মেদ সমস্যা

মেদসমস্যা নিয়ে কি ভাবছো?

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নিয়মিত ব্যায়াম করার পরেও মেদ কমছে না কেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*মেদ* *মেদসমস্যা* *ব্যায়াম*

রিফাত খান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ভুঁড়ি কমাতে চাই কি করবো ।

উত্তর দাও (১০ টি উত্তর আছে )

.
*ভুঁড়ি* *ভুড়িকমান* *মেদসমস্যা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খালি লাফালাফি আর দৌড়াদোড়ি করলেই যে ভুঁড়ি কমবে তা কিন্তু নয়? অন্য কোন কৌশলেও তো কমতে পারে আপনার পেটের মেদ! দিনে অন্তত ছয় ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলেই ভুঁড়ি কমিয়ে আপনিও হয়ে উঠতে পারে স্লিম দেহের অধিকারী। 

দিনে অন্তত ছয় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকলে স্থুলতার ঝুঁকি কমে যায় প্রায় ৩২ শতাংশ। সম্প্রতি নয়া এক গবেষণায় এমনটাই চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির একদল গবেষক দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাসের সঙ্গে স্থুলতা ও বিপাকীয় ঝুঁকির সম্পর্ক যাচাই করে দেখেছেন। এজন্য গবেষকরা ২০১০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সাত হাজারের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর পরীক্ষা চালান। বিশেষ করে দাঁড়িয়ে থাকা ও স্থুলতার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে তারা গবেষণা করেন। গবেষণায় দেখা যায়, পুরুষদের ক্ষেত্রে দিনের এক-চতুর্থাংশ সময় দাঁড়িয়ে কাটানোর ফলে স্থুলতার ঝুঁকি ৩২ শতাংশ কমে যায়। দিনের অর্ধেক সময় দাঁড়িয়ে কাটালে স্থুলতার ঝুঁকি ৫৯ শতাংশ কমে। কিন্তু দিনের তিন-চতুর্থাংশের বেশি সময় দাঁড়িয়ে কাটানোর সঙ্গে স্থুলতার ঝুঁকি কমার কোনও সম্পর্ক দেখেননি গবেষকরা। মহিলাদের ক্ষেত্রে দিনে ৬ ঘণ্টা, ১২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে কাটানোর সঙ্গে পেটের মেদ কমে যাওয়ার হার যথাক্রমে ৩৫ শতাংশ, ৪৭ শতাংশ। কিন্তু মহিলা ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই বিপাকীয় ব্যবস্থার সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকার কোনও সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
(সংকলিত)
*ভুঁড়ি* *মেদ* *মেদসমস্যা* *স্লিমিংটিপস* *গবেষণা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শরীরের মেদ নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। যারা একটু ভারী স্বাস্থ্যের, তারা তো বটেই যারা শুকনো ধরণের তারাও যাতে মোটা না হয়ে যান সেজন্য চিন্তা করতে থাকেন। শরীরে মেদ জমলে দেখতে যেমন বিশ্রী লাগে তেমনই তা স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। তাই এই মেদ দূর করার জন্য অনেকেই অনেক ধরণের চেষ্টা করে থাকেন। কিন্তু খুব সহজ সমাধান আপনার হাতের কাছেই রয়েছে।

মাত্র একটি মশলার ব্যবহার খাবারে নিয়মিত করতে পারলে দেহের এই মেদ থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। ভাবছেন মশলাটি অনেক দামী ধরণের কিছু হবে? মোটেই নয়, বরং খুবই সাধারণ একটি পরিচিত মশলা যার নাম ‘জিরা’। অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, অবাক হওয়ারই কথা। কিন্তু অবাক হলেও এটি সত্যি যে এই মশলাটি দেহের মেদ কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

Sadoughi University of Medical Science এর একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয় খাবারে জিরার ব্যবহার আপনার দেহের ওজন কমাতে সক্ষম। Apiaceae গোত্রের এই আফ্রিকা, এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকার রান্নায় বেশ ভালোই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এই গবেষণায় মহিলাদের দুটি দলের উপরে গবেষণা চালানো হয়। যেখানে একটি দলের মহিলাদের প্রতিদিন দুপুর ও রাতের খাবারে দইয়ে মেশানো হয় ৩ গ্রাম জিরা। এরপর দুটি দলকেই নিউট্রিসনিস্টের পরামর্শে এই জিরা মেশানো দইয়ের পাশাপাশি কম ক্যালোরির খাবার খেতে বলা হয়। এরপর দেখা যায়, জিরা মেশানো দই প্রাপ্ত দলটি ওজন কমিয়েছেন প্রায় ৪.৫ পাউন্ড ওজন। সেইসঙ্গে কোমরের আকার কমে এসেছে, বডি ম্যাস ইনডেক্স অনুযায়ী দেহের ওজন কমে এসেছে, ফ্যাট কমেছে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমেছে।

জিরার কার্যকারিতাঃ
অনেকের মনে হতে পারে, কেন এতো মশলা থাকতে জিরা দেহের ওজন কমাতে সহায়ক হবে? এর কারণ হিসেবে গবেষকগণ জানাচ্ছেন, অন্যান্য ঝাল ধরণের মশলার মতো জিরা অস্থায়ীভাবে দেহের মেটাবোলিক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আমরা সকলেই জানি মেটাবোলিক ক্ষমতা বেড়ে গেলে এবং হজম ক্ষমতাও সঠিক থাকলে খাবার হজম হয়ে পুষ্টি দেহে শোষণ হতে সহায়তা হয় এবং দেহে মেদ জমতে পারে না। আর একারণেই জিরা আমাদের দেহে মেদ জমার হার কমায় ও আমাদের ওজন কমতে থাকে।

আপনি যেকোনও খাবারের সঙ্গে জিরা এবং জিরার গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। প্রথম দিকে একটু স্বাদে সমস্যা হলেও পরবর্তীতে স্বাদ ঠিক হয়ে আসবে এবং সেই সঙ্গে  আপনার দেহের মেদ কমা শুরু হবে। তাই চেষ্টা করে দেখুন। তবে জিরা সংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা থাকলে আপনার দেহে এই পদ্ধতি আপনার জন্য কতোটা সহায়ক তা জানতে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন।
-কনটেন্ট সহযোগিতায় কলকাতা ২৪
*মেদ* *মেদসমস্যা* *ওজনকমানোরটিপস* *ওজনসমস্যা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে ১ মাসের মধ্যে আমি আমার পেটের মেদ কমাতে পারি?

উত্তর দাও (১১ টি উত্তর আছে )

.
*মেদ* *মেদসমস্যা* *ওজনসমস্যা* *স্বাস্থ্যতথ্য*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আপনি কি দিন দিন মোটা হয়ে যাচ্ছেন? শতচেষ্টা করেও কিছুতেই অতিরিক্ত চর্বি কমাতে পারছেন না? মনে রাখবেন, শরীরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চর্বি লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সঙ্গে জমাট বেধে প্রাণ ঘাতি সমস্যা সৃষ্টি করে। শরীরে মেদ ও চর্বির পরিমান বেড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া একেবারেই কমিয়ে দিয়েছেন। 

বাড়তি চর্বি নিরসনের জন্য অনেকেই হয়তবা অনেক ফর্মূলা ব্যবহার করছেন কিন্তু চর্বি কমাতে পারছেন না। মূলত আমাদের অনেকেই রয়েছেন যারা এধরনের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য নতুন ফর্মূলা নিয়ে এলাম। নতুন এই ফর্মূলা হচ্ছে খাওয়ার ফর্মূলা অর্থাৎ খাওয়ার মাধ্যমেই আপনার চর্বি কমে যাবে। চর্বি ক
মাতে সক্ষম এমন ১০টি খাবার সম্পর্কে আজকে আলোচনা করছি।  আশা করি পোস্টটি আপনাদের কাজে লাগবে।

জই/যবঃ
এটা শুধুমাত্র খেতে সুস্বাদুই নয় বরং ক্ষুধা হ্রাস করতেও সাহয্য করে। যবে এমন এক ধরনের ফাইবার বা তন্তু আছে যা শরীরে
র কলেস্টেরলের মাত্রা স্থির রাখতে সাহায্য করে। আকষর্ণীয় শরীরের অধিকারী হতে চাইলে নাস্তার প্লেটে ওট (যব বা জই) রাখুন। ওজন কমাতে ওট খুবই কার্যকরী। কম ক্যালরিযুক্ত এ ফল শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি যোগায়।

ডিমঃ
ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের অন্যতম উৎস যা ক্যালোরি কম। ডিম আমাদের মাংস পেশী শক্ত করতে সাহায্য করে এবং কলেস্টেরলের বিকাশ ঘটায়। চিকিৎসকদের মতে প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ১টি ডিম মাসে ৩ পাউন্ড পর্যন্ত ও
জন কমাতে পারে।


আপেলঃ

আপেলে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্রিডেন্টস ও অন্যান্য সহযোগী উপদান সমূহের সমন্বয় রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আপেলের মধ্যে এটি বিশেষ শালিজাতীয় পদার্থ রয়েছে যা শরীরের চর্বি কোষ কমাতে সাহায্য করে। তাই পরামর্শ থাকবে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ না করে পরিমিত আপেল খান।

কাঁচা লঙ্কাঃ
কাঁচা মরিচে ভিটামিন সি আছে অনেক বেশি। এছাড়াও কাঁচা মরিচের মধ্যে ক্যাপসসিন নামক এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে যা দ্রুত সময়ের মধ্যে শরীরের কোষ বৃদ্ধি করে এবং চর্বি কমাতে সাহায্য করে।


কচি গমের চারাঃ
শুনতে অদ্ভুত হলেও একথা সত্য যে, কচি গমের চারা চর্বি কমানোর অন্যতম একটি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটা আমাদের বিপাকে সাহায্য করে এবং অতিদ্রুততা
র সাথে চর্বি কমিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে কচি গমের চারা কুচি কুচি করে কেটে জুস করে খেতে পারেন।

রসুনঃ
রসুনে প্রচুর পরিমান ব্যাকটেরিয়া বিরোধী বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ এ্যালিছিন রয়েছ যা চর্বি কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরের খারাপ কলেস্টেরল সরিয়ে ফেলে। প্রতিদিন সকালে দু এক কোয়া রসুন শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

মধুঃ

রোগ মুক্তিতে মধুর রয়েছে হাজারও গুণ। শরীরের মেদ ও চর্বি কমানোর অন্যতম একটি উপাদান হলো মধু। প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে চর্বি অনেকাংশে কমে যায়।


গ্রিন টিঃ
গ্রিন টি সবুজ অ্যান্ডিডেন্টে ভরপুর এবং বিপাকে সাহায্য করে। দেহের মেদ কমিয়ে আপনাকে আকর্য়নীয় স্বাস্থ্যের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলবে। কাজেই হালকা এক কাপ গ্রিন টি নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।






টমেটোঃ
দ্রুত সময়ের মধ্যে চর্বি ধ্বংশ করতে টমেটো খুব কার্যকারী। এটি আমাদেরকে ক্যান্সার থেকে দূরে রাখতেও সাহায্য করে। সুতরাং আপনার প্রতিদিনের নিয়মিত খাবারে টমেটো খান।

ডার্ক চকলেটঃ
ডার্ক চকলেটের মধ্যে প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা রক্তে কলেস্টেরলের মাত্র কমাতে সাহায্য করে।এটি রক্তে সেরটোনিন বৃদ্ধি করে এবং শরীরে জমে থাকা চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে।


*ওজনসমস্যা* *মেদ* *মেদসমস্যা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *চর্বি*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে


১. এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে লেবু ও একটু লবণ দিয়ে শরবত তৈরি করে প্রতিদিন সকালে খাবেন।

২.সকালে দুই বা তিন কোয়া কাঁচা রসুন খেতে হবে। লেবুর শরবত পান করার পরই এটি খেয়ে নিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এ পদ্ধতিটি আপনার শরীরের ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি দ্বিগুণ গতিতে করবে। একই সঙ্গে আপনার শরীরের রক্ত সঞ্চালন হবে মসৃণ গতিতে।

৩. সকালের নাশতায় অন্য খাবারের পরিমাণটা কমিয়ে সেখানে স্থান করে দিতে হবে ফলের। প্রতিদিন সকালে এক বাটি ফল খেলে পেটে চর্বি জমার হাত থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া যাবে।

৪. পেটের চর্বি থেকে মুক্তি পেতে হলে পানির সঙ্গে করতে হবে বন্ধুত্ব। কেননা পানি আপনার শরীরের পরিপাক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর সব কিছু বের করে দিতে সাহায্য করে।

৫. সাদা চালের ভাত থেকে দূরে থাকুন। এর পরিবর্তে আটার তৈরি খাবার খেতে হবে।

৬. দারুচিনি, আদা, কাঁচা মরিচ দিয়ে রান্না করুন আপনার খাবার। এগুলো শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে রাখতে সহায়তা করে

৭. চিনিজাতীয় খাবার শরীরের বিভিন্ন অংশে চর্বি ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে পেট ও ঊরুতে। পেটের চর্বি থেকে রেহাই পেতে হলে চিনি এবং চিনিজাতীয় খাবারের
সঙ্গে শত্রুতা ছাড়া উপায় নেই।
*মেদসমস্যা* *মেদ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে


সবার জীবনেই মেদ একটি বড় ধরনের সমস্যার কারণ হতে পারে। সে কারণে বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে মেদকে নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। কয়েকটি সহজ নিয়ম-কানুন মানলেই এই মেদকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- মেদ কমানোর জন্য সবার আগে গমের আটার তৈরি রুটি খাওয়াকে বন্ধ করে দেয়া উচিত। তার বদলে ছোলা ও যবকে ভালো করে পিষে নিয়ে তার আটা দিয়ে রুটি বানিয়ে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এতে পেটসহ সমগ্র দেহে মেদ এর পরিমাণ কমতে থাকবে।
- খাদ্য তালিকার মধ্য থেকে তেল ও চর্বি জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে। তাছাড়া বাজারে চলতি খাবারগুলোকে কম খাওয়া দরকার, তবে বাদ দিতে পারলে বেশি ভালো হয়ে থাকে।
- আপনি দিনে যে খাবার খান তার পরিমাণ কিছুটা কমাতে হবে। কারণ, খাবার পর পেট সামান্য খালি থাকলে মেদ অনেকটা কমে যায়।
- কোনো সময়েই খাবার পর সঙ্গে সঙ্গে পানি খাবেন না। কারণ, এটি না করলে পেট ও কোমরের স্থুলত্ব অনেকটা বেড়ে গিয়ে থাকে। আর পানি যদি খেতেই হয় তবে সাধারণত একঘণ্টা পরে খাওয়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।
- যদি মেদ কমাতে ব্যায়ামের জন্য বাইরে যাওয়া সম্ভবপর না হয় তাহলে ভোর বেলায় প্রকৃতির খোলা হাওয়ায় হাঁটা উচিত। প্রতিদিন এরকমভাবে জোরে জোরে হাঁটলে শরীরে মেদের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকবে, যা শরীরের জন্য উপকারী।
এতসব নিয়ম মেনে চললে আশা করা যায় আপনি মেদ হওয়া থেকে রক্ষা পাবেন।

*মেদ* *মেদসমস্যা* *ওজনসমস্যা* *স্লিমিংটিপস*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

সুস্থ্ থাকতে ইয়োগার অভ্যাস গড়ে তুলুন

*ইয়োগা* *ব্যায়াম* *ফিটনেস* *মেদসমস্যা* *স্বাস্থতথ্য*

আয়েশা আক্তার মুন্নি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মেদ কমানো সহজ উপায় কি?

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

*মেদসমস্যা* *মেদভুড়ি* *স্লিমিংটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 যোগব্যায়ামের কি আদৌ কোনো কার্যকারিতা আছে? যোগব্যায়াম করে কি মেদ কমানো সম্ভব?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*মেদসমস্যা* *মেদভুড়ি* *স্লিমিংটিপস* *ব্যায়াম* *যোগব্যায়াম*

উদয়: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পেটের মেদ কমানোর সহজ কিছু উপায় জানতে চাই ?

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

.
*পেটেরমেদ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *মেদসমস্যা* *মেদভুড়ি* *স্লিমিংটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★