রমজানমাস

রমজানমাস নিয়ে কি ভাবছো?

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রোজায় মেসওয়াক ব্যবহারের নিয়ম কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*মেসওয়াক* *মেসওয়াকব্যবহারেরনিয়ম* *রমজানমাস* *রোজা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রমজান মাসের নামকরণ কিভাবে হয়েছিল? পবিত্র রমজান মাস কেন শ্রেষ্ঠ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*রমজানমাস* *মাহেরমজান* *রোজা* *মাস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকার কোন কোন মসজিদে নারীরাও তারাবির নামাজ পড়তে পারবে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*তারাবিনামাজ* *নামাজ* *রমজানমাস* *ইবাদত*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট ব্যবহার করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে কি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*রোজা* *টুথপেস্ট* *মাসালা* *রমজান* *রমজানমাস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রমজান মাস সম্পর্কিত কিছু উক্তি বা বাণী জানতে চাই।

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*রমজান* *রমজানমাস* *মাহেরমজান* *উক্তি*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিতে চান কিন্তু পারেন না। যারা ধূমপান বা জর্দা চিরতরে ছেড়ে দিতে চান, রোজার মাস তাদের জন্য উপযুক্ত সময়। কেননা এ মাসে রোজাদারকে ১৫-১৬ ঘণ্টা এগুলো গ্রহণ না করেই থাকতে হয়। আর রোজা রাখা ধরনের প্রতি তার বিশ্বাস আর তার প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে হয়। এই সময়ে ধূমপান ছাড়ার জন্য রয়েছে কয়েকটি পরামর্শ।

  • ধূমপানের সব ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তো আপনি জানেনি এবং ছাড়ার পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি আছে, শুধু থাকে নিজের কাজে নিজের কমিটমেন্টের অভাব, তাই রমজান মাসে নিজের কাছে নিজে প্রতিজ্ঞা করুন ধূমপান ছাড়া, বিশ্বাস করুন চাইলেই আপনি পারবেন ।]
  • এবার নিজের মনকে ওই যুক্তিগুলোর আলোকে ধূমপান ছাড়ার জন্য প্রস্তুত করুন।
  • পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো এক বিশেষ দিনে ইফতার করার পর আর ধূমপান করবেন না।
  • ধূমপানের তীব্র ইচ্ছা হলে অন্য কাজে বা চিন্তায় নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
  • এ বিষয়ে পরিবারের সদস্য ও বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে কিছু সাহায্য নিন।
  • আপনজন কাউকে আপনার ধূমপান ত্যাগের দায়িত্ব বা কর্তৃত্ব নিতে দিন।
  • কারও সঙ্গে বাজি ধরুন যে আপনি কিছুদিনের মধ্যেই ধূমপান ছেড়ে দেবেন; যেমন এই রমজান মাসেরই একটি দিন।
  • একটা শুভ দিন ঠিক করুন, প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে সিদ্ধান্ত নিন, কোন দিন থেকে এ কাজ শুরু করবেন। এমন একটি দিন ঠিক করুন, যেদিন আপনার কোনো মানসিক চাপ বা উত্তেজনা থাকবে না। এক দিন আগে ঘরের সব সিগারেটের প্যাকেট, ছাইদানি ও লাইটার কিংবা ম্যাচ বাক্স ছুড়ে ফেলে দিন।

 

*রমজানমাস* *রোজা* *ধূমপান* *লাইফস্টাইলটিপস*

পরশ পাথর: [রমজান-নিষিদ্ধ] কেমন আছ আমার বেশতো বন্ধুরা? *শুভ-সকাল* সবাইকে ........................

*বেশতোবাসী* *বেশতো* *বন্ধু* *বেশতোর-সাথে-পথ-চলা* *ভোর* *বেশতো* *আমারকথা* *লেখালেখি* *ফলোয়ার* *সকাল* *রমজানমাস* *রমজান* *রোজা* *পুরানঢাকা* *চকবাজার* *ঢাকা* *ইফতারি* *শুভ-সকাল*

বিডি আইডল: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রমজান মাসে বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করতে হয় কেন?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*রমজানমাস* *রোজা* *কোরআনতিলাওয়াত*

বিডি আইডল: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রোজার ফিদইয়া, কাফফারা ও কাজা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*রোজা* *ফিদইয়া* *রমজানমাস* *রমজান* *কাফফারা* *কাজা*

বিডি আইডল: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সালাতুত তারাবি বিশেষ নামাজ। ইসলামী হুকুম অনুযায়ী এটি সুন্নাতে মোয়াক্কাদাহ। মূলত মাহে রমজানে রাতের বেলায় এশার ফরজ ও সুন্নাত নামাজের পরে বিতরের আগে তারাবির নামাজ আদায় করতে হয়।
সাধারণ নফল ও সাধারণ সুন্নাতের চেয়ে অধিকতর মর্যাদাবান। গুরুত্বের দিক থেকে ওয়াজিবের কাছাকাছি। তারাবির নামাজ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত। এর ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (স.) এর অনেক হাদিস রয়েছে।

মূলত মাহে রমজানে তারাবির নামাজের গুরুত্ব সীমাহীন। কারণ মাহে রমজান যেসব বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য মহিমান্বিত, তার মধ্যে অন্যতম হলো তারাবির নামাজ। তারাবির নামাজ মুসলমানদের ওপর সারা বছরের মধ্যে শুধুই রমজান মাসের জন্য সুন্নাত বিধান হিসেবে স্থিরকৃত। রমজানে তারাবির গুরুত্ব অনেক। তারাবি রমজানের বিশেষ এবাদত হিসেবে গণ্য। পবিত্র রমজানে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে পছন্দের এবাদত ছিল, তাই এটি উম্মতে মোহাম্মদীর কাছেও পছন্দের। যুগ যুগ ধরে বিশ্ব মুসলিম অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মাহে রমজানে সালাতুত তারাবিহ আদায় করে আসছেন।

সাহাবি হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহকে (সা.) রমজান সম্পর্কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াব (পুণ্য) লাভের আশায় কিয়ামে রমজান তথা তারাহির নামাজ আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (সহিহ বোখারি/ সহিহ মুসলিম) রাসুলুল্লাহ (সা.) সালাতুত তারাবিহকে কতখানি গুরুত্ব দিতেন এবং উম্মতি মোহাম্মদীর জন্য তারাবি যাতে ফরজ হয়ে না যায়, সেজন্য কী করেছেন তা নিচের হাদিস পড়লেই অনুমেয় হবে।

"এ প্রসঙ্গে হজরত উরওয়াহ ইবনে যুবায়ের (রা.) হজরত আয়েশা সিদ্দিকী (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) একবার রমজান মাসে রাত্রিবেলায় মসজিদে নববীতে নামাজ (তারাবি) আদায় করলেন। উপস্থিত লোকজনও তাঁর সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন। একইভাবে তাঁরা দ্বিতীয় দিনেও নামাজ আদায় করলেন এবং লোকসংখ্যা অনেক বেশি হল। অতঃপর তৃতীয় এবং চতুর্থ দিনেও মানুষ একত্রিত হলো কিন্তু রাসুলুল্লাহ (স.) হুজরা থেকে বেরিয়ে তাদের কাছে এলেন না। অতঃপর সকাল হলে তিনি এলেন এবং বললেন, তোমাদের অপেক্ষা করার বিষয়টি আমি লক্ষ্য করেছি। কিন্তু শুধু এ ভয়ে আমি তোমাদের নিকট আসা থেকে বিরত থেকেছি যে, আমার আশঙ্কা হচ্ছিল, না জানি তোমাদের ওপর উহা (তারাবি) ফরজ করে দেওয়া হয়। (সহি বোখারি : ৯২৪, সহি মুসলিম : ৭৬১)।"


হাদিসের তথ্যমতে রাসুলুল্লাহ (স.) তিনদিন মসজিদে নববীতে জামাতের সঙ্গে তারাবির নামাজ আদায় করেছেন। অতঃপর রাসুলের যুগে এবং হজরত আবু বকর (রা.)-এর খিলাফতকালে এবং হজরত ওমর (রা.)-এর খিলাফতের প্রথম দিকে মুসলমানরা একাকী অথবা খণ্ড খণ্ড ছোট জামাতে তারাবির নামাজ আদায় করতেন। অবশেষে হজরত ওমর (রা.) হজরত উবাই ইবনে কা’ব (রা.)-কে ইমাম নির্ধারণ করে সম্মিলিতভাবে জামাতের সঙ্গে ২০ রাকাত তারাবির নামাজ আদায়ের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ প্রসঙ্গে সহি বোখারি : ২০১০ দ্রষ্টব্য।


তারাবির নামাজ এশার নামাজের পর বিতরের আগে ২০ রাকাত জামাতে পড়া উত্তম। মহানবী (সা.) কখনো চার রাকাত, কখনো আট রাকাত, কখনো ১২ রাকাত, তবে বেশির ভাগ ২০ রাকাত পড়তেন। নবীজীর জীবদ্দশায় সাহাবাগণও অধিকাংশ ২০ রাকাত তারাবি আদায় করতেন। ২০ রাকাত পড়ার ব্যাপারে সর্বজন ফকীহগণও একমত হয়েছেন। বরং আমিরুল মোমিনিন হযরত ওমর ফারুকের (রা.) জামানায় জামাতের সঙ্গে ২০ রাকাত তারাবি আদায় করা হতো। ইমাম আজম আবু হানিফা (রা.) এর অনুসারীরা সুদীর্ঘকাল ধরে জামাতে ২০ রাকাত তারাবি পড়ে আসছেন। তবে কেউ চাইলে ৮ কিংবা ১২ রাকাতও পড়তে পারেন।


যেহেতু রমজান মাস ছাড়া বছরের অন্য কোনো সময়ে তারাবির নামাজ আদায় করার সুযোগ নেই, তাই বার্ষিক ইবাদত হিসেবে এর গুরুত্ব অন্যান্য সুন্নাত নামাজ অপেক্ষা বেশি। অতএব মাহে রমজানের বিশেষ ফজিলতপূর্ণ তারাবির নামাজকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়। 


আল্লাহতাআলা আমাদের সবাইকে ইসলামী হুকুমমতে তারাবির নামাজ আদায় করার তওফিক দিন- আমিন।

*তারাবি* *নামাজ* *রমজানমাস* *ইসলামীবিধান*

পরশ পাথর: এই রমজান মাসে আমার সকল বেশতো বন্ধুরা সুস্থতা কামনা করছি? *শুভ-সকাল* সবাইকে ........................

*বেশতোবাসী* *বেশতো* *বন্ধু* *বেশতোর-সাথে-পথ-চলা* *ভোর* *বেশতো* *আমারকথা* *লেখালেখি* *ফলোয়ার* *সকাল* *রমজানমাস* *রমজান* *রোজা* *পুরানঢাকা* *চকবাজার* *ঢাকা* *শুভ-সকাল*

পরশ পাথর: এই রমজান মাসে আমার সকল বেশতো বন্ধুরা সুস্থতা কামনা করছি? *শুভ-সকাল* সবাইকে ........................

*বেশতোবাসী* *বেশতো* *বন্ধু* *বেশতোর-সাথে-পথ-চলা* *ভোর* *বেশতো* *আমারকথা* *লেখালেখি* *ফলোয়ার* *সকাল* *রমজানমাস* *রমজান* *রোজা* *পুরানঢাকা* *চকবাজার* *ঢাকা* *শুভ-সকাল*

বিডি আইডল: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রমজান মাসের জুম্মা দিনের ফজিলত ও মর্যাদার দিক থেকে অন্য সময়ের চেয়ে অবশ্যই ভিন্ন আর তাই মুসল্লীরা রমজানের জুম্মা দিন গুলোকে একটু ভিন্ন পরিবেশেই দেখে থাকেন। রমজান এবং জুম্মা দিন উভয় মিলেই এ দিনের মর্যাদা অনেক অনেক বেশি।তাই এই দিনে রোজাদার ব্যক্তি নিজেদের আমলের ঝুড়িকে ভারি করতে আরো বেশি তৎপর হয়ে থাকেন। জুম্মা নামাজ বাদেও এই দিনে রোজাদার ব্যক্তি বেশি পরিমান দানের জন্য নিজেদের হাতকে প্রসারিত করে থাকেন।

জুম্মা দিনের ফজিলত রোজার মাসে সবচেয়ে বেশি হওয়াতে মুসল্লীরা ইবাদতের পরিমানকে বৃদ্ধি করে থাকেন। বিশেষ করে এই দিনে গরীব অসহায় রোজাদারদের ইফতার কারনো সুযোগ থাকে। তাছাড়া জুম্মা নামাজে শরীক হয়ে মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট নিজেদের পাপমোচনের জন্য চেষ্টা করতে থাকেন। রমজান মাসকে কোরান নাজিলের মাস বলা হয়েছে। তাই এ মাসে অধিক পরিমান কোরান তেলাওয়াত করা হয়ে থাকে। সকলের উচিত প্রতিদিনই কম বেশি কোরান তেলাওয়াত করা। কোরান তেলাওয়াতের ফজিলতের বিষয়ে বলা হয়েছে-যে ব্যক্তি কোরান শরীফ তেলাওয়াত করেন তাকে প্রতিটি হরফের বিনিময় ১০টি করে নেকী প্রদান করা হবে।

আর রমজান মাসের প্রতিটি কাজের বিনিময় ৭০গুন বৃদ্ধি করায় কোরান তেলাওয়াত থেকে কেউ নিজেকে মাহরুম রাখতে চান না। রমজান মাসে কোরান খতমের রেওয়াজ বেশি হয় এই কারনেই যে এই মাসের ফজিলত ও মর্যাদা বেশি। আল্লাহপাক এই রোজার জুম্মা দিনের ফজিলত থেকে আমাদের মাহরুম না করেন সে বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। রমজান মাসের রোজার বিনিময়ে আমরা তাকওয়া অর্জনের সুযোগ লাভ করি আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেই আমাদের ইহকালিন ও পরকালিন জগতে শান্তি নিশ্চিত হবে।

*রমজানমাস* *জুম্মাবার* *জুম্মারদিন* *ফজিলত*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★