মাহেরমজান

মাহেরমজান নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রমজান মাসের নামকরণ কিভাবে হয়েছিল? পবিত্র রমজান মাস কেন শ্রেষ্ঠ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*রমজানমাস* *মাহেরমজান* *রোজা* *মাস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আসছে রমজান মাস। এমাসের ইবাদত অন্য সব মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে প্রত্যেকটি মুসলমান এই মাসেই অশেষ সওয়াব হাসিল করে চায়। কিন্তু সমস্যা হল, আপনি একজন নামাজি ব্যাক্তি, গাড়িতে ভ্রমণকালে হঠাৎ নামাজের সময় হয়ে গেল, আসে পাশে কোন পরিচিত মসজিদ নেই, অথবা গাড়ী থামিয়ে মসজিদে গিয়ে নামাজও পরতে পারছেন না। কোন জায়গায় গেলেন কিন্তু নামাজের জায়গা নেই। তখন কি করবেন? এই সমস্যা দূর করার জন্য নামাজিরা সাথে রাখাতে পারেন পকেট জায়নামজ আর সবসময় জিকিরের জন্য সাথে রাখতে পারেন ডিজিটাল তসবি। চলুন রমজানের সবচেয়ে হেল্পফুল কয়েকটি আইটেম সম্পর্কে জেনে নেই।

পকেট জায়নামাজ:

একজন মুসলিম হিসেবে আপনি যেখানেই, যেভাবেই থাকুক না কেন নামায পড়তে হবেই। নামাজের ওয়াক্তে যদি আপনি মসজিদের বা বাসার কাছাকাছি না থাকেন তাহলে আপনাকে যেকোনো জায়গাতেই কিন্তু নামাজ পড়তে হবে। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান সবসময় চেষ্টা করে সঠিক ওয়াক্তে নামাজ আদায় করতে। তাই বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে বহনযোগ্য এই জায়নামটি সবসময় সাথে রাখতে পারেন। বাড়িতে,হোটেলে,অফিস,পার্ক,যানবাহন,শপিংমল সর্বোপরি সবখানে আপনি এই জায়নামাজ ব্যবহার করতে পারবেন।

ডিজিটাল কোরআন শরীফ:

কোরআন শরীফ শুদ্ধ ভাবে তেলাওয়াত, শুনতে কিংবা শিখতে আগ্রহীদের জন্য রয়েছে ডিজিটাল আল কোরআন শরীফ। এবং এর সাথে রয়েছে একটি স্পিকার পেন। কোরআন শরীফের জন্য ক্লিক করুনসাথের এই কলমটি কোরআন শরীফের যে কোন অক্ষরে, আয়াতে, পৃষ্ঠা ও সুরার উপর স্পর্শ করা মাত্রই আরবীতে তেলাওয়াত করবে এবং নির্দিষ্ট স্থানে স্পর্শ করলে বিশ্ব বরেণ্য ৭ জন ক্বারির কন্ঠে আল কোরআন তেলাওয়াত করবে এবং ইংরেজী, বাংলা, উর্দু, ফার্সি সহ মোট ৭টি ভাষায় তর্জমা করবে। সাথে রয়েছে আরো আকর্ষণীয় সব ফাংশন।

ডিজিটাল তসবীহ:

রমজান মাসে যারা সবসময় জিকিরে মগ্ধ থাকতে চান তারা নিয়ে নিতে পারেন ডিজিটাল তসবী। এই ডিজিটাল তসবীহ দিয়ে খুব সহজে হিসাব রাখা যায় নির্ভুলভাবে। আপনি কতবার জিকির করলেন কতবার আল্লাহর নাম জপলেন কিংবা কতবার কালেমা পড়েছেন এই ডিজিটাল তসবী তার হিসেব রাখবে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আইটেমঃ


রমজান মাসে সহজে ইবাদতের জন্য অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আইটেম গুলোর মধ্যে সাধারণ জায়নামাজ, টুপি, হাদিসের বই, কাঠের তসবিসহ আরো বিভিন্ন আয়োজন দরকার পড়ে। সবকিছুতেই রমজানের ছোঁয়া থাকুক এটা সবাই চায়। এজন্য প্লেট, মগ এবং পরিধেয় পোশাকেও ধর্মীয় আবেশ রাখতে পারেন।

রমজান মাস উপলক্ষ্যে এই ইবাদতের অনুসঙ্গ গুলি কিনতে পাবেন দেশের সেরা অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*রমজানআইটেম* *রমজান* *মাহেরমজান* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র মাহে রমজান। এ গুরুত্ববহ তাৎপর্যময় মাসের আগমন সারা বিশ্বের মুসলমানদের সুদীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত হওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। মুসলমানদের জীবনে সারা বছরের মধ্যে রমজান মাসে আল্লাহর অসীম দয়া, ক্ষমা ও পাপমুক্তির এক সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয় বলেই এ পুণ্যময় মাসের গুরুত্ব ও মর্যাদা এত বেশি।

বন্ধুরা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিমল আজকেরডিল সেজে উঠেছে নতুন সাজে । রমজানে আপনার লাইফটাকে আরও ইজি করে তুলতে নিয়ে এসেছে বিভিন্ন ধরণের পণ্য। চলুন দেখে নেই রমজানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পণ্য তালিকা।

পকেট জায়নামাজঃ


একজন মুসলিম হিসেবে আপনি যেখানেই, যেভাবেই থাকুক না কেন নামায পড়তে হবেই। নামাজের ওয়াক্তে যদি আপনি মসজিদের বা বাসার কাছাকাছি না থাকেন তাহলে আপনাকে যেকোনো জায়গাতেই কিন্তু নামাজ পড়তে হবে। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান সবসময় চেষ্টা করে সঠিক ওয়াক্তে নামাজ আদায় করতে। তাই বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে বহনযোগ্য এই জায়নামটি সবসময় সাথে রাখতে পারেন। বাড়িতে,হোটেলে,অফিস,পার্ক,যানবাহন,শপিংমল সর্বোপরি সবখানে আপনি এই জায়নামাজ ব্যবহার করতে পারবেন।

ডিজিটাল তসবিঃ


রমজান মাসে যারা সবসময় জিকিরে মগ্ধ থাকতে চান তারা নিয়ে নিতে পারেন ডিজিটাল তসবী। এই ডিজিটাল তসবীহ দিয়ে খুব সহজে হিসাব রাখা যায় নির্ভুলভাবে। আপনি কতবার জিকির করলেন কতবার আল্লাহর নাম জপলেন কিংবা কতবার কালেমা পড়েছেন এই ডিজিটাল তসবী তার হিসেব রাখবে।

ইসলামিক বইঃ


রমজান মাসে কোরআন তেলোয়াতের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের হাদিস ও ইসলামিক বই অনেকেই পড়েন। যাদের কালেকশনে ভালোমানের ইসলামিক বই নেই তারা আজই পছন্দের বাই সংগ্রহে রাখতে পারেন।

রুহ্ আফজাঃ


যুগ যুগ ধরে চলে আসা হামদর্দ ফুড প্রোডাক্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় রুহ আফজা নিতে পারেন ইফতারির পানীয় হিসেবে। হামদর্দ ভারত উপমহাদেশের একটি বিখ্যাত ইউনানী প্রতিষ্ঠান। ইফতারিতে শরবতে রুহ আফজার বিকল্প নাই।

ভেজিটেবল কাটারঃ


রমজান মাসে সহজেই ফলমুল ও সবজি কাটার জন্য ভেজিটেবল কাটার খুবই দরকারি পণ্য। দ্রুত সময়ে কোন রকম কষ্ট ছাড়াই সহজে ফল ও সবজি কাটার জন্য এটি আজই কিনে নিতে পারেন।

টুপিঃ


নামাজ আদায়ের জন্য টুপি খুব ‍গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ। বাজারে অনেক ধরনের টুপি পাওয়া যায় কিন্তু সুতির তৈরী টুপিগুলো পরে বেশ আরাম। ঘরে বসেই আপনি সুতির মোলায়েম টুপি কিনতে পারবেন।

কাঠের তসবিঃ

রমজান মাসে যারা সবসময় জিকিরে মগ্ধ থাকতে চান তারা নিয়ে নিতে পারেন ডিজিটাল তসবী। এই ডিজিটাল তসবীহ দিয়ে খুব সহজে হিসাব রাখা যায় নির্ভুলভাবে। আপনি কতবার জিকির করলেন কতবার আল্লাহর নাম জপলেন কিংবা কতবার কালেমা পড়েছেন এই ডিজিটাল তসবি তার হিসেব রাখবে।

রমজান মাসকে বরণ করে নেবার পাশাপাশি পুরো মাসটাকে সহজ করে কাটাতে এবং নিত্য নতুন পণ্যগুলো কিনতে আজকেরডিলের সাথেই থাকুন। আজকেরডিল থেকে ঘরে বসে রমজানের দরকারি পণ্য কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*রমজানেরপণ্য* *মাহেরমজান* *রমজান* *স্মার্টশপিং*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রমজান মাস সম্পর্কিত কিছু উক্তি বা বাণী জানতে চাই।

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*রমজান* *রমজানমাস* *মাহেরমজান* *উক্তি*

আমানুল্লাহ সরকার: [রমজান-নামাজ১] শুভ সকাল সবাইকে রমজানুল মোবারক...

*মাহেরমজান* *রমজান*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পণ্যগুলো দেখতে ক্লিক করুনআসছে রমজান মাস। এমাসের ইবাদত অন্য সব মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে প্রত্যেকটি মুসলমান এই মাসেই অশেষ সওয়াব হাসিল করে চায়। কিন্তু সমস্যা হল, আপনি একজন নামাজি ব্যাক্তি, গাড়িতে ভ্রমণকালে হঠাৎ নামাজের সময় হয়ে গেল, আসে পাশে কোন পরিচিত মসজিদ নেই, অথবা গাড়ী থামিয়ে মসজিদে গিয়ে নামাজও পরতে পারছেন না। কোন জায়গায় গেলেন কিন্তু নামাজের জায়গা নেই। তখন কি করবেন? এই সমস্যা দূর করার জন্য নামাজিরা সাথে রাখাতে পারেন পকেট জায়নামজ আর সবসময় জিকিরের জন্য সাথে রাখতে পারেন ডিজিটাল তসবি।

পকেট জায়নামাজ:

জায়নামাজের জন্য ক্লিক করুন
একজন মুসলিম হিসেবে আপনি যেখানেই, যেভাবেই থাকুক না কেন নামায পড়তে হবেই। নামাজের ওয়াক্তে যদি আপনি মসজিদের বা বাসার কাছাকাছি না থাকেন তাহলে আপনাকে যেকোনো জায়গাতেই কিন্তু নামাজ পড়তে হবে। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান সবসময় চেষ্টা করে সঠিক ওয়াক্তে নামাজ আদায় করতে। তাই বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে বহনযোগ্য এই জায়নামটি সবসময় সাথে রাখতে পারেন। বাড়িতে,হোটেলে,অফিস,পার্ক,যানবাহন,শপিংমল সর্বোপরি সবখানে আপনি এই জায়নামাজ ব্যবহার করতে পারবেন।

ডিজিটাল কোরআন শরীফ:

কোরআন শরীফের জন্য ক্লিক করুন
কোরআন শরীফ শুদ্ধ ভাবে তেলাওয়াত, শুনতে কিংবা শিখতে আগ্রহীদের জন্য রয়েছে ডিজিটাল আল কোরআন শরীফ। এবং এর সাথে রয়েছে একটি স্পিকার পেন। কোরআন শরীফের জন্য ক্লিক করুনসাথের এই কলমটি কোরআন শরীফের যে কোন অক্ষরে, আয়াতে, পৃষ্ঠা ও সুরার উপর স্পর্শ করা মাত্রই আরবীতে তেলাওয়াত করবে এবং নির্দিষ্ট স্থানে স্পর্শ করলে বিশ্ব বরেণ্য ৭ জন ক্বারির কন্ঠে আল কোরআন তেলাওয়াত করবে এবং ইংরেজী, বাংলা, উর্দু, ফার্সি সহ মোট ৭টি ভাষায় তর্জমা করবে। সাথে রয়েছে আরো আকর্ষণীয় সব ফাংশন।

ডিজিটাল তসবীহ:

ডিজিটাল তসবীর জন্য ক্লিক করুন
রমজান মাসে যারা সবসময় জিকিরে মগ্ধ থাকতে চান তারা নিয়ে নিতে পারেন ডিজিটাল তসবী। এই ডিজিটাল তসবীহ দিয়ে খুব সহজে হিসাব রাখা যায় নির্ভুলভাবে। আপনি কতবার জিকির করলেন কতবার আল্লাহর নাম জপলেন কিংবা কতবার কালেমা পড়েছেন এই ডিজিটাল তসবী তার হিসেব রাখবে।ডিজিটাল তসবীর জন্য ক্লিক করুন

রমজান মাস উপলক্ষ্যে এই ইবাদতের অনুসঙ্গ গুলি কিনতে পাবেন দেশের সেরা অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*কোরআনশরীফ* *জায়নামাজ* *তসবী* *ইবাদত* *রমজান* *মাহেরমজান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

# মিয়াভাই রোজা রাখছেন?
## আরে পাগ্লাহ! এইডা কোন প্রশ্ন জিগাইলি রোজার মাসে?
# কেন ভাই? আচ্ছা, জিগাইয়া যখন ফালাইছি উত্তরটা দ্যান?
## শোন, আমাদের নবী করিম (সাঃ) ফরমাইয়াছেন.........
# ভাই, হাদিস পরে শুনবনে, রোজা আছেন কিনা কন?
## রোজার মাসে একজন সাবালক.................................
# ভাই, গল্প পরে কন, রোজা আছেন কিনা কন?
## সেহরিতে ভাত খাইছিলাম..................
# হুম, সে তো খাবেনই। রোজা আছেন কিনা কন?
## সকালের নামাজডা ক্বাযা হইছে...........................
# হ বুঝছি, কিন্তু রোজা আছেন কিনা কন?
## নাহ রে ব্যাটা। আজকের রোজাডা থাকবার পারি নাই।

পুনশ্চঃ আসেন, আর কিছু পারি আর না পারি, এই রমজান মাসের উছিলায় অন্ততপক্ষে আমরা সত্যি কথাটা বলার প্র্যাকটিস করি। এই প্রতিজ্ঞাই হোক দেশকে দেয়া আমাদের মাহে রমজানের সওগাত।

*রসিকতা* *সত্যকথা* *প্র্যাকটিস* *মাহেরমজান*
*সত্যকথা* *প্র্যাকটিস* *মাহেরমজান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

রমজান মাসে আর কিছু না পারি সত্য কথা বলার চেস্টা করি ।
# মিয়াভাই রোজা রাখছেন? ## আরে পাগ্লাহ! এইডা কোন প্রশ্ন জিগাইলি রোজার মাসে? # কেন ভাই? আচ্ছা, জিগাইয়া যখন ফালাইছি উত্তরটা দ্যান? ## শোন, আমাদের নবী করিম (সাঃ) ফরমাইয়াছেন......... # ভাই, হাদিস পরে শুনবনে, রোজা আছেন কিনা কন? ## রোজার মাসে একজন সাবালক................................. # ভাই, গল্প পরে কন, রোজা আছেন কিনা কন? ## সেহরিতে ভাত খাইছিলাম.......
*রমজান* *মাহেরমজান* *সত্যকথা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত মুসলিম উম্মাহর জন্য পূন্যময় একটি রাত্রি। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের বিশ্বাস এ রাতেই মহান আল্লাহ পাক তার বান্দাদের পরবর্তী এক বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শবে বরাত মূলত মাহে রমজানের আগাম বার্তা নিয়ে আসে। কারন শবে বরাত আসলেই আমাদের মনের মাঝে মাহে রমজানের আগমনী সুর বেজে ওঠে। শবে বরাত থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নিজেদেরকে মাহে রমজানের জন্য  প্রস্তুত করে। বলতে গেলে সাবান মাস পুরোটাই হচ্ছে রমজানের আগমী বার্তা। রমজানের জন্য সাবান দিয়ে নিজেকে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে নিতে হয়।

শবে বরাতঃ
মধ্য-শাবান হচ্ছে আরবী শা'বান মাসের ১৫ তারিখ, যা ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের মধ্যে শবে বরাত বা শব-ই-বরাত (شب برات) নামে পালিত একটি পূণ্যময় রাত। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মুসলমানগণ বিভিন্ন কারণে এটি পালন করেন।এই রাতকে লাইলাতুল বরাত বলা হয়। শবে বরাতের এই দিনটির পর থেকেই মাহে রমজানের ক্ষণ গণনা শুরু হয়। শবে বরাত আসলেই ধরে নিতে হবে রমজান মাসের আর দেরি নেই।

*শবেবরাত* *শবে-বরাত* *ইবাদত* *আমল* *রমজান* *মাহেরমজান*
৪/৫

মো:আ:মোতালিব: রমজানের আর ৯৫ দিন বাকি হযরত মুহাম্মদ (স:) বলেন,যে রমজানের খবর প্রথম কাউকে দিলে,তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম

*রমজান* *মাহেরমজান* *হাসিদ* *আলহাদিস*

Rashad (রাশেদ ): একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিছুদিন পরেই পবিত্র মাহে রমজান। রমজানকে বলা হয় সংযমের মাস। রমজান মাসে খাদ্যগ্রহণেও সংযমী হওয়া প্রয়োজন। রমজানে স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ একই সঙ্গে আধ্যাত্মিক ও শারীরিক চাহিদা মেটাতে পারে। এ মাসের উপযোগী স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ডায়েট সম্পর্কে কিছু তথ্য রোজাদারদের জানা থাকলে ভালো হয়। চলুন জেনে নেই রমজানের সময় খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত।

পানি ও শরবত বেশী করে পান করুন:

গরমে সময় রোজা রাখা এমনিতেই কঠিন। তার পরে সারাদিন পানি খাওয়া হয় না। কম পানি পান করলে শরীরের অঙ্গগুলোর ঠিকমতো কাজ করতে পারে না, হজমেও সমস্যা হয়। তাই রোজা ভাঙার পরে দেহে পানির চাহিদা মেটাতে বেশী করে পানি পান করতে হবে।

কোমল পানীয় বাদ দিয়ে ডাবের পানি পান করুন:

ডাবের পানিতে আছে বেশ কিছু খনিজ পদার্থ যেগুলো শরীরের জন্য খুব দরকার। ডাবের পানিতে রয়েছে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্লোরিন ইত্যাদির লবণ। ডাবের পানির সাথে লবনের অভাব পূরণ করতে খাবার স্যালাইনও পান করতে পারেন। কোমল পানীয় এসডিটি, বুক জ্বালা, আলসার, কিডনি ও লিভারের ওপরে চাপ দেয়া থেকে শুরু করে আরো বেশ কিছু ক্ষতিকর কাজ করে।

ভাজা পোড়া না খাওয়া:

সারাদিন রোজা রাখার ফলে হজম শক্তি এমনিতেই দুর্বল থাকে। এ সময় তেলে ভাজা খাবার বেশী খেলে ঝামেলা হওয়ায় স্বাভাবিক। এতে বদহজম ও এসিডিটির সুযোগ বাড়ায়। বাইরের কেনা খাবার আরো বিপদজনক।

আঁশযুক্ত খাবার বেশী খেতে হবে:

আঁশযুক্ত খাবার পেটে থাকে অনেকক্ষণ, হজম হতে দেরি হয়। তাই ক্ষুধা লাগে কম। ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখতেও এগুলো সাহায্য করে। সেহেরির সময় আঁশ জাতীয় খাবার বেশী করে খাবেন। তাছাড়া রমজানে অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্য আঁশযুক্ত খাবার খুব দরকার। বেশী করে পানি, খাবার বেশী আঁশ, মাঝে মাঝে ইসবগুলের ভুশি খেলে ডাক্তাররের কাছে আর দৌড়াতে হবে না।

একবারে বেশী করে খাবার খাবেন না:

ইফতারির সময় আজানের শব্দ শুনেই হাপুস হুপুস করে খাবেন না। সময় নিয়ে অল্প করে খেতে হবে। সারাদিন খালি পেটে থাকার পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম থাকে। ইফতারিতে দ্রুত খাবার খেতে থাকলে হঠাৎ করে অতিরিক্ত খাবারের কারনে রক্তে নিঃসৃত ইনসুলিনের কারনে রক্তে থাকা অবশিষ্ট গ্লুকোজও শেষ হয়ে যায়। ফলে আমরা খুব ক্লান্তি বোধ করি।

ইফতারিতে মিস্টি জাতীয় খাবার খাবেন:

সারাদিন রোজা রাখার পরে শরীর অল্প সময়ের মাঝ শক্তি খোঁজে। ইফতারিতে মিস্টি জাতীয় খাবার খুব দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায়। খেজুরের গ্লুকোজ খুব দ্রুত শরীরে শোষিত হয়। অন্যান্য মিস্টি জাতীয় খাবার যেমন জিলাপি খুব কম সময়ের মাঝে শক্তি দেয়।

ইফতারিতে বেশী করে ফল খাবেন:

মিস্টি ফলে রয়েছে ফ্রুক্টোজ যা শক্তি দেয়। রয়েছে বিভিন্ন খনিজ যা দেহের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়। ফল খেলে শরীরে যাচ্ছে ভিটামিন, শক্তি, খনিজ পদার্থ, আঁশবার ফাইবার ইত্যাদি। পেপে, কলা, আম যে ফলই খান না কেন সবগুলোই কোষ্ঠবদ্ধতা সারাতে খুব ভালো কাজ করে। তাই সাধ্যের মধ্যে বেশী করে ফল খাবেন।

খেতে পারেন দই-চিড়া:

ইফতারির পরে অনেকেই দই-চিড়া খেয়ে থাকেন। পেট রাখে ঠাণ্ডা, দ্রুত সহজে হজম হয়। চিড়ার রয়েছে এসিডিটি কমানোর ক্ষমতা, দই খুব সহজেই পরিপাক হয়।

হালিম খেলে কেমন হয়ঃ

হালিম খুব ভালো একটি খাবার যা আমিষের চাহিদা মেটাবে। তবে নানা রকম ডাল দিয়ে রান্না হয় এবং মশলার ব্যবহারও বেশী হয়ে গেলে সেটা হজমে ঝামেলা করতে পারে। বুঝেশুনে, নিজের অবস্থা বুঝে খেতে পারেন।

ছোলা-মুড়ি না খেলে ভালো লাগে না:

ছোলা-মুড়ি খাবেন না কেন? অবশ্যই খাবেন তবে ছোলাতে বেশী মশলার ব্যবহার একে গুরুপাক করে দিতে পারে। মুড়িতে কোন আপত্তি নেই, এটা বুক জ্বালা, এসিডিটি কমায়।

মাংসের মেনু দেখলে কি করবো:

উপাদেয় খাবার দেখলে খেতে ইচ্ছে করবেই, এটাই স্বাভাবিক। এসব খাবারে মশলা, তেলের পরিমাণ বেশী থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। বাসায় একবেলা মাছ খাওয়ার চেষ্টা করুন, আরেক বেলা না হয় মাংস খেলেন। খাবারে ভেরিয়েশন না আনলে রোজায় রুচি থাকবে না।

ডিম ও দুধের ব্যাপারে কি হবেঃ

দুধের ব্যাপারে কোন বিধিনিষেধ নেই। সেহেরীতে দুধ খেয়ে থাকেন প্রায় সবাই। সারাদিনের উপোষের পরে দুধ শরীরের ক্ষয় পূরণে অনেক সাহায্য করে। যাদের বয়স হয়েছে, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশী তারা কুসুম ছাড়া ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন, সমস্যা নেই।

*মাহেরমজান*

হাফিজ উল্লাহ: হযরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে শরীয়ত সম্মত কোনো কারণ ছাড়া রমজানের একটি রোজাও ভাঙে সে রমজানের বাইরে সারাজীবন রোজা রাখলেও এর বদলা হবে না। (তিরমিযী, আবু দাউদ)

*মাহেরমজান* *রমজানমাস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★