মুক্তিযোদ্ধা

মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে কি ভাবছো?
খবর

ফিটকিরি: একটি খবর জানাচ্ছে

যে দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন সে দেশ কি পেয়েছেন? চোখে মুখে আলো ছড়িয়ে এই বীরের উত্তর- ‘স্বাধীন দেশ পেলাম। একটা পতাকা পেয়েছি। জয়বাংলা স্লোগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীন দেশে মানুষের উল্লাস দেখি। এটা অনেক বড় পাওয়া। তবে স্বপ্নের সোনার বাংলা এখনও হয়নি। তবে এখন আমরা সে পথে চলছি।’ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা প্রসঙ্গে এই যোদ্ধা বলেন- ‘রেডিওতে শুনি সংবাদটি। বাঙালি জাতির জন্য এটা কলঙ্কজনক অধ্যায়। আপনি আপনার বাবাকে কি গুলি করে মারতে পারেন? আপনি যদি আপনার পিতাকে মারেন তাহলে আপনি পৃথিবীর কোন দেশে গিয়েও শান্তি বা সম্মান পাবে না। জাতির জনককে যারা মারছে তার মানুষ না। বঙ্গবন্ধুর মতো মানুষের আসলে মৃত্যু হয় না। ব্যক্তি এখন নাই। কিন্তু শেখ মুজিবের চেতনা তো এখনও বেঁচে আছে। হাজার বছরেও তা হারাবে না। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেন প্রজন্মের মাঝে।’ সে সময়কার একটি ঘটনার কথা মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম উল্লেখ করেন ঠিক এভাবে- “পঁচাত্তরের পর শ্রীপুরে ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়। সম্মেলনের অনুষ্ঠানে তখন তেমন লোক পাওয়া যায়নি। ভয়ে কেউ ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগ করত না। বঙ্গবন্ধুর খুনি ডালিম-ফারুক একবার আসে শ্রীপুরে। আমরা তখন মাত্র ২০-২৫জন পথে নামি। বঙ্গবন্ধুর জন্য বুকভরা কষ্ট নিয়ে স্লোগান তুলি- ডালিম তুমি যেই হও শ্রীপুর ছেড়ে চলে যাও, শেখ মুজিব হত্যার বিচার চাই।” জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা বলতে নারাজ এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। জিয়ার শাসনামল সম্পর্কে তিনি অকপটে তুলে ধরেন নিজের মতামত। তার ভাষায়- “জিয়া কেমন মুক্তিযোদ্ধা সেটা আপনারাই ভাল জানেন। একাত্তরে জয় বাংলা স্লোগান না দিলে কোন মুক্তিযোদ্ধার রক্ত গরম হয় নাই। অপারেশনের সময় আমরা জয়বাংলা বলতাম। সকল বাঙালির স্লোগান এটা। জয়বাংলা স্বাধীনতার স্লোগান। একাত্তরে জিয়াউর রহমান কি জয়বাংলা বলেছিলেন? এটা আপনারাই গবেষণা করে বের করেন। যে জয়বাংলা বলে না আমার মতে সে মুক্তিযোদ্ধা না। তাছাড়া উনি তো রাজাকারকে বুকে টেনে নিয়েছিলেন। স্বাধীন দেশে আবার জিন্দাবাদকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শত শত মুক্তিযোদ্ধাকে তার আমলেই নি:শব্দে হত্যা করা হয়েছে। রাজাকারদের উত্থানের পেছনেও জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী দায়ী। স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের তারা মাথায় তুলে রেখেছেন। স্বাধীন দেশের মন্ত্রী পরিষদে স্থান দিয়েছে রাজাকারদের। ইতিহাসকে করেছেন কলঙ্কিত। তাহলে বলেন, এটা কি কোন মুক্তিযোদ্ধার কাজ হতে পারে?”
https://opinion.bdnews24.com/bangla/archives/54355
যুদ্ধাহতের ভাষ্য-৮৮: একাত্তরে জিয়াউর রহমান কি জয়বাংলা বলেছিলেন? ...বিস্তারিত
*মুক্তিযোদ্ধা*
১৩ বার দেখা হয়েছে

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মুক্তিযোদ্ধাদের ছেলে মেয়েরা চাকরিতে কোটা পায় কিন্তু ভাষা সৈনিকদের ছেলে মেয়েরা কোটা পায়না কেন?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*চাকরিরকোটা* *মুক্তিযোদ্ধা* *ভাষাশহীদ* *ভাষাসৈনিক*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

"'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা' 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা' বলে মুখে ফেনা তোলা নেতা-নেত্রীর অভাব নেই কিন্তু বিনা চিকিৎসায়,"

",,কিন্তু বিনা চিকিৎসায়, অর্ধাহারে-অনাহারে কাটানো ৭২ বছর বয়সী রণাঙ্গনের একজন যোদ্ধার পাশে দাঁড়ানোর লোক পাওয়া কঠিন।" https://www.facebook.com/imranhsarker.official/photos/a.250790425040279.56434.196182420501080/1004700892982558/?type=3&theater

*মুক্তিযোদ্ধা*

নিরাপদ নিউজ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

জিয়াউর রহমানের বিচার করা হবে
মরণোত্তর বিচার করা হবে জিয়াউর রহমানের ------------------------------------------------------- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে...More- http://www.nirapadnews.com/2015/12/19/news-id:116039/
*যুদ্ধাপরাধী* *জিয়াউররহমান* *মরণোত্তরবিচার* *বিএনপি* *মুক্তিযোদ্ধা* *যান্ত্রিকজীবন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১৯৭১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ২টা ১৫ মিনিট। বরিশালের শনিরচর গ্রাম, যা মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টরের অধীন। পাঁচজনের কমান্ডো দলের প্রত্যেকের মুখে কালো কালি মাখা। দুজনের হাতে লাইট মেশিনগান, একজনের হাতে একটা হেভি মেশিনগান, আর বাকি দুজনের কাছে স্ট্যান্ডার্ড ইস্যু রাইফেল।


প্রত্যেকের বেল্টেই তিনটি করে গ্রেনেড। গ্রেনেড দামি জিনিস, তাই সাবধানে খরচ করতে হয়। নেহাত দায়ে না পড়লে ব্যবহার করার অনুমতি নেই। কবির, বদি, সজল, তাপস আর শামসু কমান্ডো বাহিনীর পাঁচজনের নাম হলেও মিশনে এক অন্যকে স্পেসিফিক কল সাইন ধরে ডাকতে হয়। কমান্ডো লিডার শামসু, তার নামেই বাহিনীর লোকমুখে নাম শামসু বাহিনী।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙালি অফিসার শামসুল আলম, সাধারণ শ্রমিক কবির মিয়া, মেডিকেল শিক্ষার্থী তাপস মৈত্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সজল ওরফে মাহবুব চৌধুরী, ইস্ট পাকিস্তান ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী বদিউজ্জামান ওরফে বদি।

মধুমতীর পাশে শনিরচর গ্রামে একটা স্কুলে থাকা পাকিস্তানি আর্মির ক্যাম্প তাদের দখল করে নিতে হবে। যাতে বরিশালে মুক্তিবাহিনীর পেনিট্রেট করার পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে ডাক পড়েছে ‘শামসু বাহিনীর’।

*গেম* *স্বাধীনতা* *বাংলাদেশ* *বাঙ্গালী* *মুক্তিযোদ্ধা* *বেশটেক*
*স্বাধীনতা* *বাংলাদেশ* *বাঙ্গালী* *মুক্তিযোদ্ধা* *বেশটেক*

আফ্রোদিতির যুবরাজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[স্বাধীনতা-এইদেশআমার] আমার অস্তিত্বে, আমার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তোমরা হয়ে আছো এক অফুরন্ত প্রেরণা, স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধতো অনেক জাতিই করেছে। কিন্তু তোমাদের মত কেউ কি পেরেছে বুক ঠুকে রাইফেলের আর বেয়নেটের খোঁচার সামনে দাড়াতে, কিংবা স্বাধীনতার দাম কেউ কি পরিশোধ করেছে রক্ত সাগর আর লাখো মা-বোনের ইজ্জত দিয়ে ? না পারেনি, ভবিষ্যতেও কেউ পারবে না। কারণ তোমাদের দেশপ্রেম ছিল আকাশচুম্বী হয়তোবা তারচেয়েও বেশী। সালাম তোমাদের হে বীরপুরুষরা। তোমরা আমাদের পূর্বপুরুষ, আমরা তোমাদের মত বীরদের উত্তরসূরী। কিন্তু আমরা কি পারছি তোমাদের দেয়া স্বাধীনতার মান রাখতে ?? এই প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই। তবে হ্যা আজকের যেই তরুণরা বেড়ে উঠছে সেই তরুণরাই তোমাদের প্রেরণাকে বুকে ধারণ করে তোমাদের রক্তে অর্জিত এই ভূখন্ডকে আর এই পাতাকাকে উচুঁ করে তুলে ধরবে বিশ্বের বুকে। হ্যা উচুঁতে....................অনেক উচুঁতে............................
*মুক্তিযোদ্ধা* *২৬শেমার্চ*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

jayed জায়েদ: চাকুরীতে কোটামুক্ত বাংলাদেশ চাই..................... মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, সন্দেহ নাই।তাদের কাছে জাতি ঋণী। তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই সরকারী চাকুরীতে কোটা বরাদ্দ। কিন্তু সরকার একের পর এক ''শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কোটায়'' নিয়োগ দিয়ে তাদের প্রতি সাধারন মানুষের শ্রদ্ধার অবনতি ঘটাচ্ছে।

*মুক্তিযোদ্ধা*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে



মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের আতঙ্ক পুরনো ঢাকার নাদেরের অসীম বীরত্বগাথা আজ খুব কম লোকেরই জানা। বংশালের বয়োবৃদ্ধ প্রাচীন লোকেরাও ভাসা ভাসা মনে করতে পারেন সেই সময়ের কাহিনী। সুসজ্জিত পাকিস্তানী আর্মি ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে শহীদ নাদেরর অসম লড়াইয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন দুলু গুন্ডা (চিত্র নায়ক ফারুক )।
২৫ মার্চের রাতে পাকি জানোয়ার বাহিনী যখন ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙ্গালীর ওপর হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে তখন ঢাকার মানুষের পালাবার রাস্তাও ছিলনা। কিন্তু ব্যতিক্রম ছিল নাদের। চারিদিকে গুলি, কামান আর মর্টারের গোলাগুলিতে নাদের বুঝতে পারে কি ঘটছে সাথে সাথে সে নিজের মতো করে তৈরি হয়ে যায়। পাকি আর্মির কনভয় বংশালে ঢোকার সাথে সাথে নাদের একটি দেশী বন্দুক নিয়ে ছাদ টপকে টপকে ঈসা ব্রাদার্সের ছাদে গিয়ে পজিশন নয়। বন্দুকের রেঞ্জের মধ্যে আসার সাথে সাথেই নাদেরের গুলিতে লুটিয়ে পড়ে কয়েকজন পাক আর্মি।
অবিশ্বাস্য এই আক্রমণে পাক আর্মি তৎক্ষণাৎ ফিরে যায়। নাদেরর আক্রমণে হায়েনার মতো ক্ষিপ্ত পাকি আর্মিরা শক্তি সঞ্চয় করে ঝাপিয়ে পড়ে বংশাল, নয়াবাজার, আবুল হাসানাত রোড, কাজী আলাউদ্দিন রোডের বিভিন্ন বাড়িতে। প্রথম দিকে তাদের টার্গেট শুধু হিন্দু বাড়ির প্রতি হলেও প্রতিরোধের সম্মুখীন হওয়ায় তারা নির্বিচারে বাড়ি ঘরে আগুন দিতে থাকে।
সে যাত্রা নাদের পালিয়ে গেলেও পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বন্ধু বান্ধব আত্নীয় স্বজনের সহায়তায় তার গেরিলা অপারেশন অব্যাহত রাখে। নাদেরর অস্ত্রের যোগানদাতা ছিলা সংগ্রাম নামে এক পাঞ্জাবী। অর্থের বিনিময়ে এসব অস্ত্র সংগ্রহ করে দিত। ইতোমধ্যে শান্তিকমিটির দালালরা সংঘটিত হওয়ায় এলাকায় ঘোরাফেরা সমস্যা হয়ে দাড়ায়। মে মাসের শেষের দিকে আরমানীটোলায় পাকিস্তানী দালালদের প্রধান খাজা খায়েরউদ্দিনের সভায় আক্রমনেরর প্রস্তুতি নেয় নাদেরর দল।

এই সভায় আক্রমনের জন্য দরকার অনেক অস্ত্র। সংগ্রাম অস্ত্র সাপ্লাইয়ের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং সেমতে নাদের তার বাহীনি নিয়ে আর্মেনীয় চার্চে অবস্থান নেয়। যথাসময়ে সংগ্রাম হাজির হয় অস্ত্রের চালান নিয়ে । কিন্তু নাদেরের ওয়াচ গার্ডরা দেখতে পেল অস্ত্র নিয়ে আসছে সংগ্রামের লোকজন নয়, পাক আর্মিরা। সাথে সাথে নাদের সংগ্রামকে গুলি করে মেরে ফেলে। ততক্ষনে পাক আর্মীরা চারিদিক দিয়ে ঘিরে ফেলার চেষ্টা করছে। নাদের তার বাহীনী নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। নাদের-হারুণ দুই সহোদর এবং বন্ধু সোহরাব পাক আর্মীর ওপর গুলি চালিয়ে বাকীদের কভার দেয়। একপর্যায়ে হারুণ ও সোহরাবকে গুলি খেয়ে লুটিয়ে পড়তে দেখে নাদের সড়ে পড়ার চেষ্টা করে। কিন্তু দেয়াল টপকানো অবস্থাতেই পায়ে গুলিবিদ্ধ হয় সে। আহত নাদের আশ্রয় নেন বেচারাম দেউড়ির বস্তিতে। চারিদিকে চিরুনী অভিযান করতে করতে পাক আর্মিরা বস্তিতে হাজির হয়। বস্তির লোকজন জানের ভয়ে আহত নাদেরকে ধরিয়ে দেয়।
নাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে। পাক আর্মির বর্বর নির্যাতনের মুখেও নাদের নিজের ও সহযোগীদের পরিচয়ের বিষয়ে মুখ খোলেনি। তারপরই বংশালের আরেক রংবাজ শান্তি বাহিনীতে যোগ দেয়া খুনি গেদা গুন্ডাকে নেয়া হয় ক্যান্টনমেন্টে। সেখানে গেদা সনাক্ত করে নাদেরকে। সেনারা উল্লসিত হয়, পৈশাচিকভাবে গেদার সামনেই হত্যা করে নাদেরকে যার বিবরণ পুরা বংশাল জুড়ে প্রচার করে গেদা। এভাবেই সমাপ্তি ঘটে পুরানো ঢাকার পাকি আর্মি ও রাজাকারদের আতঙ্ক নাদেরের।

 মুক্তিযুদ্ধের প্রথম গেরিলা শহীদ নাদের কিন্তু তার ভাগ্যে বীরত্বের জন্য কোনো খেতাব জোটেনি। মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায়ও তার নাম নেই। কোন বিজয় উতসবে ধ্বনিত হয়না নাদেরর নাম। কিন্তু নাদেররা নামের মোহে সর্বস্ব বিলিয়ে দেয়নি। ৭১ এর মার্চের আগেও যে নাদের পাপী, গুন্ডা, বদমাশ ছিল অথচ তার স্মৃতিতে এখনও পুরান ঢাকার অনেক মানুষের চোখ আদ্র হয়, ঋণী মনে করে, এটাই নাদেরের বড় পাওয়া। আপনার আজকের প্রার্থণায় নাদেরের নামটি রাখুন। বিশ্বাস করুন নাদের কিছু পাবার আশায় যুদ্ধে যায়নি, নাদের আপনার জন্য, আমার জন্য, আমাদের জন্য, এই দেশের আপামর নারীপুরুষের জন্য, এই দেশের ঐ প্রানপ্রিয় পতাকার জন্য গিয়েছিল।

(লেখাটি বিখ্যাত গায়ক, সুরকার লাকী অাখন্দের ওয়াল থেকে নেওয়া এবং কিছুটা সংক্ষেপিত। পুরনো ঢাকার কারো কাছে বীর নাদেরের কোনও ছবি ও তথ্য থাকলে লাকী ভাইকে দেওয়ার অনুরোধও করেছেন তিনি।)
*মুক্তিযুদ্ধ* *বিজয়* *মুক্তিযোদ্ধা*

সুজন: [বিজয়-জিতছি][বিজয়-বিজয়১]এই বীরদের জন্য পেয়েছি আমরা আমাদের রক্ত সূর্য পতাকা । আম্রা তোমাদের কোন দিন ই ভুলবো না তোমরা চির অমর হয়ে থাকবে কোটি মানুষের হ্রদয়ে। _==শত সহস্র সম্মান তোমাদের তরে{

*মুক্তিযোদ্ধা*

নাকিব ওসমান : আজ ৫ সেপ্টেম্বর, *বীরশ্রেষ্ঠ* নূর মোহাম্মদ শেখের ৪২তম *মৃত্যুবার্ষিকী* (শোক) ১৯৭১ সালের এই দিনে ৮নং সেক্টর যশোরের শার্শা থানার কাশিপুর সীমান্তের পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে *শহীদ* হন (মনখারাপ) মহান এই জাতীয় বীরের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি (শ্রদ্ধা-১)(শ্রদ্ধা-২)

*মুক্তিযুদ্ধ* *স্বাধীনতা* *বীরশ্রেষ্ঠ* *মৃত্যুবার্ষিকী* *শহীদ* *মুক্তিযোদ্ধা* *দেশপ্রেম* *ঈমান* *দ্বায়* *দায়িত্ব*

প্রথম rabbI: আশা নিয়ে গিয়ে *হতাশা* নিয়ে ফিরলেন *মুক্তিযোদ্ধা* রা

shafikul himu: *মুক্তিযোদ্ধা* সাধারণ মানুষ যাঁরা বাংলাদশে ত্যাগ করে ভারতে গিয়েছিলেন এবং ভারতের প্রশিক্ষণ কাম্পে প্রশিক্ষণ লাভে পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে,এদের বলা হতো ‘গণবাহিনী’

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★