মোবাইল টিপস

মোবাইলটিপস নিয়ে কি ভাবছো?

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্রায়ই যে ব্যাপারটি নিয়ে বিরক্তি এবং অভিযোগ করে থাকেন তা হলো অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ব্যাটারি ব্যাকআপ। শক্তিশালী প্রসেসর, র‍্যাম, হাই রেজুলেশন ডিসপ্লে এবং নানাবিধ ব্যবহারের কারণে অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় দেখা যায় ব্যবহারকারী ব্যক্তি তার কাঙ্ক্ষিত ব্যাটারি ব্যাকআপ পাচ্ছেন না।

অথচ সহজ কিছু টিপস ফলো করে সহজেই ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়িয়ে নেয়া সম্ভব।আজকে আপনাদের জন্য থাকছে অ্যান্ড্রয়েডে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর কিছু কৌশল।

১) বিনা প্রয়োজনে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের  Wifi, GPS, Bluetooth, 3G কানেক্টিভিটি অন করে রাখবেন না। Wifi, GPS, Bluetooth, 3G প্রচুর ব্যাটারি ইউটিলাইজ করে থাকে।

২) আপনার ডিভাইসটি অটো ব্রাইটনেস সমর্থিত হলে সেটি অটো করে রাখাই ভাল। অটো ব্রাইটনেস না থাকলে ম্যানুয়ালি সেট করে নিলে ভাল ব্যাকআপ পাওয়া যায়। সব সময় ডিসপ্লে ব্রাইটনেস ১০০ তে দিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই।
মোট কথা, অযথা বেশি ব্রাইটনেস ব্যবহার না করে সময় উপযোগী ব্রাইটনেস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এতে আপনার দৃষ্টিশক্তি যেমন ভাল থাকবে, ব্যাটারি ব্যাকআপও বৃদ্ধি পাবে অনেক গুণ।

৩) লাইভ ওয়ালপেপার জিনিসটা ব্যবহার না করাই শ্রেয় কেননা এটি বেশ ভাল ব্যাটারি ইউটিলাইজ করে। বিশেষ কোনও প্রয়োজনে যেমন বন্ধু মহলে ডিভাইসটির আকর্ষণ বাড়াতে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন তবে নিজের হাতে আসতেই সাধারণ ওয়ালপেপার সেট করে নিন। কারও কারও মতে কালো রঙের ওয়ালপেপার ব্যবহার করলে আরও ভাল ফল পাওয়া যায়।

৪) সেন্সর ব্যবহার করে কাজ করে এমন কোনও অ্যাপস বন্ধ করতে চাইলে কেবল মিনিমাইজ না করে পুরোপুরি বন্ধ করবেন। আইসক্রিম স্যান্ডউইচ এবং এর পরবর্তি অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনগুলোতে খুব সহজেই হোম বাটন চেপে ধরে সেই এপস টাকে ডানে বামে সোয়াইপ করে বন্ধ করতে পারবেন। অন্যান্য ভার্সনের ক্ষেত্রে কোনও ভাল টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করুন।

৫) একটার বেশি Antivirus কিংবা Battery Saver অ্যাপস কখনও ব্যবহার করবেন না। Juice Defender অ্যাপসটি ব্যাটারি সেভার হিসেবে বেশ কাজের। গুগল প্লে স্টোর থেকে এটি বিনা মুল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

৬) রুটেড ডিভাইস ব্যবহারকারীগন অ্যাপ রান টাইম ম্যানেজমেন্ট এর জন্য  Greenify অ্যাপটি ব্যাবহার করতে পারেন। এতে করে অযাচিত, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস আপনার ডিভাইসের ব্যাকগ্রাউন্ড এ রান করতে পারবে না, ফলে ব্যাটারি অনেক বাড়বে। এই অ্যাপটিও প্লে স্টোর থেকে বিনা মুল্যে ডাউনলোড করা যাবে

*মোবাইলটিপস* *ফালতুপোস্ট* *কখগঘঙ* *ঈশানরাব্বী* *টিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে এন্ড্রয়েড ফোন রুট করব?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*মোবাইলফোন* *রুট* *রুটকরা* *মোবাইলটিপস*

delete: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১. এনক্রিপশন চালু করুন : স্মার্টফোনটিকে সাইবার অপরাধীদের হাত থেকে বাঁচাতে সবচেয়ে সহজ উপায়টি হলো এনক্রিপশন চালু করে নেওয়া । ফোন কেনার আগেই দেখে নেওয়া উচিত তাতে শক্তিশালী এনক্রিপশন সফটওয়্যার রয়েছে কিনা । তবে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে সাধারণত এমন সফটওয়্যারগুলো থাকে না । তাই থার্ড পার্টি অ্যাপ নিতে হবে । পাশাপাশি ফোনের মেমোরি কার্ডের নিরাপত্তা দেয় এমন সফটওয়্যার নেওয়া উচিত ।

২. প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলুন : যে ব্র্যান্ডের ফোন কিনছেন তাদের কাস্টমার কেয়ারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলুন । তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু সফটওয়্যার দিয়ে সাহায্য করতে পারেন।

৩. অটো-সেভ ফিচার বন্ধ করুন : হ্যাকারদের লক্ষ্য যখন আপনার স্মার্টফোন, তখন ফোনের অটো-সেভ অপশনটি বন্ধ করে রাখা ভালো । এই অপশনটির সুবিধা নিয়ে সাইবার অপরাধীরা আপনার ফোন থেকে সহজেই পাসওয়ার্ড ও অন্যান্য তথ্য চুরি করতে পারবে ।

৪. বুঝে-শুনে অ্যাপ ইনস্টল করুন : ভালো এবং কাজের অ্যাপস খুঁজে নিয়ে তা ব্যবহার করুন । কেমন দেখার জন্য যেকোনো অ্যাপ ইনস্টল করে ফেলবেন না । এসব অ্যাপের মধ্য তথ্য চুরির অ্যাপও থাকতে পারে ।

৫. সচেতন হয়ে পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করুন : পাবলিক ওয়াই-ফাই আসলে কিন্তু নিরাপদ নয় । এসব স্থান হ্যাকারদের বড় লক্ষ্য । বিশ্ববিদ্যালয়, শপিংমল বা যেকোনো পাবলিক ওয়াই-ফাই সচেতন হয়ে ব্যবহার করবেন ।

৬. ব্রাউজার হিস্ট্রি মুছে ফেলুন : খুব সহজ একটি কাজ কিন্তু ব্যাপক নিরাপত্তা দেবে । স্মার্টফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যে কাজই করুন না কেন, কাজ শেষে হিস্ট্রি মুছে ফেলুন । নিয়মিত কাজটি করা চাই । 

৭. একটি ট্র্যাকিং অ্যাপ ইনস্টল করুন : সাইবার অপরাধীদের হাত থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতের পর একটি ট্র্যাকিং অ্যাপ ইনস্টল করুন । ফোনটি হারিয়ে গেলে তা খুঁজে পেতে সুবিধা হবে । গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসহ স্মার্টফোনটি যদি হারিয়ে যায়, তবে এই অ্যাপের মাধ্যমে তা ফেরত পাওয়ার আশা রয়েছে ।
*মোবাইলটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★