মায়া

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ঠিক কেউ একজন আগোচরে ভালোবাসা কি জিনিস সেটা বুঝিয়ে দিয়ে চলে গিয়েছিল ।। তার ৠণ আজও বয়ে বেড়াচ্ছি ।। তুই আছিস তুই থাকবি গোপনে আগোচরে মনের কোন কোনায় ।। যেখানে থাকিস ভালো থাকিস ।।

*ভালোবাসা* *আবেগ* *মায়া*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সম্পর্ক কিংবা সংসার; একটা ছেলে যদি উদাসীন কিংবা উড়নচণ্ডী হয়, তবুও টিকিয়ে রাখা সম্ভব। একটা মেয়ে চাইলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সে কাজটা সফলতার সাথে করতে পারে, যদি সে কমিটেড হয়। কারন মেয়েদের মধ্যে স্রষ্টা অসাধারণ কিছু ক্ষমতা দিয়েছেন; দিয়েছেন মায়া। তাই একটা ছেলে সময়ের স্রোতে উপলব্ধি করতে বাধ্য, সে যে ভুল।

.

কিন্তু সংসার কিংবা সম্পর্কে একটা মেয়েই যদি হয় উদাসীন কিংবা উড়নচণ্ডী?

ঐ সংসার কিংবা সম্পর্ক ভাঙ্গতে বাধ্য; লিখে রাখুন। একটা ছেলে যতোই চাক, যে ভাবেই চাক; বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই টিকাতে পারবে না বন্ধনটি! কারন পাথরে ফুল ফোটানোর ক্ষমতা হাজারে হয়তো একটা ছেলেকেও দেননি স্রষ্টা; যা প্রতিটা মেয়েকে দিয়েছেন।

.

প্রশ্ন করতে পারেন, কি ভাবে? এসব কথার ভিত্তি কি? আমাদের বাপ-দাদাদের আমল দেখুন। তখন কি সব ছেলে/পুরুষ দুধে ধোয়া তুলসী ছিলো? মোটেই তেমন না। বরং তারা সংসারী হতে বাধ্য হয়েছিলেন ঘরে থাকা লক্ষী প্রতিমা প্রেয়সী মায়ায়। আর এখন কি হচ্ছে? কোর্টের বারান্দায় রিলিফ গ্রহনের মতো ডির্ভোসের লাইন। আর প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক ভাঙ্গাটাতো সকালে উঠে পেট পরিষ্কার করতে টয়লেটে যাবার মতোই। করান কি জানেন? মায়ার যাদুতে সম্পর্কের অপর মানুষ এবং সম্পর্কটি মুগ্ধ করে রাখার কথা ছিলো যার/যাদের, তারাই আজ মায়াহীন হয়ে গেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে। মায়াবীরা আজ উশৃঙ্খল জীবনকেই কেন যেন বেছে নিতে বেশি আগ্রহী। তারা আজ মুক্ত-অবাধ স্বাধীনতার জীবন পেতে মরিয়া। তারা ছুটছে তো ছুটছেই, আকাশকে ছুঁয়ে দিতে; শিকড়কে ছাড়িয়ে, শিকড়ের মায়া ছেড়ে!

*বাস্তবতা* *সমাজ* *প্রেম* *মায়া* *মোহ* *আবেগ* *মেয়ে* *স্রষ্টা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: স্নেহ,মায়া,প্রেম থেকে ভালোবাসার জন্ম এরপর তাকে পাওয়ার মোহ তৈরি হয় এভাবেই একটি ভালোবাসা সম্পুর্ণ হয় ।।

*স্নেহ* *মায়া* *ভালোবাসা* *প্রেম* *চক্র*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: জীবনের প্রিয় সবকিছু কেমন ক্ষণস্থায়ী হয়ে যায় সময়ের ঘূর্ণিতে,তবু কি অদ্ভুত মানুষের জন্য মানুষের মায়া।

*মায়া* *ভালোবাসা* *ক্ষণস্থায়ী*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

মায়ান সভ্যতা.....

১৪। মায়ানরা "মেসো আমেরিকান বলখেলা" তে বিশেষ আগ্রহী ছিলেন। মায়ান সাম্রাজ্যের সকল বড় শহরে এই খেলার কোর্ট পাওয়া গেছে। প্রায়ই তারা খেলার আয়োজন করতেন। হেরে যাওয়া দলের শিরচ্ছেদ করা হত। ১৫। মায়ানরা স্টীম বাথ নিতে পছন্দ করতেন। তারা মনে করতেন গোসলের সময় ধোঁয়ার সাথে তাদের সব পাপ উড়ে যায়। ১৬। ১৬৯৭ সালে মায়ান সাম্রাজ্য স্প্যানিসদের হাতে চলে গেলেও মায়ানরা এখনো বিভিন্ন অঞ্চলে টিকে আছে। ১৭। মায়ান সাম্রাজ্য বিপন্ন হওয়ার কারণ এখনো এক রহস্য। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, খরা, দুর্ভিক্ষ, অধিক জনসংখ্যা এর কারণ হতে পারে।

*জানা-অজানা* *সভ্যতা* *মায়ান* *মায়া*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

মায়ান সভ্যতা পরবর্তী অংশ...

১১। স্পেন যখন মায়ান সাম্রাজ্য দখল করে নেয় তখন তাদের লেখনীর অনেক কিছুই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। তবু ২০-২১ শতকে তাদের অনেক লেখা ল্যাবটরিতে অনুবাদ করা গেছে। ১২। মায়ানদের চিকিৎসাবিদ্যা অনেক আধুনিক ছিল। তারা শরীরের ক্ষত মানুষের চুল দিয়েই সেলাই করে ফেলতেন। দাঁতের গর্ত পূরণ করা এমনকি নকল পা লাগানোতেও পারদর্শী ছিলেন তারা। ১৩। মায়ানরা প্রকৃতি থেকে ব্যথানাশক সংগ্রহ করতেন, সেই সব গাছগাছরা তারা পূজায় ব্যবহার করতেন ধর্মীয় রীতি অনুসারে আবার ঔষধ হিসেবেও ব্যবহার করতেন রোগীকে অজ্ঞান করার জন্য।

*জানা-অজানা* *সভ্যতা* *মায়ান* *মায়া*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

আধুনিক সমাজের বিকাশে অবদান আছে অনেক প্রাচীন সভ্যতার। মায়ান সভ্যতা তাদের অন্যতম। মায়ান সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল ২৬০০ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দে। বর্নিল এই সভ্যতায় যেমন ছিল হিংস্রতা, নিষ্ঠুর আদিমতা, তেমনি বিকাশ হয়েছিল জ্ঞান-বিজ্ঞানেরও। মায়ানরা হয়ে উঠেছিল প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম সংগঠিত জাতি। তাদের ছিল ছিল রাষ্ট্রব্যবস্থা, আইন-কানুন, নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি।

১। মায়ানরা অন্যান্য সভ্যতার মত লোহা বা ব্রোঞ্জ এর অস্ত্র ব্যবহার করতেন না। তারা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতেন আগ্নেয় শিলা অথবা অবিসিয়ান অর্থাৎ কাঁচের মতো দেখতে এক প্রকার পাথর। ২। চ্যাপ্টা কপালের অধিকারী মায়ানরা তাদের জাতির গুনী মানী ব্যক্তিদের নাক কোণ বিশিষ্ট করার জন্য পুডিং ব্যবহার করত। ৩। সমাজের অভিজাত নারীরা দাঁতে বিন্দু এঁকে নকশা করতেন।

*সভ্যতা* *মায়ান* *মায়া*

Mahi Rudro: [পিরিতি-কলিজাখানখান]"বন্ধুরে তোর এত মায়া কোথায় রাখি বল্ ! কালো আমার মনের ভেতর নিত্য ঘোলা জল ।"

*মায়া*

রং নাম্বার: এ খাঁচা ভাঙবো আমি কেমন করে [শেয়ালপণ্ডিত-জ্বইলাগেলাম] (মাইরালা)(মাইরালা)(মাইরালা)

*মায়া* *ভবেরবেড়া*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"আমাকে একটু ভাত দাও মা, আমি কতদিন ভাত খাই না, ডাল দিয়ে হলেও একটু ভাত দাও আমাকে মা"।

তার বাবা ছুটে বের হয়ে গিয়েছিলেন পাশ থেকে, যে ছেলের এতটুকু ক্ষুধা তিনি কখনো লাগতে দেননি, সেই প্রাণের কলিজা এখন ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করছে। কিন্তু তার তো মুখে কোন খাবার খাওয়া নিষেধ। কিভাবে তিনি ছেলের এই ছটফট মুখ দেখবেন?



এরপর ক্যাসপারের একটা ভালো এবং সফল অপারেশন হয়েছে, এবং ব্লিডিং হওয়ার মূল সমস্যা খুঁজে সেটাকে ফেলে দেয়া হয়েছে। অপারেশনের পরে এই আদুরে ছোট্ট ভূত কথা বলেছে, নিজের নাম বলেছে, বাবার - মায়ের নাম বলেছে। বাবা-মা, ডাক্তাররা অন্যান্য শুভাকাঙ্ক্ষীরা সবাই বেশ খুশি

কিন্তু পরম আদরে বড় হওয়া ছেলেটা ধুম করে অসুস্থ হয়ে গেল পরদিন দুপুর থেকেই। সমস্যা হলো তার ফুসফুসে, সে শ্বাস নিতে পারছে না। কোন একটা ঝামেলার কারণে তার ফুসফুসে ইনজুরি হয়ে গেছে। ডাক্তার এবং নার্সরা যথাসাধ্য করল, সাধ্যের বাইরে গিয়েও যা করা দরকার সেটাই করার চেষ্টা করল। ফলাফল হলনা কোন। প্রতি মুহূর্তে অবনতি হতে লাগলো তার শারীরিক অবস্থার। তার বিপি (ব্লাড প্রেশার) পাওয়া যাচ্ছিলো না, ইউরিন বন্ধ হয়ে গেলো। ফলাফল হলো মারাত্মক। ইউরিন না হবার কারণে তার প্রভাব পড়তে শুরু করলো কিডনিতে। বিপি না বাড়ার ফলে ইফেক্ট পড়লো শরীরের সব জায়গায়। দ্রুত ওকে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট দেয়া হলো, পুরো রাত চললো লাইফ সাপোর্টে। পরে ডাক্তাররা বিভিন্ন কনসালটেন্টদের পরামর্শে ক্যাসপারকে কিছু নতুন ঔষধ দেয়ার ফলে ধীরে ধীরে তার বিপি বাড়তে লাগলো, ইউরিনও কিছু হতে থাকলো, কিডনীর ঝামেলাও সে ওভারকাম করে ফেললো। জানা গেল ওর ব্লাড প্রেসার কিছুটা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ইউরিন আউটপুট। হৃদস্পন্দন কমেছে। শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কম। তাছাড়া আর সব প্যারামিটার এর উন্নতি হয়েছে।
১৬/১৭ ঘন্টা আগে এতটুকুই জানতাম। ওকে নিয়ে আমি কোন পোষ্ট দেইনি কিন্তু ওর রেগুলার আপডেট আমি রেখেছি, সামহাউ বাচ্চাটার প্রতি একটা মায়া জন্মে গেছে, এ কারণেই আপডেট রাখা। বুকে একটা আশা ক্যাসপার দ্রুপ ঠিক হয়ে যাবে, আল্লাহ একটা মিরাকল ঘটিয়ে দিবে ...



কিন্তু এই মুহূর্তে আমি জানি, ক্যাসপার আর নেই, সে চলে গেছে ...চলে গেছে সে সবাইকে ছেড়ে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন... চার বছরের ফুটফুটে বাচ্চাটা আর কোনদিন ফিরে আসবেনা, আর কোনদিন মা বলে ডাকবেনা, বাবার কাছে পাহাড়ে যাওয়ার আবদার করবেনা ... কোনদিন না ............






রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী গ্রামে রামগতির হাটের পশ্চিমে তালুকদার বাড়িতে তৃতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে সাদমান ক্যাসপারকে।






*ক্যাসপার* *মৃত্যু* *মায়া*





*ক্যাসপার* *মৃত্যু* *মায়া*

পায়েল : ঝরা পাতা উড়ে যায়, আহা রে কি মায়ায়, একা একা ফিরে দেখা দখিন হাওয়ায়, কিছু কি ছিলো না বলার কিছু ধরে রাখবার, অন্ধ বাঁধনে সে পথ চলার, আজ জানালা বেয়ে একই রোদ্দুর পাশে, সন্ধ্যা তারা জ্বালে না কেউ আমার আকাশে......

*মায়া* *সন্ধ্যা* *আকাশ* *প্রিয়গান* *তারা* *বাঁধন*

মনুষ্য: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

মায়াবতী (হার্ট)
কপালের ব্যবহার করা টিপটার আঠা নষ্ট হলেও মেয়েরা সেটা যত্ন করে রেখে দেয় , একজোড়া কানের দুলের একটা হারিয়ে গেলেও অন্যটা ফেলে না , পুরাতন শাড়িটা ভাঙা চুড়িটা কাজে লাগবেনা জেনেও তুলে রাখে। কারণ হল মায়া , মেয়েরা মায়ার টানে ফেলনা জিনিষও ফেলে না । অসংখ্য কষ্ট , যন্ত্রণা পেয়েও মেয়েরা মায়ারটানে একটা ভালবাসা , একটা সম্পর্ক , একটা সংসার টিকিয়ে রাখতে চায়...
এই জন্য মেয়েরা মায়াবতী আর মায়াবতীর কোন পুরুষবাচক শব্দ নেই।
*সংগৃহীত* *মায়াবতী* *নারী* *মায়া* *ভালোবাসা*

অভ্র মেঘ: বর্ষার সন্ধ্যা অন্য রকম মায়াবী ।শীতসন্ধ্যার মত গুমোট নয়। সেই ঝিরিঝিরি বর্ষায় মোমের মৃদ্যু আলো দেখবার ইচ্ছে ছিল তার চোখের মনিতে। বর্ষা তার মায়া নিয়ে জমাট বেঁধে থাকুক। আমি একটু একটু করে সে জমাট মায়া স্পর্শ করে ধন্য হই

*সন্ধ্যা* *মায়া* *শীত* *বর্ষা* *বৃষ্টি*
ছবি

সেরাম বচন: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

কারো উপর মায়া পড়ে গেলে সে মায়া শুধু বাড়তেই থাকে, কমে না।

এমনই মায়ার বন্ধনে যুক্ত পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণী। আর এই মায়া আছে বলেই পৃথিবীটা এতো সুন্দর।

*বাণী* *সেরামবচন* *বিখ্যাতউক্তি* *জীবনেরভাবনা* *মায়া* *মায়ারবন্ধন*
৫/৫

★ছায়াবতী★: [পিরিতি-পেমকরবা]মানুষের পিছুপিছু হাঁটে মানুষের ছায়া, মানুষ যার পিছুপিছু ছুটে তার নাম মায়া ।

*মায়া*

অভ্র মেঘ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাতের শহর হয়ত অন্য রকম এক মায়া ধারণ করে। সবসময় সবাই এই মায়ার মজা পায়না। আমি লক্ষ্য করে দেখেছি, এই মায়াময়তা কোন ঋতুতেই কমেনা বরং অন্য রূপ ধারণ করে ফেলে। শুধু শহরে বললে একপেশে হয়ে যাবে, গ্রামের দিকে বা মফস্বলে এই মায়ার যে গাঢ়ত্ব তা অতুলনীয়। আবার সব শহরের মায়া যে একই রকম তা কিন্তু নয়। প্রত্যেক শহর বা গ্রামের তার নিজস্ব এক সুর থাকে।
বিশেষ করে খুব যখন গরম পড়ে যায় তখন দেখি আশ্চর্য রকম সুন্দর বাতাস বইতে শুরু করে। বিশেষ করে রাতে। আর রোডল্যাম্প গুলোর আলো যখন আইল্যান্ডের গাছের সবুজ পাতায় পড়ে যে জ্বলজ্বলে রূপ নিয়ে আসে তা অসাধারণ। 
অবশ্য শেষ রাতের দিকে এই মায়াময়তা আর থাকেনা। এই মায়াময়তা রূপান্তরিত হয় রহস্যময়তায়। গভীর রহস্যময়তায় ।

https://www.facebook.com/avromegh7/posts/1563778710536781?pnref=story
*রাত* *মায়া*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


যে দিন প্রথম দেখেছি তোমার ছায়া,
সে দিন থেকে হয়েছি দিশাহারা,
কেমন এক অন্তআরালে নিজেকে জড়ালাম,
এ কেমন এক মায়া ।।

পথের মাঝে পথ থাকি তবু পথ খুঁজে পাই না,
তাই দেখতে হয় শুধু নোনা জলের ঝর্ণা ।
তুমি এক ছায়া ,,
কি যে সে এক অপরূপ মায়া ।।

এ কি ভালবাসা ,
নাকি নিজের উপরে কোন অভিশাপ,,
কে জানে কেন এমন হয়,
করেছি হয়ত বা কোন অজানা পাপ ।।

*কবিতা* *মায়া*
*মায়া*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★