রবীন্দ্রনাথ

রবীন্দ্রনাথ নিয়ে কি ভাবছো?

বিম্ববতী: "লালন সঙ্গীতের দার্শনিক ও নান্দনিক প্রভাব যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রচন্ডভাবে আলোড়িত করে তুলেছিলো। তখন রবীন্দ্রনাথের চেতনার জগতে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন সাধিত হয়। হাল সংস্কৃতিতে লালিত কবি রবীন্দ্রনাথ ধীরে ধীরে রবীন্দ্র বাউলে পরিণত হন। প্রেম ও প্রকৃতির কবি ধীরে ধীরে ঈশ্বর কেন্দ্রিক ও মানবকেন্দ্রিক হয়ে ওঠেন। রবীন্দ্রনাথের সব ধরনের রচনা, গান, কবিতা, গল্প, নাটক সবই বাউল দর্শন এবং বাউল ভাবে প্রভাবিত,," https://goo.gl/bnYfvC

*লালন* *রবীন্দ্রনাথ* *বাউল* *দর্শন*

মকসুদা হালিম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রবীন্দ্রনাথের প্রেম

সৈয়দা মকসুদা হালিম

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে এতো মানুষ লেখালেখি আর গবেষণা করেছে যে তাঁর সম্পর্কে নতুন করে কিছু লেখার বিষয় --আমার মতো অলেখকের জন্যে
বাকি রাখা হয়নি! তার পরেও রবীন্দ্র মৃত্যুবার্ষিকীতে কিছু লিখতে মন চাইলো। তাঁকে যতই জানা যায়, বিস্ময়ে হতবাক হতে হয়। আজ পর্যন্ত কোন কবিই তাঁকে অতিক্রম করে এগিয়ে
যেতে পারেনি। যুদ্ধোত্তর পৃথিবী, মানুষের চিন্তাধারা ও জীবনাচরণের আমূল পরিবর্তন ঘটালেও আজ পর্যন্ত কোন কবিই রবীন্দ্রপ্রভাব এড়াতে পারেননি । সজ্ঞানে হোক বা অজ্ঞানে মানুষ
তাঁরই পদরেখা অনুসরণ করে চলেছে। অনেকের মতে নজরুল, জীবনানন্দ--এরা রবীন্দ্রপ্রভাব মুক্ত ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যকে যে উচ্চ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন,
রবীন্দ্রনাথের জন্ম না হলে তারা কি লিখতেন ? ভারতচন্দ্রের মতো কাব্য নাকি পাঁচালি ?
আমি নিতান্তই অজ্ঞ এবং অসাহিত্যিক ! আমার এতো যোগ্যতা নাই যে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে নতুন কিছু লিখবো। তাঁর সম্পর্কে জানতে গিয়ে জানলাম এক চিরদুঃখী অপরিসীম
নিঃসঙ্গ এক রবীন্দ্রনাথকে। বেঁচে থাকতে তাঁকে এ দেশের মানুষ যোগ্য সম্মান দেয়নি। পদেপদে অপমান, অবহেলা, কর্মে বিঘ্নতা--তাঁর নিত্যসঙ্গী ছিল। সুহৃদ বন্ধু ছিলনা কেউ। মাত্র ষোলটা
বছর তিনি সুখি ছিলেন ৭ থেকে ২৩। তার জীবনে বসন্ত বলতে এই ক'টা দিন, কাদম্বরী মরে গিয়ে তাঁকে একদিকে যেমন নিঃস্ব রিক্ত করে গেছেন তেমনি অন্যদিকে বিধাতা তাঁকে পূর্ণ করে
দিয়েছিলেন তাঁর বহুমুখী প্রতিভা আলোয় ! কাদম্বরী বেঁচে থাকলে আমরা হয়তো আজকের এই রবীন্দ্রনাথকে পেতাম না ।
কাদম্বরীর সাথে রবীন্দ্রনাথ কতোখানি জড়িয়ে ছিলেন ? কেমন করে এতোখানি জড়ালেন ? দুঃখের সাগরে হাবুডুবু খাওয়া একটা মানুষ সামান্য আশ্রয়ের জন্য সামনে কোন অবলম্বন
পেলেই যেমন আকড়ে ধরে---ঠিক তেমনি ভাবেই জীবনযুদ্ধে বিপর্যস্ত শিশু রবি কাদম্বরীর বাড়িয়ে দেওয়া হাত ধরেছিলেন। একসাথেই তাঁদের জীবনে বসন্ত এসেছে। অনেক রবীন্দ্র-ভক্ত তাঁর চরিত্রে কলংকের
ছোঁয়া যাতে না লাগে-- তারজন্যেই কাদম্বরী-রবীন্দ্রনাথের প্রেমকে ' নিকষিত হেম, কামগন্ধ নাহি তায় '---বলে তাদের সম্পর্ককে এড়িয়ে গেছেন। কাদম্বরীর আত্মঘাতিনী হওয়ার কারন হিসেবে
স্বামীর পকেট থেকে পাওয়া নটী বিনোদিনীর আবেগঘণ প্রেম পত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু শান্তিনিকেতনের তরুণ লেখক কল্পনা বসাকের গবেষণা গ্রন্থ " রবীন্দ্রনাথের কল্পলোক ও
সমাজ বাস্তবতা " থেকে জানা যায়-- 'এ কথা তাঁর আগে থেকেই জানা ছিল', যেমন জ্যোতিরিন্দ্রনাথেরও জানা ছিল, কাদম্বরী-রবীন্দ্রনাথের প্রেম সম্পর্ক ! রবীন্দ্রনাথের বিবাহটা কাদম্বরীকে মর্মান্তিকভাবে আঘাত করেছিল। 'রবি একান্তই আমার, রবি কেন বিবাহ করবে ? রবির বিবাহকে তিনই কিছুতেই মেনে নিতে পারেন নি।
জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িতেই বরীন্দ্রনাথ- মৃণালিনীর বিবাহ হয়। সমস্ত ঠাকুরবাড়ির লোকজন বিবাহ সভায় উপস্থিত থাকলেও কাদম্বরী উপস্থিত ছিলেন না। তেতলার নির্জন ঘরে
তিনি তখন অশ্রুজলে বুকের আগুনকে নেভাতে চেষ্টা করছিলেন। কাদম্বরী রবীন্দ্রনাথের বিবাহের পর পরই কেন আত্মঘাতিনী হলেন না ? কেন তিনি আরও চার মাস অপেক্ষা করেছিলেন ?
কদম্বরীকে এককভাবে পছন্দ করে এনেছিলেন দেবেন্দ্রনাথ। সম্ভবত শ্বশুরের অবর্তমানে তিনি বিদায় নিতে চান নি।
রবীন্দ্রনাথকে যারা 'ক্যারেক্টার লেস' বলে অবজ্ঞা করেন তাদের জানা উচিত, রবীন্দ্রনাথ এতোটা স্থূল রুচির মানুষ ছিলেন না। এক ধনাঢ্য সংস্কৃতিমনা ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মেছিলেন । লম্বায় ছিলেন ছয়ফুট দুই ইঞ্চি , গায়ের রঙ ছিলো সাহেবদের মতো ধবধবে , ঢেউ খেলানো রোমান্টিক বাবরীচুল , তীক্ষ্ণ নাসিকা , আয়তচোখে হীরের দ্যুতি ! এ হেন রূপবান পুরুষকে পাওয়ার জন্য কিশোরী রানু অধিকারী থেকে শুরু করে পৃথিবীর যাবতীয় নারীরা তপস্যা করেছে । তিনি চাইলে কোন নারীর অভাব হতো না। ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো রূপে, গুণে, বিদ্যা বুদ্ধি--কোন কিছুতে কম ছিলেন না। উচ্চ শিক্ষিতা, লেখক, কোন একটা পত্রিকার সম্পাদিকা। রবীন্দ্রনাথেকে তিনি দেহে-মনে-প্রাণে পেতে চেয়েছিলেন ! আর ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা ও তাঁর ভাই সুরেন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রনাথকে শিশুকাল থেকেই চিনতে চিনতে বড় হয়েছিলেন। তাদের কাছে তিনি ছিলেন অকপট। তাঁরা তাঁকে বুঝতেন। কোন বস্তুকে পরিমাপ করতে হলে , তার সম উচ্চতা সম্পন্ন হতে হয় । চারা গাছের পক্ষে মহীরুহের উচ্চতা পরিমাপ করা সম্ভন না ! রবীন্দ্রনাথ মানুষকে ভালবাসতেন, কিন্তু প্রেম বলতে যা বোঝায়, তিনি সেটা করেছিলেন একজনের সাথেই আমৃত্যু ! কৃষ্ণকলি কাদম্বরীর কালো হরিণ চোখের কাছেই তিনি আত্মবিসর্জন দিয়েছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ-কাদম্বরীর প্রেমকে যারা 'নিকষিত হেম' বলে তাঁকে দেবতার আসনে বসাতে চেস্টা করেছে, তাদেরও জানা উচিৎ রবীন্দ্রনাথ একজন মানুষ ছিলেন। মানুষের মধ্যে যে সকল চাহিদা থাকে, তাঁর মধ্যেও তার সবকিছুই ছিল। কাদম্বরীর সঙ্গে তিনি কতোটা ঘনিষ্ঠ ছিলেন ? লেখক-কবি যা কিছু সৃষ্টি করেন তা তারই আত্মপ্রতিকৃতি ! রবীন্দ্রনাথ তাঁর "স্তন," "প্রথম চুম্বন" ইত্যাদিতে যে আবহচিত্র এঁকেছেন তা একান্তভাবের নিজস্ব উপলব্ধি থেকেই লেখা সম্ভব। তারপর তিনি যখন বলেন,
" মকরচূড় মুকুটখানি পরি ললাট পরে,
ধনুকবাণ ধরি দখিন করে,
কহিনু, " আমি এসেছি পরদেশী !"
চমকি ত্রাসে দাঁড়ালে উঠি শিলা আসন ফেলে,
শুধালে, "কেন এলে ?"
কহিনু আমি , " রেখোনা ভয় মনে ,
পূজার ফুল তুলিতে চাহি তোমার ফুলবনে !"
চলিলে সাথে, হাসিলে অনুকূল,
তুলিনু যূথী, তুলিনু জাতী, তুলিনু চাঁপাফুল ! --------

এরপরেও কি রবীন্দ্রনাথ-কাদম্বরীর প্রেমকে ' নিকষিত হেম, কাম-গন্ধ নাহি তায়' বলা যাবে ?

*রবীন্দ্রনাথ* *রবিঠাকুর* *প্রেম* *রবীঠাকুর*

বিম্ববতী: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

,,,(মেঘ),,যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো,,, আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা,,,(বৃষ্টি),,, ,,(বৃষ্টি),,,,,তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা,,,(বৃষ্টি),,, ,,,,,(বৃষ্টি),,,,,এ সমুদ্রে আর কভু হবো নাকো পথহারা,,,,,,(বৃষ্টি),,, https://soundcloud.com/asayeed/sahana-bazpai-tomarei-koriyachi-jiboner-dhrubotara
*জল* *জল-ডুব* *ধ্রুবতারা* *রবিঠাকুর* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: "আয়না দেখেই চমকে বলে, “মুখ যে দেখি ফ্যাকাশে, বেশিদিন আর বাঁচব না তো–’ ভাবছে বসে একা সে। . ডাক্তারেরা লুটল কড়ি, খাওয়ায় জোলাপ, খাওয়ায় বড়ি, অবশেষে বাঁচল না সে বয়স যখন একাশি।"

*ছড়া* *রবীন্দ্রনাথ*

অভি: তোমায় গান শোনাব তাই তো আমায় জাগিয়ে রাখ ওগো ঘুম-ভাঙানিয়া বুকে চমক দিয়ে তাই তো ডাক' ওগো দুখজাগানিয়া ॥ এল আঁধার ঘিরে, পাখি এল নীড়ে, তরী এল তীরে শুধু আমার হিয়া বিরাম পায় নাকো ওগো দুখজাগানিয়া ॥ আমার কাজের মাঝে মাঝে কান্নাধারার দোলা তুমি থামতে দিলে না যে। আমার পরশ ক'রে প্রাণ সুধায় ভ'রে তুমি যাও যে সরে-- বুঝি আমার ব্যথার আড়ালেতে দাঁড়িয়ে থাক ওগো দুখজাগানিয়া ॥

*মা* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: [গ্রীষ্ম-আমাররাজত্ব]"বৈশাখে দেখেছি বিদ্যুৎ চঞ্চুবিদ্ধ দিগন্তকে ছিনিয়ে নিতে এল কালো শ্যেন পাখির মত তোমার ঝড় সমস্ত আকাশটা ডেকে উঠল যেন কেশর দোলা সিংহ; তার লেজের ঝাপটে ডালপালা আলুথালু করে হতাশ বনস্পতি ধুলায় পড়ল উপুড় হয়ে।

*বৈশাখ* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: [গ্রীষ্ম-অত্যাচারী]দারুণ অগ্নিবাণে রে হৃদয় তৃষায় হানে রে রজনী নিদ্রাহীন, দীর্ঘ দগ্ধ দিন আরাম নাহি যে জানে রে। শুষ্ক কাননশাখে ক্লান্ত কপোত ডাকে করুণ কাতর গানে রে।....

*গ্রীষ্ম* *প্রকৃতি* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . কালকে রাতে মেঘের গরজনে রিমিঝিমি বাদল-বরিষনে ভাবতেছিলাম একা একা স্বপ্ন যদি যায় রে দেখা আসে যেন তাহার মূর্তী ধ'রে বাদলা রাতে আধেক ঘুমঘোরে। . মাঠে মাঠে বাতাস ফিরে মাতি বৃথা স্বপ্নে কাটলো সারা রাতি। হায় রে সত্য কঠিন ভারী ইচ্ছামতো গড়তে নারি— স্বপ্ন সেও চলে আপন মতে। আমি চলি আমার শূন্য পথে।..

*নষ্টস্বপ্ন* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . গভীর সুরে গভীর কথা শুনিয়ে দিতে তোরে সাহস নাহি পাই। মনে মনে হাসবি কিনা বুঝবো কেমন করে ! আপনি হেসে তাই শুনিয়ে দিয়ে যাই-- ঠাট্টা করে ওড়াই, সখী হালকা করি ভাই, আপন ব্যথাটাই।

*ভীরুতা* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . চাইনে রে মন চাই নে। মুখের মধ্যে যেটুকু পাই যে হাসি আর যে কথাটাই যে কলা আর যে ছলনাই তাই নে রে মন তাই নে।

*অচেনা* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . ফুরায় যা, দে রে ফুরাতে ছিন্ন মালার ভ্রষ্ট কুসুম ফিরে যাস নেকো কুড়াতে। বুঝি নাই যাহা চাই না বুঝিতে, জুটিলো না যাহা চাই না খুঁজিতে, পুরিলো না যাহা কে রবে যুঝিতে তারি গহ্বর পুরাতে। যখন যা পাস মিটায়ে নে আশ ফুরাইলে দিস ফুরাতে।

*উদবোধন* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . আমাদের এই গ্রামের নামটি খঞ্জনা আমাদের এই নদীর নামটি অঞ্জনা আমার নাম তো জানে গাঁয়ের পাঁচজনে আমাদের সেই তাহার নামটি রঞ্জনা। (খুকখুকহাসি)

*একগাঁয়ে* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . ...."ফুরায় যা দে রে ফুরাতে। ছিন্ন মালার ভ্রষ্ট কুসুম ফিরে যাস নেকো কুড়াতে। বুঝি নাই যাহা চাই না বুঝিতে, জুটিল না যাহা চাই না খুঁজিতে, পুরিল না যাহা কে রবে যুঝিতে তারি গহ্বর পুরাতে। যখন যা পাস মিটায়ে নে আশ, ফুরাইলে দিস ফুরাতে।".....

*কবিতা* *উদবোধন* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . ..."আমায় যদি মনটি দেবে দিয়ো , দিয়ো মন— মনের মধ্যে ভাবনা কিন্তু রেখো সারাক্ষণ । খোলা আমার দুয়ারখানা , ভোলা আমার প্রাণ— কখন যে কার আনাগোনা নইকো সাবধান । পথের ধারে বাড়ি আমার , থাকি গানের ঝোঁকে— বিদেশী সব পথিক এসে যেথা - সেথাই ঢোকে । ভাঙে কতক , হারায় কতক যা আছে মোর দামি— এমনি ক'রে একে একে সর্বস্বান্ত আমি । . আমায় যদি মনটি দেবে দিয়ো , দিয়ো মন— মনের মধ্যে ভাবনা কিন্তু রেখো সারাক্ষণ।"...

*অসাবধান* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . ..."চাইনে রে মন চাইনে। মুখের মধ্যে যেটুকু পাই যে হাসি আর যে কথাটাই যে কলা আর যে ছলনাই তাই নেরে মন তাই নে।"...

*অচেনা* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . আমার প্রাণের মাঝে সুধা আছে , চাও কি – হায় বুঝি তার খবর পেলে না। পারিজাতের মধুর গন্ধ পাও কি – হায় বুঝি তার নাগাল মেলে না।

*গান* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: . ওলো সই, ওলো সই, আমার ইচ্ছা করে তোদের মতন মনের কথা কই। ছড়িয়ে দিয়ে পা দুখানি কোণে বসে কানাকানি, কভু হেসে কভু কেঁদে চেয়ে বসে রই। ওলো সই, ওলো সই, তোদের আছে মনের কথা, আমার আছে কই।

*গান* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: [বল্টু-তোমারপাত্তানাই]সত্য কথা সরলভাবে শুনিয়ে দিতে তোরে সাহস নাহি পাই। অবিশ্বাসে হাসবি কিনা বুঝবো কেমন করে ! মিথ্যা ছলে তাই শুনিয়ে দিয়ে যাই-- উল্টা করে বলি আমি সহজ কথাটাই। ব্যর্থ তুমি করো পাছে ব্যর্থ করি, ভাই আপন ব্যথাটাই।

*কবিতা* *ভীরুতা* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: [বল্টু-আদেশদিন]গভীর সুরে গভীর কথা শুনিয়ে দিতে তোরে সাহস নাহি পাই। মনে মনে হাসবি কিনা বুঝবো কেমন করে ! আপনি হেসে তাই শুনিয়ে দিয়ে যাই-- ঠাট্টা করে ওড়াই, সখি হালকা করি, ভাই আপন ব্যথাটাই।

*কবিতা* *ভীরুতা* *রবীন্দ্রনাথ*

Mahi Rudro: [নান্টু-কসকি]যে দুয়ারটা বন্ধ থাকে বন্ধ থাকতে দিও আপনি যাহা এসে পড়ে তাহাই হেসে নিও।

*কবিতা* *অসাবধান* *রবীন্দ্রনাথ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★