশী রোগীরা পান সেটি হচ্ছে মালয়েশিয়ার হাসপাতালগুলোয় চিকিৎসকসহ সবধরনের কর্মীই ইংরেজী কথোপকথনে সক্ষম।

 

হাসপাতালের কাছাকাছি থাকার জায়গা নির্বাচন করতে হবে। মাঝারি মানের হোস্টেলগুলোয় আরামদায়ক বিছানার পাশাপাশি ওয়াটার হিটার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে। বেশি সাশ্রয়ী হোস্টেলে এসব সুবিধা না থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর উচ্চমানের হোস্টেলগুলোয় থাকার ব্যবস্থা যে যথেষ্ট উচ্চমানের সেটা বলাই বাহুল্য। অবশ্য অনেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই থাকার ব্যবস্থাও করে।হাসপাতালগুলোয় মুসলিম রোগীদের জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

 

চিকিৎসার জন্য যাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখা দরকার:

 

  • পূর্বে চিকিৎসা নিয়ে থাকলে ব্যবস্থাপত্র বা প্রেসক্রিপশন, এক্স-রে রিপোর্টসহ অন্যান্য কাগজপত্র নেয়া হল কিনা।
  • ক্রেডিট কার্ডের মেয়াদ আছে কিনা। প্রয়োজনে মেয়াদ বাড়িয়ে নেয়ার জন্য করণীয় জেনে রাখা।
  • অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হতে পারে, তাই অর্থ স্থানান্তর পদ্ধতি সম্পর্কে আগেই ধারণা রাখা।
  • বিমা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিকমত রাখা।

 

মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ভ্রমণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হাসপাতালগুলোর মধ্যে রয়েছে:

 

  • আসুনতা হাসপাতাল: প্রায় পাঁচ দশকের ঐতিহ্য রয়েছে ৩৪৪ শয্যার এই হাসপাতালটির। ওয়েবসাইট: http://www.assunta.com.my/
  • মালয়েশিয়া কলাম্বিয়া এশিয়া হাসপাতাল, বুকিত রিমাউ: http://www.columbiaasia.com/bukit-rimau/
  • গ্লেন এগলস হাসপাতাল: রাজধানী কুয়ালালামপুরে হাসপাতালটির অবস্থান। শয্যা সংখ্যা ৩৩০। ওয়েবসাইট: http://www.gleneagleskl.com.my/
  • ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট: কুয়ালালামপুরে অবস্থিত, শয্যা সংখা ৪২৪। ওয়েবসাইট: http://www.ijn.com.my/
  • কেপিজে তাওয়াক্কাল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল: শয্যা সংখ্যা ১৫০, রাজধানীর শপিং মল আর পাঁচ তারকা হোটেল এলাকায় হাসপাতালটির অবস্থান। ওয়েবসাইট: http://www.tawakal.kpjhealth.com.my/
  • পানতাই হাসপাতাল: ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজধানীতে অবস্থিত এ হাসপাতালটির বর্তমান শয্যা সংখ্যা ৩৩২। ওয়েবসাইট: http://www.pantai.com.my/pantai-hospital-kuala-lumpur
  • তামান দেশা মেডিকেল সেন্টার: অবস্থান রাজধানী কুয়ালামাপুরে, শয্যা সংখ্যা ১২৮। ওয়েবসাইট: http://www.tdmc.com.my/
  • টুং শিন হাসপাতাল: ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। অবস্থান রাজধানীতে, শয্যা সংখ্যা ২৩৮। ওয়েবসাইট: http://www.tungshin.com.my/
  • ইউ এম স্পেশালিস্ট সেন্টার: অবস্থান রাজধানীতে। শয্যা সংখ্যা ৭০। ওয়েবসাইট: http://www.umsc.my/

 

মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ভ্রমণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হাসপাতালগুলোর পূর্ণ তালিকা পাওয়া যাবে এই লিংকে: http://www.hospitals-malaysia.org/portal/index.asp?menuid=42

*স্বাস্থ্যতথ্য* *মালয়েশিয়া* *বিদেশেচিকিৎসা*

গাজী আজিজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে



নানা সংস্কৃতির মানুষের নানা উৎসবের রং তো আছেই। এছাড়া সমুদ্র সৈকত, বন, শপিংমল ইত্যাদি মিলিয়ে পর্যটকদের এক আকর্ষণীয় গন্তব্য মালয়েশিয়া। রাজধানীর সিটি সেন্টার কেনাকাটার জন্য আকর্ষণীয় জায়গা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় দশটি শপিং মলের তিনটির অবস্থানই এ শহরে।

 

এছাড়া পেট্টোনাস টুইন টাওয়ার আরেকটি গন্তব্য হতে পারে। ৪৫১.৯ মিটার উঁচু এই টাওয়ারটি বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন ছিল একসময়। এখনো এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ টুইন টাওয়ার।

 

প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় অবস্থিত পুত্রজায়া মসজিদও আরেকটি দর্শনীয় স্থান। ১৫ হাজার মানুষ একসাথে নামাজ আদায় করতে পারে এখানে। মসজিদটির বেজমেন্টের দেয়াল মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় অবস্থিত বাদশাহ হাসান মসজিদের অনুকরণে তৈরি। এ অঞ্চলের উচ্চতম মিনারগুলোর একটি হচ্ছে পুত্রজায়া মসজিদের মিনার।

 

লেকে নৌবিহার

পুত্রজায়া মসজিদ, পুত্রজায়া সেতু এবং বিভিন্ন সুরম্য সরকারি অট্টালিকা সহজে দেখার একটি উপায় হচ্ছে পুত্রজায়া লেকে নৌবিহার। সাধারণ নৌযানের পাশাপাশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নৌযানে ভ্রমণের সুযোগও আছে। এছাড়া অল্প কয়েকজনের ছোট ছোট দলে ছাদ খোলা নৌকায়ও ভ্রমণ করা যায়।

 
*মালয়েশিয়া* *বিদেশভ্রমণ* *ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মালেশিয়াতে বেস্ট টুরিস্ট ডেসটিনেশনগুলো কি কি? এবং কেন সেগুলোই বেস্ট?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*মালয়েশিয়া* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমন* *ট্রাভেল*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যারা নিখাদ প্রকৃতি দেখতে যেতে চান কোথাও, তাদের জন্য কিনাবাটাঙ্গান ওয়াইল্ডলাইফ স্যাঙ্কচুয়ারি। পশ্চিমা ট্রেন্ড ধরে এখন অনেকেই হানিমুন করতে যেতে চান নিখাদ প্রকৃতির কোলে। তাদের জন্য বোর্নিওর এই রেইন ফরেস্ট আদর্শ। কিনাবাটাঙ্গান নদীতে বোট ট্রিপ, রাত ও দিনের আলাদা সাফারিতে বোর্নিওর বিপন্ন প্রাণীগুলোকে দেখার অভিজ্ঞতা একেবারেই অন্য রকম। ওরাংওটাং, প্রবোসিস বানর, রুপালি হনুমান, ধনেশ এ জঙ্গলের মূল আকর্ষণ। আবার যারা আরও অ্যাডভেঞ্চার চান, কুমির ভরা নদীতে কায়াকিং করতে পারেন। জঙ্গলের মধ্যে একটা আস্ত বাংলো হানিমুনার্সদের জন্য বরাদ্দ থাকে।

সূত্র: ম্যাগাজিন 
*মালয়েশিয়া* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *মধুচন্দ্রিমা* *হানিমুন*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সামর্থ্য থাকলেই সবার ইচ্ছা হয় চোখ মেলে বিশ্বের সৌন্দর্যকে উপভোগ করতে। তবে ইচ্ছা ও সামর্থ্য থাকলেই হয় না। সবার আগে প্রয়োজন হয় যে দেশে যাবেন সেদেশের সরকারের অনুমোদন পত্র বা ভিসা। আর এ ভিসা পেতেই ভ্রমণকারীকে পড়তে হয় সবচেয়ে বেশি ঝামেলায়। তাই জেনে নিতে পারেন ভ্রমণ পিয়াসুদের জন্য প্রথম পছন্দের দেশ মালয়েশিয়ার ভিসা পাওয়ার উপায়।

মালয়েশিয়া সরকার প্রধানত দু’ধরনের ভিসা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো রেফারেন্স ছাড়া ভিসা (বি ডব্লিউ টি আর)। বিভিন্ন দেশে মালয়েশীয় মিশন থেকে এ ধরনের ভিসা ইস্যু করা হয়। এ ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৪ দিন অবস্থানের অনুমতি দেয়া হয়।মেয়াদ বৃদ্ধির কোন সুযোগ নেই।
এ ভিসার জন্য আবেদন করার আগেই ভ্রমণকারীকে ফেরার টিকেট কাটতে হবে। তবে মালয়শিয়া ভ্রমণের পর অন্য দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে সে দেশে যাওয়ার বিমান টিকেট থাকলে হবে।

দ্বিতীয়ত, রেফারেন্সসহক দেওয়া ভিসা (বি ডব্লিউ আর)। মালয়েশীয় ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদনের মাধ্যমে এ ভিসা ইস্যু করা হয়। মালয়েশিয়া প্রবেশের আগেই মালয়েশিয়ান কনস্যুলেট বা দূতাবাস থেকে এ ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। কেবলমাত্র ব্যবসা ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এই ভিসা ইস্যু করা হয়। ভ্রমণটি মালয়োশীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে স্পন্সর করতে হবে। যে প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করবে সেটি অবশ্যই একটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান হতে হবে এবং ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টে ফর্ম ৯, ২৪ এবং ৪৯ জমা দিতে হবে।

এ ভিসার আবেদন করতে স্পন্সরকে জনপ্রতি দুই হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। ভ্রমণকারী সর্বোচ্চ ৩০ দিন অবস্থান করতে পারবেন এবং মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ নেই।

যেভাবে আবেদন করতে হয়:

ভিসা আবেদন ফরমটি অনলাইনে(www.imi.gov.my)সাইট থেকে ডাউনলোড করে যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দিতে হবে। সরাসরি ভিসা আবেদন গ্রহণ করা হয় না। ২৫টি অনুমোদিত এজেন্সীর মাধ্যমে ভিসা আবেদনপত্রটি জমা দিতে হবে। আর ভিসা ইস্যু করার বিষয়টি দূতাবাসের ওপর নির্ভরশীল।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি:
• সাদা পটভূমিতে (ব্যাকগ্রাউন্ড) দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি; ছবিগুলোর স্টুডিও প্রিন্ট হতে হবে।
• পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস হতে হবে এবং পাসপোর্টে অন্তত তিনটি ধারাবাহিক খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
• পাসপোর্টের ফটোকপি ও মূলকপি।
• আগে মালয়েশিয়া ভ্রমণ করে থাকলে ভিসার কপি।
• ফিরতি বিমান টিকেটের কপি।
• আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে অন্তত তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সাথে ব্যাংক সলভেন্সি স্টেটমেন্ট। বাংলাদেশর বাইরে অবস্থানরতদের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড।
• ভ্রমণের কারণ উল্লেখ করে করা আদেনপত্র।
• কারো আমন্ত্রণে মালয়েশিয়া গেলে আমন্ত্রণপত্র বা রেফারেন্স লেটার।
• বাংলাদেশে বসবাস করছেন অথচ বাংলাদেশী নন এমন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে চাকরি এবং বাংলাদেশে থাকর অনুমতিপত্র দেখাতে হয়।

ভিসা ফি:
• বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,১০০ টাকা,
• চীনা পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,৩০০ টাকা,
• ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,৮০০ টাকা,
• অন্যান্য দেশের পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে, ৩,১০০ টাকা।

ভিসার আবেদন পত্র সকাল ৮টা ৪৫মিনিট থেকে ১০টা ৩০ মিনিট এই সময়ের মধ্যে জমা দিতে হয়। আবেদনের ১০ থেকে ১২ দিন পর সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া যে কেনো দিন দুপুর ৩টা থেকে বিকাল ৫টার মধ্যে নিয়ে আসতে পারবেন। (সংকলিত) 
*মালয়েশিয়া* *বিদেশভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে ঈদের ছুটির গুরুত্ব অনেক বেশি। এসময় দেশ-বিদেশে বেড়ানোর সুযোগ নিতে চান তারা। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে দেশে এবং দেশের বাইরে পর্যটন স্পটগুলোতে ভিড় করেন।

তাদের কথা মাথায় রেখে এবার ঈদে বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটরগুলো বিদেশ ভ্রমণে বিভিন্ন ধরনের অফার দিয়েছে। সেগুলোর কয়েকটি সম্পর্কে পাঠকদের জানাচ্ছে অর্থসূচক।

রিজেন্ট হলিডেজ:

এই ট্যুর অপারেটরের বিশেষ অফারের মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক ভ্রমণ। থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য কয়েকটি প্যাকেজ রেখেছে এই কোম্পানিটি।

১. ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকায় ৩ রাত ২ দিনের ভ্রমণ খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার ৯৯৯ টাকা।

২. চট্টগ্রাম-ব্যাংকক-চট্টগ্রামে ৪ দিন ৩ রাতের জন্য ২৮ হাজার ৬৯৯ টাকা।

৩. ঢাকা-ব্যাংকক-পাতায়া-ঢাকায় ৫ দিন ৪ রাতের জন্য ৩১ হাজার ৪৯৯ টাকা ভ্রমণ খরচ ধরা হয়েছে।

৪. চট্টগ্রাম-ব্যংকক-পাতায়া-চট্টগ্রামে ৫ দিন ৪ রাত থাকার জন্য ৪২ হাজার ৪৯৯ টাকা ভ্রমণমূল্য ধরা হয়েছে।

এছাড়া আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন রিজেন্ট হলিডেজ-এর হট লাইন ০২-৮৯৫৩০০৩ নম্বরে।

এয়ারহোম ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস:

কাঠমুন্ডু, কুয়ালালামপুর ও সিঙ্গাপুর ভ্রমণের জন্য কয়েকটি প্যাকেজ নির্ধারণ করেছে এয়ারহোম ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস।

১. ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকায় ৩ দিন ২ রাতের প্যাকেজের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ৯৯৯ টাকা।

২. ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকায় ৩ দিন ২ রাতের জন্য ২৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

৩. ঢাকা-ব্যংকক-পাতায়া-ঢাকায় ৫ দিন ৪ রাতের জন্য ৩১ হাজার ৯৯৯ টাকা ভ্রমণ ব্যয় ধরা হয়েছে।

৪. ঢাকা-ব্যাংকক-কুয়ালালামপুর-সিঙ্গাপুর-ঢাকায় ৭ দিন ৬ রাতের ভ্রমণ প্যাকেজ রয়েছে। এর জন্য ভ্রমণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন ০২-৮৮১৮৯১৮ নম্বরে।

এশিয়ান হলিডেজ:

কাঠমুন্ডু, ব্যাংকক, ইয়াঙ্গুন, কুয়ালালামপুর, গেন্টিং, বালি, পেনাং ভ্রমণের জন্য প্যাকেজ অফার করেছে এশিয়ান হলিডেজ ট্যুর কোম্পানি। তাদের প্যাকেজগুলো হলো:

১. ঢাকা-কাঠমুন্ডু-ঢাকা ৩ দিন ২ রাতের জন্য খরচ হবে ২১ হাজার ৯৯৯ টাকা।

২. ঢাকা-ব্যাংকক-পাতায়া-ঢাকায় ৫ দিন ৪ রাতের ভ্রমণ খরচ ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।

৩. ঢাকা-ইয়াঙ্গুন-ঢাকায় ৪ দিন ৩ রাতের জন্য ৪৪ হাজার ৯৯৯ টাকা ভ্রমণ মূল্য ধরা হয়েছে।

৪. ঢাকা-কুয়ালালামপুর-গেন্টিং-ঢাকায় ৪ দিন ৩ রাতের ভ্রমণের প্যাকেজ রয়েছে ৩৪ হাজার ৯৯৯ টাকায়।

৫. ঢাকা-কুয়ালালামপুর-লাঙ্কাউই বা পেনাং-ঢাকায় ৫ দিন ৪ রাতের খরচ ৪৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।

৬. ঢাকা-কুয়ালালামপুর-বালি-ঢাকায় ৫ দিন ৪ রাতের জন্য ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা ভ্রমণ মূল্য ধরা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির অফারে ভ্রমণ ট্যাক্সসহ ফিরতি বিমান টিকেট, তিন তারকা মানের হোটেলে থাকা এবং সকালের খাবার অন্তর্ভুক্ত করা আছে। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন ০২-৯৮৮৬০১৫ নম্বরে।

রেইনবো হলিডেজ:

কাঠমুন্ডু, পোখারা, চিতওয়ানা ভ্রমণের জন্য ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে রেইনবো হলিডেজ।

১. ঢাকা-কাঠমুন্ডু-পোখারা-ঢাকায় ৫ দিন ৪ রাতের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ হাজার ১০০ থেকে ৩৬ হাজার ১০০ টাকা।

২. ঢাকা-কাঠমান্ডু-পোখারা-চিতওয়ানায় ৬ দিন ৫ রাতের জন্য ৩৬ হাজার ৬০০ থেকে ৪৬ হাজার ৬০০ টাকা।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯২১৩৮৩৩৯৯ নম্বরে।

*ঈদেবেড়ানো* *বিদেশভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ট্যুরপ্যাকেজ* *অল্পতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *নেপাল* *থাইল্যান্ড* *মালয়েশিয়া*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যারা ভ্রমন প্রিয়াসী তাদের একটা খুঁত খুঁতে স্বভাব আছে। সব সময় তারা এদেশ থেকে বিদেশ ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে। তবে যারা এশিয়ার সুন্দরতম দেশ মালয়েশিয়াতে যেতে চান বা যাবেন ইচেছ করেছেন তাদেরকে বলছি আপনি মালয়েশিয়াতে বিভিন্ন ধরণের ভিন্ন ভিন্ন খাবার পাবেন।রুচিশীল ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গুলো নান্দনিক স্বাধে ভরপুর দেখলেই জিহবায় জল চলে আসতে পারে।
বিশ্বের অনান্য দেশের খাবারের দামের তুলনায় মালয়েশিয়ার খাবার খরচ অনেক কম। দিনে তিন বার খাবার খেতে আপনার খরচ হবে মালয়েশিয়ার টাকায় ১৫ থেকে ২৫ রিঙ্গিট। আর খাবারের তালিকায় পাবেন মাছ,মাংশ,শাক-সবজি সহ অনান্য খাবার । আপিনি আপনার পছন্দ মত বেছে নিতে পারবেন আপনার সেরা ডিশটি। তবে খাবারের তুলনায় পানির দাম মালয়েশিয়ায় বেশি । দেড় লিটার পানি কিনতে আপনার ২ রিঙ্গিত খরচ হবে।
 মালয়েশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি খাবার হলো নাসি গরেং। নাসি গরেং শুনো ভয় পাবার কিছু নয় আমাদের দেশের ভাত কে মালয়েশিয়াতে বলা হয় নাসি আর ভাতের সাথে ডিম মাংশ মিক্স করে তৈরী করা খাবারকে বলে নাসি গরেং। তবে সব খাবারের সাথেই নাসি যুক্ত আছে যেমন আপনি যদি গরুর মাংশ খেতে চান তাহলে আপনাকে বলতে হবে নাসি গরেং দাগিং,মুরগির মাংশ নাসি গরেং আয়াম,চিংড়ি মাছ হলে নাসি গরেং উদাং।
*ভ্রমন* *মালয়েশিয়া* *ভ্রমনটিপস*
খবর

আমানুল্লাহ সরকার: একটি খবর জানাচ্ছে

মালয়েশিয়া ভ্রমণ গাইড
http://www.somewhereinblog.net/blog/man1211200/29239593
মালয়েশিয়া ভ্রমণে ইচ্ছুক বন্ধুরা তোমারা মালয়েশিয়া যাবার খোঁজ খবর জানতে এক্ষনি এই কনটেন্টটি পড়ে ফেলো। ...বিস্তারিত
*মালয়েশিয়া* *ভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ঈদেভ্রমন* *মালয়েশিয়া*
৮০৭ বার দেখা হয়েছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★