মিষ্টি

মিষ্টি নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বালুসাই মিষ্টির রেসিপি কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*বালুসাই* *মিষ্টি* *রেসিপি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্টেভিয়া পৃথিবীর এক অত্যাশ্চর্য মিষ্টি গুল্ম জাতীয় ভেষজ গাছ। এ গাছ শত শত বছর ধরে প্যারাগুয়ের পাহাড়ি অঞ্চল রিওমন্ডে এলাকায় চাষাবাদ হতো। ১৮৮৭ সালে সুইজারল্যান্ডের উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ড. এমএস বার্টনি স্টেভিয়াকে প্রথম বিশ্ববাসীর কাছে পরিচয় করিয়ে দেন।

প্যারাগুয়ের গুরানী ইন্ডিয়ান নামক উপজাতীয়রা একে বল- কা-হি-হি অর্থাৎ মধু গাছ। আফ্রিকাতে এটি মধু পাতা বা চিনি পাতা নামে পরিচিত। এছাড়াও থাইল্যান্ডে মিষ্টি ঘাস, জাপানে আমাহা সুটেবিয়া ও ভারতে মধু পারানি নামে স্টেভিয়াকে অভিহিত করা হয়। ১৯৬৪ সালে প্যারাগুয়েতে প্রথম স্টেভিয়ার বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু হয়। জাপানে চাষাবাদ শুরু হয় ১৯৬৮ সালে। তখন থেকে বিভিন্ন দেশে বিশেষত ব্রাজিল, কলম্বিয়া, পেরু, চীন, কোরিয়া, আমেরিকা, কানাডা, ইসরাইল, মেক্সিকো, থাইল্যান্ড, মালেশিয়াসহ প্রভৃতি দেশে এটি ফসল হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ শুরু হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশে ব্র্যাক নার্সারি ‘ব্র্যাক ঔষধি-১১’ নামে স্টেভিয়ার টিস্যু কালচার চারা বাজারজাত করছে। এর মাতৃগাছটি সংগ্রহ করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে।

স্টেভিয়ার বৈজ্ঞানিক নাম Stevia rebaudiana এবং এটি Compositae পরিবারভুক্ত গাছ। গাছটি বহুবর্ষজীবী এবং ৬০ থেকে ৭৫ সেমি. পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা আকার বর্ষাকৃতি, ফুল সাদা এবং বীজ ক্ষুদ্রকৃতি। স্টেভিয়া গাছের পাতার নির্যাস চিনির চেয়ে ২৫০ থেকে ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি।

তবে সুখবর হল এর মধ্যে কোনো কার্বোহাইড্রেট কিংবা ক্যালরি নেই, তাই এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিনির সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক বিকল্প। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস বিনষ্টকারী প্রাকৃতিক রাসায়নিক উপাদান।

এ গাছের মিষ্টি উপাদানের নাম হল Steviol †lycosides যা সংক্ষেপে Stevioside নামে পরিচিত। এই অগ্নাশয়ের বিটা কোষের সক্রিয়তার মাধ্যমে ইনসুলিন নিঃসরণ বৃদ্ধি করে এবং ব্লাড সুগার লেভেল কমিয়ে রাখে।

স্টেভিয়ার সবুজ ও শুকনো পাতা সরাসরি চিবিয়ে কিংবা চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে বোতলে সংরক্ষণ করা যায়। পাতার গুঁড়ো দিয়ে মিষ্টান্ন তৈরি করে ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত এ ঔষধি গাছের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। জাপানে হালকা পানীয় কোকাকোলাতে স্টেভিয়া ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও কনফেকশনারি, ক্যান্ডিসহ বিভিন্ন প্রকার খাদ্যদ্রব্যে চিনির বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। চা ও কফিতে স্টেভিয়ার ব্যবহার বিশ্বব্যাপী।

আমেরিকাতে কোকাকোলা কোম্পানি জবনরধহধ নামে স্টেভিয়া বাজারজাত করে থাকে। বিভিন্ন সময় চিনি রফতানিকারক দেশসমূহ ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো স্টেভিয়াতে বিষাক্ত পদার্থ রয়েছে বলে প্রচারণা করলেও সাম্প্রতিক সময়ে USFDA (United State Food and Drug Administration) এর গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে এর মধ্যে কোনো বিষাক্ত পদার্থ নেই।

স্টেভিয়ার বিশেষ কার্যকারিতা : ডায়াবেটিস তথা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে, উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন প্রতিরোধ করে, যকৃত, অগ্ন্যাশয় ও প্লীহায় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে, স্টেভিওসাইড অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণে সহায়তা করে, ত্বকের ক্ষত নিরাময় ও দাঁতের ক্ষয় রোধ করে, E. colimn বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দমন করে, খাদ্য হজমে সহায়তা করে, স্টেভিয়াতে কোনো ক্যালরি না থাকায় স্থূলতা রোধ করে, শরীরের ওজন কমাতে সহায়তা করে, মিষ্টি জাতীয় খাবারে চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়, খাবারে গুণাগুণ বৃদ্ধি করে ও সুগন্ধ আনয়ন করে, শরীরের সুস্থতা ও সতেজতাবোধ সৃষ্টি করে।

উৎপাদন কৌশল : বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু স্টেভিয়া চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এদেশে সারা বছরই সফলভাবে স্টেভিয়া চাষ করা সম্ভব।

সুনিষ্কাশিত ও জৈব পদার্থযুক্ত বেলে দো-আঁশ মাটি স্টেভিয়া চাষের জন্য ভালো। লাল মাটি ও অপেক্ষাকৃত ক্ষারীয় মাটিতে স্টেভিয়া ভালো জন্মে। আমাদের দেশে বৃষ্টির পানি জমে না এরকম উঁচু সুনিষ্কাশিত জমিতে স্টেভিয়া চাষ করতে হবে।

পৃথিবীতে স্টেভিয়ার প্রায় ৯০টির মতো জাত আছে। এর বিভিন্ন জাত বিভিন্ন আবহাওয়ার জন্য উপযোগী। স্টেভিয়ার গুণাগুণ নির্ভর করে এর পাতায় বিদ্যমান স্টেভিওসাইডের ওপর।

পাতায় স্টেভিওসাইড উৎপাদন একই সঙ্গে গাছের বয়স, জাত ও আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। স্টেভিয়ার বাণিজ্যিক জাতের পাতায় কমপক্ষে ১০ ভাগ স্টেভিওসাইড থাকতে হয়।

স্টেভিয়া বাণিজ্যিকভাবে সাধারণত বেডে চাষ করতে হয়। বেডের উচ্চতা হতে হবে কমপক্ষে ৬ ইঞ্চি। বেডে সারি থেকে সারি দূরত্ব হবে এক ফুট এবং সারিতে গাছ হতে গাছের দূরত্ব হবে ৬ ইঞ্চি। ৫ থেকে ৬টি চাষ দিয়ে জমিকে ভালোভাবে তৈরি করতে হবে। মই দিয়ে জমির ওপরের ঢেলা ভেঙে মিহি করে নিতে হবে।

দুভাবে স্টেভিয়ার বংশবৃদ্ধি করা যায়। প্রথমত টিস্যু কালচার পদ্ধতি এবং দ্বিতিয়ত স্টেম কাটিং পদ্ধতি। তবে টিস্যু কালচার সবচেয়ে ভালো ও লাভজনক পদ্ধতি। কারণ স্টেম কাটিং এ সফলতার হার খুবই কম এবং কাটিং এ শিকড় গজাতে অনেক বেশি সময় লাগে। বীজ থেকে চারা গজালেও অঙ্কুরোদগমনের হার থাকে খুবই কম।

জমিতে গাছের সংখ্যানির্ভর করে মাটি ও আবহাওয়ার ওপর। তবে লাভজনকভাবে চাষের জন্য একর প্রতি ৪০ হাজার গাছ বা হেক্টরপ্রতি এক লাখ গাছ লাগানো উত্তম।

স্টেভিয়ার সফল চাষনির্ভর করে জমিতে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদানের ওপর। জমিতে ফসফেট ও পটাশ সারের পরিমাণ ইউরিয়া অপেক্ষা বেশি হতে হবে। কারণ অতিরিক্ত ইউরিয়া সার স্টেভিয়া পাতার মিষ্টতা কমিয়ে দেয়। তাই স্টেভিয়া চাষের জন্য জৈব সারই সর্বোত্তকৃষ্ট।

স্টেভিয়া চাষের জন্য সারাবছরই মাটিতে পরিমিত আর্দ্রতা থাকতে হবে। তবে গাছ অতিরিক্ত আর্দ্রতা সহ্য করতে পারে না। সাধারণত শীতকালে একবার এবং গ্রীষ্মকালে ২ থেকে ৩ বার ঝাঁঝরির সাহায্যে হালকা সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। মাসে একবার বেডের আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।

তবে মালচিং করলে একই সঙ্গে আগাছা দমন হয় আবার আর্দ্রতাও সংরক্ষণ হয়। খড়-কুটো, কচুরিপানা বা কম্পোস্ট দিয়ে মালচিং করা যায় যা গাছের শিকড়কে মাটির সঙ্গে সুসংহত করে।

স্টেভিয়ায় পোকামাকড়ের আক্রমণ ও রোগবালাই কম হয়ে থাকে। কখনও কখন সেপটোরিয়া ও স্কেলেরোটিনিয়াজনিত গোড়া পচা রোগ দেখা যায়।

চারা অবস্থায় অনেক সময় গাছের গোড়া কেটে দেয়। এছাড়া অনেক সময় এপিড ও সাদামাছির আক্রমণও লক্ষ্য করা যায়। নিম ওয়েল স্প্রে করে অর্গানিক উপায়ে একই সঙ্গে পোকামাকড় ও রোগ-জীবাণু দমন করা যায়। এজন্য ৩০ মিলি নিম ওয়েল/লিটার পানি- এ হারে স্প্রে করতে হবে।

ফলন : সাধারণত মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে পাতা সংগ্রহ করা হয়। এ সময় গাছের উচ্চতা হয় ৪০ থেকে ৬০ সেমি.। ফুল আসার ঠিক আগে আগে পাতা সংগ্রহ করতে হয়।

এসময় পাতায় সর্বোচ্চ পরিমাণ স্টেভিওসাইড পাওয়া যায়। সাধারণত মাটি থেকে ১০ থেকে ১৫ সেমি. উপরে প্রুনিং করে ডালসহ পাতা সংগ্রহ করা হয়। হেক্টরপ্রতি ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার কেজি শুকনো পাতা পাওয়া যায়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আবহাওয়াতে জন্মানো স্টেভিয়া পাতায় ১৫ থেকে ২০ ভাগ স্টেভিওসাইড থাকে যা বিশ্বের অন্যত্র জন্মানো গাছের থেকে ১.৫ থেকে ২.০ গুণ বেশি। এজন্য এগুলোর বাজারমূল্য বেশি পাওয়া যায়।

পাতা শুকানো : স্টেভিয়া পাতা সংগ্রহের পর সূর্যালোকে বা ড্রায়ারের মাধ্যমে পাতা শুকাতে হবে। পাতা শুকানোর জন্য কমপক্ষে ১২ ঘণ্টার সূর্যালোক প্রয়োজন হয়।

পাতা শুকানোর পর ক্রাশ করে পাউডারে পরিণত করা হয়। এক্ষেত্রে কফি গ্রাইন্ডার কিংবা ব্লেন্ডার মেশিন ব্যবহার করা যেতে পারে। গরম পানিতে এক চতুর্থাংশ পাউডার মিশিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে স্টেভিয়া সিরাপ তৈরি করা যায়। এ সিরাপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হয়।

টবে চাষ : বাসাবাড়িতে টবে বা পটে সহজেই স্টেভিয়া চাষ করা যায়। তবে গাছের টব রৌদ্রযুক্ত বারান্দায় বা ছাদে রাখতে হবে। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উৎপাদিত স্টেভিয়ার ছোট চারা নিষ্কাশনযুক্ত দো-আঁশ মাটিতে অথবা দো-আঁশ ও জৈব সার মিশ্রিত ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি মাটির টবে সারাবছর রোপণ করা যায়। এ গাছের চারা রোপণের ২৫ থেকে ৩০ দিন পর পাতা সংগ্রহ করা যায়।

গাছে ফুল আসার ২৫ থেকে ৩০ দিন পর থেকে ওপরের অংশ ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়। পরে গাছের গোড়া থেকে একসঙ্গে অনেক চারা বের হতে থাকে এবং ২০ থেকে ২৫ দিন পর পুনরায় পাতা সংগ্রহ করা যায়।

বাংলাদেশে উপযোগিতা : স্টেভিয়া চাষ করে হেক্টরপ্রতি বছরে ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। ভারতে বিভিন্ন কোম্পানি চুক্তিভিত্তিক চাষীদের চারা সরবরাহ করে থাকে এবং তাদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে স্টেভিয়া পাতা কিনে নেয়।

আমাদের দেশে উত্তরাঞ্চলের বৃহত্তর রংপুরে একই পদ্ধতিতে তামাক চাষ করা হয়। এসব অঞ্চলে ক্ষতিকর তামাক চাষের পরিবর্তে স্টেভিয়া চাষ হতে পারে একটি লাগসই বিকল্প। বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে স্টেভিয়া চাষ করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

*বিজ্ঞান* *উদ্ভিদ* *মিষ্টি*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আলুর মিষ্টি তৈরির রেসিপি কেউ কি দিতে পারবেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*মিষ্টি* *আলুর-মিষ্টি* *রেসিপি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণ-সঞ্জীবনী সুধা। একটি লোকজ উৎসব। বাঙালির ঐতিহ্য ও লোক-সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ। এদেশের মানুষ প্রতিটি দিনই পহেলা বৈশাখের আনন্দ উদার মন নিয়ে উদ্যাপন করুক। সর্বজনীন-সার্বজনিক পহেলা বৈশাখে মানুষের মাঝে সব ভেদাভেদ দূর হয়ে যাক। মাঝে আর মাত্র কয়েকটি দিন। এরপর রাত পোহালেই উদিত হবে বাংলা নতুন বছরের সূর্য। সার্বিক মঙ্গল কামনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হবে বাংলা নতুন বছর ১৪২৪। কণ্ঠে কণ্ঠে উচ্চারিত হবে কবিগুরুর পঙ্ক্তিমালা- ‘এসো হে, বৈশাখ; এসো, এসো/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক/যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি’।

নতুন বছরকে বরণ করে নিতে চলছে জোর প্রস্তুতি। এ নিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে এখন সাজসাজ রব। সাজানো হচ্ছে বরণডালা, আত্বীয়-পরিজনদের উপহার হিসেবে তত্ব পাঠানোর ঐতিহ্য বেশ পুরনো, যেহেতু বছরের প্রথম দিন, শুভ দিন তাই এ দিনে উপহার হিসেবে মুড়ি, মুড়কি, মিষ্টির বিকল্প আর কিছু হতে পারে না l বাংলার মানুষজনও অতীতের সব দুঃখ-বেদনা, ব্যর্থতা ও গ্লানিকে বিদায় জানিয়ে নব উদ্যমে, নব প্রত্যাশায় নানা আয়োজনে বরণডালা সাজিয়েছে নতুন বছরকে বরণ করতে। তাই আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন l বেছে নিতে পারেন আজকের ডিলের মিষ্টির বরণডালার অফারগুলো l দেখে নিন হরেক রকমের মিষ্টি।

কুমিল্লার রসমালাই

কুমিল্লার রসমালাই কিনতে ক্লিক করুন

যশোরের সাদেকগোল্রা

যশোরের সাদেকগোল্লা কিনতে এখানে ক্লিক করুন

নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি

নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন

টাঙ্গাইলের চমচম
 
টাঙ্গাইলের চমচম কিনতে ক্লিক করুন

সিরাজগঞ্জের ধানসিঁড়ির দই

সিরাজগঞ্জের ধানসিঁড়ির দই কিনতে ক্লিক করুন

এগুলো সহ আরও মিষ্টির কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*বৈশাখীমিষ্টি* *মিষ্টি* *স্মার্টশপিং*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইতিহাসবিদগণের মতে যা গ্রহণযোগ্য তা হলো পাঁচ হাজার বছর আগে ঢাকার কাছে দুগ্ধজাত মিষ্টির আবির্ভাব ঘটে। ইতিহাসের সেই ধারায় আজও বলা হয় বিক্রমপুরের বজ্রযোগিনীর হাটে মেলে খাঁটি মিষ্টি। মিষ্টি এখন দেশজুড়ে। এমন কোন জায়গা নেই যেখানে মিষ্টির দোকান নেই।
বাঙালী সংস্কৃতির মিষ্টিপ্রীতি প্রবাদপ্রতিম। ঘরে বাইরে মুখে যে কোনভাবেই হাসির রেখা ফুটে উঠতেই মিষ্টির আগমনী বার্তা এসে যায়। ঐতিহ্যের এমন মিষ্টি সংস্কৃতি অন্য কোথাও নেই। আর সন্দেশের কথাই আলাদা। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো সন্দেশের আভিধানিক অর্থ ‘সংবাদ’ (নিউজ, ইনফরমেশন, মেসেজ, রিপোর্ট)। ‘ডেলিশিয়াস সুইটমিট মেড বাই পোসেট’ এ অর্থটি আছে অনেক পরে। হিন্দি ভাষাতেও সংবাদকে বলা হয় সন্দেশ। সেই সন্দেশ কি করে জিভেয় জল আসা মিষ্টান্ন হয়ে গেল এর ব্যাখ্যা পাওয়া বেশ কঠিন। পৌরাণিক কাহিনীতে উল্লেখ আছে কয়েক হাজার বছর আগে গোয়ালারা গাভীর দুধ দুইয়ে সংরক্ষণ করার পর খার হয়ে গেলে তা দিয়ে খারখন্দ বানাত। সেই খারখন্দই শক্ত মিষ্টি হয়ে সন্দেশে পরিণত হয়। বাঙালীর মিষ্টি প্রীতির ধারায় একটা সময় সন্দেশ থেকেই তৈরি হতে থাকে নানা জাতের মিষ্টি। অষ্টাদশ শতকে চিনির সিরায় ছানার মিষ্টি চুবিয়ে রেখে তৈরি হয় রসগোল্লা। কারও বর্ণনায় এসেছে রসগোল্লা মিষ্টির রাজার আসনে বসেছে। বাকিগুলো মন্ত্রী, উজির, নাজির, পাইক ও পেয়াদা। এর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো মিষ্টি হিসেবে এসেছে লাড্ডুর নাম। কেউ বলেন ভারতবর্ষে প্রায় তিন হাজার বছর আগে এসেছে মতিচুরি লাড্ডু। বেসন দিয়ে ক্ষিরের মতো দানাদার করে বুন্দিয়া বানাবার পর শক্ত গোলাকৃতি করে যা হয় তাকেই বলা হয় মতিচুরি লাড্ডু। এ লাড্ডু ছিল মুঘলদের প্রিয়। এখনও লাড্ডুর একচ্ছত্র আধিপত্য নিয়ে আছে দিল্লী। হিন্দী প্রবাদে আছে “দিল্লী কা লাড্ডু জো খায়া ওভি পাস্তায়া জো নাহি খায়া ওভি পাস্তায়া।” উৎসব পার্বণ আনন্দের খবরে আনুষ্ঠানিকতায় মিষ্টি নিয়ে এত যে মাতামাতি এ মিষ্টির প্রকৃত উপাদান ছানা উপমহাদেশে তৈরি করা শিখিয়েছে পর্তুগীজরা। প্রাচীন আমলে কোন এক সময়ে দুধের ছানা ছিল পরিত্যাজ্য। ফেলে দেয়া হতো। বৈদিক যুগে দুধ থেকে তৈরি খাবার ছিল পৌরাণিক ধারার অংশ। উপমহাদেশের প্রখ্যাত ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পী অনুপ জালোটার কণ্ঠে ননী, মাখন ও ছানার গল্প নিয়ে ভজন আছে। পর্তুগীজদের পর বাঙালীরাই ছানা থেকে একের পর এক দুগ্ধজাতীয় খাবার বানাতে থাকে। শুরুতে এদের বলা হতো হালুইকর। পরে ময়রা। আজও এই নামেই তারা পরিচিতি। বঙ্গদেশে ঠিক কত বছর আগে ময়রারা মিষ্টির ব্যাপক প্রসার ঘটিয়েছিল তা নিয়ে মতপার্থক্য আছে। তবে এখন পর্যন্ত এত মিষ্টির মধ্যে সন্দেশের আভিজাত্য আলাদা। বলা হয়, ছানা আবিষ্কারের আগেই সন্দেশ তৈরি হয়। প্রাচীন আমলে বেসন, নারিকেল, মুগ ও বুটের ডালের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে সন্দেশ বানানো হতো। কালের পরিক্রমায় দুধ ফেটিয়ে ছানা বানিয়ে, ক্ষির দিয়েও তৈরি হয় সন্দেশ। নারিকেলের সঙ্গে চিড়া মিশিয়ে ক্ষিরের প্রলেপেও তৈরি হয়। একটা সময় গ্রামে কোজাগরি পূর্ণিমার রাত উপভোগ করতে উঠানে বসে গীত গাওয়ার পর সন্দেশ খাওয়ার রীতি ছিল। এই রাতে প্রণয়কে পাকাপোক্ত করতে প্রেমিক-প্রেমিকারা সন্দেশ আপ্যায়ন করত। হলুইকরদের পেছনে ফেলে বাঙালী ময়রারা ছানা দিয়ে কত ধরনের সন্দেশ বানানো যায় তার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে। নরমপাক, কড়াপাক, শক্তপাক, কাঁচাগোল্লা, চন্দনসহ এমন সব সন্দেশ বানাতে থাকে যার স্বাদ দেশী-বিদেশী মিষ্টিপ্রেমীদের মুখে লেগে থাকে। এরপর ঋতুভিত্তিক সন্দেশও তৈরি হতে থাকে। গ্রীষ্মের সন্দেশ, শীতের সন্দেশ, শরতের সন্দেশ কতই সন্দেশ! এর মধ্যেই দক্ষিণাঞ্চলে শীতের সময়ে পাটালি গুড়ের সন্দেশ আরেক মাত্রা যোগ করে। এত বৈচিত্র্যের সন্দেশ দেখে ও খেয়ে মিষ্টিবিলাসীরা বলতে থাকে এরই নাম বাঙালী ময়রা। একবিংশ শতকে সন্দেশের অগ্রযাত্রা থেমে নেই। উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ মিষ্টির প্রতিষ্ঠান বগুড়ার এশিয়া সুইটস দশ রকমের সন্দেশ তৈরি করছে। এদের উল্লেখযোগ্য সন্দেশ হলো, ক্ষির কদম, মনময়ূরী, ইলিশপেটি, প্রাণহারা ও পদ্মসন্দেশ। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীদের একজন টুটুল জানালেন, দেশের বিভিন্নস্থান থেকে সন্দেশের ভাল কারিগর আনেন। উন্নতমানের সন্দেশ বিক্রি করেন তাঁরা। এদিকে রসে টইটুম্বুর বাঙালীর রসগোল্লার বৈচিত্র্য কম নয়। রসগোল্লার পুরনো নাম গোপাল গোল্লা। গোপালকে সিরায় ডুবিয়ে হয়েছে রসগোল্লা। এর চারধারে ভিড় করে থাকে পানতোয়া, চমচম, কালোজাম, রসমালাই, রসমঞ্জুরি ও ম-া ইত্যাদি। হালে স্পঞ্জের রসগোল্লা সুনাম কুড়িয়েছে। ইতিহাস বলে ভারতবর্ষের প্রথম দিকের গবর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিংয়ের বাসভবনে মিষ্টির স্বাদ দিতে গেলে লর্ডের স্ত্রীর নামেই একটি মিষ্টি বানায় ময়রা। নাম দেয়া হয় লেডিকেনি। বাঙালীর মিষ্টিপ্রেমের কথা ফুরাবে না। আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে গেলে এখনও মিষ্টি নেয়া হয় প্যাকেটে করে। আগে নেয়া হতো মাটির হাঁড়িতে করে। মিষ্টির যে কত শ্রেণীভাগ তার ইয়ত্তা নেই। অঞ্চলবিশেষে একেক মিষ্টির খ্যাতিও আছে। হালে বগুড়ার সরার দই ও যশোরের খেজুরের সন্দেশ মিষ্টি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। যে জায়গারই মিষ্টি হোক উৎসবে- পার্বণে আনন্দে মিষ্টিমুখ না করালে বাঙালীর আনন্দের ও আতিথ্যের ষোলোকলা পূর্ণ হয় না। মিষ্টির জায়গায় বড় আসন করে নিচ্ছে সন্দেশ। শিশু-কিশোরদের জ্ঞানের ভা-ারে মন যোগাতে এক শ’ বছর আগে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের দাদা উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী প্রকাশ করেছিলেন সন্দেশ নামের সাহিত্য পত্রিকা। সেই সন্দেশ আর মিষ্টির সন্দেশের অগ্রযাত্রা থেমে নেই।—সংগ্রহীত

*মিষ্টি* *বিক্রমপুর* *ইতিহাস* *বেশম্ভব* *সংগৃহিত*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মাইক্রোওয়েভে প্যারা সন্দেশ কিভাবে বানাতে পারি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*প্যারাসন্দেশ* *মিষ্টি* *সন্দেশ* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাসায় ক্রিম চমচম বানানোর রেসিপি কারো জানা আছে কি?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*ক্রিমচমচম* *মিষ্টি* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বেকড রসগোল্লার রেসিপি কেউ জানাতে পারেন কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*বেকডরসগোল্লা* *রেসিপি* *মিষ্টি* *ডেজার্ট*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

তিলের নাড়ু

তিলের নাড়ু তৈরির উপকরণ: তিল- ২৫০ গ্রাম, গুড়-২৫০ গ্রাম, এলাচ গুঁড়ো এক চিমটি, ঘি- ১ কাপ। প্রণালী তিল শুকনো খোলায় টেলে (তেল ছাড়া ভাজা) নিয়ে পরিষ্কার করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার চুলায় একটি পাত্রে গুড় জ্বাল দিন এলাচ গুঁড়ো সহ। গুড় গলে গেলে তিল দিয়ে নাড়তে থাকুন। গুড়ের সঙ্গে তিল মিলে শক্ত হয়ে এলে নামিয়ে নিন। একটি পাত্রে তিলের মিশ্রণ ঢেলে গরম থাকতেই ঘি দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবং গরম থাকতেই গোল গোল করে নাড়ুর আকারে বানিয়ে নিতে হবে। গোল না করতে চাইলে নিজের পছন্দ মতো যে কোনো আকারেই নাড়ু তৈরি করতে পারবেন।

*তিলেরনাড়ু* *নাড়ু* *পূজারখাবার* *রেসিপি* *মিষ্টি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পূজায় হরেক রকম মিষ্টিমিষ্টিমুখ ছাড়া উৎসব বেমানান। তাই ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে এ বার পুজোয় নানা স্বাদের মিষ্টির কালেকশন নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল ডটকম। কয়েক বছর আগেও দুর্গাপুজোর আকর্ষণ ছিল বাড়িতে বানানো মিষ্টিকে ঘিরে। রাত জেগে তৈরি করা হত রসগোল্লা, পান্তুয়া, নারিকেলের নাড়ু সহ নানা রকমের মিষ্টি। তবে এখন আগের মত করে কেউ আর মিষ্টি তৈরীতে এতটা সময় দেন না। হাতের কাছেই এখন মিষ্টির দোকান আর সরাসরি বাড়িতে বসে মিষ্টির স্বাদ নিতে আজকের ডিলের মত অনলাইন শপ গুলোতে আছেই। চলুন এবারের পূজোয় আজকের ডিল থেকে কি কি মিষ্টি কিনতে পারবেন জেনে নেই। 

রসমুঞ্জরী:

মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন

দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে গাইবান্ধার বিখ্যাত রসমুঞ্জরীর স্বাদ ঘরে বসেই নিতে পারবেন। স্বাদ ও গুণাগুণের কারণে গাইবান্ধার রসমঞ্জরীর রয়েছে আলাদা সুনাম। রসালো ঘন দুধের ক্ষীরের সঙ্গে খাঁটি ছানায় তৈরী মারবেল সদৃশ্য ছোট ছোট গোলাকার রসগোল্লা সমন্বয়ে তৈরী হয় এই মিষ্টি। আজকের ডিল থেকে ১ কেজি রসমুঞ্জরী কিনতে পারবেন ৪০০ টাকায়।

রসকদম:

মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন

মোহনীয় স্বাদ আর গুণেভরা মিষ্টির নাম রসকদম। এটি মেহেরপুরের বিখ্যাত একটি মিষ্টি। যে কোন উৎসবে এই মিষ্টি বেশ জনপ্রিয়। শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে আজকের ডিলে রসকদম ১ কেজির প্যাক পাচ্ছেন মাত্র ৪৫০ টাকায়।

বালিশ মিষ্টি:

মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন

বালিশ মিষ্টি বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার একটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি। এই মিষ্টি দেখতে অনেকটা কোল-বালিশের মতো মনে হলেও তা কিন্তু নয়। আদতে রসালো সুস্বাদু মিষ্টি। স্বাভাবিক মিষ্টির চেয়ে আকৃতিতে বড়। এক-একটি মিষ্টির ওজন এক কেজি পর্যন্ত হয়। খাঁটি দুধের মিষ্টির ওপর আলতো করে প্রলেপ দেওয়া হয় ক্ষীরের। এটাই নেত্রকোনার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’ নামে সুপরিচিত।

রসমালাই:

মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন
ভোজনরসিক কাউকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় কুমিল্লা মানে কি? তাহলে তার জবাব দিতে একটুও সময় লাগবে না। নির্দ্বিধায় বলে দেবে কুমিল্লা মানে রসমালাই ! কুমিল্লার রসমালাই কেবল বাংলাদেশে নয় পুরো উপমহাদেশেই ভোজনরসিকদের কাছে একটি পরিচিত খাবার। দুধের রসগোল্লা বা রসমালাই অনেক জায়গাতেই তৈরি হয়। পূজা উপলক্ষ্যে আজকেরডিল থেকে ১ কেজি রসমালাই কিনতে পাবেন মাত্র ৪২০ টাকায় তাও আবার বাড়িতে বসে।

নাটরের কাঁচাগোল্লা:

মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন
কাঁচাগোল্লা নাটোর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি । নাটোরের কাঁচাগোল্লা নাটোরের বনলতা সেনের মতোই আলোচিত। এ মিষ্টি গোলও নয় আবার কাঁচাও নয় তবুও নাম তার কাঁচাগোল্লা। দেশব্যাপী কাঁচাগোল্লা এর স্বাদের জন্য খুব বিখ্যাত । দুধ ও চিনি ব্যবহার করে কাঁচাগোল্লা তৈরি করা হয়। এবারের পূজোয় বাড়িতেই নিয়ে নিতে পারেন কাঁচাগোল্লা। কিনতে ঢুঁ মারুন আজকের ডিলে ১ কেজির দাম মাত্র ৫৫৫ টাকা।

বগুড়ার দই:

মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন
বগুড়ার দই নিয়ে নতুন করে কিছু বলা মনে হয় ঠিক হবে না। বগুড়া ছাড়া এই দুই স্পেশাল অর্ডারে ঢাকা থেকে আপনার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিবে অনলাইন শপ আজকের ডিল। ৭৫০ গ্রামের প্যাকের দাম মাত্র ৩০০ টাকা।

রসগোল্লাঃ

মিষ্টি কিনতে ক্লিক করুন
রসে ডোবা রসালো মিষ্টির নাম রসগোল্লা। বাংলাদেশের মিষ্টিকুলের মধ্যে রসগোল্লা খুবই জনপ্রিয়। পূজার এই উৎসবকে আরও রাঙ্গিয়ে দিতে পারেন গাইবান্ধার স্পেশাল রসগোল্লা দিয়ে। আজকের ডিলে ১ কেজির রসগোল্লা প্যাক পাচ্ছেন মাত্র ৩০০ টাকায়।

বন্ধুরা এবারের পূজোয় ঘরে বসে দ্রুত গতিতে সব ধরনের মিষ্টি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*পূজোরমিষ্টি* *মিষ্টি* *পূজারখাবার* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রসকদম মেহেরপুর অঞ্চলের প্রচলিত মিষ্টি। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক জায়গাতেই পাওয়া যায়। গোলাকার শুকনো ছানার গোলার উপর সাবুদানার মতো দানা মাখানো থাকে। মিষ্টি হিসাবে রসকদম সবার চাইতে আলাদা। কেবল স্বাদে নয়, দেখতেও এই মিষ্টিটি একেবারেই ভিন্নধর্মী। আপনি চাইলে এখন থেকে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারবেন। চলুন তাহলে জেনে নিই এর রেসিপি।

 

উপকরণ

তরল দুধ- ১ লিটার
সাদা সিরকা-৩ টেবিল চামচ।
চিনি -১/২ কাপ (একটু কম দিতে পারেন)
মাওয়া -১/২ কাপ
ছোট মিষ্টি বা মিষ্টির টুকরা- পরিমাণ মত
চিনি (ঘন সিরার জন্য) -আন্দাজমত।
গোল চিনির দানা ( গ্লোবিউলস)- প্রয়োজন মত
পানি -আন্দাজমতো

প্রণালী

♦ প্রথমে দুধ জ্বাল দিতে হবে। দুধ ফুটে উঠলে সিরকা ঢেলে নাড়া দিতে হবে। জমে গেলে ছেঁকে ধুয়ে নিতে হবে।
♦ ছানার সাথে চিনি মিশিয়ে জ্বাল দিতে হবে। পানি শুকালে মাওয়া গুঁড়ো দিয়ে কম আঁচে জ্বাল দিতে হবে।
♦ আঠালো ভাব হলে নামিয়ে নিতে হবে। হাত দিয়ে মেখে বল বানিয়ে তার ভিতরে মিষ্টির টুকরা ঢুকিয়ে গোল করে নিতে হবে।
♦ ঘন সিরা করে মিষ্টিতে লাগিয়ে গ্লোবিউলসের উপর গড়িয়ে নিতে হবে। বা একটা হাঁড়িতে গ্লোবিউলস রেখে তাতে মিষ্টি দিয়ে হাঁড়িতে চারদিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে।
♦ বাটার পেপারের উপর রেখে পরিবেশন করুন রসকদম।

টিপস : মাওয়া না পেলে ১/২ কাপ গুঁড়ো দুধে ১/৪ কাপ ময়দা, ১ চা চামচ ঘি, অল্প দুধ দিয়ে মেখে ফ্রিজে ১ ঘণ্টা রেখে ব্যবহার করতে পারেন।


 

আর মেহেরপুর না গিয়েও সুদূর মেহেরপুরের রসকদমের স্বাদ নিতে অর্ডার করতে পারেন আজকের ডিলে। সেদিন দেখলাম ওদের সাইট নানা রকম মিষ্টি দিয়ে সাজানো।  মাত্র সাড়ে চারশো টাকায় উপভোগ করতে পারেন দারুন স্বাদের রসকদম। অর্ডার করতে এবং কিনতে ছবিতে ক্লিক করুন।

 

 

*রসকদম* *মিষ্টি* *রেসিপি*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

আমার বানানো স্পেশাল স্পঞ্জ রসগোল্লা

রান্নাতে টুকটাক দক্ষতার কারণে ইদানিং অধিকাংশ মুখরোচক বা ট্রেডিশনাল দেশী, বিদেশী খাবারগুলো একটু সময় বের করে হলেও বাড়িতেই করার চেষ্টা করি। উদ্দেশ্য মূলত তিনটি, প্রথমত নির্ভেজাল খাবার, দ্বিতীয়ত রান্না করাটা আমার শখ, আর নতুন কিছু করতে গেলে পরিবারের সকলেও বেশ আনন্দ পায় আর তৃতীয়ত বাইরের খাবার অযথা অতিরিক্ত দাম দিয়ে সবসময় কিনে খাওয়ার পক্ষে আমি নই। মিষ্টি আমার আর আমার পরিবারের সকলের ভীষণ প্রিয়, আর সেদিন আমার মিস্টারের নাকি স্পঞ্জ মিষ্টি খেতে খুবই ইচ্ছে করছিলো, তাই তাকে চমকে দিয়ে নিজেই বানিয়েছিলাম স্পঞ্জ রসগোল্লা। চলুন আপনাদের শিখিয়ে দেই এই সহজ রেসিপিটি। উপকরনঃ মিষ্টির জন্য • দুধ- ১ কেজি, • লেবুর রস - ১/২ কাপ (মাঝারি সাইজের দুটি লেবু নিলেই চলবে) সিরার জন্য • পানি- ৩ কাপ। • চিনি- ২ কাপ। সময় : সব মিলে এক থেকে দেড় ঘন্টা। প্রণালীঃ * দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিন, বলগ আসলে লেবুর রস দুধের চারদিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে, তারপর ঢেকে রাখতে হবে। * দুধ থেকে ঘোলাটে পানি বের হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছাঁকনির উপর একটি পরিষ্কার সুতি বা মসলিন কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে, তারপর ছানার উপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে যে লেবুর গন্ধ পুরোপুরি চলে যায়, এরপর আবারো ভালো করে চেপে চেপে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে এবং ভালো করে কাপড়টি গিট্ বেঁধে কোথায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা। * এরপর কাপড় থেকে গোল ছানার পিন্ডটি কোনো বোরো থালা বা ট্রেতে নিয়ে, হাত দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত। * ছানা হাতে উঠে আসলে ছোট গোল গোল মিষ্টি বানিয়ে নিন, আকার খুব ছোট করবেন না আবার খুব বড়ও করবেন না, কারণ চিনির সিরায় দেবার পর ছানার বলগুলো ফুলতে থাকবে। * ৩ কাপ পানি ও ২ কাপ চিনি একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। (সিরা পাতলা হবে)। * সিরা ফুটে উঠলে মিষ্টিগুলো সিরায় দিয়ে কড়া জ্বালে ১২ মিনিট ঢেকে রান্না করতে হবে। * রসগোল্লা করতে চাইলে রস সহ মিষ্টি কোনো বড় পাত্রে রাখুন আর স্পঞ্জ করতে চাইলে রস থেকে মিষ্টিগুলো তুলে তার উপর দিয়ে খুবই পাতলা সিরা ছড়িয়ে দিন। ব্যাস! একদম রেডি এবং নির্ভেজাল ছানার মিষ্টি আপনি এবার আপনার পরিবারকে সার্ভ করুন। * এরপর ঢাকনা তুলে ১-২ কাপ গরম পানি দিয়ে আবার ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিন। * ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন করুন।

*মিষ্টি* *রসগোল্লা* *স্পঞ্জরসগোল্লা* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 "সর-ভাজা" মিষ্টির রেসিপি কারো কি জানা আছে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*সরভাজা* *মিষ্টি* *রেসিপি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★