মিষ্টান্ন

মিষ্টান্ন নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাচীনকাল থেকেই বাহারি মিষ্টান্ন তৈরীতে বাঙ্গালির বেশ খ্যাতি আছে। ঐতিহ্যগত কারনেই আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলার নানা রকমের খাবার বিভিন্ন কারণে বিখ্যাত। যেমন- ময়মনসিংহের মালাইকারি, নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি, কুমিল্লার রসমালাই আর পোড়া সন্দেশ, পোড়াবাড়ির চমচম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা ও বগুড়ার দইসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রসিদ্ধ সব খাবারের মতো ময়মনসিংহের মন্ডা বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও প্রসিদ্ধ একটি মিষ্টান্নত। মুক্তাগাছার মন্ডার নাম শোনেননি ভোজনরসিকদের মাঝে এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আজকের আয়োজন ময়মনসিংহের বিখ্যাত মন্ডা মিঠাই নিয়ে। চলুন মন্ডার স্বাদ নেই ঘরে বসে। 


মন্ডার ইতিকথাঃ
মন্ডা নিয়ে একটি কিংবদন্তি রয়েছে। ময়মনসিংহ শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে মুক্তাগাছা। দুই শতাধিক বছর আগে মুক্তাগাছার প্রসিদ্ধ মন্ডার জনক গোপাল পাল এক রাতে স্বপ্নাদিষ্ট হলেন। শিয়রে দাঁড়িয়ে এক ঋষি তাকে আদেশ দিচ্ছেন মন্ডা মিষ্টি তৈরি কর। পরদির গোপাল ঋষির আদেশে চুল্লি খনন শুরু করলেন। দৈবাৎ উদয় হলেন সাধু। তিনি হাত বুলিয়ে দিলেন চুল্লিতে। শিখিয়ে দিলেন মণ্ডা তৈরির কলাকৌশল গোপালকে। দুধ ও চিনি দিয়ে তৈরি হলো মন্ডা। গোপাল তার নব উদ্ভাবিত মন্ডা পরিবেশন করলেন তৎকালীন মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর রাজদরবারে। মন্ডা খেয়ে মহারাজা পেলেন পরম তৃপ্তি , আর বাহবা দিলেন গোপালকে। 
শুরু হলো মণ্ডার যাত্রা। গোপাল সম্বন্ধে জানা যায়, বাংলা ১২০৬ সালে তৎকালীন ভারতবর্ষের মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। নবাব সিরাজদৌলার মৃত্যুর পর গোপাল মাতৃভূমি রাজশাহীতে চলে আসেন। পরে বাংলা ১২৩০ সালে তিনি মুক্তাগাছায় বসত গড়েন। প্রথম মণ্ডা তৈরি হয় বাংলা ১২৩১ সালে।  

মন্ডা তৈরীর উপকরণঃ
চ্যাপ্টা আকৃতির মণ্ডা ছানা ও চিনির রসায়নে প্রস্তুতকৃত এক ধরনের সন্দেশ।  মণ্ডার মূল উপাদান দুধ ও চিনি । বর্তমানে ২০টির এক কেজি মন্ডা ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হয় । মণ্ডা তৈরির পর ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয় না। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় গরমের সময় ৩/৪ দিন ও শীতকালে ১০/১২ দিন ভালো থাকে । এ মণ্ডার প্রস্তুত প্রণালি কখনই পরিবারের বাইরে যায়নি। এমনকি যেখানে এটি তৈরি হয়, তার চৌকাঠ বাড়ির নারীদের পার হওয়াও বারণ। পূর্বপুরুষদের আদেশ মেনেই নাকি এ রীতি!

কোথায় থেকে কিনবেন?
দেশের বিভিন্ন জায়গাতেই মন্ডা নামে মিষ্টান্ত বিক্রি হয়। তবে এর আসল স্বাদ পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ময়মনসিংহ শহরের মুক্তাগাছার যেতে হবে।  এখানে গেলে আসল মন্ডা একমাত্র গোপাল পালের আদি মন্ডাই খেতে পাবেন। তাছাড়াও রাজধানী ঢাকায় যারা আছেন তাদের জন্য সুখবর! বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল ডটকম সরাসরি ময়মনসিংহ থেকে আপনাদের জন্য মিষ্টি সরবারহ করে। কিনতে চাইলে তাদের ওয়েবসাইটে গিযে অর্ডার করলেই মিষ্টি ঘরে পৌঁছে যাবে। মন্ডা কিনতে ক্লিক করুন

ঘরে বসে সব ধরনের মিষ্টি কিনতে এই লিংক থেকে ঘুরে আসুন

*মিষ্টান্ন* *মিষ্টি* *মন্ডা* *মজারখাবার* *কেনাকাটা* *অনলাইনশপিং* *স্মার্টশপিং* *শপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঐতিহ্যগত কারনেই বিভিন্ন এলাকার নানা রকমের খাবার বিভিন্ন কারণে বিখ্যাত। যেমন- ময়মনসিংহের মালাইকারি, নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি, কুমিল্লার রসমালাই আর পোড়া সন্দেশ, পোড়াবাড়ির চমচম, নাটোরের কাঁচাগোল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রসিদ্ধ সব খাবারের মতো বগুড়ার দই বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও প্রসিদ্ধ একটি মিষ্টান্নত। দেশের যে কোনো প্রান্তে এক নামে যে কেউ বগুড়ার দই চেনেন। যারা খেয়েছেন তারাই বুঝেছেন, আসলে কতটা সুস্বাদু। প্রতিটি এলাকার প্রসিদ্ধ খাবারগুলোএত সুনাম অর্জনের কারণ কি তা খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে, ওই সব প্রসিদ্ধ খাবারের যত কাঁচামাল তা ওই জায়গায় সহজ লভ্য এবং ও জায়গাতেই ভালো হয়। বগুড়াতেও বেশ কয়েক পদের দই পাওয়া যায়। যেমন: বগুড়ার শাহী দই , বগুড়ার বিখ্যাত ক্ষিরসা দই, বগুড়ার স্পেশাল দইইত্যাদি।

যেভাবে এলো বগুড়ার দই
বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা কিংবা অঞ্চলে উৎপাদিত হলেও কিছু বিশেষত্বের কারণে ‘বগুড়ার দই’-এর খ্যাতি দেশজুড়ে। উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে কারিগরদের (উৎপাদক) বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণের পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা যত্নবান হওয়ায় বগুড়ার দই স্বাদে-গুণে তুলনাহীন। প্রায় দেড়শ’ বছর আগে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঘোষ পরিবারের হাত ধরে বগুড়ায় দইয়ের উৎপাদন শুরু। পরবর্তী সময়ে বগুড়ার নওয়াব আলতাফ আলী চৌধুরীর (পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলীর বাবা) পৃষ্ঠপোষকতায় শেরপুরের ঘোষ পরিবারের অন্যতম সদস্য গৌর গোপাল বগুড়া শহরে দই উৎপাদন শুরু করেন।

বগুড়ার দইয়ের সুনাম
বগুড়ার দই ও মিষ্টি স্বাদে ও গুনে অতুলনীয় হওয়ায় দেশ ও বিদেশে সকলের কাছে অতি প্রিয়। বগুড়ার দই এর স্বাদ এখন সকলের মুখে মুখে।এখন যেকোন অনুষ্ঠানাদিতে খাওয়ার শেষে বগুড়ার দই না হলে তৃপ্তি হয়না। অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র বগুড়ার দই খাবার জন্য বগুড়াতে বেড়াতে যান। অনেকে আবার অর্ডার করে বগুড়া থেকে দই নিয়ে আসেন। বিদেশে বগুড়ার দইয়ের খ্যাতি সর্বপ্রথম ১৯৩৮ সালে ইংল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়ে। ওই বছরের গোড়ার দিকে তৎকালীন বাংলার ব্রিটিশ গভর্নর স্যার জন এন্ডারসন বগুড়া নওয়াববাড়ি বেড়াতে এসে প্রথম দইয়ের স্বাদ গ্রহণ করেন। এছাড়াও বগুড়ার দই ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়া, রানী এলিজাবেথ থেকে শুরু করে মার্কিন মুল্লুকে অনেকেই খেয়েছেন যা বগুড়ার জন্য গর্বের বিষয়।

কোথায় থেকে কিনবেন
দই বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। কিন্তু বিখ্যাত বগুড়ার দই তো আর চাইলেই সব জায়গায় পাবেন না।  এজন্য আপনাকে হয় বগুড়া যেতে হবে নতুবা যার বিশ্বস্থতার সাথে দই সরবারহ করে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। এজন্য আপনারা যারা বাড়তি কষ্ট না করে বাড়িতে বসে বগুড়ার দইয়ের স্বাদ নিতে চান তারা দেশের জনপ্রিয় অনলাইন শপ আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে নক করতে পারেন। আমার জানা তারা সরাসরি বগুড়া থেকে দই নিয়ে ক্রেতাদের সরবারহ করে। দই কেনার সুবিধার্থে আপনার  জন্য নিচের লিংকটি শেয়ার করলাম। এখান থেকে অর্ডার করে আপনি দই কিনতে পারবেন।
*দই* *মিষ্টান্ন* *বগুড়ারদই* *কেনাকাটা* *শপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কি অদ্ভুত! এতোদিন বালিশ মাথার নিচে দিয়ে ঘুমিয়েছি। কিন্তু আজ শুনলাম বালিশ নামে মিষ্টিও আছে। কেন এই মিষ্টির নাম বালিশ মিষ্টি? উত্তর হয়তবা একটাই, বালিশের মত দেখতে এবং আকৃতিটাও বেশ বড় তাই। মূলত মিষ্টি পাগল বাঙ্গালিদের মিষ্টি লালসার স্বাদ মেটাতেই এই বালিশ মিষ্টির আর্বিভাব। যাদের একটি দুটি মিষ্টিতে হয় না তাদের জন্য একটি বা অর্ধেকটি বালিশ মিষ্টিই যথেষ্ট। বন্ধুরা, আজকের আয়োজন নেত্রকোনার বিখ্যাত  বালিশ মিষ্টি নিয়ে। চলুন বালিশ মিষ্টির খুঁটিনাটি জেনে নেই।


বালিশ মিষ্টির ইতিকথা
নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোডের 'গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার'-এর স্বত্বাধিকারী গয়ানাথ ঘোষ শত বছরেরও বেশি সময় আগে বালিশ মিষ্টি উদ্ভাবন করেন। গোয়ানাথের স্বপ্ন ছিল নতুন কোন ধরনের মিষ্টি আবিষ্কার করে অমর হয়ে থাকা। সে আশায় একদিন বিশাল আকারের মিষ্টি তৈরি করলেন। তা জনপ্রিয় হয়ে উঠতেও খুব বেশি সময় লাগল না। দেখতে অনেকটা বালিশের মতো। স্বাদ দেখে মানুষ মিষ্টির নাম জানতে চাইলে বিড়ম্বনায় পড়েন গয়ানাথ। তিনি তো মিষ্টির কোনো নাম ঠিক করেননি। জানামতে, শেষে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আবদুস সালাম পেয়ার মিয়া বালিশের মতো দেখতে মিষ্টিটির নাম দিলেন ‘বালিশ মিষ্টি’। পরে ধীরে ধীরে এ নামটিই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। লোকমুখে বালিশের নাম হয়ে ওঠে 'গয়ানাথের বালিশ'। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেই ভারতে চলে যান গয়ানাথ ঘোষ। চলে যাওয়ার সময় তা শিখে নেন কারিগর ধীরেন্দ্র চন্দ্র মোদক। জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি এ মিষ্টি তৈরির ধারা অব্যাহত রাখেন শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে। ধীরেন্দ্র চন্দ্র মোদকের মৃত্যুর পর তাঁর দুই ছেলে লিটন চন্দ্র মোদক ও দিলীপ চন্দ্র মোদক আজো ‘বালিশ মিষ্টি’র ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন।

বালিশ মিষ্টি তৈরীর উপকরণ
বালিশ মিষ্টি তৈরির মূল উপাদান দুধ, চিনি ও ময়দা। প্রথমে দুধ থেকে তৈরি করা হয় ছানা। পরে ছানা ও ময়দা দিয়ে মণ্ড, আর মণ্ড দিয়ে বানানো হয় বালিশ। সবশেষে চিনির রসে ভাজা হয় বালিশ। এ ছাড়া তৈরির সময় বালিশকে মুখরোচক করতে প্রয়োগ করা হয় বিশেষ কলাকৌশল। পরিবেশনের আগে বালিশের ওপরে এক ধরনের সুস্বাদু ঘন ক্ষীরের (দুধের মালাই) প্রলেপ দেওয়া হয়। 

দরদাম
প্রথমে ছোট ও বড় দুই সাইজের বালিশ তৈরি করা হতো। দাম ছিল ১০ টাকা ও ২০ টাকা। ৫০ টাকা দামের মিষ্টিও অর্ডার দিয়ে বানাতে হতো। এখন বিক্রি হয় ২০ টাকা ও ৫০ টাকা করে। প্রায় এক কেজি ওজনের একটি মিষ্টি ২০০ টাকা এবং আধা কেজি ওজনের এক পিস মিষ্টি ১০০ টাকায় বিক্রি বিক্রি হয়, যা বিশেষ করে অর্ডার দিয়ে বানাতে হয়। 


কোথায় থেকে কিনবেন
নেত্রকোনায় বিশেষ অঞ্চলে এই মিষ্টি বেশি পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এটি তৈরী হচ্ছে। তবে স্বাদ ও আকৃতি কোনটাই নেত্রকোনার সাথে মিলে না। ঢাকা শহরের বেশ কিছু অনলাইন শপ তারা নেত্রকোনা থেকে সরাসরি বালিশ মিষ্টি ঢাকাতে সর্বরাহ করছে। যারা ঐতিহ্য বাহী এই মিষ্টি খেতে ইচ্ছুক তারা অনলাইনে অর্ডার করতে নিয়ে নিতে পারেন। নিচে আপনাদের সুবিধার্থে একটি লিংক দিয়ে দিলোম। 

*মিষ্টি* *বালিশমিষ্টি* *মিষ্টান্ন* *কেনাকাটা* *অনলাইনশপিং*

সত্যজিৎ রায়ের নায়িকা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 এবার পুজোতে বাসাতেই সীতাভোগ বানাতে চাই l কারো কি জানা আছে সীতাভোগের রেসিপি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*পূজারখাবার* *সীতাভোগ* *রেসিপি* *মিষ্টান্ন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বনলতা সেনের নাটোর জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর নজরকাড়া প্রাচীন সব স্থাপত্যশৈলী দেখার জন্য দেশী-বিদেশী হাজারও পর্যটক প্রতিদিন রাণী ভবানীর রাজ্যে ভিড় জমান। ঐতিহাসিক রাজবাড়ী, উত্তরা গণভবন আর চলন বিলের জন্য নাটোর খুব বিখ্যাত। কিন্তু ভ্রমনপিপাসু যারা নাটোর ভ্রমনে যাবেন তারা ভ্রমনের পাশাপাশি যদি নাটোরের তিনটি ঐতিহ্যবাহী খাবার না খেয়ে আসেন তাহলে নাটোর ভ্রমন অপূর্ণ রয়ে যাবে। আজকে নাটোরের জনপ্রিয় তিনটি খাবার নিয়ে আলোচনা করব, যে তিনটি খাবার না খেলে আপনার নাটোর ভ্রমনের আনন্দটাই মাটি।

নাটোরের ঐতিহ্যবাহী তিনটি খাবার...

১. নাটোরের কাঁচাগোল্লাঃ
কাঁচাগোল্লা নাটোর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী  মিষ্টি । দেশব্যাপী কাঁচাগোল্লা এর স্বাদের জন্য  খুব বিখ্যাত । দুধ ও চিনি ব্যবহার করে  কাঁচাগোল্লা  তৈরি করা হয়। কাঁচাগোল্লা নাটোরের যে কোন মিষ্টির দোকানে পাওয়া যায়। সবচেয়ে বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা পাওয়া যায় কালিবাড়ী মন্দির গেট ,মৌচাক মিষ্টান্ন ভান্ডারে। দাম প্রতি কেজি ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।

২. অবাক সন্দেশঃ
কাঁচা গোল্লার পরে অবাক সন্দেশ নাটরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন। অবাক সন্দেশ অত্যন্ত সুস্বাদু, মুখরোচক। অন্যান্য জায়গায় পাওয়া যায় না বলে এই মিষ্টা্ন্নটি এতটা সুপরিচিত না। তবে নাটোর ও এর আশেপাশের কয়েকটি জেলায় অবাক সন্দেশের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে। এই মিষ্টান্নটি নাটোর সদরের প্রতিটি মিষ্টির দোকানেই পাওয়া যাবে। দাম প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।

৩. রাঘব শাহীঃ
রাঘব শাহী নাটোরের অন্যতম একটি জনপ্রিয় মিষ্টান্ন। এটি অত্যান্ত সুস্বাদু ও মজাদার। রাঘবশাহী মিষ্টি উতকৃষ্ঠ মানের দুধী মিষ্টি। নাটোর ছাড়াও বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এই মিষ্টি পাওয়া যায়। তবে নাটোরেই এর উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। নাটোর জেলার প্রায় প্রতিটি স্থানেই এই মিষ্টি পাওয়া যায়। দাম ৩০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা প্রতি কেজি। 
*মিষ্টান্ন* *কাঁচাগোল্লা* *নাটোর* *ভ্রমন* *খাবার* *ভ্রমনটিপস* *সন্দেশ*
ছবি

মন্টি মনি: ফটো পোস্ট করেছে

(লালালা)(লালালা)

বালুসাই বানিয়েছি আজকে (পেটুক) কে কে খাবে (শয়তানিহাসি)

*মিষ্টান্ন* *মিষ্টি* *সর্বভূক*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★