মৃত্যু বার্ষিকী

মৃত্যুবার্ষিকী নিয়ে কি ভাবছো?

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

৪ ফেব্রুয়ারী ছিল বাবার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৫ ফেব্রুয়ারী বাবার মৃত্যুর ২ বছর ১ দিন  হলো (ফুঁপিয়েকান্না) (ফুঁপিয়েকান্না)  কিভাবে যে এতটা দিন চলে গেল বুঝতেই পারিনি।  ১২ ফেব্রুয়ারী বাবার ৪৪ তম জন্মদিন, জন্ম মৃত্যুর ব্যবধান এত কাছাকাছি হবে এমন টা আশা করিনি।  মানুষ পরপারে চলে গেলে তার সাথে কথা বলার কোনো সুযোগ থাকে না। যদি থাকতো তবে বাবাকে বলতাম, বাবা তোমাকে আমরা সবাই খুব ভালবাসি।





 আমরা সবাই একদিন চলে যাব একদিন আগে আর পরে তবুও কেন জানি এই মানতে চাই না এই চরম সত্য টা।  ঠিক যেমন টা মানতে পারছি না অকাল মৃত্যু।



সদা হাসিখুশি একজন মানুষ ছিলেন বাবা,  আমরা শত কষ্টে থাকলেও বাবা আমাদের মাতিয়ে রাখতেন আদরে সোহাগে। আমাদের সাথে বাবার সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো। খুব অল্প বয়সে বিয়ে করলে হয়তো মানুষের মনে ভালবাসা একটু বেশিই থাকে, বাবার বেলায় ও হয়তো তাই ছিল। বাবার মতো মানুষ দুনিয়ায় কমই হয়।




বাবা খুব মিশুক মানুষ ছিলেন, গল্প করতে ভালবাসতেন মজার মজার গল্প। কখনো মন খারাপ থাকলেও মন ভালো হয়ে যেতো বাবার গল্প শুনে। রাতের আড্ডা গুলো ছিল জমপেশ। এখন আর রাতের বেলা গল্প করার মতো কেউ নেই। নেই সেই আগেকার আনন্দঘন মুহূর্ত ও। বাবা সাথে করে নিয়ে গেছে সব কিছু।



বাবা ভালো থেকো :(:(
*৪ফেব্রুয়ারী* *মৃত্যুবার্ষিকী* *বাবা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ কালীন সময়ের অন্যতম ছাত্রনেতা, মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সংগ্রামমুখর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আব্দুর রাজ্জাক বাঙালির স্বাধিকার, স্বাধীনতা, শান্তি ও সামাজিক মুক্তির আন্দোলনে তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে আমৃত্যু তিনি ছিলেন বাঙালি জাতির প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রথমসারির সংগঠক ও নেতা। তিনি ছিলেন '৭১-এর ঘাতক দালাল ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা। রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের আজ ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১১ সালের এই দিনে তিনি লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যু দিনে এই নেতার জন্য আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।


রাজনীতিবিদ আব্দুর রাজ্জাক ১৯৪২ সালের ০১ আগস্ট শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার দক্ষিণ ডামুড্যা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ইমাম উদ্দিন এবং মাতার নাম বেগম আকফাতুন্নেছা। তিনি ১৯৫৮ সালে ডামুড্যা মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৬০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে ভর্তি হন। তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং পরে মাস্টার্স পাস করেন। এরপর তিনি এলএলবি পাস করেন এবং ১৯৭৩ সালে আইনজীবী হিসেবে বার কাউন্সিল’র নিবন্ধিত হন। আব্দুর রাজ্জাকের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ৫০’র দশকের শেষের দিকে ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে। তিনি ১৯৬০-৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৬২-৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্র-ছাত্রী সংসদের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৩-৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি ছাত্রলীগের সহ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানের সময়ে তিনি প্রথম গ্রেপ্তার হন এবং ’৬৫ সাল পর্যন্ত জেল খাটেন। কারাগার থেকেই মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এরপর ৬ দফা আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৬৭ সাল থেকে ’৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন। ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত তিনি পর পর দুই বার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ থেকে ’৭২ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের প্রধান ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে আব্দুর রাজ্জাক ভারতের মেঘালয়ে মুজিব বাহিনীর সেক্টর কমান্ডার (মুজিব বাহিনীর ৪ সেক্টর কমান্ডারের একজন) ছিলেন। তিনি মুজিব বাহিনীর একজন সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষকও ছিলেন। তিনি দেরাদুনে ভারতের সেনাবাহিনীর জেনারেল উবানের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। মুজিব বাহিনী গঠনে অন্যতম রূপকার ছিলেন। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্রথম বারের মতো জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। এর পর ১৯৭৩, ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন। ১৯৯১, ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে ২টি ক'রে আসনে সাংসদ নির্বাচিত হন। আব্দুর রাজ্জাক ১৯৬৬-১৯৬৭ ও ১৯৬৭-১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ ও ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।


২০১১ খ্রিস্টাব্দের ২৩ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্নেহধন্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক রাজনীতিবীদ আব্দুর রাজ্জাক লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬৯ বছর। মৃত্যুর আগে তিনি লন্ডনের কিংস হসপিটালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ডাক্তারদের পরামর্শে লাইফ সাপোর্ট খুলে নেয়ার পর ২৩ ডিসেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫০ মিনিটে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ২৫ ডিসেম্বর দুপুর সোয়া ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে লন্ডন থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় আবদুর রাজ্জাকের মরদেহ। ২৬ ডিসেম্বর বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি রেখে যান স্ত্রী ফরিদা রাজ্জাক এবং দুই পুত্র নাহিম রাজ্জাক ও ফাহিম রাজ্জাক। মৃত্যুর পূর্বাবধি তিনি শরীয়তপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। একটি উন্নত সমৃদ্ধ সুখী সুন্দর অসামপ্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার সংগ্রামে জননেতা আব্দুর রাজ্জাকের অনন্য অবদান বাঙালি জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। আজ এই রাজনীতিবীদের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী। বর্ষীয়ান জননেতা আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুদিনে তাঁর জন্য আমাদের গভীর শ্রদ্ধা।

*ছাত্রনেতা* *আব্দুররাজ্জাক* *জাতীয়নেতা* *মৃত্যুবার্ষিকী* *আওয়ামীলীগ*
*আব্দুররাজ্জাক* *জাতীয়নেতা* *মৃত্যুবার্ষিকী* *আওয়ামীলীগ*

Risingbd.com: একটি বেশব্লগ লিখেছে


বীরসিংহের সিংহপুরুষ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১২৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই পরম শ্রদ্ধা


ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের পর ঊনবিংশ শতাব্দীতে বঙ্গীয় অঞ্চলে যে পরিবর্তন তথা নবযুগের সূচনা হয়েছিল তার অন্যতম উদ্যোক্তা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ সেপ্টেম্বর, ১২২৭ বঙ্গাব্দের ১২ আশ্বিন বর্তমান মেদেনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাত্রজীবনে তিনি সব পরীক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৮৩৯ সালের ২২ এপ্রিল তিনি  হিন্দু ল কমিটির পরীক্ষা দেন। এ পরীক্ষাতেও যথারীতি কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। এ কারণে ল কমিটির কাছ থেকে যে প্রশংসাপত্রটি পান, তাতেই প্রথম তার নামের সঙ্গে `বিদ্যাসাগর` উপাধি ব্যবহৃত হয়।

 

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পিতা ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতা ভগবতী দেবী। ঈশ্বরচন্দ্র ছেলেবেলায় পিতামহ রামজয় তর্কভূষণের উৎসাহে প্রচলিত বাংলা শিক্ষায় শিক্ষাগ্রহণ করেন। পরে তারই উৎসাহে কলকাতায় উচ্চশিক্ষার জন্য চলে আসেন। কলকাতায় তিনি সংস্কৃত কলেজে ব্যাকরণ বিষয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিনি বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মাসিক বৃত্তির জন্য মনোনীত হন এবং ‘বহিস্থ শিক্ষার্থী’ হিসেবে বইসহ আর্থিক সম্মানী লাভ করেন। সংস্কৃত কলেজে তিনি একাধারে প্রায় তেরো বছর অধ্যায়নকালে ব্যাকরণ, অলংকার, বেদান্ত, ন্যায়শাস্ত্র, তর্কশাস্ত্র, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হিন্দু আইন, সংস্কৃত এবং ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন।

 

বীরসিংহের সিংহপুরুষ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাঙালি জাতির ইতিহাসে বাংলা গদ্যরীতি, সামাজিক কুসংস্কার প্রভৃতি বিষয়ের সংস্কারক হিসেবে সুপরিচিত। সে সময় ভারত তথা বঙ্গীয় অঞ্চলে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের উপর আঁকড়ে বসা সামাজিক কুসংস্কারসমূহ দূরীকরণে দৃঢ়চেতা মনোভাবই তাকে ‘সিংহপুরুষ’ হিসেবে চিহ্নিত করে। তিনি তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থায় হিন্দু নারীদের জন্য বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তন, বহু বিবাহ প্রথা রদকরণে দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছিলেন। সমকালীন বাঙালি পণ্ডিতবর্গের সমালোচনা সত্ত্বেও স্বীয় অভিমত এবং চেতনা থেকে পিছপা হননি। এক কথায় নারী মুক্তির আন্দোলনে তথা নারীর প্রতি সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে ঊনবিংশ শতাব্দীতে সোচ্চার ছিলেন বিদ্যাসাগর। তার সঙ্গে সে সময়ে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত আরও কয়েকজন বাঙালি মনীষীর একান্ত প্রয়াসে সমাজ ব্যবস্থায় হিন্দু নারীর প্রতি বেশ কিছু সামাজিক কুসংস্কার লুপ্ত হয়েছিল।
তার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত পড়ুন - http://www.risingbd.com/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B7-%E0%A6%88%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0/117716


*সিংহপুরুষ* *বীরসিংহ* *বিদ্যাসাগর* *ঈশ্বরচন্দ্র_বিদ্যাসাগর* *নারী_মুক্তি* *বাংলা_সাহিত্য* *মৃত্যুবার্ষিকী* *ইতিহাস* *কুসংস্কার* *গদ্যের_জনক* *বাঙালি_মনীষী*

মনুষ্য: ''আর কোন ট্রেনে হবে না ফেরা তার গৌরীপুর জংশনে.. বিশুদ্ধ মানুষ হতে পারবে কি শুভ্র প্রশ্ন রয়েই যাবে মনে.. গৃহত্যাগী জোছনায় দরদী গলায় গাতক মতি মিয়া গাইবে না.. হাওরের মাঝি আর করবে না পারাপার, ভাটির দেশের নাও বাইবে না.. চিত্রা, বাদল, জরী, পারুল হারালো অচিনপুরেই.. শেষে, অনন্ত নক্ষত্রবীথি ছাড়া আর কোথাও কেউ নেই.." যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন...(মনখারাপ)

*হুমায়ুনআহমেদ* *প্রিয়লেখক* *মৃত্যুবার্ষিকী* *প্রিয়গান* *হুমায়ূন*

আব্দুস সালাম: বেশতো বন্ধুরা, আগামী পরশুদিন ২৩ এপ্রিল রোজ বুধবার আমার বাবা'র ২য় মৃত্যু বার্ষিকী l দেখতে দেখতে ২ টি বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে অথচ মনে হচ্ছে এইত সেদিন সকালে একসাথে বসে সকালের নাস্তা খেয়েছি l আমি সকলের কাছে আমার বাবার জন্য দোআ প্রার্থনা করছি l সকলে আমার বাবার জন্য দোআ করবেন যেন দয়াময় আল্লাহ আমার বাবাকে জান্নাতবাসী করেন ....আমীন l

*মৃত্যুবার্ষিকী*

নাকিব ওসমান : আজ ৫ সেপ্টেম্বর, *বীরশ্রেষ্ঠ* নূর মোহাম্মদ শেখের ৪২তম *মৃত্যুবার্ষিকী* (শোক) ১৯৭১ সালের এই দিনে ৮নং সেক্টর যশোরের শার্শা থানার কাশিপুর সীমান্তের পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে *শহীদ* হন (মনখারাপ) মহান এই জাতীয় বীরের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি (শ্রদ্ধা-১)(শ্রদ্ধা-২)

*মুক্তিযুদ্ধ* *স্বাধীনতা* *বীরশ্রেষ্ঠ* *মৃত্যুবার্ষিকী* *শহীদ* *মুক্তিযোদ্ধা* *দেশপ্রেম* *ঈমান* *দ্বায়* *দায়িত্ব*

নাকিব ওসমান : আজ ১১ই আগস্ট, *ব্রিটিশবিরোধী* *আন্দোলন* এর সর্বকনিষ্ঠ *বাঙালি* *বিপ্লবী* ক্ষুদিরাম বসু -এর ১০৪তম *মৃত্যুবার্ষিকী* (শোক)। ১৯০৮ সালের এই দিনে তাঁর ফাঁসি হয়...(মনখারাপ) এই মহান বিপ্লবী বীর কিশোরকে বিনম্র *শ্রদ্ধা* ও স্বশ্রদ্ধ সালাম জানাই (শ্রদ্ধা-১)(শ্রদ্ধা-২)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★