মেদ

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 তলপেটের মেদ ঝরাতে কি করণীয়?

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

.
*তলপেট* *মেদ*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নিয়মিত ব্যায়াম করার পরেও মেদ কমছে না কেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*মেদ* *মেদসমস্যা* *ব্যায়াম*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হতে পারে আঙুর খেতে টক, কিন্তু এই আঙুরই পারে আপনার মেদ কমিয়ে দিতে।  আঙুরে রয়েছে  অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, তবে হালকা সবুজ রংয়ের আঙুর থেকে লাল বা গাঢ় সবুজ রংয়ের আঙুরে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। আঙুরে ভিটামিন সি তেমন না থাকলেও আঙুর ওজন কমাতে সাহায্য করে। শুধু কি তাই, ইনফেকশন থেকেও রক্ষা করতেও এটি ব্যাপক ভূমিকা রাখে-

আঙুরের খোসা এবং বিচিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, যা মানুষের ইমিউন সিস্টেমকে (রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা) শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। আঙুরে অনেক বেশি পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় যা শরীরের বাড়তি পানি কমিয়ে প্রয়োজনীয় পানির ভারসাম্য রক্ষা করতে ভূমিকা পালন করে। টানা দুই সপ্তাহ  প্রতিদিন আঙুর খেলে আর সাথে যথেষ্ট পরিমাণে পানি বা গ্রিন টি পান করলে কয়েক কেজি ওজন কমানো সম্ভব। শুধু গ্রিন টি বা সবুজ চা নয়, আঙুরও তারুণ্য ধরে রাখতে এবং রূপ লাবণ্য বাড়তে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় আঙুর ক্যানসার সেলগুলোর বৃদ্ধি কমাতেও সাহায্য করে থাকে।

তাই প্রতিদিন আঙুর খান, মেদহীন, সুস্থ্য ও সুন্দর থাকুন। 

 

 

*আঙুর* *মেদ* *স্লিমিংটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনআপনি কি খুব বেশি মোটা? কোন ভাবেই পেটের অতিরিক্ত মেদ কমাতে পারছেন না! নো প্রবলেম আপনার জন্য বাজারে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের স্লিমিং বেল্ট। এবার আপনার মেদ কমবেই। চলুন সহজেই মেদ কমানোর জন্য স্লিমিং বেল্ট কিভাবে ব্যবহার করবেন জেনে নেই।

স্লিমিং বেল্ট:

কিনতে ক্লিক করুন
মেদ আর বাড়তি ওজন নিয়ে যারা ভূগছেন তারা সারাদিনের যে কোন সময়ই পরে থাকতে পারবেন। এতে কোন নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। তবে একটানা ২০-২৫ মিনিটের উপরে ব্যবহার করবেন না। কর্মক্ষেত্রে ও এটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বেশি ভাল হয় কর্মজীবীরা যদি রাতে ব্যবহার করেন। এই বেল্ট ব্যবহারের সুবিধা:
-এটা আপনার মেদ কমিয়ে শরীরে নিয়ে আসবে সুন্দর একটা সেপ।
-আপনার ওজন কমিয়ে দেবে।
-শরীর মাসাজ করতে পারবেন অনায়াসে
- সহজে ব্যবহারযোগ্য স্লিমিং প্রোডাক্ট এটি আপনার দেহের নির্দিষ্ট অংশে মুভমেন্টের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেহকে স্লিম আকৃতি দেয়
এই স্লিমিং বেল্টটি পাওয়ার অ্যাডাপ্টার লাগিয়ে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

কোথায় পাবেন:

কিনতে ক্লিক করুন
রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন ফিটনেস আউটলেটে পন্যগুলো পেয়ে যাবেন। তবে এসকল পণ্য ক্রয়ের জন্য অনলাইন শপিং বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এজন্য এটি কিনতে আপনি অনলাইন শপ ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইনে কেনা যাচ্ছে এই লিংকে

*স্লিমিংটিপস* *মেদ* *স্মার্টশপিং*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেদ ঝরানোর জন্য সকালে উঠে ব্ল্যাক কফি অনেকেই খান। তবে জানেন কি এই কফির মধ্যেই নারকেল তেল মেশালে ফল পাবেন আরও দ্রুত? শুনতে অদ্ভুত লাগলেও সত্যি। ডায়েটিশিয়ানরা জানাচ্ছেন প্রতি দিনের কফিতে যদি মেশাতে পারেন নারকেল তেল তা হলে মেদ ঝরবে পাঁচ গুণ তাড়াতাড়ি।

যা যা লাগবে:
কফি
নারকেল তেল: এক-দুই টেবল-চামচ
চিনি বা মধু মেশাতে পারেন

প্রস্তুত প্রণালি:
ব্লেন্ডার কাপে কফি ঢালুন। এর মধ্যে নারকেল তেল মেশান। ভাল করে ব্লেন্ড করলে দেখবেন ক্রিমি কফি তৈরি হয়ে যাবে। তৈরি আপনার পানীয়।

কীভাবে কাজ নারকেল তেল মেশানো চা:
১। এনার্জি: মেদ ঝরাতে সব খাবারই যখন ফ্যাট ফ্রি করার কথা ভাবছি আমরা, তখন কফিতে নারকেল তেলের ফ্যাট মেশানো একটু অদ্ভুত লাগছে কি? আসলে অন্য তেলের ফ্যাটি অ্যাসিডের থেকে নারকেল তেলের ফ্যাটি অ্যাসিডের প্রকৃতি একটি আলাদা। অন্যান্য তেলে যেখানে থাকে লং চেন ফ্যাটি অ্যাসিড, নারকেল তেলে থাকে মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড। প্রতি দিনের কফিতে এক-দুই টেবল-চামচ ফ্যাটি অ্যাসিড মেদ ঝরিয়ে এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে।
২। হজম: মিডিয়াম চেন ট্রাইগ্লিসারাইড এনার্জি বাড়িয়ে শরীরের হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে টানা ১২ সপ্তাহ ধরে সকালে এই কফি খেলে রক্তে ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে। বিএমআই কম হয়। ভুঁড়ি কমে।

৩। রোগ প্রতিরোধ: শুধু ওজন কমাতে নয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও দারুণ উপকারী এই কফি। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, সোয়াইন ফ্লু, সর্দি, জেনিটাল হারপিস রুখতেও সাহায্য করে এই কফি।
(সংকলিত)
*কফি* *মেদ* *হেলথটিপস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খালি লাফালাফি আর দৌড়াদোড়ি করলেই যে ভুঁড়ি কমবে তা কিন্তু নয়? অন্য কোন কৌশলেও তো কমতে পারে আপনার পেটের মেদ! দিনে অন্তত ছয় ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলেই ভুঁড়ি কমিয়ে আপনিও হয়ে উঠতে পারে স্লিম দেহের অধিকারী। 

দিনে অন্তত ছয় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকলে স্থুলতার ঝুঁকি কমে যায় প্রায় ৩২ শতাংশ। সম্প্রতি নয়া এক গবেষণায় এমনটাই চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির একদল গবেষক দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাসের সঙ্গে স্থুলতা ও বিপাকীয় ঝুঁকির সম্পর্ক যাচাই করে দেখেছেন। এজন্য গবেষকরা ২০১০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সাত হাজারের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর পরীক্ষা চালান। বিশেষ করে দাঁড়িয়ে থাকা ও স্থুলতার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে তারা গবেষণা করেন। গবেষণায় দেখা যায়, পুরুষদের ক্ষেত্রে দিনের এক-চতুর্থাংশ সময় দাঁড়িয়ে কাটানোর ফলে স্থুলতার ঝুঁকি ৩২ শতাংশ কমে যায়। দিনের অর্ধেক সময় দাঁড়িয়ে কাটালে স্থুলতার ঝুঁকি ৫৯ শতাংশ কমে। কিন্তু দিনের তিন-চতুর্থাংশের বেশি সময় দাঁড়িয়ে কাটানোর সঙ্গে স্থুলতার ঝুঁকি কমার কোনও সম্পর্ক দেখেননি গবেষকরা। মহিলাদের ক্ষেত্রে দিনে ৬ ঘণ্টা, ১২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে কাটানোর সঙ্গে পেটের মেদ কমে যাওয়ার হার যথাক্রমে ৩৫ শতাংশ, ৪৭ শতাংশ। কিন্তু মহিলা ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই বিপাকীয় ব্যবস্থার সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকার কোনও সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
(সংকলিত)
*ভুঁড়ি* *মেদ* *মেদসমস্যা* *স্লিমিংটিপস* *গবেষণা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজকের ফ্যাশনের দুনিয়ায় ভুঁড়ি একটি বড় বিড়ম্বনার কারণ। এই সমসসা যার আছে সেই বোঝে। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কত কি না করেন। কিন্তু তার কোনওটিই কার্যকরী হয় না। তার একটি কারণ আছে। ভুঁড়ি সকলের এক  রকম হয় না। তাই তার সমাধানও এক হয় না। কারও ভুঁড়ি কিছুতে কমেছে শুনে আপনিও তাই করতে সুরু করলেন কিন্তু লাভ হল না। আপনিও ক্লান্ত হয়ে ভাবলেন এই ভুঁড়ি কমান নয়। আসলে ব্যাপার তা নয়। আপনাকে ভুঁড়ি কমানোর উপায় জানার আগে জানতে হবে আপনার ভুঁড়ির ধরণ এবং কারণ কি। তার পরে তার সমাধান। এরকম কয়েকটি ভুঁড়ির নমুনা দেওয়া হল। দেখুন কোনটি আপনার সমস্যা।

১) নিচু ভুঁড়ি
আপনার ভুঁড়ি যদি নিচু হয়ে থাকে, তবে তার মানে হতে পারে আপনি বেশ স্ট্রেসে আছেন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা নিজেদের কাজের ব্যাপারে খুব খুঁতখুঁতে হন তাদের থাকে এমন ভুঁড়ি। এই ভুঁড়ির প্রধান কারণ হল বদহজম। স্ট্রেসের কারণে তাদের ঘুম ও খাওয়ায় অনিয়ম হয় ফলে হয় বদহজম। এর থেকে পেট ফাঁপে যার ফলে ভুঁড়ি তৈরি হয়। হাসিখুশি মানুষের তুলনায় তাদের শরীরে কর্টিসল নামের হরমোন বেশি উৎপাদন হয়ে থাকে।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনাকে প্রথমেই রিল্যাক্স করতে হবে। কমিয়ে ফেলতে হবে জাঙ্ক ফুড খাওয়া এবং ক্যাফেইন দিয়ে তৈরি পানীয় পান। কিন্তু তাই বলে খাওয়া বাদ দেবেন না। বার বার অল্প করে খাবার খেতে থাকুন। ধূমপানের অভ্যাস থাকলে সেটাও বাদ দিন।

২) খুব নিচু ভুঁড়ি
সাধারণত রোগা মানুষের এমন ভুঁড়ি থাকে যা বেশি নিচু। এ থেকে বোঝা যায় তারা পরিশ্রম বেশি করেন। বিশেষ করে নারীদের এই ভুঁড়ি বেশি দেখা যায়। যারা নিজেদের যত্ন নেন না বা নেওয়ার সময় পান না পরিশ্রমের জন্য, তাদের ভুঁড়ি নিচু হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খাওয়ার অভ্যাসও দেখা যায়।

এই ভুঁড়ি থাকলে প্রথমেই আপনার খাদ্যভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। ব্যালান্সড ডায়েট অনুযায়ী খাওয়া দাওয়া করতে হবে। খাদ্যে বৈচিত্র্য আনুন। আর সময় পেলে ব্যায়াম করুন। নিজের প্রতি যত্ন নিন।

৩) টায়ারের মতো ভুঁড়ি
দিনের বেশীরভাগ সময়ে বসে বসে কাটালে শরীরের চারপাশে বেড় দেওয়া এমন টায়ারের মতো ভুঁড়ি তৈরি হয়। এমন পেট দেখলেই মনে হয় মানুষটি মোটেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন না। কিন্তু এমন ভুঁড়ি কমিয়ে ফেলা আসলে সব থেকে বেশি সহজ।

এই ভুঁড়ি হয়েছে মানে আপনি সম্ভবত বেশি চিনি অথবা শর্করা খান বেশি। এছাড়াও আপনি মন খারাপ থাকলে খেতে থাকেন। এসব কারণে আপনার ভুঁড়ি বাড়ে। একটু সচেতন হয়ে চলুন। স্বাস্থ্যকর খাবার খান, ফলমূল খান বেশি করে। ভুঁড়ি কমতে সময় লাগবে না।

৪) ফাঁপা ভুঁড়ি
ঘুম থেকে উঠে দেখলেন পেট স্বাভাবিক। অথচ দিনের শেষে দেখলেন পেট ভারী হয়ে গিয়েছে, পোশাকের ওপর দিয়ে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে ভুঁড়ির অবয়ব। এর মানে আপনার ফাঁপা ভুঁড়ি। এটা মোটা বা রোগা দুই ধরণের মানুষেরই হতে পারে। এর কারণ হল মূলত হজমে সমস্যা।

অনেক সময়ে কিছু কিছু খাবার আমাদের সহ্য হয় না অথচ আমরা এ ব্যাপারে খেয়ালও করি না। যেমন অনেকেরই দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে প্রচন্ড গ্যাস হয়, তাতে ভুঁড়ি বাড়ে। অথচ তিনি দিনের পর দিন দুধ-চা পান করে চলেছেন। আবার কারও কারও বিশেষ কোনও সবজি বা মাংস হজম করতে সমস্যা হতে পারে। এই খাবারগুলোকে চিহ্নিত করুন এবং হজমে সমস্যা হয় এমন খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিন। তাহলেই পেট ফাঁপা কমে যাবে।

(সংকলিত)
*মেদ* *মেদ-ভুঁড়ি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শরীরের মেদ নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। যারা একটু ভারী স্বাস্থ্যের, তারা তো বটেই যারা শুকনো ধরণের তারাও যাতে মোটা না হয়ে যান সেজন্য চিন্তা করতে থাকেন। শরীরে মেদ জমলে দেখতে যেমন বিশ্রী লাগে তেমনই তা স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। তাই এই মেদ দূর করার জন্য অনেকেই অনেক ধরণের চেষ্টা করে থাকেন। কিন্তু খুব সহজ সমাধান আপনার হাতের কাছেই রয়েছে।

মাত্র একটি মশলার ব্যবহার খাবারে নিয়মিত করতে পারলে দেহের এই মেদ থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। ভাবছেন মশলাটি অনেক দামী ধরণের কিছু হবে? মোটেই নয়, বরং খুবই সাধারণ একটি পরিচিত মশলা যার নাম ‘জিরা’। অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, অবাক হওয়ারই কথা। কিন্তু অবাক হলেও এটি সত্যি যে এই মশলাটি দেহের মেদ কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

Sadoughi University of Medical Science এর একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয় খাবারে জিরার ব্যবহার আপনার দেহের ওজন কমাতে সক্ষম। Apiaceae গোত্রের এই আফ্রিকা, এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকার রান্নায় বেশ ভালোই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এই গবেষণায় মহিলাদের দুটি দলের উপরে গবেষণা চালানো হয়। যেখানে একটি দলের মহিলাদের প্রতিদিন দুপুর ও রাতের খাবারে দইয়ে মেশানো হয় ৩ গ্রাম জিরা। এরপর দুটি দলকেই নিউট্রিসনিস্টের পরামর্শে এই জিরা মেশানো দইয়ের পাশাপাশি কম ক্যালোরির খাবার খেতে বলা হয়। এরপর দেখা যায়, জিরা মেশানো দই প্রাপ্ত দলটি ওজন কমিয়েছেন প্রায় ৪.৫ পাউন্ড ওজন। সেইসঙ্গে কোমরের আকার কমে এসেছে, বডি ম্যাস ইনডেক্স অনুযায়ী দেহের ওজন কমে এসেছে, ফ্যাট কমেছে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমেছে।

জিরার কার্যকারিতাঃ
অনেকের মনে হতে পারে, কেন এতো মশলা থাকতে জিরা দেহের ওজন কমাতে সহায়ক হবে? এর কারণ হিসেবে গবেষকগণ জানাচ্ছেন, অন্যান্য ঝাল ধরণের মশলার মতো জিরা অস্থায়ীভাবে দেহের মেটাবোলিক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আমরা সকলেই জানি মেটাবোলিক ক্ষমতা বেড়ে গেলে এবং হজম ক্ষমতাও সঠিক থাকলে খাবার হজম হয়ে পুষ্টি দেহে শোষণ হতে সহায়তা হয় এবং দেহে মেদ জমতে পারে না। আর একারণেই জিরা আমাদের দেহে মেদ জমার হার কমায় ও আমাদের ওজন কমতে থাকে।

আপনি যেকোনও খাবারের সঙ্গে জিরা এবং জিরার গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। প্রথম দিকে একটু স্বাদে সমস্যা হলেও পরবর্তীতে স্বাদ ঠিক হয়ে আসবে এবং সেই সঙ্গে  আপনার দেহের মেদ কমা শুরু হবে। তাই চেষ্টা করে দেখুন। তবে জিরা সংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা থাকলে আপনার দেহে এই পদ্ধতি আপনার জন্য কতোটা সহায়ক তা জানতে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন।
-কনটেন্ট সহযোগিতায় কলকাতা ২৪
*মেদ* *মেদসমস্যা* *ওজনকমানোরটিপস* *ওজনসমস্যা*

আড়াল থেকেই বলছি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আর নয়,চর্বি ,এবার হবে মুক্তি ..
প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে লেবু ও একটু লবণ দিয়ে শরবত তৈরি করে খাবেন।এর পর পরই দুই বা তিন কোয়া কাঁচা রসুন খেতে হবে।লেবুর শরবত পান করার পরই এটি খেয়ে নিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।এ পদ্ধতিটি আপনার শরীরের ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি দ্বিগুণ গতিতে করবে,একই সঙ্গে আপনার শরীরের রক্ত সঞ্চালন হবে মসৃণ গতিতে।
*টিপস* *মেদ* *চর্বি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে ১ মাসের মধ্যে আমি আমার পেটের মেদ কমাতে পারি?

উত্তর দাও (১১ টি উত্তর আছে )

.
*মেদ* *মেদসমস্যা* *ওজনসমস্যা* *স্বাস্থ্যতথ্য*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আপনি কি দিন দিন মোটা হয়ে যাচ্ছেন? শতচেষ্টা করেও কিছুতেই অতিরিক্ত চর্বি কমাতে পারছেন না? মনে রাখবেন, শরীরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চর্বি লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সঙ্গে জমাট বেধে প্রাণ ঘাতি সমস্যা সৃষ্টি করে। শরীরে মেদ ও চর্বির পরিমান বেড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া একেবারেই কমিয়ে দিয়েছেন। 

বাড়তি চর্বি নিরসনের জন্য অনেকেই হয়তবা অনেক ফর্মূলা ব্যবহার করছেন কিন্তু চর্বি কমাতে পারছেন না। মূলত আমাদের অনেকেই রয়েছেন যারা এধরনের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য নতুন ফর্মূলা নিয়ে এলাম। নতুন এই ফর্মূলা হচ্ছে খাওয়ার ফর্মূলা অর্থাৎ খাওয়ার মাধ্যমেই আপনার চর্বি কমে যাবে। চর্বি ক
মাতে সক্ষম এমন ১০টি খাবার সম্পর্কে আজকে আলোচনা করছি।  আশা করি পোস্টটি আপনাদের কাজে লাগবে।

জই/যবঃ
এটা শুধুমাত্র খেতে সুস্বাদুই নয় বরং ক্ষুধা হ্রাস করতেও সাহয্য করে। যবে এমন এক ধরনের ফাইবার বা তন্তু আছে যা শরীরে
র কলেস্টেরলের মাত্রা স্থির রাখতে সাহায্য করে। আকষর্ণীয় শরীরের অধিকারী হতে চাইলে নাস্তার প্লেটে ওট (যব বা জই) রাখুন। ওজন কমাতে ওট খুবই কার্যকরী। কম ক্যালরিযুক্ত এ ফল শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি যোগায়।

ডিমঃ
ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের অন্যতম উৎস যা ক্যালোরি কম। ডিম আমাদের মাংস পেশী শক্ত করতে সাহায্য করে এবং কলেস্টেরলের বিকাশ ঘটায়। চিকিৎসকদের মতে প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ১টি ডিম মাসে ৩ পাউন্ড পর্যন্ত ও
জন কমাতে পারে।


আপেলঃ

আপেলে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্রিডেন্টস ও অন্যান্য সহযোগী উপদান সমূহের সমন্বয় রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আপেলের মধ্যে এটি বিশেষ শালিজাতীয় পদার্থ রয়েছে যা শরীরের চর্বি কোষ কমাতে সাহায্য করে। তাই পরামর্শ থাকবে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ না করে পরিমিত আপেল খান।

কাঁচা লঙ্কাঃ
কাঁচা মরিচে ভিটামিন সি আছে অনেক বেশি। এছাড়াও কাঁচা মরিচের মধ্যে ক্যাপসসিন নামক এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে যা দ্রুত সময়ের মধ্যে শরীরের কোষ বৃদ্ধি করে এবং চর্বি কমাতে সাহায্য করে।


কচি গমের চারাঃ
শুনতে অদ্ভুত হলেও একথা সত্য যে, কচি গমের চারা চর্বি কমানোর অন্যতম একটি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটা আমাদের বিপাকে সাহায্য করে এবং অতিদ্রুততা
র সাথে চর্বি কমিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে কচি গমের চারা কুচি কুচি করে কেটে জুস করে খেতে পারেন।

রসুনঃ
রসুনে প্রচুর পরিমান ব্যাকটেরিয়া বিরোধী বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ এ্যালিছিন রয়েছ যা চর্বি কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরের খারাপ কলেস্টেরল সরিয়ে ফেলে। প্রতিদিন সকালে দু এক কোয়া রসুন শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

মধুঃ

রোগ মুক্তিতে মধুর রয়েছে হাজারও গুণ। শরীরের মেদ ও চর্বি কমানোর অন্যতম একটি উপাদান হলো মধু। প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে চর্বি অনেকাংশে কমে যায়।


গ্রিন টিঃ
গ্রিন টি সবুজ অ্যান্ডিডেন্টে ভরপুর এবং বিপাকে সাহায্য করে। দেহের মেদ কমিয়ে আপনাকে আকর্য়নীয় স্বাস্থ্যের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলবে। কাজেই হালকা এক কাপ গ্রিন টি নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।






টমেটোঃ
দ্রুত সময়ের মধ্যে চর্বি ধ্বংশ করতে টমেটো খুব কার্যকারী। এটি আমাদেরকে ক্যান্সার থেকে দূরে রাখতেও সাহায্য করে। সুতরাং আপনার প্রতিদিনের নিয়মিত খাবারে টমেটো খান।

ডার্ক চকলেটঃ
ডার্ক চকলেটের মধ্যে প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা রক্তে কলেস্টেরলের মাত্র কমাতে সাহায্য করে।এটি রক্তে সেরটোনিন বৃদ্ধি করে এবং শরীরে জমে থাকা চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে।


*ওজনসমস্যা* *মেদ* *মেদসমস্যা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *চর্বি*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে


১. এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে লেবু ও একটু লবণ দিয়ে শরবত তৈরি করে প্রতিদিন সকালে খাবেন।

২.সকালে দুই বা তিন কোয়া কাঁচা রসুন খেতে হবে। লেবুর শরবত পান করার পরই এটি খেয়ে নিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এ পদ্ধতিটি আপনার শরীরের ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি দ্বিগুণ গতিতে করবে। একই সঙ্গে আপনার শরীরের রক্ত সঞ্চালন হবে মসৃণ গতিতে।

৩. সকালের নাশতায় অন্য খাবারের পরিমাণটা কমিয়ে সেখানে স্থান করে দিতে হবে ফলের। প্রতিদিন সকালে এক বাটি ফল খেলে পেটে চর্বি জমার হাত থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া যাবে।

৪. পেটের চর্বি থেকে মুক্তি পেতে হলে পানির সঙ্গে করতে হবে বন্ধুত্ব। কেননা পানি আপনার শরীরের পরিপাক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর সব কিছু বের করে দিতে সাহায্য করে।

৫. সাদা চালের ভাত থেকে দূরে থাকুন। এর পরিবর্তে আটার তৈরি খাবার খেতে হবে।

৬. দারুচিনি, আদা, কাঁচা মরিচ দিয়ে রান্না করুন আপনার খাবার। এগুলো শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে রাখতে সহায়তা করে

৭. চিনিজাতীয় খাবার শরীরের বিভিন্ন অংশে চর্বি ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে পেট ও ঊরুতে। পেটের চর্বি থেকে রেহাই পেতে হলে চিনি এবং চিনিজাতীয় খাবারের
সঙ্গে শত্রুতা ছাড়া উপায় নেই।
*মেদসমস্যা* *মেদ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে


সবার জীবনেই মেদ একটি বড় ধরনের সমস্যার কারণ হতে পারে। সে কারণে বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে মেদকে নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। কয়েকটি সহজ নিয়ম-কানুন মানলেই এই মেদকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- মেদ কমানোর জন্য সবার আগে গমের আটার তৈরি রুটি খাওয়াকে বন্ধ করে দেয়া উচিত। তার বদলে ছোলা ও যবকে ভালো করে পিষে নিয়ে তার আটা দিয়ে রুটি বানিয়ে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এতে পেটসহ সমগ্র দেহে মেদ এর পরিমাণ কমতে থাকবে।
- খাদ্য তালিকার মধ্য থেকে তেল ও চর্বি জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে। তাছাড়া বাজারে চলতি খাবারগুলোকে কম খাওয়া দরকার, তবে বাদ দিতে পারলে বেশি ভালো হয়ে থাকে।
- আপনি দিনে যে খাবার খান তার পরিমাণ কিছুটা কমাতে হবে। কারণ, খাবার পর পেট সামান্য খালি থাকলে মেদ অনেকটা কমে যায়।
- কোনো সময়েই খাবার পর সঙ্গে সঙ্গে পানি খাবেন না। কারণ, এটি না করলে পেট ও কোমরের স্থুলত্ব অনেকটা বেড়ে গিয়ে থাকে। আর পানি যদি খেতেই হয় তবে সাধারণত একঘণ্টা পরে খাওয়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।
- যদি মেদ কমাতে ব্যায়ামের জন্য বাইরে যাওয়া সম্ভবপর না হয় তাহলে ভোর বেলায় প্রকৃতির খোলা হাওয়ায় হাঁটা উচিত। প্রতিদিন এরকমভাবে জোরে জোরে হাঁটলে শরীরে মেদের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকবে, যা শরীরের জন্য উপকারী।
এতসব নিয়ম মেনে চললে আশা করা যায় আপনি মেদ হওয়া থেকে রক্ষা পাবেন।

*মেদ* *মেদসমস্যা* *ওজনসমস্যা* *স্লিমিংটিপস*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে


মেয়েদের শরীরে মেদ অনেক সহজেই জমে। বিশেষ করে ৩০-৩২ বছর বয়সে মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই মেদ জমে। এই মেদ প্রথমত প্রকট হয় পেটে। এটি যে শুধু সৌন্দর্যহানী করে তা নয়, শরীরে যে বিভিন্ন অসুখ বাসা বাঁধছে তাও নির্দেশ করে। মহিলাদের ক্ষেত্রে ৩৫.৫ ইঞ্চির বেশি পেট এর সাইজ থাকলে হার্ট এর অসুখ, ডায়বেটিস হতে পারে। পেটের মেদ আর শরীরের অন্য অংশের মেদকে এক জিনিস ভাবলে ভুল করবেন। পেটের মেদ যেহেতু লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সাথে লেগে থাকে, সেহেতু এটি আপনার জন্য অনেক বড় বিপদ এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে স্লিম থাকার ৯ টি উপায় দেওয়া হলো।

1. কোন পরিশ্রম ছাড়া আমরা যেই কাজটি করতে পারি তা হলো সঠিক নিয়মে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া। বেশির ভাগ মানুষই হয় দ্রুত না হয় অনেকক্ষণ পর পর শ্বাস গ্রহন করে। যদি এটি একটা ছন্দে করা যায়, অর্থাৎ আস্তে আস্তে শ্বাস গ্রহন ও নি:শ্বাস ত্যাগ করা পেটের খুব ভালো একটা ব্যায়াম।

2. প্রচুর আমিষ (প্রোটিন) সমৃদ্ধ খাবার যেমন-মাছ, ডাল ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খান। প্রোটিন শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায় ও চর্বি পোড়ায়। চর্বি জাতীয় খাবার থেকে সবসময় দুরে থাকুন।

3. তালিকা থেকে যথাসম্ভব চিনি দূরে রাখুন। চিনির বদলে সুক্রোলোজ (যা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সুগার ফ্রি নামে পাওয়া যায়) ব্যবহার করুন। তবে মধু ব্যবহার আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।

4. যদি রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস থাকে তাহলে আরেকবার ভাবুন। কারণ অসময়ের ঘুম শরীরের জৈবিক ছন্দ নষ্ট করে দেয়। এর ফলে আপনার শরীরে খাদ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। পেটে চর্বি জমার প্রবণতা প্রায় ৫গুন বৃদ্ধি পায়।

5. লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। যে জায়গাগুলোতে হেঁটে যাওয়া সম্ভব সেখানে রিকশায় না উঠার চেষ্টা করুন। হাঁটাই সবচেয়ে ভাল ব্যায়াম। এছাড়াও ছোট ছোট কিছু ব্যায়াম যদি নিয়মিত করতে পারেন তাবে এগুলো আপনাকে ফিট থাকতে সাহায্য করবে। যেমন ফ্লোর ক্রাঞ্চেস্‌, বার-পিস, সিঙ্গেল লেগ স্কোয়াট, পুশ-আপস্‌, চেয়ার ডিপস্‌ ৩০ সেকেন্ড করে দিনে ৪-৫ বার করে দেখুন।

6. টক জাতীয় ফলমূলে প্রচুর ভিটামিন সি আছে। ভিটামিন সি কারনিটিন নমক প্রয়োজনীয় একটি উপাদান তৈরী করে, যা শরীরে চর্বি পোড়াতে সহায়তা করে।

7. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পানি শরীরের টক্সিন বা বিষকে বের করে দিয়ে মাংসপেশী গঠনেও সাহায্য করে।

8. মেদ কমাতে গিয়ে খাওয়াটা একেবারে কমিয়ে দেওয়া ঠিক না। এতে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ঢালাওভাবে সব খাবার না কমিয়ে প্রথমে তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার কমান, এরপর ধীরে ধীরে অন্যান্য খাবার কমাবেন। তবে অবশ্যই তা নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত।

9. ধূমপান ও মদ্যপান শরীরে চর্বি পোড়াতে বাঁধা দিয়ে মেদ জমাতে সাহায্য করে। তাই এসব থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।

*স্লিমিংটিপস* *মেদ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★