মিডিয়া

মিডিয়া নিয়ে কি ভাবছো?

Ritu: মিডিয়া নিয়ে নানা কথ উঠে এসেছে সোহানা সাবার সাক্ষাৎকারে। কিছু বিব্রত বিষয়ে আছে অকপট স্বীকারোক্তি। পড়ে ভালোই লাগলো। চাইলে আপনারাও পড়তে পারেন। সাক্ষাৎকার পড়ুন এখান থেকে- http://bit.ly/2rru4tH

*সাবা* *বিনোদন* *মিডিয়া*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মিডিয়া জগতে নারীদের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয় কেন?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

.
*মিডিয়া* *নারীজিজ্ঞাসা* *প্রতিবন্ধকতা*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা, আমাদের মতো দরিদ্র দেশের মধ্যবিত্তদের, তথাকথিত প্রগতিশীল মধ্যবিত্তদের কথা বলছি- এহেনও মধ্যবিত্তদের কিছু অদ্ভুদ দোদ্যুলমান  গুনের মধ্যে একটা হলো এরা ঢালাওভাবে মাদ্রাসাকে মৌলবাদী বা জঙ্গি তৈরির কারখানা বলতে দ্বিধা করেনি! তবে খুব বেশি নড়ে চড়েও যে বসেছে তাও নয়! ঐটুক বলেই এক পংক্তিতেই ডুব!! কিন্তু তার চেয়েও অদ্ভুদ একটা মনোভাব হলো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তাদের একটা কেমন দনো -মনো ভাব! যদিও এখন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মধ্যবিত্তরাও পড়াশোনা করছে,,,তবে কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এখনো বেশিরভাগ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে! যার মধ্যে অন্যতম হলো নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি! কিন্তু মজা হোক বা নিষ্ঠুরতা ই হোক না কেন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরাই কিন্তু বেশি এগিয়ে যাচ্ছে এই কর্পোরেট যুগে,,শুধু তা নয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র থেকে শুরু করে দেশ বিদেশের মাটিতে উজ্জ্বল ছাপ রেখে চলেছে যা অনেক ক্ষেত্রেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেশি অগ্রগামী,,,যেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হয়ে গ্যাছে তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলোর অপ-ব্যবহারের জঘন্যতম আখঁড়া,,,,মনের দরজা খুলে আকাশ স্পর্শে দেয়ার মতো বিশ্ববিদ্যালয় (পাবলিক কিংবা প্রাইভেট), দুঃখজনক হলেও সত্যি যে এখন আমাদের এই অভাগা দেশে রূপকথা ই হয়ে গ্যাছে!

নাহ আমি পাবলিক আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে বসিনি,,,আমি শুধু আমাদের মধ্যবিত্তদের একটা দোদ্যুলমান নগ্নতা বলতে চাইছি,,,যখন জানা গেলো শুধু মাদ্রাসা নয় নর্থ সাউথ এর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া কেউ জঙ্গিতে নাম লিখিয়েছে, তখন যেন আমাদের এই তথাকথিত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ খুব আয়েশ করে পায়েস খাওয়ার অবস্থায় বিরাজ করছেন! কিন্তু ভুলে যাচ্ছেন ঐ বিশ্ববিদ্যালয়টা পাড়ার নয়, আমাদের ঘরের! কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপর আঙ্গুল না উঁচিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন,,,জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন,,,,সোচ্চার হোন অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে!,,,ইতিহাস থেকে সহজেই অনুমেয় শিক্ষিত তরুণরাই এইসব পথে আগে অগ্রসর হয়! কারণ সেখানে যেমন ই হোক একটা আদর্শ তুলে ধরা হয় সে যে নষ্ট পথেই আদর্শ তোলা হোক না কেন! আমরা কি পেরেছি পাল্টা কোনো আদর্শ তাদের সামনে বা আপনারা কি পেরেছেন আমাদের সামনে তুলে ধরতে? আমরা কাজ চাই,,,,আমাদের রক্ত টগবগ করে কিছু করার নেশায়,,,নেশাই বলবো , আকাঙ্খা তো আরো পরিণত বয়সের ব্যাপার!,,,নেশার মধ্যে তুলে দিলেন মাদক-দ্রব্য আর ভারতীয় সেইসব সংস্কৃতি যা নষ্ট (ভালো টা নয়) ! নতুবা আজকে এই যে সুন্দরবন বাঁচাও সুন্দরবন বাঁচাও বলে চিৎকার করছি তবু তো কই কিছু হচ্ছে না তো?,,,আমাদের শক্তি কোথায়! আমরা নিজেদের শক্তিহীন দেখছি আবার তা মেনে নিতেও পারছি না! আমরা আপনাদের নষ্ট রাজনীতি করতে পারছি না,,,সঠিক দাবি করলে গলা চেপে ধরা হচ্ছে,,,,,আমাদের তাহলে কাজটা কি??,,,পাঠ্যবই এ মুখ ডুবিয়ে রাখা! প্রতিবাদের জায়গাগুলো আমরা ভুলে যাচ্ছি,,,,আমরা নষ্ট মিডিয়া দ্বারা এতোটাই মোহ গ্রস্থ হয়ে পড়ছি যে বুঝে উঠতে পারছি না কোথায় প্রতিবাদ করতে হবে! হয়ে পড়ছি দিক-হারা! আর এটাও সত্য যে- যে দেশে বিরোধী দলকে অকার্যকর করে দেয়া হয় সে দেশে জঙ্গি তৈরি হবেই,,,,এটা একটা ক্রোধ! গণতন্ত্রের ন্যূনতম অনুপস্থিতির ক্রোধ!,,যেটা দেখা যায় না,,,ধীরে ধীরে মানুষে মানুষে ছড়িয়ে পরে গভীরে,,,,

আমি একটা দিক আকর্ষণ করতে চাই এহেনও মধ্যবিত্ত মানুষদের মানসিকতা নিয়ে,,,এই যে জঙ্গি ইস্যু নিয়ে কথা হলেই বারবার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করছেন, এর ফলাফলটা ভেবে দেখেছেন?,,,যদিও জীবন ধারণ করতেই আমাদের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে ভাবনার জায়গা কোথায়! তবু আমাদের ই ভাবতে হবে! ইতিহাসে উজ্জ্বল - যে কোনো সমস্যায় এই দোদ্যুলমান মধ্যবিত্তরাই আগে প্রতিবাদ করেন, এদের মাঝ থেকেই বুদ্ধিজীবীরা উঠে আসেন!,,,একটা প্রতিষ্ঠানকে যখন ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা হয় তখন সেই প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্র-শিক্ষকদের কথা ভেবে দেখেছেন কখনো?,,,তারা দেশ বিদেশে এখন কিভাবে দিন কাটাচ্ছে?,,,,যেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া হলেই জঙ্গি!! আশ্চর্য!! এইসব মেধাবী  ছাত্ররা যখন দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষার জন্য বা ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে বা গবেষণার জন্য যেতে চাইছে তাদের কি ধরণের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে?,,,,জানার প্রয়োজন বোধ করেন নি!,,,,কেননা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে এখনো আমরা প্রাশ্চাত্য সংস্কৃতি বলে যেভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাই তা আসলে কিছু ঠিক মতো জানতে না চেয়ে নিজের দুর্বলতা ঢাকার ই অভিপ্রায় মাত্র,,,,অনেকেই মুখ ফুটে বলেন আর অনেকে বলেন না,,,কিন্তু প্রতিটা মধ্যবিত্ত মানুষের ভিতর ই একটা কি যেন ক্ষোভ কাজ করে এইসব ইউনিভার্সিটি নিয়ে,,,,এইসব দৌন্যতা দূর করতে হবে!,,এই মেধাবী প্রতিষ্ঠানের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে নিজেদের স্বার্থে!,,,অন্যথায় এইভাবে দোষারোপ করতে থাকলে বিদেশের মাটিতে আমরা হেয় প্রতিপন্ন হবো,,,মাথা নিঁচু হয়ে আসবে!,,, হয়তো এইসব মানুষদের ধারণাতেই নেই বিদেশের মাটিতে দেশের এহেনও অবস্থায় কিভাবে দিন কাটাতে হয়!,,,অথচ তারাই দেশের মুখ বিদেশে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে,,,অন্ধকারে কিছুটা হলেও আলো ফোটাচ্ছে!

আসুন একটু ভেবে নিয়ে কথা বলি,,,আপনি হয়তো নিজেকে খুব ক্ষুদ্র ভাবছেন! ভাবছেন আমার একটা কথায় কি এসে যায়! এসে যায় অনেক কিছুই,,,,মানুষের মুখের কথাতেই এক সময় সব ধ্বংস করার মতো মারণাস্ত্র তৈরি হয়ে যায়,,,,আর আপনি আমি হলাম সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ - শিক্ষিত মধ্যবিত্ত অংশ,,,,

নিজেকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন,,,,নিজেকে শ্রদ্ধা করুন!,,,,,(বৃষ্টি),,

অশ্রদ্ধা দৃঢ় কণ্ঠে জানান অন্যায়ের!,,,(বৃষ্টি),,,,,,

কোনো কথা বলার আগে ভেবে নিন - সব কিছুর আগে দেশপ্রেমকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন!,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,

কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপর আঙ্গুল না উঁচিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন!,,,,(বৃষ্টি),,

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন!,,,,(বৃষ্টি),,,

সোচ্চার হোন অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে!,,,(বৃষ্টি),,,,,

 

(বৃষ্টি),,কে আছেন?
দয়া করে একটু আকাশকে বলুন-
সে যেন আর একটু উপরে উঠে
আমি আর দাঁড়াতে পারছি না",,,(বৃষ্টি),,,

------------------------হেলাল হাফিজ

 

*মুখের-কথা* *তরুণ* *মধ্যবিত্ত* *জঙ্গি* *প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়* *সুন্দরবন-বাঁচাও* *গণতন্ত্র* *অপ-রাজনীতি* *রাজনীতি* *মিডিয়া* *প্রতিবাদ* *ছাত্র* *বিদেশ* *বোধোদয়* *শ্রদ্ধা*

দস্যু বনহুর: [ক্রিকেট-সাবাসবোলিং] আজকাল যা কিছু, সবই মিডিয়ার সৃষ্টি! ভুল করে হলেও ভাবতে ভাললাগে পৃথিবীটা মিডিয়ার সৃষ্টি নয়। পৃথিবী আসলেই সুন্দর!

*মিডিয়া*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিদেশী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো জনপ্রিয় করছি আমরা এবং আমাদের দেশীয় মিডিয়া। আমাদের দেশের টিভি চ্যানেল গুলো কত  সুন্দর করে  বিদেশী সোস্যাল নেটওয়ার্ক গুলোর বিজ্ঞাপন প্রচার করি। তাও আবার বিনামূল্যে (মাইরালা)  আবার সেই বিদেশী ফেসবুক কিংবা টুইটার আমাদের কেই বিজ্ঞাপনের পণ্য করে পাকা আমের মতো চুষে খায়। বাহ বাহ কি সুন্দর ও চমৎকার  (হিহিহি) এই তালিকায় দেশের পত্রিকা  এবং অনলাইন দৈনিক গুলো অন্যতম। ফেসবুকে লাইক বাটন আসছে সেই খবর সেই আদিকাল থেকে প্রচার করেই আসছে করেই আসছে। যেন ঐ নেটওয়ার্ক টা তাদের বাবার কিংবা দাদার। আরে ভাই এই লাইক বাটন এ কি আছে?  এই লাইক বাটন তো  আমাদের সেই আদিকাল থেকেই আছে।


-
আমাদের স্বভাব টাই জানি কেমন, আমরা নিজের জন্যে না নেচে অন্যের জন্যে নাচি তাও আবার বিনোদন ছাড়া, আমাদের দেশীয় প্রায় অধিকাংশ মিডিয়া গুলোর উচিৎ মাঝেমধ্যে নিজের ঘরে মানে দেশে একটু নজর দেয়া। দূরের জিনিস চশমা লাগিয়ে না দেখে অতি কাছের জিনিস খালি চোখে দেখাই উত্তম। 
*মিডিয়া* *দৈনিক* *পত্রিকা*

বিম্ববতী: [গ্রীষ্ম-বাত্তিইইই]সৌন্দর্য্য তুমি কি আর কার স্বার্থে পরিচালিত???,,,,, একটি অসুন্দর সমাজ সুন্দরের ব্যাখ্যাকে করেছে কলুষিত যখন সুন্দর মানে হয়ে দাঁড়ায় ফিগার (নারী বা পুরুষ) আর গায়ের রং,,,,যেখানে সুন্দর মানে সৃষ্টি নয়,,, ,,(বমি),,,ধিক্কার অমন নষ্ট ব্যবস্থা আর তার নখরযুক্ত মুনাফাভোগী উপাসকদের,,,,,(বমি),,,, https://www.youtube.com/watch?v=gORxDsbah4E

*সুন্দর* *নারী* *পুরুষ* *সমাজ-ব্যবস্থা* *দর্শন* *মিডিয়া* *মুনাফা* *বাজার* *এ্যাবিউজ*
খবর

ফ্রেশ ফ্রজেন: একটি খবর জানাচ্ছে

বিয়ে করলেন শখ-নিলয় |
http://m.dailynayadiganta.com/detail/news/83634
Largest Daily Online news portal in bangladesh. ...বিস্তারিত
*মিডিয়া*
৯২ বার দেখা হয়েছে

দস্যু বনহুর: [কাকতাড়ুয়া-বাচাও] দ্যাশের চাহিদা মিটায়ে বিপুল পরিমানে বাংলাদেশের অভিনেতা অভিনেত্রীদের কুনোহানে রপ্তানী করতে পাইরলে ভালাই হইত! এই হারে এই ভাবে এত্ত পরতিভা নিয়া এই বিপুল জনগন ঘুমায় ক্যামনে! আর আমরাও আম-জনতা ক্যামনে বিজ্ঞাপন সহকারে এইগুলানরে গলাধঃকরন করি!! !! সূত্রঃ কিছুদিন হল প্রবাসে বসে বাংলাদেশী চ্যানেল দেখছি। (ভেঙ্গানো২)

*বোকাবাক্স* *কুসংস্কৃতি* *অপব্যবহার* *মিডিয়া*

রং নাম্বার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

অথচ শিরোনামটি হতে পারতো, যুদ্ধাপরাধী রাজাকার সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় বহাল।
বাংলার মানুষ পত্রিকার বিষদে যায় না। শিরোনাম দেখেই পুরোটা বুঝে। আজকের সব পত্রিকার শিরোনাম বা টিভি সংবাদ শিরোনাম বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় বহাল। মিডিয়া মানেই ব্যবসা, আর মিডিয়া ব্যবসার মূল কথা হলো পুঁজি যার সংবাদ তার। সুশীল মিডিয়া কোন পক্ষ নিতে চায় না। পাছে পেমেন্ট না বন্ধ হয়ে যায়।
কিছু শিরোনামের স্যাম্পল ১। প্রথম আলো: সাকা চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড বহাল ২। ডেইলি স্টার: SQ Chy’s death penalty upheld ৩। ইন্ডিপেন্ডেন্ট: SC upholds Salahuddin’s death penalty ৪। জনকণ্ঠ: সাকার ফাঁসি বহাল ৫। আমার দেশ: আপিলে সা. কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড বহাল ৬। সংগ্রাম: সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড বহাল ৭। বিডিনিউজ২৪: সাকার ফাঁসি আপিল বিভাগেও বহাল
*মিডিয়া* *সুশীলতা* *৭১*

সাইফ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

২২ জুন সারাদিনসোশাল মিডিয়া ব্যস্ত ছিল সুধীরের উপরে হামলা হয়েছে কি হয় নাই, এই নিয়ে তর্কে।

কিছু লোক ব্যস্ত ছিলেন সুধীরের কাছে মাফ চাইতে।

১. খবরটি করেছে এবিপি প্রথমে। এরা কারা? এরা হলো আনন্দবাজার পাবলিকেশনের চ্যানেল। এটা করার সাথে সাথে কোন ধরনের যাচাই বাছাই না করে এনডি টিভি সহ ভারতীয় মিডিয়া চেচাতে লাগল আর এটাকেই সুত্র করে প্রথম আলো খবর করে দিল, হামলা হয়েছে।

২. সুধীর এর বিষয়ে এরি মধ্যে দেবব্রত মুখোপাধ্যায় লিখেছেন এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন যে তাকে কোন হামলা করা হয়নি, তাকে ভুয়া ভুয়া বলে স্লেজিং করা হয়েছে। সুধীর কে হামলা করা হলে এটা অস্বাভাবিক যে পুলিশ যেখানে তাকে নিরাপত্তা দিয়ে অটোরিকশায় তুলে দিয়েছে, সেখানে হামলাকারীদের একজনকেও আটক করেনি।

৩. কুন্তল চক্রবর্তি নামের সাংবাদিক ভিডিওতে নিজেই বলতে থাকলেন..হামলা হয়েছে। সুধীরের জীবন বিপন্ন।

অথচ সুধীর কি বলেছে? সুধীর বলেছে যে এক দর্শক নাকি তাকে ধাক্কা দিয়েছে স্টেডিয়ামের ভিতরে। খেলা চলাকালীন। আর তিনি খেলার পরে দুই নাম্বার গেটে এসে দেখেন লোকজন এর ভীড় ও অনেকে হৈচৈ করছে। তিনি এটা দেখার পরে ১ নাম্বার গেটে চলে যান কারন সেখানে তার ব্যাগ ছিল। সেটা নিয়ে বের হবার পরে কিছু লোক তাকে বাঁশ দেখায় আর পুলিশ সদস্যরা তাকে একটা অটোরিকশাতে তুলে দেয়। তারপর কিছু লোক অটোরিকশার কাভার ছিড়ে ফেলতে চায়। কিন্ত অটোচালক জোরে চালিয়ে ভেগে যায়, এবং সে ভয় পেয়েছিল।

৪. কুন্তল এটাকে বানিয়ে ফেললেন সুধীরের উপর হামলা, বলতে থাকলেন সুধীরের জীবন বিপন্ন হয়েছে। তারপর বলতে থাকলেন সুধীর হলো ফেস অব ইন্ডিয়ান ক্রিকেট। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন সুধীর কি তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চায়। সুধীর কিন্তু সেটা চাইল না।

এই কুন্তলই কিন্তু অস্ট্রেলিয়া থেকে হ্যাপিকে ফোন করা ও রুবেলের নামে নানারকম ফালতু রিপোর্টের হোতা।

৫. তারপর বালখিল্য প্রশ্ন , সুধীর, শচীন থাকলে কি ভারত এমন খেলত? আপনি কি শচীনকে ফিরতে বলবেন। আপনি তাকে কি বলবেন। সুধীর বললো..তাকে আমি কি বলব? তার যা মর্জী তিনি তো সেটাই করবেন।

কুন্তল তারপর শেষ করছেন ভারতীয় দর্শক বিপন্ন। ভারতের সমর্থকের উপর হামলা। এসব বলে এবং তার হিন্দি আমার চা্ইতেও জঘন্য।

৬. যারা অস্ট্রেলিয়াতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল দেখেছেন তারা জানেন সেদিন অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে কিভাবে বাংলাদেশের সমর্থকদের স্লেজিং করেছিল ভারতীয় দর্শকেরা। এমনকি অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ সেদিন ভারতীয় জনৈক দর্শককে সতর্ক করতে বাধ্য হয়েছিল।

৭. সেদিনের সেই কোয়ার্টার ফাইনালের পরে নজীর বিহীন ভাবে আমাদের মোস্তফা কামাল সাহেবকে বিশ্বকাপ ফা্ইনালে পুরষ্কার বিতরন করতে দেয়নি শ্রীনভাসান গং এবং তাকে মঞ্চে আ্হবান করবে না সেটা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল।

ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা কিন্তু এতে নানারকম অভদ্র্রতার জন্ম দিয়েছে ভারতীয় মিডিয়া এবং দর্শক আর অস্ট্রেলিয়া। স্লেজিং হলো অস্ট্রেলিয়ানদের বিরাট অস্ত্র যেটা দিয়ে তারা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে। গিলক্রিস্টের স্লেজিং বন্ধ হয়েছিল স্ট্যাম্পে মাইক লাগানোর পরে। আর ভারতীয় দর্শকরা তো খোদ গাভাস্কারকে বোতল মেরেছিল, ইডেনে বিশ্বকাপের খেলা দর্শক বের করে দিয়ে শেষ করতে হয়েছিল। যার ফলে পরে ক্রিকেট মাঠে বোতলে পানীয় বিক্রি বন্ধ করা হয়েছে বিভিন্ন ভেন্যুতে।

আর ভারতীয় মিডিয়া বিশেষ করে টিভি চ্যানেলগুলি ক্রমাগত তাদের প্রতিপক্ষকে স্লেজিং করে , খোঁচা দিয়ে বিজ্ঞাপন বানায়।

ম্ওকা মওকা কিংবা বাংলাদেশকে দুধভাত খেলোয়াড়, বাচ্চা বাচ্চা বলা, এগুলো কি ভদ্রতা?

মজা দেখেন , কোথায় সকল মিডিয়া আজকে ভারতের সমালোচনা, খেলোয়াড়দের ব্যর্থতা নিয়ে হৈচৈ করার কথা, সেখানে সুধীরকে নিয়ে আমরা ব্যস্ত হয়ে গেলাম, যেখানে সে নিজেই হামলা শব্দটা বলে নাই। এমনকি নিজের জন্য নিরাপত্তাও চায় নাই।

আর সবাই মিলে মাফ চাই মাফ চাই করার কি আছে?

যদি এটা এত বড় ইস্যু হয় তবে , পরের খেলায় তাকে পাহারা দিলেই হবে। আর দোষীদের পাকড়াও করলেই হবে।

সকলে মিলে এত সহজে মাফ চাইলে আগে শ্রীনিভাসান নামের অভদ্র লোকটার অভদ্রতার জন্য মাফ চাইতে বলেন তাকে এবং তার হয়ে ভারতীয়দের।

সে তো আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টকে অপমান করেছিল।

মাফ চা্ইতে বলেন আইসিসিকে।

আলীম দার আর ইয়ান গোল্ড এর ছাগলা আম্পায়ারিং এর জন্য।

অাগে কিছু লোককে মাফ চাইতে বলেন আমাদের কাছে যার মধ্যে সঞ্জয় মাঞ্জরেকার এবং সিধু , আর মন্দিরা বেদী থাকবেই। এরা তো গোটা দুনিয়ার সামনে টিভিতে আমাদের নিয়ে তামাশা করেছে। ছোট করে কথা বলেছে।

রমিজ রাজা আর সরফরাজ নেওয়াজকে মাফ চাইতে বলেন।

ডিন জোন্সকে মাফ চাইতে বলেন। মাফ চাইতে বলেন বয়কটকে যে আমাদেরকে রেলিগেট করে দিতে বলেছিল।

কিছু হলেই কোন বিচার বিবেচনা ছাড়া হাতজোড় করে মাফ চাই মাফ চাই অভ্যাসটা ত্যাগ করেন।

(জনাব আব্দুর নুর তুষার এর ফেসবুক পোস্ট থেকে হুবহু কপিকৃত, http://on.fb.me/1Iw1Vzl )

*সুধিরহামলা* *মিডিয়া* *ভারত-বাংলাদেশ*
৪/৫

রং নাম্বার: [নান্টু-কসকি]কিছু ঘটনার আগেই নিউজ তৈরী করা থাকে| সেগুলোকে বলা হয় অর্ডারি ইভেন্ট|

*পলিটিক্স* *মিডিয়া*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টিভিতে এ্যাড দেখছেন??

মেয়েটির চোখে মুখে অস্থির কনফিডেন্স....এ্যাডটি হতে পারে স্যানিটারি ন্যাপকিন অথবা কোন ফেয়ারনেস ক্রিমের আর নতুবা কোনো শ্যাম্পুর।

ভারতীয় টিভি চ্যানেলে বডি স্প্রে XOLO,FOOG এর এ্যাডে দেখা যায়। বডি স্প্রে করা পুরুষের উপর কতগুলো নারীকে কামুক দৃষ্টিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে।

দামী ব্রান্ডের গাড়ি প্রদর্শনে বিকিনি পরা মেয়ের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এতে কিন্তু গাড়ির সৌন্দর্য বাড়েনা। বরং এটিই বুঝা যায় যে গাড়ি নয় নারীকেই সেখানে আকৃষ্ট পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

টিভি খুললেই টিভির পর্দায় ভেসে উঠে U&ME কনডমের এ্যাড। যেখানেও পুরুষের ব্যবহৃত বস্তুর এ্যাডে নারীকেই কামুক করে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিবারের সাথে বসে টিভি দেখতে গেলে অবস্থাটা কি হয় একবার ভাবুন তো???

"এত চিনি, তবু রনি ভাইয়ের মন খারাপ"
এটি একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের বিজ্ঞাপনের সংলাপ। টিভিতে অনেকেই হয়তো দেখেছেন। সংলাপের পেছনের গল্পটা না হয় ভেঙ্গে না ই বললাম..... আচ্ছা, মন খারাপ করা রনির জন্য কি এর থেকে ভালো নারী মডেল দেওয়া যেতো না??

শুধু টিভিতে নয়, এসব নগ্নতা ছড়িয়ে পড়ছে বিলবোর্ডেও। কোন রাস্তায় চলাফেরা করবেন????
অভিজাত এলাকা হিসেবে সবার পরিচিত গুলশানের বিপণিবিতান আর জুয়েলারি গুলোর বিজ্ঞাপনে কোনো সুস্থ সমাজের চেহারা ফোটে উঠেনি। ফুটেছে নারী দ্বারা বিকৃত কামাচারের চেহারা।

VASAVI নামে একটি ফ্যাশন মল আছে গুলশান ১ এর লেকপাড়ে। এরা এদের বিজ্ঞাপনে শুরু থেকেই নারী দেহের উন্মুক্ত প্রদর্শনী করিয়ে আসছে। নারীর শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো মেলে ধরে বিজ্ঞাপনে প্রচার করে তারা। যা চোখ কান খোলা রাখলেই রাস্তার পাশের বিলবোর্ডে দেখতে পাবেন।

ভাসাভির ডায়মন্ড জুয়েলারির বিজ্ঞাপন চিত্রে অংশ নেয়া মডেলের বুকের মধ্যখান থেকে গলা পর্যন্ত খোলা। একই রকম অবস্থা দেখা গেছে আপন জুয়েলার্সের বিজ্ঞাপনেও। ক্যাটস আই, এক্সটেসির পোশাক আশাক আর প্রাইড শাড়ির বিজ্ঞাপনেও একই হাল। সব জায়গায় নারীকে উলঙ্গ পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

মহাখালী ফাইওভারের নিচে, ধানমন্ডি, বনানী, উত্তরা ও গুলশানে এসব বিজ্ঞাপনের মেলা। দেশীয় নারী ছাড়াও এসব বিলবোর্ডে ভারতীয় তারকা মডেলদেরও নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়। এসব এলাকার বেশির ভাগ শপিং মল ভারতীয় ধাঁচের। যেমন রূপ মিলান কিংবা জারা। বনানী ও ধানমন্ডিতে তো সরাসরি ভারতীয় ফ্যাশন হাউজ মান্যবর শোরুম খুলে ব্যবসা করছে!!

বছরকয়েক আগে টেলিভিশনে রাঁধুনি গুড়া মশলার একটি বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছিল। সেখানে জনৈকা প্রবীণ অভিনেত্রী রাঁধুনি বলে তার সম্ভাব্য পুত্রবধুর প্রতি ইঙ্গিত করায় নারী মহলে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। চুলটানা কামাল, খাসী কবির, রোকেয়া পেত্নীদের মত নারীবাদীদের চেতনাতে চরম আঘাত লেগেছিলো ওই এ্যাডের কারণে। তখন অভিযোগ করা হয়েছিল, রাঁধুনি বলে বিজ্ঞাপনে নারীর প্রতি কটাক্ষ করা হয়েছে!!

উপরে যে বিজ্ঞাপন গুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাতে কি নারীকে খুব মহিমান্বিত করা হয়েছে?
নাকি তাদেরকে দেখানো হয়েছে নিছক সেক্স অবজেক্ট হিসেবে, যারা আকর্ষণীয় পুরুষ দেখলেই সব ভুলে ছুটে যায়?
এগুলোতে কি নারীকে অশ্লীল পণ্য হিসেবে ব্যাবহার করা হয়নি?
নারীকে কি ভোগ্য পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি?
যদি তা করাই হয়ে থাকে, তবে কেন এই রহস্যময় নীরবতা?
নারীত্বের এই চরম অবমাননা কেন তারা সহ্য করছে?
কেন তাদের মুখে ফোটে না প্রতিবাদের ভাষা?

সত্যি সেলুকাস, কি বিচিত্র আমাদের এই দেশ ! এই দেশের সংস্কৃতি !

হায়রে নারী!!....
..পাশ্চাত্য তোমাকে ডিজিটালের নামে আজ নগ্ন পন্য বানিয়েছে..............
মিডলইস্টের মিড এইজেই তুমি সন্মানীত ছিলে............
*নারী* *মিডিয়া* *বেশম্ভব*
*মিডিয়া* *বেশম্ভব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গতকাল শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ উঠে গেছে ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে। এই জয়ে আনন্দে ভাসছে সারাদেশ। আর বাংলাদেশের এই জয় শিরোনাম হয়েছে আন্তর্জাতিক পত্রপত্রিকায়। আর এইসকল পত্রপত্রিকার শিরোনাম নিয়ে আজকের এই ছবি ব্লগ।

বিবিসি


সিএনএন


দ্যা গার্ডিয়ান - ইউকে


দ্যা এক্সপ্রেস - ইউকে


দ্যা ডেইলি স্টার - ইউকে


দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট - ইউকে


দ্যা ডেইলি মেইল - ইউকে


দ্যা ডেইলি মিরর


ডেইলি টেলিগ্রাফ - ইউকে


দ্যা টাইমস - ইউকে


ইএসপিএন ক্রিকইনফো


হেরাল্ড সান - অস্ট্রেলিয়া


দ্যা অস্ট্রেলিয়ান - অস্ট্রেলিয়া


দ্যা নিউ ডেইলি - অস্ট্রেলিয়া


আল জাজিরা


দ্যা রেপোর্ট


নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড - নিউজিল্যান্ড


হিন্দুস্থান টাইমস - ভারত


ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস - ভারত


দ্যা হিন্দু - ভারত


টাইমস অফ ইন্ডিয়া - ভারত


আনন্দবাজার - ভারত


আচ্ছা আমাদের দুষ্ট দোস্ত পাকি নিউজ পেপার কি বলে? জামশেদ, রমিজ এদের আংকেলেরা কি বলেঃ

দ্যা ডন


শেষে সবাই একটা কথাই বলি, "সাবাশ বাংলাদেশ - এগিয়ে যাও বাঘের গর্জন তুলে"
*বাংলাদেশ* *মিডিয়া* *বিশ্বমিডিয়া* *বিশ্বকাপ২০১৪* *ক্রিকেটরঙ্গ*
*মিডিয়া* *বিশ্বমিডিয়া* *বিশ্বকাপ২০১৪* *ক্রিকেটরঙ্গ* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫* *বিশ্বকাপ-মিশন* *টাইগারস* *কোয়ার্টারফাইনাল* *খবর* *ক্রিকেট*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এই বিভাগের মাধ্যমে নিউজ বা সংবাদসংশ্লিষ্ট সব কাজ হয়ে থাকে। প্রতিনিয়ত যা ঘটছে সেসব ঘটনা সংবাদের মাধ্যমে প্রচার করা হয়। সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদ বিভাগকে ঘিরেই প্রায় সকল কাজ করা হয়ে থাকে।

ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদ বিভাগে যারা কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রটি প্রায় একইরকম হলেও পদবীর দিক থেকে ভিন্ন ভিন্ন নাম হয়ে থাকে। পত্রিকায় যাকে বলা হয় সাব এডিটর, টেলিভিশনে তাঁকে বলা হয় নিউজ এডিটর, অর্থাৎ যারা ডেস্কে কাজ করেন তাদেরকে বলে নিউজ এডিটর। নিন্মোক্ত পদ্গুলোতে সংবাদ বিভাগে কাজ করার সুযোগ রয়েছেঃ

১। রিপোর্টার
প্রতিবেদক বা রিপোর্টারই হচ্ছে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মূল চালিকা শক্তি। একজন প্রতিবেদক প্রতিদিন ঘটে যাওয়া ঘটনার তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে প্রতিবেদন তৈরি করেন। একজন প্রতিবেদককে তৌরি করা প্রতিবেদনগুলো বেশীরভাগ সময় ক্যামেরার সামনে উপস্থাপন করতে হয়। আর তাই তাৎক্ষণিক সাবলীল উপস্থাপনার কৌশল ও কথায় শুদ্ধতা একজন প্রতিবেদকের জন্য আবশ্যক। এক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়তে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতকোত্তরধারীরা বিশেষ অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে।

২। শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর
শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর পদে সাধারণত এন্ট্রি লেভেল থেকে কর্মী নিয়োগ করা হয়ে থাকে। তাই প্রাথমিক বেতন কাঠামো এই পদের জন্য সাধারণত ১৫ থেকে ২০ হাজার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কাজের ক্ষেত্র হিসাবে এই পদে নিয়োজিত কর্মীকে ডেস্ক ইনচার্জ প্রদত্ত নিউজ গুলোকে সাজাতে হয় দর্শকের কথা মাথায় রেখে। সাধারণত কর্ম দক্ষতার উপর নির্ভর করে ১ থেকে দুই বছরের মধ্যে 'নিউজরুম এডিটর' পদে পদোন্নতি হতে পারে।


৩। নিউজরুম এডিটর
নিউজরুম এডিটর এর দায়িত্ব হচ্ছে শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর হতে প্রাপ্ত সংবাদ কে সিনিয়র নিউজরুম এডিটর কর্তৃক এপ্রুভ করে নেওয়া এবং সংবাদ ঠিকভাবে পরিবেশিত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা। নিউজরুম এডিটর এর বেতন কাঠামো ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে হয়ে থাকে এবং কর্ম দক্ষতার উপর ভিত্তি করে সিনিয়র নিউজরুম এডিটর পদে পদোন্নিত হতে পারে।

৪। সিনিয়র নিউজরুম এডিটরঃ
ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ এর স্বমন্বয় করা নিউজগুলো থেকে সিনিয়র নিউজরুম এডিটররা সম্ভাব্য নিউজ বুলেটিনগুলো বাছাই করে থাকে। এই পদের বেতন কাঠামো ৪০ থেকে ৪৫ হাজারের মধ্যে হয়ে থাকে।

৫। সংবাদ উপস্থাপকঃ
একজন নিউজ প্রেজেন্টার বা সংবাদ উপস্থাপক দর্শকের সামনে সংবাদ পরিবেশন করে থাকেন। সাধারনত একজন সংবাদ উপস্থাপক-এর কাজ হলো-পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট উপস্থাপন, রিপোর্ট উপস্থাপনের আগে সে সম্পর্কে সাধারণ ধারণা দেয়া এবং অনেক সময় প্রতিবেদকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ এবং উপস্থাপন করা। একজন সংবাদ উপস্থাপকের আকর্ষনীয় বাচনভঙ্গি, স্পষ্ট উচ্চারণ এবং সুন্দর উপস্থাপন কৌশলের অধিকারী হতে হয়।

কৃতজ্ঞতা: বিডিজবস.কম 
*ক্যারিয়ার* *ক্যারিয়ারটিপস* *মিডিয়া* *সংবাদবিভাগ*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান সময়ে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে একটি আকর্ষনীয় এবং সৃজনশীল ক্ষেত্র হচ্ছে ইলেকট্রনিক মিডিয়া। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বড় ক্ষেত্র হলো টেলিভিশন। ক্যারিয়ার হিসাবে ইলেকট্রনিক বা টিভি মিডিয়া গত এক দশকে বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ৩০ এর অধিক টিভি চ্যানেল রয়েছে যেখানে ইতোমধ্যেই কাজ করছে ১০ হাজারের বেশী জনশক্তি। এই চ্যানেল গুলোর বাহিরে ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার সাথে জড়িত অন্যান্য আরো প্রোডাকশন হাউজগুলোতে কাজ করছে এর চাইতে বেশী জনশক্তি। ক্যারিয়ার হিসাবে মিডিয়া আয়ের পাশাপাশি খ্যাতিও এনে দিচ্ছে, যার দরুণ এই পেশার দিকে ঝুঁকে আসছে হাজার হাজার তরুণ তরুণী। কিন্তু কিভাবে শুরু করবেন মিডিয়ায় ক্যারিয়ার? কি কি ক্ষেত্র রয়েছে এ পেশাতে? সুযোগ সুবিধা গুলোই বা কিরকম হয়ে থাকে? এ ধরণের প্রশ্নের ঘুরপাক থেকে অনেকেই হয়তো এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। তাদের কথা মাথায় রেখেই বিডিজবস.কম এই প্রবন্ধটি প্রকাশ করেছে।

দেশীয় চ্যানেলের ইতিকথা
বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার যাত্রা শুরু হয়। এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর হতে সাদা-কালো সম্প্রচার শুরু করে। সে সময় এটি পাকিস্তান টেলিভিশন নামে পরিচিত ছিল। মুক্তিযুদ্ধের পর এর নাম পরিবর্তন করে বর্তমান নাম রাখা হয়। ১৯৮০ থেকে এটি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে 'এটিএন বাংলা' সম্প্রচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বেসরকারী টিভি চ্যানেলের যাত্রা শুরু হয়। যার ধারাবাহিকতায় আরো অনেক দেশীয় চ্যানেল তাদের সম্প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কাজের ক্ষেত্রসমূহ:
অনুষ্ঠান বিভাগ

ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় অনুষ্ঠান বিভাগ একটি আকর্ষনীয় ক্ষেত্র হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এ বিভাগে নিউজের বাইরে অন্যান্য অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকে। সৃজনশীলতা নির্ভর এই বিভাগে কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন প্রযোজক, সহকারী প্রযোজক, ও স্ক্রিপ্ট রাইটার। আর তাই এই ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য একজনকে অবশ্যই সৃজনশীল হতে হবে। নিত্য নতুন আইডিয়া বা প্রোগ্রাম ডিজাইন নিয়ে তাকে কাজ করে যেতে হয় প্রতিদিন।

প্রযোজকঃ
ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কোনো নির্দিষ্ট অনুষ্ঠান সমন্বয়কারীই হলেন প্রযোজক। কোনো অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা, শুটিং ও সম্পাদনা করে প্রচারের উপযোগী করেন তিনি। তার অধীনে সবার কাজের তদারকি ও প্রয়োজনীয় সম্পাদনা তিনি করে থাকেন। আর তাই একজন প্রযোজককে সৃজনশীলতার পাশাপাশি ব্যবস্থাপনার কৌশলগুলোও রপ্ত করতে হয়।

সহকারী প্রযোজকঃ
কাজের ক্ষেত্র হিসাবে অনুষ্ঠান বিভাগে একজনের ক্যারিয়ার শুরু হতে পারে সহকারী প্রযোজক হিসাবে। অনুষ্ঠান পরিচালনায় প্রযোজকের কাজে সাহায্য করেন সহকারী প্রযোজক। অনুষ্ঠান পরিচালনায় দরকারি সব জিনিস আছে কিনা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ঠিক আছে কি না- এগুলো তদারকি করেন সহকারী প্রযোজক। প্রডিউসারের নির্দেশনা অনুষ্ঠান প্রচারকার্যক্রমে অগ্রগতির তদারকিও তিনি করে থাকেন।
এই পদে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য প্রার্থীকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবং একই সাথে সৃজনশীলও হতে হয়। প্রারম্ভিক বেতন কাঠামো ১০-১৫ হাজারের মধ্যে হয়ে থাকে। দক্ষতার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে পদোন্নতির মাধ্যমে একজন সহকারী প্রযোজকের, প্রযোজক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্ক্রিপ্ট রাইটারঃ
অনুষ্ঠান বিভাগ-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ হচ্ছে স্ক্রিপ্ট রাইটার। চ্যানেলের অনুষ্ঠানগুলোর স্ক্রিপ্ট রচনা করাই একজন স্ক্রিপ্ট রাইটারের প্রধান দায়িত্ব। আর তাই একজন স্ক্রিপ্ট রাইটারের ভাষার ওপর দক্ষতা এবং একইসাথে সৃজনশীল হতে হবে।
অনুষ্ঠান বিভাগকে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রাণ বলা হয়। তাই এইক্ষেত্রে কাজ করার জন্য একজনকে অবশ্যই দৃড়চিত্তের অধিকারী হতে হবে। যেহেতু ইলেকট্রনিক মিডিয়ার দর্শকরা ছুটির দিনগুলোতেই বেশী সময়ের জন্য টেলিভিশন দেখে থাকেন, তাই প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের সাথে জড়িত কর্মীদেরকে বেশীর ভাগ সময়ই ব্যস্ত থাকতে হয়। এমনকি সরকারী ছুটির দিনগুলোতেও।

সংবাদ বিভাগ
ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এই বিভাগের মাধ্যমে নিউজ বা সংবাদসংশ্লিষ্ট সব কাজ হয়ে থাকে। প্রতিনিয়ত যা ঘটছে সেসব ঘটনা সংবাদের মাধ্যমে প্রচার করা হয়। সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদ বিভাগকে ঘিরেই প্রায় সকল কাজ করা হয়ে থাকে।
ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদ বিভাগে যারা কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রটি প্রায় একইরকম হলেও পদবীর দিক থেকে ভিন্ন ভিন্ন নাম হয়ে থাকে। পত্রিকায় যাকে বলা হয় সাব এডিটর, টেলিভিশনে তাঁকে বলা হয় নিউজ এডিটর, অর্থাৎ যারা ডেস্কে কাজ করেন তাদেরকে বলে নিউজ এডিটর। নিন্মোক্ত পদ্গুলোতে সংবাদ বিভাগে কাজ করার সুযোগ রয়েছেঃ

১। রিপোর্টার
প্রতিবেদক বা রিপোর্টারই হচ্ছে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মূল চালিকা শক্তি। একজন প্রতিবেদক প্রতিদিন ঘটে যাওয়া ঘটনার তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে প্রতিবেদন তৈরি করেন। একজন প্রতিবেদককে তৌরি করা প্রতিবেদনগুলো বেশীরভাগ সময় ক্যামেরার সামনে উপস্থাপন করতে হয়। আর তাই তাৎক্ষণিক সাবলীল উপস্থাপনার কৌশল ও কথায় শুদ্ধতা একজন প্রতিবেদকের জন্য আবশ্যক। এক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়তে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতকোত্তরধারীরা বিশেষ অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে।

২। শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর
শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর পদে সাধারণত এন্ট্রি লেভেল থেকে কর্মী নিয়োগ করা হয়ে থাকে। তাই প্রাথমিক বেতন কাঠামো এই পদের জন্য সাধারণত ১৫ থেকে ২০ হাজার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কাজের ক্ষেত্র হিসাবে এই পদে নিয়োজিত কর্মীকে ডেস্ক ইনচার্জ প্রদত্ত নিউজ গুলোকে সাজাতে হয় দর্শকের কথা মাথায় রেখে। সাধারণত কর্ম দক্ষতার উপর নির্ভর করে ১ থেকে দুই বছরের মধ্যে 'নিউজরুম এডিটর' পদে পদোন্নতি হতে পারে।

৩। নিউজরুম এডিটর
নিউজরুম এডিটর এর দায়িত্ব হচ্ছে শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর হতে প্রাপ্ত সংবাদ কে সিনিয়র নিউজরুম এডিটর কর্তৃক এপ্রুভ করে নেওয়া এবং সংবাদ ঠিকভাবে পরিবেশিত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা। নিউজরুম এডিটর এর বেতন কাঠামো ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে হয়ে থাকে এবং কর্ম দক্ষতার উপর ভিত্তি করে সিনিয়র নিউজরুম এডিটর পদে পদোন্নিত হতে পারে।

৪। সিনিয়র নিউজরুম এডিটরঃ
ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ এর স্বমন্বয় করা নিউজগুলো থেকে সিনিয়র নিউজরুম এডিটররা সম্ভাব্য নিউজ বুলেটিনগুলো বাছাই করে থাকে। এই পদের বেতন কাঠামো ৪০ থেকে ৪৫ হাজারের মধ্যে হয়ে থাকে।

৫। সংবাদ উপস্থাপকঃ
একজন নিউজ প্রেজেন্টার বা সংবাদ উপস্থাপক দর্শকের সামনে সংবাদ পরিবেশন করে থাকেন। সাধারনত একজন সংবাদ উপস্থাপক-এর কাজ হলো-পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট উপস্থাপন, রিপোর্ট উপস্থাপনের আগে সে সম্পর্কে সাধারণ ধারণা দেয়া এবং অনেক সময় প্রতিবেদকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ এবং উপস্থাপন করা। একজন সংবাদ উপস্থাপকের আকর্ষনীয় বাচনভঙ্গি, স্পষ্ট উচ্চারণ এবং সুন্দর উপস্থাপন কৌশলের অধিকারী হতে হয়।

ব্রডকাস্টিং বিভাগ-এ ক্যারিয়ার

বিশ্বব্যাপী তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লবের ফলশ্রুতিতে অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের পাশাপাশি ব্রডকাস্টিং ডিপার্টমেন্টের কাজের ধরণ পরিবর্তন এবং সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্রডকাস্টিং ডিপার্টমেন্ট-এর সাহায্যে টিভি চ্যানেলগুলো অডিও-ভিডিও বার্তা আমাদের কাছে দৃশ্যমান এবং বোধগম্য করে থাকে। মূলত এই ডিপার্টমেন্টের কর্মীরা প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের বিভিন্ন টিভি অনুষ্ঠান এবং নিউজ অন-এয়ার করে থাকে। একটি টিভি চ্যানেলের ব্রডকাস্টিং ডিপার্টমেন্ট সাধারনত যে কাজগুলো করে থাকে তা হচ্ছে- ভিডিও এডিটিং, মাষ্টার কন্ট্রোল রুমের কাজ, টিভি অনুষ্ঠানের সময় সূচি তত্ত্বাবধান এবং বিভিন্ন রকমের টেকনিক্যাল কাজসমূহ।
সাধারনত এই ডিপার্টমেন্টে যারা কাজ করেন তারা হলেন; ভিডিও এডিটর, অডিও ইঞ্জিনিয়ার, ভিডিও ইঞ্জিনিয়ার, ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার, ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি এবং কিছু টেকনিশিয়ান।

ভিডিও এডিটর:
ব্রডকাস্টিং ডিপার্টমেন্টে ভিডিও এডিটরদের কাজ হলো টেকনিক্যাল ও সৃজনশীল কাজের সমন্বিত একটি চর্চা। একজন ভালো এডিটরের কল্পনা শক্তি থাকা এবং বেসিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার জ্ঞান থাকা আবশ্যক। কারন একজন এডিটরকে প্রযোজক / প্রোডাকশন হাউস কর্তৃক নির্মিত টিভি অনুষ্ঠানগুলো সেন্সর, সঠিক বোধগম্য করার দায়িত্ব পালন করতে হয়। টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা সুন্দরভাবে সম্পাদনা করে তাকে দৃষ্টিনন্দন ও দর্শনযোগ্য করাই ভিডিও এডিটরদের কাজ। এ বিষয়ে প্রশিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও সৃজনশীল ব্যক্তি কাজ করতে পারেন। ফটোগ্রাফি, ফ্রেম, কালার ইত্যাদি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। এডিটরদের কাজ যেখান থেকে শেষ হয়, সেখান থেকে শুরু হয় মাষ্টার কন্ট্রোল রুমের প্রকৌশলী এবং টেকনিশিয়ানদের কাজ। তারাই সর্বশেষে একটি টিভি অনুষ্ঠানকে অন-এয়ার করে থাকেন। একজন সদ্য স্নাতককে ভিডিও এডিটিং-এ ক্যারিয়ার গড়তে হলে, প্রথমে তাকে ইন্টার্ণ / ট্রেইনি হিসেবে কাজ শিখতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় একজন ফুলটাইম কর্মী ১০-১৫ হাজার টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। তবে সঠিক শ্রম ও অধ্যবসায়ে এই ডিপার্টমেন্টে কাজ করলে একজন ভিডিও এডিটর খুব অল্প সময়ে সিনিয়র অথবা চিফ ভিডিও এডিটর পর্যন্ত হতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাদের বেতন কাঠামো ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ইঞ্জিনিয়ার (ভিডিও, অডিও এবং ব্রডকাস্ট)
একটি অনুষ্ঠানকে বোধগম্য করার জন্য এডিটররা সাধারনত অডিও ইঞ্জিনিয়ার, ভিডিও ইঞ্জিনিয়ার, ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার এবং টেকনিশিয়ানদের কাজ সাথে কাজ করেন। অবশেষে ইঞ্জিনিয়াররা একটি টিভি অনুষ্ঠানকে মাষ্টার কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে অন-এয়ার করে থাকেন।
সদ্য ডিগ্রীপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়াররা (সাধারনত CSE, EEE ডিগ্রীধারী) ব্রডকাস্টিং ডিপার্টমেন্টে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। প্রাথমিক অবস্থায় তাদের বেতন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা থাকলেও অভিজ্ঞতার সাথে সাথে তারাও ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন পেয়ে থাকেন।

ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি
তিনি মূলত আলোক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকেন। এ ছাড়া ক্যামেরার সৃজনশীল ব্যবহারের দায়িত্বও পালন করেন। একজন ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি ক্যামেরাম্যান, সহকারী ক্যামেরাম্যান ও ক্যামেরা অপারেটরদের নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। একজন সদ্য স্নাতক কাজের মধ্য দিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি সঠিক শ্রম ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি হতে পারেন।

অন্যান্য
মিডিয়াতে যে শুধুমাত্র উল্লেখিত ক্ষেত্রেই ক্যারিয়ার গড়া যাবে এমনটি নয়। এটি একটি বিশাল ক্ষেত্র এবং সে অনুসারে এক্ষেত্রে কাজ করার বিশাল পরিসরে সুযোগ রয়েছে। ফ্যাসিলেটর, কপি রাইটার, ডেটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, গ্রাফিক ডিজাইনার, কোরিওগ্রাফার, মেক-আপ আর্টিস্ট এবং এইচ আর, সেলস এন্ড মার্কেটিং, একাউন্টিং, ফিন্যান্স, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট-এর কর্মী হিসেবে আপনিও মিডিয়াতে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। এদের মধ্যে ফ্যাসিলেটরের প্রধান কাজ হলো অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে লজিস্টিক সাপোর্ট (যেমন: প্রোগ্রাম, ব্রডকাস্ট) দেওয়া। তারা মূলত অনুষ্ঠান ও নিউজ তৈরীতে ডিপার্টমেন্টগুলোর যে সব আনুসাঙ্গিক জিনিস প্রয়োজন, তা সরবারহ করে থাকেন। যে কেউ এসকল পেশায় ন্যুনতম যোগ্যতা (স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি) অর্জনের মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন। একাউন্টিং, ফিন্যান্স, এইচ আর এম সহ বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারিরাও ক্ষেত্র অনুযায়ী মিডিয়াতে নিজ ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণ
বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকতায় পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ রয়েছে। এ ছাড়া প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ডেফোডিল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস-এ পড়া যায়। প্রশিক্ষণ দেয় এমন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম হলো- প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি), সেন্টার ফর মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এমআরটি), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজম অ্যান্ড ইলেকট্রনিক মিডিয়া (বিজেম), বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, বিশ্ব কলাকেন্দ্র, কিংবদন্তি মিডিয়া হাউজ, সেন্টার ফর অ্যাডভান্স মিডিয়া (ক্যাম), ঢাকা ফটোগ্রাফিক ইনস্টিটিউশন, চঞ্চল মাহমুদ স্কুল অব ফটোগ্রাফি ইত্যাদি।

আমাদের দেশে টিভি চ্যানেলগুলোতে কাজের ক্ষেত্র দিন দিন বাড়ছে। অনেকেই এ ক্ষেত্রকে চ্যালেঞ্জিং ক্যারিয়ার ও বলে থাকেন। ব্যক্তির আগ্রহ, যোগ্যতা আর সৃজনশীলতা থাকলে সহজেই এক্ষেত্রে স্থান করে নেয়া সম্ভব। মিডিয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা না করেও যে কেউ ভালো প্রশিক্ষণ নিয়ে এখানে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।
সূত্রঃ বিডিজবস ডট কম 

*ক্যারিয়ার* *ক্যারিয়ারটিপস* *মিডিয়া* *সাংবাদিকতা*
জোকস

পাগলী: একটি জোকস পোস্ট করেছে

আসলে কি হয় আর মিডিয়া আমাদের কি দেখায়!! (চিন্তাকরি)
*জোকস* *মিডিয়া*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★