মুভি

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ইলিয়াস কাঞ্চন অভিনীত কোন সিনেমাটি আপনার সবচেয়ে প্রিয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ইলিয়াসকাঞ্চন* *সিনেমা* *মুভি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মুভির প্রিমিয়াম শো কি? প্রিমিয়াম শো কি সবাই দেখতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*প্রিমিয়ামশো* *মুভি*

আমানুল্লাহ সরকার: [ক্রিকেটরঙ্গ-আবেছক্কা]অন্যরকম অভিজ্ঞতার একটি দিন। নায়ক নায়িকাদের খেলার ধারাভাষ্য দিলাম। পোড়ামন ২ এর সফলতার পর অচিরেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিয়াম ও পূজা চেরীর ‘দহন’ এবং খিজির হায়াত খান ও শানুর ‘মিস্টার বাংলাদেশ’। এই সিনেমা দুটির মুক্তি উপলক্ষ্যে প্রমোশনাল ক্রিকেট ম্যাচ। নায়কদের খেলার ধারাভাষ্য দেওয়া, এ এক ভিন্ন রকম মজা।

*খেলা* *দহন* *মুভি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ‘থাগস অব হিন্দোস্থান’ মুভিটির প্রেক্ষাপট কি?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*থাগসঅবহিন্দোস্থান* *মুভি* *বলিউড*
ছবি

ফিটকিরি: ফটো পোস্ট করেছে

‘থাগস অব হিন্দোস্থান’ মুভিতে ক্যাটরিনা এবং অমিতাভ বচ্চন এর লুক

(প্রেমেঅন্ধ)(কিস)(শয়তান২)

*থাগসঅবহিন্দোস্থান* *মুভি* *বিনোদন* *বলিউড*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 এবার ঈদে কি কি নতুন মুভি রিলিজ হচ্ছে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*মুভি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পোড়ামন ২ কেউ দেখেছেন? কেমন লেগেছে রিভিউ দিন?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*মুভি* *পোড়ামন২*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিরোনাম দেখেই হয়তো বুঝে গেছেন যে, আমি কার কথা বলছি।জ্বী, ঠিক ধরেছেন, আমি এক নির্লজ্জ জলদস্যুর কথা বলছি।“পাইরেটস্ অব ক্যারিবিয়ান” মুভি সিরিজ খ্যাত তারকা জনি ডেপ এর সুনিপণ অভিনয়ে উঠে আসা চরিত্র “জ্যাক স্পারো” নিয়ে আজ আলোচনা করবো।এই মুভি সিরিজের প্রত্যেকটা অংশ আলাদা-আলাদা করে বিশ্লেষণ করলেও মূল চরিত্র হিসবে জ্যাক স্পারো আজীবন অনবদ্য হয়েই থাকবেন বলে আমার বিশ্বাস।তার মুক্ত জীবন, খামখেয়ালি আচরণ এবং শুধুমাত্র নিজভাবনা দর্শকদের বিরুক্তও করতে পারতো! কিন্তু হয়েছে তার উল্টো।আমরা তার এই চরিত্রকে বাস্তব জীবনেও যেন অনেক পছন্দ করি, মন থেকে বিশ্বাস করি আর হয়তো মনের ভুলে কখনো কখনো বলতে থাকি, ইশ্! আমি যদি জ্যাক স্পারো হতে পারতাম! আবার কখনো কখনো মনে হয় রুপকথা তার জায়গায় থাকুক, সেখানেই তাকে ভালো মানায়; বাস্তব জীবনে নয়।

প্রথম যখন তার সাথে আমাদের পরিচয় হলো ঠিক তখন আমরা হয়তো একটু সময় নিচ্ছিলাম।হাজারহোক গল্পের নায়ক বলে কথা- একটু নামী-দামী জাহাজে নামী-দামী পোষাকে গল্পে অবতরণ করলে আমাদের ব্যাপারটা সহজভাবে নিতে সুবিধে হত।কিন্তু ইনি গল্পে প্রবেশ করছেন “পোর্ট রয়্যাল” নামের একটি ক্ষুদ্র একটি জাহাজের ক্যাপ্টেন হিসেবে, আর বেশভূষা যা নিয়েছেন তা অবাক করে দেবার মত।তবুও এই জীবনটা নিয়ে ক্যাপ্টেন জ্যাক স্পারো বেশ মুগ্ধ।কিন্তু সে জীবনকে দ্যাখে অন্য আঙ্গিকে।এবং বিশ্বাস করে একদিন সেই জীবনটা সে কিনে নিতে পারবে।সে যেন সদাপ্রস্তুত, লজ্জাহীন, বাচাল এবং যে কোন মেয়ের সাথে ফ্লার্ট করতে তার কোনো দ্বিধাদন্দ নেই। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার করছি, আমি জ্যাক স্পারো চরিত্রকে ভালোবাসি কিন্তু সবসময় তাকে পছন্দ করা আমার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।সে মোটেই একজন ভালো মানুষ নয় শুধু সময় সময় তার ভালোমানুষী চোখে পড়ে। হায় খোদা! কিন্তু সে যে যথেষ্ট অদ্ভূত, যে, লিখতে লিখতেও আমি রীতিমত হাসছি।একটা ডায়ালগ মনে পড়ে গেলো,


“দ্যাখো! লর্ড বলেছে, সে এলিজাবেথকে বিয়ে করবে।সে তার কথা রাখছে।আমি বলেছিলাম আমি তোমাকে এখানে আসতে সাহায্য করবো।আমি আমার কথা রেখেছি।তুমি বলেছিলে যে, তুমি এলিজাবেথের জন্য তোমার জীবনটাও দিয়ে দিতে পারো।মোটকথা আমরা সবাই এক কথার মানুষ।
এলিজাবেথকে ছাড়ো।সে তো মেয়ে মানুষ।”


হয়তো বাড়ি থেকে আমাদের মা বলে দিয়েছেন, জীবনটা জ্যাক স্পারোর মত খামখেয়ালি রুপে কাটানোর জন্য অনেক ছোট কিন্তু বিশ্বাস কোরো তুমি এই জীবনে একঘেয়েমির কোন স্পর্শ পাবে না।জ্যাক স্পারো একজন ধূর্ত ব্যক্তি এবং এমন জীবন গল্পে সে বিশ্রামহিন আগ্রহী কারণ এই খেলা শেষ হবার নয়।সে সবসময় বিশেষ কোন কিছুর পেছনে লেগে থাকে যেখানে তার নিজের কোনো লাভ রয়েছে।কিন্তু সে যখন এই খেলাটা খেলে তখন সে তার নিজের স্টাইলে খেলে থাকে, যা সত্যিই হাস্যকর, রোমাঞ্চকর এবং একইসাথে অনেক মজার।এটা সত্যিই তাকে দেখতে আমাদের ভালো লাগে কিন্তু তার চরিত্রকে বাস্তব জীবনে টেনে আনলে সেটাকে পাগলামী ছাড়া আর কিছু বলা যাবে না হয়তো।আমার আশ্চর্য লাগে, কীভাবে গিবস্ এবং তার সবচেয়ে পুরনো বন্ধু বুটস্ট্রাপ তার সাথে রয়েছে এতটা বছর ধরে।আবার অন্যদিকে আমার মনে হয়, জ্যাক পাগল নয় শুধুমাত্র যখন ডেভি জনসের লকারে আবদ্ধ থাকে সেই সময়টা বাদে।সে একজন কৌশলী, তবে আরো সোজা করে বলতে গেলে বলতে হয় ঠক।কারণ একজন পাগল মানুষের জন্য একজন সাধারণ মানুষের অসতর্কতা থাকে পাশাপাশি আবার ভয়ও কাজ করে।আর জ্যাক স্পারো এই অসতর্কতা ও ভয়কে কাজে লাগিয়ে তার নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করে নেয়।সময় সময় সে ভাঁড়ের মত অভিনয় করে।অবশ্য এটা তার কাছে কোনো বড় একটা বিষয় নয়।কারণ সে অনেক বেশি ফোকাস তার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যকে নিয়ে।আবার মনে হয় এটা স্রেফ কৌতুহল যা ক্রমাগত জ্যাক স্পারো চরিত্রকে সামনের দিকে চলার জন্য রসদ জোগায়।

 

জ্যাক তার খ্যাতিকে খুব ভালোবাসে।যখন নরিংটন বলছিলোঃ আমার শোনা মতে সবচেয়ে জঘন্যতম জলদস্যু।তখন জ্যাক উত্তর দিয়েছিলোঃ কিন্তু তুমি আমার নাম শুনেছো। আবার জ্যাক স্পারো এর চেয়ে গিবস্ একজন ক্যাপ্টেন হিসেবে বেশি কমান্ড দিচ্ছে।সুতরাং একটা পয়েন্ট দাড়াচ্ছে, জ্যাক না ভালো একজন জলদস্যু, না ভালো একজন ক্যাপ্টেন।অদ্ভূত ব্যাপার হলো সে যে কাউকে খুন করতে পারে শুধু বারবোসা বাদে।প্রত্যেকটা গল্পেই সে ফুরিয়ে যাচ্ছে নিজেকে জাল থেকে মুক্ত করে বা সমস্যা থেকে উত্তরণ পেয়ে। স্বাধীনতা-ই হলো জ্যাক স্পারোর জন্য সবকিছু।সে নিজের প্রয়োজনে যে কাউকে ইচ্ছে মত ব্যবহার করতে পারে, মিথ্যে আশ্বাস দিতে পারে এমনকি প্রয়োজনে খুনও করে ফেলতে পারে।আবার অন্যদিকে দর্শকের মাথা ঘুরাতে পারে এটা ভেবে যে, চিরজীবী হবার জন্য এক বিশাল সুযোগ সে হাতছাড়া কেন করলো! তাই এই চরিত্রটি যথেষ্ট জটিল এবং দর্শকদের মাথা চিবিয়ে খেতে সক্ষম।সে বাচ্চামী রকমের স্বার্থপর এবং সোজাসাপ্টা ম্যানুপুলেটিভ।তবে কি জ্যাক স্পারো তার কম্পাস নিয়েই শুধু মাথা ঘামায়! এবং শুধু এটার দিকনির্দেশনা-ই মেনে চলে! কারন ক্র্যাকনদের হামলায় বিপদে পড়লে সে পালিয়ে সেফ-বোটে চলে যায় আবার কম্পাস দেখে তার হয়তো মনে হয় ফিরে যাওয়া উচিত এবং সে ফিরেও আসে।আর এলিজাবেথ! এলিজাবেথ কি তার হৃদয় স্পর্শ করতে পেরেছিলো? তাহলে জ্যাক পরবর্তীতে কোন আগ্রহ দেখালোনা কেন?

সর্বশেষে, আরো একটা সন্দেহযুক্ত বাক্যে লিখে আজ শেষ করছি।আর তা হলো, জ্যাক কি সবকিছু আগে থেকেই জানতো! না কি পরিস্থিতিতে পড়ে গেলে ওর মাথাটা কাজ করা শুরু করে দেয়!

-- মিঃ বিকেল

*জ্যাকস্পারো* *মুভি* *দস্যু*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অবশেষে দেখা হলো সেই “পদ্মাবত”। প্রায় এক বছর ধরে যে মুভি নিয়ে দুনিয়ার বিবাদ, সেটা অবশেষে মুক্তি পেয়েছে। আমি ভাবলাম সঞ্জয় লীলা ভানসালির মুভিতে কী আর হবে? একটু নাচ-গান, রং-চং ছাড়া কিছুই তো থাকে না। কিন্তু দুনিয়ার কন্ট্রোভার্সিতে পরার কারণে মুভিটি দেখার ইচ্ছা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছিল। সাধারণত কোন মুভির প্রতি অতিরিক্ত আশা থাকলে সেটা তেমন ভালো লাগে না। কিন্তু পদ্মাবত দেখে আমি পুরাই মুগ্ধ।

কাহিনী ১৩শ সালের দিকের। ভারতের মাটির দিকে তুর্কী-আফগানদের ধীরে ধীরে দখল শুরু হয়ে গিয়েছে। বর্তমানের সুলতান, আলাউদ্দীন খিলজী (রণভীর সিং)। ভয়ংকর শয়তান এক শাসক। একটা একটা করে রাজ্য আক্রমণ করে সেই জায়গার সব নারীদের নিজস্ব হেরেমে বন্দী করে ফেলে। বাকি সারা জীবন সেই নারীদের উপর চলে অত্যাচার। আলাউদ্দীন খিলজী আবার এক্ষেত্রে একটু উদার হয়ে নিজের হেরেমে বিনোদনের জন্য পুরুষদেরকেও রাখতেন। এদিকে চিত্তরের রাজপুত রাজা রতন সিং (শহীদ কাপুর) এর রাণী পদ্মাবতী (দীপিকা পাডুকোন) এর সৌন্দর্যের কথা জানতে পারে খিলজী। তারপর শুরু হয় তার চিত্তর আক্রমণের কাহিনী।

মুভিটি মালিক মোহাম্মদ জায়াসির মহাকাব্য “পদ্মাবত” থেকে অনুপ্রাণিত। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কাহিনী তেমন কোন আহামরি নয়। তবুও চিত্রনাট্য, সংলাপ, এবং অভিনয় নৈপুণ্যের কারণে মুভিটি পুরাই ফাটাফাটি পর্যায় নিয়ে গেছেন ভানসালি। ভানসালির মুভিতে সেট ডিজাইন, লাইটিং বরাবরই ভালো হয় তবে এই মুভির তুলনায় আগের গুলি কিছুই না।

চিত্তরের দূর্গ দেখে আমি কইলাম:”ওরে আল্লাহ্! এত্ত বড়!”। এছাড়া ক্যামেরা এমনভাবে ধরা হয়েছে যেন মনে হচ্ছিল আমি নিজেই সেখানে আছি। মুভির একশান দৃশ্যগুলিও দারুণ। বিশেষ করে শেষের দিকে একটি দৃশ্য দেখেই এতটাই টাশকি খাইসি যে “ট্রয়” এর সেই দ্বৈত লড়াই এর দৃশ্যকেও চ্যালেন্জ দিবে!

অভিনয়ে অবশ্যই প্রথমে নাম আসবে রণভীর সিং এর। ওরে আল্লাহ! কী এ্যাকটিং! পুরাই ফাটাই ফেলসে। প্রতিটি দৃশ্যতে আগুন লাগায় দিসে। খিলজীর চেহারা দেখে সকল দর্শকের মনে ঘৃণা জন্মাবে। তবুও দৃশ্যগুলি বার বার দেখার মত। রণভীর সিং এর এই চরিত্রটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বদা মনে রাখা হবে। গাব্বার সিং, মোগাম্বো, এবং এবার আলাউদ্দীন খিলজী!

মুভিটি আমি আশা করেছিলাম দীপিকা প্রধান হবে। কিন্তু সেটা হয়নি। সেকারণে দীপিকার নৈপুণ্য সেরকম দারুন বলা যাচ্ছে না। তবে দারুণ লেগেছে শহীদ কাপুরকে। রতন সিং এর চরিত্রটি অনেক দুর্বল হওয়ার কারণে কেউ এই চরিত্র করতে রাজি ছিল না। আর এদিকে শহীদ কাপুর এতটাই ভাল অভিনয় করেছে যে এটাই তার সেরা অভিনয়। রণভীর সিং এর এত দারুণ অভিনয়ের সামনে পাল্লা দেওয়া এত সহজ ছিল না।

এছাড়া দুইজনের অভিনয়ে পুরাই টাশকি খাইসি। মালিক কাফুর চরিত্রে জিম সর্ভ এবং মেহরুন্নিসা চরিতে অদিতি রাও হায়দ্রী। সহ-অভিনেতাদের চরিত্র এত ভালো হওয়ার কারণে মুভিটি অনেক উঁচু পর্যায়ে চলে গেছে। রতন সিং- পদ্মাবতীর প্রেমের চাইতে খিলজী-মালিক কাফুর এর প্রেমকাহিনী বেশি রোমাঞ্চকর ছিল।

মুভির সংগীত মোটামুটি। তবে “বিনতে দিল” গানটি আমার দারুণ লেগেছে। এছাড়া কিছু সিগনেচার ভানসালি গান আছে, যেমন ঘুমার (মার ডালা) এবং খালিবালি (মালহারি) যেগুলি দেখতে বেশ ভালোই লেগেছে।

মুভিতে বলে রাজপুতদের অনেক বীর দেখানো হয়েছে। সকল রাজপুতেরাই এই মুভি দেখে গর্বিত হবে। সেকারণে হুদা কামে এই মুভির পিছনে লাগার কারণটা কিছুই বুঝলাম না। যদি কেউ এই মুভি দেখে কেউ অসন্তুষ্ট হয় তবে মুসলমানেরা হতে পারে। তবে খিলজী আসল জীবনে আরো বড় শয়তান ছিল। তার শয়তানির কিছুই দেখানো হয়নি এবং সেগুলি একটি পারিবারিক মুভিতে দেখানোও সম্ভব না।

মুভিটির খারাপ দিক নিয়ে কিছু বলি। মুভিটি একটু বেশি বড়। শেষ দৃশ্যটিই প্রায় ১০-১৫ মিনিট ধরে চলতে থাকে। কিছু ভানসালি জাকজমকতা দেখাতে গিয়ে কাহিনী থেমে যায়। এছাড়া সবচেয়ে বড় সমস্যা হল মুভির কাহিনীর মূল বিষয় ছিলো রানী পদ্মাবতীর সৌন্দর্য। কিন্তু দীপিকাকে এত সুন্দরও লাগেনি। সেই জায়গায় অদিতি রাও হায়দ্রীকে বেশী সুন্দর লেগেছে।

এদিকে মানুষজন হুদাই কিছু কথা বলে। যেমন “আলাউদ্দীন খিলজিকে কেন এত শয়তান দেখানো হয়েছে?” আরে ব্যাটা! এই খিলজী হালার পুত এদিকে নারী-পুরুষ-শিশু সবার সাথেই তার যৌন লালসা মিটাইতো। এমনকি সে নিজেকে নবী বানায়ে নতুন ধর্মও বানাতে চেয়েছিল।

আবার অনেকে বলে “রণভীর সিং এর চরিত্রটি “গেম অব থ্রোনস” এর খাল-ড্রোগোর নকল”। কইলেই হইলো? যত্তসব! আবার এই মুভি বলে “সতীদাহ” প্রথাকে উৎসাহিত করছে। কিন্তু মুভিতে “সতীদাহ” দেখানো হয়নি। যেটা দেখানো হয়েছে সেটি হলো “জওহার” যা শুধুমাত্র যুদ্ধের পরাজয়ের পর পালন করা হতো।

সব মিলিয়ে এই মুভির প্রতি দৃশ্য দারুণভাবে উপভোগ করেছি। নিঃসন্দেহে সঞ্জয় লীলা ভানসালির তৈরী সেরা মুভি।

রেটিং – ৪.৫ / ৫.০

*মুভি* *রিভিউ* *মুভিখোর* *বিনোদন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★