মেয়ে

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: “তোর সাথে কফি খেতে খুব ইচ্ছে করছে।” --- নীলাদ্রি

*কফি* *মেয়ে* *নীলাদ্রি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: মেয়েঃ আমি কি অনেক মিষ্টি একটা মেয়ে ? ছেলেঃ না । মেয়েঃ তুমি কি আমার সাথে থাকবে ? ছেলেঃ না । ... মেয়েঃ আমি যদি তোমাকে ছেড়ে চলে যাই , তাহলে তুমি কাঁদবে না ? ছেলেঃ না । মেয়েটি অনেক কষ্ট পেলো , এবং কাঁদতে সুরু করলো । তখন ছেলেটি তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল, এবং বললঃ ♥ তুমি অনেক মিষ্টি নও, কিন্তু সুন্দর ...... আমি তোমার সাথে থাকতে চাই না , কিন্তু বেঁচে আছি তোমার জন্য ... যখন তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে তখন আমি কাঁদবো না , কিন্তু মরে যাব.....।।

*প্রেমকাহিনী* *ছেলে* *মেয়ে* *ভালোবাসা* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: শোন মেয়ে, কতবার তোমার নামে মরে গেলে,তোমার নামে সুখ নিদ্রা গেলে তবে তোমায় আমার পাশে ঘুমরত অবস্থায় পাবো? মেয়ে দেশ ভাল নেই জাতী ভাল নেই,আমি নিশ্চই এর বাইরে নই?তারাতারি চলে আসো।

*মেয়ে* *আবেগ* *ভালোবাসা* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: [এজে-সবফিনিশ]"বিশ্বাস করুন রুমডেটের পর ছেলেটার সবচেয়ে বিরক্তরি কারন হয় মেয়েটা আর মেয়ে টার সবচেয়ে ভালোবাসার মানুষ হয় ছেলেটা "

*বাস্তবতা* *ছেলে* *মেয়ে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সম্পর্ক কিংবা সংসার; একটা ছেলে যদি উদাসীন কিংবা উড়নচণ্ডী হয়, তবুও টিকিয়ে রাখা সম্ভব। একটা মেয়ে চাইলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সে কাজটা সফলতার সাথে করতে পারে, যদি সে কমিটেড হয়। কারন মেয়েদের মধ্যে স্রষ্টা অসাধারণ কিছু ক্ষমতা দিয়েছেন; দিয়েছেন মায়া। তাই একটা ছেলে সময়ের স্রোতে উপলব্ধি করতে বাধ্য, সে যে ভুল।

.

কিন্তু সংসার কিংবা সম্পর্কে একটা মেয়েই যদি হয় উদাসীন কিংবা উড়নচণ্ডী?

ঐ সংসার কিংবা সম্পর্ক ভাঙ্গতে বাধ্য; লিখে রাখুন। একটা ছেলে যতোই চাক, যে ভাবেই চাক; বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই টিকাতে পারবে না বন্ধনটি! কারন পাথরে ফুল ফোটানোর ক্ষমতা হাজারে হয়তো একটা ছেলেকেও দেননি স্রষ্টা; যা প্রতিটা মেয়েকে দিয়েছেন।

.

প্রশ্ন করতে পারেন, কি ভাবে? এসব কথার ভিত্তি কি? আমাদের বাপ-দাদাদের আমল দেখুন। তখন কি সব ছেলে/পুরুষ দুধে ধোয়া তুলসী ছিলো? মোটেই তেমন না। বরং তারা সংসারী হতে বাধ্য হয়েছিলেন ঘরে থাকা লক্ষী প্রতিমা প্রেয়সী মায়ায়। আর এখন কি হচ্ছে? কোর্টের বারান্দায় রিলিফ গ্রহনের মতো ডির্ভোসের লাইন। আর প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক ভাঙ্গাটাতো সকালে উঠে পেট পরিষ্কার করতে টয়লেটে যাবার মতোই। করান কি জানেন? মায়ার যাদুতে সম্পর্কের অপর মানুষ এবং সম্পর্কটি মুগ্ধ করে রাখার কথা ছিলো যার/যাদের, তারাই আজ মায়াহীন হয়ে গেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে। মায়াবীরা আজ উশৃঙ্খল জীবনকেই কেন যেন বেছে নিতে বেশি আগ্রহী। তারা আজ মুক্ত-অবাধ স্বাধীনতার জীবন পেতে মরিয়া। তারা ছুটছে তো ছুটছেই, আকাশকে ছুঁয়ে দিতে; শিকড়কে ছাড়িয়ে, শিকড়ের মায়া ছেড়ে!

*বাস্তবতা* *সমাজ* *প্রেম* *মায়া* *মোহ* *আবেগ* *মেয়ে* *স্রষ্টা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: প্লীজ অভীমানি মেয়ে তুই ফিরে আয় আমার বুকে তকে যে বড্ড মিস করি তুই ছাড়া যে আমি বড্ড বেমানান ।। আকুতি তো কাছে সব কিছু ভূলে ফিরে আয় তুই ফিরে আয় একি ক্ষ্যাপার বুকে

*অভিমানী* *মেয়ে* *আকুতি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে ভালোবাসি বলবে কম, ভালবাসবে বেশী। মেয়ে তুমি এত বোকা কেন। খোঁচা খোঁচা দাড়ির কালোতে ভুল, ১৮০ সিসি বাইকের আলোতে ভুল, সিগারেটের ধোয়াতে ভুল। চশমার সাথে সত্যিই ভালোবাসার কোন সম্পর্ক নেই। মেয়ে তুমি তবুও চশমার কাঁচে ভুল…

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে গ্ল্যালাক্সি এনে দেয়ার স্বপ্ন না দেখিয়ে তোমাকেই পুরো গ্যালাক্সি বানাবে। চাঁদ কে দেখিয়ে দেবে প্রিয়তমার রূপ। উচ্ছল চোখে নিউ মার্কেটের ফুটপাথ থেকে কেনা লেইস ফিতার বাক্স থেকে দুলটা নিয়ে হাতে দুলিয়ে বলবে "কেমন। সুন্দর না!।"

মেয়ে তুমি সেই ছেলেকে খুঁজে নাও যে সপ্তাহের প্রতিটা দিন একটি করে লিপস্টিক তোমার হতে তুলে দিয়ে বলবে, লিপস্টিকের ফ্লেভার আমার ভীষণ পছন্দ। তোমার হতে হাত রেখে বাড়ির ছাদের রেলিং ধরে দাড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলবে এই আকাশ তোমায় দিলাম….

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে ফ্ল্যাটের রাস্তা না স্বপ্নের সিঁড়িটা দেখাবে। শরীরের ভাজে লুকানোর চেয়ে তোমার অভিমানের পাহাড় ডিঙ্গানোর উৎসাহ যার সবচেয়ে বেশি।

মেয়ে তারপর কোন এক বসন্ত বিকেলে,বাতাস কে সাক্ষী রেখে সে পাগলটার ঠোটের আটলান্টিকে ডুব দাও। তোমার লিপস্টিকের পূর্ণ ফ্লেভার তাকে উপভোগ করেতে দাও। মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও, ভালোবাসার থার্মোমিটার ফাটিয়ে দাও……

 

*মেয়ে* *ছেলে* *আবেগ* *প্রেম*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ওই মেয়ে কৃষ্ণআখি, সরাও তুমি তোমার দুটি চোখ, তুমি কি চাও তোমার ওই চোখে আমার মরন হোক

*মেয়ে* *চোখ* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি তোকে ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবো.....
ছেলে : চুপ থাক.....
মেয়ে : তুই কথায় কথায় বলিস আমাকে ভালবাসিস না.....
ছেলে : চুপ থাক.....
মেয়ে : হু.. এখন তো আমার কথাও শুনতে ভাল লাগেনা...
ছেলে : চুপ থাকতে বলসি নইলে কানের নিচে একটা দিব.....
মেয়ে : দে.. ওইটাই দে.....
ভালোবাসা তো দিবিনা.....
কানের নিচেই দে.....
ছেলে : চুপ করবি নাকি সত্যি লাগাব ??
মেয়ে : মেরে ফেল আর কতো কষ্ট দিবি ??
ছেলে : আমি তোরে কষ্ট দেই??
মেয়ে : হু দেস.....
ছেলে : তাহলে চলে যা দূরে.. আর কষ্ট পেতে হবেনা.....
মেয়ে : সেটাই তো চাস যে আমি দূরে চলে যাই.....
ছেলে : হু যা ভাগ তুই.....
মেয়ে : রাগ উঠতেছে কিন্তু......
ছেলে : ওইটার অপেক্ষায় তো আসি.....
মেয়ে : মানে??
ছেলে : মানে রাগলে তোকে অনেক সুন্দর লাগে.....
মন চায় বুকে চেপে ধরে রাখি অনন্ত কাল.....♥♥
মেয়ে : তুই এতো ফাজিল কেন?
ছেলে : তুই এতো ভাল তাই আমি এতো ফাজিল.....
এখন চুপ করে করে মাথা রেখে ঘুমা.....
আমি তোর নিঃশ্বাস শুনি..

*ভালোবাসা* *আবেগ* *জড়িয়েধরা* *ছেলে* *মেয়ে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছেলেটি মস্ত এক ক্ষ্যাত ছিল। যেনতেন ক্ষ্যাত নয়, একেবারে জৈবসার সমৃদ্ধ উর্বর ক্ষ্যাত। কখন কোন পরিস্থিতিতে কি বলতে হবে, তা তার ক্ষ্যাত মস্তিষ্কে কস্মিনকালেও আসে না। ঠিকমতো গুঁছিয়ে কথা বলাটি সে তার জন্মেও শিখতে পারে নি। তবে কোন ঘটনা ঘটে যাবার পর, কিংব উল্টোপাল্টা কিছু বলে বা করে ফেলার পর হয়তো সে বুঝতে পারে যে কি বোকামীটাই না সে করে ফেলেছে। তখন রাগে-দুঃখে সে তার মাথার গুটিকয় চুল ছিড়তে থাকে। ভাবে- "ইশ, তখন কথাটি এভাবে না বলে ওভাবে বলতাম!" বা "কাজটি যদি ঠিকমতো করতে পারতাম!" এই বিবেচনায় তাকে একেবারে এঁদো ক্ষ্যাত হিসেবে আখ্যায়িত করা সুবিচারপ্রসূত হবে না। সে ক্ষ্যাত, তার মধ্যে রবি শস্যের আবাদ হয়তো করা যাবে না, কিন্তু উন্নত জাতের ফডার ঘাস দিয়ে এই ক্ষ্যাত নিশ্চিতভাবেই ভরিয়ে তোলা যাবে। ছেলেটিও দীর্ঘ ক্ষ্যাত জীবন যাপন করতে করতে একসময় উপলব্ধি করতে পারে যে, সে একটা বিশাল মাত্রায় ক্ষ্যাত। এই ক্ষ্যাত অবস্থা থেকে মুক্তি না পাওয়ায় ছেলেটি ভেতরে ভেতরে আরও গুঁটিয়ে যায়। আজকাল অনেক কথাই আর প্রকাশ করে না সে, পাছে আরো বড় কোন অঘটন ঘটিয়ে ফেলে!

যদিও ছেলেটি বিশাল মাত্রায় ক্ষ্যাত এবং কেউই এমন ক্ষ্যাত জীবন চালিয়ে নিতে চায় না, মাঝে মাঝে এই ক্ষ্যাত ছেলেটিরও স্মার্ট হয়ে তার ক্ষ্যাতাবস্থা থেকে পরিত্রাণ লাভ করতে চায়। সে-ও চায় একটু স্মার্ট হয়ে লোকজনের কাছে নিজেকে শো-অফ করবে। কিন্তু অতিমাত্রায় ক্ষ্যাত হলে যা হয় আরকি- সবকিছু ভজকট পাকিয়ে কিছু না কিছু গুবলেট করে ফেলে সে। সে তার আউটলুকের পরিবর্তন আনতে চায়, চায় স্মার্ট ছেলেদের মত করে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে। নতুন হেয়ার কাট, ট্রেন্ডি পোষাক-আশাক, ইত্যকার ফ্যাশন এক্সেসরিজ নাই যে ছেলেটি ট্রাই করে দেখে নি। কিন্তু ক্ষ্যাতের ভাগ্যের শিকে আর ছিঁড়ে না। দু'চারদিন পর সে তার পুরনো ক্ষ্যাত চেহারাতেই ফিরে যায়। হাল আমলের ক্রেজ আর তার বয়ে বেড়ানো হয় না। লোকজন তাকে আরও পচায়, সে-ও পচে। পচতে পচতে সে আরও উর্বর হয়। যে হারে সে পচতে থাকে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে তার মধ্যে ধানের বাম্পার ফলন সম্ভব বলে মোটামুটি নিশ্চিন্ত হওয়া যায়। এভাবে দিনকে দিন তার ক্ষ্যাত অবস্থার উন্নতি বৈ অবনতির কোন লক্ষণ দেখা যায় না। ফলে সে-ও এই ক্ষ্যাত হওয়াটাকে নিয়তির অংশ হিসেবে মেনে নিত বাধ্য হয়।

ক্ষ্যাত হলেও মাঝে মাঝেই তার মানবজাতির সহজাত আকাঙ্খা-অনুকরণপ্রিয়তা জেগে ওঠে। আশেপাশের লোকজনের স্মার্ট লাইফস্টাইল দেখে সে-ও তাদের মত করে জীবন সাজাতে চায়। আজকাল সে স্মার্টনেসের নতুন একটা দিক খুঁজে পায়। অধিকাংশ স্মার্ট ছেলে এক বা একাধিক মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়ায়। নিজের লিমিট সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল না হলেও সে এটা বুঝতে পারে যে, কোন একটি মেয়েকে পটাতে পারলেই তার ক্ষ্যাত জীবন স্বার্থক হবে। তাকে আর সবাই ক্ষ্যাত বলে টিটকারী মারতে পারবে না। এমন আজাইরা ভাবনা থেকেই সে এর-ওর কাছে একটা মেয়ের সন্ধান চায়। তার সাথে কারো লাইন-ঘাট করে দেয়ার জন্য অনুনয় করে বেড়ায়। কিন্তু ক্ষ্যাত ছেলের ক্ষ্যাতমার্কা ভাগ্যে কিছু জোটে না।

তার এই ক্ষ্যাত জীবনে কয়েকজন দয়াশীল লোকজন তাকে বন্ধু হিসেবে স্বীকৃতি দেয়াটাও তার একটা বিশাল এক অর্জন বলে সে স্বীকার করে। এই বন্ধুমহলও অনেক চেষ্টা করে বেড়ায় যাতে তাদের এই ক্ষ্যাত বন্ধুটির কপালে কোন নারীর সংস্পর্শ এসে এর ক্ষ্যাতজীবনের খানিকটা উন্নতি ঘটুক। কিন্তু তাদের অনেক চেষ্টাগুলোও সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হতে থাকে। কোন সুস্থমস্তিষ্কের নারীই এমন ক্ষ্যাতের সাথে তাদের জীবন জড়াবে না। ফলে ক্ষ্যাত ছেলেটির সিঙ্গেল থেকে কাপল তকমা লাগিয়ে উদ্ভট উপায়ে স্মার্ট হওয়াও আর হয় না। বন্ধুদের পক্ষে আর অসাধ্য সাধন করা সম্ভব হয় না। ব্যর্থ হৃদয়ে ছেলেটি তার দীর্ঘ ক্লান্তিকর জীবন টানতে থাকে আর হা-হুতাশ করতে থাকে

ছেলেটিও অন্যদের দেখাদেখি ফেসবুক নামক উর্বর স্থানে তার ক্ষ্যাতমার্কা সময়গুলোর নিয়মিত সদ্ব্যবহার করে থাকে। তার ফেসবুকের বন্ধুলিস্টে সে নানা প্রকার বন্ধু খুঁজে পায়। এদের কেউ আল্ট্রা স্মার্ট, দু'-চারজন ওভার স্মার্ট, কয়েকজন শুধুই স্মার্ট। এইসব স্মার্ট বন্ধুরা তাদের পার্টনারদের নিয়ে কাপল সেল্ফি, চেক ইন, ডাইন ইন ফেসবুকে আপলোড দেয়। নিউজফিডে চোখ বুলায় আর এদের জীবন দেখে ছেলেটির হতাশা বারতে থাকে। তবে কয়েকজন ক্ষ্যাত বন্ধুও তার চোখে পড়ে। তাদেরকে সে কিছুটা স্বান্তনা খুঁজে পায়। প্রতিরাতে সে ফেসবুকে লগইন করে আর বন্ধুদের কার্যকলাপ দেখে। তবে ফেসবুকে তার সবচেয়ে ভালো সময় কাটে বিভিন্ন ফানপেইজের মজাদার ট্রল, মিম, ভিডিও দেখে। এসব দেখে সে প্রাণখুলে হাসে, কখনো কখনো হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খায়। কিছু সময়ের জন্য হলেও সে তার বিরক্তিকর জীবনের যন্ত্রণা ভুলে থাকে।

এমন করে হতাশা-ব্যর্থতার জীবনটাকে ছেলেটি প্রায় মেনে নিয়েছ। সে বুঝতে পারে যে তার আর এ জন্মে প্রেম করা হবে ন, আর স্মার্টনেসের ধারের কাছেও ঘেষা হবে না। নিত্যকার মতো সেরাতেও ক্ষ্যাত ছেলেটি ফেসবুক খুল বসে ছিল। বন্ধুদের সঙ্গে ক্যাজুয়াল আলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে তার ফোনটি বেজে উঠল। ছেলেটি ঘড়ি দেখল, রাত প্রায় ১ টা। এত রাতে কে ফোন দিল ! সাধারণত ছেলেটির ফোনে খুব একটা কল আসে না। মাঝে মাঝে বাড়ির বাইরে আড্ডা দিতে দিতে দেরি করে ফেললে বাসা থেকে ফোন যায়। আর কিছু বন্ধু-বান্ধব অতি প্রয়োজনে কিছু কল দেয়। তাই বলে এত রাতে কেউ কল দেয় না। টেবিল থেকে মোবাইল ফোনটি হাতে নিয়ে স্ক্রিনে তাকালো সে, অচেনা নাম্বার! কে আবার এত রাতে কল দিল ! ছেলেটি কলটি রিসিভ করে বলল:

-হ্যালো।

-হ্যালো। আপনি ক্ষ্যাত ছেলেটি বলছেন?

-হ্যা, আমি ক্ষ্যাত ছেলেটি বলছি।

ছেলেটি অবাক হলো, অচেনা কণ্ঠস্বর-নারীর কণ্ঠ। চিনতে না পেরে সে তার পরিচয় জানতে চাইল। কিন্তু টেলিফোনের অপরপাশের মেয়েটি তার পরিচয় না দিয়ে উল্টো বলে:

-মাঝে মাঝে এই নাম্বারে কল দিবেন।

-দিলাম, কিন্তু কেন?

-দিতে বলেছি, দিবেন। না দিলে রিগ্রেট করবেন।

ছেলেটি তো আকাশ থেকে পড়লো! কি বলে এই মেয়ে ! এটা কি করে সম্ভব! ছেলেটি ভাবে। ক্ষ্যাত হলেও তার মাথায় এই বুদ্ধিটুকু আছে যে কোন মেয়ে তাকে অন্তত কল দিয়ে এভাবে বলবে না। ক্ষ্যাত ছেলেট পুরোপুরি বিস্ময়ে বিমূঢ়। কিছুটা ঘোর কাটিয়ে ছেলেটি জিজ্ঞেস করে:

-মানে!

-মানে কিচ্ছু না। মাঝে মাঝে কল দিবেন।

-আচ্ছা, তা না হয় দিলাম। কিন্তু আপনি কে বলছেন?

-আরে ধীরে ধীরে। যেদিন আমার মুড ভালো থাকবে, সেদিন বলব-আমি কে।

-এখন কি মুড ভালো নেই? এখন বলেন।

-না, এখন মুড ভালো নেই আমার। এখন তো বলতে ইচ্ছে করছে না।

-ওহ, তাই?

-হুম, তাই।

এ পর্যন্ত ছেলেটি মোটামুটি ঠিক ছিল। কিন্ত পরের কথা শুনে তার মাথা পুরো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল। মেয়েটি হঠাৎ বলতে শুরু করলো:

-আচ্ছা, আপনি এত মুডি কেন?

-মুডি ! আমি মুডি ? মানে?

-হ্যা আপনার অনেক মুড।

মেয়েটি বলে চলে:

-আর হ্যা, আপনার গেটআপটায় একটু চেঞ্জ আনেন। বুঝছেন?

-মানে !

-মানে, নতুন হেয়ার কাট নেন। ট্রেন্ডি পোষাক-আশাক পরেন। ট্রাই সামথিং নিউ।

-ওকে।

ছেলেটি বুঝতে পারল না, আর কি বলবে। সে প্রশ্ন করে:

-আচ্ছা, আপনি কি আমাকে চেনেন?

-চিনতে পারি।

-আমি কি আপনাকে চিনি?

-চিনতে পারেন।

-তাহলে বলছেন না কেন, আপনি কে?

-ঐ যে বললাম আজকে মুড নাই।

-ওহ, তাই?

-হ্যা। আচ্ছা ভালো থাকবেন।

-হুম।

-আর হ্যা মাঝে মাঝে এই নাম্বারে কল দিবেন। শুভরাত্রি।

-শুভরাত্রি।

এরপর অপরপাশ থেকে লাইনটি কেটে গেল। ছেলেটি কিছু সময়ের জন্য অবাক হয়ে পুরোই তব্দা খেয়ে গেল। সে বুঝতে পারছে না, এইমাত্র তার সাথে কি ঘটে গেল। অবশেষে কি তার ক্ষ্যাত জীবনের মধুর পরিসমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে, নাকি সে কোন প্র্যাঙ্কের শিকার হলো! সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে সে মনে মনে ঠিক করলো- নাহ, স্মার্ট তাকে হতেই হবে। যদি সত্যিই কেউ এসে থাকে তবে তো আর ক্ষ্যাত থাকা সম্ভব না।

সেরাতে তার ক্ষ্যাত অবস্থার আশু উন্নতির স্বপ্ন দেখতে দেখতে ছেলেটি ঘুমাতে গেল। ছেলটির সেরাতের ঘুমটি অস্বস্তিকর সুন্দর হলো।

*ক্ষ্যাত* *ছেলে* *স্মার্ট* *মেয়ে* *ভালোবাসা* *আবেগ* *ফোন* *কল* *গল্প*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমার সব রকমের মেয়েকে ভাল্লাগেনা। যেসব মেয়েদের ভালো লাগে তাদের লিস্ট দিচ্ছিঃ

- যে মেয়ে সুন্দর,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে হাসলে টোল পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে হিজাব পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ঠোঁটের আশেপাশে তিল আছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের দাঁত সব ঠিক আছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের দাঁত আঁকাবাঁকা,উঁচু তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের চুল বড়,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে স্কুলে পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে কলেজে পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে ভার্সিটি তে পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে সিংগেল,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে মিংগেল,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে ছ্যাঁকা খেয়েছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে ছ্যাঁকা খায়নি,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ভয়েস সুন্দর,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়েকে শাড়ী তে সুন্দর লাগে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়েকে সব ড্রেস এই মানায়,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ফেসবুক আইডি আছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ফেসবুক আইডি নাই,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ভাইবোন নাই,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান না,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের বান্ধুবী নাই,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের বান্ধুবী আছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের প্রেম ভালো লাগে না,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের প্রেম করার অনেক শখ,তাকে ভালো লাগে!

আবার বলছি,আমার কিন্তু সব রকমের মেয়ে ভালো লাগে না! যার সব রকমের মেয়ে ভালো লাগে, সে তো 'বাজে' ছেলে! প্রচুর বাজে ছেলে!

*মেয়ে* *ভালোলাগা* *তিল* *বাজে* *ছেলে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একজন মেয়েকে তখনই দেখতে অপরূপা লাগে যখন তার মুখে হাজার টাকার মেকাপ না থেকে পাঁচ টাকা মুল্যের জিনিষের সাজ থাকে যেমনঃ "চোখের নিচে একটু সাধারন কাজল আর কপালে একটা ছোট টিপ"

*টিপ* *মেয়ে* *বাস্তবতা* *ভালোলাগা* *ভালোবাসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: দুষ্টুমির বয়সের ১৪ বছরের বালিকার বিয়ে হলো, খেলার বয়সে সে জীবন সংসারের অনেক চাপ নিতে শিখে গেলো। শুধু চাপ না, অনেক অনেক অনেক চাপ। নানান মানুষের নানান কথা। এই কথা হজম করার মত চাপ এখনকার যুগের মেয়েদের নাই। ☺ আজ সে শ্বাশুরি, আজ সে দাদী, আজ সে নানি। #জীবন_চক্র

*জীবন* *চক্র* *মেয়ে* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: বাসা থেকে বিয়ে দিবে (হার্ট) কিন্তু মেয়ে কোই পাবো (শয়তানিহাসি) কারো সন্ধানে থাকলে বইলেন (খুশী২)

*মেয়ে* *বিয়ে*

রবিন পথিক: আজকাল দেখা যায়, পাত্র পেচার মত হলেও পাত্রী চাই ফর্সা, সুন্দরী, লম্বা, স্বাস্থ্যবতী, শিক্ষিতা, নব্যরুচিশীলা, বড়লোকের কন্যা। চরিত্র ও স্বভাবের ব্যাপারটি বরাবরের মতই উপেক্ষা করা হয়। অসংখ্যবার দেখেছি রীতিমতো চারিত্রিক সমস্যাগ্রস্ত মেয়েদেরও হটকেকের মত বিকিয়ে যেতে। অথচ বুদ্ধিমতী, সচ্চরিত্রা, উত্তম স্বভাবসম্পন্না মেয়েদের বিয়ে হয়না। [পিরিতি-পেমকরবা]

*বিয়ে* *পাত্র-পাত্রী* *সুন্দরী* *কন্যা* *চরিত্র* *মেয়ে* *সামাজিকতা* *সৌন্দর্যপ্রীতি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এক তরুণ ইঞ্জিনিয়ার ট্রেনের এসি কামরায় ভ্রমন করছিলেন ৷ ভদ্রলোকের পাশের সিট খালি। আশে পাশেও কেউ নেই। ট্রেন মোটাুটি খালিই বলা চলে।
.
একটু পরে, একজন সুন্দরী মেয়ে উঠে ভদ্রলোকের পাশের সিটটাতে বসলেন ৷ ইঞ্জিনিয়ার বেশ খুশি হলেন এই ভেবে যে, যাক জার্নিটা বোধহয় বোরিং হবে না!
.
ভদ্রমহিলা ইঞ্জিনিয়ার এর  দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছিলেন । এতে ব্যাংকার ভদ্রলোকের মনের ভেতর খুশির জোয়ার বইতে শুরু করলো। মেয়েটি ইঞ্জিনিয়ার তরুনের আরও ঘনিষ্ট হয়ে বসলেন । তরুন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কি করবেন আর কি না করবেন বুঝে ওঠার আগেই মেয়েটি ওই তরুনের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললেন 'সঙ্গে যা আছে ঘড়ি, টাকা, পার্স সব বের করুন, নয়তো চিৎকার করে পুলিশ ডেকে বলব যে, আমাকে একলা পেয়ে, আপনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করার চেষ্টা করছিলেন।'

*ভালোবাসা* *ইঞ্জিনিয়ার* *টাকা* *মেয়ে* *জোকস* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যৌনতা বন্ধ না হলে, ধর্ষণ বন্ধ হবে কি?? দয়া করে পুরো লেখাটা পড়বেন।

♦মোবাইল ভর্তি যৌনতা-- ইহা স্মার্টনেস !
♦টিভি ভর্তি যৌনতা-- উহা তো সিনেমা !
♦কাগজ ভর্তি যৌনতা-- উহা তো কবিতা !
♦ক্যাসেট ভর্তি যৌনতা-- উহা সঙ্গীত !
♦বিলবোর্ড ভর্তি যৌনতা-- উহা তো বিজ্ঞাপন !
♦ক্যানভাস ভর্তি যৌনতা-- উহা তো পেইন্টিং !
♦পাথর ভর্তি যৌনতা-- উহা তো ভাস্কার্য !

সমগ্র পৃথিবীর'' খাঁজে-ভাঁজে '' মাংসে-অংশে '' পাহাড়ে-নহরে '' উদ্যানে-বিদ্বানে '' শহরে-নগরে '' কন্দরে-বন্দরে যৌনতা !!!
উহা যে শিল্প'' উহা যে আর্ট'' উহা যে আর্টেরই পার্ট।
-------------------------ফলাফল------------------------
বাসে ধর্ষণ, বাসায় ধর্ষণ, গাঁয়ে ধর্ষণ, শহরে ধর্ষণ, কিশোরী ধর্ষণ, তরুণী ধর্ষণ, কোচিংয়ের নামে ধর্ষণ, পড়ানোর নামে ধর্ষণ, রাজনিতির নামে ধর্ষণ, নেত্রী বানানোর নামে ধর্ষণ, মডেলিংয়ের নামে ধর্ষণ, বিরহের নামেও ধর্ষণ!!

♥আজ বিপর্যস্ত মাধ্যাকর্ষণ ♦
সামাজিক স্ট্যাটাস বাড়াতে,আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক হতে গিয়ে নিজের অল্প বয়সি মেয়েটাকে যখন টাইট ফিটিংস জাতীয় পোষাক কিনে দিলেন!একবার ও ভাবেন নি,এই পোষাকটাই আর তার জীবন নাশের কারণ হয়ে দাড়াতে পারে!! ভেবেছেন কি??এ সমস্ত ফিটফাট পোশাক পড়লে মেয়েটাকে আরো ভালো লাগবে?? না!! ভুল!!

শালীনতার পরিবর্তে নিজেই যখন অশালীনতা বেছে নিলেন, কেন তবে ধর্ষকদের শাস্তি দাবী করেন?? ধর্ষকদের স্বাধীনতা চাওয়া উচিত। ধর্ষণের চাইতে আরও মারাত্বক বিষয়কে স্বাধীনতা দেয়া হলে, ধর্ষণতো নিজেদের তৈরিকৃত একটা ক্ষেত্র মাত্র!!
কিছু দিন পরে,কেউ হয়তো বুক ফুলিয়ে গর্ব করে বলবে আমি ধর্ষণকারী,সূচনা হবে নতুন দিগন্তের। রচিত হবে বাণী। ধর্ষণ হবে সামাজিক মূল্যবোধের মাপকাঠি। ধর্ষণ ই দর্শক। বিশ্ব বিদ্যালয়ে একটি সাবজেক্ট অন্তরবুক্ত হবে,গান রচিত হবে,কোরাশ গাইতে থাকবে ধর্ষণের জয় গান।

*বাস্তবতা* *ধর্ষন* *সমাজ* *আবেগ* *মেয়ে* *নারী* *মূল্যবোধ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ম্যালা দিন আগের কতা ।
যহন পুরা বাসাআ খালি ।
লিটনের ফ্যালাট জিনিস ট্যা এভ্যা কইরা তহনো ছড়ায় নাই ।
রুমে শুয়ে আছি কাথা মুড়ো দিয়ে আর চাচাত ভাইয়ে রান্না ঘরে ভাত চরাইয়া দিছে ।
আরিফে খুজ পাইছে বাসায় কেউ নাই ।
অনেক দিন
ধরেই জ্বালাইতাছে কবে বাসার সবাই বাইরে যাবে আর বাসা ডা
দুই চার দিন এর জন্য খালি হইবো ।

 

আরিফ ফাজিলে তহন পড়ে কালাস এইট এ আর ঐর প্রেমিকা পড়ে কেলাস সিক্স এ ।

এমনি তেই শীত তার উপর মাথায়র উপর ফ্যান ঘুরতাছে
আর রুম ডা রে গ্রীনল্যান্ড এর মতন শীতল কইরা ঘুমাইতাছি
। এর মাঝে আরিফ তার প্রেমিকা কে নিয়ে একবারে বাসার
রুমের মাঝে ডুকে ডাকাডাকি শুরু করছে ।

 

চাচাতো ভায় ভয়ে রান্না ফালাইয়া আইয়া দেহে এক মাইয়া নিয়ে আরিফ রুমে দাড়াইয়া আছে ।

মাথা বের করে দেখার চেষ্টা করলাম ঘটনা কি ।
--ভাইয়া ভালো আছেন তো
হুম আমি ভালো
আপনি ভালো তো
এই মেয়ের সাথে এমন হরর পরিস্থিতিতে বাচ্চিত করতে ভয় ই লাগতাছে ।

 

কাথা গায়ে জড়িয়ে অন্য রুমে গেলাম কাপড় ঠিক করতে । এসে দেখি মেয়ে আমার রুমে পরিষ্কার করে দিছে যেটা দুই দিন ধরে আমাজান এর বন হয়ে আছিলো ।

 

আরিফে কইলো বাইরে গিয়া পাহারা দে আমাগো একটু একলা ঘরে থাকতে দে ।

 

নতুন কেনা ফোন নিয়া চাচাত ভাই রে নিয়া বাইরে গিয়া দরজার ফাক দিয়ে কি হয়ে দেখার বহুত চেষ্টা করলাম ।


উপায় না পেয়ে ঘরের বাইরে জানালার পাশে গিয়ে কান পেতে শুনার চেষ্টা করতাছিলাম আরিফে কি আলাপ পারে ।

 

চাচাত ভাই আইবার লইয়া ক্যাদায় পড়ে বিরিকিচ্ছিরি অবস্থায় পড়ে ফিরে গেলো ।

 

না সেই বার আরিফ তেমন কিছুইই করতে পারে নাই ললনার হাত খান ধরা ছাড়া ।
তাগোর বিদায় দিয়া আমরা রান্না করতে শুরু করতে করতে আলাপ জুড়ে দিলাম

আমাগোর কি হইবো সামনে ।

 

চাচাত ভাই সামিরে নতুন এক নাম্বার যোগার কইরা মিস কল দিতাছে এই ভরসায় যে মাইয়া কল করতে পারে ।

তহন অবশ্য সাত টেহা মিনিট ছিলো ফোন তাই মিস কল দিয়েই প্রেমের শুরু করন লাগতো ।
#ronykhan_ron

*রুমডেট* *ভালোবাসা* *আদিম* *আবেগ* *বন্ধু* *মেয়ে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

যে মেয়েটা বেশি বেশি সেলফি তুলে তার রুপের অহংকার খুব বেশি ।। সে যতোই সুন্দরী হোক না কেন আপনার লাইফ বরবাদ করার জন্য এই একটি চিজ ই যথেষ্ট ।।
*মেয়ে* *সেলফি* *সুন্দরী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★