মুক্তি

মুক্তি নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যদি ভুলে যাবার হয়, ভুলে যাও।
দূরে বসে বসে মোবাইলে, ইমেইলে হঠাৎ হঠাৎ জ্বালিয়ো না,
দূরে বসে বসে নীরবতার বরফ ছুড়ে ছুড়ে এভাবে বিরক্তও করো না।

ভুলে গেলে এইটুকু অন্তত বুঝবো ভুলে গেছো,
ভুলে গেলে পা কামড়ে রাখা জুতোগুলো খুলে একটু খালি পায়ে হাঁটবো,
ভুলে গেলে অপেক্ষার কাপড়চোপড় খুলে একটু স্নান করবো,
ভুলে গেলে পুরোনো গানগুলো আবার বাজাবো,
ভুলে গেলে সবগুলো জানালা খুলে একটু এলোমেলো শোবো।
রোদ বা জোৎস্না এসে শরীরময় লুকোচুরি খেলে খেলুক, আমি না হয় ঘুমোবো,

ঘুমোবো ঘুমোবো করেও নিশ্চিন্তের একটুখানি ঘুম ঘুমোতে পারিনা কত দীর্ঘদিন!
কেবল অপেক্ষায় গেছে। না ঘুমিয়ে গেছে। জানালায় দাঁড়িয়ে গেছে।

কেউ আমাকে মনে রাখছে, কেউ আমাকে মনে মনে খুব চাইছে, সমস্তটা চাইছে,
কেউ দিনে রাতে যে কোনও সময় দরজায় কড়া নাড়বে,
সামনে তখন দাঁড়াতে হবে নিখুঁত, যেন চুল, যেন মুখ, যেন চোখ, ঠোঁট,
যেন বুক, চিবুক এইমাত্র জন্মেছে, কোথাও ভাঙেনি, আঁচড় লাগেনি, ধুলোবালি ছোঁয়নি।
হাসতে হবে রূপকথার রাজকন্যার মতো,
তার ক্ষিধে পায় যদি, চায়ের তৃষ্ঞা পায় যদি!
সবকিছু হাতের কাছে রাখতে হবে নিখুঁত!
ভালোবাসতে হবে নিখুঁত!
নিমগ্ন হতে হবে নিখুঁত!
ক্ষুদ্র হতে হবে নিখুঁত!
দুঃস্বপ্নকে কত কাল সুখ নামে ডেকে ডেকে নিজেকে ভুলিয়েছি!

ভুলে যেতে হলে ভুলে যাও, বাঁচি।
যত মনে রাখবে, যত চাইবে আমাকে, যত কাছে আসবে,
যত বলবে ভালোবাসো, তত আমি বন্দি হতে থাকবো তোমার হৃদয়ে, তোমার জালে,
তোমার পায়ের তলায়, তোমার হাতের মুঠোয়, তোমার দশনখে।

ভুলে যাও, মুখের রংচংগুলো ধুয়ে একটু হালকা হই, একটুখানি আমি হই।

*প্রিয়কবিতা* *মুক্তি* *আবেগ* *ভূলেযাওয়া* *তাসলিমানাসরিন*

★ছায়াবতী★: অতঃপর তারা নির্দিষ্ট আড়ষ্টতা থেকে এখনো বের হতে পারেনি। বুক চাপড়ায় আর এখনো বিদ্বেষ ছড়ায়। তাই মুক্তি এখনো অসম্ভব (খুকখুকহাসি)

*ছায়াবতী*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

কর ফাঁকির মামলা থেকে নেইমারের মুক্তি

ব্রাজিলে আপাতত কর ফাঁকির মামলা থেকে বেঁচে গেলেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড নেইমার। ব্রাজিল অধিনায়কের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নেয়নি আদালত। দেশটির রাজস্ব বিভাগ এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি, তাই মামলা নেয়া হয়নি বলে গত বৃহস্পতিবার দেশটির এক বিচারক জানান। নেইমারের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি ও জালিয়াতির অভিযোগ এনে মামলার সুপারিশ করেছিল ব্রাজিলের সরকারি আইনজীবীরা। বিচারক মাতেউস কাসতেলো ব্রাঙ্কো ফিরমিনো দা সিলভা বলেন, 'ফেডারেল সুপ্রিম কোর্ট মনে করছে, কর কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়া কর মামলার অভিযোগ গ্রহণ সম্ভব নয়।' আদালতের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানান দেশটির সরকারি আইনজীবীরা।

*কর* *ফাকি* *মামলা* *মুক্তি* *ফুটবল*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

২ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ধোনির 'বায়োপিক'

ভারতের জাতীয় ওয়ানডে ও টি-২০ দলের অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনির জীবন নিয়ে নির্মিত বায়োপিক 'এমএস ধোনি : দ্য আনটোল্ড স্টোরি' চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে। মুভিটিতে ধোনির চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত একথা জানিয়েছেন। এক টু্ইট বার্তায় একথা জানান তিনি। টুইটে রাজপুত লিখেন,' এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি' মুক্তি পাবে ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর। আমার আর অপেক্ষার তর সইছে না।' নিরজ পান্ডে পরিচালিত বায়োপিকে ধোনির বাবা পান সিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন অনুপম খের। ধোনির স্ত্রী সাক্ষীর চরিত্রে অভিনয় করছেন কিয়ারা আডভানী। অার এটি তৈরি করছেন ফক্স স্টার স্টুডিও এবং রীতি স্পোর্টস।

*মুক্তি*

বিম্ববতী: ,,,,,,,,,,,,,,,আমাদের সকলের চেয়ে বড়ো যে পাওনা সে মিলন নয়,,,,,,,,,,,সে মুক্তি,,,,,,,(বৃষ্টি)

*শেষের-কবিতা* *মুক্তি* *মুক্ত*

আবু কিশোয়ার মির্জা শিহাব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

৪. নির্বাচন সম্পর্কে আপনার মতামত কি ?

এই প্রসংগে একটি গল্প চালু আছে । গল্পটি হলো- জাহাজে এক ব্যাক্তির নিকট এক ব্যাগ ভর্তি সোনার মোহর ছিলো। ঘটনা চক্রে ব্যাগটি পানিতে পড়ে যায়। ডুবন্ত ব্যাগটির পিছনে তাকে ধরার জন্য লোকটি পানিতে ঝাপ দেয়। এখন লোকটি মোহরের ব্যাগটি পেল না কি ব্যাগটি লোকটিকে পেল?

প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্র গুলো এই ভাবেই কাজ করে। আমরা রাস্ট্রকে পরিবর্তনের জন্য চাপ দিতে পারি বা নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারি বা সংস্কারের পথ ধরতে পারি। আমরা ভাবতে পারি যে হয়ত আমারা এগিয়েছি। আমরা আবার নির্বাচনে জিতে ও যেতে পারি । এমন কি আমরা ক্ষমতা ও পেয়ে যেতে পারি। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন হলো আমরা আমরা কিধরনের ক্ষমতা পেলাম ? আমরা কিন্তু বিপ্লবী ক্ষমতা বিনির্মান করিনি। আমরা বরং পুরাতন ক্ষমতার অংশ, পুরাতন ব্যবস্থার, এবং পুরাতন সমাজের ক্ষমতাই অর্জন করেছি। যদিও দৃশ্যত মনে হতে পারে যে আমরা আমাদের ক্ষমতা বাড়িয়েছি, সংস্কার করতে পারছি, নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদে বসেছি প্রকৃত পক্ষে আমরা আমাদের কে পরাজিত করেছি। যদি ও আমাদের উত্থান দেখছি। আমরা ভাবছি আমরা প্রচলিত ব্যবস্তার উপর নিয়ন্ত্রন কায়েম করেছি, আমাদের প্রভাব বলয় বেড়েছে । কিন্তু সত্যিকার ভাবে প্রচলিত ব্যবস্থাই আমাদের উপর বিজয়ী হয়েছে। যে ভাবে সোনার মোহরের ব্যাগটি সেই লোকটিকে পানির নিচে টেনে নিয়েগিয়েছিল – সেই রূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো। অর্থাৎ এক জন বিপ্লবীকে সংস্কারবাদি পন্থা বিপ্লবের পথ থেকে সরিয়ে নিল । এই প্রসংগে লেনিন বলেছিলেন-

বিপ্লব কেবল মাত্র ক্ষমতায় গিয়ে পুরাতন ব্যবস্থার উপর ক্ষমতা কাটানো নয় বরং পুরাতন সমাজ ব্যবস্থাকে, পুরাতন ক্ষমাতা কাটামোকে  অপসারণ করে সম্পুর্ন নতুন সমাজ ও নতুন ক্ষমতা কাটামো গড়ে তুলা । বিপ্লবের দুটি দিক আছে এর একটি হলো কাটামো গত দিক অন্যটি হলো ধারনা বা আদর্শগত দিক। বিপ্লব হলো নতুন ক্ষমতা কাটামো নির্মান, পুরাতন ব্যবস্থার বিরুদ্বে নতুন ব্যবস্থার উত্থান। পুরাতন রাষ্ট্র, পুরাতন প্রতিস্টান, পুরাতন সংস্কৃতি ও পুরাতন জীবন ধারা এ গুলোর সবই পুরাতন ক্ষমতা। নতুন ক্ষমতা নতুন ধরনের প্রতিস্টান গড়ে তুলবেঃ নতুন ভাবে সমস্যার সমাধান করবে, নতুন ধরনের কমিটি গটিত হবে। যারা মানষকে শিক্ষিত করবে, জনগণের মতামতকে বিনির্মান করবে, সমাজ সংস্কৃতিকে নতুন ধারায় গড়ে তুলবে, জনগণের কল্যাণে বিপ্লবে কে এগিয়ে নিবে । নতুন ক্ষমতা কাটামোয় শিক্ষা, বিচার, গন মাধ্যম, রাজনৈতিক দল, সংস্কৃতিক কর্মকান্ড সকল কিছুই ঢেলে সাজানো হবে। বিপ্লবের মুল কথা ই হলো পুরাতনের জায়গায় নতুনের আগমন। ইহা একটি প্রক্রিয়ার নাম।

লেনিন শিখিয়ে গেছেন যে, রাষ্ট্র কোন প্রাকৃতিক বিষয় নয়, যেখানে ধনিক শ্রেনী আর সর্বহারা মানুষেরা থাকবেন। বরং পুরাতন রাষ্ট্র গুলো প্রকৃতিগত ভাবেই প্রতিক্রিয়াশীল । ইহা হলো প্রতিক্রিয়াশীলতার একটি চমৎকার যন্ত্র। আমাদের লক্ষ্য হলো সেই যন্ত্রটিকে দখল করে তাকে আমাদের কল্যানে ব্যবহার করে আমাদের নিজেদের বোকামীর অবসান করা। একটি পুরাতন রাস্ট্রকে বিপ্লবের আলোকে গড়ে তুলা সম্ভব নয়। আমরা এটাকে সংস্কার ও করতে পারব না । বিপ্লব মানেই হলো একটি সমাজের পুর্নগঠন করা, প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের নিমূল করা। প্রতিক্রিয়াশীল চক্র কোন ভাবেই রাস্ট্রকে আমাদের হাতে এমনি এমনি ছেড়ে দিবে না বরং তারা রাস্ট্রকে আমাদের বিপক্ষে ব্যবহার করবে। তারা নিজেদের রক্ষার জন্য সকল কিছুই করবে। বিপ্লব কখনও পুরাতন রাষ্ট্র ব্যবস্থার সাথে বা পুরাতন ক্ষমতা কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্যশীল নয়। আমরা নির্বাচনে ও সংস্কারে বিশ্বাস করিনা । “বিপ্লব” মানে প্রকৃত বিপ্লবই।

নির্বাচন এবং সংস্কার করার কাজের মাধ্যমে কি আমরা পুরাতন রাষ্ট্র ব্যবহার করতে পারিনা? সত্যিকার অর্থে কৌশল গত ভাবে ও এই পন্থা গ্রহন যোগ্য হতে পারে না । কেননা এই পথে বিপ্লব আসতে পারে না । এটা বিপ্লবের পথ নয় । তবে কোন কোন সময়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করা যেতে পারে – বিজয়ী হবার জন্য নয় বরং আমাদের আদর্শ প্রচার এবং রাজনৈতিক ভাবে নিজেদের পরিচয় সাধারন মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য । আবার কোন  কোন ক্ষেত্রে সামন্তবাদি, ফ্যাসিবাদি, সেনাসেবক, ধর্মীয় মৌলবাদী বা কোন স্বৈরাচারকে প্রতিরোধ করার জন্য কৌশল হিসাবে নির্বাচনে যাওয়া যায়। এমন কি যদি এই রূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যে, কোন ডান পন্থার লোকেরা বিজয়ী হলে প্রগতিশীল শক্তির বিনাশ ঘটাবে বা শিল্প সাহিত্য, কলা, ও মুক্ত চিন্তার পথকে রুদ্ব করে দিবে তাহলে ও নির্বাচনে যাওয়া দরকার।  তা না হলে ফ্যাসিবাদি চক্র বিজয়ী হলে বিপ্লবের পথ ও পন্থাকে কঠিন করে তুলতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতে নির্বাচনে যাওয়া মানে বিপ্লবকে বিজয়ী করা নয় বরং বিপ্লবের শ্ত্রুদের উত্থান আটকে দেয়া । আমাদের অবিজ্ঞতা বলে যে বিপ্লব সংস্কার বা নির্বাচনের মাধ্যমে আসতে পারে না বরং তা কেবল আসতে পারে একটি বিশ্ব ব্যাপী জনযুদ্বের মাধ্যমে।

৫. আপনি লড়াইয়ের কথা বলেছেন। সহিংসতা ও লড়াই সম্পর্কে আপনার মতামত কি ?

প্রুশিয়ার বিখ্যাত সামরিক বিশ্লেষক কার্ল ভন ক্লজ বলেছিলেন, “ যুদ্ব বা লড়াইকে ও এক অর্থে রাজনীতিই বলা যায়”। আমাদের সংগ্রাম শ্রেনী সংগ্রাম, ধনিক শ্রেনীর বিরুদ্বে দরিদ্র শ্রেনীর। দরিদ্রদের রাজনীতি সর্বদাই ধনিকদের রাজনীতি থেকে আলাদা । আমাদের স্বার্থ ও তাদের স্বার্থ ও সকল সময়েই আলাদা। তাই সত্যিকার অর্থে তাদের ও আমাদের মাঝে কোন দিন ই ঐক্য হবে না । আমরা তাদের চাপিয়ে দেয়া মনগড়া বিধি বিধান মেনে নিতে পারিনা। তাই, দারিদ্রতার প্রতি, সন্ত্রাসের প্রতি, গনহত্যার প্রতি, নির্মমতার প্রতি, দুঃখ কষ্টের প্রতি, পরিবেশ দুষনের প্রতি, ক্ষুধা ও ধর্ষনের প্রতি, দুর্নিতী ও অপমানের প্রতি  আমরা বলি “না”! তা আমরা মানি না । চলতে দেব না । তারা তাদের মত করে ক্রমাগত ভাবেই তাদের “না”! বলেই যাচ্ছেন। আমরা যখনই ক্ষমতার দিকে এগিয়ে যেতে চাই তারা এর বিরুদ্বে প্রান পন লড়াই শুরু করে দেয়। তারা কখন ও তাদের ক্ষমতা ও সম্পদের মালিকা ছাড়বে না তাই দরিদ্র এবং ধনিদের মধ্যে লড়াই অনিবার্য। পুঁজিবাদই রাস্ট্রে এটাই ঘটে।

কতিপয় বিষয়ে আমাদের মত পার্থক্য থাকলেও আমরা মাওসেতুঙ্গের এই বক্তব্যের সাথে সহমত পোষণ করি। তিনি বলেছিলেন, আমাদের লড়াই হল অন্য সকল লড়াই বন্দ্বের জন্য, ন্যায় বিচারের জন্য। আমরা লড়াই করছি সকল মানুষের নিরাপত্তার জন্য। সকলের সুখের জন্য। সাধারন মানুষ ও পৃথিবীর সুরক্ষার জন্য। আমরা আমাদের ভবিষ্যতের ও আমাদের শিশুদের নিরাপত্তার জন্য। পক্ষান্তরে, ধনিক চক্র লড়াই করছে তাদের পাগলামীকে চালিয়ে যাওয়ার জন্য। তাদের দুর্নীতি, নির্মমতা, অন্যায় অবিচার ও শোষন চালু রাখার জন্য। তারা লড়াই করে মৃত্যুর জন্য আর আমরা লড়ছি মানুষের জীবনের জন্য। তারা লড়াই করে নিজেদের জন্য আর আমরা লড়াই করি মানুষের জন্য।

চুড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য সামরিক যুদ্ব ছাড়া আমাদের কোন বিকল্প নেই। বিপ্লবকে জোরদার করার জন্য, বিশ্ব জনযুদ্বকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সর্বদাই সামরিক হতে হবে এমন কোন কথা নাই। এটা অনেক ক্ষেত্রে অভিযানবাদে পরিণত হতে পারে। আমাদের লড়াইটা হবে সমন্বিত প্রকৃতির। সামারিক লড়াই সংগ্রামের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক শিক্ষা অপরিহার্য্য বিষয়। এই লড়াই সংগ্রাম হবে আরো অন্যান্য বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত। যেমন- গন কমিটি, গন আদালত, গন বিদ্যালয়, গন সংস্কৃতি ইত্যাদি। এই মহান বিশাল লড়াইটা হবে সামরিক ও অসামরিক প্রকৃতির। অর্থাৎ সামরিক লড়াইটা হবে একটি মাত্র উপাদান হিসাবে। বিপ্লবের জন্য একটি অগ্রসর বিজ্ঞান অনুসরন করতে হবে। আলোকিত সাম্যবাদের পথ ধরতে হবে। আলোকিত সাম্যবাদ হবে একটি ধারালো অস্ত্রের মত। ক্ষমতা দখল করতেই হবে । তা না হলে সকল কিছুই হবে প্রহেলিকা। লেনিন বলেছেন, “ ক্ষমতা বিহীন সকল কিছুই ধোয়াশামাত্র”।

৬. আপনি পৃথিবীর কথা বলেন। পরিবেশ কি ?

আমাদের আবাস ভূমি, আমাদের পৃথিবীকে ধংস করে দিচ্ছে। আমাদের বনভুমি, পৃথিবীর ফুসফুস কে পুরিয়ে ফেলা হচ্ছে। পাহাড় পর্বত, সবুজ জমিন এখন নস্ট হয়ে যাচ্ছে – যা আমাদের মনে ভয় জাগায়। সমূদ্র এলাকায় মৃত্যু পুরী তৈরী করে মানুষ সহ সকল প্রনীর খাদ্য চক্র বিনাশ করে ফেলছে। বিশ্ব উষ্ণায়ন দিনে দিনে বাড়ছে । ফলে পানির উচ্চতা বৃদ্বি পাচ্ছে, বন্য, খরা সহ নানা প্রকার বিপদ দিনে দিনে বেড়েই চলছে। বাংলাদেশ সহ অনেক দেশ আজ হুমকির সম্মোখিন হয়ে পরেছে। যদি বাংলাদেশ বন্যায় ডুবে যায় তবে, সেখানে গৃহহীন, ভূমিহীন, ও কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বাড়বে। পরিবেশ ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনেক দ্বীপ মালা আমাদের চোখের সামনেই তলিয়ে যাবে। অনেকে ভাবতে ও পারছেন না আমারে দিনে দিনে কোথায় চলেছি। তারা বৈজ্ঞানিক তথ্যাবলীকে অস্বীকার করেন। তারা বলেন এসব কিছু তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না বা তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হবে না । অনেকে ভাবতে ও পারেন না যে আমরা এখন এসে নির্মূল হবার দাড়প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছি। যেমন ডাইনোসররা বিলুপ্ত হয়েছে সেই রূপ অবস্থা মানব জাতির জন্য ও অপেক্ষা করছে। যদি মানুষ না জাগে তবে তারা ও এক সময় দুনিয়া থেকে চীরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো কেন ? এসকল কিছুর মূলে হলো প্রথম বিশ্বের ভোগবাদ। পুজিবাদ বলছে, “ কিন, কিন, কিন” ! “ভোগ কর, ভোগ কর, ভোগ কর”! “নস্ট কর, নস্ট কর, নস্ট কর”! প্রকৃতিক সম্পদের অবাদ ভোগের হাতিয়ার হলো পুঁজিবাদ। এরা চায় সীমাহীন ভোগ আরো ভোগ। বেহায়পনা ও বেলাল্লাপনা এদের মূল মন্ত্র। পুঁজিবাদ মানব জাতির জন্য একটি অন্দ্ব মতবাদ। ইহা একটি যুক্তিহীন মতাদর্শ। এর লক্ষ্য হলো কেবল মুনাফা, ইহা মানুষ ও পৃথিবীকে শোষন করে। পুঁজিবাদ ভবিষত নিয়ে ভাবে না, আগামী প্রজন্মের জন্য এদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। প্রথম বিশ্বের আরাম আয়েশের জন্য তৃতীয় বিশ্ব প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। মানবতা এখন একটি করাতের উপর দিয়ে হাটছে। লিডিং লাইট আমাদেরকে শিক্ষা দেয় যে,আমাদেরকে আমাদের পথ খুজে নিতে হবে । আমরা একে অন্যকে সাহায্য করব। সম্মান করব। একে অন্যকে রক্ষা করব। প্রকৃতির যত্ন নেব। আমরা উন্নয়নের সাথে সাথে প্রকৃতির সামঞ্জস্য বজায় রাখব। আমরা পৃথিবীর অভিভাবক। সাগর, বন জঙ্গল, আকাশ, বাতাস ও প্রানীকুলের খেদমত করব। মানুষের সেবা মানেই হলো পৃথিবীর সেবা করা। এর সুরক্ষা করা ।

৭. আপনি বিজ্ঞানের গুরুত্বের কথা বলেছেন। ধর্ম কি ? আপনি কি তা মানেন না ?

ধর্ম আমাদের সমাজে নানা ভাবে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে। ইহা অনেক সময়ে ক্ষমতাসীন চক্রের সুবিধার্থে ও প্রতিক্রিয়াশীলদের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এরা সাধারন মানুষের উপর প্রভূত্ব করতে গিয়ে ধর্মকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে থাকে। ক্ষমতা শালী ও ধনিক শ্রেনীর মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে গরীবদের উপর নির্মমতা চালায়। আমরা এই ক্ষেত্রে হেগেলের দর্শনের সমালোচনায় কার্ল মার্ক্সের কথা উল্লেখ করতে পারি।

“ধর্ম হলো নিপিড়িত মানুষের আশ্রয় স্থল, হ্রদয়হীন দুনিয়ার হ্রদয়, আত্মাহীন সমাজের আত্মা। ইহা সাধারন মানুষের জন্য তন্দ্রার কারন হয়ে দেখা দেয়”।

সাধারন মানুষ নিপিড়নের কারনেই ধর্মের দিকে দাবিত হয়। মানুষ বাঁচার তাগিদে একটু শান্তি পাবার আশায় ধর্মের আশ্রয় নেয়। আজকের পৃথিবীতে ও ধর্ম গিজ গিজ করছে, মানুষ ভাবছে এই জগতের পর অন্য জগতে গিয়ে সুখের জীবন যাপন করবে। তারা ভাবে তাদের সাথে অন্যায় করা হচ্ছে, তারা এখানে ন্যায় বিচার পাবেন না, তাই তারা পরকালে ন্যায় বিচার পাবেন। সত্যকে ধারন করা অবশ্যই খুব কঠিন কাজ, তাই মানুষ একটি ভিন্ন শক্তির আশ্রয় নিয়ে প্রহেলিকার পিছু নেয়। মানুষ সর্বদাই মিথের পিছনে চলতে ভালো বাসে। মিথ ও ধর্ম আসলে মানুষের সামাজিক পরিচয় ও বহন করে থাকে। আমরা এই সকল বিষয় বিনম্র ভাবে নিজেরা বুঝতে চাই এবং আলোচনা করে আগ্রহী। আমরা সাম্রাজ্যবাদিদের মত মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কে বিনষ্ট করতে চাই না ।  

মার্ক্স লিখেছিলেন পবিত্র পরিবারের মাঝে যে রহস্য আছে তা অলৌকিক কোন বিষয় নয় বরং তা একেবারেই পার্থিব বিষয় আসয়। অন্য কথায় বলতে গেলে বিষয়টি হলো – ইশ্বর বা ঈশ্বর সমূহ আসলেই একটি দার্শনিক বিষয়। আমরা আমাদের দৈনিন্দিন জীবনের দিকে থাকালেই এর একটি প্রতিরূপ দেখতে পাব। পিতৃতান্ত্রিক পরিবারে যেমন পিতা প্রধান হয় - তেমনি আমরা ধর্মীয় জগতে ও তাই তেখতে পাই। ইশ্বরকে ও পিতার আসনে বসিয়ে সন্তানের মতই সৃষ্টি জগতের চিত্র আকা হয়। আমরা যদি ও বিশ্ব ব্যবস্থায় এই রূপ কল্পনা করি কিন্তু বাস্তবে আমরা তা দেখি না । মানুষের ধ্যান ধারনায় ও সাংস্কৃতিক জগতে এর প্রভাব থকলে ও বস্তু জগতে এর তেমন কোন প্রভাব দেখা যায় না । এক অর্থে ধর্ম হলো একটি প্রহেলিকা  মাত্রবিজ্ঞানের সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। একটির সাথে অন্যটি যায় না । বিজ্ঞানের লক্ষ্য হলো মানুষকে সকল প্রকার সমস্যা থেকে মুক্ত করে স্বাধীনতা দেয়া। আর ধর্ম চুড়ান্ত বিশ্লেষনে তা সমাজ প্রগতির বাঁধা ।

বিপ্লবের নেতৃত্ব পর্যায়ে অগ্রসর বিজ্ঞান মনস্ক মানুষের ভূমিকা কামনা করি। আলোকিত সাম্যবাদ, গনমানুষকে ক্ষমতায়ন করা ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। এর মানে হলো – ক্রমাগত ভাবে মানুষকে শিক্ষিত করা, অগ্রসর করা, লিডিং লাইটে পরিণত করা দরকার। বিপ্লবী সমাজ অবশ্যই হবে ধর্ম নিরপেক্ষ। তবে সকলেই নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবেন। কাউকেই তাদের বিশ্ব ও অনুভূতিতে আঘাত করা হবে না । ধর্মীয় ব্যাক্তিদের মধ্যে যারা সমাজের পরিবর্তনে সহায়ক হবেন তাদেরকে ও বিপ্লবের বন্দ্বু হিসাবে বিবেচনা করা হবে । সহনশীল মানসিকতা গড়ে তুলার জন্য কাজ করা হবে। তবে কোন প্রকার ধর্ম ব্যবসা করতে দেয়া হবে না ।

আমরা জনি প্রকৃত শিক্ষা ও সাংস্কৃতি মানুষের মন মানসিকতাকে গঠন করে। মানুষের নানারূপ আছে। আমরা সর্বদাই বিনিত থাকতে চাই। আমরা জনতার প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে বদ্বপরিকর। বিপ্লব হলো প্লাতোর গুহা থেকে বাড়িয়ে আসা। সকল প্রকার প্রহেলিকা বা ধুয়াসা থেকে মুক্তি লাভ করা । তবে তা রাতারাতি সম্ভব নয়। ইহা এক ধরনের সুরক্ষার লড়াই। ইহা আমাদের লং মার্চের অংশ।

৮. আপনি কি আপনার মিশন নিয়ে আশাবাদি ?

একটি প্রচন্ড ঝর দানা বাঁধছে। সমস্যার পর সমস্যা ধেয়ে আসছে। দরিদ্রতা, বিরামহীন যুদ্ব, প্রকৃতিক দুর্যোগ, মানুষের বিগত বিপ্লব ব্যার্থ হওয়ার পর দির্ঘকাল নিস্কৃয় হয়ে আছেন। মানুষ তাদের একটি চোখ খোলা রাখছে। মানুষ আবার জেগে উঠছে। আমাদের উচিৎ তাদের দুটি চোখ খোলে দেয়া। তাদের সামনে বিজ্ঞানের শিক্ষা, স্বপ্ন, ভিশন, প্রকৃত বিকল্প তুলেধরা দরকার। আলোকিত সাম্যবাদের শিক্ষা তাদের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

যারা এখন ক্ষমতায় আছেন উরা আমাদের বিরুদ্বে লড়াইয়ে নামবেন। আমরা তাদেরকে স্পস্ট ভাষায় বলতে চাই আমাদের ঝড়ের সামনে তোমাদের কোন কিছুই ঠিকবে না । আমাদের মহান লড়াই দুনিয়াকে নতুন ভাবে জন্ম দিবে। যারা বর্তমান ব্যবস্থা নানা ভাবে লাঞ্চিত ও বঞ্ছিত তারা আমাদের সাথে আসবেন। তাদের চোখ খোলা আছে।তাদের অভিজ্ঞতা আছে। আমারা আমাদের লড়াইয়ে বিজয়ী হব। আমরা মরনকে ভয় পাই না । আমরা কোন না কোন ভাবে শক্তিশালী হবই। আমরা বিজয় ছিনিয়ে আনবই। কেননা আমাদের সাথে নিপিড়িত মানুষ ঐক্যবাদ্ব।

বিপ্লবী বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অস্ত্র একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়। আমরা পুরাতন ব্যবস্থার বিপরিতে সামগ্রীক যুদ্ব চালিয়ে যাব। আমরা নতুন শক্তির উত্থান ঘটাব। মানুষের উপর থেকে নির্মমতা, দুঃখ বেদনা বিদূরিত করব। আমরাই আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব। আমরা আমাদের লড়াই  থামাবো না । যুদ্ব, যুদ্ব এবং যুদ্ব চালিয়ে যাব সারা দুনিয়ায় সামগ্রীক ভাবে শান্তি প্রতিস্টা না করা পর্যন্ত।   শান্তি ই আমাদের চুড়ান্ত লক্ষ্য। ভিয়েতনামের মহান নেতা হো চি মিন লিখেছিলেন-

“ আমরা সকল কিছুই পরিবর্তন করব

উন্নয়নের চাকা সামনের দিকে ঘুড়িয়ে দিব

আমরা জানি বৃস্টির পরই সুন্দর বাতাস বহে”।

ঝর থামার আগে এর রূপ হয় ভয়ংকর। সূর্য্য উঠার আগে থাকে অন্দ্বকার। কিন্তু তা কখন ও চিরস্থায়ী হয় না। তা ক্রমে উজ্জ্বল হয়ে উঠে। ইহা হলো নয়কদের সময়। নায়ক হয়ে উঠার সময় এখন। আমাদের সূর্য্য উঠছে। আমাদের দিন আসছে।

“ সকল পাখী এক সাথে গাইছে।

মানুষ ও প্রানীজগত জেগে উঠছে,

কোন সত্যিকার ও স্বভাবিক ?

দুঃখের পর সূখ”।
*মুক্তি* *লিডিংলাইট*

আবু কিশোয়ার মির্জা শিহাব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লিডিং লাইটের প্রধান পি এফ এর একটি সাক্ষাৎকার

১. আপনার দৃষ্টিতে বর্তমান সমস্যা কি ? পৃথীবীতে কি ঘটছে ?

আমরা এখন যে বিশ্বে বসবাস করছি তাতে প্রচুর দরিদ্র মানুষ, দুঃখী মানুষ ও নানা নির্মমতার শিকার মানুষের সংখ্যা কম নয়। দুনিয়ার চারিদিকে চলছে নানা রকমের মানবতা বিরুধী সন্ত্রাস। বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদ, বিশ্ব ধনিক শ্রেনী ও প্রথম বিশ্বের লোকেরা আমাদের সম্পদ, আমাদের ভবিষ্যৎ ও দুনিয়ার ভবিষ্যতকে লুন্ঠন করছে অবিরত। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এখনো তিন ডলারের বেশী আয় করতে পারেন না । ৮০০ মিলিয়ন মানুষের এখনো নিরাপদ পানি পান করার ব্যবস্থা হয় নাই। শত শত মানুষ এখন ও দৈনিন্দিন জীবনে নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে পারেন না । ফলে নানা রোগ সূখের শিকার হয় তারা। দারিদ্রতা তাদের নিত্য সঙ্গী। তাদের খাদ্য নেই, ঔষধ নেই, কাপড় নেই, বিষাক্ত পরিবেশে বাস করে । চলছে অবিরাম যুদ্ব। গুপ্ত হত্যা, খুন, ড্রোন হামলা, বোমা হামলা ও আত্মঘাতী আক্রমন। অবিচার, অন্যায় ও নির্মমতা এখন সর্বত্র। আমাদের মানুষেরা মরছে যেখানে সেখানে। আমাদের সকলের প্রীয় জন্ম ভূমি এই প্রীয় গ্রহটি এখন ধংসের মূখে। আমারা যদি ফিরে না দাঁড়াই, কাজ না করি, তাহলে কিছুই হবে না । তা হলে আমাদের সন্তানদের এবং তাদের সন্তানদের কোন ভবিষ্যৎ নেই। আমাদেরকে অবশ্যিই যুদ্বে ফিরতে হবে। আমাদের সন্তানদের ভালোর জন্য। আমাদের সুদিনের জন্য। তবে আমরা অন্দ্বকারে গুলি ছুড়তে চাই না। আমাদের জিততে হলে আমাদেরকে বিপ্লবী হিসাবে তৈরী করতে হবে। আমরা আলোকিত সাম্যবাদের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। জানতে হবে বিপ্লবী বিজ্ঞান সম্পর্কে। তত্ত্ব ছাড়া অনুশীলন অন্দ্ব। আলোকিত সাম্যবাদই আমাদের এগিয়ে যাবার একমাত্র পথ ও পন্থা।

২. আপনারা আসলে কি চান? কি ধরনের বিশ্ব গড়তে চান ?

বিগত দিনের বিপ্লবের ঢেউগুলো ব্যার্থ হয়েছে। আমরা আবার আমাদের অতিতের ভুল গুলোকে লালন করতে চাই না। আমরা সেই ভূল গুলো নিয়ে আবার সামনে এগোতে চাই না । আমাদেরকে অতীত সম্পর্কে ভালো ভাবে বুঝতে হবে। অতিত থেকে শিক্ষতে হবে, আমাদেরকে তার সংশোধন করতে হবে। সকল প্রকার মতান্দ্বতা পরিহার করে অগ্রসর বিপ্লবী বিজ্ঞানকে প্রয়োগে এগিয়ে আসতে হবে। নির্ধারক হিসাবে সামনে রাখতে হবে আলোকিত সাম্যবাদকে । যে সকল শৃংখল আমাদেরকে বন্দ্বি করে রেখেছে তা ভাঙ্গতে হবে। সেই শিকল একটি ই হোক বা একাধিক হোক। আমরা এখন নানা প্রকার শৃংখল দ্বারা দেয়ালের সাথে আটকে আছি। আমরা অবশ্যই শ্রেনীর, বর্নের, জাতির, লিঙ্গের ও অন্যান্যের শিকল ভেঙ্গে বেড়িয়ে আসতে হবে। কেহই স্বাধীন হতে পারেন না – সকলকে স্বাধীন না করে। আমাদের লড়াইটা ই হলো সকল পুরাতন পন্থা ও ক্ষমতা কাঠামোর বিরুদ্বে। আমরা প্রথম বিশ্বের মুড়লদের বিরুদ্বে সামগ্রীক লড়াই ঘোষণা করছি। আমারা চাই এমন একটি নতুন দুনিয়া গড়তে যেখানে থাকবে না দারিদ্রতা, কষ্ট, নির্মমতা, কোন প্রকার যুদ্ব, ধর্ষন, খুন হত্যা ও অবিচার। আমরা চাই একটি সমতার দুনিয়া। শান্তি ও ন্যায় বিচারের পৃথিবী। যেখানে থাকবে আনন্দ, ও সুখ । মানুষকে সেবা করুন। আমরা একটি সত্যিকার স্বাধীন দুনিয়া চাই। যেখানে আমাদের সন্তানেরা সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। পৃথিবীতে নতুন ফুল ফোটবে। দুনিয়ার সকল মানুষ একই উদ্দেশ্যে মহান কাজে ব্রতী হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। আমরা যদি বিপ্লবী বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে সমাজের নয়া নক্সা তৈরী করতে পারি – তা হলে সকলই উপকৃত হবেন। প্রচলিত নিচু, ভোগবাদি, অর্থগ্রিদনু শ্রেনী ভিত্তিক সমাজে মানুষের দুঃখের সীমা থাকে না। আমরা আমাদের সমাজে মানুষের মাঝে সাহস, পর উপকারীতা, সহযোগীতা ও সহ ভাগীতার পরিবেশ তৈরী করতে চাই। সৃজনশীলতা, শিল্, সাহিত্য ও নায়কোচিত মানষিকতা বিকাশ ঘটাতে চাই। আমরা দক্ষ কর্মী বাহিনী, যুদ্বা, নির্মাতা ও বিজ্ঞানী তৈরী করতে চাই। আলোকিত সাম্যবাদের সত্যিকার চর্চাই আমাদেরকে তা অর্জনে সহায়তা করতে পারে।

৩. আমাদের পক্ষে কে থাকবে ? কে আমাদেরকে সমর্থন দিবে ? কে ই বা বিপ্লব সাধন করবে ?

“ কে আমাদের শ্ত্রু ? কে আমাদের বন্দ্বু ?” মহা বিপ্লবী মাওসেতুং দুনিয়ার চার ভাগের এক ভাগ মানুষের মাঝে  বিপ্লব সাধন করতে গিয়ে তিনি ও বিপ্লবের জন্য এইরূপ  “প্রথম প্রশ্ন করেছিলেন”দুর্ভাগ্যবশত, মাওয়ের  বিপ্লবের সামনে ছিলো বলশেভিক বিপ্লব – যা ইতিমধ্যেই ব্যার্থ হয়ে গিয়ে ছিলো। কিন্তু তিনি তা থেকেই শিক্ষা গ্রহন করেছিলেন। তাই আসুন মাওয়ের মত আমরা ও সেই প্রশ্ন করি। যদি সত্যিই আমরা বিপ্লব চাই তবে আমাদেরকে বুঝতে হবে কারা প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন চান না । কারা আমাদেরকে থামিয়ে দিতে চায় । আর কারা তা করেন না । কারা আমাদের কাজে খুশি হন।  প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্বে আমাদেরকে জানতে হবে সামাজিক শক্তি কারা, কোন শ্রনী, কোন দল বা উপদলকে পরিচালনা করা যাবে। এখন দুনিয়ায় পুঁজিবাদই হলো বিশ্ব ব্যবস্থা। এবং সাম্রাজ্যবাদ হলো সর্বত্র একটি বিরাজমান ব্যবস্থা। শ্রেনী বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে কেবল নিজেদের সমাজ কে, নিজেদের এলাকাকে, প্রতিবেশীকে বিশ্লেষণ করলে হবে না – তা করতে হবে বিশ্ব ব্যাপী ও বিশ্ব পরিসরে। দুনিয়ার কোন একটি অংশকে বুঝতে হলে তা ও সামগ্রীকতার ভিত্তিতে বুঝতে হবে। স্থানীয় অবস্থাকে বুঝতে হলে  বিশ্বকে ও অবশ্যই বুঝতে হবে। এটাই অজকের বাস্তবতা।

উনিশ শতকে কার্ল মার্ক্স দুনিয়াকে একটি ভিন্ন বাস্তবতায় দেখেছিলেন, সেই সময়ে ইউরূপীয়ান সমাজ একটি নতুন পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছিলো। বৈজ্ঞানিক এবং প্রকৌশলগত রূপান্তর ঘটছিলো দ্রুত। কৃষকরা তাদের জামি থেকে বহিষ্কার হয়ে শ্রমিকে পরিনত হচ্ছিলেন। সেটা ছিলো আধুনিক উৎপাদনের প্রারম্ভ।   নতুন নতুন কল-কারখানা তৈরী হচ্ছিলো। গড়ে উঠছিলো শিল্পবাদ। মার্ক্স দেখেছিলেন প্রতিনিয়ত সমাজে প্রলেতারিয়েত বাড়ছে। একদিকে বাড়ছে পুঁজিপতির সংখ্যা, যারা কলখানার মালিক, সম্পদের মালিক, কারখানার মালিকেরা অভিজাত সামন্তে থেকে গেলেন। কেবল নামের পরিবর্তন ঘটেছে। সামন্তপ্রভূ পরিনত হলেন কারখানার মালিক বা শিল্পপতিতে। পুরাতন শাসক চক্রই নতুন নামে আসলেন। অন্যদিকে দেখা গেল এমন একটি শ্রেনী যাদের শৃংখল ছাড়া হারাবার আর কিছুই নেই। তিনি তাদেরকে নতুন বিপ্লবী শক্তি হিসাবে বিবেচনা করলেন। যাদের নাম “প্রলেতারিয়েত”। তার সময়ের সেই প্রলেতারিয়েত, বিপ্লবী শক্তি, শিপ্ল শ্রমিক যারা কিছুই ধারন করেন না, যারা ভূমি থেকে উচ্ছেদ হয়েছে এবং শ্রমিকে পরিনত হয়েছে, যাদের কেবল শ্রম বিক্রি করা ছাড়া আর কিছুই নেই । দুনিয়ার সকল সমাজই রূপান্ত্রিত হচ্ছে। পুজিবাদ সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে তাদের মাঝে অস্থিরতা বিরাজ করছে। পুরাতন সামাজিক কাঠামো ভেঙ্গে গেছে, পরিবার ভাঙ্গছে, অন্যান্য সামাজিক প্রতিস্টান গুলো ও ভেঙ্গে যাচ্ছে। গ্রামীন ঐতিহ্যগত নানা রীতিনীতি শুকিয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে । নতুন নতুন শহূরে সংস্কৃতির উন্মেষ হচ্ছে। মার্ক্স বিশ্বাস করতেন পুজিবাদি ও শ্রমিক শ্রেনী এবং ধনিক শ্রেনী ও দরিদ্রদের মধ্যে দ্বন্দ্ব অনিবার্য। আর এই দ্বন্দ্বই বিপ্লব আনয়ন করবে। ফলে সমাজে সাম্য ও সমতার বিধান চালু হবে। যাকে তিনি সাম্যবাদিসমাজ বলেছেন। একেই তিনি বৈজ্ঞানিকনীতি মালার ভিত্তি হিসাবে অভিহিত করেছেন।

প্রায় দুই শতাব্দি আগে মার্ক্স দুনিয়াকে কিভাবে দেখেছিলেন। এখন কার পৃথিবী আগের চেয়ে অনেক পৃথক। ইহার ইউরূপে মত নয় বা ইউরূপীয় ধারায় ও নয়। সত্যিকার ভাবে বিগত শতাব্দিতে আমরা যা দেখলাম তা হলো সেই সকল জায়গায় ই বিপ্লব হয়েছে যাখানে সামাজিক ও রাজনৈতিক বন্দ্বন গুলো অপেক্ষা কৃত দুর্বল । আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নয় । লেনিন ভবিষ্যৎ বানী করেছিলেন, আগামীতে বিপ্লবের ঢেউ পূর্ব দিক থেকে পশ্চিমে যাবে। মাওসেতুং বলেছিলেন পুর্বের বাতাস পশ্চিমের বাতাসের উপর প্রাধান্য পাবে। আজকের অর্থনীতি সারা বিশ্বে একেই নামে পরিচিত হয়েছে। আমাদের শ্ত্রু মিত্র চেনার জন্য মাওয়ের প্রথম প্রশ্ন – কে আমাদের বন্দ্বু এবং কে আমাদের শ্ত্রু? তার জন্য দুনিয়াময়  শ্রেনী চরিত্র বুঝতে হবে। এর উত্তর কেবল এই নয় যে প্রথম বিশ্বের ধনিক শ্রেনীই বুঝি আমাদের শ্ত্রু আসলে তা নয়; বরং প্রথম বিশ্বের প্রায় সকল নাগরিকই এই কাতারে পড়ে। প্রথম বিশ্বের একজন সাধারন মানুষ ও চায় না তার বর্তমান অবস্থার নেতিবাচক কোন পরিবর্তন হোক- তারা তাদের শিকল ভাঙ্গতে চায় না । কেননা তাদের সম্পদ আছে, সুযোগ আছে, গাড়ী আছে, বাড়ী আছে, সকল প্রকার বিলাস দ্রব্য তাদের ঘর ভর্তি। এছাড়া তারা ভ্রমন ও আবসর কাটানোর সময় পাচ্ছেন। পুজিতে তাদের রয়েছে যতেস্ট অধিকার। তাদের সামাজিক সম্পদ, অবকাঠামো, জমি ও আধুনিক প্রতিস্টানের মালিক তারা । তাই সামগ্রীক বিবেচনায় প্রথম বিশ্বের মানুষ বিপ্লবের জন্য কোন প্রকার শ্রেনী স্বার্থ দেখতে পান না ।

কোন প্রকার বিপ্লব না করেই প্রথম বিশ্বের মানুষ যতেস্ট সুখে শান্তিতে আছেন। তারা বুঝেন যে বিপ্লব মানেই সম্পদ হারানোর ঝুকি আছে। বিপ্লবের ঝুকিতে নিজের, পরিবারের, সন্তানের ক্ষতি হতে পারে। এমন কি এতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।  শ্রমিক ও প্রথম বিশ্বের মানুষ শিকল ভাঙ্গার কাজ থেকে অনেক নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করেন। ধনি দেশের দরিদ্রতম মানুষেরা ও বিপ্লবী কাজে জড়িত হতে চায় না কেননা তাদের সংখ্যা অতি নগন্য। তাদের জন্য ও সেখানে নানা প্রকারের সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তাদের শ্রেনী গত সচেতনতার ও দরকার মনে করেন না বিপ্লব নিয়ে ভাবতে ও তারা আগ্রহী নয়। আমরা কি বললাম, কি করলামা তাতে তাদের কোন মাথা ব্যাথা ও নেই। প্রথম বিশ্বের বিপ্লবের জন্য কোন প্রকার বিপ্লবী সামাজিক ভিত্তি নেই। তারা কোন প্রকার বিপ্লব চায় না ।

তৃতীয় বিশ্বের ধনী ব্যাক্তিরা প্রথম বিশ্বের বন্দ্বু। তারা সাম্রাজ্যবাদের অংশ। তাদের জন্য তাদের ভাগ রেখে দেয় প্রথম বিশ্বের শোষক চক্র। তারা এরূপ একটি ব্যবস্থার সৃজন করেছেন। তারা প্রথম বিশ্বের এজেন্টের ভূমিকা পালন করে থাকে। তারা তাদের নিজেদের দেশের পিঠে নিজেরাই চাকু মারে। তারা প্রথম বিশ্বের জন্য নানা সম্পদ চুরি করে প্রথম বিশ্বের জন্য। তারা ও মুড়লের মতই কাজ করে থাকে।

তাহলে আমাদের বন্দ্বু কে ? আজকের সত্যিকার সর্বহারা কারা ? মাও বলেছিলেন, “ জনগণের সেবা করুন”কিন্তু এরা কোন মানুষ ? মার্ক্স বলেছিলেন পুজিবাদ অনেক অনেক মানুষের কস্টের কারন হবে। পুঁজিবাদই ব্যবস্থা মানুষকে ঠেলতে ঠেলতে পতনের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে, তাদেরকে উচ্ছেদ করবে, পথে প্রান্তরে ঘুড়িয়ে মারবে। কেবল একটি বিপ্লবের মধ্যমেই মানুষ তা থেকে নিরাপদ হতে পারেন।  বিপ্লব হলো আশাহীনদের জন্য আশার আলো। আমাদের বিপ্লবের বন্দ্বু হলো সমাজের সংখ্যা গরিস্ট মানুষ। যেমন- কর্মজীবি, দরিদ্র কৃষক, গৃহহীন, ক্ষুদ্র দোকানের মালিক, বস্তীবাসী ও তৃতীয় বিশ্বের সাধারন মানুষ। এই মানুষ গুলোই সকল কিছুকে ভেঙ্গে ঘুড়িয়ে দিয়ে বিপ্লব করতে পারবেন। তারাই হলেন সেই মানুষ যারা চরম কষ্টে আছেন –তারাই হলেন শিকল ভাঙ্গার লোক। আমাদের বিশ্ব হলো সর্বহারার বিশ্ব ও তাদের সাথীদের বিশ্ব। আমাদের সাথীরা প্রচলিত সকল ব্যবস্থার অবসান করে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। ইতি মধ্যেই তা শুরু হয়ে গেছে। আজকের বাস্তবতায় এটা ই হলো প্রধান দ্বন্দ্ব। দুনিয়ার ধনিক শ্রেনী বনাম দুনিয়ার দরিদ্র শ্রেনী। ধনিক বিশ্ব বনাম দরিদ্র বিশ্ব। প্রথম বিশ্ব বনাম তৃতীয় বিশ্ব। আমাদের বিজয়ী হতে হলে দুনিয়ার বাস্তবতাকে আগে বুঝতে হবে।

*মুক্তি* *লিডিংলাইট*
৪/৫

অর্ঘ্য কাব্যিক শূন্য: একটি মানুষ আরেকটি মানুষের সাথে বন্ধনে যায়... উদ্দেশ্য, নিজের ভেতরেই নিজের বন্দিত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া... কিছুদিন পর দেখতে পায়, একই বন্ধনে নিজের মুক্তিটাই বন্দী হয়ে আছে... ! তখন আবার মুক্তি পেতে বন্ধন ছিঁড়ে... মানুষ বন্ধন চায়... মুক্তি পেতে... ! ! মুক্তি পায়... বন্দী হতে... ! !

*বন্ধন* *সম্পর্ক* *মুক্তি*

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

যদিও এই ধরনের বিষয় নিয়ে কেন যেন আমরা আলাপ করতে চাই না,তারপরো আমারতো মাথার ঠিক নাই,তাই একটু ঘেটে দেখলাম। আর যা পেলাম তা আসলেই পড়ে মনে হল,সবাইকে জানানো দরকার কারণ আমার মনে হলো অনেক নারী-পুরুষেরই এই ব্যাপারটা নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে। আরো যদি ইসলামিক আইন দিয়ে বলি তাহলে যে কেউ-ই একবার ভ্রু কুঁচকে তাকাতে চায়,মনে করতে পারেন, “খাইছেরে এটা মানেই তো নারীকে বেঁধে রাখা হয়েছে,নারীকে শস্য ক্ষেত্র মনে করেছে। আর পুরুষদের হাতে সবকিছু দিয়া রাখছে”।হাহাহাহা...আমারো তাই ধারণা ছিল,তবে কিছুটা পরিবর্তণ হয়েছে এসব দেখার পর।

হাহাহাহাহা...আমার উপর না ক্ষেপে বাকি কথাগুলো পড়ুন সবাই,তারপর আশা করি আর রাগ থাকবে না কারোই, কেন আমি নারি-পুরুষ ভিন্ন করে দেখছি?হাহাহাহা...কারণ আমরা দেখতে আসলেই তো ভিন্ন...হাহাহাহা...দুঃখিত,দয়া করে বাকি টুকু পড়ুন...হাহাহাহা...

“তালাক” খুবই অপছন্দের একটা শব্দ। তালাক শব্দের অর্থ মুক্তি, ইংরেজিতে Freedom”.

এখন আমি যদি কোন স্বামী তার বউকে বলে, “U r free to do whtevr u want. Feel free,pls…” এটা কি তালাক হবে?হাহাহাহা...

ভয়ের কিছু নাই,হবে না...কারণ আপনাকে বিয়ের বন্ধন থেকে মুক্তি দেয়ার উদ্দেশ্যে এই মুক্তি শব্দটাকে উচ্চারণ করতে হবে।

তাহলে তালাক শব্দটার আসলে কোন দোষ নাই,বেচারাকে গালি দিবেন না। তার দুঃখে চোকে ফানি আসি গেছে।হাহাহা...

এবার আসল ঘটনা। পুরুষ  হবার সুবিধা বা অসুবিধা।হাহাহা...

একজন স্বামী কোন কারণ ছাড়াই এই বিবাহ বন্ধন থেকে মুক্তি দাবী করতে পারেন। ইসলামিক আইন অনু্যারী দুই ধরনের ডিভোর্স আছে।

১) এক্সট্রা জুডিসিয়াল ডিভোর্স

২) জুডিসিয়াল ডিভোর্স

এক্সট্রা জুডিসিয়াল ডিভোর্স আবার তিন ধরনের হতে পারে।

১) স্বামীর দ্বারা (তালাক, ইলা এবং জিহার)

২) স্ত্রী দ্বারা (তালাক-ই-তাওফীয, লিয়ান)

৩) উভয়ের সম্মতিতে (খুলা এবং মুবারাত)

 

স্বামী দ্বারা মুক্তির...(হাহাহাহা...)আবেদনঃ

প্রবেশ করার আগে এই লাইনটি মনে রাখুন,

নারীদের জীবনের কিছু অবস্থার নাম।

(তুহর-পিরিওড)-{(তুহর-পিরিওড)-(তুহর-পিরিওড)-(তুহর-পিরিওড)}...

{...} = ইদাত

‘তুহর’ মানে পিরিওড অফ পিউরিটি বা নারীদের ঋতুচক্রের বহির্ভূত কোন সময়

‘ইদাত’ মানে নারীদের পরবর্তী তিনটি ঋতুচক্রের সময়সীমা

তালাক আহসানঃ যখন স্বামী একবার তালাক উচ্চারণ বা ঘোষণা করেন “তুহর” এর সময়, {‘তুহর’ মানে পিরিওড অফ পিউরিটি বা নারীদের ঋতুচক্রের বহির্ভূত কোন সময়...},যখন কোন প্রকার ‘কোহেবিটেশান’ বা ঘনিষ্ট দৈহিক সম্পর্ক সংঘটিত হয়নি এবং পরবর্তীতে “ইদাত” {‘ইদাত’ মানে নারীদের পরবর্তী তিনটি ঋতুচক্রের সময়সীমা} সময়সীমার মাঝে নিজে সকল প্রকার ‘কোহেবিটেশান’ থেকে বিরত থাকেন। মজার ব্যাপার স্বামী চাইলে এই ‘ইদাত’ সময়সীমার মাঝে স্ত্রীকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারেন আর সেক্ষেত্রে তালাক কার্যকর হবে না। মুক্তি পেতে হলে আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হবে...হাহাহাহাহা...

তবে এই সময়সীমার মাঝে স্বামীর মনের পরিবর্তণ না হলে তালাক কার্যকর হয়ে যাবে।

তালাক-ই-হাসানঃ যখন স্বামী স্ত্রীকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে রিফিউজ করেন। আরো খুলে বললে, যদি তিনি স্ত্রীকে গ্রহণ করতে না চান ‘তুহর’ এর কোন সময় এবং তাদের মাঝে কোন প্রকার দৈহিক সম্পর্ক সংঘটিত না হয়।যদি স্বামী এরকম করেন পরবর্তী দুই ‘তুহর” এর সময়, তাহলে তৃতীয় বারের পর মুক্তি পেয়ে যাবেন।

ঘটনা প্রায় তালাক আহসানের মতই।

তালাক-ই-বিদআতঃ খুবই কমন...মুক্তি, মুক্তি করে তিনবার,স্ত্রীর যে কোন এক তুহর এর সময়, স্বামী চিরাইলে, স্বামী মুক্তি পেয়ে যাবে। তবে তিনবার বলতে হবে এমন কোণ কথা নেই, যদি এমন কথা বলেন, “আমি তিনবার তালাক দিলাম”। তাহলেই কার্যকর হয়ে যাবে...তিনি ডানা মেলে উড়ে চলে যেতে পারবেন।হাহাহা...

খুব সম্ভবত এর সাথে তুহর,ইদাত,পিরিওড কোণ কিছুর সম্পর্ক নাই...হাহাহাহা...

ইলাঃ যখন স্বামী এই প্রতিজ্ঞা করেন যে, তিনি স্ত্রীর সাথে কোনপ্রকার দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হবেন না চার মাসের বেশি সময় এবং তিনি উক্ত প্রতিজ্ঞা সম্পন্ন করেন কোনপ্রকার দৈহিক সম্পর্ক ছাড়াই (স্ত্রীর সাথে) তাহলে কোন প্রকার লিগেল প্রোসিডিং ছাড়াই বিবাহ বন্ধণ থেকে তিনি মুক্তি পেয়ে যাবেন (সুন্নি আইন অনুযায়ী)।

তবে এক কেইসে, স্বামী বিবাহের পর স্ত্রীকে একটি রুমে বসিয়ে তার সামনে এই পণ করেন,রুম থেকে বেরিয়ে এসে ওনার মা এবং বোনের সামনে এই পণ করেন।এসব শুনে বাবা বেরিয়ে এলে,বাবার সামনে এই পণ করেন।কিন্তু পরবর্তীতে কোর্টে এই ডিভোর্স গৃহীত হয়নি। (এর কারণ খুব সম্ভবত সকল সাক্ষী স্বামীর পক্ষের ও পরিবারের বলেই আমার ধারণা।)হাহাহাহা...

জিহারঃ যদি স্বামী (সুস্থ এবং সাবালাক) স্ত্রীকে মায়ের সমকক্ষ বা এমন কোন নারীর সমকক্ষ মনে করেন যাকে বিবাহ করা হারাম,তাহলে স্ত্রী নিজেকে স্বামীর কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন যতক্ষণ পর্যন্ত না স্বামী নিজে নিজেকে এর জন্য শাস্তি না দিচ্ছেন। এই প্রায়শ্চিত্তের পর স্ত্রী ‘মুল্লা’ বা জুডিশিয়াল ডিভোর্সে-র অধিকার প্রাপ্ত হোন।

উভয়ের সম্মতিতে মুক্তির সনদ প্রাপ্ত হওয়াঃ

খুলা (স্ত্রীর অনুরোধে মুক্তি)ঃ ইসলামিক আইন অনুযায়ী, স্ত্রী ‘খুলা’ বা ডিভোর্সের অধিকার প্রাপ্ত হোন যদি কোর্ট ওনার পক্ষে থাকেন কারণ অন্যথা, জোর করে ওনাকে ওই বিবাহ বন্ধণে বাধার সমতুল্য হবে।

এক কথায়, এটা হল পয়সা খরচ করে নিজের মুক্তি কেনার মতই একটা ব্যাপার...হাহাহাহা...

এখানে একটা ঘটনা উল্লেখ করা বেশ প্রয়োজন তবে তা অনুবাদ করতে অনেক ঝামেলা লাগতেছে আর বিকৃত হয়ে যেতে পারে ভেবে যেভাবে পেলাম সেভাবেই কপি করে দিলাম...

This incident, as the basis of the validity of Khula, has been referred to by most of the traditionalist Hazrat Imam Bukhari has reported through Hazrat Ibn Abbas that one day the wife of Thabit b. Qays appeared before the Prophet and Presented her complaint in the followings words:

‘O’ messenger of Allah nothing can ever unite his (Thabit) head with mine (Thabit) head with mine (Jameela). When I raised my veil I saw him coming in the company of a few men. I saw that he was blackest, the shortest and the worst appearance of them all. By Allah I do not dislike him because of defects in his faith or morality. I just hate his ugly looks. By God if I did not fear Allah, I would have spit on his face when he came near me. ‘O’ Messenger of Allah’ you can see how beautiful I am while Thabit is an ugly man”. I do not blame him for any depravity in his religious practice or morality, but I fear that I may be guilty to transgression of injunctions of Islam.

The messenger of Allah heard her complaint and observed:

“Will she return him the garden which Thabit had given to her.” She replied. “O yes, Messenger of Allah, I shall give him even more if he demands more. The Messenger of Allah (PBUH) observed: “No not more, just return him his garden. He (Holy Prphet) then ordered: “Thabit, take back the garden and divorce her which he did.”

Under the Shia Law the parties can dissolve their marriage by way of mubarat (উভয়ের সম্মতিতে)  if it is impossible for them to continue marriage tie.

 

একদা ডিভোর্স চেয়েছেন এমন এক মহিলাকে হযরত ওমর (রাঃ) এর সামনে আনা হয়, তিনি মহিলাটিকে বকাঝকা করেন এবং স্বামীর কাছে ফিরে যেতে বলেন কিন্তু মহিলা যেতে রাজী হলেন না। তখন তিনি মহিলাকে একটি আবর্জনাভর্তি কক্ষে বন্দি করে রাখেন। তিন দিন পরে মহিলাকে বের করা হয় এবং উমর (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন যে তিনি কেমন ছিলেন। মহিলা বললেন, “তিনি রাতগুলো খুবই আরামে ছিলেন”। এই কথা শুনে, ওমর (রাঃ) স্বামীকে নির্দেশ দেন কানের দুলের বিনিময়ে হলেও ওই মহিলাকে ডিভোর্সের অধিকার দেবার জন্য।

তালাক-ই-তাফউইজঃ এটা শিয়া ও সুন্নি উভয়ের মাঝেই প্রচলিত ও গৃহিত। স্বামী চাইলেই ডিভোর্সের অধিকার স্ত্রী বা অন্য কোণ ব্যাক্তিকে দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে, স্ত্রী যদি এই অধিকার প্রাপ্ত হোন, তাহলে তিনি চাইলে মুক্তির দাবী করতে পারেন...কোন কারণ ছাড়া পারবেন কিনা, জানি না পরিষ্কার...তবে উপরোক্ত স্ত্রী দ্বারা যে সকল উপায় আছে সেগুলো পারবেন বলাই যায়।

তবে এটা মনে রাখতে হবে যে, এই তালাক-ই-তাফউইজ এর ক্ষেত্রে, স্ত্রী স্বামীকে তালাক দিচ্ছেন না বরং স্বামীর পক্ষের হয়ে নিজেকেই তালাক দিচ্ছেন।

লীয়ানঃ যদি স্বামী স্ত্রীকে মিথ্যা অপবাদ (যেমনঃ এডাল্টারি) দিয়েছেন বলে আদালতে প্রমাণিত হয়,সেক্ষেত্রে স্ত্রী উলটা ডিভোর্স চেয়ে বসতে পারেন।

জাফর হোসেইন বনাম উম্মাত-উর-রাহমান কেইসে আল্লাহাবাদ হাইকোর্ট এই লীয়ানকে চিহ্নিত করে রায় দেন। এই কেইসে স্ত্রী প্রমাণ করেন যে স্বামী বেশ কয়েকজন ব্যাক্তির সামনে বলেন যে তিনি(স্ত্রী) তার ভাইয়ের (চাচাত বা মামাত ধরে নিয়েছি) সাথে অনৈতিক দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। তবে  Anglo Mohammedan Law বা মিক্সচার অফ ইংলিশ এবং ইসলামিক আইনে এই নিয়মকে অগ্রাহ্য করা হয়। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, স্ত্রীকে ডিভোর্স চাইতে হবে। প্রথমে কোর্টের রায় পেতে হবে এই শর্তে যে স্বামী তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে এবং ডিভোর্স ফাইল করতে হবে।

মুসলিম বিবাহ সমাপ্তি আইন, ১৯৩৯

যে সকল কারণে মুসলিম আইনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ কোন নারী বিবাহ সমাপ্তির অধিকার প্রাপ্ত হবেন তা হল-

১) ৪বছর ধরে স্বামীর কোন খোজ খবর না পাওয়া।

২) যদি স্বামী ২ বছর ধরে স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যার্থ হন...

৩) ৭বছর বা তার চেয়ে বেশি সময়ের জন্য স্বামী কোন দন্ডপ্রাপ্ত হলে।

৪) যদি স্বামী কোন কারণ ছাড়াই ৩ বছরের বেশি সময় ধরে স্বামীর দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে ব্যার্থ হোন।

৫) যদি স্বামী বিবাহের সময় অক্ষম থাকেন এবং এখনো আছেন।

৬) যদি স্বামী মানসিকাভাবে ভারসাম্যহীণ থাকে ২ বছরের বেশি সময়।

৭) যদি স্ত্রী বিবাহের সময় নাবালিকা থাকেন (১৫বছরের কম)।যদি বাবার ইচ্ছাতেও বিবাহ হয় বা কোন অভিভাবকের উপস্থিতিতেও এই বিবাহ হয় তারপরো স্ত্রী এই অধিকার প্রাপ্ত হবেন।

৮) যদি স্বামী স্ত্রীর সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করেন-

নিষ্ঠুর বলতে ‘মুসলিম নিষ্ঠুরতা’, ‘হিন্দু নিষ্ঠুরতা’ বলে কিছু নেই। এই নিষ্ঠুরতা সমসাময়িক ও আদর্শ মানবিক অধিকার বা মানবিক দিক বিবেচনা করেই নির্ধারণ করা হয়। তবে কিছু উদাহরণ দিয়ে দেয়া যায়-

  • যদি প্রায়ই শারিরীক নির্যাতণ করেন বা তার জীবন দূর্বিসহ করে তোলেন নিষ্ঠুর আচরণের মাধ্যমে যদি এই আচরণের সাথে কোন প্রকার শারিরীক নির্যাতনের সম্পর্ক নাও থাকে।
  • যদি স্ত্রীকে অনৈতিক জীবন যাপনে বাধ্য করেন।
  • যদি স্ত্রীকে তার সম্পদ থেকে বঞ্ছিত করেন যাহাতে তিনি আইনত অধিকার চর্চা করতে না পারেন।
  • যদি ধর্মীয় অনুশাসন মানতে বাঁধা প্রদান করেন।
  • একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে যদি সমানভাবে সবাইকে না দেখেন।

একটি ঘটনা বললে বুঝতে সুবিধা হবে আশা করি।

“একবার এক নারীকে পড়ার অর্থ প্রদানের অঙ্গিকার করে একজন পুরুষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরে স্বামী সেই অর্থ দিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে স্ত্রী ডিভোর্সের আবেদন করেন এই মর্মে যে স্বামী তার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছেন বলে এবং কোর্ট স্ত্রীর পক্ষে রায় দেন এই মর্মে যে স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ করেছেন”।

আশা করি নিষ্ঠুরতার সংজ্ঞা বুঝতে কারো সমস্যা হবে না...হাহাহাহাহা...

ইসলামিক আইনে বলা হয়েছে যদি এমন কোণ শর্ত সাপেক্ষে যদি বিবাহ বন্ধনে নারী-পুরুষ আবদ্ধ হয়ে তাহলে শর্ত পূরণে ব্যার্থ হলে স্ত্রীকে কোনপ্রকার কোর্টের রায়ের অপেক্ষা করতে হবে না, বরং স্বামী তালাক উচ্চারণ করে যেভাবে তালাক কার্যকর হয়ে যায় একই ভাবে ইহাও কার্যকর হয়ে যাবে।

১৯৪৫ সালে উমর বিবি বনাম মোঃ দিন কেইসে বলা হয় যে, স্ত্রী স্বামীকে এতই ঘৃণা বা অপছন্দ করতেন যে তাদের পক্ষে একসাথে থাকা অসম্ভব এবং মানসিকভাবে দু’জন দু’প্রান্তের।কোর্ট সেই ডিভোর্সের আবেদন নাকচ করে দেন। কিন্তু ২৫ বছর পরে নিওরবিবি বনাম পীর বক্সের কেইসে কোর্ট ডিভোর্সের আবেদনের পক্ষে রায় দেন। এটাকে বলা হয়েছিল, “irretrievable breakdown of marriage”...

হাহাহাহা...এইতো সব। এসব দেখে আমার কেবল একটা কথাই বারবার মনে হয়েছে। আগে নিজের অধিকার জানা উচিত নারীদের। আপনি বিবাহ বন্ধনের আবদ্ধ হবার সময় ‘লজ্জা নারীর ভূষণ’ ভেবে চুপ মেরে না থেকে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে নিন। দিন থাকতে রাস্তা ধরেন পরে তাহলে আর কপাল চাপড়াতে হবে না।কারণ আসলেই কি একজন নারী পারে নিষ্ঠুর হতে যখন আসলেই নিষ্ঠুর হওয়াটাই উচিত বা ঠিক?

তাই বলে নিজেদের অধিকার কেন ছেড়ে দেবেন? জেনে নিন, সময় থাকতে সচেষ্ট হোন। তবে খলিফা বা ওরকম কোন ব্যাক্তি যদি থাকতেন তাহলে আজকে নারীদের এতটা অবহেলিত মনে হত না নিশ্চিত। হয়তবা একটু আবর্জনা ভর্তি একটা কক্ষে তিন দিন থাকতে হত কিন্তু মুক্তি পেয়ে যেতেন ঠিকই যদি একান্তই চাইতেন। সমস্যা বাধাইছে আমার মত যারা নিজের মত করে এই আইনগুলাকে ব্যাখা দিচ্ছেন তারা। যদিও আমি এসবের কিছুই জানি না তবে যারা জানেন তারাই বড় সমস্যাটা করছেন। তাই নারীদের বলব, দয়া করে নিজেরা সচেষ্ট হন, ইসলামকে দোষ দেয়ার আগে নিজে সচেষ্ট হোন।হাহাহাহাহা...সব শেষে,

The Quran supports divorce as follows:

O Prophet! When you do divorce women, divorce them at their prescribed periods, and count (accurately), their prescribed periods: And fear Allah your Lord: and turn them not out of their houses, nor shall they (themselves) leave, except in case they are guilty of some open lewdness, those are limits set by Allah: and any who transgresses the limits of Allah, does verily wrong his (own) soul: thou knowest not if perchance Allah will bring about thereafter some new situation. "

— Qur'an, Sura 65 (At-Talaq), ayat 1

 

Perchance means by some chance; perhaps.

https://www.youtube.com/watch?v=JP-SF9fQTBw

আমারই ঘুম ভাঙ্গে কষ্টের আঘাতে

স্মৃতিরা ঘুমিয়ে নেই এখন মাঝরাতে,

আমারই দুঃখ আমারই থাক, দুঃখ জানলে আমাকে জেনে যাবে।।

আকুতিরা কাঁদে চিৎকারে,

বাতাসে এখনো আমার দীর্ঘশ্বাস ভাসে

অনুভূতিহীন দিন কাটে,

হৃদয়ে ভাঙ্গে নিঃশব্দে করুণ সুরে।

আমার দুঃখ আমারই থাক, দুঃখ জানলে আমাকে জেনে যাবে।।

অবহেলা যত তোমার ছিল,

জানতে চাওনি তুমি কখনো কি চেয়েছি আমি।

চাওয়া না পাওয়ার এই তো জীবন

কেটে যাবে হয়ত এভাবে সুরে সুরে।

আমারই দুঃখ আমারই থাক, দুঃখ জানলে আমাকে জেনে যাবে।।

*রেডিও-প্যাঁচা* *সম্পর্ক* *ডিভোর্স* *সম্পর্ক-ভঙ্গ* *ভাঙ্গন* *বিবাহ* *বিবাহবিচ্ছেদ* *মুক্তি* *তালাক*

নিপু: মৃত্যুসম শীতলতায় যদি ডুবে যাই বা করি আলিঙ্গন অসীম সুমুদ্রকে.. তুমি থাকবে পাশে ? অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দিয়ে যদি হলি খেলি বা সাতার দিতে চাই নিজ রক্তস্রোতে, কেমন হয় ? অগ্নেওগিরির লাভায় যদি করি অবগাহন সেটাই বা খারাপ কি ? দুষিত এই নগর আর দুর্গন্ধ যুক্ত/ কলুষিত কিছু মানুষের মন ! ভিন্ন রঙের, ভিন্ন বর্ণের কষ্টের চেয়ে ! চিরমুক্তি বা বিসর্জন খারাপ কি বলো ?

*মুক্তি*
ছবি

কেয়া _নাহিদা: ফটো পোস্ট করেছে

এই আকাশে আমার মুক্তি আলোয় আলোয় আমার মুক্তি ধূলায় ধূলায় ঘাসে ঘাসে................

*মুক্তি* *আকাশ*

শাকিল আহমেদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

অসাধু ব্যবসায়ী বনাম আমজনতা
ফলের ভিতর বল নাই আলগা বলে ফল পাকাই
গাছ পাকা ফল চাই বিষ থেকে মুক্তি চাই
*ফরমালিন* *ভেজাল* *মুক্তি*
ছবি

পাগলী: ফটো পোস্ট করেছে

যদি তুমি কাউকে ভালবাস তবে তাকে মুক্তি দাও, যদি সে ফিরে আসে তবে সে তোমার।

আর যদি ফিরে না আসে তবে সে কোন দিন তোমার ছিল না, থাকবে ও না।

*ভালোবাসা* *মুক্তি*

পাগলী: যখন কেউ তোমাকে ছেড়ে চিরতরে দূরে সরে যেতে চায়, তাকে যেতে দাও। তুমি তাকে কতটা চাও সেটা নির্ণেয় নয় বরং সে তোমাকে চায় না সেটাই বাস্তব। তুমি তাকে ছাড়া ভাল না থাকতে পারলেও সে তোমাকে ছাড়া ভালই থাকতে পারবে, এটাই ধ্রুব সত্য।

*মুক্তি*

সুপ্ত দিয়া: যদি ভুলে যাবার হয়,ভুলে যাও। দূরে বসে বসে মোবাইলে,ইমেইলে হঠাৎ হঠাৎ জ্বালিয়ো না, দূরে বসে বসে নীরবতার বরফ ছুড়ে ছুড়ে এভাবে বিরক্তও করো না। ভুলে যেতে হলে ভুলে যাও,বাঁচি। যত মনে রাখবে,যত চাইবে আমাকে,যত কাছে আসবে, যত বলবে ভালোবাসো,তত আমি বন্দি হতে থাকবো তোমার হৃদয়ে, তোমার জালে, তোমার পায়ের তলায়,তোমার হাতের মুঠোয়,তোমার দশনখে। -তসলিমা নাসরিন

*মুক্তি* *প্রিয়কাব্যানু*

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল: বিজয়ের এই বাণী প্রবাহিত হোক কোটি হৃদয়ে....

*মুক্তি* *বিজয়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★