মৃত্যু

মৃত্যু নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্কুল থেকে বেরিয়ে বাসের জন্য সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো কয়েকজন শিক্ষার্থী ও তাদের গার্জিয়ানসহ আরও অনেকেই। জাবালে নূর দুই বাসের প্রতিযোগিতায় এক বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উঠে গেলো তাদের উপর। স্পটেই প্রাণ গেলো তিন শিক্ষার্থীর! ১০ জনের মতো আহত। রেডিসনের সামনে এখন স্থানীয় জনতা ও শিক্ষার্থীরা পথরোধ করে ভাঙচুড় করছে, চলছে প্রতিবাদ। ঢাকায় একের পর এক এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এখন প্রতিবাদের ঝড়।

কিন্তু আমরা এই প্রতিবাদ কার কাছে জানাচ্ছি? মন্ত্রী-মিনিস্টারদের কাছে? বড় বড় আমলাদের কাছে? কিন্তু তাদের সন্তান বা নাতি পুতিদের তো কখনই এভাবে রাস্তার পাশে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হয়নি, হবেও না। তাহলে তারা কি এই সমস্যাগুলো উপলব্ধি করতে পারবেন? বা পারেন কখনও?

জ্যামে পড়ে আমাদের কতোটা সময় নষ্ট হয়। কতোগুলো এম্বুল্যান্সের ভেতরে রোগীদের স্বজনরা আটকা পড়ে ছটফট করতে থাকেন, কতোগুলো গুরতর আহত মানুষ হসপিটাল যেতে যেতে পথেই মারা যান। যারা কোনোদিন জ্যামে পড়েননি এবং পড়বেও না, তারা কি সে যন্ত্রণাটা কিঞ্চিত উপলব্ধি করতে পেরেছেন কখনও?

তারা কখনও চিন্তিত হন এভাবে যে, আমার ছেলেটা বা নাতিটা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে পারছে তো? রাস্তায় কোনো বাস চাপা দেয়নি তো? এভাবে কি তারা কোনোদিন ভেবেছেন? আমি জানি না। এসব বাস চাপা, দুর্ঘটনা, মৃত্যু, ধর্ষণ তাদেরকে কি আসলেই কখনও চিন্তিত করেছিলো? নাকি উপদেষ্টার শেখানো বয়ান মিডিয়ার সামনে দিয়ে তারা দায় ঝেরে ফেলেন?

আপনি পাঁচটা কাচামরিচ চিবিয়ে খেয়ে মুখ লাল করে ঘামে ভিজে আরেকজনকে যতোই লিখে আর চিৎকার করে ঝালের বিবরণ দেন না কেনো! মরিচে কামড় না দেয়া পর্যন্ত কেউ আসলে বুঝতে পারবে না, ঝাল ব্যাপারটা কেমন! বরং যে কখনও মরিচে কামড় দেয়নি, তারকাছে মনে হতে পারে, দু একটা মরিচে কামড় দিলে কী এমন হয়ে যায়!

আমরা তাই সারাজীবন ঝাল খেয়ে এভাবে প্রতিবাদই করে যাবো, ঝাল ঝাল বলে চিৎকার করে যাবো। কিন্তু যারা কখনও ঝাল খায়নি, তাদেরকে কখনও ঝালের ভয়াবহতা বুঝাতে পারবো না আমরা। তারাও কখনো ঝাল খেতে আসবেন না আমাদের সাথে। তাদের ঝাল খেতে হয় না। ঝালের পাশ দিয়েও যেতে হয় না তাদের..

*ছাত্র* *আন্দোলন* *ইতিহাস* *মৃত্যু*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এই একটি ছবিই জাগিয়ে তুলতে পারে বিশ্ব বিবেক। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে সিরিয়ায় এক ধ্বংসাত্মক রাসায়নিক গ্যাস হামলায় আহত ছোট বোনকে কোলে নিয়ে অক্সিজেন মাস্ক পড়িয়ে ধীরে ধীরে নিজেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো বড় বোন

অক্সিজেন মাস্ক ছিল ১টি আর প্রান ছিল ২টি । বোনের চেয়ে সে নিজেই আহত ছিল বেশী ।

আর এটাই হল বর্তমান সিরিয়া, যে জায়গাটা এখন মুসলমানদের লাশের স্তূপ । প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে। মানবতা আজ কোথায়?

কিছু বিকৃত মস্তিষ্কের মুসলমানদের জন্য আজকে এই অবস্থা । আমাদের সবার ধার্মিকের চেয়ে মানবিক হওয়ার প্রয়োজন বেশি বলে মনে হয় আমার।

*বিশ্ব* *বিবেক* *জাগ্রত* *আবেগ* *বোন* *ভালোবাসা* *মাস্ক* *মৃত্যু*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমরা পৃথিবীতে বাঁচতে আসি না, কেবল মৃত্যুকে সম্মানিত করতে আসি..

*মৃত্যু* *সম্মান* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমার মৃত্যুর খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে। নিকটাত্মীয় কিংবা কাছের কোন মানুষের মধ্যা দিয়ে সবাই কম বেশ জানতে পারবে আমার মৃত্যু হয়েছে।

খুব কাছের একদল মানুষ আমাকে নিয়ে হইচই ফেলে দিবে। কেউ কেউ ট্যাগ পোস্ট দিয়ে দুই চারটা কান্নার ইমোজি দিয়ে টাইমলাইন শুনশান করে রাখবে।

আমি কখনো শুনশান কোন কিছু পছন্দ করিনা।

মানুষকে কথার ফুলঝুরি দিয়ে হাসাতে পারিনা,শব্দ দিয়ে হাসাতে পারিনা। মানুষ হাসানো যেনতেন কাজ না,শব্দ দিয়ে সবাই হাসাতে পারেনা। শব্দের খেলায় আমি পারদর্শী কখনো হয়ে উঠতে পারিনি।

হুট করে নিজেকে যে কোন চরিত্রের মাঝে ডুকিয়ে ফেলা আমার অভ্যাস। মাঝ রাতে যখন বের হই তখন নিজেকে হিমু বানিয়ে ফেলি। দুই চারটা সিগারেট পকেটে রেখে হাটার সময় হিমু ভাবটা খুব জটিল ভাবেই আমাকে গ্রাস করে।

রেললাইনে বসলে অনাথ বাচ্ছাগুলোকে দেখে মায়া হয়,নিজেকে এক মুহূর্তের জন্য অনাথ ভাবতে ইচ্ছে করে,কিন্তু সহ্য হবেনা বলে ভাবা হয়না। মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হই।

আনন্দের সময় গুলো আমি সবার সাথে ভাগ করে নিতে পারিনা,কিন্তু কিভাবে যেন সবাই ভাগটা পেয়ে যায়। এই ব্যাপারটা আমার কাছে জঘন্য লাগে।

আমার মৃত্যু কখন হবে,কোথায় হবে, কিভাবে হবে তা আমি জানিনা। যেহেতু জন্মেছি সেহেতু মৃত্যুর স্বাদ অবশ্যই নিতে হবে আমাকে।

আচ্ছা একটা মানুষের মৃত্যুর পূর্বাভাস কি হতে পারে? যারা মারা যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তাদের কিভাবে চিহ্নিত করা যাবে?

এস এস সি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে গোরফান আলীর শেষ নিঃশ্বাস যাওয়াটা মাগরিবের নামাজের পর তার পাশে বসেই উপলব্ধি করেছি। দুটো খোলা চোখ নিজের হাত দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিলাম।

*আবেগ* *মৃত্যু* *সংগৃহীত* *শুনশান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যেদিন আমার রাত ফুরাবে- ভোর
হবে না আর সেদিন আমায় দেখে যেও,অন্তত একবার। দেখে যেও বেঁচে থাকার ইচ্ছে ভরা বুক
কেমন করে ঘুমিয়ে আছে কাফন খোলা মুখ।একটু খানি ছুঁয়ে যেও শেষ গোসলের জল কাছে এসে বুঝে নিও মৃত্যু অবিচল,বুক ফাটিয়ে কাঁদবে যখন
আমার পরিবার,সেদিন আমায় দেখে যেও
অন্তত একবার। পাশে বসে করে যেও পবিত্র নাম পাঠ সহজ করে দিও আমার পরকালে মাঠ।
মাটির সাথে মিশে গেলে চোখের বন্ধ পাতা...
পাশে যেনো থাকে আমার প্রিয় জন্মদাতা।
প্রকাশ করে দিও আমার ব্যবহার
সেদিন আমায় দেখে যেও,অন্তত একবার...!!!

*মৃত্যু* *আবেগ* *ভালোবাসা* *ইচ্ছা* *সংগৃহীত*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য, আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য। তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে, আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।

*তুমি* *আবেগ* *ভালোবাসা* *মৃত্যু*

দীপ্তি: ‘জীবন একটি ভ্রমণ, এখানে অবিরাম চলমান থাকতে হবে। যেদিন ভ্রমণ গতিহীন হয়ে পরবে, পথ হারাবে তখন জীবনের পাশে এসে দাঁড়াবে মৃত্যু।’ তাই যতদিন ভ্রমণের মধ্যে আছেন, ভ্রমণ উপভোগ করুন, ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। (হ্যালো)

*জীবন* *মৃত্যু*

বিম্ববতী: সবকিছু কেমন যেন ম্লান হয়ে যাচ্ছে জন্মসূত্র কিংবা বন্ধুরা সব সমাজ বদলের তীব্র আকাঙ্খা ধূলোমাখা পথের নগ্ন পায়ের শিশুরা কেমন যেন হারিয়ে যাচ্ছি দূরে বহুদূরে হায় ! সব ভালোবাসা জীবনদার ধূলো আর কাঁদা নক্ষত্রের পথে ক্ষয়ে ক্ষয়ে নক্ষত্রেরও মরে যেতে হয় ! লক্ষী প্যাঁচা তাকেও হয় বুঝি? এইসব শিশির ভেজা ভোর হোক অচ্ছুৎ হয়ে যাও তুমিও প্রিয়তম নিয়ে বিভ্রম সকল পারস্পরিক অচ্ছুৎ হয়ে আমিও যেন আছড়ে পড়ি সমুদ্রের ফেনিল বুকে জলের গহনে হোক অবশেষ হোক সুতীব্র মৃত্যু আর(বৃষ্টি)

*জয়-হোক* *মৃত্যু* *জল* *জল-ডুব*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

মৃত্যু!!
মৃত্যু খুব স্বাভাবিক এক প্রক্রিয়া,কেউ মারা গেলে প্রায়ই দেখা যায় মানুষ বলে, আহা লোকটাকে মাত্র কালকে দেখলাম এটা করেছে, আসলে মানুষ এতে শোক প্রকাশ করেনা, মানুষ অবাক হয়, একটা অস্তিত্ত এই মর্ত্যের ভুবন থেকে এতো সহজে চিরতরে মুছে গেলো!! অবাক হবার ক্ষমতা একমাত্র মানুষেরই আছে।
*মৃত্যু*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

পরিবারের কারো অকালমৃত্যু অসহ্য যন্ত্রনাদায়ক (কান্না)
সময় চলে যায় মানুষ ও হারিয়ে যায় দিন বদলে যায়, আপন মানুষ গুলো কেন যে মরে যায়!!
*মৃত্যু* *অকালমৃত্যু*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

"যা, মাটিতেই মিশে যা তুই! মাটিতেই মিশে থাক। আমাদের শুকুন-শেয়াল খুঁটে খাক!"- জাবি অধ্যাপক খালেদ হোসাইন,,,

‘মাটির গন্ধের ঋণ শোধ করতে হবে। কর! মর!’,,,,, http://m.banglanews24.com/national/news/499991/মাটির-গন্ধের-ঋণ-শোধ-করতে-হবে।-কর-মর#.V3c_EAk3lXM.facebook

*মানুষ* *মৃত্যু* *পুলিশ*

Risingbd.com: গাজীপুরে গর্তে পড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সুকন্দিবাগ এলাকায় পানির পাম্প নির্মাণের জন্য খুড়ে রাখা গর্তে পড়ে রোমানুর রহমান (৫) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। রোমানুর স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন... বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/1s9zhmJ

*মৃত্যু* *খালেপরে* *গর্তে* *আড্ডা* *ভাগ্য*

নিরাপদ নিউজ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যু কেন বাড়ছে?
বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টিকে বাংলাদেশে এতদিন তেমন একটা গুরুত্ব দেয়া হয়নি। কর্মকর্তারা বলছেন বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃতের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে বিষয়টিকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বিস্তারিত পড়ুন - http://www.nirapadnews.com/2016/05/14/news-id:154034/
*বজ্রপাতে_মৃত্যু* *বজ্রপাত* *মৃত্যু* *ভাগ্য* *আড্ডা*

অন্তু: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

মরার কয়েকমিনিট আগে ও মানুষ সপ্ন দেখে, আরো বেচে থাকার সপ্ন
*মৃত্যু*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★